Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    মাসুদ রানা ৪৬৫ – কাউণ্ট কোবরা

    কাজী আনোয়ার হোসেন এক পাতা গল্প389 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    কাউণ্ট কোবরা – ৩৮

    আটত্রিশ

    আধঘণ্টা পর কফি, পাউরুটি টোস্ট ও ডিমের গন্ধে নিজের ঘর থেকে বেরোল লিয়া। নিচতলা থেকে আসছে আন্তরিক আলাপ ও হাসি। দু’সারি সরু সিঁড়ির ফাঁক দিয়ে রানা আর এমিলিকে দেখতে পেল লিয়া। টেবিলে বসে তাস দিয়ে নড়বড়ে এক বাড়ি তৈরি করছে ওরা। ছাত হিসেবে খুব সাবধানে শেষ তাস বসাল রানা। ধীরে ধীরে সরিয়ে নিল হাত। একটু টলমল করলেও টিকে গেল ওর সৃষ্টি। খুব মনোযোগ দিয়ে দেখেছে এমিলি, এবার বড় করে শ্বাস নিয়ে ফুঁ দিল বাড়ির ওপর। টেবিলে ছড়িয়ে গেল তাসগুলো।

    ‘অ্যাই, তুমি চিটিংবাজি করছ!’ আপত্তি তুলল রানা।

    খিলখিল করে চেয়ারে দুলে দুলে হাসতে লাগল এমিলি।

    ওপর থেকে সব দেখছে লিয়া। ভাবছে, যে কখনও সংসার করবে না, তেমন একজন মানুষ কীভাবে এত সহজে খেলতে পারে বাচ্চাদের সঙ্গে! রানাকে প্রিয় বন্ধু হিসেবে ধরে নিয়েছে এমিলি। এখন মানুষটার ভেতর একফোঁটা কঠোরতা নেই। হঠাৎ কয়েক বছর আগের সেই হাসিখুশি রানাকে মনের চোখে দেখতে পেয়ে নিজেকে শাসন করল লিয়া: ‘লিয়া, খবরদার, আবারও ওকে কাছে টানতে যাস নে!’

    লিয়াকে সিঁড়ি বেয়ে নামতে দেখে লজ্জা পেয়ে হাসল এমিলি। ওপরতলায় পায়ের আওয়াজ শুনে তড়িঘড়ি করে বলল, ‘বাবা উঠে পড়েছে! লিয়া, আপনি সিঁড়ি থেকে জলদি নেমে পড়ুন!’

    ‘কেন?’ অবাক হয়ে জানতে চাইল লিয়া।

    ‘কারণ বাবা উঠলে জো-ও উঠবে। আর সিঁড়ি বেয়ে নামতে শুরু করলে ও একেবারেই থামতে পারে না। শেষে ধাক্কা খেয়ে পড়ে যাবেন। জো সবসময় ওই কাজটা করে। খুশিতে ঝলমল করে উঠল এমিলির দু’চোখ। কালো একটা বিরাট কামানের গোলার মত সিঁড়ি বেয়ে ঝড়ের বেগে নামছে বিশাল কুকুরটা! ‘ওই যে এল!’

    সংঘর্ষ এড়াতে সিঁড়ির একপাশে সরল লিয়া। লাফিয়ে চেয়ার ছাড়ল এমিলি। কুকুরটাকে নিয়ে ঘর ছেড়ে ছিটকে বেরিয়ে গেল। ‘চল্, জো! তোকে নাস্তা দেবেন সিস্টার বার্য।’ খুলে ধুম্ করে বন্ধ হলো দরজা। নীরবতা নামল ফার্মহাউসের ভেতরে।

    ‘মেয়েটা খুব মিষ্টি,’ বলল লিয়া।

    ‘ওর তুলনা নেই,’ নির্দ্বিধায় জানাল রানা।

    ‘তোমাকে খুব পছন্দও করে।’

    ‘আমিও ওকে খুব পছন্দ করি।’

    ‘তুমি চাইলে ওর মত দুটো বাচ্চার বাবা হতে পারো।’ বুকের ভিতর হঠাৎ করেই কীসের এক হুতাশ টের পেল রানা। দু’জনের জন্যে কফি ঢালল কাপে। খেয়াল করেছে, গতদিনের উত্তেজনা ও ভয় কাটিয়ে উঠেছে লিয়া। গরম কফি নিয়ে মুখোমুখি বসল ওরা। শুনতে পেল দোতলায় ধুপ-ধাপ আওয়াজ করছে লুদভিগ।

    ‘তোমরা কি আজই ফিরবে?’ জানতে চাইল লিয়া।

    মৃদু মাথা দোলাল রানা। ‘বিকেলের দিকে।’

    ‘তোমাকে ছাড়া জায়গাটা কেমন যেন ফাঁকা-ফাঁকা লাগবে।’

    ‘এটাই হয়তো তোমার জন্যে ভাল।’

    কফিতে চুমুক দিল লিয়া। ‘ফিরে গিয়ে কী করবে তুমি?’

    ‘প্রথমে দেখা করব গ্রাফহসলার পরিবারের সঙ্গে।’

    ‘তোমার সঙ্গে কথা বলবে তারা?’

    ‘চেষ্টা করতে তো দোষ নেই।’ হঠাৎ দরজার ওপরের র‍্যাকে চোখ পড়েছে রানার। ‘আরে, আগে তো এটা দেখিনি!’ র‍্যাকের ওপর রয়েছে একটা ডাবল ব্যারেল শটগান। চেয়ার ছেড়ে দরজার সামনে গিয়ে দাঁড়াল রানা। নামিয়ে নিল বন্দুকটা। ‘ভাল অস্ত্র মনে হচ্ছে!

    ‘তবে পুরনো আমলের।’

    ‘হ্যাঁ, বয়স অন্তত এক শ’। তবে রাখা হয়েছে খুব যত্নে।’ কাঠের বাঁট ও ব্যারেল দেখল রানা। স্টক ও হ্যামারে হাতের কারুকাজ। আধুনিক অস্ত্র নিখুঁত হলেও সেসবে এ ধরনের সৌন্দর্য থাকে না। ফলে পিছিয়ে পড়ে শিল্পের মাপকাঠিতে। এই বন্দুক রাবার ও পলিমার প্লাস্টিকের নয়। কাঠের কারুকাজ যেমন করেছে, তেমনি ভালবেসে নিখুঁত করতে চেয়েছে শিল্পী অস্ত্রটাকে।

    ‘এখনও কাজ করে?’ জানতে চাইল লিয়া। নাস্তা শেষ করে কফির মগ টেনে নিয়ে চুমুক দিল।

    ‘এসব তৈরি করা হয় প্রায় চিরকালের জন্যে,’ বলল রানা। ‘হয়তো এই বন্দুক দিয়ে খরগোশ শিকার করত কেয়ারটেকার বার্নার্ড।’ ওটার অ্যাকশন পরীক্ষা করল রানা। পুরনো ঘড়ির মত ক্লিক শব্দে উঠেছে হ্যামার। তিনটে জোরালো ক্লিক হতেই লক হয়েছে। দুটো ট্রিগার একটা আরেকটার পেছনে। এক এক করে দুই ট্রিগার টিপল রানা। মাত্র দেড় পাউণ্ড চাপেই দেবে গেছে ট্রিগার। নিয়মিত তেল দেয়া হয়েছে অ্যাকশনে। ব্যারেলে উঁকি দিয়ে রানা দেখল, ধুলোবালি, মরিচা নেই। নেড়েচেড়ে দেখল অস্ত্রটা। সহজ সুরে বলল, ‘দু’চারটে গুলি করে দেখে নেব।’ একটু খুঁজেই একটা ড্রয়ারে পেয়ে গেল এক বাক্স কার্তুজ।

    বাইরে সূর্যের আলোয় ঝিকমিক করছে সাদা তুষার। ‘আমিও তোমার সঙ্গে আসব?’ জানতে চাইল লিয়া।

    ‘নিশ্চয়ই।’ রাবারের বুট পরে লিয়াকে নিয়ে বাইরে এল রানা। হাতের বন্দুক কাঁধে ফেলে সরে গেল কনভেন্ট থেকে।

    আজ নীল আকাশ ঝকঝকে। উত্তরদিক থেকে বইছে তাজা হাওয়া। কনভেন্ট অনেক পেছনে রেখে তুষার ভরা এক টিলা পাশ কাটিয়ে গেল ওরা। একবার কনভেন্টের দিক দেখে নিল রানা। ‘এত দূর থেকে গুলির আওয়াজে হার্ট অ্যাটাক হবে না নানদের।’ দূরের পাহাড় দেখল। ‘গুলির আওয়াজে অ্যাভালাঞ্চও হবে না।’ একটা পাইন গাছে ঠেস দিয়ে বন্দুক রেখে লিয়ার দিকে তাকাল ও। ‘এবার আমাকে সাহায্য করো।’

    ‘কী কাজে?’ অবাক হয়ে জানতে চাইল লিয়া।

    ‘আমার চাই সত্যিকারের একটা তুষারমানব।’ দু’হাতে তুষার তুলে স্তূপ তৈরি করছে রানা।

    ওর পাশে হাত লাগাল লিয়াও। হাসতে হাসতে বলল, ‘বহুদিন ছেলেমি করি না। মনে পড়ছে ছোটবেলায় অ্যালেক আর আমি তুষারমানব তৈরি করতাম। কিন্তু কাজ শেষ হলেই আমার ঘাড় ধরে পিঠে একগাদা তুষার গুঁজে দিত ও। তখন কোদাল হাতে ওকে ধাওয়া দিতাম।’

    তুষারের স্তূপ তৈরি করতে করতে মৃদু হাসছে রানা।

    কৌতূহলী চোখে ওকে দেখছে লিয়া।

    ওর চোখে তাকাল রানা। ‘কী?’

    ‘আমার এখনও বিশ্বাস হচ্ছে না,’ বলল লিয়া।

    ‘কী বিশ্বাস হচ্ছে না?’

    ‘তুমি আর তোমার সৈনিক জীবন।’

    ‘অ্যালেক তো সব জানত।’ আরও কিছু তুষার ছোট্ট ঢিবির ওপর চাপাল রানা। ধীরে ধীরে জন্ম নিচ্ছে তুষার-মানব।

    কেন যেন মনে হয়, দেবতাদের মত তোমার বুকেও কোনও পাপ নেই, বলল লিয়া, ‘সবসময় চেয়েছ দুর্বল মানুষের পক্ষ নিয়ে লড়তে, পারলে উপকার করতে।

    চুপ করে থাকল রানা। চারফুট উঁচু হতেই তুষারমানবের কাঁধে বসিয়ে দিল তুষারের গোল একটা মাথা।

    ‘নাক চাইলে গাজর লাগবে,’ বলল লিয়া। ‘আরও চাই মাথায় উলের হ্যাট আর মুখে কাঠি। তখন দেখাবে সত্যিকারের পাইপ টানা তুষারমানবের মত।’

    চোখ দেয়ার জন্যে বরফের মূর্তির মাথায় তর্জনী দিয়ে খুঁচিয়ে দুটো গর্ত করল রানা। ‘এতেই চলবে। এবার চলো।

    ‘কোথায়?’

    গাছে ঠেস দেয়া বন্দুকের দিকে চলেছে রানা।

    ‘এবার বঝেছি,’ পিছু নিল লিয়া।

    ‘কী বুঝেছ?’

    ‘তুমি তুষারমানবের গায়ে গুলি করবে।’

    ‘ঠিক।’

    ‘পুরুষমানুষ… গোলাগুলি ছাড়া আর কী বুঝবে?’

    ‘তোমাকে বাঁচাতে হবে না ওর হাত থেকে?’ ডানদিকের ব্রিচে কার্তুজ ভরে বন্দুক আটকে নিল রানা। তিরিশ গজ দূরের ভয়ঙ্কর তুষারমানবের দিকে অস্ত্রটা তাক করল।

    দুই কানে দুই তর্জনী গুঁজলো লিয়া।

    ডানদিকের হ্যামার তুলে ট্রিগার টিপতেই রানার কাঁধে লাগল বন্দুকের কুঁদোর জোরালো গুঁতো। পাহাড়ে গিয়ে বাড়ি খেয়ে ফিরে এল প্রতিধ্বনি।

    কান থেকে হাত সরিয়ে বিড়বিড় করল লিয়া, ‘মৃত্যু- দেবতার হাতে খুন হয়েছে তুষারমানব।’

    মাথাটা উড়ে গেছে ওটার।

    ‘আমিও চেষ্টা করে দেখব?’ জানতে চাইল লিয়া।

    ‘ভাল হয়,’ ওর হাতে বন্দুক ধরিয়ে দিল রানা। দেখিয়ে দিল কীভাবে খুলতে হবে ব্রিচ। ওটার ভেতর থেকে ছিটকে দূরে গিয়ে পড়ল গুলির খালি খোসা। ধূসর ধোঁয়া বেরোচ্ছে ব্রিচ থেকে। রানার কাছ থেকে দ্বিতীয় কার্তুজ নিয়ে ওখানে ভরল লিয়া। কীভাবে কাঁধে শক্ত করে ধরতে হবে বন্দুকের বাঁট, বা গ্রিপে কোথায় থাকবে হাত, বুঝিয়ে দিল রানা।

    ‘ভীষণ জোরে ধাক্কা দেবে?’ জানতে চাইল লিয়া।

    ‘দেবে, তবে খুব বেশি নয়।’ এক পা পিছিয়ে গেল রানা।

    ওকে অনুকরণ করে হ্যামার তুলল লিয়া। একটু একটু কাঁপছে হাতের বন্দুক। মাথাহীন তুষারমানবের বুকে নল তাক করে বড় করে একবার শ্বাস নিয়ে টিপে দিল ট্রিগার। -বিক্ষত হলো বরফ-মানবের বুক। নানাদিকে ছিটকে গেল তুষার।

    ‘গুড শট,’ বলল রানা।

    ‘খুন করেছি!’ খুশিতে চেঁচিয়ে উঠল লিয়া। ঘুরেই হাত থেকে বন্দুক ফেলে জড়িয়ে ধরল রানাকে। এত খুশি যে লিয়া বুঝতেও পারেনি কী করছে।

    ভারসাম্য হারিয়ে ওকে নিয়ে তুষারের মেঝেতে পড়ল রানা। খিলখিল করে হাসছে লিয়া। ফিরে গেছে ছয় বছর আগে। চোখ থেকে চুল সরাল। লালচে হয়ে উঠেছে দুই গাল। চোখের পাপড়িতে মেখে আছে তুষারকণা।

    হঠাৎ থমকে গিয়ে দু’জন দু’জনকে দেখল ওরা।

    ‘বলো তো, এসব কী করছি আমরা?’ ফিসফিস করল লিয়া।

    ‘জানি না,’ আলতো করে লিয়ার গাল স্পর্শ করল রানা। মনে ভর করেছে অদ্ভুত ঘোর। ওর নিষ্ঠুর ঠোঁট নেমে এল লিয়ার কোমল অধরে। আবারও হারিয়ে ফেলার ভয়ে দু’জন দু’জনকে জড়িয়ে ধরল ওরা। ভুলে গেল দুনিয়ার সবকিছু। তবে একটু পর সরে গিয়ে ধড়মড় করে উঠে দাঁড়াল লিয়া। লজ্জায় গোলাপি হয়েছে ওর দুই গাল।

    বুক ভরা অতৃপ্তি নিয়ে উঠে পড়ল রানা।

    পোশাক থেকে তুষারকণা ঝাড়তে শুরু করে বলল লিয়া, ‘বোধহয় আর না এগোনোই আমাদের ভাল?’

    অনিশ্চিত মনে চুপ থাকল রানা। অস্বস্তি নিয়ে তুলে নিল বন্দুকটা। ওটা পরিষ্কার করে বলল, ‘চলো, ফেরা যাক।’

    সারাটা দিন ওরা ভাবল রঙিন ওই মুহূর্তগুলোর কথা। কেমন যেন আড়ষ্ট হয়েছে ওদের সম্পর্ক। মাঝে বাধা হয়ে উঠেছে অদৃশ্য কোনও প্রাচীর। না পারবে ওটা ডিঙিয়ে যেতে, না পারবে ফিরে যেতে। বোকার মত কাজ করে বসে সকাল থেকে নিজেকে দোষ দিচ্ছে রানা: ফেলে আসা সেই অতীতের কবে যেন দু’দিকে চলে গেছে ওদের দুই পথ!

    মাথা থেকে সব দূর করতে গিয়ে এমিলি ও কুকুরটার সঙ্গে বাইরে গিয়ে খেলল রানা। জো খুব বুদ্ধিমান। রানা শিখিয়ে দিল, চুপ করে বসে থাকতে হবে। তারপর তিন মিনিট পেরিয়ে যাওয়ার পর তিনবার হাততালি দিলেই খুঁজে আনতে হবে এমিলিকে। কয়েক বছর বয়স কম হলে জো হতো আদর্শ পুলিশ বা মিলিটারি ডগ। লুকোচুরি খেলতে দারুণ মজা ওর। ওদিকে এমিলিও আছে দারুণ ফুর্তিতে।

    ধীরে ধীরে এল বিকেল। চিলেকোঠায় ফিরে ব্যাগ গুছিয়ে নিচ্ছে রানা, এমনসময় পেছনে কারও উপস্থিতি টের পেল। ঘুরে দেখল চুপচাপ দাঁড়িয়ে আছে লিয়া। মেয়েটার ঠোঁটে বিষণ্ণ হাসি। চোখদুটো একটু ভেজা। অস্ফুট স্বরে বলল, ‘সাবধানে থেকো।’ রানা কিছু বলার আগেই এগিয়ে এসে ওকে জড়িয়ে ধরল লিয়া। রানার কানে চুমু দিয়ে ফিসফিস করে বলল, ‘আমাকে আবার ভুলে যেয়ো না যেন!’

    ‘আবার দেখা হবে, লিয়া,’ ওর চুলের সুগন্ধি বুক ভরে টেনে নিল রানা।

    ‘বেশি দেরি কোরো না,’ বলল লিয়া। ওর দু’চোখের কয়েক ফোঁটা তপ্ত অশ্রু পড়ল রানার ঘাড়ে। ‘আমি আবারও তোমাকে হারিয়ে ফেলতে চাই না।’

    .

    তুষারে ছাওয়া পথে ফিরে চলেছে মার্সিডিয। জরুরি কথা নেই বলে নীরবতা ভাঙছে না লুদভিগ কেইলম্যান। চুপচাপ পেরিয়ে গেল কয়েক ঘণ্টা, একটা কথা হলো না রানা ও তার। ডুবে আছে যে যার চিন্তায়। তবে অস্ট্রিয়ার সীমান্ত পেরোবার পর রানা জানতে চাইল, ‘মাদার সুপিরিয়রের সঙ্গে তোমার পরিচয় কীভাবে?’

    ‘পত্রিকার কলামিস্ট ছিলেন। পেছনে লেগে গিয়েছিল প্রভাবশালী একদল ব্যবসায়ী। কয়েকবার হামলা হওয়ার পর পরিচয় হলো তাঁর সঙ্গে। বাজে পরিস্থিতি বুঝতে পেরে তাঁকে বললাম, বাঁচতে হলে অস্ট্রিয়া ছেড়ে কোথাও চলে যেতে হবে তাঁকে।’

    ‘তারপর?’

    ‘জানালেন, তাঁর কোথাও যাওয়ার আর্থিক সঙ্গতি নেই। তখন ধরলাম পরিচিত এক মোহন্তকে। তিনি প্রস্তাব দিলেন, স্লোভেনিয়ায় বহু দূরের এক কনভেন্টে ঠাঁই দিতে পারবেন মিস বোমেইস্টারকে। চুপ করে গেল লুদভিগ। কিছুক্ষণ পর বলল, ‘এমনিতেই আত্মীয়-স্বজন ছিল না, রাজি হলেন। তাও অন্তত পনেরো বছর আগের কথা। বুদ্ধিমতী মহিলা। একসময়ে হয়ে গেলেন মাদার সুপিরিয়র। এখন আর লেখালেখির সময় পান না।’

    ‘তার মানে তাঁর প্রাণরক্ষা করেছিলে,’ বলল রানা।

    মাথা নাড়ল লুদভিগ। ‘তা নয়। নিজে কিছুই করতে পারতাম না। আমি শুধু দু’একটা সুতোয় টান দিয়েছি।’

    ‘তোমার ডিপার্টমেন্টের কাউকে বিশ্বাস করো?’

    ‘মাত্র তিনজনকে। ওরা আমার নিজ হাতে তৈরি। অন্যদের কথা বলতে পারব না।’

    ‘তোমার সেই চেনা সুপিরিয়র অফিসার?’

    ‘কমপক্ষে দশ বছর ধরে তাঁকে চিনি। ভুলেও নিজেকে নোংরামির ভেতর জড়াবেন না। তবে ওপর থেকে আদেশ এনে অবসরে যেতে বাধ্য করা হয়েছে তাঁকে। এ ছাড়া উপায়ও ছিল না।’

    পিছিয়ে যাচ্ছে পিচঢালা পথ।

    আবারও নীরব হলো ওরা।

    রানা জানে, অস্ট্রিয়ায় চট্ করে পিস্তল বা গুলি পাওয়া খুব কঠিন। হাতে সময়ও পাবে না যে রানা এজেন্সি বা গগলের মাধ্যমে ওগুলো সংগ্রহ করবে। অনেকক্ষণ পর আবারও নীরবতা ভাঙল রানা, ‘আমার জরুরি কিছু জিনিস দরকার।’

    ‘কী ধরনের?’

    ‘পিস্তলের গুলি,’ বলল রানা, ‘ক্যালিবার ফোর্টি-ফাইভ। পিতলের জ্যাকেট পরা। ভাল কণ্ডিশন হতে হবে। অন্তত দু’শ’ রাউণ্ড। ফেডারেল অথবা রেমিংটন কোম্পানির।’

    ‘দেখি জোগাড় করতে পারি কি না, বলল লুদভিগ। ‘নইলে অন্য পিস্তল হলেও চলবে। তবে নাইন এমএম- এর কম না হলেই ভাল।’

    চেনা এক লোককে বলব। আশা করি জোগাড় করে দিতে পারবে।’

    ঝড়ের বেগে চলেছে গাড়ি। কিছুক্ষণ পর জানতে চাইল লুদভিগ, ‘এমিলিয়া আর তোমার কাহিনীটা কী?’

    দ্বিধা নিয়ে জবাব দিল রানা, ‘কোনও কাহিনী নেই।’

    ‘তা তো বুঝতেই পেরেছি।’

    কাঁধ ঝাঁকাল রানা। ‘একসময়ে ঘনিষ্ঠ ছিলাম। তবে কিছু কারণে আর মিলন হয়নি।’ আর কিছু বলার নেই ওর।

    —ঠিক আছে, নাক গলাতে চাই না,’ বলল লুদভিগ, ‘তবে একটা কথা বলতে চাই।’ চুপ হয়ে গেল সে।

    ‘বলো।’

    ‘মেয়েটা তোমাকে ভালবাসে। তুমি ওকে পছন্দ করে থাকলে সময়টা নষ্ট কোরো না।’

    লুদভিগের দিকে তাকাল রানা।

    পাথরের মত চেহারা করে গাড়ি চালনায় ব্যস্ত লোকটা। আড়ষ্ট কণ্ঠে বলল, ‘জীবনে সবাই ভালবাসা পায় না, রানা।’ খুব নিচু স্বরে জানাল, ‘আমি জানি, কারণ মারা গেছে আমার মনের মানুষ।’

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleমাসুদ রানা ৪৬২ – এক্স এজেন্ট
    Next Article রবিনহুড – কাজী আনোয়র হোসেন

    Related Articles

    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৩৮৫-৩৮৬ – হ্যাকার (দুই খণ্ড একত্রে)

    July 22, 2025
    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫৬ – টপ টেরর

    July 22, 2025
    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫৪ – নরপশু

    July 22, 2025
    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫৩ – ধর্মগুরু

    July 22, 2025
    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫২ – কালো কুয়াশা

    July 22, 2025
    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫১ – মায়া মন্দির

    July 22, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }