Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    মাসুদ রানা ৪৬৪ – স্ট্রেঞ্জার

    কাজী আনোয়ার হোসেন এক পাতা গল্প406 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    স্ট্রেঞ্জার – ২৫

    পঁচিশ

    ‘আসলে, মরিস, মানুষ ভুলেই গেছে যে যুদ্ধের সময় উত্তরের রাজ্যগুলোর চেয়ে নানান দিক থেকে ভাল অবস্থানে ছিল দক্ষিণের কনফেডারেসি,’ বললেন প্রফেসর। ‘বিদ্রোহী আর্মিতে ছিল তরুণ ও যুবকদের বিশাল বাহিনী। তাদের বেশিরভাগই এসেছে দরিদ্র পরিবার থেকে। এদিকের এলাকা ভাল করেই চিনত তারা। সেই ছোটবেলা থেকেই শিকার করে পরিবারের পেট চালাত। ফলে তারা অনায়াসেই হয়ে ওঠে দুর্দান্ত, দুর্ধর্ষ গেরিলা যোদ্ধা। শুধু তা-ই নয়, বোকার মত উত্তর রাজ্যের পদাতিক জেনারেল জর্জ ম্যাকক্লেল্যাণ্ডের ওপর ইউনিয়ান আর্মির দায়িত্ব দেন প্রেসিডেন্ট আব্রাহাম লিঙ্কন। ওটা ছিল চরম ভুল। ওই লোকের চেয়ে সেনাপতি হিসেবে নানান দিক থেকে দক্ষ ছিলেন দক্ষিণের জেনারেল স্টোনওয়েল জ্যাকসন, নাথান বেডফোর্ড ফরেস্ট বা রবার্টস ই. লি। ফলে যুদ্ধের শুরুর দিকে একের পর এক সফলতা নিজেদের ঝুলিতে পুরল দক্ষিণের রাজ্য। যেমন আঠারো শ’ একষট্টি সালের বুল রানের প্রথম যুদ্ধে ইউনিয়ান আর্মিকে হতভম্ব করে দেয় তারা। পরের কয়েক বছর সাধারণ মানুষ ধরে নেয়, এ যুদ্ধে নির্ঘাত হারবে উত্তর রাজ্যের ইউনিয়ান।’

    চুপ হয়ে ভুরু কুঁচকে কী যেন ভাবলেন ম্যাকগাইভার, তারপর বললেন, ‘তবে আমাদের মনে রাখতে হবে, সাধারণ কোনও যুদ্ধ ছিল না ওটা। ব্রিটিশ সাম্রাজ্যবাদীদের কাছ থেকে স্বাধীনতা অর্জনের বিষয় ছিল না। ইতিহাসের পাতায় যা-ই লেখা হোক, আসলে ওই যুদ্ধের ফলে বদলে যায় এ দেশের মানুষের ভবিষ্যৎ। আমরা হয়ে উঠি অন্য ধরনের মানসিকতার মানুষ। দক্ষিণ যদি স্বাধীন দেশ হিসেবে টিকে যেত, ভাগ হয়ে আজকের আমেরিকায় থাকত একেবারেই ভিন্ন মানসিকতার দুটো জাতি। ফলে উনিশ ও বিংশ শতকে একের পর এক যুদ্ধে বিপর্যস্ত হতো উত্তর এবং দক্ষিণ অঞ্চল। হয়তো কখনওই দুনিয়ার সবচেয়ে ক্ষমতাশালী দেশ হতো না আমেরিকা। আর তার ফলে অন্যরকম হতো নানান দেশের গ্লোবাল রাজনীতি এবং অর্থনীতি।’

    কফিতে চুমুক দিয়ে টেবিলে মগ রাখলেন প্রফেসর। ‘এবার মূল কথায় আসি। উত্তরদিকের রাজ্যগুলোয় ছিল অনেক বেশি মানুষ, তার ওপর ওরা ছিল শিল্পোন্নত। ফলে দক্ষিণের রাজ্যগুলো প্রথমদিকে যুদ্ধে ভাল করলেও উত্তরের আধুনিকায়নের কারণে নানানদিক থেকে পিছিয়ে পড়ে তারা। আঠারো শ’ চৌষট্টি সালে দক্ষিণের রাজ্যগুলোর ভেতর শুরু হলো পর্যাপ্ত সম্পদের ভাটা। সে সময়ে ইউনিয়ান আর্মি পেল দক্ষ এক কমাণ্ডার-ইন-চিফ। তিনি ছিলেন জেনারেল ইউলিসিস এস. গ্র্যাণ্ড। দুর্দান্ত লড়াই শুরু করলেন তিনি। সবার মনে জুগিয়ে দিলেন আত্মবিশ্বাস। সবাই বুঝে গেল, এই অসাধারণ সেনাপতির রণকৌশলের জন্যে শেষপর্যন্ত যুদ্ধে বিজয়ী হবে উত্তরের রাজ্যগুলো। এদিকে মন ভেঙে গেল দক্ষিণের বিশৃঙ্খল সৈনিকদের। তা ছাড়া, যথেষ্ট পরিমাণে খাবার, অস্ত্র বা গোলাগুলিও ছিল না তাদের কাছে। দক্ষিণের মানুষ যুদ্ধের প্রতি পদে বুঝতে লাগল, ঘনিয়ে এসেছে চরম পরাজয়। তার ওপর, নানাদিক থেকে বন্ধুরাষ্ট্র ফ্রান্সের সাহায্য পাবে ভেবেছিল দক্ষিণের নেতারা। কিন্তু তারা মুখ ফিরিয়ে নেয়ায় যুদ্ধে জেতার শেষ আশাও মিলিয়ে গেল। অসহায় হয়ে পড়ল দক্ষিণের রাজ্যগুলো। যুদ্ধের কারণে দাউ-দাউ করে পুড়ছে তাদের একের পর এক শহর। খাবার নেই যে পেট ভরাবে কেউ। ভুট্টার ফসলহীন ফাঁকা মাঠে পড়ে থাকল দশ হাজারেরও বেশি মৃত মানুষ। দক্ষিণের রাজ্যের ক্ষমতাশালীরা বুঝল, এ ভয়াবহ পরিবেশে জরুরি ভিত্তিতে দ্রুত কিছু করতে হবে।’

    ক’মুহূর্ত বিশ্রাম নিয়ে মুখ খুললেন প্রফেসর, ‘একটা বাস্তব সত্য হচ্ছে: যুদ্ধের সময়ে নানান ষড়যন্ত্রমূলক প্লট গজিয়ে ওঠে মানুষের মগজে। যেমন, ঠিক করা হয়েছিল, খুন করা হবে আব্রাহাম লিঙ্কনকে। যদিও পরে তা সম্ভব হয়নি। যাক গে, যুদ্ধে হারছেন বলে গোপনে কনফেডারেট আর্মির ক’জন কমাণ্ডার কথা বলেন লুইযিয়ানার নামকরা এক জমিদারের সঙ্গে। ওই লোক ছিল টেক্সাসের মানুষ। নাম ডক্টর উইলিয়াম এফ. নোভাক। তার প্ল্যান্টেশন ছিল এই ক্লোভিস প্যারিশেই।’

    নোভাক নামটা শুনেই সতর্ক হয়েছে রানা। দু’একদিনের ভেতর শুনেছে নামটা, যদিও মনে পড়ল না, কে বলেছে।

    ‘অদ্ভুত স্বভাবের লোক ছিল উইলিয়াম এফ. নোভাক, ‘ বললেন ম্যাকগাইভার, ‘খুবই উচ্চাকাঙ্ক্ষী ব্যবসায়ী। আজকের হিসেবে তার ছিল অন্তত এক শ’ মিলিয়ন ডলারেরও বেশি সম্পত্তি ও সম্পদ। কথাটা ভুলও হতে পারে। হয়তো বিলিয়নেয়ারই ছিল সে। তবে তার বিজ্ঞান বিষয়ক দক্ষতা এবং ডাক্তারি বিদ্যার কারণে হয়ে ওঠে ভয়ঙ্কর এক ষড়যন্ত্রের মূল চালক। ওই পরিকল্পনা সফল হলে চরম পরিণতি হতো ইউনিয়ান আর্মির। অফিশিয়ালি ওই কুকীর্তির অনুমোদন দিত না কনফেডারেটদের ওপরমহল। তবে বাধ্য হলে কী-ই না করে মানুষ! যুদ্ধের সময় সাধারণ সব মানবিক রীতি-নীতি হারিয়ে বসে সবাই। যদিও শেষতক যুদ্ধের ময়দানে করা হয়নি সেই মারাত্মক অন্যায়।’

    প্রফেসরের কফির মগ খালি। ওটা টেবিলে রেখে খক-খক করে কাশতে লাগলেন তিনি। একটু পর কাশির দমক সামলে নিয়ে বললেন, ‘এক্সকিউয মি। গত ক’বছর এত কথা বলিনি। একেবারে শুকনো কাঠের গুঁড়ো হয়ে গেছে গলাটা।’

    ‘আপনাকে একগ্লাস পানি দেব, প্রফেসর?’ নরম সুরে জানতে চাইল এলিসা।

    কথাটা শুনে চেহারা বিকৃত করলেন প্রফেসর। তাঁর ভাব দেখে রানার মনে হলো, বিষ খাইয়ে দেয়া হয়েছে তাঁকে তর্জনী তুলে একটু দূরের কাবার্ড দেখালেন। ‘তোমার মঙ্গল হোক, মিসেস গুডরিচ, তবে পানি নয়, আমার চাই ওটার ভেতরের জিনিস।’

    এলিসা গিয়ে কাবার্ড খুলতেই রানা দেখল, ভেতরে সারি দিয়ে রাখা অন্তত বিশটা উইস্কির বোতল। কাবার্ডের দিকে মগ বাড়িয়ে দিলেন প্রফেসর। চেহারায় অনিচ্ছা নিয়ে একটা বোতলের ছিপি খুলে কানায় কানায় মগটা ভরে দিল এলিসা। ঠোটের কাছে মগ নিয়ে সোনালি তরলে লম্বা চুমুক দিলেন প্রফেসর। ‘আহ্! কী শান্তি! এবার আগের কথায় ফেরা যাক। আমি যেন কোথায় ছিলাম?’

    ‘নোভাকের পরিকল্পনা সফল হলে ভয়ঙ্কর পরিণতি হতো ইউনিয়ান আর্মির,’ খেই ধরিয়ে দিল রানা। বুঝতে পারছে, জরুরি কিছু বলবেন প্রফেসর। তবে নতুন করে উইস্কি গিলতে শুরু করেছেন তিনি। জরুরি তথ্যটা জানাতে গিয়ে কতটা সময় নেবেন, তা বোঝার উপায় নেই।

    আরেক ঢোক উইস্কি গিলে রানাকে দেখলেন প্রফেসর। ‘মরিস, বলো তো, আসলে কতটা জানো বায়োলজিকাল ওঅরফেয়ার সম্পর্কে?’

    বিস্ময় লুকিয়ে বলল রানা, ‘অতি সামান্য।’

    ‘উইলিয়াম এফ. নোভাক ও তার সঙ্গীরাও বেশি কিছু জানত না। তবে এটা বুঝে গিয়েছিল, যেভাবেই হোক যুদ্ধে জিততে হবে। ন্যায় বা অন্যায়ের কথা তারা ভেবে দেখেনি। আঠারো শত চৌষট্টি সালেও পুরনো বিষয় ছিল না বায়োলজিকাল ওঅরফেয়ার। আগেও বহুবার রোগাক্রান্ত মানুষ বা প্রাণীকে নেয়া হয়েছে শত্রু এলাকায়, যাতে রোগে ভুগে কাবু হয় শত্রুপক্ষ। অবরুদ্ধ শহরের পানি সরবরাহে মেশানো হয়েছে বিষ বা ক্ষতিকর রাসায়নিক পদার্থ। মধ্যযুগে শত্রু-নগরীর প্রাচীরের বাইরে থেকে ক্যাটাপল্ট দিয়ে দুর্গের ভিতরে ছুঁড়ে ফেলা হতো প্লেগে মরা মানুষের দেহ। রোগের জীবাণুর আক্রমণে মারাও গেছে হাজার হাজার মানুষ। ধারণা করা হয়, রেড ইণ্ডিয়ানদের পরাজিত করতে তাদের এলাকায় গুটি বসন্ত ভরা কম্বল ফেলেছিল কলোনিস্ট ব্রিটিশ আর্মি। তাদেরই এক হারামি ব্রিটিশ কমাণ্ডার-ইন-চিফের নাম ব্যারন জেফরি আমহার্স্ট। পরে কুইবেক এলাকার গভর্নর হয় সে। তার অধীনস্থ এক লোকের কাছে চিঠিতে লেখে সে: ‘অভিশপ্ত নীচজাতির মানুষগুলোকে সম্পূর্ণ ধ্বংস করতে হবে।’ তার মতলব খুব পরিষ্কার ছিল। তার কিছু দিনের ভেতর রোগে ভুগে মরল অন্তত পাঁচ লাখ রেড ইণ্ডিয়ান।’

    ‘এ তো গণহত্যা,’ তিক্ত স্বরে বলল এলিসা।

    ‘অবাক হওয়ার কিছু নেই, ম্যাম,’ বললেন প্রফেসর। ‘মানুষ আসলে এমনই হারামি প্রাণী। এই ধরনের প্লেগ বা রোগ ছড়িয়ে দেয়ার ব্যাপারটা মাথায় রেখেছিল ডক্টর নোভাক। তার এক সহকর্মীর কাছ থেকে জেনেছিল, প্রচণ্ড কলেরা মহামারি চলছে বারমুডা এলাকায়। মারা পড়ছে হাজার হাজার মানুষ। কাজেই তাদের পোশাক সংগ্রহে নামে সে। সবই রাখা হয়েছিল বিশেষভাবে তৈরি বায়ুরোধক কাঠের পিপেতে। ঠিক করা হয়, এসব মারণাস্ত্র পৌঁছে দেয়া হবে টেক্সাসের গ্যালভেস্টন বন্দরে। ওটাই ছিল নোভাকের জন্মস্থান। সংক্রমিত কাপড়চোপড় সংগ্রহে কনফেডারেটদের একটা দল জাহাজ নিয়ে যায় বারমুডায়। কলেরার জীবাণু সংগ্রহ করে দক্ষিণ সাগরে ইউনিয়ান ফ্লিটকে ফাঁকি দিয়ে পৌছুত উত্তরদিকের নিউ ইয়র্ক, বস্টন, শিকাগো আর ওয়াশিংটনে। তা পারলেই ওসব শহরে সাধারণ মানুষের ব্যবহৃত জলাধারে জীবাণু মিশিয়ে দিত কনফেডারেটরা।’

    কিছুক্ষণ চুপ করে থেকে তৃষ্ণার্তের মত তিন ঢোক উইস্কি গিললেন প্রফেসর ম্যাকগাইভার। আবারও শুরু করলেন, ‘ভাবতে পারো, উত্তরদিকের রাজ্যগুলোর প্রাণকেন্দ্রে হঠাৎ করেই দাবানলের মত ছড়িয়ে গেছে মৃত্যুবাহী রোগ? সে আমলে কয়েকটা রোগের ভেতর অন্যতম ছিল কলেরা। উপনিবেশ করার সময় ব্রিটিশ আর্মি যে ক্ষতি করেছিল রেড ইণ্ডিয়ান উপজাতির, তার অন্তত দশগুণ মহামারি তৈরি করত ডক্টর নোভাক। বিপর্যস্ত হতো ইউনিয়ান আর্মির শক্তিশালী সব ঘাঁটি। বলা যায় না, হয়তো পটাপট মরত উত্তরদিকের সরকারের বড় পদের ক্ষমতাশালী লোকজন। ফলে অনেক দুর্বল হতো ইউনিয়ান আর্মি। আর সেই সুযোগে নিজেদেরকে সামলে নিত দক্ষিণের সরকার। নতুন করে উত্তরের রাজ্যে হামলা করত তাদের আর্মি। হয়তো বদলে যেত ইউএসএ-র ভবিষ্যৎ। … কী বুঝলে, বুঝলে, মরিস?’

    আনমনে মাথা নাড়ছে এলিসা ও জোসেফ। মুখ শুকিয়ে গেছে কিশোর রনের। কী ঘটত, বুঝতে পেরেছে রানা। মূল বিষয়ে যেতে চাইল ও, ‘এসবের ভেতর কীভাবে জড়িয়ে গেল শেলি লং ল্যান্স?’

    ‘এবার সে কথাই বলব। সাধারণ এক ক্রীতদাসী ছিল সে। কাজ করত নোভাকের তুলার প্ল্যান্টেশনে। কাজের মেয়ে হিসেবে থেকেছে নোভাকের রাজপ্রাসাদের মত বাড়ি থাউয্যাণ্ড ওক-এ। ধারণা করা হয়, শেলির যখন নয় বছর বয়স, সেসময়ে ডিপথেরিয়ায় মারা গিয়েছিল তার মা। বাবা মরে টিটেনাসের সংক্রমণে। সে সময়ে খুব খারাপ পরিবেশে প্ল্যান্টেশনে বাস করত ক্রীতদাসরা। তাদের গড় আয়ুও ছিল খুব কম। তিরিশ বছর পেরোেত না কেউ। তবে নানান রোগ থেকে বেঁচে গেল শেলি লং ল্যান্স আর তার বোন।’

    ‘জিলিয়ান লং ল্যান্স,’ বলল রানা। ‘শেলির যমজ বোন।’

    মাথা দোলালেন প্রফেসর ম্যাকগাইভার। ‘সে আমলে খাবারের প্রচণ্ড অভাব ছিল ক্রীতদাসদের। তাদের ভেতর খুব কম পরিবারেই যমজ সন্তান হতো। আর যারা জন্মাত, তাদের বেশিরভাগই মরত শিশু বয়সেই। পনেরো বা ষোলো বছর বয়সে জিলিয়ান রয়ে গেল প্ল্যান্টেশনে। আর ম্যানশনের গৃহস্থালী কাজের জন্যে নেয়া হলো তার বোনকে। পদোন্নতিই বলা চলে। রান্না করা, ঘর গোছানো, টেবিলে খাবার দেয়া… কাজের শেষ ছিল না শেলির। নোভাক কখনও তাকে ভোগ করেছে কি না, তা আমরা জানতে পারিনি। তবে ইতিহাসবিদরা লিখেছেন, বুদ্ধিমতী, চটপটে মেয়ে ছিল শেলি লং ল্যান্স। যে-কোনও কাজে ভরসা রাখা যেত তার ওপর। অনুগত এমন ক্রীতদাস-দাসীদেরকেই পছন্দ করত বড়লোকরা। শেলির ছিল অদ্ভুত এক গুণ। একবার কিছু শুনলে গড়গড় করে সব রিপিট করতে পারত। তার নেমোনিক স্মৃতিশক্তি আর ওই গুণ কাজে লাগল এক দুপুরে। তখন লাঞ্চের পর গোপন মিটিং করছিল নোভাক ও কয়েকজন কনফেডারেট আর্মি অফিসার। এ থেকে বুঝে নাও, ক্রীতদাস বা ক্রীতদাসীদেরকে কতটা মানুষ বলে গণ্য করত শ্বেতাঙ্গরা। আর, সেজন্যেই নোভাক ভাবতেও পারেনি মিটিঙে তাদের বলা সব কথা মন দিয়ে গিলছে শেলি।’

    হঠাৎ টেবিলে লাফিয়ে উঠল কালো একটা বেড়াল। প্রফেসরের মগে গা ঘষতে শুরু করতেই ঠেলে ওটাকে সরিয়ে দিলেন ম্যাকগাইভার। নতুন করে বোতল থেকে মদ ভরে নিলেন মগে। খুব দ্রুত খালি হচ্ছে উইস্কির বোতল। আবারও বলতে লাগলেন তিনি, ‘শেলি লং ল্যান্স যে শুধু বুদ্ধিমতী ছিল, তা-ই নয়, খুব সাহসীও ছিল। ভাল করেই বুঝেছিল, এরপর কী ঘটবে যুদ্ধের ময়দানে। তখনই ঠিক করে ফেলল, যোগাযোগ করবে ইউনিয়ান আর্মির কোনও অফিসারের সঙ্গে। আমরা জানি না, কীভাবে সে তথ্য পাচার করে। তবে এটা ধরে নেয়া যায়, এক বা দুই সপ্তাহের ভেতর কিংবদন্তির পিঙ্কারটন ডিটেকটিভ এজেন্সির কোনও আণ্ডারকাভার এজেন্টের সঙ্গে কথা বলে সে। ওই লোক আবার লিঙ্কনের হয়ে গোপন তথ্য সংগ্রহের জন্যে ঘুরে বেড়াচ্ছিল দক্ষিণের এলাকায়। গৃহযুদ্ধের সময় এমন শত শত গুপ্তচর ছিল দুই পক্ষেরই। সব যুদ্ধেই এমন হয়। দক্ষিণে যেমন ছিল কুখ্যাত গুপ্তচর বেলে বয়েড। একইভাবে ইউনিয়ানকে টিকিয়ে রাখতে গুপ্তচরদের ওপর নির্ভরশীল ছিল উত্তরের রাজ্যগুলো।

    ‘যাই হোক, এরপর ঘটতে লাগল একের পর এক ঘটনা। ওদিকে নোভাকের জাহাজ রয়েছে বারমুডার তীরে। ওটাতে তোলা হয়েছে জীবাণু ভরা পিপে। এদিকে আব্রাহাম লিঙ্কনের কানে গেল শেলির কাছ থেকে পাওয়া তথ্য। ভীষণ ভয় পেলেন লিঙ্কন। দেরি না করে নোভাকের জাহাজটা খুঁজে বের করে পুড়িয়ে বা ডুবিয়ে দেয়ার জন্যে ইউনিয়ান নেভির চারটে ফ্রিগেট পাঠিয়ে দিলেন তিনি। বাহামার উপকূলে নোভাকের জাহাজ পৌঁছুবার আগেই ধ্বংস করে দেয়া হলো ওটা। সেসময়ে আবার রেড রিভার ক্যাম্পেইন শুরু করল ইউনিয়ান আর্মি। আঠারো শ’ চৌষট্টি সালের মে মাসে তারা ঢুকল লুইযিয়ানার অনেক গভীরে। বড় একটা ডিটাচমেন্টকে পাঠানো হলো ক্লোভিস প্যারিশে। যেহেতু আইন অনুযায়ী কোনও কনফেডারেট নাগরিককে কোর্ট মার্শাল করতে পারবে না ইউনিয়ান আর্মি, তাই ওই দলকে হুকুম দেয়া হলো নির্দিষ্ট এস্টেটে গিয়ে গোপনে নোভাককে হত্যা করতে। ওই একই দিনে পুড়িয়ে ছাই করে দেয়া হলো ভিলেনিউভ শহর। ইউনিয়ান আর্মির বিশেষ একটি দল গেল নোভাকের বাড়ি থাউয্যাণ্ড ওক-এ। কামানের আঘাতে বিধ্বস্ত হলো বিশাল ম্যানশন। ওই হামলায় মারা পড়ল নোভাকের বিশ্বস্ত ক’জন কর্মচারী এবং ফোরম্যান। আগুন ও ধোঁয়ার ভেতর খুঁজতে গিয়ে ইউনিয়ান আর্মি বুঝল, কোনও এক সুযোগে পালিয়ে গেছে উইলিয়াম এফ. নোভাক। সে ইউনিয়ানের বিরুদ্ধে ভয়ঙ্কর অশুভ পরিকল্পনা করেছিল বলে মাটির সঙ্গে মিশিয়ে দেয়া হলো তার এস্টেট আর প্ল্যান্টেশন।’

    ‘ওই জায়গা দেখেছি,’ বলল জোসেফ। ‘ওখানে আছে শুধু ভাঙাচোরা ইঁট আর পাথরের ধ্বংসাবশেষ।’

    ‘এরপর শেলির কী হলো?’ জানতে চাইল রানা।

    ‘শোনা যায় শেলিকে উত্তরের কোনও রাজ্যে সরিয়ে নেয়ার নির্দেশ দেন আব্রাহাম লিঙ্কন। মেয়েটার সাহসের জন্যে পুরস্কারও দিতে চান। কিন্তু ক্লোভিস প্যারিশ ছেড়ে বোনকে ফেলে কোথাও যেতে রাজি হয়নি শেলি। তার ইচ্ছেকে সম্মান দেখানো হয়। তবে পরে করুণভাবে মারা যায় সে। নোভাক তো পালিয়ে গিয়েছিল, কিন্তু তার আগে বাড়ির ছাত ধসিয়ে কামানের গোলা পড়লে পঙ্গু হয় সে। আরেকটু হলে পিষে যেত। যেভাবেই হোক পালিয়ে তো গেল, ওদিকে নতুন নির্বাচিত সরকারের তরফ থেকে কেড়ে নেয়া হলো তার সব সম্পত্তি ও সম্পদ। ভয়ানক অপরাধ করতে যাচ্ছিল বলে এমন কী দক্ষিণের মানুষও মন্দ কথা বলতে লাগল নোভাকের বিরুদ্ধে। আর যাই হোক, নিরীহ মানুষকে গণহারে হত্যার ব্যাপারটাকে ভাল চোখে দেখেনি কেউ।

    ‘এরপর কিসেচি হিলের জঙ্গলে লুকিয়ে থাকল অসুস্থ নোভাক। পরে বিয়ে করলে তার একটা ছেলেও হলো। অনেকে বলে, তখনও নোভাককে ঘিরে রাখত চরমভাবে বঞ্চিত একদল বিদ্রোহী। তারা হয়ে ওঠে গলাকাটা ডাকাত শপথ করে, একদিন প্রতিশোধ নেবে কালো কুত্তীর ওপর।’ চট করে এলিসাকে দেখলেন প্রফেসর। ‘মাফ করবে, ম্যাম। ওটাই ছিল তাদের মুখের ভাষা।’

    ‘তারা বাজে লোক ছিল, আপনি যে নিজে থেকে খারাপ কিছু বলছেন না, তা বুঝতে পেরেছি,’ মৃদু হাসল এলিসা।

    ‘নোভাক ভাল করেই বুঝেছিল, শেলি লং ল্যান্সের জন্যেই এত বড় শাস্তি পেয়েছে সে,’ বললেন প্রফেসর।

    ‘কাজেই গোপন আস্তানা থেকে শেলির ওপর হামলা করল সে বা তার লোক?’ যা বুঝবার বুঝে গেছে রানা।

    ‘চরম প্রতিশোধ নেবে এটাই তো স্বাভাবিক,’ বললেন প্রফেসর। ‘ওরা তো অমানুষ ছিল।’

    ‘এরপর আঠারো শ’ তিয়াত্তর সালে সেইবার দিয়ে খুন করা হলো শেলি লং ল্যান্সকে,’ কথা শেষ করল রানা।

    ‘তার এক সঙ্গী উপহার দিয়েছিল উইলিয়াম এফ. নোভাককে ওই তলোয়ার। ওটা দিয়েই খুন করা হয় শেলিকে। কৃষ্ণাঙ্গরা দোষ দিল নোভাককে। তবে আইন- শৃঙ্খলা বাহিনীর তরফ থেকে কোনও অভিযোগ তোলা হলো না লোকটার বিরুদ্ধে।’

    ‘শেলি কি বিয়ে করেছিল?’ জানতে চাইল রানা।

    ‘হ্যাঁ। ওরই মত মুক্তি পাওয়া এক ক্রীতদাসকে বিয়ে করেছিল। সেই লোকের নাম ছিল জোনাথন স্মিথ। দুটো ছেলেমেয়ে হয় তাদের।’

    ‘তাদের এই দুই সন্তানের কী হলো?’

    ‘জানি না, বললেন প্রফেসর। ‘জোনাথন স্মিথ আর তার বাচ্চারা শেলির মত খুন হয়েছিল কি না, ইতিহাসে উল্লেখ নেই। তাদের মতই মানুষের মন থেকে হারিয়ে গেছে নোভাকের চিহ্নও। আর কখনও তাকে দেখতে পায়নি কেউ।’

    গলা পর্যন্ত মদ গিলে বসে বসে টলছেন প্রফেসর জ্যাক ম্যাকগাইভার। প্রায় ফুরিয়ে গেছে বোতল। ভারী হয়েছে তাঁর কণ্ঠস্বর। বারবার বুজে ফেলছেন চোখের পাতা। এখন পর্যন্ত যা শুনেছে, চুপচাপ হজম করছে রানা, এলিসা, জোসেফ আর রন। বোতলের শেষ দুই ঢোক মদ গলায় ঢাললেন প্রফেসর। শুরু হয়েছে একের পর এক বড় বড় হিক্কা।

    ‘যা বলেছি, ঠিক তাই লিখেছে ইতিহাসের বাচ্চারা। এর বেশি আর কিচ্ছু জানি না। জানব কী করে? আমি তো এক বিভ্রান্ত, ভ্রষ্ট-পণ্ডিত। লোকে লোকারণ্য গির্জায় গুরুগম্ভীর প্রার্থনার সময়ে ঠিক মাঝখানে বসা এক দুষ্ট ছেলের পুট করে দুর্গন্ধ ছেড়ে দেয়া বাতাস আমি। বুঝলেন না?’

    এই পর্যন্ত বলেই টেবিলে মাথা রেখে ঘুমিয়ে পড়লেন জ্ঞানী প্রফেসর!

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleমাসুদ রানা ৪৬৭ – শকওয়েভ
    Next Article মাসুদ রানা ১৩৩-১৩৪ – চারিদিকে শক্র (দুই খণ্ড একত্রে)

    Related Articles

    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৩৮৫-৩৮৬ – হ্যাকার (দুই খণ্ড একত্রে)

    July 22, 2025
    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫৬ – টপ টেরর

    July 22, 2025
    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫৪ – নরপশু

    July 22, 2025
    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫৩ – ধর্মগুরু

    July 22, 2025
    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫২ – কালো কুয়াশা

    July 22, 2025
    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫১ – মায়া মন্দির

    July 22, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }