Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    মাসুদ রানা ৪৫৯ – অন্তর্যামী

    ইসমাইল আরমান এক পাতা গল্প358 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    অন্তর্যামী – ৩৫

    পঁয়ত্রিশ

    তিন. মিনিট হলো লিয়ারিকে ফোন করেছে রানা, জবাব পায়নি। নিজের ফোন থেকে টিফানিও চেষ্টা করেছে, লাভ হয়নি। সমস্যাটা ফোনের ভেবে রানার নাম্বারে কল করেছিল, কিন্তু সঙ্গে সঙ্গে বেজে উঠেছে ওটা।

    এখন এক জানালা থেকে আরেক জানালায় ছুটছে দু’জনে, নজর বোলাচ্ছে চারদিকের প্রান্তরে। ফার্মহাউসের দিকে কেউ এগিয়ে আসছে কি না, দেখতে চাইছে।

    ‘কোনও মানে হয় না,’ কিচেন থেকে বেরিয়ে এসে বলল টিফানি। ‘ওদেরকে আমরা যদি দেখতেও পাই, লাভ কী?’

    লিভিং রুমের জানালায় দাঁড়িয়ে আছে রানা। ঘাড় ফিরিয়ে জিজ্ঞেস করল, ‘তা হলে কী করতে চাও?’

    ‘দু-দুটো গাড়ি আছে গ্যারাজে,’ টিফানি বলল। ‘পালানোর চেষ্টা করলে কেমন হয়? হেডলাইট নিভিয়ে যদি মাঠের ওপর দিয়ে ফুল স্পিডে ছুটি, দু’মিনিটের মধ্যেই অ্যালির লকিং রেঞ্জের বাইরে চলে যেতে পারব।’

    ‘তার আগেই ইঞ্জিনের আওয়াজ শুনে আমাদেরকে আবার লক করে ফেলবে ও।’

    ‘এখানে বসে থাকলে সেটা এমনিতেও করবে,’ কেঁপে উঠল টিফানি।

    ‘শান্ত হও,’ ওকে বলল রানা। ‘লিয়ারির কী হয়েছে, তা জানি না আমরা। সে যদি মারাও গিয়ে থাকে, তার মানে এই নয় যে, প্ল্যানটার বারোটা বেজেছে। আমরা পালাবার চেষ্টা করলেই বরং ওটায় ব্যাঘাত ঘটবে। একটু ধৈর্য ধরো, এমন সুযোগ বার বার আসবে না।’

    পাল্টা কিছু বলতে চাইছিল টিফানি, থমকে গেল জানালায় চোখ পড়ায়। ওর দৃষ্টি অনুসরণ করে রানাও বাইরে তাকাল। দুটো ছায়ামূর্তি! মাঠের ওপর দিয়ে লম্বা লম্বা কদম ফেলে এগিয়ে আসছে বাড়ির দিকে। চেহারা বোঝা যাচ্ছে না, তবে তার প্রয়োজনও নেই। দু’জনের আকার-আকৃতি আর উচ্চতা দেখেই বোঝা যাচ্ছে পরিচয়।

    এগিয়ে এসে রানার হাত ধরল টিফানি। ওর হাতের তালু ঘামছে। মুঠোয় মৃদু চাপ দিয়ে ওকে সাহস জোগাতে চাইল রানা।

    থামার কোনও লক্ষণ নেই দুই ছায়ামূর্তির মাঝে, মাঠের অর্ধেকটা পেরিয়ে এসেছে ইতিমধ্যে। ওদের হাঁটার ভঙ্গিতে কী যেন একটা বৈসাদৃশ্য লক্ষ করল রানা। সেটা নিয়ে মাথা ঘামাবার সময় পেল না ও, তার আগেই শুরু হয়ে গেল নরক গুলজার।

    প্রথমে চোখ ধাঁধিয়ে গেল উজ্জ্বল একটা আলোয়। তার পিছু পিছু ভেসে এল প্রচণ্ড এক বিস্ফোরণের আওয়াজ। সেটা এতই তীব্র যে, চুর চুর করে ভেঙে পড়ল দক্ষিণদিকের সমস্ত জানালার কাঁচ।

    ভয়ে চেঁচিয়ে উঠল টিফানি। ওকে জড়িয়ে ধরল রানা—নিজের শরীরকে বর্ম বানিয়ে পিঠ ঘোরাল জানালার দিকে, যাতে ছুটে আসা কাঁচের টুকরোয় আহত না হয় মেয়েটা। আলোর তীব্রতা কমে এলে আড়চোখে তাকাল বাইরে।

    আরেকটা বিস্ফোরণ ঘটল। আবারও আলোকিত হলো প্রান্তর। দুই ছায়ামূর্তি ইতিমধ্যে উল্টো ঘুরে গেছে, প্রাণপণে দৌড়ে পালাবার চেষ্টা করছে। তৃতীয় বিস্ফোরণ হলো, এরপর চতুর্থটা। নিয়মিত ছন্দে বিস্ফোরণ ঘটছে তাদের চারপাশে, যেন শুরু হয়েছে কোনও আতশবাজির খেলা।

    ‘হচ্ছেটা কী?’ চেঁচিয়ে উঠল টিফানি।

    প্ল্যানের বাস্তবায়ন,’ ওর কানের কাছে মুখ নিয়ে বলল রানা।

    শব্দ আর আলোর ফুলঝুরির মাঝ দিয়ে দৌড়ে চলেছে অ্যালি ও ভেরোনিকা—দক্ষিণে, যেদিক থেকে ওরা এসেছে। কিন্তু ষাট ফুট যেতেই পরাস্ত হলো দু’জনে। পুরু সাদা ধোঁয়ায় ঢাকা পড়ে যাচ্ছে প্রান্তর। দুই পলাতকের চারপাশে… যেখানে যেখানে বিস্ফোরণ ঘটেছে… সেখান থেকে বেরিয়ে এসেছে এই ধোঁয়া। ছড়িয়ে পড়ছে চারদিকে। একদম মাঝখানে পড়ে গেছে অ্যালি আর ভেরোনিকা। আলোর শেষ ঝলকানিতে ওদেরকে টলে উঠতে দেখল রানা, দু’জনে হুমড়ি খেয়ে পড়ল মাটিতে।

    নেমে এল অন্ধকার। নীরবতা।

    কান ঝন ঝন করছে রানার। সেলফোনের রিংটোন প্রথমে শুনতে পেল না, ভাইব্রেশনে টের পেল, ওটা বাজছে। ফোন বের করে দেখল, ডিসপ্লেতে ভেসে উঠেছে লিয়ারির নাম্বার।

    ‘কোথায় ছিলেন আপনি?’ কল রিসিভ করে ধমকে উঠল ও।

    ‘সরি,’ সকৌতুকে বলল লিয়ারি। প্রসন্ন কণ্ঠ। ‘ইচ্ছে করেই জবাব দিইনি। ভেবেছিলাম, আপনারা আতঙ্কিত হয়ে পড়লে অ্যালির সাহস আরও বেড়ে যাবে।’

    ব্যাকগ্রাউণ্ডে একটা গুঞ্জন শুনতে পেল রানা। হেলিকপ্টারের টার্বাইন চালু হচ্ছে।

    ‘লিভিং রুমের কাউচের মাঝখানের কুশনটা তুলে ফেলুন,’ লিয়ারি বলল। ‘তলার খোপে দুটো গ্যাস মাস্ক পাবেন।’

    মাস্কদুটো বের করল রানা, একটা তুলে দিল টিফানির হাতে।

    ‘আমি দশ মাইল দূরে আছি,’ জানাল লিয়ারি। ‘তিন থেকে চার মিনিটের ভেতর ফার্মহাউসে পৌঁছুব। তার আগে অ্যালি বা ভেরোনিকার জ্ঞান ফেরার কোনও সম্ভাবনা নেই, তারপরেও সতর্ক থাকা ভাল। ডা. ক্যানট্রেলকে বলুন, গ্যারাজ থেকে যে-কোনও একটা গাড়ি নিয়ে এখুনি বেরিয়ে পড়তে। যেখানে খুশি চলে যেতে পারেন, কাউকে বলার প্রয়োজন নেই। সব ঠিকঠাক থাকলে আমরা পরে যোগাযোগ করব তাঁর সঙ্গে।’

    ‘ঠিক আছে, বলছি। আর আমি?’

    ‘ওখানেই থাকুন। শীঘ্রি দেখা হচ্ছে আপনার সঙ্গে।’

    ভাঙা জানালা দিয়ে ইতিমধ্যে ধোঁয়া ঢুকতে শুরু করেছে ঘরে। গ্যাস মাস্ক পরে ফেলেছে টিফানি, রানাও পকেটে ফোন রেখে নিজেরটা পরল।

    ‘কী ব্যবহার করেছে ওরা?’ জিজ্ঞেস করল টিফানি। মাস্কের আড়াল থেকে যান্ত্রিক শোনাচ্ছে ওর কণ্ঠ।

    ‘গ্যাস মর্টার শেল,’ রানা বলল। ‘লঞ্চারগুলো দূর থেকে অপারেট করা যায়। রেঞ্জ, দশ মাইল।’

    বারান্দায় বেরিয়ে এল দু’জনে। আবছা আলোয় মেঘের মত লাগল মাঠের ওপর স্থির হয়ে থাকা গ্যাসটাকে। টিফানিকে লিয়ারির নির্দেশ শোনাল রানা। দ্বিধা দেখা দিল টিফানির মাঝে।

    ‘আমি থাকছি এখানে,’ ওকে বলল রানা। ‘অ্যালির দিকে খেয়াল রাখব। প্রমিজ।’

    ‘আমি ভাবছি গ্যাসের কথা, বলল টিফানি। ‘ওতে অ্যালির কোনও ক্ষতি হবে না তো?’

    ‘আশা করি হবে না। ওকে খুন করতে চায় না লিয়ারি। তুমি এখন যাও। ফিরে আসা নিরাপদ মনে হলে আমি ফোন করব তোমাকে।’

    আরও কয়েক সেকেণ্ড দোনোমনো করল টিফানি। এরপর দ্বিধা ঝেড়ে পা বাড়াল গ্যারাজের দিকে। খানিক পর শোনা গেল ইঞ্জিনের আওয়াজ। গ্যারাজের দরজা খুলে গেল, সেডান নিয়ে বেরিয়ে এল ও। রানার দিকে হাত নাড়ল একটু, চলে গেল ড্রাইভওয়ে ধরে। গাড়ির টেইললাইট অন্ধকারে ‘মিলিয়ে যাওয়া পর্যন্ত ওদিকে চেয়ে রইল রানা।

    .

    হেলিকপ্টারের সিটে বসে স্ট্র্যাপ আটকাতে আটকাতে নতুন একটা নাম্বারে কল করল লিয়ারি। হেডসেটের সঙ্গে কানেক্ট করে নিল ফোনটা। দ্বিতীয়বার রিংশেষে শোনা গেল একটা ভারী কণ্ঠস্বর।

    ‘চার্লটন বলছি।’

    ‘সবকিছু ঠিক,’ তাকে বলল লিয়ারি। অ্যালিকে নিউট্রালাইয করা হয়েছে। রানা আছে ওর সঙ্গে। ডা. ক্যানট্রেলকে আমি ওখান থেকে সরিয়ে নিয়েছি, তবে সময় হলে ওঁকে আবার ডেকে নেয়া যাবে।’

    ওরা কিছু আঁচ করেনি তো?’ জিজ্ঞেস করল চার্লটন।

    ‘না, দু’জনেই অন্ধকারে।’

    কল্পনায় চার্লটনকে দেখল লিয়ারি—কানাডিয়ান রকির দুর্গম কম্পাউণ্ডে আরাম করে বসে আছে। আর এদিকে সে কিনা… মুখের ভেতরটা তেতো লাগল তার। কিন্তু কিছু করার নেই, পরিস্থিতি তাকে ওই লোকের সঙ্গে হাত মেলাতে বাধ্য করেছে। যেখানে বীজ বপন করা হয়েছে, সেখানেই ফুল ফোটাতে হবে।

    ‘বুঝতে পেরেছি,’ চার্লটন বলল। ‘আমাদের কন্ট্রোল অ্যাসেট পাঁচ মিনিটের ভেতর আকাশে উড়বে। ত্রিশ মিনিটের মত লাগবে টার্গেট এরিয়ায় পৌঁছুতে। এরপর শুরু হবে আসল কাজ।’

    কন্ট্রোল অ্যাসেটের নমুনা লিয়ারি দেখেছে—কালো রঙের পিপের মত একটা যন্ত্র… সেলফোন টাওয়ারের গায়ে আটকানো অবস্থায়। তবে আজ যেটা পাঠানো হচ্ছে, সেটা থাকবে একটা সি-ফাইভ গ্যালাক্সি এয়ারক্র্যাফটের কার্গো হোল্ডে। ওখান থেকেই অপারেট করা হবে ওটা।

    ‘আবার বলছি,’ হেডসেটে শোনা গেল চার্লটনের কণ্ঠ, ‘বড় সমস্যাটা মিটিয়ে দেব আমরা, কিন্তু তাতে তোমার বিপদ কাটছে না। অ্যাডমিরাল জর্জ হ্যামিলটন, আলবার্ট ফুলার, আর ববি মুরল্যাণ্ড… এরা রয়ে যাচ্ছে পেছনে। কীভাবে ঠেকাবে ওদেরকে?’

    ‘রিল্যাক্স,’ ক্রূর হাসি ফুটল লিয়ারির ঠোঁটে। ‘আজ রাতে সব প্রমাণ নিশ্চিহ্ন করতে চলেছি আমরা। প্রমাণ ছাড়া কিছু করতে পারবে না ওরা। আর যদি বাড়াবাড়ি করেই, ওদের মুখ বন্ধ করার মত প্রচুর কৌশল জানা আছে আমার।’

    ‘তা আর বলতে!’ চার্লটনও হাসল ওপাশ থেকে।

    .

    কয়েক মিনিট পর, এক হাজার মাইল দূরে, টেলিফোনের শব্দে কাঁচা ঘুম থেকে জেগে উঠলেন নুমার ডিরেক্টর অ্যাডমিরাল জর্জ হ্যামিলটন। রিসিভার কানে ঠেকাতেই শুনতে পেলেন হোমল্যাণ্ড সিকিউরিটির প্রধান আলবার্ট ফুলারের উদ্বিগ্ন কণ্ঠ।

    ‘একটা দুঃসংবাদ আছে, অ্যাডমিরাল।’

    ‘কী হয়েছে?’

    ‘খানিক আগে রানাদের ফার্মহাউসে আক্রমণ করতে গিয়েছিল অ্যালিসন মিচেল…’

    ‘লিয়ারির প্ল্যান ফেল করেছে?’

    ‘না, স্যর। প্ল্যান ঠিকমতই এগিয়েছে। সমস্যা অন্যখানে।’

    ‘কী সমস্যা?’

    ‘আপনার কথামত লিয়ারির ফোনে আড়ি পেতে রেখেছিলাম আমি। খানিক আগে একটা কল ইন্টারসেপ্ট করেছি। যা শুনলাম, তাতে মনে হচ্ছে আমাদের সঙ্গে বেঈমানী করতে চলেছে সে। রানা, অ্যালি, ভেরোনিকা, বা টিফানি ক্যানট্রেল… কাউকেই বাঁচিয়ে রাখার ইচ্ছে তার নেই।

    ‘কী!’ ধড়মড় করে উঠে বসলেন অ্যাডমিরাল। ‘থামাও ওকে!’

    ‘আমাদের হাতে সময় নেই, স্যর। ওরা যে-কোনও মুহূর্তে পৌঁছে যাবে ওখানে। তারপরেও একটা টিম রেডি করছি আমি। কিন্তু বুঝতেই তো পারছেন…’

    ‘রানাকে সাবধান করে দিতে হবে। তা হলে হয়তো কিছুটা সময় পাব আমরা। ওকে যে-সেলফোনটা দেয়া হয়েছে, সেটার নাম্বার কি আছে তোমার কাছে?’

    ‘আছে, স্যর। কিন্তু ওটায় নির্ঘাত আড়ি পেতে রেখেছে লিয়ারি। আমরা রানাকে সতর্ক করতে গেলেই টের পেয়ে যাবে।’

    ঠোঁট কামড়ালেন অ্যাডমিরাল। কী করা যায়? আচমকা বিদ্যুৎচমকের মত একটা চিন্তা খেলে গেল মাথায়।

    ‘মুরল্যাণ্ড কোথায়?’ বললেন তিনি। ‘খবর দাও ওকে।’

    .

    মাঠের ওপর যেন জমাট বেঁধে আছে সাদা ধোঁয়া। তবে মৃদু বায়ুপ্রবাহে ধীরে ধীরে সরতে শুরু করেছে, ভেসে যাচ্ছে পশ্চিমে। হেলিকপ্টার চলে এলে রোটরের ধাক্কায় পুরোপুরি কেটে যাবে। দেরি নেই তার। কপ্টারের আওয়াজ শুনতে পাচ্ছে রানা, জোরালো হচ্ছে ক্রমশ। খুব শীঘ্রি দেখা যাবে।

    বাড়ি থেকে একশো গজ চলে এসেছে রানা। ধোঁয়ার মাঝ দিয়ে দেখতে পেল অ্যালি আর ভেরোনিকাকে। উপুড় হয়ে পড়ে আছে মাটিতে। দৌড়াতে শুরু করল ও। গোলমালের আভাস পাচ্ছে। কপালের দু’পাশে শীতল অনুভূতিটা হচ্ছে না ওর, অথচ অ্যালির কাছাকাছি গেলেই সেটা হবার কথা—মেয়েটা জেগে বা ঘুমিয়ে থাকুক। এর মানে কী? খারাপ কিছু হয়ে যায়নি তো ওর?

    হেলিকপ্টারের আওয়াজ বেড়ে গেছে। আকাশের দিকে তাকিয়ে ওটাকে দেখতে পেল রানা—বড়জোর দু’মাইল দূরে। চলে আসবে এক্ষুণি। অ্যালির পাশে হাঁটু গেড়ে বসল ও। চুল সরিয়ে ঘাড়ের ক্যারোটিড আর্টারি স্পর্শ করল, চেক করল পালস।

    বেঁচে আছে মেয়েটা। নাড়িস্পন্দন স্বাভাবিক। তা হলে কপালে কিছু অনুভব করছে না কেন?

    আচমকা কেঁপে উঠল রানা। খাড়া হয়ে গেল ঘাড়ের পেছনের খাটো চুলগুলো। মনে পড়ে গেল জানালা দিয়ে দেখা ছায়ামূর্তিদুটো। কী নিয়ে খটকা লেগেছিল, তা বুঝতে পারছে এবার। একসঙ্গে পা ফেলছিল না ওরা। একজন এগোলে অন্যজন থেমে যাচ্ছিল। যেন পালা করে দুটো পুতুলকে হাঁটাচ্ছিল কেউ।

    তাড়াতাড়ি অজ্ঞান দেহটাকে চিৎ করল রানা। মুখের ওপর থেকে সরিয়ে দিল চুল। যা ভেবেছে তা-ই। অ্যালি নয়, অচেনা একটা চেহারা।

    লাফ দিয়ে উঠে দাঁড়াল ও। এক টানে মুখ থেকে খুলে ফেলল মাস্ক, ছুটতে শুরু করেছে একই সঙ্গে। পৌঁছুতে চাইছে পরিষ্কার বাতাসে। হাতে ফোন বেরিয়ে এসেছে ইতিমধ্যে, দৌড়াতে দৌড়াতেই ডায়াল করল লিয়ারির নাম্বারে। হেলিকপ্টার ততক্ষণে ফার্মহাউসের প্রায় ওপরে চলে এসেছে।

    একবার রিং হলো। তারপরেই খুট করে কানেক্ট হলো কলটা।

    ‘হেলিকপ্টার ঘোরান!’ চেঁচাল রানা। ‘জলদি! আমাদেরকে ধোঁকা দিয়েছে ও… পাল্টা ফাঁদ পেতেছে। পালান এখান থেকে!’

    কথাটা বলতে না বলতে বদলে গেল হেলিকপ্টারের আওয়াজ। খসে পড়তে শুরু করল আকাশ থেকে। ফোনের ইয়ারপিসে শোনা গেল চেঁচামেচি। কন্ট্রোল ছেড়ে দিয়ে পরস্পরের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়েছে পাইলট আর কো-পাইলট। ঘুরপাক খেতে খেতে ফার্মহাউসের ওপর দিয়ে উড়ে গেল কপ্টার—কেউ এখন আর ওটাকে ওড়াচ্ছে না। মাঠের দূর প্রান্তে গিয়ে ভারী পাথরের মত আছড়ে পড়ল মাটিতে। ইস্পাত থেঁতলে যাওয়ার বিশ্রী শব্দ শোনা গেল, তারপরেই বিস্ফোরিত হলো পুরো কাঠামো। আগুনের একটা গোলা যেন লাফিয়ে উঠল ওখানে। দূর থেকেও শকওয়েভ আর তাপের হলকা অনুভব করল রানা।

    অপলকে তাকিয়ে রইল ও। ফোন এখনও ধরে রেখেছে কানে, কিন্তু লাইন কেটে গেছে। ধরাধাম ত্যাগ করেছে অ্যালেক্স লিয়ারি। রানা বুঝতে পারছে, কাছেই কোথাও লুকিয়ে আছে অ্যালি, পাইলট আর কো-পাইলটকে লক করে ক্র্যাশ করিয়েছে হেলিকপ্টার। কিন্তু কোথায়? ভাবনাটা বেশিক্ষণ রইল না মাথায়। ধ্বংসস্তূপের লকলকে শিখা যেন মোহগ্রস্ত করে ফেলেছে ওকে।

    পাঁচ সেকেণ্ড পেরুল।

    রানা জানে না কী করবে। এমন পরিস্থিতিতে করবার আছেই বা কী? আরও কয়েক সেকেণ্ড কাটার পর একটা সিদ্ধান্তে পৌছুল ও। ফোনটা পকেটে রাখল, হাত থেকে ফেলে দিল গ্যাস মাস্ক। ঘুরে দাঁড়াল। তাকাল মাঠ ছাড়িয়ে সামনে। যেখানে রানা দাঁড়িয়ে আছে, সেখানে গ্যাস নেই বললেই চলে, কিন্তু পঞ্চাশ গজ দূরে ভাসছে ঘন কুয়াশার মত। ওখানে ঢুকলেই ঘুমিয়ে পড়বে ও।

    চিন্তাটা কেন এল, জানে না রানা, শুধু মনে হলো ওটাই করা উচিত। ওটাই করতে চায় ও।

    হাঁটতে শুরু করল রানা। প্রতি পদক্ষেপ ওকে নিয়ে চলেছে গ্যাসের মেঘের গভীর থেকে গভীরে। শ্বাসের সঙ্গে বুভুক্ষের মত টেনে নিচ্ছে বিষাক্ত, ঘুমপাড়ানি বায়ু।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleরিং – কোজি সুজুকি
    Next Article সাবাস অয়ন! সাবাস জিমি!! – ইসমাইল আরমান

    Related Articles

    ইসমাইল আরমান

    দ্য সি-হক – রাফায়েল সাবাতিনি

    July 11, 2025
    ইসমাইল আরমান

    সাবাস অয়ন! সাবাস জিমি!! – ইসমাইল আরমান

    July 11, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }