Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    মাসুদ রানা ৪৫৮ – মহাপ্লাবন

    কাজী মায়মুর হোসেন এক পাতা গল্প414 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    মহাপ্লাবন – ৩

    তিন

    যে-কেউ ভাবতে পারে, এটা চমৎকার সবুজ এক পার্ক। আর এ মুহূর্তে দাবার মত রণকৌশলের জটিল কোনও খেলায় মগ্ন দুই লোক। চারপাশে প্রাচীন গাছ, ঘন ঝোপঝাড় ও কালো জলের গভীর পুকুর। কিন্তু বাস্তবে এটা চিন সরকারের দ্বিতীয় ক্ষমতাশালী লোকের বাড়ি। হরেক ধাঁচের স্কাল্পচার করা বাগানে গোপনে ওঁৎ পেতেছে সার্ভেইল্যান্স ক্যামেরা। ফুলে ভরা লতাগাছে ঢাকা চারদিকের বারো ফুটি দেয়াল। ওপরে রেযর ওআয়ার। একটু পর পর নির্দিষ্ট জায়গায় সেন্সর। সর্বক্ষণ চারদিকে চোখ রাখছে একদল সশস্ত্র প্রহরী। বিনা অনুমতিতে এ বাড়িতে ঢুকতে চেষ্টা করলে বিনা দ্বিধায় গুলি করে খুন করা হবে যে-কাউকে।

    উঁচু দেয়ালের বাইরে বিশাল বেইজিঙে কোটি কোটি মানুষের ভিড় ও হৈ-হল্লা। বাড়ির চৌহদ্দির ভেতর শুধু স্বর্গের নীরবতা ও প্রশান্তি।

    এ বাড়িতে বহুবার এসেছে বিলিয়নেয়ার লো হুয়াং লিটন। তবে আগে কখনও খুচরা আলাপ করেনি বা এত সময় কাটায়নি গুরু ও পরামর্শদাতার সঙ্গে। আপাতত আলাপ করছে না তারা দু’জন, সব মনোযোগ উনিশ বাই উনিশ চৌকো ছকে আঁকা বাদামি বোর্ডে। নানাদিকে সাদা ও কালো বেশ কিছু পাথরের গুটি।

    এশিয়ার সবচেয়ে প্রাচীন খেলা নিয়ে মেতে আছে দু’জনে। ওই খেলা দাবার চেয়েও পুরনো এবং জটিল। চিনদেশে বলা হয় ওয়েইকিউই, জাপানে ইগো আর কোরিয়ায় বাদুক। পশ্চিমারা সহজ নাম দিয়েছে: গো।

    একটা ভাল চাল দিতে পারবে ভেবে পাশের কাপ থেকে সাদা গুটি নিয়ে ঠিক জায়গায় রাখল লো হুয়াং লিটন, সন্তুষ্ট। প্রশংসার দৃষ্টিতে দেখল স্বর্গের মত বাগান। নিচু গলায় বলল, ‘আসার সময় ভেবেছি: আছি হৈ-চৈ ভরা ব্যস্ত শহরে, কিন্তু এখন মোটেই অমন মনে হচ্ছে না।’

    লো হুয়াং লিটনের বয়স প্রায় পঞ্চাশ। গড়পড়তা চাইনি পুরুষের চেয়ে দীর্ঘ। দড়ির মত পেঁচানো হাত-পায়ের পেশি। যে-কেউ বলবে, ঝাঁটার কাঠি। জন্মেছে হংকং-এ। বাবা চাইনি, মা জাপানি। নামের শেষে পশ্চিমা নাম জুড়ে দেয়া হয়েছিল, যাতে ব্যবসা করতে গেলে সহজেই ঢুকে পড়তে পারে ইউরোপিয়ান বা আমেরিকান কোম্পানিগুলোর মালিকপক্ষের বুকের ভেতর।

    লো হুয়াং লিটন জন্মাবার আগেই তার বাবা গুছিয়ে নিয়েছিল ছোট এক ইলেকট্রনিক্স কোম্পানি। অন্য হংকংবাসী ব্যবসায়ীদের মত নাক উঁচু করে ঘুরত না সে, ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ রেখেছিল মূল ভূখণ্ডের চিন সরকারের সঙ্গে। ফলে পরে অন্যরা যখন স্বাধীনতার জন্যে আন্দোলন করেছে, সেসময়ে নিজের আখের গুছিয়ে নিয়েছে সে। চিন সরকার ক্ষমতা নেয়ার পর, তাদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতার কারণে লো হুয়াঙের বাবা সাধারণ মিলিয়নেয়ার থেকে এক লাফে হয়ে গেল মস্তবড় বিলিয়নেয়ার। পরের এক দশকে হুয়াঙের বাবা গড়ে তুলল চিনের সবচেয়ে বড় কংগ্লোমারেট ব্যবসা: আইটিআই। ইণ্ডাস্ট্রিয়াল টেকনোলজি, ইনকর্পোরেটেড।

    বাবা মারা যাওয়ার পর শেষ দশক ধরে নিজেই ব্যবসা করছে লো হুয়াং লিটন। বেইজিঙের সরকারের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ তো রেখেইছে, আরও বড় করেছে ব্যবসা। অনেকে বলে, লো হুয়াং লিটন সরকারের পঞ্চম পিলার। টাকা, ক্ষমতা ও সম্মানের এমন এক শিখরে পৌঁচেছে, ভবিষ্যতে কঠিন হবে যে কারও জন্যে তাকে ছোঁয়া। অথচ, বোর্ডের ওদিকে বসে থাকা বয়স্ক লোকটার প্রতিটি কথা অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে নিচ্ছে সে।

    ‘নীরব এবং প্রশান্তিময় আবাস জরুরি। হৈ-চৈ বা বাজে আওয়াজ সবসময় বিক্ষিপ্ত করে মানুষের মন। লো হুয়াঙের মনে হলো শুনল প্রিয় গুরুর রচিত কবিতা। বয়স্ক ভদ্রলোকের মাথাভরা টাক। কানের কাছে দু’গোছা পাকা, সাদা চুল। কুঁচকে গেছে মুখের ত্বক। ঝুলছে ডান গাল।

    গত ছয় দশক ধরে চাইনি কম্যুনিস্ট পার্টির বড় নেতা হিসেবে ক্ষমতার চূড়ায় আছেন যেইন নিং। প্রথমে ছিলেন সাধারণ সৈনিক, পরে হয়েছেন রাজনীতিবিদ। সবসময় ছিলেন গুরুত্বপূর্ণ পরিকল্পনাকারী। গুজব রয়েছে: তাঁর নির্দেশেই আন্দোলনকারী সাধারণ ছাত্রদেরকে ট্যাঙ্কের নিচে পিষে মেরে ফেলা হয়েছিল তিয়ানানমেন স্কয়ারে। এরপর যেইন নিঙের নির্দেশনাতেই মাত্র একটি রাজনৈতিক পার্টি নীতি বজায় রেখে চিন পা বাড়াল পুঁজিবাদের খোলা দুনিয়ায়।

    পার্টির ভেতর একইসঙ্গে বেশ কয়েকটি দায়িত্ব পালন করেন তিনি। তাঁর বেসরকারী পদবী: লাও-শি। এর অর্থ, বড় পদে আসীন চূড়ান্ত দক্ষ বৃদ্ধ। তবে লো হুয়াং লিটনের কাছে তা নয়। মনে মনে বলে সে: জ্ঞানী প্রভু।

    বোর্ডে হুয়াঙের সাদা একটা গুটির পাশে তাঁর কালো গুটি রাখলেন লাও-শি। আটকে দিয়েছেন স্যাঙাতের গুটির পথ। নরম সুরে বললেন, ‘কী হলো যে এত মন খারাপ?’

    কথা বলার সঠিক সময় এসেছে, বুঝল লো হুয়াং লিটন। ‘খুব খারাপ কিছু হয়েছে। শেষ করা হয়েছে মাইনিং সাইটের সার্ভে। আমাদের ভয়টা ঠিক। ওই অ্যাভালাঞ্চে ধ্বংস হয়েছে বাইরের সব মডিউল। সরীসৃপের চোয়ালের মেঝে ভরে গেছে কোটি কোটি পাথর আর জঞ্জালে। নষ্ট হয়নি রিঅ্যাক্টর। কিন্তু বিশাল টাকা খরচ না করলে নতুন করে আবারও চালু করা যাবে না ওই প্রজেক্ট।’

    ‘কত টাকা লাগবে?’

    মনে মনে অঙ্কটা আরেকবার কষল হুয়াং। ‘জঞ্জাল সরাতে এক শ’ বিলিয়ন ইউয়ান। স্টেশন মেরামত আর নতুন করে কাজ শুরু করতে… অন্তত আরও পাঁচ শ’ বিলিয়ন ইউয়ান। এতে লাগবে বছরের পর বছর। এত সময় লাগত না, কিন্তু সবই করতে হবে গোপনে।’

    ‘ওই গোপনীয়তা অত্যন্ত জরুরি,’ বললেন লাও-শি।

    ‘সেক্ষেত্রে খনি থেকে সোনালি শিখা তুলতে লাগবে কমপক্ষে তিন বছর।’

    ‘তিন বছর,’ বিড়বিড় করলেন বৃদ্ধ। পিছিয়ে বসে ডুবে গেলেন চিন্তার জগতে।

    ‘অন্তত তিন বছর,’ আবারও বলল লো হুয়াং।

    বাস্তবে ফিরলেন লাও-শি। ‘দুর্ঘটনার আগে প্রতিমাসে কী

    পরিমাণ সোনালি শিখা তোলা হচ্ছিল?’

    ‘বড়জোর আধ টন। আরও কমছিল উত্তোলন।’

    ‘উত্তোলন বাড়াবার কোনও উপায় আছে?’

    ‘না বললেই চলে।’

    অসন্তুষ্ট হয়ে নাক দিয়ে মৃদু আওয়াজ করলেন লাও-শি। ‘তা হলে সাগরের নিচে গর্ত খুঁড়ে অত টাকা আর সময় ব্যয় করলাম কেন আমরা? এর কী কারণ?’

    চাপা শ্বাস ফেলল লো হুয়াং লিটন। ভেবেছিল তার পক্ষেই থাকবেন বৃদ্ধ। খনি থেকে সোনালি শিখা তোলার সময় থেকেই এতদিন প্রধান সাহায্যকারী ছিলেন লাও-শি। প্রথম থেকেই জানেন, চৈনিক যুদ্ধ-কৌশলে কত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে ওই অ্যালয়।

    ‘বিলিয়ন বিলিয়ন ইউয়ান আর প্রচুর সময় নষ্ট হয়েছে বা হবে, কিন্তু ওই ‘ওর’ এমনই জিনিস, আমাদের হাতে না এলেই নয়,’ বলল লো হুয়াং। ‘আপনি তো জানেন, প্রভু, সোনালি শিখা পৃথিবীর আর কোনও ধাতুর মত নয়। আগে কখনও কেউ দেখেনি এ জিনিস। টাইটেনিয়ামের পাঁচ গুণ শক্ত। পৃথিবীর অন্য কোনও ধাতু থেকে একেবারে আলাদা। তৈরি সম্ভব নয় কোনও ল্যাবোরেটরিতে। ওটার তুলনা নেই। আমরা যদি একবার ওই জিনিস দিয়ে তৈরি করতে পারি যুদ্ধ বিমান, জাহাজ বা মিসাইল, ধরে নেয়া যায় যতই চেষ্টা করুক শত্রুপক্ষ, ধ্বংস করতে পারবে না ওগুলোকে। আরও হাজার হাজার যেসব ইঞ্জিনিয়ারিং কাজে লাগবে সোনালি শিখা, বাদ দিলাম সেসবের কথা। ওই খনি ছাড়া দুনিয়ার আর কোথাও নেই সোনালি শিখা। আপনি তো জানেন, লাও-শি। খরচ এখানে বিষয় নয়। নতুন করে আবারও খনি চালু না করার উপযুক্ত কোনও কারণ নেই।’

    কড়া চোখে হুয়াংকে দেখছেন লাও-শি।

    বিলিয়নেয়ার ভাবছে, বোধহয় বেশি বলে ফেলেছে সে।

    ‘কী করা উচিত আমাকে শেখাতে এসো না,’ বললেন বৃদ্ধ।

    মাথা নিচু করে নিল লো হুয়াং। ‘আমি বেশি কথা বলে থাকলে দয়া করে মাফ করবেন, লাও-শি।’

    চোখের শেকল থেকে বিলিয়নেয়ারকে ছেড়ে আবারও খেলায় মন দিলেন বৃদ্ধ। ঠিক জায়গায় রাখলেন আরেকটা কালো গুটি। ‘তোমার কথা আংশিক সঠিক। ওই উপাদান সত্যিই খুলে দেবে চিনের ভবিষ্যতের পথ। তামার চেয়ে বেশি কাজে লেগেছে ব্রোঞ্জ। ওটা ছিল তখন সেরা। আর পরে ওটার চেয়ে বেশি লোহা। মানুষের ইতিহাসে দেখবে সহজ একটা গল্প— যাদের তলোয়ার বেশি ধারালো, শক্ত আর মজবুত, সে জাতি কেড়ে নিয়েছে অন্যসব জাতির সম্পদ। এ কথা ঠিক, যে দেশের হাতে থাকবে সোনালি শিখা, তারাই হবে পৃথিবীর সেরা জাতি। কিন্তু হিসেবে একটা ভুল করে ফেলেছ তুমি। ফুরিয়ে যাওয়া খনিতে নতুন করে কাজ শুরু করা হবে বড় ভুল।

    ঘাড় কাত করে গুরুকে দেখল লো হুয়াং। ‘কিন্তু আর কোথাও তো নেই ওটার ডিপোযিট!’

    ‘এখনও পাওয়া যায়নি,’ জবাবে বললেন লাও-শি।

    ‘সম্মানের সঙ্গে বলছি, লাও-শি, বছরের পর বছর ধরে পৃথিবীর নানা প্রান্তে সোনালি শিখা খুঁজতে লোক পাঠিয়েছি আমি। কোথাও পাওয়া যায়নি এক তিল। না আফ্রিকা, না দক্ষিণ আমেরিকা, না মধ্যপ্রাচ্য। আমাদের নিজেদের দেশে বা দক্ষিণ প্রশান্ত মহাসাগরীয় সব দ্বীপে তন্নতন্ন করে খুঁজেছি আমরা। কোথাও নেই সোনালি শিখা। দশ হাজার কোর স্যাম্পল তুলেছি সাগর থেকে। সেখানেও নেই। আছে শুধু ওই খনিতে।’

    ‘কথা ঠিক,’ বললেন যেইন নিং। ‘তবে ক’দিন আগে জানলাম, থাকতে পারে অন্য উৎস। যা ভেবেছি, তার বহু কাছেই আছে ওই খনি।’ খেলার বোর্ড দেখালেন তিনি। ‘এবার তোমার দান।

    বোর্ডের দিকে তাকাল লো হুয়াং লিটন। কঠিন হলো খেলায় মন দেয়া। সোনালি শিখার বিষয়ে নতুন তথ্য পেয়ে চমকে গেছে সে। বোর্ডে মনোযোগ দিয়ে দেখল, করুণ হাল তার। সাদা গুরুত্বপূর্ণ সব গুটিকে ঘিরে ফেলেছে কালো একদল গুটি। সাদা গুটি অন্যদিকে সরাতে গেলে আরও জোরালো অবস্থানে যাবেন লাও-শি। এখন হেরে যাওয়া থেকে বাঁচতে হলে প্রার্থনা করতে হবে, যাতে বড় কোনও ভুল করেন বৃদ্ধ। ‘এবারের চাল দেব না,’ জানাল বিলিয়নেয়ার।

    ‘বুদ্ধিমানের সিদ্ধান্ত,’ মাথা দোলালেন যেইন নিং।

    ‘দয়া করে কি বলবেন, কোথায় আছে অন্য খনিটা?’

    লো হুয়াং লিটনের দিকে চেয়ে সামান্য দ্বিধা করলেন বৃদ্ধ, দু’আঙুলে ধরেছেন কালো এক গুটি। ‘ওই খনি আছে হনশু দ্বীপে কোথাও।’

    একটু পর বলল বিলিয়নেয়ার, ‘জাপান? ওদের হোম আইল্যাণ্ডে?’

    ‘হতে পারে সাগরে,’ বললেন লাও-শি। ‘তবে সম্ভাবনা বেশি দ্বীপেই আছে। আর আমার ভুল না হলে সোনালি শিখা আছে মাটির সামান্য নিচে।

    কথা বলা হয়েছে আবেগহীন কণ্ঠে, কিন্তু শ্বাস আটকে গেল লো হুয়াঙের। ‘কী করে জানলেন, গুরু? আরও বড় কথা, সোনালি শিখা কীভাবে পাব আমরা? যদি খুঁজতে গিয়ে জানাজানি হয়, কর্তৃপক্ষ এমন ব্যবস্থা নেবে, আর কখনও ওখান থেকে তুলতে পারব না। হয়তো জাপানিরা সোনালি শিখার খনি বিক্রি করবে আমেরিকান সরকারের কাছে। সেক্ষেত্রে ওই ধাতুর ওপর আমাদের কোনও নিয়ন্ত্রণ থাকবে না। ব্যাপারটা হবে ডিপোযিট খুঁজতে গিয়ে শত্রুর হাতে সব তুলে দেয়া।’

    ‘কথা ঠিক,’ বললেন যেইন নিং। এ কারণেই ওই তথ্য পাওয়ার পরেও খোঁজখবর নিইনি আমরা।’

    ‘তার মানে চালমাত অবস্থা,’ বলল লো হুয়াং।

    ‘সত্যিই কি তাই?’ হাত বাড়িয়ে কাপ থেকে মুঠো ভরা কালো গুটি নিলেন লাও-শি। নরম সুরে বললেন, ‘বলো তো, আসলে কী উদ্দেশ্য এই খেলার?’

    হতাশা পেয়ে বসেছে লো হুয়াং লিটনকে। বুঝে গেল, বহুবারের মত আজও ওকে অদ্ভুত কোনও কৌশল শেখাতে চান জ্ঞানী বৃদ্ধ। তবুও খুশি হতে পারল না সে। ‘এই খেলার প্রধান উদ্দেশ্য শত্রুকে ঘিরে ফেলা। যাতে করে সে আর স্বাধীন থাকতে না পারে। অর্থাৎ, তাকে জলে, স্থলে, আকাশে, সাগরে শেষ করে দেয়া হবে।’

    ‘ঠিক,’ মাথা নাড়লেন লাও-শি। ‘বলো তো, এই খেলার সেরা খেলোয়াড় কোন্ দেশের?’

    ‘চিনের?’ জানতে চাইল বিলিয়নেয়ার। ‘আমরাই তো বোধহয় আবিষ্কার করেছি এই খেলা।’

    ঠিক জায়গায় একটা কালো গুটি রাখলেন বৃদ্ধ। ‘তুমি কথা বলছ অহঙ্কার থেকে। এটা জ্ঞানীর আচরণ নয়।’

    ‘আমরা যদি না হই, তো জাপানিরা।’

    আবারও মাথা নাড়লেন যেইন নিং।

    চুপ করে থাকল লো হুয়াং লিটন। দান ছেড়ে দিল।

    এবার বোর্ডে আরেকটা কালো গুটি রাখলেন জ্ঞানী বৃদ্ধ।

    ভুরু কুঁচকে ফেলল বিলিয়নেয়ার। বাজেভাবে হারছে সে। আবারও দান ছাড়ল। হতাশা ও বিরক্তি চেপে নরম সুরে বলল, ‘কোরিয়ায় নামকরা অনেক খেলোয়াড় আছে।

    ‘বর্তমানে সেরা খেলোয়াড় আমেরিকা,’ বললেন লাও-শি। ‘আসলে পৃথিবীর যে-কোনও দেশের মানুষের চেয়ে অনেক চাতুর্যের সঙ্গে খেলছে আমেরিকানরা। কোনওকালে এত দক্ষতা নিয়ে খেলেনি অন্য কোনও দেশ।’

    ভুরু কুঁচকে অন্যদিকে চেয়ে বলল হুয়াং লিটন, ‘সত্যিই কি তাই, গুরু? আমি আজও দক্ষ কোনও আমেরিকানকে দেখিনি।’

    ‘কারণ, ভুলভাবে দেখছ এই বোর্ড,’ বললেন যেইন নিং। ‘আবারও খেলায় মন দাও। ভাবো এটা মানচিত্র।’

    দ্বিধা নিয়ে নতুন করে বোর্ড দেখছে লো হুয়াং লিটন। কিছুক্ষণ পর তার মনে হলো, এই বোর্ডের সঙ্গে অনেক মিল বিশ্বের মানচিত্রের। পশ্চিমা মানচিত্রের মত মাঝখানে নেই নর্থ আমেরিকা, তার বদলে মাঝে এশিয়ার মহাচিন।

    হুয়াঙের সাদা গুটি মাঝের চিন। একদিকের কালো গুটি ইউরোপ আর নর্থ আমেরিকা।

    কিছু বলার আগেই আবারও মুখ খুললেন লাও-শি, ‘ইউরোপে তারা রেখেছে সেনাবাহিনী।’ আরেকটা কালো গুটি রাখলেন বৃদ্ধ। ‘তাদের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে আটলাণ্টিক, ভূমধ্য সাগর আর ভারত মহাসাগর। ঘাঁটি করেছে মধ্যপ্রাচ্যে। আগে যেসব জায়গায় ছিল কমিউনিস্ট রাশার সেনাবাহিনী, সেখানে এখন তাদের সেনাবাহিনী। প্রশান্ত মহাসাগরের যে-কোনও জায়গা থেকে তারা আকাশে তুলতে পারবে আমেরিকান জঙ্গিবিমান।’

    এখন খেলা নিয়ে ভাবছেন না যেইন নিং। জটিল বিদ্যা দিচ্ছেন প্রিয় স্যাঙাৎকে। একের পর এক আমেরিকান অ্যাসেটের নাম বলে ঠিক জায়গায় রাখছেন কালো গুটি ‘হাওয়াই, অস্ট্রেলিয়া, নিউ যিল্যাণ্ড।’ রাখলেন আরও তিনটে কালো গুটি। ‘এবার কোরিয়া, ফিলিপাইন আর ফর্মোযা— যেটা তারা বলে তাইওয়ান— তারপর আছে জাপান।

    বোর্ডের শেষ কালো গুটি রাখার পর দেখা গেল লো হুয়াঙের সাদা গুটির চিনকে ঘিরে ফেলেছেন জ্ঞানী বৃদ্ধ।

    মুখ তুলে স্যাঙাৎকে দেখলেন। তীক্ষ্ণ দৃষ্টিতে কোনও আবেগ বা দুর্বলতা নেই। ‘নিজেদের দ্বীপের মত মহাদেশ থেকে পুরো পৃথিবী ঘিরেছে তারা। অথচ, এই পৃথিবীটা হওয়ার কথা ছিল আমাদের।’

    আত্মবিশ্বাস হারিয়ে গেছে লো হুয়াং লিটনের। ব্রিত বোধ করছে। ‘জী, বুঝতে পেরেছি। কিন্তু এ ক্ষেত্রে আমরা কী করব?’

    বোর্ডের দিকে আঙুল তাক করলেন যেইন নিং। ‘ঠিক কোন্ গুটি আগে সরিয়ে ফেলা জরুরি বলে বোধ করছ?’

    নতুন করে খেলায় মন দিল বিলিয়নেয়ার। শেষ চালটা ছিল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ওটার কারণেই বৃত্তের ভেতর আটকা পড়েছে সাদা গুটির তৈরি চিন। বোর্ড থেকে একটা গুটি সরিয়ে বলল লো হুয়াং লিটন, ‘সেটা এটা। জাপান।’

    ‘তা হলে তা-ই হোক,’ বললেন প্রাচীন শিক্ষক।

    যেইন নিং কী ইঙ্গিত করেছেন, সেটা বুঝে চমকে গেছে বিলিয়নেয়ার। ধক-ধক করছে হৃৎপিণ্ড। ‘গুরু, আপনি কি চান সেনাবাহিনী ব্যবহার করতে?’

    ‘না,’ বললেন যেইন নিং। ‘কিন্তু একবার যদি কালো গুটি থেকে সাদা গুটি হয়ে যায় জাপান— অর্থাৎ আমেরিকার বন্ধুত্ব ত্যাগ করে হয়ে ওঠে চিনের বন্ধু— এক পলকে পাল্টে যাবে বোর্ডের পুরো চিত্র। তখন অনায়াসেই চারপাশ থেকে সরাতে পারব আমেরিকান কর্তৃত্ব। শুধু তাই নয়, কোনও বাধা ছাড়াই পৃথিবীর একমাত্র খনি থেকে তুলব সোনালি শিখা।’

    ‘আমরা কি কাজটা করতে পারব, গুরু?’ জানতে চাইল লো হুয়াং লিটন। ‘যুদ্ধকালীন অপরাধ আর বিতর্কিত এলাকা নিয়ে জাপানের সঙ্গে আমাদের শত শত বছরের শত্রুতা।’

    ‘আমরা কাজ শুরু করেছি,’ বললেন যেইন নিং। ‘আর এ কাজে বড় ভূমিকা রাখতে পারো তুমি।’

    ‘আমি অর্ধেক জাপানি বলে?’

    ‘হ্যাঁ,’ মাথা দোলালেন বৃদ্ধ। ‘তবে আরও কারণ আছে। তোমার কর্পোরেশনের ইঞ্জিনিয়াররা আবিষ্কার করেছে নতুন সব টেকনোলজি।’

    গলা খুলে কাশছেন না চিনের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ নেতা। আসলে কী চান, আঁচ করতে পারল না লো হুয়াং লিটন। তবে বুঝল, পরে বিস্তারিতভাবে সবই খুলে বলবেন লাও-শি। এখন জানাতে হবে, তাঁর সঙ্গে আছে সে। ‘নিজ দায়িত্ব পালনে ত্রুটি করব না। আপনি আমাকে যে-কোনও নির্দেশ দিতে পারেন, গুরু’

    ‘ভাল, মঙ্গল হোক তোমার,’ সন্তুষ্ট হলেন যেইন নিং। ‘নানাদিক থেকে চাই সাহায্য। সেসবের ভেতর রয়েছে দরকারি মেশিন। সেগুলো হতে হবে মানুষের মত। রোবট নিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করতে বছরের পর বছর আমাদের মন্ত্রণালয় থেকে অনুদান দেয়া হয়েছে তোমাকে। এবার জানাবে, কতটা এগোল প্রজেক্ট। …তুমি কি তৈরি করতে পারবে মানুষের মত রোবট? ওই জিনিস হতে হবে এমন, যাতে মানুষ বুঝতে না পারে ওটা যন্ত্রমানব।’

    আন্তরিক হাসল লো হুয়াং। বুঝে গেছে, আবারও হাতে পাবে ব্ল্যাঙ্ক চেক। কয়েক বছর ধরে জটিল এই পরিকল্পনা করেছেন যেইন নিং। ‘আমরা প্রায় শিখে গেছি কীভাবে তৈরি করতে হবে মানুষের মত রোবট।’

    ‘গুড,’ মাথা দোলালেন লাও-শি। বোর্ড থেকে তুলে দুটো কাপে রাখলেন সাদা ও কালো গুটি। ‘যাওয়ার পথে পাবে আমার সেক্রেটারির কাছ থেকে প্যাকেজ। ভেতরে থাকবে নির্দেশনা। তোমার প্রথম মিটিং নাগাসাকিতে। বন্ধুত্ব দেখাতে ওখানে খুলবে ফ্যাক্টরি। ওই চুক্তি ফ্রেণ্ডশিপ প্যাভিলিয়নে হওয়ার পর শুরু হবে বিজয়ের সোনালি পথে আমাদের হেঁটে যাওয়া। আর, ওই ফ্যাক্টরি হবে শুধু তোমার। ওখান থেকেই সারবে জরুরি কাজ।’

    উত্তেজিত হয়ে উঠে দাঁড়াল লো হুয়াং। ‘কিন্তু, কোনও কারণে আমাদের কাজে বাধা দেয়া হলে?’

    ‘কিছুই জানবে না কেউ,’ বললেন নিং। ‘মনে রেখো, যে খেলা আমরা খেলব, সেখানে বোকামির স্থান নেই। হয় শেষ করব শত্রু, নয়তো মরব। বাধা এলে নিশ্চিত করবে, যেন ব্যর্থ হয় বিপক্ষ।’

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleমাসুদ রানা ৪৬৩ – ছায়াঘাতক
    Next Article মাসুদ রানা ৪৪৮ – মৃত্যুঘণ্টা

    Related Articles

    কাজী মায়মুর হোসেন

    অদৃশ্য ঘাতক – কাজী মায়মুর হোসেন

    July 25, 2025
    কাজী মায়মুর হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৬৮ – স্বর্ণলিপ্সা

    July 25, 2025
    কাজী মায়মুর হোসেন

    ধাওয়া – কাজী মায়মুর হোসেন

    July 25, 2025
    কাজী মায়মুর হোসেন

    মৃত্যু উপত্যকা – কাজী মায়মুর হোসেন

    July 25, 2025
    কাজী মায়মুর হোসেন

    খুনে ক্যানিয়ন – কাজী মায়মুর হোসেন

    July 25, 2025
    কাজী মায়মুর হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৪৮ – মৃত্যুঘণ্টা

    July 25, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }