Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    মাসুদ রানা ৪৬৪ – স্ট্রেঞ্জার

    কাজী আনোয়ার হোসেন এক পাতা গল্প406 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    স্ট্রেঞ্জার – ২

    দুই

    গতকাল সকালে আমেরিকার লুইযিয়ানার রাজধানী নিউ অর্লিন্সের লুই আর্মস্ট্রং ইন্টারন্যাশনাল এয়ারপোর্টে নেমেছে মাসুদ রানা। বিকেলে ছিল ঘনিষ্ঠ বন্ধু হ্যারি জন্সটনের বিয়ের অনুষ্ঠান। রাত হয়ে গেল কমিউনিটি সেন্টার থেকে বেরোতে। তাই রানা ঠিক করল হোটেলে উঠবে। তবে কিছুতেই রাজি হলো না বন্ধু হ্যারি। বাধ্য হয়ে রাতটা ওর বাড়িতেই কাটিয়ে দিতে হলো।

    আজ ভোরে হ্যারি-দম্পতিকে জ্যামাইকার পথে হানিমুনে রওয়ানা করিয়ে দিয়ে বসে আছে রানা এয়ারপোর্টেই। ওর প্লেন ছাড়বে সকাল দশটায়। এয়ারপোর্টেই সময়টা কাটিয়ে দেবে মনে করে রেন্টাল কোম্পানির গাড়িটা ফেরত দিয়ে ভাড়া মিটিয়ে দিল। কিন্তু স্থানীয় এক দৈনিক পত্রিকা কিনেই খবর দেখে চমকে গেল ও: আগামী পরশু লুইযিয়ানায় আসছেন দুনিয়া-সেরা বংশীবাদক পণ্ডিত হরিপ্রসাদ চৌরাশিয়া। রাতে পারফর্ম করবেন ক্লোভিস প্যারিশের সিভিক সেন্টারে।

    মুহূর্তে স্থির করে ফেলল রানা: এ সুযোগ হাতছাড়া করা যাবে না। ছুটিতে আছে, হাতেও জরুরি কোনও কাজ নেই, দুটো দিন থেকে যাবে এখানেই— শুনবে প্রিয় বাঁশুরিয়ার লাইভ পারফরমেন্স। রেন্টাল কোম্পানি থেকে আবার গাড়িটা ভাড়া নিয়ে ফিরতি পথ ধরল ও শহরের দিকে। গাড়ির জানালাগুলো সব খুলে দিল ও। আর্দ্র, ভাপসা, গরম পরিবেশ মনে করিয়ে দিচ্ছে বাংলাদেশের জৈষ্ঠ্যের কথা। বেচারা যদি বুঝত কীসের ভেতর পড়তে চলেছে, দেরি না করে দৌড়ে গিয়ে বিমানে উঠত!

    কিছুক্ষণ পর হাইওয়ের দু’দিকে দেখা দিল সারি সারি আখের খেত, একটু পর পর চোখে পড়ছে আখ মাড়াবার প্ল্যান্টেশন আর তেলের রিফাইনারি। পিচ ঢালা মসৃণ পথের দু’পাশে রানা দেখল বাইয়ু- প্রায়-স্থির জলের থকথকে সবুজ জলা। ওগুলোর তীরে একটা-দুটো জীর্ণ কুটির। নদী, খাল আর বাইয়ুর মাধ্যমেই প্রধানত আয়-রোজগার হয় এদিকের মানুষের। চ্যাপ্টা তলির নৌকা দেখা যাচ্ছে পানিতে ওগুলোকে এখানে ডোরি বলে। ওতে চড়ে মাছের জাল আর লবস্টারের ফাঁদ তুলতে-নামাতে পরিবারের প্রধানকে সাহায্য করছে ছোট-ছোট ছেলেমেয়েরা। অন্যান্য রাজ্যের তুলনায় এদিকটার সামাজিক ও অর্থনৈতিক বৈষম্য প্রকটভাবে চোখে পড়ে। দুনিয়ার সবচেয়ে ধনী দেশটির বিরাট এক অংশ জুড়ে বিরাজ করছে সীমাহীন বঞ্চনা ও দারিদ্র্য। পড়ে আছে মাইলের পর মাইল ফাঁকা জমি। এদিকের গ্রামাঞ্চল থেকে অন্তত এক শ’ মাইল উত্তরে প্রথম আধুনিক শহর শিভপোর্ট। পুবে মিসিসিপির ন্যাচেযের সঙ্গে ভিলেনিউভ শহরটাকে যুক্ত করেছে হাইওয়ে ৮৪। ওটা ধরে গেলে পৌঁছুনো যায় পশ্চিমে টেক্সাসের লুফকিনে। জমির অভাব নেই, চারপাশে পড়ে আছে লাখ লাখ একর অনাবাদি জমি, জঙ্গল, খাল, বিল ও পাহাড়।

    গাইড বুক ঘেঁটে রানা জেনেছে, বিশাল এই লুইযিয়ানা রাজ্যে রয়েছে সাতষট্টিটা প্যারিশ বা জেলা। সেই তুলনায় জনসংখ্যা নিতান্তই কম। ক্লোভিস প্যারিশের আয়তন ছয় শ’ বর্গমাইল, অথচ মানুষ মাত্র নয় হাজার। পণ্ডিত চৌরাশিয়ার বাঁশি শুনতে যে ভিলেনিউভে চলেছে রানা, ওটা প্যারিশের প্রধান শহর। আজ থেকে বহু বছর আগে আঠারো শ’ চৌষট্টি সালে গৃহযুদ্ধের সময় রেড রিভার ক্যাম্পেইনে এসে ওটাকে জ্বালিয়ে ছাই করে দিয়েছিল ইউনিয়ান আর্মি।

    তারও অনেক আগে থেকেই এ এলাকায় ছিল চরম বিশৃঙ্খলা। ফ্রেঞ্চরা জায়গাটার নাম দিয়েছিল লুইযিয়ান, বা নতুন ফ্রান্স। মিসিসিপি থেকে সেই রকি মাউন্টেন এবং কানাডার বড় একটা অংশ নিয়ে ছিল তাদের রাজত্ব। বর্তমান ইউএস-এর পনেরোটা স্টেটের সমান এলাকা নিয়ে চরম লুঠপাট করেছে ফ্রেঞ্চ কলোনিস্টরা… কয়েক শতাব্দী ধরে জাহাজে করে আফ্রিকা থেকে ধরে এনেছে হাজার হাজার কালো মানুষকে। তাদের দিয়ে পেটে-ভাতে অমানুষিক পরিশ্রম করিয়ে নিয়েছে দক্ষিণের সমস্ত প্ল্যান্টেশনে। ঠিক ইংরেজরা যা করেছিল ভারতবর্ষে এসে। চরম নিষ্ঠুরতায় ফ্রেঞ্চ, ইংরেজ, স্প্যানিশ, আইরিশ— কেউ কারও চেয়ে কম যায়নি। তারপর সতেরো শ’ তেষট্টি সালে যুদ্ধ বাধল ফ্রেঞ্চদের সঙ্গে রেড ইণ্ডিয়ানদের। মার খেয়ে ফ্রেঞ্চ রাজা লুই পনেরো সটকে পড়লেন নিজেদের দখল করা এলাকা স্প্যানিশ আর ব্রিটিশদের হাতে তুলে দিয়ে। শুরু হলো নতুন কলোনি গড়ে তোলা। আবার আঠারো শ’ সালে স্প্যানিশদের তাড়িয়ে দিয়ে নতুন ফ্রেঞ্চ নর্থ আমেরিকান রাজ্য গড়তে গেলেন নেপোলিয়ন বোনাপার্ট। তবে যুদ্ধে অসফল হবেন টের পেয়ে আঠারো শ’ তিন সালে বিশাল এ এলাকা বিক্রি করলেন নব গঠিত ইউনাইটেড স্টেটস্-এর কাছে। তার মাত্র কয়েক বছর পর ব্রিটিশ সেনাদেরকে ঘাড় ধরে এ জায়গা থেকে বিদায় করল শ্বেতাঙ্গ আমেরিকানরা। সেসময়ে ক্ষতিপূরণ হিসেবে চোখ ধাঁধানো মূল্য পনেরো মিলিয়ন ডলার দিয়ে তারা কিনল ফ্রেঞ্চদের কাছ থেকে লুইযিয়ানা রাজ্যের স্বত্ব। ফলে একলাফে আমেরিকার জমি হলো এক মিলিয়ন বর্গমাইল। এবং সেজন্যে দুনিয়ার তৃতীয় বৃহত্তম দেশ হয়ে উঠল স্টেট্স্ অভ আমেরিকা। এর ষাট বছর পর নিজেদের ভেতর গৃহযুদ্ধ বাধিয়ে নিল শ্বেতাঙ্গরা। ভাইয়ের বিরুদ্ধে ভাই, প্রতিবেশীর বিরুদ্ধে প্রতিবেশী— ওই ভয়ানক যুদ্ধে মরল সাড়ে সাত লাখ মানুষ। ধুলোয় মিশে গেল একের পর এক শহর-গ্রাম। এরপর যুদ্ধ থেমে যাওয়ায় জন্মাল নতুন আরেক সভ্যতা।

    শত শত বছর ধরে জগাখিচুড়ি এক মিশ্র সংস্কৃতি গড়ে উঠেছে নতুন এই লুইযিয়ানা রাজ্যে। মানচিত্র খুললে দেখা যাবে এখনও এখানে-ওখানে রয়ে গেছে এলাকার ফ্রেঞ্চ নাম। সেগুলোরই একটা ভিলেনিউভ শহর। ওই প্যারিশের নাম দেয়া হয়েছে ফ্র্যাঙ্কিশ এক রাজার নামে। আজও অদ্ভুত ধাঁচের ফ্রেঞ্চ ভাষায় কথা বলে ক্যাজুনদের অনেকে। তবে ইদানীং হারিয়ে যাচ্ছে তাদের সেই সংস্কৃতি। এসব ভাবতে ভাবতে ড্রাইভ করছে রানা। একসময়ে দেখল সরু হয়েছে রাজপথ। দু’পাশে ছুটে পিছিয়ে যাচ্ছে খেত, কাঁচা রাস্তা, জলাভূমি, ছোট ছোট ফার্মস্টেড আর মাঝে মাঝে পড়ছে একটা-দুটো পরিত্যক্ত পেট্রল স্টেশন। নানাদিকে গেছে বাইয়ু। তারই একটার তীরে রানা দেখল লেখা রয়েছে:

    ডিকি’য ক্রফিশ কেবিন।
    জলদি আসুন!
    গেল ফুরিয়ে সব!

    সেই সকালে হালকা নাস্তা করলেও কেন যেন ডিকির ক্রফিশ খাওয়ার আগ্রহ বোধ করল না রানা। আরও এগিয়ে যাওয়ার পর রাস্তার ধারে আবার সাইনবোর্ড:

    জনির তাজা কুনের মাংস!
    মাত্র আধ মাইল দূরে!
    চলে আসুন, চলে আসুন!

    ওটাও এড়িয়ে গেল রানা। কয়েক মাইল পেরোবার পর সামনে পড়ল বড় সাইনবোর্ড:

    স্বাগতম!
    আপনি পা রেখেছেন ক্লোভিস প্যারিশে!

    ভিলেনিউভ শহর আর বেশি দূরে নেই, রানা বুঝল, পৌঁছে গেছে সঠিক জায়গায়। পশ্চিম আকাশে জমেছে ঘন কালো মেঘ। ওদিক থেকে ধেয়ে আসছে তপ্ত, ভেজা হাওয়া।

    এয়ারপোর্ট থেকেই ইন্টারনেট ঘেঁটে ভিলেনিউভ শহরের একমাত্র মোটেল বাইয়ু ইন-এ কামরা বুক করেছে রানা। মোটেলটা সিভিক সেন্টার থেকে মাত্র কয়েক কদম দূরে। আগামী পরশু ওই সিভিক সেন্টারেই বাঁশি বাজাবেন ভারতের পদ্মবিভূষণ পণ্ডিত হরিপ্রসাদ চৌরাশিয়া।

    মোটেলে নিজের রুমে ব্যাগ রেখে শহর ঘুরতে বেরোল রানা। দক্ষিণের এদিকটাই অপেক্ষাকৃত ধনীদের এলাকা। এখানে রয়েছে স্প্যানিশ মস-এ ছাওয়া প্রাচীন আমলের ওক গাছের সারি। সাদা রঙের কলোনিয়াল বাড়িগুলোর চারপাশে চওড়া বারান্দা। উত্তরদিকে একমাইল দূরে টাউন স্কয়্যার। ওখানেই রয়েছে জর্জিয়ান কলাম দেয়া চমৎকার, ছোট প্যারিশ কোর্টহাউস। ওটার একদিকে ক্লক টাওয়ার। রাস্তার ওদিকে সারি সারি দোকানের ভেতর রয়েছে হার্ডওয়্যার স্টোর, গ্রোসারি শপ ও একাধিক গান শপ। অস্ত্রের দোকানগুলোর সামনের জানালায় ঝুলছে কনফেডারেট ফ্ল্যাগ। এ ছাড়া, রয়েছে ফার্মেসি, গ্যাস স্টেশন ও বড়সড় একটা বার। এটার গেটে লেখা: ক্যাজুন স্টেকহাউস; অর্থাৎ, এটা রেস্তোরাঁও।

    ডিকির ক্রফিশ বা জনির তাজা কুনের মাংসের চেয়ে ভাল!

    স্টেকহাউসের সাইন দেখে রানার মনটা খুশি হয়ে উঠল।

    সামনে অপ্রশস্ত রাস্তার দু’দিকে এম্ গাছের ছায়ায় সারি সারি বসতবাড়ি। কোনও-কোনটা পাতলা ক্ল্যাপবোর্ড দিয়ে তৈরি। নিয়মিত যত্ন নেয়া হয় বেশকিছু মাঝারি বাড়ির। অন্যগুলো রয়েছে ধসে পড়ার অপেক্ষায়। বাড়িগুলোর উঠানে রানা দেখল পুরনো, জংধরা সব গাড়ি, মরচে ধরা প্রোপেন ট্যাঙ্ক, ভাঙাচোরা মুরগি পোষার নেটের খাঁচা। এখানে ওখানে ছায়ায় শুয়ে আধ হাত জিভ বের করে হাঁফিয়ে চলেছে কিছু কুকুর। আকস্মিক বন্যার ভয়ে ইঁটের পিলারের ওপর উঁচু করে তৈরি করা হয়েছে প্রতিটা বাড়ি। বারান্দায় উঠতে হলে ভাঙতে হবে কয়েক ধাপ সিঁড়ি। দরজা ও জানালায় রয়েছে মশা ও পোকা ঠেকাবার মেশ স্ক্রিন।

    ঘণ্টাখানেক ঘুরে আবারও বাইয়ু ইনে ফিরল রানা। মোটেলের মালিক মধ্যবয়সী এক দম্পতি, নাম টম আর রিটা মর্টন। রানা ভেতরে পা রাখতেই মহিলা বলল, ‘আপনি নিশ্চয়ই খুব ক্লান্ত? বহু দূর থেকে এসেছেন। এবার মুখে কিছু দিয়ে বিশ্রাম নিন!’

    জবাবে মৃদু হেসে সোজা নিজের রুমে ফিরল রানা। ব্যাগ ঘেঁটে বের করে নিল ডেনিম শার্ট ও কালো জিন্সের প্যান্ট। আরও অনেক টুকটাক জিনিসপত্র রয়েছে ওর ব্যাগে বাথরুমে ঢুকে পনেরো মিনিট মনের সুখে ভিজল রানা। তারপর নতুন পোশাক পরে রুমের ওদিকের ছোট্ট ব্যালকনিতে গিয়ে দাঁড়াল। নিচে প্রায় নির্জন রাস্তা। কিছুক্ষণ চারপাশ দেখে নিয়ে রুমের সোফার পাশে এসে থামল ও। কয়েক জায়গায় মেসেজ পাঠাবে রলে ব্যাগ থেকে নিল ওর দামি স্মার্টফোন। লেটেস্ট জিনিস, মাত্র এক সপ্তাহ আগে কিনেছে। কিন্তু গত কয়েক ঘণ্টার ভেতর কোনও এক অজ্ঞাত কারণে হঠাৎ করে অক্কা পেয়েছে ওটা— একেই বলে আধুনিক টেকনোলজি!

    নিচে নেমে মোটেলের মালকিন রিটা মর্টনের কাছে রানা জিজ্ঞেস করল, ভরসা করার মত কোনও মোবাইল ফোন কোন্ দোকান থেকে কিনতে পারবে।

    সামনেই একটা দোকান আছে, জানাল মহিলা। ওখানে নাকি নানান ইলেকট্রনিক যন্ত্রপাতি পাওয়া যায়। মোবাইল ফোনও থাকতে পারে।

    মোটেল থেকে বেরিয়ে একটু এগোতেই দোকানটা পেল রানা। তবে ভেতরে ঢুকে দেখল, এ দোকানে বিক্রি হয় অতি সস্তা প্রি-পেইড সিম ও মোবাইল ফোন। একটু ব্যবহার করলেই আগুনের মত গরম হয়ে ওঠে বলে ওরা নাম দিয়েছে ‘আভেন’। এমন কী গায়ে প্রস্তুতকারী কোম্পানির নামটাও লেখা নেই। চাইলেও ওর কল ট্রেস করতে পারবে না কেউ। বিশ ডলারে মোবাইল ফোন কিনে রানা দেখল, এই উনুনেও ওয়েব অ্যাকসেস রয়েছে। বাহ্! আরও বিশটা ডলার দোকান মালিককে দিতেই ব্যবহারোপযোগী হলো ফোনটা। ঘরে ফিরে বাংলাদেশ কাউন্টার ইন্টেলিজেন্সের হেডঅফিস ও বিদেশে কয়েকটা শহরের রানা এজেন্সিতে কল করে রানা জানিয়ে দিল, খুব জরুরি প্রয়োজন হলে ওকে পাওয়া যাবে লুইযিয়ানার ক্লোভিস প্যারিশে।

    এদিকে গড়িয়ে চলেছে বিকেল। ছুঁচোর দৌড়ঝাঁপ আর ডাকাডাকি শুরু হয়েছে রানার পেটের ভেতর। সময় লাগল না ভিলেনিউভ টাউন হলের কাছে ক্যাজুন স্টেকহাউসে পৌঁছুতে। ভেতরে খদ্দের নেই বললেই চলে। এক তরুণী এসে মেনু দিল। খাবার বলতে ফিল গাম্বো, এস্‌ উইদ শ্রিম্প অ্যাণ্ড গ্রিস্‌, ক্রিয়োল জাম্বালায়া অ্যাণ্ড ক্রফিস বয়েল ধরনের খাবার। নিজেকে নিরাপদ রাখতে টি-বোন উইদ ফ্রাইড পটেটো অ্যাণ্ড ডিক্সি বিয়ারের অর্ডার দিল রানা।

    ‘তুমি শুধু একটু ধৈর্য ধরে বসে থাকো, হ্যাণ্ডসাম, দেখবে দশ মিনিটেই তোমার জীবনে এসে হাজির হয়েছে পৃথিবীর সবচেয়ে সুস্বাদু স্টেক,’ অর্ডার নিয়ে দারুণ মিষ্টি একটুকরো হাসি উপহার দিয়ে কিচেনের দিকে উধাও হলো তরুণী।

    না, পাক্কা দেড়ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হলো না, সত্যিই দশ মিনিটে এল টি-বোন। এমন মজাদার এত বিরাট স্টেক আগে কখনও চেখে দেখেনি রানা। পেট ভরে মাংস আর আলুভাজা খেতে খেতে দুটো হিম-শীতল বিয়ার সাঁটিয়ে দিল। আপাতত কোনও কাজ নেই বলে মনের কোণে উঁকি দিল স্কচ উইস্কির স্বাদের কথা। কিন্তু না। হার্ড লিকার কিছুদিনের জন্যে বাদ দিয়েছে ও। তাছাড়া তরুণী ওয়েটারের কাছ থেকে আগেই জেনেছে, তাদের কাছে স্কটল্যাণ্ডের কোনও লিকার নেই।

    আবার ফিরল ও মোটেলে নিজের রুমে। একটু গড়িয়ে নিল আরামদায়ক বিছানায়। তারপর কখন যে ঘুমিয়ে পড়েছে, নিজেও বলতে পারবে না।

    ঘুম ভাঙল রাত এগারোটার দিকে। মুখ-হাত ধুয়ে ফিরল সেই স্টেকহাউসে। এবার হাফ স্টেক ও পটেটো ফ্রাই নিল। খাবার আর দুটো ডিক্সি বিয়ার শেষ করে বেরিয়ে এল বার অ্যাণ্ড রেস্টুরেন্ট থেকে।

    থমথম করছে শহর। মাঝে মাঝে ফুটপাথ ধরে আসছে- যাচ্ছে একজন-দু’জন মানুষ। নতুন করে শহরটা ঘুরে দেখছে রানা। এ গলি ও গলি ঘুরে মাঝারি এক রাস্তায় পড়ে আবারও ফিরে চলল মোটেলের দিকে।

    তবে মিনিট দশেক পর থমকে দাঁড়াল এক দোকানের সামনে। আবারও ফিরেছে ক্লোভিস প্যারিশের সদর রাস্তায়। সামনের মদের দোকানে বেশ জোরে বাজছে কেনি রজার্সের গান। কান্ট্রি মিউযিকের রাজা মানুষটা। বেহালা, গিটার, ড্রাম আর স্যাক্সোফোনের আওয়াজ ছড়িয়ে পড়ছে দূর-দূরান্তরে। দোকানের বাইরে বড় এক নিয়ন সাইনবোর্ডে লেখা:

    টিমোথি য লিকার কর্নার
    এখানে সব ধরনের মদ্য বিক্রয় হয়
    সকাল এগারোটা থেকে রাত দুইটা পর্যন্ত খোলা

    মুহূর্তে সিদ্ধান্ত নিল রানা। বন্ধুর বিয়েতে কী দেবে বুঝতে পারছিল না, হঠাৎ বিদ্যুচ্চমকের মত মাথায় খেলে গেল: খুব দামি এক বোতল শ্যাম্পেন উপহার পেলে দারুণ খুশি হবে হ্যারি জন্সটন। জ্যামাইকায় ওদের মোটেলে পাঠাতে পারলে আরও ভাল হয়। পরমুহূর্তে মনে পড়ল হ্যারির বউয়ের আবার শ্যাম্পেনের চেয়ে উইস্কিই বেশি পছন্দ। ঠিক আছে, দেখাই যাক না, কী পাওয়া যায় এখানে!

    দোকানে পা রেখে রানা দেখল, এখানেও ও একমাত্র খদ্দের। তাতে অবাক হলো না। এ ধরনের দোকানে যা হয়, বন্ধ হওয়ার আগমুহূর্তে বোতল কিনতে ছুটে আসে খদ্দের।

    দোকানটা মাঝারি আকারের। মেঝে থেকে ছাত পর্যন্ত ছয় সারিতে ঠাসা রয়েছে র‍্যাকভর্তি বোতল। এই ঘরে যে পরিমাণ মদ আছে, সব ঢাললে তাতে ভাসিয়ে দেয়া যাবে ছোটখাটো একটা আস্ত জাহাজ। হাসি হাসি মুখ করে যার যার তাকে দাঁড়িয়ে আছে থরে থরে বিয়ার, জিন, ভোদকা, কালো আর সাদা রামের পাশাপাশি নানান ধরনের বারবন উইস্কি। এ ছাড়া, রয়েছে নানান জাতের স্থানীয় ওয়াইন। কয়েকটা র‍্যাকে চোখ রেখে রানা বুঝল, ও যা খুঁজছে, এখানে সেটা পাওয়ার সম্ভাবনা খুবই ক্ষীণ।

    গায়ে পুরনো চেক শার্ট, জিন্সের প্যান্ট আর মাথায় ক্যাপ পরে কাউন্টারের ওদিকে বসে আছেন খুনখুনে এক বৃদ্ধ। মুখ আর হাতে হাজার হাজার ভাঁজ। একটা মাছ সংক্রান্ত পত্রিকায় সমস্ত মন, আর কোনও দিকে খেয়াল নেই।

    ‘এত আওয়াজের ভেতর আপনার মাছটা পালাবে না তো আবার?’ জোরালো বাজনার ওপর গলা চড়িয়ে জানতে চাইল রানা।

    হঠাৎই খদ্দেরকে দেখে পত্রিকা কাউন্টারে রাখলেন বৃদ্ধ। ছলছলে চোখে রানাকে দেখলেন। ‘কী বললে, বাছা?’

    রানা দেখল, দাদুর বয়স নব্বুইয়ের বেশি, মুখে একটা দাঁতও নেই। তাঁর দোকানে ভাল স্কচ উইস্কি আছে কি না জানতে চাইল ও। ফলে হাঁ করে ওর দিকে চেয়ে রইলেন বৃদ্ধ মানুষটা। দ্বিতীয়বার জানতে চেয়ে রানা টের পেল, বুড়ো দাদুর যে শুধু একটা দাঁতও নেই তা-ই নয়, তিনি কানেও ভাল শুনতে পান না। সেজন্যেই এই জোরালো বাজনা তাঁকে ডিস্টার্ব করতে পারছে না।

    অবশ্য তৃতীয়বারে দোকানের দূরের একটা দিক দেখালেন তিনি। ‘তৃতীয় সারিতে। এক্কেবারে পেছনে। ওখানে বোধহয় পছন্দের জিনিস পাবে।’ আগে লুইযিয়ানার উপকূলবর্তী জলাভূমি এলাকায় এমন ক্যাজুন উচ্চারণে কথা বলতেন বয়স্করা। আজকাল আমেরিকার নতুন প্রজন্ম এভাবে কথা বলে না।

    তাঁকে ধন্যবাদ দিল রানা।

    তাতে ভুরু কুঁচকে ওকে দেখলেন বুড়ো। তাঁর দোকানে যেন পা রেখেছে কালো চুল, বাদামি ত্বকের ভিনগ্রহ থেকে আসা এক যুবক। ‘একটা কথা, তুমি কোন্ দেশ থেকে এসেছ, পাডনাহ্! আগে তো কখনও তোমাকে এদিকে দেখিনি!’

    বহুদিন পর পার্টনার বলে ওকে সম্বোধন করল কেউ, ভাবল রানা। গলা চড়িয়ে বলল, ‘বহু দূরের দেশ থেকে।’

    কানের কাছে হাত রেখে নাক কুঁচকে ফেললেন বৃদ্ধ। ‘কোথায় যেন বললে?’

    আলাপ করতে চান তিনি, বুঝে গেল রানা। তবে সমস্যা হচ্ছে, আমেরিকার এতটা দক্ষিণে বোধহয় হিয়ারিং এইড পৌঁছায় না। এখন গল্প জুড়তে হলে গলা ফাটিয়ে কথা বলতে হবে রানাকে। কণ্ঠনালী অক্ষত রাখার জন্যে মিষ্টি হাসি উপহার দিয়ে তৃতীয় সারির র‍্যাকগুলোর দিকে চলল ও। পেছন থেকে চেয়ে রইলেন বুড়ো। তারপর কাঁধ ঝাঁকিয়ে আবারও নাকের কাছে তুললেন মৎস্যশিকারের পত্রিকা।

    শেষ র‍্যাকের নিচের তাকে রয়েছে নানান ধরনের চ উইস্কি। সব ধুলো মেখে ভূত। এদিকের মানুষ বোধহয় স্কচ উইস্কিতে অভ্যস্ত নয়। চোখ বোলাতেই রানা দেখল নকাণ্ডো, জনি ওয়াকার, কাটি সার্ক, গ্লেনমোরেঞ্জি ছাড়াও আরও বেশ কিছু ভাল মাল। এগুলোর পিছনে লুকিয়ে উঁকি দিচ্ছে এক বোতল ল্যাফ্রোইগ কোয়ার্টার কাস্ক সিঙ্গেল মল্ট। বিশ বছরের পুরনো। ঘন কালচে, ধোঁয়ার গন্ধ মেশানো জিনিসটা বরাবরই রানার প্রিয়।

    র‍্যাকের কোণে বোতলটা রানার জন্যে এত বছর ধরে অপেক্ষা করেছে যে, ধুলো ও মাকড়সার ঝুলে ভাল মত দেখা যাচ্ছে না লেবেল। বোতলটা তুলে ঝুল ও ধুলো মুছল রানা। বুঝে গেছে, এ জিনিস এক রাতের ঘুম হারাম করে দেবে জন্সটন দম্পতির। নিজের জন্যে এক বোতল কাটি সার্ক নেবে কি না ভেবেও কড়া এক ধমক দিয়ে থামিয়ে দিল ইচ্ছেটাকে। আরেকবার বোতলটা ঘুরিয়ে ফিরিয়ে দেখে নিয়ে কাউন্টারের দিকে চলল রানা। শুনতে পেল বাজনার ওপর দিয়ে কথা বলছে কারা যেন। র‍্যাকের বাঁক ঘুরে এক পা এগিয়েই দাঁড়িয়ে পড়ল রানা।

    কাউন্টারের সামনে মোষের মত দুর্বোধ্য, নিচু, তেরছা দৃষ্টি নিয়ে দাঁড়িয়ে আছে মিশমিশে কালো এক বিশালদেহী নিগ্রো। পিঠে হলুদ রঙে লুইযিয়ানা মোটর সাইকেল লেখা কালো এক জ্যাকেট। করোটি আঁকা রয়েছে মাথার হেলমেটের পেছনে। রানা বুঝে নিল, খুব ধীরে নড়াচড়া করে পাহাড়টা। মুখে সারাক্ষণ লেগে আছে আত্মবিশ্বাসী হাসি।

    তবে তার সঙ্গীটা চটপটে, হালকা শরীরের এক ধূর্ত শেয়াল। পরনে ডেনিম শার্ট আর ফ্যাকাসে নীল হাঁটু-ছেঁড়া জিন্সের প্যান্ট। রাগী চোখে বৃদ্ধকে দেখছে সে। চোখ দেখেই রানা বুঝল, এ-লোক কোকেনের অন্ধভক্ত।

    লোকদু’জনকে খদ্দের বলে মনে হলো না রানার। একজনের হাতে নলকাটা দোনলা বন্দুক। অন্যজনের নাভির কাছে বেল্টে গোঁজা একটা ম্যাগনাম রিভলভার।

    দুধের শিশুও বুঝতে পারবে, এদের উদ্দেশ্য কী।

    দেরি না করে দুই পা পিছিয়ে ডিক্সি বিয়ারের র‍্যাকের আড়ালে সরে গেল রানা। চোখ রাখল আড়াল থেকে।

    গ্রিযলি ভালুকের মত বামহাতের বিশাল পাঞ্জা দিয়ে বুড়ো মানুষটার সরু গলা পেঁচিয়ে ধরেছে মোটা মোষ। আরেক হাতে বেচারার বুকে ঠেসে ধরেছে বন্দুকের নল।

    ভীষণ ভয় পেয়ে ফ্যাকাসে হয়ে গেছেন বৃদ্ধ। যে-কোনও সময়ে হার্ট অ্যাটাকে মারা পড়বেন।

    হালকা গড়নের লোকটার প্যান্টে ওভাবে কক করা .৩৫৭ স্মিথ অ্যাণ্ড ওয়েসন ম্যাগনাম রিভলভারটা গুঁজে রাখা ঠিক হয়নি, ভাবল রানা একবার।

    কাউন্টার টপকে ক্যাশ রেজিস্টারের সামনে থামল চিকন লোকটা। খচমচ শব্দে টাকাগুলো ঘাঁটছে সে। পরক্ষণে রাগত কণ্ঠে চেঁচিয়ে উঠল, ‘অই, ব্যাটা! আর টাকা কই? বুড়া শালা! কোথায় রেখেছিস সব?’

    বিস্ফারিত চোখে তাকে দেখছেন বৃদ্ধ। কথা বলার সাহস নেই। যে-কোনও সময়ে তাঁর বুক-পেট ঝাঁঝরা করবে বন্দুকওয়ালা মোষ।

    হালকা গড়নের সাইকো, না ভারী মোষ, দুই শয়তানের মধ্যে কে বেশি বিপজ্জনক, বুঝতে চাইছে রানা। ধীরে ধীরে শ্বাস নিল। এবার বোধহয় সময় হয়েছে কিছু করার।

    রাত এখন এগারোটা পঞ্চান্ন মিনিট।

    র‍্যাকের আড়াল থেকে বেরিয়ে অসতর্ক দুই ডাকাতের দিকে গুটি গুটি পায়ে এগোল রানা।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleমাসুদ রানা ৪৬৭ – শকওয়েভ
    Next Article মাসুদ রানা ১৩৩-১৩৪ – চারিদিকে শক্র (দুই খণ্ড একত্রে)

    Related Articles

    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৩৮৫-৩৮৬ – হ্যাকার (দুই খণ্ড একত্রে)

    July 22, 2025
    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫৬ – টপ টেরর

    July 22, 2025
    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫৪ – নরপশু

    July 22, 2025
    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫৩ – ধর্মগুরু

    July 22, 2025
    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫২ – কালো কুয়াশা

    July 22, 2025
    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫১ – মায়া মন্দির

    July 22, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }