Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    মাসুদ রানা ৪৬৩ – ছায়াঘাতক

    কাজী মায়মুর হোসেন এক পাতা গল্প421 Mins Read0
    ⤶

    ছায়াঘাতক – ৫০

    পঞ্চাশ

    কেমন এক ঘোরের মধ্যে উত্তর দিকে চলেছে রানা। বুজে আসছে চোখ। আরও কিছুক্ষণ যাওয়ার পর জিপ থামিয়ে দু’ঘণ্টা ঘুমিয়ে নিল। তারপর আবারও এগোল। ভোরে সূর্যটা আকাশে ওঠার একটু পর মরুভূমি হলো ধিকিধিকি আগুনের কুণ্ড। বিছিয়ে আছে সুদানের সমতল বালির প্রান্তর। সারাদিন আগুনের মত রোদে পুড়ল রানা। এরপর এল রাতের আঁধার। একসময়ে বুঝল, সত্যিই পেরিয়ে গেছে সীমান্ত। যদিও স্পেশাল ফোর্সের পক্ষে ওকে খুঁজে বের করা কঠিন, তবুও আর্মির পেট্রলের ভয়ে লুকিয়ে এগোল পরের কয়েক ঘণ্টা।

    পরের ভোরে অতিরিক্ত গরম হয়ে উঠল নিসানের ইঞ্জিন। ফুরিয়ে এসেছে ফিউয়েলও। তবে নিজের কাজ ঠিক ভাবেই শেষ করেছে জিপগাড়িটা। পাকা সড়কে তুমুল গতি তুলল রানা। একসময়ে বহু দূরে দেখল সবুজাভ রেখা। ওদিকেই নীল নদের উপত্যকা। আরও কিছুক্ষণ চলার পর বেঁকে বসল নিসানের ধোঁয়া ওঠা ইঞ্জিন। বাধ্য হয়ে গাড়িটা ফেলে হাঁটতে শুরু করল রানা।

    মাঝে মাঝে সাঁই-সাঁই করে যাচ্ছে একটা দুটো লরি। কেউ থামছে না হিচ-হাইকারকে তুলে নেয়ার জন্যে। এসব ড্রাইভার কাঁধের ভাবতেও পারবে না, ধূলিধূসরিত পথচারীর হ্যাভারস্যাক ব্যাগের ভেতর রয়েছে প্রাচীন আমলের সোনার মূর্তি। অত সোনা সারাজীবনেও দেখেনি তারা। এটাও তারা জানল না, ওই যুবকের মোবাইল ফোনে রয়েছে লাখ-কোটি ডলারের গুপ্তধনের মানচিত্র, ছবি ও ভিডিয়ো।

    বহুক্ষণ হাঁটার পর দূরে ছোট একটা শহর চোখে পড়ল রানার। মোবাইল ফোন হাতে নিয়ে দেখল, আবারও পাচ্ছে সিগনাল। ভাল করেই মনে আছে, আজ অভিযানের সপ্তম দিন। দেরি না করে জন ব্রাউনের নাম্বারে কল দিল ও।

    এরপর খুব দ্রুত ঘটল বাকি সব।

    শহরে কাপড়ের একটা দোকানে ঢুকে সুতি শার্ট ও জিন্সের প্যান্ট কিনল রানা। উঠল ছোট এক আবাসিক হোটেলে। ঘণ্টাখানেক ধরে স্নান করল। দেহ থেকে ধুয়ে ফেলল ধুলো, ঘাম ও রক্তের শেষ চিহ্ন। পোশাক বদলে নিয়ে বিশ্রাম নিল অনেকক্ষণ। তারপর বিল মিটিয়ে কাঁধে হ্যাভারস্যাক তুলে আবারও বেরোল হোটেল থেকে। এখন আর ক্লান্ত নয়। পাত্তা দিল না রোদের গনগনে তাপ। ছাউনি দেয়া একটা খাবারের হোটেলে বসে সেরে নিল দুপুরের খাবার। ওখান থেকে বেরিয়ে এল শহরের প্রান্তে পাম গাছের সারির নিচে ছায়ার ভেতর। অপেক্ষা করছে ধৈর্য ধরে।

    পনেরো মিনিট পর ওর পাশে থামল কালো রঙের এক লেক্সাস গাড়ি। ওটা থেকে নেমে পড়ল সুট পরা দুই লোক। তারা হাতের ইশারা দিতেই ডানদিকের লোকটার হাতে ওয়ালথারটা ধরিয়ে দিল রানা। এয়ার কণ্ডিশও লেক্সাসে ওঠার পর মনে পড়ল, গত ক’দিন কীভাবে কেটেছে মরুভূমির ভেতর। আরাম করে হেলান দিয়ে চোখ বুজল ও। উত্তর দিকে আশি মাইল দূরের এক ছোট্ট এয়ারফিল্ডে পৌছুতে প্রায় কোনও সময়ই লাগল না।

    এবার রানাকে উঠতে হলো হালকা এক সেসনা মাস্টাং জেট বিমানে। ওটা নীল নদের ওপর দিয়ে গিয়ে পেরোল কায়রো শহর। চলেছে উত্তর-পশ্চিমে ভূমধ্যসাগর তীর ও আলেক্যান্দ্রিয়া শহরের দিকে।

    জন ব্রাউনের সংগঠনের দক্ষতা দেখে মনে মনে প্রশংসা না করে পারল না রানা। বিমান নেমে যাওয়ার পর শহরের ভেতর দিয়ে ওকে নিয়ে যাওয়া হলো নতুন বিবলিয়োথেকা অ্যালেক্যান্দ্রিনায়। নতুন করে গড়ে তোলার পর দু’হাজার বছর আগে ওখানেই ছিল প্রাচীন আমলের সেরা লাইব্রেরি। দুর্ভাগ্য, আগুনে পুড়ে গিয়েছিল প্রতিটি বই। সরু একটা রাস্তা ধরে এগিয়ে পুবের বন্দরে লম্বা এক জেটির সামনে থামল গাড়ি। ওখানে নামিয়ে দেয়া হলো রানাকে। চুপচাপ দাঁড়িয়ে দেখতে লাগল ও, নীল জলের বুকে নানাদিকে চলেছে শত শত নৌযান।

    কিছুক্ষণ পর ব্যস্ত বন্দরের ভিড় এড়িয়ে এল সাদা একটা লঞ্চ। ওটা থামল পিয়ারে। লঞ্চ থেকে নামল দোহারা গড়নের পাইলট। রানাকে জেটিতে দেখে ফোনে কাকে যেন কী বলল সে। তারপর এগিয়ে এল রানার দিকে।

    ওই লোকই গ্যারি স্যাণ্ডার্স। গলা কেটেছে ইন্টারপোলের তিন এজেন্টের। রানার সামনে থেমে বিরস হাসল। ‘আপনার জন্যে অধৈর্য হয়ে অপেক্ষা করছেন মিস্টার ব্রাউন। আসুন।’

    রানার ইচ্ছে হলো এক ঘুষিতে লোকটার কণ্ঠনালী ভেঙে দেয়। নিজেকে নিয়ন্ত্রণ করে তাকে পাশ কাটিয়ে সোজা গিয়ে উঠল লঞ্চে। একটু পর আউটবোর্ড ইঞ্জিন চালু করে দক্ষতার সঙ্গে জেলে নৌকা এড়িয়ে বন্দর থেকে বেরোল গ্যারি স্যাণ্ডার্স। বিশাল সাগর নিস্তরঙ্গ ও সুনীল।

    বিশ মিনিট চুপচাপ বসে থাকার পর দূরে ছোট একটা সাদা বিন্দু দেখল রানা। ক্রমেই বড় হয়ে উঠছে ওটা। একটু পর পরিষ্কার চিনতে পারল দুই মাস্তুলের মেগা ইয়ট সেইবার। সাগরের ওঠা নামার সঙ্গে দুলছে-উঠছে-নামছে ওটা। পাঁচ শ’ গজ দূরে ছোট একটা লঞ্চ। ওটার বোতে বসে ছিপ ফেলেছে কুচকুচে কালো রঙের এক যুবক।

    ওদিক থেকে চোখ সরিয়ে ইয়টের ডেকে ক্রুদের কাউকে দেখল না রানা। ওর মনে হলো, জন ব্রাউন আর স্যাণ্ডার্স ছাড়া এখন আর কেউ নেই ইয়টে।

    একটু পর সেইবার ইয়টের পেছনে ভিড়ল স্যাণ্ডার্সের লঞ্চ। রেলিং টপকে ডেকে উঠল রানা। ওর পেছনে বোলার্ডে লঞ্চের দড়ি বেঁধে উঠে এল খুনি লোকটা। হাতের ইশারা করল রানাকে। চোখে শীতল চাহনি। ‘আমার সঙ্গে আসুন।’

    ‘ব্রাউন কোথায়?’ জানতে চাইল রানা।

    ‘এখানে,’ বলল পরিচিত কণ্ঠ। ঘুরে তাকাল রানা। কমপ্যানিয়নওয়ে ধরে হেঁটে আসছে বিশ্বাসঘাতক ব্রিটিশ কর্নেল। হাতে ব্র্যাণ্ডির গ্লাস। চেহারা খুব শান্ত। ‘দেখে মনে হচ্ছে তোমার ওপর দিয়ে অনেক ঝড়-ঝাপটা গেছে, রানা।’

    ‘ফালতু কথা শোনার সময় আমার নেই,’ জানিয়ে দিল রানা। হাতের ব্যাগটা ডেকের ওপর রাখল। ধুপ্ করে একটা আওয়াজ হয়েছে।

    এগিয়ে এসে ব্যাগটা তুলে ওজনটা বুঝে নিয়ে মৃদু হাসল ব্রাউন। চেইন খুলে ঘাঁটতে লাগল রানার বাসি পোশাক।

    ‘জিনিসটা সীসা নয়,’ বলল গম্ভীর রানা।

    ‘তা জানি,’ কাপড় সরাতেই রোদে ঝিলিক দিল সোনার মূর্তি। মুখ তুলে রানার চোখে তাকাল ব্রাউন। ‘ভাল, সত্যিই তা হলে গুপ্তধন আছে।’

    চুপ করে থাকল রানা।

    ‘তা হলে এটাও মেনে নিতে হবে, জীবনে এই একটা ভাল কাজ করেছিল নষ্টা জেনির জারজ সন্তান মডাক। অন্যান্য আর্টিফ্যাক্ট কোথায়?’

    প্যান্টের পকেট থেকে মোবাইল ফোন বের করে বাড়িয়ে দিল রানা। ‘ছবি তুলে এনেছি।’

    স্মার্ট ফোন নিয়ে বেশ কিছুক্ষণ ছবি ও ভিডিয়ো দেখল জন ব্রাউন। তার চোখে যে দৃষ্টি, সেটা আগে রানা দেখেছে উইলিয়াম কেন্সিংটনের চোখে। সেসময়ে স্বর্ণজ্বরে পাগল হয়ে গিয়েছিল লোকটা।

    সাগরের হাওয়ার ফিসফিস বাদ দিলে নীরবতা নেমেছে ডেকে। রানাকে পেছনে ফেলে জন ব্রাউনের পাশে থামল গ্যারি স্যাণ্ডার্স। রানার দিকে তাকাল অনুভূতিহীন চোখে।

    তাকে পাত্তা দিল না রানা।

    স্ক্রল করে শেষ ছবিটা দেখল ব্রাউন। আবারও তাকাল রানার চোখে। ‘এটা কী?’

    ‘গুপ্তধনের ম্যাপ,’ সংক্ষেপে বলল রানা। ‘ওটা এঁকেছিলেন হাজার হাজার বছর আগে মিশরের এক প্ৰধান পুরোহিত। আমার মনে হয় না বিস্তারিত শোনার ধৈর্য তোমার আছে।’

    ভুরু কুঁচকে গেল ব্রাউনের। ‘মনে তো হচ্ছে হায়ারোগ্লিফস।’

    ‘তোমাকে ভাবতে হবে না,’ প্যান্টের পকেট থেকে ভাঁজ করা নোট নিয়ে বাড়িয়ে দিল রানা। ‘এবার ছেড়ে দাও লিণ্ডাকে। ও কোথায়?’

    কাগজগুলো ছোঁ দিয়ে নিয়ে কোমরের চামড়ার থলিতে রাখল প্রাক্তন কর্নেল। ওখানেই ঠাঁই পেল রানার মোবাইল ফোন। খুশি খুশি স্বরে বলল, ‘অনেক ধন্যবাদ, রানা। ভাল দেখালে। জানতাম, আমাকে ডুবিয়ে দেবে না। ঠিক লোকই বেছে নিয়েছি।’

    ‘লিণ্ডা কোথায়?’ দ্বিতীয়বারের মত জানতে চাইল রানা।

    ‘মানে আমার বউ?’ কপট নিরীহ সুরে বলল ব্রাউন।

    তোমার মনে নেই চুক্তি করেছ?’ বলল রানা।

    ‘মনে আছে,’ বলল ব্রাউন। ‘কিন্তু সেটার শর্ত পূরণ করতে পারব না।’

    ‘কেন পারবে না?’

    ‘পারব না, তা নয়, কিন্তু কী কারণে শর্ত পূরণ করব? তোমার তো বোঝা উচিত এখানে ক্ষমতা কার হাতে।’

    ‘তার মানে লিণ্ডাকে ছেড়ে দেবে না?’ জানতে চাইল রানা।

    ‘সে আছে এমন এক জায়গায়, যেখানে তুমি যেতে পারবে না,’ বলল ব্রাউন।

    নিষ্ঠুর হাসছে গ্যারি স্যাণ্ডার্স। প্রসারিত হয়েছে দুই ঠোঁট। হাতে বেরিয়ে এল সেমি-অটো ডেয়ার্ট ঈগল পিস্তল। সতর্ক হয়ে উঠেছে জন ব্রাউনও। কোমর থেকে নিল নাইন এমএম সিগ প্রো। প্যারিসে ওটাই ছিল তার হাতে। লঞ্চ পাইলটের পিস্তলের মাঘলের ফুটো রানার মনে হলো কামানের মুখের চেয়েও বড়।

    ‘তুমি এবার মরবে, রানা,’ শান্ত স্বরে বলল ব্রাউন। ‘শরীরটা কষ্ট করে খেয়ে নেবে হাঙরের পাল। তবে মরার আগে জেনে নাও, স্যাণ্ডার্সের হাতে কীভাবে মরল লিণ্ডা।’

    নীরব থাকল রানা। খারাপ হয়ে গেছে মন। এত চেষ্টা করেও বাঁচাতে পারল না মেয়েটাকে।

    চকচক করছে স্যাণ্ডার্সের দুই চোখ। মুখ খুলল বর্ণনা দেয়ার জন্যে। কিন্তু পরক্ষণে খপ করে বন্ধ করল হাঁ। হঠাৎ করে বড় করে শ্বাস টেনেছে সে। থরথর করে কেঁপে উঠে ধুপ্ করে পড়ল ডেকে। বিস্ময় নিয়ে তার দিকে তাকাল রানা। লোকটার দুই চোখের মাঝে কপালে গেঁথে আছে একটা তীর। ফলা বেরিয়ে গেছে মাথার পেছন দিক দিয়ে। তির তির করে কাঁপছে তীর।

    ঘুরে তাকাল রানা।

    কমপ্যানিয়ন হ্যাচের কাছে দাঁড়িয়ে আছে লিণ্ডা, হাতে সেই তীরধনুক। পরনে সাদা একটা সুতির দামি পোশাক। ধনুকে জুড়ে নিয়েছে আরেকটা তীর।

    হতবাক হয়ে গ্যারি স্যাণ্ডার্সের লাশ দেখছে জন ব্রাউন। ঝট করে ঘুরে তাকাল লিণ্ডার দিকে। ‘এটা কী করলে, লিণ্ডা? ও আমার সেরা অনুচর!’

    জবাব দিল না লিণ্ডা। স্বামীর দিকে তাক করল তীরধনুক।

    ‘কী করছ, লিণ্ডা,’ সামান্য কেঁপে গেল ব্রাউনের কণ্ঠ।

    রানা বুঝে গেল, পিস্তল ঘুরিয়ে লিণ্ডাকে গুলি করার আগেই ব্রাউনের বুকে বিঁধবে তীর।

    হিস্ আওয়াজ পেল ও। ওর কানের পাশ দিয়ে গিয়ে জন ব্রাউনের ডান কাঁধে বিধল তীর। লোকটার হাত থেকে ডেকে পড়ে খটাস্ আওয়াজ তুলল পিস্তল। ঝড়ের বেগে এগিয়ে মেঝে থেকে অস্ত্রটা তুলল রানা। সরে গেল কয়েক ফুট দূরে। চাপা স্বরে বলল, ‘এবার তোমাকে হাতে পাবে ইন্টারপোল, জন ব্রাউন।’

    কয়েক পা এগিয়ে এল লিণ্ডা। তূণ থেকে নিয়ে ধনুকে জুড়েছে আরেকটা তীর। আস্তে করে মাথা নাড়ল। ‘না, রানা, ওরা একে পাবে না।’

    মৃদু বিস্ময় নিয়ে মেয়েটাকে দেখল রানা।

    লিণ্ডার তৃতীয় তীর বিঁধল জন ব্রাউনের বাম কাঁধে

    তীব্র ব্যথায় বিকৃত হয়েছে বেইমান কর্নেলের মুখ। কয়েক পা পেছালেও লিণ্ডার চতুর্থ তীর ভেদ করল তার ডান হাঁটুর বাটি। ঝুঁকে পড়ে আহত দুই হাতে পা চেপে ধরল ব্রাউন। গলা চিরে বেরোচ্ছে চাপা আর্তনাদ। ফুঁপিয়ে উঠে বলল, ‘এটা কী করছ, লিণ্ডা! আমরা না একই দলে! তুমি না আমাকে ভালবাসো?’

    ‘অনেক দিন তোমার অত্যাচার সহ্য করেছি, মুক্তি চেয়েছি,’ নরম সুরে বলল লিণ্ডা। ওর পঞ্চম তীর বিঁধল ব্রাউনের বাম হাঁটুর বাটিতে। ঠাস্ করে ডেকে পড়ল প্রতাপশালী, অস্ত্র ব্যবসায়ী, কোটিপতি কর্নেল।

    মেয়েটার চোখ-মুখে বরফের মত শীতলতা ছাড়া আর কিছুই দেখছে না রানা। ভাল করে বুঝে গেছে, আন্দাজে তীর ছুঁড়ছে না লিণ্ডা। চ্যাম্পিয়ন ধনুর্বিদ হিসেবে খুব কাছ থেকে বড় টার্গেট পেয়ে দেখাচ্ছে চরম নিষ্ঠুরতা।

    করুণ ভাবে কাতরে চলেছে রক্তাক্ত জন ব্রাউন। ভীষণ যন্ত্রণায় কুঁচকে ফেলেছে মুখ। চোখে মৃত্যুর ছায়া।

    ‘থামো, লিণ্ডা!’ ধমকের সুরে বলল রানা। পিস্তল তাক করেছে মেয়েটার বুকে।

    ‘না, ওকে মরতে হবে,’ কঠোর সুরে বলল লিণ্ডা। ষষ্ঠ তীর ডেকের সঙ্গে গেঁথে ফেলল জন ব্রাউনের ডান ঊরু। প্রচণ্ড যন্ত্রণায় বেসুরো আর্তনাদ ছেড়ে অচেতন হলো লোকটা। আবারও ধনুকে তীর জুড়ে নিল লিণ্ডা। কয়েক পা এগিয়ে রানার দিকে হাত বাড়িয়ে দিল। ‘ওর থলেটা নিয়ে আমার হাতে দাও।’

    এক পলকে বহু কিছুই বুঝল রানা। কোনও কালেই জিম্মি ছিল না মেয়েটা। ব্রাউনের মতই ওর লোভ ছিল গুপ্তধনের প্রতি। দ্বিধা কাটিয়ে বলল রানা, ‘তোমরা একসঙ্গে প্ল্যান করে বোকা বানিয়েছ আমাকে। তাই না?’

    দীর্ঘশ্বাস ফেলল লিণ্ডা। ‘কথাটা পুরোপুরি মিথ্যা নয়। আর সেজন্যে আমি লজ্জিতও নই।’

    ‘কিন্তু লিসা স্মিথ?’ প্যারিসের ওই ঘরে কাটা মুণ্ড তিনটে যেন চোখের সামনে দেখল রানা।

    ‘লিসার পরিচয় জেনে গিয়েছিল. ব্রাউন,’ বলল লিণ্ডা। ‘এরপর একসঙ্গে বসে প্ল্যান করেছি আমরা। বা বলা উচিত প্ল্যানটা গুছিয়ে দিয়েছি আমি। সবার সামনে ঝগড়া করেছি ব্রাউন আর আমি। রেস্টুরেন্টে আমার গালে চড় দিয়েছে সে। আর তার মুখে ওয়াইন ছুঁড়েছি আমি। এরপর ঝড়ের বেগে বেরিয়ে গেছি ওখান থেকে। তাতে ইন্টারপোলের এজেণ্ট বুঝল, আমাকে কাজে লাগাতে পারবে সে।’ নিষ্ঠুর হাসল লিণ্ডা। ‘আমার সঙ্গে যোগাযোগ করল লিসা স্মিথ খুলে বলল, কীভাবে খুন হয়েছে তার বান্ধবী, বা আফ্রিকার বাচ্চারা কীভাবে মরছে ব্রাউনের দেয়া অস্ত্রে। শাস্তি হওয়া উচিত লোকটার। আমিও ভান করলাম, এসব শুনে চমকে গেছি।’

    ‘অথচ, অন্যের ভাল-মন্দে তোমার আসলে কিছুই যায়- আসে না,’ বলল রানা।

    ‘লিসা স্মিথের বিশ্বাস অর্জন করতেই হতো। নইলে তার দলের সবাইকে এক জায়গায় জড় করতে পারতাম না। ব্রাউনের ব্যবসা চালিয়ে নিতে হলে এ ছাড়া উপায় ছিল না।’

    ‘সে তো তোমার স্বামী। তাকে খুন করতে চাইছ কেন?’

    ‘খুন করব, কারণ ওকে ঘৃণা করি। কিন্তু ওর টাকা আমার দরকার ছিল। নইলে অনেক আগেই ওকে ছেড়ে চলে যেতাম।’

    ‘ডিভোর্স দেয়াই কি যথেষ্ট ছিল না?’

    সে চেষ্টা করলে খুন হতাম ওর হাতে। আর ছেড়েও যদি দিত, বিয়ের চুক্তি অনুযায়ী ওর কাছ থেকে কিছুই পেতাম না।’

    ‘মুক্তি তো পেতে। পরে গুছিয়ে নিতে পারতে জীবনটা।’

    ‘আমিও তা-ই ভেবেছি। তারপর দেখা হলো তোমার সঙ্গে। কী যেন হয়ে গেল আমার ভেতর। তোমার চোখে দেখলাম ভাল লাগার দৃষ্টি। ভাবতে লাগলাম, কীভাবে পথ থেকে সরাব ব্রাউনকে। খুব খারাপ লেগেছে তোমাকে মিথ্যা বলে। কিন্তু এ ছাড়া আর কোনও উপায়ও ছিল না।’

    চুপ করে থাকল রানা। ওর পিস্তলের নল এখনও লিণ্ডার বুকের দিকে তাক করা। নিষ্ঠুর মেয়েটার কথা শুনে শিরশির করছে মেরুদণ্ড।

    ‘ওই গুপ্তধন চাই, রানা। বোকা লোক ছিল মডাক। বাপের সঙ্গে প্রেমের প্রতিযোগিতায় নামতে চেয়েছিল। বাজে প্রস্তাবও দিয়েছিল আমাকে। যাতে রাতে ওর কেবিনে যাই। আসলে ব্রেসিয়ার খুললে পাগল হয়ে ওঠে সব পুরুষ। সেইবার ইয়টে সেরাতে মর্ডার্ক মাতাল হয়ে সব বলার পর থেকেই অপেক্ষা করেছি— একদিন হাতে আসবে আখেনাতেনের গুপ্তধন।’

    ‘তার মানে ছলনা করেছ সবার সঙ্গে। তোমার বেশিরভাগ কথা ছিল ডাহা মিথ্যা।’

    মাথা নাড়ল লিণ্ডা। ‘সব মিথ্যা নয়, রানা। আমি যখন বলেছি, ভালবেসে ফেলেছি তোমাকে, তখন কোনও ভণিতা করিনি।’

    ‘তাই?’ তিক্ত হাসল রানা। ‘অভিনয় করেছ, তুমি জিম্মি। ভাল করেই জানতে, এর ফলে কীসের ভেতর দিয়ে যাব।’

    ‘এ ছাড়া উপায়ই বা কী ছিল? ওই গুপ্তধন হাতে পাওয়া ছিল খুব জরুরি।’

    ‘এখন কী পেয়েছ?’

    ‘হ্যাঁ। প্রায়। ঠিকই পাব। এরপর চিরকাল স্বপ্নের মত জীবন কাটাব আমরা দু’জন।’

    ‘আমি খুন হলে তখন কী করতে?’

    ‘তুমি মরে যাওয়ার মত লোক নও, রানা। জানতাম, তুমি ঠিকই ফিরবে।’

    ‘এই এক সপ্তাহ আরাম করে রোদে বসে গা ট্যান করেছ, আর চুমুক দিয়েছ দামি মদে। তাই না, লিণ্ডা?’

    আহত চেহারা করল লিণ্ডা। ‘আমার জন্যেও সময়টা সহজ ছিল না। যতবার দেখা হয়েছে, কুকুরের বাচ্চা ব্রাউনের দিকে চেয়ে মিষ্টি হেসেছি। খুশি রাখতে হয়েছে তাকে। এদিকে অধৈর্য হয়ে অপেক্ষা করেছি, কবে ফিরবে তুমি। যাই হোক, শেষপর্যন্ত সফল হয়েছি আমরা। এবার আর টাকার কোনও অভাব থাকবে না। ওই গুপ্তধনের তুলনায় জন ব্রাউনের ব্যবসা ফকিরের পয়সার পুঁটলির মত। একবার ভাবো, বাকি জীবন কী মজা করে ফুর্তি করে বেড়াব দু’জন মিলে!’

    ‘কিন্তু তা হয়তো সম্ভব হবে না,’ বলল গম্ভীর রানা।

    ‘কেন হবে না?’ ভুরু কুঁচকে ফেলল লিণ্ডা। ‘কে ঠেকাবে আমাদেরকে?’

    ‘আমি রাজি হয়ে গেলেও ওরা ঠেকাবে,’ বলল রানা। এইমাত্র সুপারস্ট্রাকচার থেকে বেরিয়ে এসেছে সশস্ত্র ছয়জন যুবক ও এক সুন্দরী বাঙালি যুবতী।

    পিস্তল নেড়ে তাদের দিকে দেখাল রানা।

    ধনুক হাতে ঝট্ করে ঘুরে দাঁড়াল লিণ্ডা। আড়ষ্ট কণ্ঠে বলল, ‘তা হলে বেইমানি করলে!’ আবারও ঘুরেই ধনুক তুলল রানার বুকের দিকে। তিন আঙুলে তীর টেনে নিয়েছে কানের কাছে। আর ঘুরবে না ক্যাম হুইল। বাঁকা হয়েছে ফাইবারের ধনুক।

    তিক্ত হাসল রানা। ‘তুমি না আমাকে ভালবাসো? পারবে আমাকে খুন করতে?’

    লিণ্ডার ধনুক ধরা হাত রক্তশূন্য। একটু একটু কাঁপছে। আস্তে করে মাথা দোলাল মেয়েটা। ‘হ্যাঁ, পারব। তুমি বেইমান। আমাকে পেতে যাচ্ছিলে, সুযোগ পেয়েও সব হারালে। তবে নিজেও বাঁচবে না।’

    লিণ্ডা তীরটা ছোঁড়ার আগেই গর্জে উঠল রানার হাতের পিস্তল। বুলেট সরাসরি লাগল ধনুকের বাঁকা ফাইবার গ্লাসে। অস্ত্রটা দু’টুকরো হওয়ায় টুপ করে খসে পড়ল ডেকে তীর।

    এদিকে নিঃশব্দে লিণ্ডার খুব কাছে পৌঁছে গেছে সোহানা। পরক্ষণে কাঁধের ওপর দিয়ে মেয়েটাকে নিখুঁত থ্রো করল ও। শূন্যে দুই ডিগবাজি দিয়ে ডেকের ওপর ধুপ করে পড়ল লিণ্ডা। ধড়মড় করে উঠে দাঁড়াতে গেল। কিন্তু সোহানার খালি পায়ের লাথি পড়ল ভ্রষ্টা মেয়েটার তলপেটে। পরক্ষণে ওর লাথি লাগল লিণ্ডার ঘাড়ের পাশে।

    জ্ঞান হারিয়ে চিত হয়ে পড়ে থাকল লিণ্ডা ব্রাউন।

    ক’পা সরে রানাকে দেখল সোহানা, চোখে অদ্ভুত স্বস্তি।

    এগিয়ে এসেছে কায়রোর রানা এজেন্সির শাখা প্রধান শফিক রেহান। ‘মাসুদ ভাই, আপনি মোবাইল ফোনের ট্র্যান্সপণ্ডার চালু করতেই ট্র্যাক করি। ওই বিমানের গতিপথ বুঝে দ্রুত পৌঁছে যাই আলেকযান্দ্রিয়া শহরে। নানাদিকে ছড়িয়ে চোখ রেখেছি রেল স্টেশন আর বন্দরে।’

    ‘তুমি রেহানকে সব খুলে বলার পর ভূমধ্যসাগরীয় দেশগুলোতে সতর্ক হয়ে ওঠে বিসিআই এজেন্ট ও রানা এজেন্সির অপারেটররা,’ বলল সোহানা। ‘আশপাশের যে- কোনও দেশে নামলেই বিমানবন্দর থেকে অনুসরণ করা হতো।’

    ‘তবুও আসতে গিয়ে দেরিই করে ফেলেছি,’ লজ্জিত কণ্ঠে বলল শফিক রেহান।

    ‘সাগরের তলা দিয়ে স্রোত ঠেলে ইয়টে উঠতে সময়টা গেছে,’ কৈফিয়ত দিল সোহানা।

    ‘জানতাম না তুমিও আসবে,’ মৃদু স্বরে বলল বিস্মিত রানা।

    ‘মন চায়নি রানা এজেন্সির অফিসে একা বসে থাকতে। ওদিকে শুনেছি তুমি একা…’ কাছেই জুনিয়রদের উপস্থিতির কথা মনে পড়তেই চুপ হয়ে গেল সোহানা।

    ‘সোহানা আপু দেশে ফেরার সময় থেমেছিলেন বৈরুতে। রানা এজেন্সির শাখায় আসতেই সব শুনলেন। সরাসরি এসেছেন ওখান থেকেই,’ জানাল শফিক রেহান। ‘আমরা তৈরি হয়ে বন্দরের দিকে রওনা দেব, এমন সময় পৌঁছে গেলেন। তাতে আমাদের অনেক লাভ হয়েছে। ভাল করে শিখে নিয়েছি কীভাবে জাহাজে উঠে ক্রুদের বন্দি করতে হয়।’

    ‘সোহানা আপু সত্যিই গ্রেট,’ সায় দিল নতুন এজেণ্ট বশির আল কবির।

    মাথা দোলাল দলের অন্যরা।

    ‘প্রথম থেকে পুরো নাটক দেখতে পেলাম না,’ বলল সোহানা।

    কোনও মন্তব্য না করে শফিক রেহানকে বলল রানা, ‘তোমাদের ডাইভিং ইকুইপমেন্ট সংগ্রহ করে নাও। একটু পর ইন্টারপোলের লোক পৌঁছুলেই বিদায় নেব।’

    দূরের ছোট লঞ্চটা পৌঁছে গেছে ইয়টের এক শ’ ফুটের ভেতর। ওটার হুইল হাউসে ফরিদ আলীকে দেখল রানা। মন পরিষ্কার ছেলেটার, তবে ওর ধারণা আফ্রিকান সাজতে হলে হাত-পা ও সারা মুখে কালি মেখে ভূত হতে হবে।

    যে যার কাজে গেল রানা এজেন্সির চৌকস ছেলেগুলো। তার আগে দড়ি দিয়ে কষে বেঁধে রেখে গেছে লোভী মেয়েটার হাত-পা।

    জুনিয়ররা আশপাশে নেই দেখে রানার চোখে তাকাল সোহানা। ‘এবার?’

    ‘তীরে পৌঁছে যাওয়ার কথা ইন্টারপোলের লোকদের। যে-কোনও সময়ে লঞ্চ নিয়ে হাজির হবে।’

    ‘আর গুপ্তধন? সেটার কী হবে?’

    ‘আপাতত গুপ্তধনের বিষয়ে সব প্রমাণ তুলে দেব ইন্টারপোলের হাতে। পরে অন্য ব্যবস্থা হবে।’

    ‘ওগুলো তো সুদানে, অথচ আসল মালিকানা মিশরের, ‘ বলল সোহানা। ‘ইণ্টারপোল কী করবে আর্টিফ্যাক্ট বা গুপ্তধন নিয়ে?’

    কাঁধ ঝাঁকাল রানা। ‘তুমি যেমন আমেরিকা থেকে এলে, ওখান থেকেই আসছে ডক্টর লাবনী আলম। ইন্টারপোলের বড় ক’জন অফিসারকে অনুরোধ করেছি, তাঁরা যেন লাবনীর হাতে বুঝিয়ে দেন মানচিত্র, ছবি, ভিডিয়ো আর সোনার আর্টিফ্যাক্ট। এরপর ইউনাইটেড নেশনসের আইএইচএ, অর্থাৎ, ইন্টার-ন্যাশনাল হেরিটেজ অ্যাসোসিয়েশনের আর্কিওলজিস্টদেরকে সঙ্গে নিয়ে যা করার করবে লাবনী।’

    মৃদু মাথা দোলাল সোহানা। ‘আর আমরা কী করব?’

    দুষ্টুমি হাসি ফুটল রানার ঠোঁটে। ‘দরখাস্ত করলে আরও বেশ কিছু দিন ছুটি পেতে পারি। তুমি চাইলে আমরা ক’দিন বেড়িয়ে আসতে পারি কটেজের পাশেই নির্জন সৈকত আছে এমন কোথাও থেকে। অনেক দিন হলো কার যেন অধরের সুধা থেকে আমি বঞ্চিত।’

    ‘যাহ্!’ লজ্জায় লালচে মুখ নিচু করে নিল সোহানা। তবে কয়েক মুহূর্ত পর আয়ত চোখ রাখল রানার চোখে। ফিসফিস করে বলল, ‘চলো তা হলে!’

    ***

    ⤶
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleমাসুদ রানা ৪৬৯ – কিলিং মিশন
    Next Article মাসুদ রানা ৪৫৮ – মহাপ্লাবন

    Related Articles

    কাজী মায়মুর হোসেন

    অদৃশ্য ঘাতক – কাজী মায়মুর হোসেন

    July 25, 2025
    কাজী মায়মুর হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৬৮ – স্বর্ণলিপ্সা

    July 25, 2025
    কাজী মায়মুর হোসেন

    ধাওয়া – কাজী মায়মুর হোসেন

    July 25, 2025
    কাজী মায়মুর হোসেন

    মৃত্যু উপত্যকা – কাজী মায়মুর হোসেন

    July 25, 2025
    কাজী মায়মুর হোসেন

    খুনে ক্যানিয়ন – কাজী মায়মুর হোসেন

    July 25, 2025
    কাজী মায়মুর হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৪৮ – মৃত্যুঘণ্টা

    July 25, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }