Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    মাসুদ রানা ৪৬৪ – স্ট্রেঞ্জার

    কাজী আনোয়ার হোসেন এক পাতা গল্প406 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    স্ট্রেঞ্জার – ৪১

    একচল্লিশ

    রহস্যজনক ফোনকল পাওয়ার পৌনে পাঁচ ঘণ্টা পর চিটিমাচা থেকে বিশ মাইল দূরে একটা ফোর্ড টরাস গাড়ির প্যাসেঞ্জার সিটে বসে আছে মাসুদ রানা। একটু দূরেই পরিত্যক্ত পেট্রল পাম্প। ওটার জিপিএস লোকেশন দিয়েছে এবি পামবোর দেহরক্ষীদের নেতা চার্লস। একটা ঝোপের আড়াল থেকে পেট্রল স্টেশনের ওপর চোখ রেখেছে রানা। ধীরে ধীরে ফর্সা হয়ে উঠছে পুবাকাশ।

    এখানে পৌছুতে গিয়ে সারারাত বাইয়ুর মাঝ দিয়ে এগিয়েছে রানা। এখন বিশ্রাম নেয়ার ফাঁকে ভাবছে, সত্যিই কি কোনও লাভ হবে এত দূরে ছুটে এসে? কী ধরনের তথ্য দেবেন এবি পামবো? আচ্ছা, এই যে ভাগ্যগুণে টরাস গাড়িটা পেয়ে যাওয়া— এতে ওই জাদুর রানীর হাত নেই তো?

    গভীর রাতে এই ঝরঝরে টরাস গাড়িটা পেট্রল পাম্পে রেখে পায়ে হেঁটে বাড়ি ফিরছিল ইঁদুরমুখো এক মুশকো লোক। এলোমেলো পা পড়ছে দেখে রানা বুঝল, বন্ধুদের সঙ্গে আকণ্ঠ মদ গিলে পুরো মাতাল হয়ে ঘরে ফিরছে ব্যাটা। এক শত ডলারের একটা নোট বাড়িয়ে ধরে রানা গাড়িটার প্যাসেঞ্জার সিটে কিছুক্ষণ বসার অনুমতি চাওয়ায় আপত্তি তো করেইনি, বিনা দ্বিধায় গাড়ির চাবিটা ওর হাতে ধরিয়ে দিয়ে টাকা না নিয়েই টলতে টলতে চলে গেছে বাড়ির পথে। ঘুম ভাঙলে বোধহয় কিছুই মনে পড়বে না মাতালটার।

    ভোর সোয়া ছয়টায় দেখা হবে রানা ও এবি পামবোর। গাড়িটা নিয়ে কাঁচা রাস্তা থেকে একটু দূরে ঝোপঝাড়ে ভরা টিলার আড়ালে বসে পেট্রল স্টেশনের ওপর চোখ রেখেছে ও। যদিও আগেই এখানে পৌঁছে আশপাশে ঘুরে বুঝেছে ও ফাঁদ পাতা হয়নি। তা ছাড়া, মহিলার সঙ্গে কথা বলে তাঁকে চিটিংবাজ বলেও মনে হয়নি রানার।

    টিলার ওপর থেকে দেখা যাচ্ছে বহু দূর।

    থম মেরে কালো একটা মরা সাপের মত পড়ে আছে অব্যবহৃত নির্জন রাস্তা। এদিকে কেউ নেই বলেই এই জায়গাটা বেছে নিয়েছেন এবি পামবো।

    ঠিক ছয়টা বাজতেই দূরে কালো একটা স্টেশন ওয়্যাগন দেখল রানা। পেছনে উড়ছে একরাশ ধুলো। ধীরগতি তুলে পেট্রল স্টেশনের অকেজো পাম্পের সামনে থামল গাড়িটা। খুলে গেল ড্রাইভারের দরজা। ভেতর থেকে নেমে এল এক লোক।

    চোখে বিনকিউলার তুলে তাকে দেখল রানা। যা ভেবেছে, হাজির হয়েছে বড়মার দেহরক্ষীদের দলনেতা চার্লস। তবে কেউ নেই তার সঙ্গে। পরনে সাদা শার্ট, কালো টাই আর কালো ক্যাপ। সুটও কালো রঙের।

    দ্বিতীয়বার আরও মন দিয়ে গাড়িটা খেয়াল করল রানা। এটা সাধারণ কোনও স্টেশন ওয়্যাগন নয়। আমেরিকানরা ওই জিনিস ব্যবহার করে লাশ বহনের কাজে!

    সূর্যের কাঁচা রোদে চকচক করছে পুরনো গাড়িটা।

    ওকে মেরে নিয়ে যাওয়ার জন্যে এল নাকি লোকটা, ভাবল রানা। মনে হয় না। যদিও স্পষ্ট দেখা যাচ্ছে, পেছনের কম্পার্টমেন্টে রাখা আছে একটা কফিন।

    টিলার আড়াল থেকে বেরিয়ে করোনারের গাড়ির পাশে থামল রানা। ওর দিকে এগিয়ে এল কুচকুচে কালো চার্লস।

    ‘আমি তো ভেবেছি বড়মা নিজেই আসবেন,’ বলল রানা। ‘তা, আপনি একা এলেন যে?’

    ‘আপনাকে নিয়ে যাওয়ার জন্যে,’ কফিনবাহী গাড়িটা দেখাল চার্লস।

    ‘খুব অস্বাভাবিক গাড়ি। আপনি কি নানান জায়গায় লাশ পৌঁছে দেন?’

    মাথা নাড়ল চার্লস। ‘না, এটা আমার চাচাত ভাই জিমির। সে একজন করোনার।’

    ‘কফিনের ভেতর লাশ আছে?’ জানতে চাইল রানা।

    ‘না। আপনি ওখানে শোবেন।’

    ‘ঠাট্টা করছেন?’

    ‘না। গোটা প্যারিশ জুড়ে আপনাকে খুঁজছে পুলিশের লোক, রানা। কিন্তু মনে হয় না তারাও কফিনের ডালা তুলে লাশ দেখতে চাইবে।’

    দীর্ঘশ্বাস ফেলল রানা। ‘দিনের শুরুতেই লাশ হতে বলছেন?’

    কাঁধ ঝাঁকাল চার্লস। ‘আপাতত লাশ হওয়াই ভাল। সোজা পৌঁছে যাবেন বড়মার কাছে। তাতে যদি রাজি না থাকেন, তো বলে দিন, খালি বাক্স নিয়ে বিদায় হই।’

    পুরো তিন শ’ ষাট ডিগ্রি ঘুরে চারপাশ দেখল রানা। আগের মতই ফাঁকা রাস্তা। এমন কেউ নেই যে দেখবে স্বেচ্ছায় কফিনে উঠছে একটা লাশ। কয়েক মুহূর্ত দ্বিধা করে লাশবাহী গাড়ির পেছনে থামল রানা। ডালা ধরে টান দিতেই ঘড়ঘড় শব্দে রোলারে ভর করে বেরিয়ে এল কফিন। ওটার ঢাকনি তুলে ভেতরে তাকাল রানা। চারদিকে সাটিনের সাদা ধবধবে লাইনিং। চার্লসের দিকে তাকাল। ‘ভেতরে বাতাস ঢোকার পথ আছে, নাকি আসল লাশের মতই আমাকে চিরকালের জন্যে শ্বাস আটকে থাকতে হবে?’

    ‘দেখতে যেমনই হোক, হাওয়া ঢোকার পথ আছে,’ বলল চার্লস।

    কাঁধ ঝাঁকাল রানা। ‘ঠিক আছে, আপনাকে বিশ্বাস করছি। তবে পরে যদি দেখি মিথ্যা বলেছেন, তখন কিন্তু অন্য লোক খুলে দেখবে ওখানে চিরকালের জন্যে শুয়ে আছেন আপনি। কথা বুঝতে পেরেছেন?’

    মৃদু হাসল চার্লস। ‘ভয় নেই। নিশ্চিন্তে ভেতরে ঢুকে শুয়ে পড়ন। ভাবতে থাকুন মরে গেছেন। হাতে বেশি সময় নেই। ঠিক সময়ে পৌছুতে হবে বড়মার ওখানে।’

    উদাস ভঙ্গি নিয়ে কফিনে ঢুকে শুয়ে পড়ল রানা। কিছু বলার আগেই ধুপ্ করে বন্ধ হলো ডালা। কফিনের ভেতরে থলথলে গদি। কোনও বাজে গন্ধ নেই। রানা টের পেল, সরসর করে গাড়ির ভেতরে কফিন পাঠিয়ে দিল চার্লস। ধুপ্ শব্দে বন্ধ হলো গাড়ির পেছন-দরজা। কয়েক মুহূর্ত পর চাপা আওয়াজ তুলল ইঞ্জিন। দুলে উঠে রওনা হলো দীর্ঘ গাড়িটা।

    জেনেবুঝে কফিনে শুয়ে শেষকৃত্যের জন্যে চলেছে এমন আর কাউকে দেখেনি রানা। অনুভূতিটা মোটেও স্বস্তিকর নয়। তবে কফিনটা আরামদায়ক। গদির ভেতরে রয়েছে এয়ার কুলারের ডাক্ট। ঠাণ্ডা বাতাসে শুয়ে একটু পর ঘুম পেল ওর। আর জেগেই বা কী করবে? কিছুই তো করার নেই! হ্যাঁ, সময়টা বিশ্রামের মাধ্যমে পার করাই ভাল। এমনিতেই ভাল করে ঘুমাতে পারেনি গত কয়েকটা দিন। চোখ বুজে বুকের ওপর দুই হাত রেখে মড়ার মতই ঘুমিয়ে পড়ল রানা।

    বেশ কিছুক্ষণ পর ঝাঁকি খেয়ে ভেঙে গেল ওর কাঁচা ঘুম। সরসর করে পেছনদিকে টেনে নেয়া হয়েছে কফিন। চোখ মেলতেই রানা দেখল খুলে গেছে ঢাকনা। ভেতরে এসে পড়েছে কাঁচা রোদ।

    ‘বাহ্! সুদর্শন এক জ্যান্ত লাশ দেখছি!’ চাপা কণ্ঠে বলে উঠলেন বড়মা এবি পামবো।

    উঠে বসল রানা। পুরনো গোরস্তানের ভেতর আছে ওরা। পরিবেশে রয়েছে ভেজা ভেজা একটা ভাব। কবরের এবড়োখেবড়ো সব সমাধি ফলকের ওপর থেকে বাষ্প উঠে মিলিয়ে যাচ্ছে বাতাসে। এটা যেন অন্য কোনও জগতের অন্য কোনও সময়ের চিরদিনের জন্য ভুলে যাওয়া কোনও জায়গা।

    এবি পামবোর পরনে রঙচঙে জোব্বা। কাঁধের ওপর বয়স্কা মহিলা চাপিয়ে নিয়েছেন কয়েকটা শাল। চওড়া ব্রিমের হ্যাট ঢেকে দিয়েছে ধবধবে সাদা, কোঁকড়া চুল। হ্যাটের কারণে কুয়াশা ভরা রোদ পড়ছে না বড়মার মুখে।

    মহিলার সঙ্গে অপেক্ষা করছে দেহরক্ষীদের দু’জন। একটু দূরেই মরা ঘাসের মাঝে ন্যাড়া এক গাছের নিচে পার্ক করা হয়েছে একটা ভ্যান। ওটাতে চেপেই এসেছে এরা। প্রয়োজনে যাতে চট করে দেহরক্ষীর ওপর দেহের ভর রাখতে পারেন এবি পামবো, সেজন্যে তৈরি হয়ে দাঁড়িয়ে আছে লোকদু’জন। তবে জেদ প্রকাশ পেল শতবর্ষী মহিলার মুখে। একহাতে শক্ত করে ধরেছেন গিঠ ভরা দীর্ঘ একটা লাঠি।

    কফিন থেকে লাফিয়ে নেমে এল রানা। ‘গুড মর্নিং, বড়মা।’

    ‘আবারও জন্ম নিয়ে কেমন লাগছে, বাছা?’ গাল কুঁচকে হাসলেন বৃদ্ধা। দিনের আলোয় তাঁকে আরও বেশি বয়স্কা লাগছে। মুখের ত্বকে হাজার হাজার ভাঁজ। যদিও অদ্ভুত এক আগুন জ্বলছে বৃদ্ধার চোখে।

    ‘দ্বিতীয়বার বাঁচলে যেমন লাগে, তেমনই বোধ করছি,’ হাসল রানা।

    হাতের ইশারায় নিরাপত্তা রক্ষীদেরকে সরে যেতে বললেন এবি পামবো। রানার বাহুতে হাত রাখলেন। ‘আমার হাত ধরে এগোও, বাছা। জরুরি কিছু কথা বলব।’

    বৃদ্ধার পাশে পা বাড়াল রানা।

    ভ্যানের কাছে রয়ে গেল চার্লস ও তার দুই অনুচর। তাদের চোখ বড়মা ও রানার ওপর।

    কৌতূহল বোধ করছে রানা। তবে সেটা প্রকাশ করল না। চারপাশ দেখছে। বহু দিন হলো এই গোরস্তানের যত্ন নেয়া হয় না। কবরের ফলকগুলোর ওপর জন্মেছে শ্যাওলা। জায়গায় জায়গায় ঝোপঝাড়। কিছু কবর-ফলক দেখে রানা বুঝল, গত এক শ’ বছরের ভেতর এখানে কাউকে গোর দেয়া হয়নি।

    ‘এখানে আছে বহু বছর আগের ইতিহাস,’ মন্তব্য করলেন বড়মা।

    ‘আর সেজন্যে এ জায়গাটাই বেছে নিয়েছেন আপনি,’ বলল রানা।

    ‘আমি প্রায়ই এখানে আসি, বাছা,’ বললেন এবি পামবো। ‘যারা এখানে শুয়ে আছে, তাদের বড় একা লাগে। কেউ এলে খুশি হয়। তাই মাঝে মাঝে এসে তাদের সঙ্গে কথা বলি।’

    ‘আপনি আমার সঙ্গে কথা বলতে চেয়েছেন, সেজন্যে আপনাকে ধন্যবাদ, বড়মা,’ বলল ‘রানা। ‘গতবার আমার মনে হয়েছে, কিছু একটা বলতে গিয়েও থেমে গেছিলেন। এবার কি সে বিষয়ে কিছু বলবেন?’

    ভুরু কুঁচকে দূরে তাকালেন বৃদ্ধা। ‘আসলে তোমার সঙ্গে কথা বলার পর থেকে অনেক কিছু ভেবেছি।’

    ‘আমার মনে হয়েছে, আপনি শেলি লং ল্যান্সের খুনের ব্যাপারে বহু কিছুই জানেন,’ বলল রানা। ‘তবে যে কারণেই হোক আমাদেরকে বলতে চাননি। আর ওই একই বিষয়ে ভাবতে গিয়ে দুশ্চিন্তায় পড়েছেন। আমি কি ভুল বললাম, বড়মা?’

    চুপ করে থাকলেন বয়স্কা মহিলা।

    ‘আপনি ভয় পান যে বিপদ ডেকে আনবে নোভাকরা। ঠিক যেমন করে খুনোখুনি করেছিল আঠারো শত তেয়াত্তর সালে।’

    ‘ব্যাপারটা ভয় পাওয়ার মতই। সব জানলে তুমিও ভয় পাবে। নোভাকদের আত্মা দখল করে নিয়েছে অশুভ 1 প্রেতাত্মা। সেটা করেছে, কারণ তাদেরকে চালায় একদণ কালো জাদুকর। শত শত বছর ধরেই এমনটা হচ্ছে।’

    মৃদু হাসল রানা। ‘আমি অশুভ আত্মার ব্যাপারটা বিশ্বাস করি না, বড়মা। আমি শুধু চিনি খারাপ লোকদেরকে।’

    ঘন ঘন মাথা নাড়লেন এবি পামবো। ‘বড়মা জানে জাদু কেমন হয়। বলো তো, রানা, জাদুর ব্যাপারে কী জানো তুমি?’

    ‘আপনি ভুডু ম্যাজিকের কথা বলছেন?’ বলল রানা। ‘এলিসা গুডরিচ ওই ব্যাপারে আমাকে সামান্য বলেছিলেন।’

    এলিসা খুব ভাল মনের মেয়ে,’ বললেন বৃদ্ধা। ‘ওর অনেক কিছু দেখার ক্ষমতা আছে। তবে অভিজ্ঞতা নেই। তাই এমন কিছু দেখতে পায় না, যেটা দেখে এবি পামবো। এলিসা শুধু বুঝতে পারে সাদা জাদু। যেটা ক্ষতিকর নয়। গাছপালা, জন্তু আর পৃথিবীর ওপর কাজ করে ওই জাদু। সারিয়ে তোলে ক্ষত। আর ওই ভাল জাদুকেই বলে হুডু। ওটাকে বলতে পারো স্রষ্টার তৈরি জাদু। কিন্তু ওটার বিপরীতে রয়েছে অসম্ভব খারাপ এক ধরনের কালো জাদু।

    চুপ করে থাকল রানা।

    ওর বাহুর ওপর হাত রাখলেন বড়মা এবি পামবো। ‘তুমি আসলে এসব জানতে চাও না, রানা। তবে মনে রেখো, ওই কালো জাদুর মালিক হচ্ছে স্বয়ং শয়তান। দুনিয়ার সব ভালো বা আলো গিলে নিতে চায় ওই জাদু। কষ্টভরা মৃত্যু ডেকে আনে। অসুখ যেমন ছড়িয়ে দেবে, তেমনই বেদনা দেবে। ওই কালো জাদু শয়তানের আদেশ পেয়ে ক্ষতি করে পৃথিবীর। ওই অশুভ শক্তি আসে নরক থেকে। আর নোভাকদের মত খারাপ মানুষদের ওপর ভর করেছে ওটা।’

    ‘হতে পারে, বড়মা,’ বলল রানা, ‘আপনি কি সেজন্যেই নোভাকদের কথা তুলছেন?’

    উদাস চোখে রানাকে দেখে আস্তে করে মাথা দোলালেন বৃদ্ধা। ‘মানুষের মত দেখতে হলেও আত্মার দিক থেকে তারা ইবলিশের মত, বাছা। ওদের এতই ক্ষমতা, ভাবতেও পারবে না। আজ থেকে বহু বছর আগে এই ক্লোভিস প্যারিশে ক্রীতদাস ও ক্রীতদাসীদেরকে নির্যাতন, ধর্ষণ আর খুনের মাধ্যমে ভয়ঙ্কর পরিবেশ তৈরি করেছিল উইলিয়াম এফ. নোভাক। তাকে বাধা দেয়ার সাধ্য কারও ছিল না। করুণভাবে মরত কালো মানুষরা।’

    হাঁটতে হাঁটতে রানার কবজি শক্ত করে ধরলেন বৃদ্ধা। ‘হয়তো বুঝতে পেরেছ, কেন তাদের ব্যাপারে কিছু বলতে ভয় পেয়েছি? আমি তো দুর্বল এক বুড়ি মেয়েলোক। মরতে ভয় পাই না, কারণ সময় হলেই নিজের কোলে তুলে নেবেন স্রষ্টা। তবে আর সবার মতই প্রশান্তি নিয়ে মরতে চাই। দানবদের হাতে মরতে আপত্তি আছে। একবার শিউরে উঠলেন এবি পামবো। ‘নোভাকদের হাত অনেক লম্বা, রানা। একবার যদি তারা জানে, তাদের বিরুদ্ধে মুখ খুলেছে কেউ, তবে আর রক্ষা নেই। তাদের কালো জাদুর কবলে পড়ে মরবে মানুষটা।’

    ‘আমি রিচি নোভাকের মুখোমুখি হয়েছি, বড়মা,’ বলল রানা। ‘সে যদি দানব বা অশুভ কালো জাদুকর হয়, তো আমি তার চেয়েও শক্তিশালী এক সাদা জাদুকর। এরই ভেতর আমার সামনে মরেছে তাদের ছোটভাই। এ থেকে প্রমাণ হচ্ছে, তারা আসলে নীচ মনের একদল দুশ্চরিত্র মানুষই। বহু দিন ধরেই সাধারণ মানুষকে ভয় দেখিয়ে যা খুশি করলেও এবার আর রেহাই পাবে না আমার হাত থেকে। এ ব্যাপারে মনে কোনও সন্দেহ রাখবেন না, বড়মা।’

    ‘তা জানি, বাছা।’ সরাসরি রানার চোখে তাকালেন বৃদ্ধা, ‘আমি সবই দেখেছি। তোমাকে পাঠানো হয়েছে অশুভ এই লোকগুলোকে শেকড় ছিঁড়ে উপড়ে ফেলার জন্যে। কালো মানুষদের জন্যে তোমার মনে যে ভালবাসা দেখেছি, অচেনা- অজানা একটা কালো মেয়ে লিষের জন্যে তোমার ভেতরে যে

    মায়া দেখেছি, যে অন্যায়ের বিরুদ্ধে তুমি এমনভাবে ফুসে উঠেছ— এর তুলনা হয় না। আমি কৃতজ্ঞ হয়ে পড়েছি, বাছা। তাই কিছু দিতে তোমাকে এখানে ডেকেছি। মৃতরা এবার জানবে, আমার দায়িত্ব আমি পালন করেছি।

    ‘আমি সাধারণ এক মানুষ, বড়মা,’ বলল রানা। ‘কেউ এখানে পাঠায়নি আমাকে। লুইযিয়ানায় এসেছি বন্ধুর বিয়ে খেতে। তবে পরে জানলাম এখানে বাঁশি বাজাবেন আমার প্রিয় এক বংশীবাদক। আর কোনও কারণে এখানে আসিনি আমি, আমাকে ফাঁদে ফেলা হয়েছে। ব্যাপারটাকে দুঃখজনক বলতে পারেন।

    রানার কথা শুনে মাথা নাড়লেন এবি পামবো। তুমি জানো, বাছা। ….আর বাঁশি? ওটা তুমি ঠিকই শুনবে।’ নাক দিয়ে ঘোঁৎ আওয়াজ তুললেন বৃদ্ধা। ‘তবে মনে রেখো, তুমি এসেছ নিয়তির টানে। নির্ধারণ করা হয়েছে নোভাকদের মৃত্যুর দিনক্ষণ। আর এসব জানি বলেই তোমাকে ডেকেছি এখানে। কারণ, আমার জানা আছে এই মুহূর্তে ঠিক কে আছে নোভাকরা।’

    ঝট করে এবি পামবোর দিকে তাকাল রানা। ‘কী বললেন, বড়মা? আপনি জানেন কোথায় ওদের নোভাক দ্বীপ?’

    ‘ওটাকে এখন লোকে বলে নোভাক দ্বীপ, তিক্ত সুরে বললেন বৃদ্ধা। তবে আগে অন্য নাম ছিল ওটার।’

    ‘একটু খুলে বলুন।’

    পোশাকের বুকপকেট থেকে কোঁচকানো ভাঁজ করা একটা কাগজ নিয়ে ওটা রানার দিকে বাড়িয়ে দিলেন বৃদ্ধা।

    কাগজটা নিয়ে ভাঁজ খুলল রানা।

    ‘কীভাবে ওখানে পৌঁছুবে, তা জানা কঠিন নয়,’ বললেন বৃদ্ধা

    কাগজটা পুরনো আমলের কোনও মানচিত্র নয়। গুগল ম্যাপের স্যাটেলাইট ইমেজ। বহু ওপর থেকে তোলা। দেখলে মনে হবে অ্যামায়নের রেইনফরেস্ট।

    আরও মনোযোগ দিতেই রানা দেখল, ম্যাপের পাশে ছোট সব নোটে লেখা কীভাবে ওখানে যেতে হবে। এ ছাড়া রয়েছে জিপিএস কোঅর্ডিনেট্স্।

    ‘ধন্যবাদ। কাজটা সহজ হয়ে গেল, বড়মা,’ বলল রানা। বাতাসে হাত নাড়লেন এবি পামবো। নিচু গলায় বললেন, ‘আমার ভাতিজা কমপিউটার নিয়ে কাজ করে। তার কাছ থেকেই পেয়েছি। কখনও ভাবিনি আধুনিক এসব টেকনোলজি আমার কাজে লাগবে।’

    ‘ডিরেকশন একদম নিখুঁত,’ বলল রানা। ‘ তবে মনে হচ্ছে, আপনি নিজেও কখনও ওই দ্বীপে গিয়েছিলেন। আমি কি ভুল বললাম?’

    কুঁচকে গেল এবি পামবোর মুখ। ‘তা গেছি। তখন ছিল উনিশ শ’ তেত্রিশ সাল। আজও মনে হয় এই তো ক’দিন আগের কথা। ভয়ঙ্কর সব ঘটনা ঘটে শুনে আমরা ক’জন গিয়েছিলাম ওই দ্বীপ দেখতে। সেতু পেরোলাম চারজন মিলে। জঙ্গলে কিছুটা যাওয়ার পর মাত্র চোখে পড়েছে ইঁটের বাড়িটা, এমন সময় আত্মা উড়ে গেল আমার। জীবনে আগে কখনও এত ভয় পাইনি। কালো দাড়িওয়ালা বিশাল এক লোক তেড়ে এল বন্দুক হাতে। গুলিও করল। ওই লোক ছিল উইলকার ‘কিলার’ নোভাকের বাবা। পরে খুনের দায়ে তাকে গাছে ঝুলিয়ে দিয়েছিল কারা যেন। সে মরেছে বোধহয় আটচল্লিশ সালে। যাই হোক, প্রাণ হাতে নিয়ে পালিয়ে এলাম আমরা। তারপর শুনিনি ওই সেতু পার হয়ে অভিশপ্ত দ্বীপে পা রেখেছে কেউ। এমন কী কোনও শেরিফও ওদিকে যেত না।’

    ‘ওই দ্বীপ অভিশপ্ত বলে মনে করি না,’ বলল রানা।

    ‘তুমি নিজে না জেনে কিছুই মেনে নেবে না, তাই না, বাছা?’ হাসলেন এবি পামবো। বেরিয়ে এসেছে দাঁতহীন লালচে দুই পাটি মাড়ি। ‘তবে পরে সবই বুঝবে। এবার আরেকটা ব্যাপারে কথা বলব।’ ঢোলা জোব্বার অসংখ্য পকেটের ভেতর থেকে কাপড়ের তৈরি ছোট এক তাবিজ বের করলেন তিনি। ওটার সঙ্গে রয়েছে চামড়ার সুতলি। ‘এটা নাও, বাছা। কাজে লাগবে। এই জিনিস না থাকলে প্রাণ নিয়ে ফিরতে পারবে না ওই দ্বীপ থেকে।’

    তাবিজটা নিল রানা। নরম সুরে জানতে চাইল, ‘এটা কীসের জন্যে, বড়মা?’

    ওর বাহুতে হালকা চাপড় দিলেন বৃদ্ধা। ‘এটা গ্রিস-গ্রিস। মোজো ব্যাগ। তালিসমান বলতে পারো। ওটার ভেতর যেটা আছে, ওটাই রক্ষা করবে তোমাকে। অনেকটা সময় নিয়ে ওই মোজো ব্যাগের ওপর নিজের সব জাদু খাটিয়ে দিয়েছি। একবার গলায় পরার পর ওটা খুলবে না। ওটা থাকলে আর দানবরা ক্ষতি করতে পারবে না তোমার। তবে কাজ শেষ হলেই ফেলে দেবে বাইয়ুর পানিতে।’

    যে চোখে চেয়ে আছেন এবি পামবো, রানা বুঝল বৃদ্ধাকে কষ্ট দিতে না চাইলে এখন গলায় কবচ না পরে উপায় নেই ওর। মাথা গলিয়ে বুকের ওপর মোজো ব্যাগ রাখল রানা। সঙ্গে সঙ্গে কেমন যেন শিরশিরে একটা অনুভূতি হলো ওর বুকের ভিতর। ব্যাপারটা পাগলামি বলে মনে হচ্ছে ওর। শার্টের নিচে কবচটা পাচার করে দিতেই দন্তহীন হাসি দিলেন বৃদ্ধা। ‘হ্যাঁ, এবার আর কেউ কোনও ক্ষতি করতে পারবে না তোমার।’

    ‘আমার জন্যে এত ভেবেছেন বলে আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ, বড়মা,’ বলল রানা।

    ‘আমাকে ধন্যবাদ দিয়ো না, বাছা। আমি শুধু স্রষ্টার হয়ে সামান্য কাজ করেছি,’ বললেন বৃদ্ধা। ‘এবার ফিরব নিজের আস্তানায়।’

    আবারও লাশবাহী গাড়ির কাছে ফিরল রানা ও এরি পামবো। বৃদ্ধাকে ভ্যানে তুলে দিল তিন দেহরক্ষী। কাজটা শেষ হতেই নিজের চাচাত ভাইয়ের গাড়িটা রানাকে দেখাল চার্লস। ‘আগের মত উঠে পড়ুন, রানা। আপনাকে পৌঁছে দেব আপনার গাড়ির কাছে।’

    কফিনে উঠে ভ্যানের দিকে তাকাল রানা। ‘গুড বাই, বড়মা। আপনার মঙ্গল হোক।’

    ‘আমিও চাই মঙ্গল হোক তোমার, বাছা। গলা থেকে মোজো ব্যাগটা কিন্তু ভুলেও খুলবে না।’ রওনা হয়ে গেল বৃদ্ধার ভ্যান।

    কফিনে রানা শুতেই বন্ধ হলো ডালা। কয়েক মুহূর্ত পর রওনা হয়ে গেল লাশবাহী গাড়ি।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleমাসুদ রানা ৪৬৭ – শকওয়েভ
    Next Article মাসুদ রানা ১৩৩-১৩৪ – চারিদিকে শক্র (দুই খণ্ড একত্রে)

    Related Articles

    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৩৮৫-৩৮৬ – হ্যাকার (দুই খণ্ড একত্রে)

    July 22, 2025
    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫৬ – টপ টেরর

    July 22, 2025
    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫৪ – নরপশু

    July 22, 2025
    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫৩ – ধর্মগুরু

    July 22, 2025
    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫২ – কালো কুয়াশা

    July 22, 2025
    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫১ – মায়া মন্দির

    July 22, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }