Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    মাসুদ রানা ৪৫৯ – অন্তর্যামী

    ইসমাইল আরমান এক পাতা গল্প358 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    অন্তর্যামী – ৩২

    বত্রিশ

    কাগজটার দিকে তাকিয়ে কয়েক মুহূর্ত চুপচাপ বসে রইল রানা। মনে পড়ে যাচ্ছে, শিকাগোর অ্যাপার্টমেন্টে লাঞ্চের সময় হওয়া আলোচনার কথা। টিফানির নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বিগ্ন হয়ে উঠেছিল অ্যালি। এলিনা তখন বলেছিল, আগামী এক সপ্তাহের ভেতরে কোনও বিপদ হবে না তার। কেন অতটা নিশ্চিত হয়ে বলছিল, সেটা বুঝতে পারছে এবার। টিফানির বিপদ আসলে লিয়ারির তরফ থেকে নয়, স্বয়ং অ্যালির তরফ থেকে আসবে। স্মৃতি ফিরতে যেহেতু এক সপ্তাহ লাগবে ওর, সে-সময়টায় বিপদ না হবারই কথা।

    ‘গল্পটা এখনও শেষ হয়নি।’ লিয়ারির কথায় সংবিৎ ফিরল রানার। ‘ফোর্ট ডেট্রিকের ঘটনার এক সপ্তাহ পর, ওয়াশিংটন ডি.সি. ও তার আশপাশে, রিসার্চের সঙ্গে জড়িত বেশ কিছু মানুষ আত্মহত্যা করতে শুরু করলেন। এঁদের প্রত্যেকেই প্রজেক্টটার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত ছিলেন, বিশেষ করে ওখানে কী ঘটেছে, সেটা ঠিকমত বুঝবার জন্যে… পাল্টা ব্যবস্থা নেবার জন্যে এঁদেরকে খুব প্রয়োজন ছিল সরকারের। এলিনা আর ভেরোনিকার প্রশংসা করতেই হয়—মাঠ থেকে খুব দ্রুত মূল খেলোয়াড়দের সরিয়ে ফেলছিল ওরা, যাতে পুরো প্রজেক্টটাই বন্ধ হয়ে যায়। তা-ই হয়েছিল। এরপরেও থামেনি ওরা, নজরদারি চালিয়ে গেছে। যখনই সরকার রিসার্চটা চালু করার চেষ্টা করেছে, আঘাত হেনেছে। শেষে আমার কোম্পানি আর সাদার্ন অ্যাসোশিয়েটসকে মাঠে নামানো হয়। ওদেরকে ফাঁকি দেবার কৌশল আবিষ্কার করি আমরা।’

    ‘কৌশলটা কী? খুন?’ ভুরু নাচাল রানা।

    ‘না, মি. রানা। খুন করা গেলে তো বহু আগেই করা হতো। ওদেরকে নাগালেই পাওয়া যায়নি। আমরা একটা বিকল্প খুঁজে বের করি। মাইওরিডিঙের মাধ্যমে সব জেনে নেয় ওরা, কাজেই সেটাকে ট্যাকেল করার দিকে মনোযোগ দিই। ঢেলে সাজাই আমাদের সাংগঠনিক কাঠামো—অসংখ্য স্তর ও শাখা-প্রশাখা দিয়ে। নিজের কাজের বাইরে কেউই তেমন কিছু জানবে না; টপ লেভেলের যারা বিস্তারিত জ্ঞান রাখে, তাদের পরিচয় থাকবে গোপন। রিসার্চ সাইটগুলো দাঁড় করানো হলো দুর্গম, প্রত্যন্ত সব এলাকায়, যেখানে, সহজে পৌঁছুনো যায় না; নতুন কেউ তার ধারেকাছে গেলে চোখে পড়ে যাবে। সোজা কথায়, প্যারানয়েডের মত চলতে শুরু করলাম আমরা। এদিক থেকে ডা. ক্যানট্রেল অবশ্য আমাদের চেয়ে কয়েক কদম এগিয়ে ছিলেন।’

    চকিতে টিফানির দিকে তাকাল রানা। বুকের ওপর দু’হাত ভাঁজ করে চেয়ারে বসে আছে সে।

    ‘ফোর্ট ডেট্রিকের ঘটনার এক ঘণ্টার ভেতর ওখান থেকে পালিয়ে যান ডা. ক্যানট্রেল,’ বলল লিয়ারি। ‘কারও সঙ্গে কথা বলেননি, পুলিশ বা মিলিটারির জন্যে অপেক্ষা করেননি কাউকে কিছু না বলে গা-ঢাকা দিয়েছিলেন। সম্ভবত সে- কারণেই আজও বেঁচে আছেন তিনি।’

    ‘ফ্লোরিডায় আমার এক বন্ধুর ভ্যাকেশন হোম ছিল, ‘ জানাল টিফানি। ‘ওখানে গিয়ে উঠি আমি। ছ’মাসের জন্যে অদৃশ্য হয়ে যাই পরিচিত দুনিয়া থেকে। কেউ জানত না ওখানকার কথা। তাই অ্যালি কিংবা ওর দুই সঙ্গিনী খোঁজ পায়নি আমার। পেলে বাঁচতে দিত না।’

    ‘আমার তা মনে হয় না,’ রানা মাথা নাড়ল। ‘তোমাকে খুন করতে চাইলে ফোর্ট ডেট্রিকেই খুন করতে পারত অ্যালি আত্মহত্যা করাতে পারত। তিন নম্বর নোটটা লেখাত না।’

    ‘এ-নিয়ে আমিও ভেবেছি,’ টিফানি বলল। ‘আমাকে ও ঘৃণা করে, সন্দেহ নেই… কিন্তু খুন করার মত না। অন্তত তখন সে-ধরনের চিন্তা ছিল না ওর মাঝে। কাউকেই খুন করার মত মানুষ ছিল না ও। কিন্তু ওর সঙ্গে রয়েছে এলিনা আর ভেরোনিকার মত দুটো সাইকোপ্যাথ। এরা ওর মন বিষিয়ে তুলেছে, ওকে দিয়ে খারাপ কাজগুলো করিয়ে নিচ্ছে। নিজেদের ক্ষমতা তো খুব বেশি কিছু না, স্রেফ মাইওরিডিং পর্যন্ত। কিন্তু স্বার্থোদ্ধারের জন্যে অ্যালি একটা মোক্ষম অস্ত্র। বাচ্চা একটা মেয়ে, ভালমন্দ বিচারের বয়স হয়নি, ওকে যা বোঝানো হচ্ছে তা-ই করছে। আর ওকে মোটিভেটেড রাখার জন্যে আমাকে বেছে নিয়েছে ওরা। এমনভাবে ব্রেইনওয়াশ করেছে ওর, অ্যালির জীবনের সবচেয়ে বড় লক্ষ্য এখন আমাকে খুন করে প্রতিশোধ নেয়া… বাকি যা করানো হচ্ছে ওকে দিয়ে, সবই আমার কাছে পৌঁছুনোর জন্যে। স্লিপ ইন্টারোগেশনে এসবই বলেছে অ্যালি।’

    ‘পাঁচ বছরে তোমাকে ও খুঁজে পায়নি কেন?’

    ‘কারণ, ফ্লোরিডায় ছ’মাস লুকিয়ে থাকার পর ডা. ক্যানট্রেল যখন আর্মির সঙ্গে যোগাযোগ করলেন, তাঁকে রক্ষার জন্যে বিশেষ ব্যবস্থা নেয়া হয়,’ বলল লিয়ারি। ‘নামধাম পাল্টে তাঁকে পাঠিয়ে দেয়া হয় অ্যামারিলোতে। হাতেগোনা দু’চারজন ছাড়া কেউ সে-খবর জানত না।’

    টিফানির দিকে তাকিয়ে মায়া হলো রানার। পাঁচ বছরের সার্বক্ষণিক আতঙ্কের ছাপ পড়েছে চেহারায়। অ্যালির আতঙ্ক। ডাইনোসরের পুতুল জড়িয়ে ধরে থাকা নিষ্পাপ এক কিশোরীর সঙ্গে তা কিছুতেই মেলাতে পারছে না ও।

    ‘অ্যালি যদি এতই শক্তিশালী হয়ে থাকে,’ লিয়ারিকে জিজ্ঞেস করল ও, ‘দু’মাস আগে ওকে আপনারা ধরলেন কীভাবে?’

    বিব্রত দেখাল লিয়ারিকে। ‘ইয়ে… ডা. ক্যানট্রেলকে টোপ হিসেবে ব্যবহার করি আমরা… তাঁকে কিছু না জানিয়ে। তাঁর ঠিকানা খুঁজে বের করি আমি, এরপর যাদের ওপর এলিনা আর ভেরোনিকা নিয়মিত নজর রাখছে, তেমন একজনকে কৌশলে জানিয়ে দিই ঠিকানাটা। এমনভাবে, যেন সে ঘটনাক্রমে ওটা জানতে পেরেছে। জানতাম, কোনোভাবে ঠিকানাটা পেলে অ্যালি আর চুপ করে বসে থাকবে না, হামলা করতে আসবে।’

    ‘প্ল্যানটা ঠিক পছন্দ হলো না আমার,’ রানা বলল। ‘এক মাইল দূর থেকে মাইণ্ড কন্ট্রোল করতে পারে অ্যালি। আপনারা ওকে লোকেট করার আগেই টিফানিকে আত্মহত্যা করাতে পারত!’

    ‘ওঁরা আসলে আমার বাঁচামরা নিয়ে মাথা ঘামাননি,’ ক্ষুব্ধ সুরে বলল টিফানি। ‘ভেবেছেন, আত্মহত্যা করালেই ভাল। তা হলে শিয়োর হতে পারবেন, ওকে এক মাইলের ভেতর পাওয়া যাবে। অপারেশন চালাতে পারবেন সেই মোতাবেক।’

    ‘না, না, আমরা আপনার মৃত্যু চাইনি,’ তাড়াতাড়ি বলল লিয়ারি। কৈফিয়ত দিল, ‘ঝুঁকি একটু বেশি নিয়েছিলাম বটে, কিন্তু ওকে ধরার জন্যে ওটুকু না নিয়ে উপায় ছিল না। তা ছাড়া, আপনার নিরাপত্তার জন্যে যথেষ্ট ব্যবস্থা নেয়া হয়েছিল। বাড়ি, গাড়ি, অফিস… সবখানে ক্যামেরা লাগানো হয়েছিল। অ্যামারিলোর ওপরে দিনরাত চব্বিশ ঘণ্টা আধ ডজন ড্রোন উড়েছে, মিরাণ্ডা স্যাটেলাইট ফিক্স করে রাখা হয়েছে। আমাদের চোখ ফাঁকি দিয়ে কেউ যেন আপনার কাছাকাছি পৌছুতে না পারে, সেদিকে খেয়াল রেখেছিলাম আমরা।’

    ‘ধরে নিচ্ছি, ওতে কাজ হয়েছিল?’ জিজ্ঞেস করল রানা। ‘হ্যাঁ। ফাঁদ পাতার এক মাসের মাথায়, ডা. ক্যানট্রেলের বাড়ির দু’ব্লক দূরে, একটা পার্কে অ্যালিকে খুঁজে পায় একটা ড্রোন। সব ড্রোনেই আমরা লো-পাওয়ারের মিসাইল বসিয়েছিলাম, মেয়েটাকে দেখতে পাওয়ামাত্র একটা মিসাইল ছোঁড়া হয়। ওর শরীরের পাঁচ মিটার দূরে সেটার বিস্ফোরণ ঘটাই আমরা। শকওয়েভে ছিটকে পড়ে অ্যালি, পাঁজরের তিনটা হাড় ভেঙে যায়, জ্ঞান হারিয়ে ফেলে। এরপর আমাদের টিম গিয়ে কবজা করে ওকে। জ্ঞান যাতে না ফেরে, তার জন্যে নারকোটিক্স ব্যবহার করা হয়েছিল।’

    ‘বাকি দু’জন ছিল না ওর সঙ্গে?’

    ‘থাকলেও কাছাকাছি ছিল না। আমরা ওদের হদিস পাইনি। অপারেশনের ওটাই ছিল একমাত্র দুর্বলতা।’

    ‘দুর্বলতা তো বটেই,’ টিফানি বলল। ‘ওদের ভয়ে গত দু’মাস ধরে আমাকে বডিগার্ড নিয়ে চলাফেরা করতে হচ্ছে। সারাক্ষণ আতঙ্কে থাকতে হচ্ছে: ওরা আমার মন পড়ছে কি না। দু’জনেই খুব চালু, জানো? নির্দিষ্ট একটা দূরত্ব থেকে যদি মাইণ্ডরিডিং করে, মাথায় কোনও ব্যথা হয় না। তাই বোঝাও যায় না, ওরা আশপাশে আছে কি না।’

    সত্যিই টিফানির ওপর নজর রাখছিল ওরা, ভাবল রানা। কেন, তা অনুমান করা কঠিন নয়। অ্যালিকে হারিয়ে নিশ্চয়ই অস্থির হয়ে উঠেছিল। ভেবেছিল, টিফানির মাধ্যমে খোঁজ পাওয়া যাবে অ্যালির… ওকে উদ্ধার করা যাবে।

    ‘হুম, সবই পরিষ্কার,’ দীর্ঘশ্বাস ফেলে বলল রানা। ‘এবার তোমাকে শেষ একটা প্রশ্ন করব, টিফানি। তুমি কি সত্যিই অ্যালিকে বাঁচাতে চাও?’

    ‘অবশ্যই!’ জোর গলায় বলল টিফানি। ‘ওর কোনও দোষ নেই। এসবের কিছুই ও স্বেচ্ছায় করেনি।’

    ‘কিন্তু মেয়েটা বিপজ্জনক!’ প্রতিবাদ করল লিয়ারি। ‘শুধু আপনার জন্যে নয়, অনেক মানুষের জন্যে।’

    ‘সমস্যাটার একটা সমাধান আছে!’

    বিরক্ত হলো লিয়ারি। কীসের কথা বলছে টিফানি, তা বুঝতে পেরেছে।

    ‘কী সমাধান?’ জিজ্ঞেস করল রানা।

    ‘সমস্যার সূচনা যা দিয়ে হয়েছে, সেটাই,’ বলল টিফানি। ‘জিনেটিক ম্যানিপুলেশন। পাঁচ বছর সময় পেয়েছি আমরা এটা নিয়ে কাজ করতে। যে-ড্রাগের প্রভাবে অ্যালি তার অবিশ্বাস্য ক্ষমতা পেয়েছে, সেটার প্রতিষেধক তৈরি করা হয়েছে। চাইলেই পুরো প্রক্রিয়াটা রিভার্স করে দিতে পারি আমরা।’

    অপলকে চেয়ে রইল রানা।

    ‘সময় লাগবে প্রচুর, কিন্তু কাজ হবে ওতে, দৃঢ়কণ্ঠে বলল টিফানি। ‘অ্যালিকে যদি আরেকবার জীবন্ত ধরা যায় আর কী।’

    এভাবে বলা উচিত হচ্ছে না আপনার,’ লিয়ারি মাথা নাড়ল। ‘অ্যানিমেল ট্রায়ালে কাজ হয়েছে মানে এ-ই নয় যে…’

    ‘কাজ হবে, আমি গ্যারান্টি দিচ্ছি,’ তাকে থামিয়ে দিল টিফানি। ‘ক্ষমতাটা হারানোর পর কী ঘটবে, তা বলতে পারি না। হয়তো মানসিক বিপর্যয় হবে ওর, দীর্ঘদিন থেরাপি দিতে হবে। কিন্তু তারপরেও ছোট্ট একটা সম্ভাবনা থেকে যায়—কোনোদিন সুস্থ হবে ও, স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে পারবে। আমাদেরকে সে-চেষ্টা করতেই হবে।’

    ‘অ্যাডমিরাল হ্যামিলটন আর মেজর জেনারেল রাহাত খানও একই মত দিয়েছেন,’ মুরল্যাণ্ড জানাল।

    হতাশ ভঙ্গিতে মাথা নাড়ল লিয়ারি।

    ‘বেশ,’ বলল রানা। ‘তা হলে প্ল্যানটা কী? কিছু একটা নিশ্চয়ই ঠিক করেছ তোমরা?’

    ‘করেছি।’

    ‘শোনাও।’

    দৃষ্টি বিনিময় করল মুরল্যাণ্ড আর লিয়ারি।

    ‘কী হলো?’ রানা তাড়া দিল ওদেরকে।

    ‘আরেকটা ফাঁদ পাতব আমরা,’ লিয়ারি বলল। ‘এবার টোপ হিসেবে ডা. ক্যানট্রেল আর আপনি… দু’জনেই থাকবেন। এতে কোনও জোরাজুরি নেই। চাইলে আপনি এতে অংশ না-ও নিতে পারেন। আপনার নামে যে-ম্যানহান্ট শুরু করা হয়েছিল, সেটা ইতিমধ্যে বন্ধ করার ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। জনসাধারণকে বলা হবে, বোমাবাজ লোকটাকে খুঁজে পাওয়া গেছে, ধরা পড়ার ভয়ে আত্মহত্যা করেছে সে। মানে, আপনি মুক্ত। যেখানে খুশি চলে যেতে পারেন।’

    ‘এসব শুনতে চাই না,’ বলল রানা। ‘আমি থাকছি। প্ল্যানটা খুলে বলুন আমাকে।’

    ‘সরি, দোস্ত,’ মুরল্যাণ্ড বলল, ‘ওটাই জানানো যাবে না তোমাকে। অন্ধকারে থাকতে হবে, নইলে তোমার মাথা থেকে সব জেনে নেবে অ্যালি।’

    ঠোঁট কামড়াল রানা। অভিজ্ঞতাটা নতুন। অন্ধের মত কোনও কাজে নামতে অভ্যস্ত নয় ও। তবে মিনিট দুয়েক ‘ভেবেই বুঝতে পারল, আর কোনও উপায়ও নেই।

    ‘শুধু এটুকু বলতে পারি,’ লিয়ারি বলল, ‘একটা বাড়িতে রাখা হবে আপনাদের-পূর্ব ক্যানসাসের ফার্ম ল্যাণ্ডে। বাড়ির আধমাইল দূরে একটা ব্যস্ত রাস্তা থাকবে, যেখানে রয়েছে বিভিন্ন ধরনের রেস্টুরেন্ট আর স্টোর। চব্বিশ ঘণ্টাই মানুষ আনাগোনা করে ওখানে।’

    প্ল্যানের একটু আভাস পেল রানা। ‘হুম! আপনারা তা হলে অ্যালিকে আশ্বস্ত করতে চাইছেন যে, ভিড়ভাট্টার কাভার নিয়ে ওর পক্ষে আমাদের কাছাকাছি পৌছানো সম্ভব… লকিঙের রেঞ্জের মধ্যে।’

    ‘আমরা চাই, ও আরও কাছাকাছি পৌঁছাক, হেঁয়ালি করল লিয়ারি। ‘একদম কাছে!’

    ‘মানে?’

    টিফানি দিল জবাবটা। ‘আমাকে অ্যালি কতটা ঘৃণা করে, তা তুমি জানো না, রানা। ঘৃণাটা এতই বেশি যে, আমাকে আত্মহত্যা করালে তৃপ্তি পাবে না ও। এল্ সেডেরোর ইন্টারোগেশনের সময় বলেছে, আমাকে ও নিজ হাতে খুন করতে চায়। জীবনের শেষ মুহূর্তটায় আমি যেন ওর চোখে চোখ রেখে মরি।’ গলা ভেঙে গেল ওর।

    কয়েক মুহূর্তের নীরবতা নেমে এল কামরায়।

    গলা খাঁকারি দিল রানা। ‘এসব জেনেও তুমি টোপ হতে চাইছ?’

    ‘আমি নিরুপায়, রানা। পাপের প্রায়শ্চিত্ত করার জন্যে, অ্যালিকে সুস্থ করে তোলার জন্যে… ঝুঁকিটা আমাকে নিতেই হবে।’

    মাথা নিচু করে ফেলল টিফানি।

    ‘ব্রিফিং এখানেই শেষ,’ বলল লিয়ারি। ‘ডা. ক্যানট্রেল, মি. রানা, তৈরি হয়ে নিন। আপনাদেরকে আমরা ওই বাড়িতে নিয়ে যাব। ডা. ক্যানট্রেলের বসকে কৌশলে বাড়ির ঠিকানা, আর ওখানে যাবার একটা মিথ্যে অজুহাত জানিয়ে দেয়া হবে। অ্যালি যখন স্মৃতি ফিরে পাবে, নিশ্চয়ই খুঁজতে বেরুবে ডা. ক্যানট্রেলকে। ঠিকানাটা জেনে নেবে সে। ততক্ষণ আমরা ওর অপেক্ষায় থাকব।’

    ‘প্ল্যানটা মোটেই জুৎসই নয়,’ মন্তব্য করল রানা। ‘ফার্মহাউসটা যে একটা ফাঁদ, সেটা ও সহজেই বুঝতে পারবে।’

    ‘তা তো পারবেই,’ স্বীকার করল লিয়ারি। ‘শুরুতে যদি না-ও বোঝে, আপনাদেরকে লক করামাত্র জেনে যাবে।’

    ‘তা হলে ফাঁদে পা দেবে কেন সে?’

    ‘হয়তো দেবে না। আবার দিতেও পারে। ফাঁদের ব্যাপারটা জেনে ফেলায়, ওভার-কনফিডেন্ট হয়ে উঠতে পারে। হয়তো ভাববে, আমাদেরকে বোকা বানানো সম্ভব।’

    ‘ভাবলে একেবারে ভুল ভাববে না।’

    কাঁধ ঝাঁকাল লিয়ারি। ‘ঝুঁকি তো থাকেই।’

    ‘ভেরোনিকা ওকে বাধা দেবে না?’

    ‘দিলেও শুনবে ভেবেছেন?’ হাসল লিয়ারি। ‘এখন আর কচি খুকি নয় অ্যালি। এলিনা না থাকায় ভেরোনিকা একা। কেন ওর কথায় উঠবে-বসবে সে? শক্তির দিক থেকেও ভেরোনিকা ওর সামনে চুনোপুঁটি। এখন বরং ওর কথাতেই চলতে হবে ভেরোনিকাকে।’

    চোখের সামনে অ্যালির নিষ্পাপ মুখটা ভেসে উঠল রানার। হিংস্র এক খুনির মত যে-চেহারা ওর সামনে তুলে `ধরছে এরা, তা মানতে পারছে না কিছুতেই।

    রানার মনের অবস্থা বুঝতে পারছে লিয়ারি। শীতল গলায় বলল, ‘ওকে আপনি চেনেন না, মি. রানা। সত্যিকার অ্যালিকে ডা. ক্যানট্রেল চেনেন… আমি চিনি। ও কী করতে চায়, আর ওর পক্ষে কী করা সম্ভব, তা জানি শুধু আমরা। আমি এখনও বলব, এতসব ঝামেলায় না গিয়ে ওকে খতম করে দেয়াই ভাল।

    ‘কক্ষণো না!’ প্রায় চেঁচিয়ে উঠল রানা।

    ‘আমিও তোমার সঙ্গে একমত,’ সুর মেলাল টিফানি। ‘এসব ঘটার আগে অ্যালির চেহারা আমি দেখেছি। জানি, ও কী হতে পারত। এখনও ওকে সে-জীবনে ফিরিয়ে নেয়া সম্ভব।’

    হাল ছেড়ে দিল লিয়ারি। ‘বেশ, তা হলে উঠুন। রওনা হওয়া যাক।’

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleরিং – কোজি সুজুকি
    Next Article সাবাস অয়ন! সাবাস জিমি!! – ইসমাইল আরমান

    Related Articles

    ইসমাইল আরমান

    দ্য সি-হক – রাফায়েল সাবাতিনি

    July 11, 2025
    ইসমাইল আরমান

    সাবাস অয়ন! সাবাস জিমি!! – ইসমাইল আরমান

    July 11, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }