Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    মাসুদ রানা ৪৫৯ – অন্তর্যামী

    ইসমাইল আরমান এক পাতা গল্প358 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    অন্তর্যামী – ২৮

    আটাশ

    শার্টের বোতাম লাগাতে লাগাতে নিজের বাড়ির প্রাইভেট অফিসে ঢুকল লিয়ারি। টেলি-কনফারেন্সের কম্পিউটারগুলো অন করল। পর্দায় ভেসে উঠল তার সান্তা মনিকার অফিসের কম্পিউটার রুম। টেকনিশিয়ানরা মৌমাছির মত ব্যস্ত, সমস্ত কম্পিউটার রিকনফিগার করছে, যাতে ইনকামিং ডেটা রিসিভ করতে অসুবিধে না হয়। মিরাণ্ডাগুলোকে রিঅ্যাসাইন করা হয়েছে শিকাগোর ওপর। ব্লাইণ্ড জোন কাভার করার জন্যে নেয়া হচ্ছে শহরের সব স্ট্রিট ক্যামেরার ফিড।

    মিরাণ্ডার মাস্টার ফ্রেমটা পাঁচ মাইল বিস্তৃত। লেক মিশিগানের পাশে পুরো শহর যেন মাকড়সার জালের মত ফুটে উঠেছে থারমাল ইমেজে। এ-ধরনের পরিস্থিতির জন্যে দুটো এ.এইচ.সিক্স লিটল বার্ড হেলিকপ্টার রাখা হয়েছিল দুটো বিল্ডিঙের ছাতে, সেগুলো টেকঅফ করতে শুরু করেছে। প্রথমটা ইতিমধ্যে উঠে গেছে আকাশে, দ্বিতীয়টাও উঠতে দেরি নেই।

    হেডসেট তুলে নিল লিয়ারি। যোগাযোগ করল কপ্টারের পাইলটের সঙ্গে। বলল, ‘বিল্ডিংটা একশো তলা। টপ ফ্লোর থেকে নিচের দিকে গুনতে শুরু করো। তোমাদের টার্গেট, তিরাশি নম্বর ফ্লোর। ওখানে যাকেই পাবে, তাকেই গুলি করার অনুমতি দেয়া হলো তোমাদের।’

    .

    ‘থ্যাঙ্ক ইউ।’

    রানার হাত ধরল অ্যালি। মুঠো শক্ত করার আগে ওর হাতে কাঁপুনি অনুভব করল রানা।

    ‘কীসের জন্যে?’ জানতে চাইল ও।

    ‘আমাকে এভাবে ভালবাসার জন্যে… আমাকে আগলে রাখার জন্যে। আমি সব শুনতে পাই, রানা। সারাক্ষণ আমাকে নিয়ে ভাবছ তুমি। এই যেমন, এখন। নিজেকে বাদ দিয়ে তুমি আমার কথা ভাবছ। চাইছ, তুমি মরলেও আমার যেন কিছু না হয়। অথচ এমন ভালবাসা পাবার মত কিছু করিনি আমি। আমি এর যোগ্য নই।’

    ঝট্ করে ওর দিকে তাকাল রানা। অ্যালির কণ্ঠে কীসের যেন সুর ফুটে উঠেছে। বিচ্ছেদের সুর? নাকি বিদায়ের?

    ‘অ্যালি, কী করেছ তুমি?’ শঙ্কিত গলায় জানতে চাইল ও।

    ‘আমাকে ক্ষমা করে দিয়ো।’ রানাকে জড়িয়ে ধরল মেয়েটা।

    কাঁচের দেয়ালের ওপাশে চোখ চলে গেল রানার। স্কাইলাইনে ফুটে উঠেছে একটা আকাশযানের আলো—বড়জোর মাইলখানেক দূরে। এদিকে ছুটে আসছে দ্রুতবেগে। আবছাভাবে শোনা গেল রোটরের আওয়াজ। এ.এইচ.সিক্স কিংবা তার কাছাকাছি কোনও মডেল, চিনতে পারল রানা। হিম হয়ে এল শরীর। মানসচোখে দেখতে পাচ্ছে, রাইফেল বাগিয়ে কপ্টারের খোলা দরজায় বসে আছে স্নাইপার—গুলি করতে উদ্যত। কিন্তু ওরা খবর পেল কী করে?

    ঘাড় ফিরিয়ে এবার বাথরুমের দিকে তাকাল রানা। খোলা দরজা দিয়ে পরিষ্কার দেখা যাচ্ছে কাউন্টারের ওপর রাখা কর্ডলেস ফোন। জ্বলজ্বল করছে ডিসপ্লের সবুজ আলো। কী করেছে অ্যালি, তা বুঝতে আর অসুবিধে হলো না ওর।

    .

    প্যারাশুট হারনেসের শেষ ক্লিপটা লাগাতে গিয়ে হঠাৎ স্থির হয়ে গেল ভেরোনিকা। মুখ তুলতেই চোখাচোখি হলো এলিনার সঙ্গে। তারও একই অবস্থা। দু’জনেই রানার মন পড়তে পারছে।

    ‘সর্বনাশ!’ ফিসফিসাল এলিনা। ‘সত্যি সত্যি ফোন করেছে?’

    ‘দাঁড়াও, আমি দেখে আসছি,’ বলল ভেরোনিকা। হাতের রাইফেলটা এলিনাকে দিয়ে দৌড়াতে শুরু করল। চলে গেল দক্ষিণের দেয়ালে। কাঁচের ওপর দু’হাত ঠেকিয়ে বাইরে তাকাল।

    ইতিমধ্যে নদী পেরিয়ে এসেছে হেলিকপ্টার। মিশিগান অ্যাভিনিউ ধরে এগিয়ে আসছে সামনে। পেছনে, আর.এম.সি. প্লাযার ছাত থেকে ‘আরেকটা হেলিকপ্টার টেকঅফ করল।

    মৃদু একটা ঘণ্টার আওয়াজ ভেসে এল এলিভেটরের দিক থেকে। নিশ্চয়ই বিল্ডিঙের সিকিউরিটি পার্সোনেল আর পুলিশ এসেছে। তবে তা নিয়ে মাথা ঘামাল না ভেরোনিকা। অ্যাপার্টমেন্টের দরজাটা যথেষ্ট ভারী। ওটা ভেঙে ভেতরে ঢুকতে পারবে না কেউ।

    আসল সমস্যা হলো হেলিকপ্টারদুটো। কিছু একটা করতে হয় ওগুলোর ব্যাপারে। সবচেয়ে কাছের ক্লজিটটার দিকে এগিয়ে গেল ও। দরজা খুলে তাকগুলোর গায়ে ধাক্কা দিল। ভেতরদিকে সরে গেল তাক, উন্মুক্ত হলো একটা গোপন কেবিনেট—তাতে থরে থরে সাজানো রয়েছে নানা ধরনের আগ্নেয়াস্ত্র।

    .

    কিংকর্তব্যবিমূঢ় হয়ে বসে আছে রানা। অ্যালিকে এক হাতে জড়িয়ে ধরেছে, অন্য হাতে পিস্তল তাক করে রেখেছে দরজার দিকে। কিন্তু এরপর কী করবে, ভেবে পাচ্ছে না। কাঁচের দেয়ালের দিকে তাকাল, মৃত্যুদূতের মত ছুটে আসছে দুটো হেলিকপ্টার। ঠেকাবার কোনও কায়দা নেই।

    ‘আমাকে ক্ষমা করে দিয়ো,’ আবার বলল অ্যালি।

    সংবিৎ ফিরে পেল রানা। অ্যালির দিকে তাকাল। বলল, ‘এভাবে হাল ছেড়ে দিয়ো না। এখনও বেঁচে আছি আমরা।’

    ‘আমার কথা ভুলে যাও, রানা,’ করুণ গলায় বলল অ্যালি। ‘আমি হয়তো সত্যিই একটা দানব। আমার মরে যাওয়াই ভাল।’

    ‘বাজে কথা! তোমাকে ফেলে আমি কোথাও যাচ্ছি না।’

    ‘যদি কপালজোরে আমরা কোনোভাবে বেঁচে যাই, আর আমি সেই ভয়ঙ্কর মানুষটায় পরিণত হই, তখন তুমি এ- মুহূর্তটার কথা ভাববে, রানা। তোমার মনে হবে, আমাকে না- বাঁচানোই উচিত ছিল। আমি চাই না, আমাকে নিয়ে কখনও তোমার অমন চিন্তা আসুক। তারচেয়ে মরতে দাও আমাকে।

    ‘অসম্ভব! মরতে হয়, দু’জনেই মরব। তার আগে একটু চেষ্টা করতে দাও আমাকে।’

    কয়েক মুহূর্ত রানার চোখের দিকে তাকিয়ে রইল অ্যালি। এরপর দীর্ঘশ্বাস ফেলল। ‘বুঝেছি, তোমাকে কিছুতেই রাজি করাতে পারব না। বেশ, করো চেষ্টা।’

    একটু হাসল রানা। ‘এ-ই তো লক্ষ্মী মেয়ের মত কথা!’

    হাতের সমস্যার দিকে এবার নজর দিল ও। বিশ সেকেণ্ডের ভেতর পৌঁছে যাবে সামনের কপ্টার। অন্যদিকে হলঘরে ওদের অপেক্ষায় রয়েছে দুটো সশস্ত্র মেয়ে। নাকি একজন? এক জোড়া পায়ের আওয়াজ শুনতে পেয়েছে রানা, সম্ভবত ওদের একজন হেলিকপ্টারের পজিশন দেখতে গেছে। তারমানে হলঘরে রয়েছে একজন, অ্যালিকে হাতের মুঠোয় পেতে চাইলে এখুনি হামলা করবে সে। তার আগেই যা করার করতে হবে রানাকে।

    বেডরুমের দরজার দিকে তাকাল রানা। পাল্লাটা প্লাইউডের তৈরি, ঠুনকো। ওয়ার্ডরোবের ধাক্কায় ফাটল দেখা দিয়েছে ওতে। মাথায় বিদ্যুৎচমকের মত একটা আইডিয়া এল, কিন্তু সেটাকে চাপা দিল ও। ভাবল আরেকটা কৌশল নিয়ে। ঝট্ করে উঠে দাঁড়াল। অ্যালিকে চমকে উঠতে দেখল ও, নিঃসন্দেহে পড়তে পারছে ওর মন। হাত বাড়িয়ে রানাকে বাধা দিতে চাইল মেয়েটা। কিন্তু সে-বাধা মানল না রানা, কাঁচের দেয়ালের দিকে ছুট লাগাল। সর্বান্তঃকরণে ভাবছে, গুলি করে কাঁচ ভাঙবে, তারপর ঝাঁপ দেবে বাইরে। আঁতকে ওঠার মত একটা আওয়াজ করল অ্যালি।

    একেবারে শেষ মুহূর্তে মত পাল্টাল রানা। উল্টো ঘুরে এবার প্রাণপণে ছুটল বেডরুমের দরজার দিকে। মেঝেতে পড়ে থাকা ওয়ার্ডরোবটাকে স্প্রিংবোর্ডের মত ব্যবহার করল, একটা পা ঠেকিয়ে ঝাঁপ দিল সামনে। শূন্যে থাকতেই দু’পা ভাঁজ করে ফেলল, পাল্লার গায়ে আছড়ে পড়ল হাঁটু ঠেকিয়ে।

    যা আশা করেছিল, তা-ই ঘটল। দুর্বল পাল্লা নিতে পারল না ওর আঘাত। বিশ্রী শব্দ তুলে ফেটে গেল প্লাইউড। দরজার একটা অংশসহ হলঘরের ভেতর আছড়ে পড়ল রানা। পড়েই একটা গড়ান খেল, এরপর পিস্তলটা ছাতের দিকে তুলে একটা গুলি করল। নির্দিষ্ট কোনও টার্গেট নেই, গুলি ছুঁড়ল স্রেফ মাযল ফ্ল্যাশের জন্যে, যাতে সেই আলোয় দেখে নিতে পারে শত্রুর অবস্থান। চকিতের জন্যে দেখতে পেল, এলিনাকে। হতভম্ব হয়ে দাঁড়িয়ে আছে দরজার বামে, কয়েক গজ দূরে। হাতে একটা জি-থার্টি সিক্স অ্যাসল্ট রাইফেল। দারুণ কৌশলে রানা বোকা বানিয়েছে ওকে—জানালা দিয়ে বাইরে ঝাঁপ দেবার কথা ভেবেছে, কিন্তু শেষ মুহূর্তে দিক পাল্টে বেরিয়ে এসেছে হলঘরে। পুরো ঘটনা ঘটেছে মাত্র কয়েক সেকেণ্ডের ব্যবধানে, রানার ভাবনাচিন্তা এত দ্রুত পরিবর্তিত হয়েছে যে, তাল মেলাতে পারেনি বেচারি।

    তবে প্রাথমিক চমকটা কাটতে সময় লাগল না এলিনার। মাযল ফ্ল্যাশের আলো নেভার আগেই তাকে রাইফেল ঘোরাতে দেখল রানা, গুলি করতে চলেছে। তাকে সে-সুযোগ দিল না ও, এলিনার লোকেশন লক্ষ্য করে যন্ত্রচালিতের মত তিনটা গুলি করল। গলা আর বুক পেতে সেগুলো গ্রহণ করল এলিনা, দড়াম করে আছড়ে পড়ল মেঝেতে।

    একটা চিৎকার শুনল রানা। অ্যালি নয়, ভেরোনিকার গলা। অ্যাপার্টমেন্টের দক্ষিণ দিক থেকে আসছে। মেঝের ওপর হুমড়ি খেয়ে পড়ল রানা, মেঝে হাতড়াচ্ছে। এলিনার রাইফেলটা পেয়ে গেল শীঘ্রি। ওটা তুলে তাক করল দক্ষিণ দেয়ালের দিকে। কিন্তু দেখতে পেল না কাউকে—ভেরোনিকা সরে গেছে।

    বেডরুমের দরজায় উদয় হলো অ্যালি। ওর দিকে এগোতে গিয়ে থেমে গেল রানা, পায়ে ধাতব কিছু একটা বাড়ি খেয়েছে। এলিনা পড়ে যাবার সময়ও শব্দটা শুনতে পেয়েছে ও। রাইফেলের ওপর একটা ফ্ল্যাশলাইট লাগানো আছে, সুইচ টিপে অন্ করল ওটা। আলো ফেলল এলিনার ওপর। প্যারাশুট পরে আছে মেয়েটা। ওটার ক্লিপের সঙ্গে বাড়ি খেয়েছে রানার পা।

    আলোটা আবার নিভিয়ে ফেলল রানা। ঘাড় ফিরিয়ে তাকাল অ্যাপার্টমেন্টের দক্ষিণ দিকে। এখনও খালি। ওদিক থেকে হামলা না চালানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে ভেরোনিকা। রানার হাতে একটা ভারী অস্ত্র চলে এসেছে—সেটা মাইগুরিডিং না করেও বুঝতে পেরেছে মেয়েটা। ঠোঁটের কোণে হালকা এক টুকরো হাসি ফুটল রানার। এ-মুহূর্তে ওই মাইণ্ডরিডিং একটা বাড়তি সুবিধে দিচ্ছে ওকে। কপালের দু’পাশের ব্যথাটার তীব্রতা থেকে পরিষ্কার বুঝতে পারছে, শত্রু কাছে কি দূরে রয়েছে।

    ঘুরে হলঘরের উত্তর প্রান্তে তাকাল ও। ছায়ায় ঢাকা। হামলা চালানোর জন্যে আদর্শ। দক্ষিণ প্রান্ত থেকে লাইব্রেরির ভেতর দিয়ে পৌঁছুনো সম্ভব ওখানে। ভেরোনিকা নিশ্চয়ই সে- চেষ্টা করছে।

    অ্যালির বেডরুমের জানালায় অদ্ভুত এক গুঞ্জন শোনা গেল। হেলিকপ্টারের আওয়াজে কম্পন উঠেছে কাঁচে। দরজা দিয়ে সাবধানে উঁকি দিল রানা। সামনের কপ্টারটা চলে এসেছে—দক্ষিণের একটা বিল্ডিঙের ছাত পেরিয়ে গেল, ওটা মাত্র এক ব্লক দূরে।

    ‘ধরো এটা।’ অ্যালির হাতে সিগ-সাওয়ারটা ধরিয়ে দিল রানা। ম্যাগাজিনে এখনও দুটো বুলেট আছে। ইশারা করল হলঘরের উত্তর প্রান্তের দিকে। ‘কোনোকিছু নড়তে দেখলেই গুলি করবে।’

    বাধ্য মেয়ের মত মাথা ঝাঁকাল অ্যালি। পিস্তল বাগিয়ে দাঁড়াল।

    হাঁটু গেড়ে মেঝেতে বসল রানা। রাইফেলটা নামিয়ে রাখল একপাশে। তারপর দ্রুত হাতে এলিনার শরীর থেকে খুলতে শুরু করল প্যারাশুটটা।

    .

    প্রথম হেলিকপ্টারের কোডনেম স্প্যারো ফোর-ওয়ান। কম্পিউটার রুমের দুটো মনিটরে ভেসে উঠেছে ওটার আরোহী দু’জন স্নাইপারের হেলমেট-ক্যামেরা ফিড। এ- মুহূর্তে টাওয়ারের দক্ষিণ পাশ দেখাচ্ছে ক্যামেরাদুটো। নিজের অফিসে বসে লিয়ারিও দেখতে পাচ্ছে সেই ছবি।

    পাইলটের কণ্ঠ শোনা গেল স্পিকারে। ‘নো মুভমেন্ট অন দ্য টার্গেট লেভেল।’

    হেলিকপ্টারের আওয়াজে জেগে উঠেছে ওপর-নিচের সব ফ্লোরের অধিবাসীরা। ছুটে এসেছে জানালায়। কী ঘটছে দেখতে চায়। হেলিকপ্টার থেকে একটা স্পটলাইট জ্বেলে তিরাশি নম্বর ফ্লোরে আলো ফেলা হলো। দক্ষিণ পাশের এক প্রান্ত থেকে আরেক প্রান্ত পর্যন্ত ঘোরানো হলো আলোটা। কিন্তু কারও দেখা পাওয়া গেল না।

    ‘স্প্যারো ফোর-ওয়ান, বিল্ডিঙের চারপাশে ঘুরে দেখো, ‘ কম্পিউটার রুম থেকে নির্দেশ দিল হুপার। ‘ওরা ভেতরেই আছে। প্রতিবেশীরা গুলির শব্দ শুনেছে ওখান থেকে। স্প্যারো ফোর-টু, তোমার লোকদের নামাও।

    ‘ইয়েস, স্যর। আউট।’

    জুম করা মিরাণ্ডার ফ্রেমে দ্বিতীয় কপ্টারটাকে পৌছুতে দেখা গেল। টাওয়ারের ছাতের ওপরে গিয়ে স্থির হলো ওটা, টপাটপ ওটা থেকে লাফিয়ে নামল চারজনের একটা স্পেশালিস্ট টিম। নিচে নেমেই দৌড়াতে শুরু করল। স্টেয়ারওয়েল অ্যাকসেসের কাছে গিয়ে ক্ষণিকের জন্যে থামল তারা। একটু পরেই জ্বলজ্বলে একটা হিট সিগনেচার দেখা গেল ওখানে, বিস্ফোরকের সাহায্যে উড়িয়ে দেয়া হচ্ছে সিঁড়িঘরের দরজার তালা। বাধাটা দূর হতেই সিঁড়ির ভেতরে অদৃশ্য হয়ে গেল টিমটা।

    .

    হারনেসের শেষ ক্লিপটা খুলে ফেলেছে রানা। প্যারাশুটটা এলিনার শরীর থেকে খুলে নিয়ে হাতে তুলল রাইফেল। আস্তে আস্তে উঠে দাঁড়াল। চকিতে তাকাল হলঘরের দক্ষিণ কোণে। এখনও দেখা নেই ভেরোনিকার।

    দুটো কপ্টারেরই আওয়াজ শোনা যাচ্ছে এখন। প্রথমটা বিল্ডিঙের চারদিকে চক্কর দিতে শুরু করেছে। দ্বিতীয়টা ল্যাণ্ড করেছে ছাতে। ওটার ভাইব্রেশন ছড়িয়ে পড়েছে বিল্ডিঙের পুরো কাঠামোয়… তবে খুব সামান্য সময়ের জন্যে। কয়েক সেকেণ্ডের ভেতর কম্পনটা থেমে যাওয়ায় রানা বুঝল, একটা টিম নামিয়ে দিয়ে গেছে ওটা। মনে মনে হিসেব করল তাদের টাইমলাইন। ছাত থেকে তিরাশি তলায় পৌঁছুতে মোটামুটি চার মিনিট নেবে ওরা। ঠেকানোর উপায় নেই। দরজা দিয়ে ঢুকতে না পারলে ওপরতলার মেঝে কেটে ঢুকবে। তার আগেই ওদের নাগালের বাইরে চলে যেতে হবে।

    অভ্যস্ত ভঙ্গিতে ঝটপট প্যারাশুটটা পরে ফেলল রানা। ক্লিপ লাগিয়ে শরীরের সঙ্গে শক্ত করে আঁটল। তারপর ইশারা করল অ্যালিকে। মাথা ঝাঁকাল মেয়েটা। পিস্তল নামিয়ে ঢুকে পড়ল বেডরুমে। ওকে অনুসরণ করল রানা।

    ‘আমার গায়ে চড়বে তুমি,’ ভেতরে ঢুকে বলল রানা। ‘পা দিয়ে জড়িয়ে ধরবে কোমর, আর দু’হাত দিয়ে ধরবে গলা। যত জোরে পারো। আর কোনোদিকে মনোযোগ দেবার প্রয়োজন নেই। ওকে?’

    দোনোমনো ভঙ্গিতে সায় জানাল অ্যালি। ভয় পাচ্ছে ও। আর তখুনি কপালের দু’পাশে অদৃশ্য এক চাপ অনুভব করল রানা। ভেরোনিকা। কাছে চলে এসেছে। মরিয়া হয়ে উঠেছে সে।

    আর দেরি করল না অ্যালি, এক লাফে উঠে পড়ল রানার গায়ে। জাপটে ধরল ওকে। রাইফেলটা এক হাতে উঁচু করল রানা… সুইচটা আগেই সেট করেছে অটোতে… টিপে দিল ট্রিগার। মুষলধারে বুলেট ছুটল। পিছু পিছু ছুটল রানা। শেষ মুহূর্তে হাত থেকে ফেলে দিল রাইফেল, দু’হাতে আঁকড়ে ধরল অ্যালিকে, এরপর ঝাঁপিয়ে পড়ল কাঁচের ওপর। গুলির আঘাতে ফাটল ধরেছিল, এবার আর অক্ষত রইল না কাঁচ, ভেঙেচুরে পথ করে দিল। তিরাশি তলা থেকে নিচে পড়ছে রানা আর অ্যালি।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleরিং – কোজি সুজুকি
    Next Article সাবাস অয়ন! সাবাস জিমি!! – ইসমাইল আরমান

    Related Articles

    ইসমাইল আরমান

    দ্য সি-হক – রাফায়েল সাবাতিনি

    July 11, 2025
    ইসমাইল আরমান

    সাবাস অয়ন! সাবাস জিমি!! – ইসমাইল আরমান

    July 11, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }