Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    মাসুদ রানা ৪৫৮ – মহাপ্লাবন

    কাজী মায়মুর হোসেন এক পাতা গল্প414 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    মহাপ্লাবন – ১৩

    তেরো

    সুপারইণ্টেণ্ডেণ্ট উবোন হিমুরার মেসেজ পেয়ে ট্রেনে চেপে কয়েক স্টেশন যাওয়ার পর অন্য আরেক ট্রেনে উঠেছে রানা ও সোহেল। আরও চার স্টেশন পেরোবার পর নিয়েছে ট্যাক্সি। একটু পর ওটা ছেড়ে নানান গলি ঘুরে পৌঁছে গেছে মেট্রো পুলিশ দপ্তরের সামনে।

    ‘দেখে তো মনে হচ্ছে না বদ পুলিশের আখড়া,’ মন্তব্য করল সোহেল।

    বাড়ির চারদিকের দেয়ালে রামধনুর সাত রঙ। প্রধান ফটকের সামনে অ্যাটেনশন হয়ে দাঁড়িয়ে আছে পুরো ইউনিফর্ম পরা এক অফিসার। হাতে সাদা গ্লাভস। ডানহাতে চকচকে পলিশ করা লাঠি। লোকজন পাশ দিয়ে গেলেও নড়ছে না সে, চোখের পাতাও ফেলছে না।

    ‘রিতসুবান,’ বলল রানা, ‘অতন্দ্র প্রহরী। সাধারণ মানুষ যেন বুঝতে পারে, সবসময় তাদের ওপর চোখ রেখেছে পুলিশ বাহিনী।’

    ‘শুনে জ্ঞান লাভ করলাম,’ বলল সোহেল। ‘কিন্তু কথা হচ্ছে, মাস্টার শিমেযুকে নিরাপদে রাখতে পারেনি।’

    দালানে প্রবেশ করে হীরক আকৃতির এক রুমে ঢুকল ওরা। দুটো দরজা দালানের গভীরে যাওয়ার জন্যে, আবার রাস্তায় যাওয়ার জন্যে দুটো দরজা। ডিউটি অফিসারের সঙ্গে কথা বলতে হবে ভেবেছিল রানা ও সোহেল, কিন্তু কয়েকটা ডেস্কে বসে আছে জাপানি ভাষা বলা কয়েকটা কমপিউটার। সোহেলের সুবিধার জন্যে একটার সামনে থামল রানা। স্ক্রিনে টোকা দিতেই জাপানি ভাষা ভুলে ইংরেজির বোল ফোটাল যন্ত্রটা। জানতে চাইল, ‘আপনি আমেরিকান ইংরেজিতে কথা বলতে চান, নাকি ব্রিটিশ ইংরেজি?’

    বিরক্ত হয়ে স্ক্রিনের অপশন থেকে ব্রিটিশ ইংরেজি বেছে নিল সোহেল।

    ওয়েলকাম টু দ্য ইয়ামানা পোলিস স্টেশন,’ অভ্যর্থনার সুরে বলল কমপিউটার, ‘প্লিয স্টেট ইয়োর রিযন ফর অ্যারাইভাল।’

    ‘সুপারইণ্টেণ্ডেণ্ট উবোন হিমুরার সঙ্গে দুপুর দুটোয় আমাদের মিটিং আছে,’ বলল রানা।

    ‘দয়া করে নিজের নাম ও কোন্ দেশের মানুষ তা টাইপ করে দাঁড়ান ক্যামেরার সামনে।’

    ‘মাসুদ রানা, জাতে বাঙালি, বাংলাদেশের নাগরিক।’

    আউড়াল সোহেল, ‘সোহেল আহমেদ, জাতে বাঙালি, বাংলাদেশের নাগরিক।’

    চুপ থাকল কমপিউটার।

    ‘ল্যারি কিঙের সুন্দরী ভেনাস সুযোগ পেলে এত চুপচাপ স্বামী হাতছাড়া করত না,’ মন্তব্য করল সোহেল।

    ল্যারি কিং নুমার রেসিডেন্ট কমপিউটার জিনিয়াস। তৈরি করেছে অত্যাধুনিক কমপিউটার সিস্টেম। তাক লেগে যাবে যে কারও। ওর কমপিউটার ভাবতে পারে নিজে থেকে। আছে সবচেয়ে দ্রুত প্রোসেসর। ফলে ভেনাস পৃথিবীর সেরা আর্টিফিশাল ইন্টেলিজেন্সের অধিকারী। এমন কী, তার আছে সূক্ষ্ম কৌতুকবোধও।

    মৃদু শব্দে খুলে গেল ডানদিকের দরজা। ‘আপনাদের জন্যে অপেক্ষা করছেন সুপারইন্টেণ্ডেণ্ট হিমুরা। ওদিকের দরজা পেরিয়ে এগিয়ে যান।’

    তিন ধাপ সিঁড়ি বেয়ে দ্বিতীয় ঘরে ঢুকল রানা ও সোহেল। চারপাশে দেখল শ’খানেক কমপিউটার স্ক্রিন সামনে নিয়ে বসে আছে একদল পুরুষ ও নারী। টিপে চলেছে কি-বোর্ড। ঘরের মাঝে কোনও দেয়াল নেই। আধুনিক ডিযাইন। ছাতে নির্দিষ্ট জায়গায় বাতি। একতিল ধুলো নেই ঘরে। চকচক করছে চারপাশ। কোনও অপরাধীকে দেখল না রানা ও সোহেল। তাতে অবাক হওয়ার কিছু নেই। জাপানের ক্রাইম রেট পৃথিবীর সবচেয়ে নিচে। এর বড় কারণ, দেশটি অত্যন্ত ধনী। আরেকটি কারণ, জাপানিরা ছোটবেলা থেকেই শেখে নিয়ম- কানুন।

    দু’একজন চেয়ে দেখলেও বেশিরভাগ অপারেটর ঘুরেও তাকাল না ওদের দিকে।

    কালো প্যান্ট, সাদা শার্ট ও ধূসর টাই পরনে এক মাঝবয়সী ভদ্রলোক এগিয়ে এলেন রানা ও সোহেলের দিকে। তাঁকে অ্যাথলেট বলেই মনে হলো ওদের। চিবুকে গভীর খাদ। খাটো করে ছাঁটা কালো চুল।

    ‘আমিই সুপারইণ্টেণ্ডেণ্ট উবোন হিমুরা,’ বললেন তিনি।

    মৃদু বাউ করল রানা, তবে ওর সঙ্গে হ্যাণ্ডশেক করলেন তিনি। ‘খুশি হলাম আপনাদের সঙ্গে দেখা হওয়ায়। দয়া করে আমার সঙ্গে আসুন।’

    নিখুঁত, ছোট এক অফিসে ওদেরকে নিলেন উবোন হিমুরা। ডেস্কের সামনের চেয়ারে বসতে বললেন।

    ‘আমার দেখা পৃথিবীর সেরা পুলিশ স্টেশন এটা,’ মন্তব্য করল সোহেল।

    ‘তা বোধহয় নয়,’ বললেন উবোন হিমুরা। ‘আমরা অন্যদের সঙ্গে প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে চাই, এটুকু বলতে পারি।’

    চারপাশে তাকাল সোহেল। ওর চোখ খুঁজছে খুঁত। নেই কোথাও। তারপর ওর মনে পড়ল রানার কথা, জাপানিরা সবসময় প্রশংসাকে নিন্দনীয় বলে ধরে নেয়। তাই চেষ্টা করে আরও নিখুঁত হতে। বাঙালিদের অতি তাড়াহুড়োর কথা ভেবে লজ্জা পেল সোহেল। মনে পড়েছে বাংলাদেশের জাতীয় দৈনিক পত্রিকার হেডিং: রকেট বেগে চলেছে বাঙালি শিশু। আর্টিকেলে লেখা হয়েছে: কত কম বয়সে স্কুলে গুঁজে দেয়া হচ্ছে বাচ্চাগুলোকে। তাতেই খুশিতে কুর্দন করছে বা লম্ফ দিচ্ছে বাবা-মারা। দেখিয়ে দিলাম দুনিয়াকে। অথচ, জাপানে বেশিরভাগ শিশুকে দশ বছর হওয়ার আগে স্কুলে ভর্তিই করা হয় না। আগে বাবা-মা ও আত্মীস্বজনকে সময় দেয়া হয়, যাতে তাঁরা বাচ্চাটাকে মানুষ হওয়ার পথে এগিয়ে নিয়ে যেতে পারেন।

    এই দালান সত্যিকারের শিল্প। দেখার মত। কোথাও কোনও খুঁত পাবে না কেউ। এখানে আসার সময় ওরা দেখেছে র‍্যাকে রাখা অস্ত্র। যে-কেউ বলবে জাদুঘরে পা রেখেছে সে। ধুলোর কণাও নেই কোথাও।

    ‘আপনাদের ফয়েতে দেখলাম, রিসেপশনিস্ট বা ডিউটি অফিসার নেই,’ বলল সোহেল।

    ‘কেউ থাকলে সময় নষ্ট হতো,’ বললেন সুপারইণ্টেণ্ডেণ্ট হিমুরা, ‘আপনারা তো জানেন, ক্রমেই কমছে জাপানিদের জনসংখ্যা। আরও জরুরি কাজ দেয়া হচ্ছে পুলিশ অফিসারদেরকে।’

    ‘কিন্তু ওই যে রিতসুবান?’ প্রশ্ন তুলল সোহেল।

    কাঁধ ঝাঁকালেন সুপারইন্টেণ্ডেণ্ট হিমুরা। ‘অপরাধ থেকে সবাইকে দূরে রাখতে এ ব্যবস্থা। তবে জীবন্ত গার্ড না রেখে ব্যধহার করা হয় ম্যানিকিন।’

    ওটা এতই নিখুঁত, বোঝার উপায় ছিল না যে নকল পুলিশ।

    ‘ভাল… আপনাদের মেশিন রিসেপশনিস্ট অনেক ভাষা জানে, এটা বলতেই হবে,’ প্রশংসার সুরে বলল সোহেল।

    ‘এ ছাড়া উপায়ও ছিল না,’ বললেন হিমুরা। ‘আমরা জানি, জাপানের বেশিরভাগ অপরাধ করে বিদেশিরা।’

    সুপারইণ্টেণ্ডেন্টের মুখে মৃদু হাসি দেখল রানা। কথাটা বলে তৃপ্তি পেয়েছেন তিনি।

    ‘এবার বলুন কেন ডেকেছেন?’ জানতে চাইল সোহেল।

    ‘আমরা চাই, আপনারা যেন যত দ্রুত সম্ভব এ দেশ ছেড়ে চলে যান,’ হঠাৎ করেই বোমা ফাটালেন হিমুরা।

    ‘জী?’ চেয়ারের পিঠে হেলান দিল রানা।

    ‘আমরা চাই আপনারা যেন দেরি না করে ফিরে যান, ‘ আবারও বললেন হিমুরা, ‘আপনাদেরকে এস্কোর্ট করে বিমানবন্দরে পৌছে দেব আমরা।’

    ‘আপনারা কি জোর করে আমাদেরকে এ দেশ থেকে বের করে দিতে চাইছেন?’ জানতে চাইল রানা।

    ‘আপনাদের নিরাপত্তার স্বার্থেই,’ বললেন পুলিশ সুপার, ‘গতরাতে যারা হামলা করেছিল, তাদের পরিচয় কী, তা জানতে পেরেছি আমরা। আগে তারা ছিল ইয়াকুয়া দলের কুখ্যাত খুনি।’

    ড্রাগনের খপ্পরে পড়ে আহত হলো যে লোক, তার বর্ণনা সোহেল দেয়ার পর, রানাও ধারণা করেছিল, সে হবে ইয়াকুযা দলের কেউ। নানান উল্কি ব্যবহার করে তারা। প্রথম যে প্রশ্নটা ওর মনে এল, সেটা জিজ্ঞেস করল, ‘কিন্তু কেন আধপাগল এক বিজ্ঞানীকে খুন করতে চাইবে ইয়াকুয়া দলের কেউ?’

    ‘প্রাক্তন ইয়াকুযা,’ শুধরে দিলেন হিমুরা। ‘দল থেকে বেরিয়ে গেছে।’

    ‘তার মানে, বলতে চাইছেন, সে বা তারা এখন ভাড়াটে খুনি,’ মন্তব্য করল রানা।

    মাথা দোলালেন পুলিশ সুপার। ‘আগে ইয়াকুযারা ছিল রোনিন। মানে, সামুরাই যোদ্ধা। মাথার ওপরে ছিল না প্রভু বা মালিক। যাযাবর বলতে পারেন। বা ভাড়াটে যোদ্ধা। এ যুগেও তা-ই রয়ে গেছে। কেউ উপযুক্ত টাকায় ভাড়া করলে তার হয়ে খুন করে খুশি মনে। মিস্টার সোহেল যাকে দেখেছেন, সে একসময় ছিল ইয়াকুয়া দলের পাণ্ডা। তবে কয়েক বছর আগে ইয়াকুয়া দলের সিণ্ডিকেট ভেঙে দিই আমরা। বড় নেতাদের ভরা হয় জেলখানায়। নিচে যারা ছিল, গোপনে অপরাধ করছে তারা। কারও নির্দেশে কাজ করে না। ফলে আরও অনেক বিপজ্জনক হয়ে উঠেছে এরা।

    ‘আপনারা কি জেনেছেন, কার হয়ে কাজ করছে ওরা?’ জানতে চাইল রানা।

    মাথা নাড়লেন হিমুরা। ‘বড় অঙ্কের টাকা নিয়ে মানুষ খুন করে। একেকজনের আলাদা আলাদা স্টাইল। জানার উপায় নেই, ওদেরকে ভাড়া করেছে কে বা কারা।’

    শিমেযুর দুর্গে হামলার পেছনে রয়েছে চিনের পুব সাগর থেকে পাওয়া ডেটা। অথচ, আর কোনও তথ্য নেই। পুলিশ সুপার কী বলেন জানতে তাঁর দিকে তাকাল রানা।

    ‘মূল কথা হচ্ছে, হামলা ঠেকিয়ে দিয়েছেন আপনারা, বললেন হিমুরা। ‘এবার ধরে নিতে পারেন, আপনাদেরকে বাঁচতে দেবে না তারা। নইলে অপরাধী সমাজে ছোট হতে হবে। তাই এই অপমান সহ্য করবে না তারা কিছুতেই।’

    ‘অথচ, একটু আগে বলেছেন, জাপানের বেশিরভাগ অপরাধ করে বিদেশিরা,’ মন্তব্য করল রানা।

    ‘তাই করে, অত্যন্ত দুঃখজনক,’ মাথা নাড়লেন হিমুরা। সোহেলের দিকে ঠেলে দিলেন একটা ফাইল। ‘শুধু আপনি দেখেছেন তাদের একজনকে। তাই ওই লোককে সনাক্ত করলে, উপকৃত হব আমরা।’

    ফাইল টেনে নিয়ে খুলল সোহেল। ভেতরে মানুষের ছবি নেই, বদলে রঙিন সব ডিযাইন। সবই পিঠ ও কাঁধের উল্কি।

    ‘ইয়াকুযারা সারাশরীরে এঁকে নেয় উল্কি,’ বললেন হিমুরা, একেক দল ব্যবহার করে একেক ডিযাইন। দেখুন ওই লোকের ডিযাইনের সঙ্গে এদের কারও মিল আছে কি না।’

    সোহেলের পাশ থেকে দেখছে রানা। অত্যন্ত জটিল সব ডিযাইন। একেবারেই আলাদা। কোনও কোনওটার ভেতর রয়েছে ডানা বা ড্রাগন। এ ছাড়া, আছে আগুন ও করোটি। একটা ক্যালাইডোস্কোপে অসংখ্য রঙ ও ধারালো তলোয়ার।

    ‘এখানে নেই,’ প্রথম পাতা ওল্টাল সোহেল। পরের পৃষ্ঠা দেখে মাথা নাড়ল। ‘এখানেও নেই।’ আরও কয়েক পৃষ্ঠা দেখার পর হঠাৎ মুখ তুলল। ‘এই যে প্যাটার্ন, এটাই ছিল ওই লোকের ঘাড়ে। তবে খানিকটা মাংস আর চামড়া নিয়ে গেছে কমোডো ড্রাগন। ‘

    কাগজটা দেখলেন হিমুরা। ‘যা ভেবেছি। কুখ্যাতির কারণে এর নাম দেয়া হয়েছে: ‘ওরে’। অর্থাৎ প্রেতাত্মা বা ভূত। পুরো নাম: ‘ওরে চিচিওয়া’।

    ‘তা হলে এই লোকই প্রেতাত্মা?’ মৃদু হাসল সোহেল। ‘কী সৌভাগ্য, প্রথমবারের মত দেখা পেলাম।’

    ‘আসল নাম কেউ জানে না,’ বললেন পুলিশ সুপার। ‘প্রথমে যখন সিণ্ডিকেটের হয়ে খুন করতে লাগল, তার কিছু দিনের ভেতর ছড়িয়ে পড়ল কুখ্যাতি। বেশিরভাগ খুনি মজা পায় না খুন করতে। কিন্তু এর কথা আলাদা। খুব খুশি হয় ভয়ঙ্করভাবে মানুষ হত্যা করতে পারলে। তা ছাড়া, হুড়মুড় করে এসেছে লাখ লাখ টাকা। আর কী চাই!’

    ‘জানলেন কে খুন করেছে দুর্গে, এবার ধরে ফেলুন,’ বলল রানা। ‘সেক্ষেত্রে আর এ দেশ ছেড়ে চলে যেতে হবে না আমাদেরকে।’

    ‘ব্যাপারটা অত সহজ নয়,’ ডিযাইনটা সরিয়ে রাখলেন হিমুরা। ‘এদেরকে বাগে পাওয়া কঠিন। বছরের পর বছর ধরে তাকে খুঁজছি আমরা।’

    ‘কমোডো ড্রাগন বিষাক্ত,’ বলল সোহেল। ‘যে লোকটা কামড় খেয়েছে, তাকে অবশ্যই যেতে হয়েছে হাসপাতালে বা মর্গে।’

    ‘সত্যিই খুব বিষাক্ত হয় কমোডো ড্রাগন,’ সায় দিলেন পুলিশ সুপার। ‘তবে আজ সকালে এক এক্সপার্টের সঙ্গে কথা বলেছি। তিনি বলেছেন, প্রতিটা কামড়ে বিষ ঝাড়ে না এসব গিরগিটি। মিস্টার সোহেল, আপনি যে কামড় খেতে দেখেছেন, ওটা মারাত্মক হামলা না-ও হতে পারে।’

    ‘ড্রাগনের মুখের ভেতরের অবস্থা ভাল থাকার কথা নয়, বলল রানা। ‘যতটা মনে পড়ে, ওগুলোর দাঁতে থাকে হাজার রকমের ব্যাকটেরিয়া।’

    ‘কথা ঠিক,’ সায় দিলেন হিমুরা, ‘ওরে বোধহয় এখন জ্বরের ঘোরে কোঁ-কোঁ করছে। নিশ্চিতভাবেই ইনফেকশন হয়েছে। নিচ্ছে হাই-ডোযের অ্যান্টিবায়োটিক। তবে ধরে নিতে পারেন বাঁচবে সে। আর এজন্যেই আপনাদের বোঝার কথা, আপনারা আছেন মস্ত বিপদে। প্রথমে এ কথাই বলেছি।’

    চেয়ারে হেলান দিল রানা। বুঝে গেছে সহজ সমাধানে পৌঁচেছেন হিমুরা। তাই ওদেরকে ডেকে এনেছেন পুলিশ স্টেশনে। নিজ মুখে বলছেন না কিছু।

    কয়েক সেকেণ্ড পর বলল রানা, ‘আমরা যদি সহায়তা করি, আপনি হয়তো উৎরে দিতে পারবেন আমাদেরকে এই বিপদ থেকে।’

    চুপ করে থাকলেন হিমুরা।

    ‘এসব ভেবেই বহু পথ ঘুরে আপনাদের স্টেশনে এসেছি আমরা,’ বলল রানা। ‘আমাদের পিছু নেয়নি কেউ।’

    মৃদু মাথা দোলালেন পুলিশ অফিসার। ‘আপনারা খুব বিচক্ষণ মানুষ। জেদিও। আবার এ কথাও ঠিক, জেদি হলেও ততটা বিচক্ষণ নন আপনারা।’

    ‘আমরা চাই আপনাদের পাশে থাকতে,’ বলল রানা।

    ‘তা হলে কী করতে বলেন?’ ভুরু নাচালেন হিমুরা।

    ‘আপনি তো জানেন, হামলাটা ছিল বড় ধরনের। ব্যবহার করা হয়েছে কয়েকটা স্পিডবোট। ছিল ডযনখানেক লোক। সঙ্গে প্রচুর আগ্নেয়াস্ত্র। ব্যবহার করেছে গ্রেনেড। এসব সংগ্রহ করতে গিয়ে ব্যয় করেছে বহু টাকা। যে যা-ই বলুক, চোর, ডাকাত বা অপরাধীদের ভেতর সম্মান বলে কিছু থাকে না। একজন আরেকজনকে বিশ্বাস করে না। তার মানে, কাজটা শেষ না হওয়া পর্যন্ত পয়সা পাবে না এরা। অন্তত পুরো টাকা পায়নি।’

    গম্ভীর হলেন হিমুরা। ‘বোধহয় বোঝাতে চাইছেন, বিশেষ কোথাও বসে টাকা লেনদেন হবে।’

    ‘সেটা আপনি আগেই জানেন, বলল রানা।

    মাথা দোলালেন পুলিশ সুপার। ক’সেকেণ্ড ভেবে নিয়ে বললেন, ‘কিন্তু আপনারা কোন্ দিক থেকে কাজে আসবেন আমাদের?’

    ‘বিজ্ঞানী শিমেযু আর তাঁর লোকদেরকে পাঠিয়ে দিন কোনও সেফহাউসে,’ বলল রানা, ‘মিডিয়ায় ছড়িয়ে দিন, হামলায় মারা গেছে ক’জন বাঙালি। একজন এখনও মৃত্যুর সঙ্গে লড়ছে। নাম প্রকাশ করবেন না কারও। সংখ্যা বলাই যথেষ্ট।’

    ‘আচ্ছা? তারপর?’

    ‘ওরে প্রাক্তন ইয়াকুযা খুনি, কমোডো ড্রাগনের কামড়ে প্রতি চারঘণ্টায় নিচ্ছে হাই-পাওয়ারের অ্যান্টিবায়োটিক। স্বাভাবিকভাবেই তার মনে হবে, এখনই উচিত নিযুক্তকারীর কাছে বাকি টাকা চেয়ে নেয়া।’

    রানা থেমে যেতেই ওর মনের কথা বললেন হিমুরা, ‘প্রাপ্য টাকা নিতে গোপন আস্তানা থেকে বেরোবে ওরে চিচিওয়া।’

    ‘আমার তা-ই ধারণা,’ বলল রানা।

    ‘যদি চেক-এ পরিশোধ করে,’ বলল সোহেল, ‘বা ইলেকট্রনিকালি?’

    ‘অনেক বড় অঙ্কের টাকা,’ বললেন হিমুরা। ‘ঝামেলা করতে পারে সরকারী ক্লিয়ারিং হাউস। কাজেই টাকা হারাবার ঝুঁকি নেবে না ওরে। সাধারণত এসব লেনদেন হয় খোলামেলা জায়গায় মুখোমুখি বসে। কোনও পক্ষ যেন বিশ্বাসঘাতকতা করতে না পারে।’

    ‘আপনি যদি বের করতে পারেন কোথায় লেনদেন হবে, ওখানে হাজির হব আমরা,’ বলল রানা। ‘দেখিয়ে দিতে পারব কে ওরে চিচিওয়া। এরপর যা করার আপনারা করবেন।’

    সোহেলের দিকে তাকালেন পুলিশ সুপার। ভাবছেন, অনেক বেশি ঝুঁকি নিতে হবে বাঙালি লোকটাকে।

    ওরেকে চিনিয়ে দিতে আমার কোনও আপত্তি নেই,’ বলল সোহেল

    নীরবে কী যেন ভাবতে লাগলেন হিমুরা। কিছুক্ষণ পর মাথা দুলিয়ে বললেন, ‘আপনারা অত্যন্ত সাহসী মানুষ তা আগেই বুঝেছি, নইলে গতকাল রাতে ওভাবে লড়তেন না।’

    ‘আমরা অতি সাহসী লোক নই, তবে প্রয়োজনে দায়িত্ব পালন করতে পিছিয়ে যাই না,’ বলল রানা।

    ‘আমাদের মতই আপনারাও প্রশংসাকে পাত্তা দেন না, বললেন হিমুরা। ‘তবে বুঝতে পারছি না, কী কারণে এত বড় বিপদের ঝুঁকি নেবেন।

    ‘কেউ হামলা করলে ঠিক পছন্দ করি না আমরা,’ বলল রানা। ‘তা ছাড়া, দায়িত্বও এড়িয়ে যাই না। আমাদের কারণেই হামলা হয়েছে দুর্গে মানুষগুলোর ওপর। আপনি চান ওরে চিচিওয়াকে। আর আমরা জানতে চাই তাকে টাকা দিয়েছে কে বা কারা এবং তা কী কারণে।’

    ‘তার মানে, নুমা বা আমেরিকান সরকার জানতে চায়?’

    মাথা নাড়ল রানা। ‘কোনও পক্ষ জানতে চাইলে, সেটা বাংলাদেশ সরকার।’

    পুলিশ সুপার হিমুরা বুঝে গেলেন সাধারণ সিভিলিয়ান নয় মাসুদ রানা ও সোহেল আহমেদ। সিধে করে নিলেন ডেস্কে পড়ে থাকা কয়েকটা কাগজ। বললেন, ‘ঠিক আছে। তবে জানিয়ে রাখি, সব তথ্য মিথ্যা দেব না আমরা। দুঃখজনকভাবে সকালে অচেতন অবস্থাতেই মারা গেছেন বিজ্ঞানী ইয়োশিরো শিমে। বেশি পুড়ে গিয়েছিল তাঁর ফুসফুস।’

    কথাটা শুনে চোয়াল শক্ত হয়ে গেল রানার। ভাবছিল এমনই কিছু হবে।

    গম্ভীর হয়ে গেছে সোহেলও।

    একবার ওকে দেখে নিয়ে পুলিশ সুপারের দিকে তাকাল রানা। ‘আশা করি তাঁর শিষ্যদেরকে নিরাপদ কোথাও সরিয়ে দেবেন? নিজের কাজ শেষ করতে চাইতে পারে ওরে।’

    ‘এরই ভেতর সরিয়ে ফেলেছি,’ বললেন হিমুরা, ‘তবে দুধে একটা মাছি ছিল।’

    ‘সে কে?’

    ‘শিমের মহিলা বডিগার্ড।’

    ‘হিনা,’ বিড়বিড় করল সোহেল।

    ‘হাওয়ায় মিলিয়ে গেছে,’ বললেন হিমুরা। ‘বিজ্ঞানী মারা যাওয়ার সময় ওঁর বেডের পাশেই ছিল। মনে হয়েছিল প্রচণ্ড মানসিক আঘাত পেয়েছে। কিন্তু পরে যখন জবানবন্দি নিতে চাইলাম, তাকে আর খুঁজে পেলাম না। ব্যাপারটা সন্দেহজনক মনে হওয়ায় মেয়েটার অস্ত্র থেকে আঙুলের ছাপ নিয়েছি। তাতে জানলাম, দীর্ঘ অপরাধী রেকর্ড আছে হিনার। টোকিওর ইয়াকুয়া দলের হয়ে ডাকাতিও করেছে।’

    রানার দিকে তাকাল সোহেল। এত কম বয়সেই? তোর কি মনে হয় ওই হামলার সঙ্গে হিনা জড়িত?’

    ‘নিশ্চিত নই,’ বলল রানা, ‘তবে শিমেযুর হয়ে প্রাণপণে লড়েছে। দুটো গুলি লেগেছিল বুক ও পেটে। কেভলার ভেস্ট না থাকলে মারা পড়ত।’

    ‘অতীত রেকর্ড ভাল নয়,’ বললেন হিমুরা। ‘ওকেও প্রায় ভূতের মতই ভয় পায় পাবলিক। ছোটবেলা থেকেই এতিম। লড়েছে রাস্তায় রাস্তায়। পরে অপরাধী জগতে ঠাঁই করে নিয়েছে।’

    ‘হয়তো উপায় ছিল না,’ বলল সোহেল।

    কঠিন সুরে বললেন হিমুরা, ‘হয়তো। আপনাদের সঙ্গে হিনা যোগাযোগ করলে, সঙ্গে সঙ্গে আমাকে জানাবেন।’

    ‘মনে করি না যোগাযোগ করবে,’ বলল রানা। ‘নইলে চলে যেত না। তবে সে ফোন দিলে বা দেখা করলে, আমরা আপনাকে জানাব।’

    ‘ঠিক আছে,’ বললেন পুলিশ সুপার, ‘আমরা খবর ছড়িয়ে দিচ্ছি ইনফর্মারদের মাধ্যমে। কপাল ভাল হলে জানর কোথায় হবে টাকার লেনদেন। সেক্ষেত্রে ওখানে যাব আমরা।’

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleমাসুদ রানা ৪৬৩ – ছায়াঘাতক
    Next Article মাসুদ রানা ৪৪৮ – মৃত্যুঘণ্টা

    Related Articles

    কাজী মায়মুর হোসেন

    অদৃশ্য ঘাতক – কাজী মায়মুর হোসেন

    July 25, 2025
    কাজী মায়মুর হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৬৮ – স্বর্ণলিপ্সা

    July 25, 2025
    কাজী মায়মুর হোসেন

    ধাওয়া – কাজী মায়মুর হোসেন

    July 25, 2025
    কাজী মায়মুর হোসেন

    মৃত্যু উপত্যকা – কাজী মায়মুর হোসেন

    July 25, 2025
    কাজী মায়মুর হোসেন

    খুনে ক্যানিয়ন – কাজী মায়মুর হোসেন

    July 25, 2025
    কাজী মায়মুর হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৪৮ – মৃত্যুঘণ্টা

    July 25, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }