Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    মাসুদ রানা ৪৬৫ – কাউণ্ট কোবরা

    কাজী আনোয়ার হোসেন এক পাতা গল্প389 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    কাউণ্ট কোবরা – ১১

    এগারো

    হচিন্সটন হল পেছনে ফেলে তীরবেগে ছুটছে নীল টিভিআর টুস্কান। কোথায় যাবে এখনও জানে না রানা। কান্ট্রি রোডে গাড়িঘোড়ার চাপ নেই। ঝড়ের বেগে ছয় মাইল যাওয়ার পর গাড়ির গতি কমাল রানা। বারবার দেখছে রিয়ার ভিউ মিরর, জানতে চায় পেছন থেকে তেড়ে আসছে কি না কোনও গাড়ি।

    একপাশে জঙ্গুলে সরু পথ পেয়ে ওখানে ঢুকল রানা টিভিআর টুস্কানের ইঞ্জিন বন্ধ করে লিয়ার দিকে তাকাল।

    ছাইয়ের মত ফ্যাকাসে হয়েছে বেচারির মুখ।

    ‘অসুস্থ লাগছে?’ জানতে চাইল রানা। ঘুরে পেছনের সিট থেকে ব্যাকপ্যাক নিয়ে ওটা থেকে বের করল প্রায় শেষ করে আনা উইস্কির বোতল। ওটা লিয়ার হাতে দিয়ে বলল, ‘হয়তো টেনশন কমবে।’

    বোতলের ছিপি খুলে দু’ঢোক সোনালি তরল গিলে মুখ বিকৃত করল লিয়া। খালি বোতল রানার হাতে ফেরত দিয়ে বলল, ‘ধন্যবাদ।’

    ব্যাকপ্যাকে খালি বোতল রাখল রানা। এদিকে হ্যাণ্ডব্যাগ থেকে ফোন বের করেছে লিয়া। ওর কাছে জানতে চাইল রানা, ‘কাকে ফোন দেবে?’

    ‘পুলিশকে।’

    ধীরে ধীরে মাথা নেড়ে লিয়ার হাত থেকে ফোনটা নিল রানা। ‘উচিত হবে না।’

    ‘কেন?’

    ‘গতরাতে কেউ জানত না আমরা আছি হচিন্সটন হলে। ফোনে পুলিশকে জানানোর পর ভোরেই এল একদল খুনি।’

    ‘এটা কী বলছ, রানা?’

    ‘ব্যাপারটা কাকতালীয় নয়,’ বলল রানা, ‘তা ছাড়া, ওই বাড়িতে আছে খুন হওয়া তিনটে লাশ। পুলিশ ওখানে গেলে ধরে নেবে তুমিও এসবে জড়িত। ফলে গ্রেফতার হব।’ ব্যাগ থেকে সরু বক্স ফাইল নিয়ে ওটা লিয়াকে দেখাল রানা। ‘এটা খুঁজছিল।’ ফাইলের লেবেলে তামাটে রঙ ধরেছে শুকিয়ে যাওয়া রক্তের ফোঁটা।

    ‘মোযার্ট’স্ ডকুমেন্টস্? ওটাই তো অ্যালেকের রিসার্চ!’ অসহায় চোখে রানাকে দেখল লিয়া। ‘কিন্তু কেন কেউ…’

    ‘আমাদের এই ফাইলের সবকিছু খুঁটিয়ে দেখা উচিত, ‘ বলল রানা। পায়ের কাছে রাখল ব্যাকপ্যাক। ওটা থেকে এল অস্ত্রের ঠোকাঠুকির ভোঁতা ধাতব আওয়াজ। স্টিয়ারিং হুইলে ঠেকিয়ে কোলের ওপর খাড়া করে ফাইলটা রাখল রানা। খুট শব্দে খুলল ওটার ঢাকনির ক্যাচ।

    ফাইলে পোড়া কাগজপত্র দেখে চমকে গেল লিয়া। ‘এই হাল? সবই তো পুড়ে গেছে!’

    রানার কোল থেকে ফুটওয়েলে পড়ল পুরু এনভেলপ। ওটা না তুলে ফাইলের কাগজপত্র দেখতে লাগল রানা। সাবধানে ধরছে আধপোড়া কাগজ।

    কিছু ডকুমেণ্ট হাতে লেখা, আবার কিছু কমপিউটার প্রিন্ট। পুড়ে যাওয়ায় বেশিরভাগই পড়ার উপায় নেই ডকুমেন্টগুলো দেখে রানা ধারণা করল, এসবই ঐতিহাসিক তথ্য। এখানে ওখানে মোযার্টের নাম লেখা।

    ফাইল থেকে বাজেভাবে পুড়ে যাওয়া একটা কাগজ তুলল লিয়া। গুঁড়ো হলো ওটা ওর হাতের চাপে। দাঁত দিয়ে নিচের ঠোঁট কামড়ে ধরল বেচারি। ‘অ্যালেকের রিসার্চ পেপার। বহু জায়গা ঘুরে নানান তথ্য সংগ্রহ করে আমার কাছে পাঠিয়ে দিয়েছিল। সবই এখন শেষ!

    বক্স ফাইলে ছাই ও পোড়া কাগজ রাখল রানা। ঢাকনি বন্ধ করে লিয়ার দিকে তাকাল। ‘আসলে কী বিষয় নিয়ে কাজ করছিল অ্যালেক, লিয়া? কেন এগুলো খুঁজছিল এরা?’

    ‘আমি জানব কী করে?’ মাথা নাড়ল লিয়া।

    ‘গতকাল রাতে বলেছ, এসব নোট মাসের পর মাস অনেক দিন ধরে তোমার কাছে পাঠিয়েছে অ্যালেক—এটা কি ঠিক? সেক্ষেত্রে এত দিন পর কেন এগুলোর জন্যে ব্যস্ত হয়ে উঠবে কেউ? কারণটা কী? কী আছে এসবের ভেতর? আর তারা জানল কীভাবে যে এগুলো তোমার কাছে আছে?’

    ধীরে ধীরে মাথা নাড়ল লিয়া। জবাব নেই ওর কাছে। ‘অ্যালেকের এই বইয়ের ব্যাপারে তুমি ছাড়া আর কারা জানে?’

    হঠাৎ ঝিক করে উঠল লিয়ার সবুজ চোখ। ‘হায়, ঈশ্বর!’

    ওর দিকে চেয়ে আছে রানা।

    ঢোক গিলল লিয়া। ‘অন্তত বিশ লাখ মানুষ জানে এই বইটার কথা!’

    ‘কী করে?’

    ‘আগামীবছর ইউরোপিয়ান ট্যুর সম্পর্কে বলার সময় টিভিতে বিবিসি মিউযিক প্রোগ্রামে উল্লেখ করেছি এই বইটার কথা। তখন বলেছি কীভাবে রিসার্চ করে সব তথ্য আমার কাছে পাঠাত অ্যালেক। এমন কী শেষ দিনেও নতুন কিছু পাঠিয়েছিল। তবে ওর মৃত্যুর পর ওগুলো দেখার মানসিকতা আমার আর ছিল না।

    ‘কবে প্রচার হয় ওই প্রোগ্রাম?’ জানতে চাইল রানা।

    কাঁধ ঝাঁকাল লিয়া। ‘লণ্ডনে আমাকে কিডন্যাপ করার চেষ্টার দু’দিন আগে।’

    পায়ে কী যেন ঠেকে আছে বুঝতেই রানার মনে পড়ল এনভেলপটার কথা। ঝুঁকে তুলে নিল ওটা।

    ‘আরে, আমি তো এটা চিনি,’ ফিসফিস করল লিয়া। হাত বাড়িয়ে রানার কাছ থেকে নিল এনভেলপ। ‘এটার কথাই বলেছি। মৃত্যুর দিন পাঠিয়ে দিয়েছিল অ্যালেক।’ ঘুরিয়ে ফিরিয়ে এনভেলপটা দেখল ও। ‘ফিউনেরাল শেষে বাড়ি ফিরে পেয়েছি। ক’দিন আগে আমার পিএস র‍্যাচেলকে বলেছি, অন্য সবকিছুর সঙ্গে এটাও যেন ইংল্যাণ্ডে পাঠিয়ে দেয়।

    ‘এবার এটা খুলে দেখতে হবে,’ বলল রানা।

    ‘বুঝতে পেরেছি।’

    সামান্য পোড়া এনভেলপটা নিয়ে একপ্রান্ত ছিঁড়ল রানা। ভেতরে র‍্যাপিং পেপারে মোড়া কিছু। রুপালি কাগজটা খুলতেই বেরোল অক্ষত একটা সিডি বক্স। কাভারে লেখা: মিউযিক। মোযার্ট’স্ অপেরা: দ্য ম্যাজিক ফুট।

    লিয়ার দিকে তাকাল রানা। ‘হঠাৎ কেন তোমার কাছে এটা পাঠাবে অ্যালেক?’

    দীর্ঘশ্বাস ফেলল লিয়া। ‘কারণ ওটা আমার। শোনার জন্যে নিয়েছিল অ্যালেক। ফেরত দিচ্ছিল।’

    ‘খামের ভেতরে আর কিছু নেই।’

    সিটে হেলান দিল হতাশ লিয়া। ‘কিছুই তো বুঝছি না। আসলে এসব কী হচ্ছে, রানা?’

    সিডিবক্সের ঢাকনিটা খুলল রানা। ক্যাচ খুলে আলগা হয়ে গেছে সিডিটা। ওটা পিছলে পড়ল ওর কোলে। দেখা গেল কেসের ভেতর রয়েছে আরেকটা সিডি। ওপরে লেখা: সিডি-রেকর্ডেবল। নিচে মার্কার পেন দিয়ে আঁকাবাঁকা হাতে লেখা: লিয়া, ‘যা-ই ঘটুক এই ডিস্ক চালু করে দেখবি না। গোপন কোথাও লুকিয়ে রাখ। আমি বাড়ি ফিরে আসছি।

    অ্যালেক।

    ড্যাশবোর্ডের নির্দিষ্ট বাটন টিপল লিয়া। বাতি জ্বলে উঠেছে গাড়ির সিডি প্লেয়ারে। ‘চালু করে দেখা যাক।’

    ‘এটা অডিয়ো ডিস্ক নয়,’ বলল রানা, ‘ভিডিয়ো চালু করতে হলে কমপিউটার লাগবে।

    .

    একঘণ্টা পর মাইলখানেক দূরে ছোট এক হোটেলে উঠল রানা ও লিয়া। রেজিস্ট্রি খাতায় লিখেছে, ওরা মিস্টার অ্যাণ্ড মিসেস গর্ডন। হোটেলে যাওয়ার পথে মার্কেট থেকে কিনে নিয়েছে নতুন একটা ল্যাপটপ কমপিউটার। এখন হোটেলের ঘরে বসে বাক্স থেকে জিনিসটা বের করছে রানা। র‍্যাপিং খুলে ল্যাপটপ রাখল রুমের বৃত্তাকার টেবিলের ওপর। মিনিট তিনেক লাগল মেশিনটা চালু করতে। দ্য ম্যাজিক ফুট-এর কেস থেকে ভিডিয়ো সিডি নিয়ে ভরল কমপিউটারের ডিস্ক ড্রাইভে। ফিসফিস শব্দে কাজ শুরু করল নতুন ল্যাপটপ ফ্ল্যাট স্ক্রিনে খুলে গেল একটা উইণ্ডো।

    ডিস্ক লোড হতেই রানার পাশে চেয়ার টেনে বসল লিয়া। কয়েকটা ছবি ফুটতেই শুকনো গলায় বলল, ‘ইউরোপের নানান এলাকার ছবি। এই সিডি বোধহয় অ্যালেকের রিসার্চ ট্রিপের ফোটো ডায়েরি।

    কুঁচকে গেল রানার ভুরু। ‘সেক্ষেত্রে তোমার মোযার্ট বক্সের ভেতর এই ছবির সিডি কেন রাখল?’

    ‘জানি না।’ একটা ছবির ওপর ক্লিক দিল লিয়া। মনিটরে দেখা গেল বৃদ্ধ এক লোকের ছবি। মানুষটার বয়স অন্তত সত্তর। গাল ও কপালের ত্বকে অসংখ্য ভাঁজ থাকলেও চোখে তীক্ষ্ণ বুদ্ধির ঝিলিক। পেছনে উঁচু বুককেস। ওখানে শোপ্যান, বিটোফেন বা এলগারের মত নাম করা সব সুরকারের ওপরে লেখা বই।

    ‘কে এই লোক?’ জানতে চাইল রানা।

    ‘চিনি না,’ বলল লিয়া। আবারও ক্লিক দিল। বৃদ্ধের ছবির বদলে স্ক্রিনে ফুটেছে আরেকটা ছবি। বাড়িটা সাদা রঙের পাথরের। ছোট কোনও মন্দির বলে মনে হলো রানার। বাড়ির মাথার ওপর বড় গম্বুজ। ‘চিনেছি,’ বলল লিয়া ‘ইতালির র‍্যাভেনা। ওখানেই আছে দান্তের সমাধি। আমি একবার ওখানে গিয়েছি।’

    ‘অ্যালেকের রিসার্চ ছিল ভিয়েনায়,’ বলল রানা। ‘তা হলে ইতালিতে গেল কেন?’

    ‘জানি না।’

    ‘ইতালিতে প্রচুর সময় কাটাতেন মোযার্ট?’

    ক’মুহূর্ত ভাবার পর বলল লিয়া, ‘মিউযিক স্কুলে পড়াশোনার সময় যা জেনেছি, তা বলতে পারি। বোলোগনায় কৈশোর কাটিয়েছেন তিনি। এ ছাড়া, জরুরি প্রয়োজন না হলে কখনও ইতালিতে যেতেন না।’

    ‘ঠিক আছে, পরের ছবিতে যাও।’

    লিয়া ক্লিক দিতেই এল পরের ছবি। পার্টিতে সুন্দরী দুই মেয়ের সঙ্গে অ্যালেক। ওর দুই গালে চুমু দিচ্ছে তারা। খুশি মনে হচ্ছে অ্যালেককে। হাতের গ্লাসে ককটেল ড্রিঙ্ক।

    আবারও ক্লিক দিল লিয়া।

    একই পার্টির ছবি। এবার অ্যালেক বসে আছে পিয়ানোর সামনে। ডাবল টুলে ওর পাশে এক তরুণ। দু’জন মিলে বাজাচ্ছে পিয়ানো। ‘কি’ টিপছে অ্যালেক, মুখে আনন্দের হাসি। পার্টির ড্রেস পরা কয়েকটা মেয়ে মিউযিক শুনছে, সবার হাতে শ্যাম্পেনের লম্বা গ্লাস। ঝলমল করছে সবার চেহারা। দারুণ মজায় আছে সবাই পার্টিতে।

    ভাইয়ের দিকে বেশিক্ষণ তাকাতে পারল না লিয়া। পরের ছবিতে গেল। এবারের ছবি তুষার ছাওয়া কোনও গ্রামের। পেছনে পাহাড়ের কোলে সাদা হওয়া সব গাছ। ভুরু কুঁচকে ফেলল লিয়া। ‘সুইট্যারল্যাণ্ড?’

    ছবিটা মন দিয়ে দেখল রানা। ‘হয়তো, অথবা অস্ট্রিয়া।’ ছবির প্রপার্টি দেখল। এই ছবি তোলা হয়েছে অ্যালেক মারা যাওয়ার তিন দিন আগে।

    দীর্ঘশ্বাস ফেলল লিয়া। ‘কিছুই তো বুঝতে পারছি না।’

    ছবি দেখা বাদ দিয়ে চেয়ার ছেড়ে বেডের কিনারায় গিয়ে বসল রানা। পাশেই আছে একটা দৈনিক পত্রিকা। ওটার ওপর বক্স ফাইল থেকে নেয়া আধপোড়া কাগজপত্র। কয়েকটা কাগজের নিচে মুচড়ে যাওয়া একটা ডকুমেন্টের ওপর চোখ পড়ল ওর। ওটা অন্য কাগজ থেকে আলাদা। এতই পুড়ে গেছে, জায়গায় জায়গায় গায়েব হয়েছে শব্দ বা অক্ষর। গোটা জিনিসটা জিগ্‌সও পাযলের মত। নিচে জার্মান ভাষায় কী যেন লেখা। ওদিকে মন দিল রানা। তবে কয়েকটা বাক্য ছাড়া আর কিছুই নেই ওখানে।

    হঠাৎ করেই রানার মনে হলো, ওই ডকুমেন্ট মোযার্টের হাতে লেখা সত্যিকারের চিঠি। শ্বাস আটকে ফেলল। তবে কয়েক সেকেণ্ড পর বুঝল, ওটা আসলে সাধারণ ফোটোকপি।

    ওটা কারও কাছে লেখা মোযার্টের চিঠি।

    অ্যালেকের কথা মনে পড়ল রানার। ক’বছর আগে মোযার্টের চিঠি নিয়ে একটা কাহিনী বলেছিল অ্যালেক, পরিষ্কার মনে আছে ওর।

    বেশ ক’বছর আগে বেকারদের অ্যান্টিক পিয়ানো মেরামতির দোকানে এসেছিল পুরনো এক পিয়ানো। তখন মাত্র মারা গেছেন লিয়া আর অ্যালেকের মা। স্ত্রীর মৃত্যুতে একদম হাল ছেড়ে দিয়েছিলেন ওদের বাবা। দিনের পর দিন মদ গিলে পড়ে থাকতেন। সেকারণেই ধসে গেল পারিবারিক ব্যবসা। বিরক্ত হয়ে অন্য কারখানায় নিজেদের পিয়ানো মেরামতের জন্যে জমা দিতে লাগল কাস্টোমাররা। তবে সেসময়ে একদিন বাড়ির চিলেকোঠায় এমন এক জিনিস পেলেন গ্যারি বেকার, যেটা বদলে দিতে পারত তাঁর জীবনের মোড়।

    ওই অতি পুরনো পিয়ানো ছিল উনিশ শতকে ভিয়েনার নাম করা বাদ্যযন্ত্র নির্মাণকারী জোসেফ ব্যমের নিজ হাতে তৈরি। নানা জায়গায় ঘুরতে ঘুরতে উনিশ শ’ ত্রিশের দিকে ওটা পৌঁছেছিল ব্রিটেনে। যত্নের সঙ্গে রাখা হয়নি বলে, পিয়ানোর কেসওঅর্ক প্রায় খেয়ে নিয়েছিল ঘুণপোকা। ওই পিয়ানো মেরামত করতে চাইলে লাগবে মেলা সময়। তবে ওটা ছিল গ্যারি বেকারের পেশাদারী জীবনে পাওয়া সবচেয়ে সুন্দর পিয়ানো। ওটা দেখার পর খুশি হয়ে উঠলেন তিনি। ভাবলেন, মেরামত করে নিলামে তুলবেন। তাতে হয়তো পাওয়া যাবে দশ বা বারো হাজার পাউণ্ড। ওই টাকা তখন তাঁর কাছে অনেক। কাজেই পর্ট বা শেরির বোতল সরিয়ে রেখে কাজে নেমে পড়লেন গ্যারি।

    অবশ্য পুরো কাজ শেষ হওয়ার আগেই পিয়ানোর একটা পায়ার ভেতর তিনি আবিষ্কার করলেন তাঁর স্বপ্নের জিনিসটা। ফাঁপা ছিল ওই পায়া। ভেতরে ছিল রিবন দিয়ে মুড়ে রাখা একটা ডকুমেন্ট। হলদে কাগজে লেখা অক্ষরগুলো জার্মান তারিখ সতেরো শ’ একানব্বুই সালের নভেম্বর মাসের একটি দিনের। চিঠির নিচে কার সই তা বুঝতে পেরে আরেকটু হলে হার্ট অ্যাটাক করে মারা যেতেন গ্যারি বেকার।

    চিঠির লেখক উলফগান আমাদিউস মোযার্ট!

    মারা যাওয়ার ক’সপ্তাহ আগে ওই চিঠি লেখেন তিনি আজকাল আর তাঁর লেখা এ ধরনের চিঠি পাওয়া যায় না। কীভাবে পিয়ানোর ফাঁপা পায়ার ভেতর ওটা এল, তা এক গভীর রহস্য। গ্যারি বুঝে গেলেন, তিনি পেয়ে গেছেন এক ঐতিহাসিক সম্পদ। আর ওটাই হয়তো চিরকালের জন্যে বদলে দেবে তাঁর অর্থনৈতিক জীবন।

    রানার সঙ্গে দেখা হলেই ঘুরিয়ে ফিরিয়ে শুধু ওই চিঠির কথা বলত অ্যালেক। লণ্ডনে গিয়ে এক্সপার্ট মিউযিকোলজিস্ট আর অ্যান্টিকুয়েরিয়ানদের সঙ্গে যোগাযোগ করেন গ্যারি বেকার। তবে এক্সপার্টরা ওই চিঠি নকল বলে রায় দিলে মুখ থুবড়ে পড়ে তাঁর রঙিন স্বপ্ন।

    ‘ওটা হয়তো সত্যিই নকল নয়,’ আনমনে বলল রানা।

    ঘুরে ওর দিকে তাকাল লিয়া। ‘কী সত্যি নয়?’

    ‘তোমার বাবার ওই চিঠি হয়তো আসল। আর সেজন্যেই ওটা পেতে তোমার পিছু নিয়েছে লোকগুলো। সত্যিকারের চিঠি হলে সেটার দাম কত হতে পারে?’

    ধীরে ধীরে মাথা নাড়ল লিয়া। ‘তোমার মনে নেই, বাবা ওটা বিক্রি করে দিয়েছিল? তুমি বোধহয় জানো না। তাও তো অন্তত সাড়ে পাঁচ বছর আগের কথা।’

    ‘ওটা জেনুইন নয় জেনেও কিনল কেন কেউ?’

    মৃদু হাসল লিয়া। ‘মন ভেঙে গিয়েছিল বাবার। তবে সেসময়ে যোগাযোগ করলেন উন্মাদ এক সংগ্রাহক। তিনি ছিলেন ইতালির মিউযিক স্কলার। চিঠিটা কিনতে চাইলেন। বাবা যেমন ভেবেছিল কোটি কোটি টাকা পাবে, তেমন না পেলেও রাজি হয়ে গেল বিক্রি করতে। সেসময়ে ইতালিয়ান সংগ্রাহক আরও জানালেন, ওই পিয়ানোটাও তিনি কিনে নিতে চান। তখন মেরামতির মাঝপর্যায়ে আছে পিয়ানো। তবুও পুরো দামে ওটা কিনলেন তিনি। আমার মনে আছে, সব গুছিয়ে ট্রাকে তুলে নিয়ে গিয়েছিলেন তিনি। এক্সপার্টরা হতাশ করলেও ওই টাকা পেয়ে আবারও সচ্ছল হলো বাবা। আর সেজন্যেই নিউ ইয়র্কে গিয়ে মিউযিক অ্যাকাডেমিতে ভর্তি হতে পেরেছিলাম আমি।’

    ‘ওই ইতালিয়ান স্কলারের নাম কী?’ জানতে চাইল রানা। ‘মনে নেই,’ কয়েক মুহূর্ত ভাবল লিয়া। ‘এরপর পেরিয়ে গেছে পাঁচ বছরেরও বেশি সময়। তা ছাড়া, কখনও তাঁর সঙ্গে দেখা হয়নি আমার। অ্যালেক চিনত। আমাকে বলেছিল, ওই ভদ্রলোকের বয়স অনেক। এতদিনে হয়তো আর বেঁচেই নেই।’

    ফোটোকপি করা চিঠি আরেকদিকে সরিয়ে রাখল রানা। ঘাঁটছে অন্যান্য ডকুমেন্ট। কিছুক্ষণ পর অন্যকিছু চোখে পড়ল ওর। মনোযোগ দিল ওটার দিকে।

    আগুনে পুড়ে গেছে অ্যালেকের লেখা কাগজের মার্জিন। কয়েক লাইন পড়ল রানা। এরপর কাগজে বোল্ড ক্যাপিটাল অক্ষরে আণ্ডার লাইন দিয়ে লেখা হয়েছে একটা বাক্য। তবে পুড়ে ছাই হয়েছে বাক্যের পরের অংশ। লিয়ার দিকে চেয়ে উচ্চারণ করে পড়ল রানা: ‘এখানে ইংরেজিতে লিখেছে: ‘অর্ডার অভ আর… কাঁধ ঝাঁকাল। ‘এটা দিয়ে কী বোঝাতে চেয়েছে অ্যালেক?’

    ‘আমার জানা নেই।’

    অন্যান্য কাগজের সঙ্গে পোড়া ডকুমেন্ট রাখল রানা। ‘আগুনে পুড়ে আবর্জনা হয়েছে সব।’

    কমপিউটারে ফোটোগ্রাফ দেখা শেষ লিয়ার।

    সিডিতে রয়েছে মাত্র একটা ফাইল।

    রানা পেছনে গিয়ে দাঁড়াতেই ওটার ওপর ক্লিক করল লিয়া।

    শুকনো গলায় বলল রানা, ‘এটা ফোটো ফাইল নয়, ভিডিয়ো ক্লিপ।’

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleমাসুদ রানা ৪৬২ – এক্স এজেন্ট
    Next Article রবিনহুড – কাজী আনোয়র হোসেন

    Related Articles

    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৩৮৫-৩৮৬ – হ্যাকার (দুই খণ্ড একত্রে)

    July 22, 2025
    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫৬ – টপ টেরর

    July 22, 2025
    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫৪ – নরপশু

    July 22, 2025
    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫৩ – ধর্মগুরু

    July 22, 2025
    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫২ – কালো কুয়াশা

    July 22, 2025
    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫১ – মায়া মন্দির

    July 22, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }