Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    মাসুদ রানা ৪৬৪ – স্ট্রেঞ্জার

    কাজী আনোয়ার হোসেন এক পাতা গল্প406 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    স্ট্রেঞ্জার – ২০

    বিশ

    গুডরিচদের বাড়ি থেকে আধমাইল দূরে বাস করেন সবচেয়ে কাছের প্রতিবেশীরা। ওই অবসরপ্রাপ্ত, নিঃসন্তান দম্পতির নাম ডেসমণ্ড ও রোণ্ডা ম্যালয়। রন, রব আর টিনাকে অন্তর থেকে ভালবাসেন তাঁরা। জোসেফ আর এলিসা জরুরি কাজে শহরে গেলে খুশি মনেই বাচ্চাদের দেখভালের দায়িত্ব নেন। আজও তেমনই একটা দিন। কারণ জোসেফের চেরোকি জিপে চেপে রানাকে নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ কাজে চলেছে গুডরিচ দম্পতি। পাহাড়ি-জঙ্গুলে পথে বিগড়ে যেতে পারে বলে এলিসার শহুরে মাযদা গাড়িটা নেয়া হয়নি। তবে জোসেফের প্রাচীন জিপের যে করুণ হাল, আদৌ ওরা গন্তব্য পর্যন্ত পৌঁছুতে পারবে কি না, তা অনিশ্চিত।

    এবড়োখেবড়ো জমিতে ঝাঁকি খেতে খেতে পুবে চলেছে জিপগাড়ি। ওদিকেই বিখ্যাত রেড রিভার। পেছনের সিটে রানা। ধুলোভরা পথে যেতে যেতে ভক্তির সঙ্গে বড়মা এবি পামবোর বিষয়ে কথা বলছে এলিসা। ছোটবেলায় ওর আত্মীয়স্বজনরা গভীর রাতে গহীন অরণ্যে ওকে নিয়ে গিয়েছিল ভুডুর অদ্ভুত এক অনুষ্ঠানে। আজও স্পষ্ট মনে আছে, কারণ ওর বয়স ছিল তখন এগারো। ওই জাদুটোনার আচারানুষ্ঠানে অংশ নিয়েছিল শতখানেক নারী-পুরুষ। তাদের আত্মা পরিষ্কারের দায়িত্বে ছিলেন জ্ঞানী এক বয়স্কা মহিলা। তাঁকে সবাই বলত বড়মা।

    অনুষ্ঠানের একপর্যায়ে এলিসার কাঁধে হাত রেখে তিনি বলেন, ‘সবাই শোনো, কারও দিকে একবার তাকালেই, এই মেয়েটা জেনে যাবে সেই মানুষটা কেমন।’

    ‘জোসেফ তো বলছিল আমরা এক ডাইনীর সঙ্গে দেখা করতে চলেছি,’ বলল রানা।

    ‘ঠাট্টা করেছে,’ কড়া চোখে স্বামীকে দেখল এলিসা। ‘তা-ই না, জো?’

    ‘তা-ই তো মনে হয়,’ সামনে চোখ রেখে বিড়বিড় করল জোসেফ। ‘উকিল ছিলাম, আমি তো সত্য-মিথ্যা কত কথাই বলি!’

    ‘বড়মা এবি পামবো ডাইনী নন,’ রানাকে বলল এলিসা। ‘ভুডুর নিয়ম অনুযায়ী তাঁর পদবী মামবো। মানে যাজিকা। অন্যসব ধর্মের পুরোহিত বা যাজকদের মতই।’

    ‘তার মানে, উনি ছাগল বলি দিয়ে তার রক্ত উৎসর্গ করেন কালো জগতের ভয়ঙ্কর সব পিশাচদের কাছে?’ জানতে চাইল রানা।

    মুচকি হাসল এলিসা। ‘কী যে বলো, রানা! সিনেমা আর গাঁজাখুরি বই যা খুশি দেখিয়ে বা লিখে সাধারণ মানুষের মাথা খেয়ে নিয়েছে। শয়তান লোক সব। তবে আফ্রিকা থেকেই এসেছে ভুডু। ছড়িয়ে গেছে গোটা ক্যারিবিয়ান এলাকার কৃষ্ণাঙ্গ জনবসতিতে। কুসংস্কারাচ্ছন্ন শ্বেতাঙ্গরা ওটাকে খুব ভয় পেত। ভাবত, ওটার জোরে একদিন তাদেরকে গদি থেকে নামিয়ে নিজেরা ক্ষমতা কেড়ে নেবে কালোরা। আর সেজন্যেই ভুডুর দেবতা আর আত্মা নিয়ে যাঁরা কাজ করেন, তাঁদের নাম দিয়েছে ওরা উইচ ডক্টর, জাদুকর বা ডাইনী। অথচ, খ্রিস্ট ধর্মের সঙ্গে অনেক মিল ভুডুর। খ্রিস্ট ধর্মের কুমারী মেরি মা যেমন আছেন, তেমনই ভুডুতে রয়েছেন আইডা ওয়েডো। তারপর আছে দোরপ্রহরী লেগবা, যে কিনা একেবারেই সেন্ট পিটারের ডুপ্লিকেট। এ ছাড়া, ভুডুতে রয়েছে ওশুন। উনি ভালবাসার দেবী আর সৃষ্টির কর্ত্রী। পৃথিবীর সব অরণ্যের দায়িত্বে আছেন লোকো। আসলে ভুডু কোনও কালো জাদু বা শয়তানের পূজা নয়। যারা ভুডু করে, তারা কিন্তু বসে বসে ছোট সব পুতুলের পেছনে পিন ফুটিয়ে মানুষের ক্ষতি করে বেড়ায় না। খ্রিস্টানদের মতই তারাও বিশ্বাস করে, আমরা মারা গেলে প্রবেশ করি অন্য এক জগতে। আর তখন আমাদের সঙ্গে আবারও দেখা হয় প্রিয় সব মৃত আত্মীয়স্বজন ও বন্ধু-বান্ধবীর। অনেকটা হিন্দু বা বৌদ্ধ ধর্মের মতই ভুডুতেও বিশ্বাস করা হয়, আবারও জন্ম নেবে মানুষ। তুমি যদি এ জীবনে ভাল কাজ করো, ক্ষতি হবে না তোমার। সেক্ষেত্রে আবারও নতুন করে ফিরে পাবে জীবন। কিন্তু এই জীবনে মন্দ কাজ করলে পরের জন্মে হবে ডিয়াব। যে কিনা আসলে ভয়ঙ্কর পিশাচ। শুধু আনন্দের জন্যে নিরীহ মানুষকে কষ্ট দেয় সে।’

    ‘আমাদের চারপাশে আজকাল বহু ডিয়াব ঘুরে বেড়ায়, ‘ মন্তব্য করল জোসেফ গুডরিচ।

    এলিসার কথা অনুযায়ী, পাপে ভরা এই অন্ধ, আধুনিক সভ্যতা থেকে বহু দূরের জঙ্গলে নির্জন আস্তানা গড়ে নিয়েছেন বড়মা এবি পামবো। বুনো লতাপাতা ছাড়া কিছুই খান না। বনদেবতা লোকোর নির্দেশ অনুযায়ী নানান ওষুধ তৈরি করে অসুস্থ ভুডু চর্চাকারীদেরকে সুস্থ করে তোলেন তিনি। প্রধান যাজিকা হিসেবে তাঁকে সর্বক্ষণ পাহারা দেয় সশস্ত্র একদল ভক্ত অনুসারী। ওই দুর্গম জঙ্গলে তাদেরকে এড়িয়ে বড়মা এবি পামবোর ধারেকাছে যাওয়ার উপায় নেই কারও। তবে উনি চাইলে তাঁর আস্তানায় যেতে পারে যে- কেউ

    ‘উনি কি আমাদের সঙ্গে দেখা করবেন?’ জানতে চাইল রানা। ভাবছে, লাভ হবে অত দূরে গিয়ে? তবে, শেলি লং ল্যান্সের খুনের ব্যাপারে হয়তো জরুরি তথ্য দিতে পারবেন এবি পামবো। ওখানে যাওয়াই উচিত।

    ‘আশা করি উনি সাহায্য করবেন, বলল এলিসা।

    আরও একঘণ্টা কাঁচা, আঁকাবাঁকা পথে চলল ওরা। একদম চুপ হয়ে গেল এলিসা। বারবার দেখছে নানাদিকের পাহাড় চূড়া ও বড় সব গাছ।

    ‘পথ ঠিক মনে আছে তো?’ সন্দেহ নিয়ে জানতে চাইল জোসেফ। ‘বহুদূর তো চলে এলাম।’

    ‘আমার ওপর ভরসা রাখো,’ বলল এলিসা। আরও আধঘণ্টা পর নিচু গলায় বলল, ‘ঠিক আছে, এবার পথ থেকে নেমে পড়ো।’

    সরু রাস্তা থেকে রুক্ষ, এবড়োখেবড়ো ট্র্যাকে নামল জোসেফ। রানা বুঝে গেল, কেন মাযদা গাড়ির বদলে জিপ এনেছে এলিসা ও জোসেফ। ট্র্যাকের এখানে ওখানে গভীর খাদ। একটু পর পর চাকার নিচে পড়ছে তিন নম্বর ফুটবলের সমান পাথরের বোল্ডার। কৌটার ভেতর ঝালমুড়ির মত ঝাঁকুনি খেতে খেতে চলেছে ওরা। করুণ আর্তনাদ ছাড়ছে সাসপেনশন। ধুপধাপ শব্দে গাড়ির নিচে আপত্তি জানাচ্ছে মুঠোসমান পাথরখণ্ডগুলো।

    ‘শেষপর্যন্ত খসে যাবে না তো তোমার গাড়ির তলি?’ সন্দেহ নিয়ে স্বামীর কাছে জানতে চাইল এলিসা। ‘হেঁটে বাড়ি ফিরতে হলে কিন্তু পা ক্ষয়ে গিয়ে তিন ফুটি বামন হয়ে যাব!’

    ‘তখনও তোমার চেয়ে দু’ফুট লম্বা থাকব, হাসল জোসেফ। ‘তবে ভয় পেয়ো না। এ গাড়ির কিছুই হবে না।’

    এলিসা নাকি আগেই বহু কিছু বুঝতে পারে, আনমনে ভাবল রানা। তা হলে গাড়ি রেখে হেঁটে বাড়ি ফেরার কথা বলছে কেন? পরক্ষণে মনে মনে নিজেকে ভ্রুকুটি করল। অ্যাই, তুই কবে এতবড় অকৃতজ্ঞ হলি রে? এরা ঝুঁকি নিচ্ছে তোর জন্যে! তোকে সাহায্য করছে বলে ধরা পড়লে জেল হতে পারে এদের!

    তখনই স্থির করল রানা, এলিসা আর জোসেফের ভালর জন্যে যত দ্রুত সম্ভব ওর উচিত বিদায় নেয়া।

    ধীরে ধীরে আরও বুনো হয়ে উঠল ট্র্যাক। চারপাশে ঘন জঙ্গল। দক্ষতার সঙ্গে গাছপালা এড়িয়ে এগোচ্ছে জোসেফ। জায়গায় জায়গায় রুক্ষ মাটি ভেদ করে নাক তুলেছে মহীরুহের মোটা মোটা শেকড়। আরও সংকীর্ণ হলো সামনের পথ। দু’দিক থেকে চেপে এল জঙ্গল। প্রকাণ্ড গাছ থেকে ঝুলছে হাজারো লতা ও স্প্যানিশ মস। কিছু গাছ এতই বিকৃত, যেন অশুভ কোনও আত্মা। মাথার ওপর ঘন পাতার সবুজ ছাউনি ভেদ করে মাটিতে পড়ে নানান নকশা তৈরি করেছে সোনালি রোদ। এখন প্রথম বিকেল। অথচ গহীন অরণ্যে নেমেছে ভোর বা সন্ধ্যার ধূসর আবছায়া।

    কিছুক্ষণ পর বলল এলিসা, ‘প্রায় পৌছে গেছি।’

    খানিক বাদে সত্যি হলো ওর ভবিষ্যদ্বাণী।

    মন্থরগতি জিপটা থামিয়ে বিড়বিড় করল জোসেফ, ‘যাশালা!’

    এরই ভেতর তাদেরকে লক্ষ করেছে রানা। হঠাৎই বেরিয়ে এসেছে পাশের ঝোপ থেকে। সংখ্যায় চারজন। গায়ের রঙ কুচকুচে কালো। এবার জঙ্গলের অন্যপাশ থেকে এল আরও চারজন। দলে তারা এখন আটজন। ঘিরে ফেলল জিপটাকে।

    ‘আমাকে কথা বলতে দেবে, নিজেরা কিছু বলবে না, ‘ সতর্ক করল এলিসা।

    কুচকুচে কালো লোকগুলো দীর্ঘদেহী হলেও হালকা- পাতলা। চোখগুলো যেন ধিকিধিকি অঙ্গার। এবি পামবোর দেহরক্ষী। তাদেরকে এড়িয়ে উপায় নেই বড়মার কাছে যাওয়ার। ভুডুর জোব্বার বদলে পরনে ভেস্ট ও প্যান্ট। গলায় নেই করোটির মালা। চুনের মত সাদা করেনি মুখ। ভয় দেখাবার কোনও ভঙ্গিও করছে না। তবে বুঝিয়ে দিচ্ছে, আর এক পা-ও এগোতে দেবে না কাউকে। চারজনের হাতে বারো গেজের বন্দুক। অন্য চারজনের হাতে হান্টিং রাইফেল। যেভাবে অস্ত্র ধরেছে, রানার মনে হলো এরা অপেশাদার মিলিশিয়া যোদ্ধা। বুঝতে দেরি হলো না ওর, ওদের উচিত হয়নি নিরস্ত্র অবস্থায় এখানে হাজির হওয়া।

    জিপ ঘিরে ফেলেছে লোকগুলো। হাতের অস্ত্রের নল এখনও মাটির দিকে তাক করা। তবে প্রয়োজনে দেরি না করেই গুলি করতে পারবে। ড্রাইভারের জানালায় এসে দাঁড়াল দলনেতা। হাতের ইশারায় দেখিয়ে দিল, এখান থেকেই গাড়ি ঘুরিয়ে চলে যেতে হবে।

    ‘পথ হারিয়েছ?’ বলল লোকটা। কণ্ঠস্বর বজ্রবিদ্যুতের মত গুড়গুড় করছে। জ্বলজ্বল করছে দু’চোখ। গাছের গুঁড়ির মত ব্যায়ামপুষ্ট দু’হাতে বোল্ট অ্যাকশন রেমিংটন রাইফেল। সতর্ক দৃষ্টিতে জিপের ভেতর চোখ বোলাল লোকটা।

    সিটে ঝুঁকে ড্রাইভারের জানালা দিয়ে তাকাল এলিসা। নরম সুরে বলল, ‘আমরা বড়মা এবি পামবোর সঙ্গে দেখা করতে এসেছি।’ মিষ্টি হাসল। ‘আসলে এসেছি আমাদের এই বন্ধুর জন্যে। ওর সাহায্য দরকার।’ রানাকে দেখিয়ে দিল এলিসা।

    জিপের ধুলোভরা কাঁচ ভেদ করে সন্দেহ ভরা ষোলোটা চোখ দেখছে রানাকে। কী ভাবছে, কে জানে!

    একমিনিট পর বলল দলনেতা, ‘সাহায্য লাগলে ওর নিজের লোকেদের কাছে যাক। তোমরা ভুল জায়গায় এসেছ। গাড়ির পাছাটা ঘুরিয়ে ফিরতি পথ ধরো।’

    ‘প্লিয,’ বলল এলিসা। সাহায্য পেতে বহু দূর থেকে এসেছি আমরা।’

    কড়া চোখে রানাকে দেখল দলনেতা। ‘বড়মার কাছ থেকে কী ধরনের সাহায্য চায় এই লোক?’

    ‘মস্তবড় বিপদে পড়েছে।

    মাথা নাড়ল দলনেতা। ‘আমরা কোনও বিপদে জড়াতে চাই না।’

    ‘পাডনাহ্,’ বলল জোসেফ, ‘এবি পামবোর সঙ্গে দেখা করব বলে এসেছি। দেখা না করে ফিরব না।’

    আগের চেয়ে জোরে মাথা নাড়ল দলনেতা। ‘বড়মা কারও সঙ্গে দেখা করবেন না। বিশেষ করে তোমাদের মত অপরিচিতদের সঙ্গে তো একেবারেই নয়।’

    ‘আমি বড়মার অপরিচিত নই,’ একটু জোর দিয়ে বলল এলিসা। ‘আগেও দেখা হয়েছে আমাদের। আমার মাথায় হাত বুলিয়ে বলেছিলেন, আমার আত্মা পরিষ্কার। তখন একদম ছোট ছিলাম। শুনেছি কাউকে দেখলে কখনও তাকে ভোলেন না বড়মা।’

    ডান ভুরু কপালে তুলল দলনেতা। এলিসার কথায় তাকে সন্তুষ্ট মনে হলো না রানার। গভীর সন্দেহ নিয়ে ওদেরকে দেখছে দেহরক্ষীরা।

    দলনেতা বলল, ‘বড়মা আজকাল কারও সঙ্গে দেখা করেন না। অনেক বয়স হয়েছে তাঁর।’

    কথা চালাচালি করে লাভ হবে না, বুঝে গেছে রানা। সাবধানে দরজা খুলে নেমে পড়ল মাটিতে। সঙ্গে সঙ্গে ওর বুকে তাক করা হলো কয়েকটা বন্দুক ও রাইফেল।

    ‘গুলি কোরো না, আমি নিরস্ত্র।’ কাঁধের কাছে হাত তুলল রানা। বোঝাতে চাইছে, ঝামেলা করতে আসেনি। দলনেতার উদ্দেশে বলল, ‘মন দিয়ে শোনো আমার কথা। আমাকে বিপদ থেকে বাঁচাতে গিয়ে মস্তবড় বিপদে নিজেরাই জড়িয়ে গেছে এই দু’জন। সত্যিকারের ভাল মানুষ এরা। এরা সাহায্য না করলে এতক্ষণে খুন হয়ে যেতাম। বড়মার কাছে মাত্র একটা প্রশ্ন করব বলে এত দূর থেকে এসেছি। একবার দেখা হওয়ার পর উনি ওই প্রশ্নের জবাব দেন বা না দেন, দেরি না করে ফিরে যাব।’

    ‘কী জানতে চাও বড়মার কাছে?’

    ‘জানতে চাই লিয বাউয়ারের ব্যাপারে,’ বলল ‘রানা। ‘চিটিমাচায় গত দু’দিন আগে সে খুন হয়েছে। একইসঙ্গে জেনে নেব কে ছিল শেলি লং ল্যান্স। আর কেন খুন হয়েছিল সে। আমাকে বলা হয়েছে, দুনিয়ার সবচেয়ে জ্ঞানী মানুষ বড়মা এরি পামবো। তিনি প্রশ্নের জবাব দিতে না পারলে, আর কোথাও উত্তর পাব না।’

    কয়েক মুহূর্ত কড়া চোখে রানাকে দেখল দলনেতা। দাঁত দিয়ে কামড়ে ধরেছে নিচের ঠোঁট। সামান্য নরম হলো চোখের দৃষ্টি। সে হাতের ইশারা দিতেই রানার বুক থেকে অস্ত্রের নল সরাল দেহরক্ষীরা। ‘ঠিক আছে, তোমরা এখানেই অপেক্ষা করো,’ বলল দলনেতা। ‘আমরা দেখছি।’

    একমুহূর্ত পর তাকে অনুসরণ করে গভীর জঙ্গলে হারিয়ে গেল সশস্ত্র লোকগুলো। জিপের গায়ে হেলান দিয়ে দাঁড়াল রানা। দু’দিকের দরজা খুলে নামল জোসেফ আর এলিসা।

    ‘এরা খুব সতর্ক, তাই না?’ বলল জোসেফ। বদ্ধ গরমে ঘেমে গেছে সারা মুখ। রানাকে দেখল সে। ‘তোমার সাহস আছে, রানা। যেভাবে নেমে পড়লে! আমি তো ভেবেছি গুলি করে দেবে!’

    ‘ওরা সতর্ক, সেজন্যে ওদেরকে দোষ দিচ্ছি না,’ বলল, এলিসা, ‘সময় তো খুব খারাপ।

    ‘আগেও অনেকে আমার দিকে অস্ত্র তাক করেছে,’ বলল রানা। তবে গুলি করত না এরা। আগেই বলেছে, ঝামেলা চায় না। অস্ত্র রেখেছে ভয় দেখাবার জন্যে। হয়তো ভেতরে গুলিই নেই।’

    ধিরে নিলাম তোমার কথাই ঠিক,’ বলল জোসেফ। ‘তো এবার কী করব আমরা?

    ‘সময় লাগবে ওদের ফিরতে,’ বলল রানা। ‘তোমরা বরং বাড়ি ফিরে যাও। বাচ্চারা অপেক্ষা করছে।’

    ‘রেখে যাব তোমাকে জঙ্গলে?’ মাথা নাড়ল জোসেফ। ‘এত বড় পশু নই।’

    ‘এরই মধ্যে অনেক উপকার করেছ,’ বলল রানা।

    ‘বাদ দাও তো, রানা,’ বলল এলিসা। ‘আমরাও অপেক্ষা করব। তা ছাড়া, এটাই হয়তো বড়মার সঙ্গে শেষবারের মত দেখা করার সুযোগ। তাঁর সঙ্গে কথা না বলে কোথাও যাব না।’

    ‘যদি সুযোগ দেয় আর কী,’ সন্দেহ নিয়ে বলল জোসেফ। ‘পরিবেশ তো খুব সুবিধের লাগছে না!’

    তিলতিল করে পেরোল আধঘণ্টা। তারপর আরও ত্রিশ মিনিট। হাল ছেড়ে স্ত্রীর দিকে তাকাল জোসেফ। তবে ও কিছু বলার আগেই জঙ্গলের ভেতর থেকে এল শুকনো ডাল ভাঙার মট আওয়াজ।

    চরকির মত ঘুরে ওদিকে তাকাল ওরা।

    আবারও জিপ ঘিরে ফেলল আট দেহরক্ষী। আগের মতই গম্ভীর। জ্বলজ্বল করছে চোখ।

    এগিয়ে এল তাদের দলনেতা।

    তার চোখে চেয়ে ভাবল রানা, জোসেফের কথাই ঠিক। খারাপ সংবাদ দেবে এরা। বলে দেবে, ‘বড়মা মানা করে দিয়েছেন। ফিরে যাও তোমরা।’

    অবশ্য রানা কিছু বলার আগেই মুখ খুলল দলনেতা, ‘বড়মা তোমাদের সঙ্গে দেখা করবেন। এসো।’

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleমাসুদ রানা ৪৬৭ – শকওয়েভ
    Next Article মাসুদ রানা ১৩৩-১৩৪ – চারিদিকে শক্র (দুই খণ্ড একত্রে)

    Related Articles

    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৩৮৫-৩৮৬ – হ্যাকার (দুই খণ্ড একত্রে)

    July 22, 2025
    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫৬ – টপ টেরর

    July 22, 2025
    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫৪ – নরপশু

    July 22, 2025
    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫৩ – ধর্মগুরু

    July 22, 2025
    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫২ – কালো কুয়াশা

    July 22, 2025
    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫১ – মায়া মন্দির

    July 22, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }