Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    মাসুদ রানা ৪৬৪ – স্ট্রেঞ্জার

    কাজী আনোয়ার হোসেন এক পাতা গল্প406 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    স্ট্রেঞ্জার – ৭

    সাত

    এই সম্বোধনে বিস্মিত হলো না রানা। এ দেশে এভাবে কথা বলে লোকে। তবে কৃষ্ণাঙ্গিনীর আন্তরিক হাসি যে একেবারেই খাঁটি, তাতে একবিন্দু সন্দেহ থাকল না ওর মনে। ওর নিজের ঠোঁটেও এসে গেল হাসির সংক্রমণ।

    রানা গেস্টহাউস খুঁজছে শুনেই হাতের ইশারায় ওকে বাড়ির ভেতর ডেকে নিল লিয বাউয়ার। এন্ট্রান্স হলে পা রেখেই রানার মনে হলো, বহু দিন পর বেড়াতে এসেছে আপন বোনের বাড়িতে। ফুলদানীতে রঙিন, চমৎকার সব ফুল। ঘরে হালকা সুবাস।

    ‘শুগাহ্, তুমি কোথা থেকে এসেছ? কথার উচ্চারণে তো মনে হচ্ছে লেখাপড়া করেছ অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটিতে। আমি কি ঠিক বললাম, ডিয়ারি?’

    ‘ওই ইউনিভার্সিটিতে কিছুদিন পড়েছি,’ বলল- রানা। *তবে মানুষটা আমি বাংলাদেশি।’

    ‘আচ্ছা? দক্ষিণ এশিয়ায় না? আমি ওই সুন্দর দেশটার কথা শুনেছি।’ রহস্যময় হাসল লিয বাউয়ার। এ বিষয়ে আর কিছু না বলে জানাল, ‘এসো, আগে তোমার ঘর দেখিয়ে দিই।’

    পুরু কার্পেট ছাওয়া এন্ট্রান্স পেরিয়ে মহিলার পিছু নিল রানা। চকচকে মেহগনি কাঠের তৈরি খাড়া সিঁড়ি বেয়ে দোতলায় উঠল দু’জন। রেলিঙে হাত রেখে একটু দূরে সাদা এক দরজা দেখাল লিয বাউয়ার। ‘ওই যে, আমাকে পাবে ওই ঘরে। বেলও বাজাতে পারো।’

    লিয বাউয়ারের ঘর ছাড়া এ তলায় রয়েছে আরও তিনটে ঘর। দরজার চৌকাঠে তামার প্লেটে নম্বর লেখা।

    ‘আপাতত অন্য গেস্ট নেই। তিন ঘরের যে-কোনটা নিতে পারো।’ নিজের ঘরের পাশের দরজাটা দেখাল সে। ‘ওটা নেবে?’

    ‘তেতলায় কিছু আছে?’ ল্যাণ্ডিঙের আরেকদিকে কা সরু সিঁড়ি দেখে জানতে চাইল রানা। সিঁড়ির ওপরের ধাপ গিয়ে মিশেছে গোল করে কাটা সিলিঙে।

    ‘ওটা চিলেকোঠা। ছাত একটু বেশি নিচু।’

    ‘চিলেকোঠা আমার সবসময় ভাল লাগে,’ বলল রানা।

    ‘তা হলে চলো, ঘরটা দেখিয়ে আনি।’

    চিলেকোঠা তৈরি করা হয়েছে দক্ষতার সঙ্গে। সব কিছুতেই নিজের সুন্দর রুচির ছাপ রেখেছে লিয় বাউয়ার। ওপরতলায় উঠে যাওয়ার পর পুলিতে বাঁধা দড়ি টেনে তুলে নেয়া যায় কাঠের ভাঁজ করা সিঁড়ি। এ ছাড়া, দ্বিতীয়তলার প্রথম, তৃতীয় এবং চতুর্থ ঘরও চমৎকার করে সাজানো। দেয়ালে ও সিলিঙে চকচকে কাঠের প্যানেল। মেঝেতে সুন্দর ডিযাইনের কার্পেট। তবুও সব ঘর ঘুরে তৃতীয়তলার ওই চিলেকোঠারই প্রেমে পড়ল রানা। ওটা যেন কাঠের তৈরি প্রাচীন কোনও জাহাজের কেবিন। ঘরের মাঝে পুরু তোষক বিছানো মাঝারি সাইজের লোহার খাট। একটু দূরে ছোট্ট টেবিলের ওপর রিডিং ল্যাম্প, সামনে আরাম কেদারা। একপাশে চওড়া জানালার ওদিকে দু’দিকে ঢালু ছাত। বাম দিকের ঢালের শেষে কয়েক ফুট দূরে আরেকটা ঢালু ছাতের শুরু। ওটা প্রতিবেশীর বাড়ির। আর ডান দিকে তাকালে পাশের বাড়ির ঢালু ছাতের ওপর দিয়ে দেখা যাচ্ছে কাদাপানি বুকে নিয়ে মন্থরগতিতে বাদামি সাপের মত এঁকেবেঁকে বহু দূরে গেছে বাইয়ু। জানালার দিকে পিঠ রেখে বলল রানা, ‘ব্যস, এই রুমই নেব।’

    ‘সমস্যা নেই। এখন থেকে এটা তোমার, শুগাহ্!’

    রানাকে নিয়ে নিচতলায় স্যালোনে ফিরল লিয। নানান কায়দা করে রানার জন্যে লম্বা একটা গ্লাসে তৈরি করল ভাসা লেবু চা। ওটার স্বাদ মিষ্টি নয়, তবে এই গরমে তরলে চুমুক দিয়ে ভাল লাগল রানার। সামনের বড় এক আর্মচেয়ারে কীভাবে যেন বিশাল শরীরটা আঁটিয়ে ফেলল মহিলা। শুরু হলো গল্প।

    একটু পর রানা বুঝে গেল, কথা বলতে ভালবাসে লিয বাউয়ার। আর অদ্ভুত ব্যাপার হচ্ছে, তার গলার আওয়াজ ও মজার মজার কথা শুনতে ভাল লাগছে ওরও। প্রতিটা কথা, প্রতিটা হাসি যেন আসছে মহিলার অন্তর থেকে।

    মনে মনে বলল রানা, বড়বোন থাকলে বোধহয় এভাবেই কাটত সুন্দর সময়। এ-ও বুঝল, সারাদিন মানুষটার গল্প শুনতেও খারাপ লাগবে না ওর।

    জীবনের বেশিরভাগ সময় চিটিমাচায় কাটিয়ে দিয়েছে লিয বাউয়ার। বারো বছর বয়সে ভিলেনিউভ শহর থেকে এখানে এসেছিল বাবা-মার সঙ্গে। তারপর যৌবনে প্রেমে পড়ে বিয়ে করেছিল ভুল এক লোককে। বহু বছর তাকে শুধরে নেয়ার চেষ্টা করে একদিন বুঝল, জীবনটা চালিয়ে নেয়ার জন্যে নিজের কিছু করতে হবে ওকে। তখন চল্লিশ বছর বয়সে বেইমান স্বামীকে ত্যাগ করে শপথ নিল, আর একমিনিটও সময় নষ্ট করবে না। গত তিনবছর লেখাপড়া ও কাজ শেখার জন্যে ইউরোপের নানান দেশে ঘুরেছে। মাত্র কয়েক মাস আগে ফিরেছে লুইযিয়ানা স্টেটে।

    ‘গেস্টহাউস চালাবার ওপরে লেখাপড়া?’ জানতে চাইল রানা।

    মৃদু হেসে জবাব দিল লিয বাউয়ার, ‘না তো, ডিয়ারি। আমি রান্না শিখছিলাম। গেস্টহাউস দিয়েছি কিছু দিনের জন্যে। আসলে ঠিক করেছি, কিছু টাকা জমাতে পারলেই রেস্টুরেন্ট খুলব। এমন একটা রেস্টুরেন্ট, যেখানে শত শত মাইল দূর থেকে খেতে আসবে মানুষ। আর ওই রেস্টুরেন্টের খাবারের কারণে একদিন ছোট্ট এই শহরের নাম উঠবে মানচিত্রে।’

    ইউরোপে চরকির মত ঘুরেছে লিয। লণ্ডন, প্যারিস, রোমের মত বড় সব শহরের নামকরা রেস্টুরেন্টে হাঁড়ি পরিষ্কার করা থেকে শুরু করে ওয়েট্রেসের কাজ করেছে। বেতনের টাকা ব্যয় করেছে রান্না শেখায়। গত তিনটে বছর কঠোর পরিশ্রম করে দক্ষতা অর্জন করেছে। তারপর পেয়েছে শেফের ডিপ্লোমা। এবার সময় হয়েছে নিজে কিছু করার। স্থানীয় ক্যাজুন খাবারের সঙ্গে ক্লাসিকাল পদ মিশিয়ে তৈরি হবে ওর মজাদার সব খাবার।

    ‘সে খাবার হবে দুনিয়ার যে-কোনও পদের থেকে আলাদা,’ জোর দিয়ে জানাল লিয।

    ‘এ দেশে এসে দেখছি শুধু খাবার নিয়ে হুলুস্থুল!’ হেসে ফেলল রানা। ‘চারপাশে ডিকি’স ক্রফিশ বা জনির তাজা কুনের মাংস! জাম্বালায়া, বাউডিন, গাম্বো বা গার বলের ছড়াছড়ি। তবে তোমার এখানে এসে এখনও শক্ত কিছু পেটে পড়েনি।’

    ‘আমরা সবাই পেটপূজা করতে ভালবাসি,’ হাসল লিয, ‘আমেরিকার সবচেয়ে পেট মোটাদের স্টেট এটা। আর আমরা তো এখনও ভাল করে খেতেই শুরু করিনি। আগে চালু করি আমার রেস্টুরেন্ট, তারপর দেখবে!’

    ‘গার বল আসলে কী?’ জানতে চাইল রানা।

    ‘একধরনের চপ, তৈরি করা হয় অ্যালিগেটর গার মাছের ফুসফুস ভেজে। খুব কুৎসিত মাছ। নদী থেকে ধরে আনে জেলেরা। জীবন্ত দুঃস্বপ্নের মত দেখতে। কিন্তু খেলে মনে হবে পৌঁছে গেছ স্বর্গে।’

    শহরে আসার সময় দাঁতাল ভয়ঙ্কর এক দানব দেখেছে, মনে পড়ল রানার। মনে মনে বলল, জীবনেও ওই জিনিস খাব না! প্রসঙ্গ পাল্টে জানতে চাইল, ‘আর ওই গাম্বো জিনিসটা কী? এ ধরনের নাম এসেছে কোথা থেকে?’

    বিস্ফারিত হলো লিযের দুই চোখ। আফসোস করে মাথা নাড়ল সে। ‘কী সর্বনাশের কথা, তুমি তো দেখি একেবারে অবোধ শিশু, রানা! বলতে চাইছ, আগে কখনও লুইযিয়ানার গাম্বো খেয়ে দেখোনি?’

    মাথা নাড়ল রানা। ‘মনে তো পড়ে না।’

    ‘এক্কেবারে ঠিক জায়গায় এসেছ, হাঁড়িভরা মিষ্টি মধু, লক্ষ্মী ছেলে! এখন আমি জানি, আজ ডিনারে কী রাঁধব!’ খাঁকারি দিয়ে কণ্ঠ নিচু করল লিয, ‘ভাবতেও পারবে না ওটা কোন স্বৰ্গীয় জিনিস!’

    কিন্তু রান্নার কাজ শুরুর আগে চাই জরুরি প্রস্তুতি।

    লিয স্বীকার করল, গেস্টহাউস চালু করতে এত ব্যস্ত ছিল, খাবার-দাবার কিনতে পারেনি। কিচেন প্রায় ফাঁকা। লজ্জায় আরও কালো হয়ে গেল বেচারি 1

    রাতে থাকার মত ঘর পেয়েই খুশি হয়ে গেছে রানা, এখানে খাবার পাবে ভাবেনি। সেটাই বলল, ‘চিন্তা কোরো না, লিয। কষ্ট করে রাঁধতে হবে না। এখানে আসার সময় একটা ক্যাফে দেখেছি। ওখান থেকে কিছু খেয়ে নেব।’

    ‘ভুলেও না,’ আঁৎকে উঠল লিয, ‘পেট খারাপ করবে!’

    ‘এতই খারাপ ওদের খাবার?’ বলল রানা। ও-ই জানে, জীবনে কত ধরনের বাজে জিনিস খেয়েছে বিপদে পড়ে।

    বড়বোনের মত ঘন ঘন আমি চাই না আমার হোক।’ এবার জানাল, ‘খবরদার, বাইরে খাবে না, মাথা নেড়ে নিষেধ করল লিয। জীবনের প্রথম গেস্টের মহাবিপদ ডিনারের জন্যে চট করে বাজার থেকে তরকারী ও দরকারি অন্যান্য জিনিস কিনে আনবে। তাতে লাগবে দেড় ঘণ্টা। এরপর রান্না করতে বড়জোর আর একঘণ্টা। ‘আমি চট করে বাজার থেকে ঘুরে আসছি!’

    ‘আমার তো এখন কোনও কাজ নেই, তোমার সঙ্গে বাজার থেকে ঘুরে আসতে পারি,’ বলল রানা।

    ‘তা হলে একা সবকিছু বইতে হবে না। গুড! রাজি হয়ে গেল লিয়।

    একটু পর গেস্টহাউস থেকে বেরোল ওরা।

    ম্যাচবাক্সের সমান লিযের গাড়িটা। রানা প্রস্তাব দিতেই ওর গাড়িতে বাজারে যেতে রাজি হলো লিয। মার্সিডিয সেডানে চেপে রওনা হলো ওরা। পাশের বাড়ির বয়স্ক এক ভদ্রলোক হাত নাড়লেন লিষের দিকে। জবাবে মিষ্টি হাসি উপহার দিল লিয। মুখে বলল, ‘উনি মিস্টার রবিনসন। খুব ভাল মানুষ।

    রানা বুঝে গেল, লিযের পৃথিবীতে বেশিরভাগ মানুষই খুব ভাল। বাজার পার হয়ে যাচ্ছে দেখে তার দিকে তাকাল। উত্তরে আঙুল তুলে পশ্চিমের রাস্তা দেখাল লিয।

    চিটিমাচা পেছনে ফেলে এগিয়ে চলল মার্সিডিয।

    ষড়যন্ত্রের ভঙ্গিতে চোখ টিপল লিয। নিচু গলায় জানাল, রেস্টুরেন্ট সফল হওয়ার জন্যে সবচেয়ে বড় ভূমিকা রাখবে দূরের ওই পয়েন্ট ব্লাঞ্চের বাজার। ওখানে আছে দুর্দান্ত সব কাঁচা রসদ।

    ‘বুঝলে, রানা, ক্লোভিস প্যারিশের সবচেয়ে ভাল বাজার ওটা। ক্যাজুন রান্নার সব পদ পাওয়া যায় পানির দামে।’

    মৃদু হেসে মাথা দোলাল রানা। মনে মনে ভাবল, ক্যাজুন স্টেকহাউসের খাবার মোটেও খারাপ ছিল না। তবে কে জানে, খেতে কেমন লাগবে ভয়ঙ্কর চেহারার ওই মাছটাকে!

    একটু পর গাড়ি পৌছল চিটিমাচার চেয়েও ছোট এক বসতিতে। তবে এদিকটায় লোকজনের ভিড়ভাট্টা আছে।

    ‘রেস্টুরেন্ট তো এখানেই চালু করতে পারো,’ পার্কিং-এর জন্যে জায়গা খুঁজছে রানা। ‘মার্কেট কাছে। খদ্দেরও বেশি পাবে।’

    কঠিন মুখ করে মাথা নাড়ল লিয। ‘না, বড় হয়েছি চিটিমাচায়। আমি মরতেও চাই ওখানে।’

    পছন্দমত জায়গায় গাড়ি রাখল রানা। এখান থেকে তিন মিনিটের পথ বাজার। চট্ করে গাড়িতে তুলতে পারবে মালপত্র। গাড়ি থেকে নেমে লিযের গল্প শুনতে শুনতে বাজারের দিকে চলল রানা।

    বাজারের আগে পড়ল একটা গাড়ি মেরামতের গ্যারাজ। সাইনবোর্ডে লেখা: হাম্পি ডাম্পি’য গ্যারাজ। ওখানে কাউকে দেখল না রানা। চেইন লিঙ্কের গেটে তালা মারা। ভেতরে এখানে-ওখানে নানান জাতের গাড়ির ইঞ্জিন নামিয়ে রাখা হয়েছে। গ্যারাজের পাশে আগ্নেয়াস্ত্রের দোকান পেরোতেই সামনে বাজার। ওটা যেন আলাদিনের চেরাগের সেই গুহার মত।

    একটা দোকানের সাইনবোর্ড পড়ল রানা। ওখানে বিক্রি হচ্ছে বাইয়ুর অ্যালিগেটরের বার্গার, কালো ক্যাট ফিশ ও ‘আবর্জনা’ দিয়ে মাখানো রোস্ট করা গরুর মাংস। ‘

    আবর্জনা খাওয়াতে চায় কেউ, ভাবতে ভাল লাগল না রানার।

    পুতুলের দোকানে ঢুকলে নয় বছরের বাচ্চা মেয়ের যে অবস্থা হয়, বাজারে ঢুকে সেই একই হাল হলো লিয়ের। একরাতের জন্যে যে টাকা লিযকে দেবে রানা, তার তিন গুণ খরচ করে ফেলল সে এক বেলার বাজারেই।

    ‘আমাকে ডিনার খাওয়াবার জন্যে এত কিছু কিনতে হবে কেন?’ আপত্তি তুলল রানা।

    ‘শ্‌শ্‌শ্! কথা বলে না, লক্ষ্মী ছেলে,’ বড়বোনের চোখে রানাকে দেখল লিয। চোখে হাসি।

    আড়াই ঘণ্টা পর ক্যাজুনদের প্রিয় মাছ-মাংস ও তরকারীর ব্যাগ বয়ে গাড়ির দিকে চলল ওরা। আবারও পাশ কাটাল গাড়ি মেরামতের গ্যারাজ। এখন ওটার গেট খোলা। উঠানে জড় হয়েছে পাঁচ-ছয়জন যুবক। সোনার মত চকচকে একটা গাড়ি দেখছে তারা। ওটার তলি এতই নিচু, সামান্য উঁচু স্পিড ব্রেকার সামনে পড়লেই ফেঁসে যাবে।

    যুবকদের একজনের চোখদুটো খুব কাছাকাছি। চেহারায় নীচতা। বিদঘুটে গাড়ির ওপর থেকে চোখ সরিয়ে লিযের দিকে তাকাল সে। মুখে ফুটল টিটকারির হাসি। রানা দেখল, তার দাঁত মারাত্মকভাবে পোকা খাওয়া। পাশের যুবকের পাঁজরে কনুইয়ের খোঁচা মেরে জোর গলায় বলে উঠল সে, ‘দেখেছিস? দেখ! বছরের সবচেয়ে মোটা, কালো শুয়োরাণী!’

    কোমর ছুঁই-ছুঁই করছে তার সঙ্গীর মাথার চুল। হাত দিয়ে মাইক তৈরি করে রানার উদ্দেশে বলল সে, ‘অ্যাই, বাদামি মিস্টার, কালো গরিলাটাকে বেশি খাইয়ো না আবার!’

    হাতের শপিং ব্যাগদুটো রাস্তায় নামিয়ে রাখল রানা। ঠিক করে ফেলেছে, কথাটা ফেরত না নিলে পিটিয়ে শুইয়ে দেবে সবক’টাকে। এমনভাবেই কাজটা সারবে, যাতে আগামী দুটো মাস হাসপাতাল ছাড়তে না পারে।

    রানার কনুই চেপে ধরল লিয। চাপা স্বরে বলল, ‘চলো, যাই, রানা। পয়েন্ট ব্লাঞ্চে না থাকার এটা একটা কারণ। এদের মত একদঙ্গল শ্বেতাঙ্গ বর্ণবাদী থাকে এখানে।’

    ‘হাড়গোড় ভাঙলে মানুষ হওয়ার সুযোগ পাবে,’ আড়ষ্ট কণ্ঠে বলল রানা।

    ‘বাদ দাও, বিড়বিড় করল লিয, ‘ওই লোক মণ্টি ডয়েল। অনেক লোককে পিটিয়ে হাসপাতালে পাঠিয়েছে।’

    ‘তা হলে চেনো ওকে?’ জানতে চাইল রানা।

    ‘এদিকের সবাই চেনে। খারাপ লোক। ওর সঙ্গে লাগতে গেলে ক্ষতিই হবে।’

    ‘ওর কথা পছন্দ হয়নি আমার,’ বলল রানা।

    ‘রাগ কোরো না, রানা,’ বলল লিখ। ‘দুনিয়ার সবার সঙ্গে তো লড়তে পারবে না। চলো, আমরা চলে যাই।’

    মুখ টিপে হাসছে পাঁচ যুবক। শীতল চোখে দেখছে রানাকে। লম্বা চুলওয়ালা মণ্টি ডয়েল চিৎকার করল, ‘তুমি ভেবেছ ঝামেলা করবে, নাকি, হাঁদারাম?’

    লড়তে হলে পাঁচজনের বিরুদ্ধে নামতে হবে। তাতে আপত্তি নেই রানার। পরস্পরের কাছাকাছি দাঁড়িয়ে আছে তারা। প্রত্যেকের আলাদা বৈশিষ্ট্য খেয়াল করছে ও। কয়েক সেকেণ্ড পর বুঝল, লড়াই শেষ হবে পনেরো থেকে আঠারো সেকেণ্ডে।

    ‘চলো, সোনা ভাই, চলে এসো!’ আবারও রানার কনুই ধরল লিয। কণ্ঠে অনুরোধ, ‘বিপদে জড়িয়ে লাভ কী? চলো, যাই।’

    ‘ফিরতে আমার বেশিক্ষণ লাগবে না,’ বলল রানা।

    ধীরপায়ে ওদের দিকে আসছে পাঁচ যুবক। কঠিন হয়ে উঠেছে চেহারা। মুঠো হয়েছে সবার দুই হাত। কুঁচকে গেছে ভুরু। আত্মবিশ্বাস ভরা সরু চোখে দেখছে রানাকে। তাদের দৃঢ় বিশ্বাস, পাঁচ মিনিটে পিটিয়ে শুইয়ে দেবে বাদামি যুবককে। ভাল করেই জানে, আজও মারপিটে জিতবে তারা।

    মৃদু হাসি ফুটল রানার মুখে।

    ওই হাসি বেশিক্ষণ থাকবে না, স্ট্রেঞ্জার!’ বলল মণ্টি ডয়েল। ‘নিজের পায়ে হেঁটে যেতে পারবে না হাসপাতালে। আজকে তোমার কপাল মন্দ!’

    ‘কখনও হুইল চেয়ার ব্যবহার করেছ?’ তার কাছে জানতে চাইল রানা। ‘কাজটা কিন্তু বেশ কঠিন। তবে হাসপাতালে দুই মাস প্র্যাকটিসের সুযোগ পাবে।’

    আরও কালো হয়েছে লিযের মুখ। ‘রানা, ভাই আমার, প্লিয,’ প্রায় ফিসফিস করল সে।

    পকেট থেকে গাড়ির চাবি নিয়ে লিয়ের হাতে দিল রানা। ‘তুমি গিয়ে গাড়িতে বসো তো, ঠিক একমিনিট পর ফিরছি।’

    প্রথমে ডয়েলকে ধরবে, ঠিক করেছে রানা। তারপর শায়েস্তা করবে লিযকে গরিলা বলা বেয়াড়া যুবককে। এই দু’জনই চালিয়ে যাচ্ছে বাক্যবাণ। তার মানে, দলনেতা তারা। লিডার হচ্ছে ডয়েল। তার ডানহাত হচ্ছে নীচ চেহারার যুবক। কুকুরের মতই নিয়ম মেনে চলে এ ধরনের লোক। আলফা মেইল-এর পর হামলার দায়িত্ব নেবে বিটা কুকুর। নিচের সারির অন্যরা শুধু অনুসরণ করবে। হাত-পা চালাবে।

    এসব নিয়ম ভাল করেই জানে রানা। যুদ্ধে প্রথমে শেষ করতে হয় ওপরের অফিসারদেরকে। আলফা ও বিটা হেরে গেলে পালিয়ে যাবে অন্যরা।

    এখনও তা-ই হবে। মন্টি ডয়েল আর তার স্যাঙাৎ পিট্টি খেলে লেজ তুলে ভাগবে বাকিরা।

    আবারও অনুরোধের সুরে বলল লিয, ‘প্লিয, লক্ষ্মী আমার, রানা…’

    ধীর পায়ে এগোল রানা ওদের দিকে।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleমাসুদ রানা ৪৬৭ – শকওয়েভ
    Next Article মাসুদ রানা ১৩৩-১৩৪ – চারিদিকে শক্র (দুই খণ্ড একত্রে)

    Related Articles

    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৩৮৫-৩৮৬ – হ্যাকার (দুই খণ্ড একত্রে)

    July 22, 2025
    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫৬ – টপ টেরর

    July 22, 2025
    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫৪ – নরপশু

    July 22, 2025
    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫৩ – ধর্মগুরু

    July 22, 2025
    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫২ – কালো কুয়াশা

    July 22, 2025
    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫১ – মায়া মন্দির

    July 22, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }