Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    মাসুদ রানা ৪৬৫ – কাউণ্ট কোবরা

    কাজী আনোয়ার হোসেন এক পাতা গল্প389 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    কাউণ্ট কোবরা – ৪৪

    চুয়াল্লিশ

    মগজে দপদপে ব্যথা। একটু একটু করে চেতনা ফিরছে রানার। খানিক পরে বুঝল, চলন্ত কোনও গাড়ির মালপত্র রাখার জায়গায় ফেলে রাখা হয়েছে ওকে। অন্ধকারে চোখ মেলে কিছুই দেখল না। অসুস্থ লাগছে, সেইসঙ্গে ভীষণ শীতে খটাখট বাড়ি খাচ্ছে দুই পাটি দাঁত। থরথর করে কাঁপছে সারা শরীর। একবার গুঙিয়ে উঠে ধীরে ধীরে উঠে বসল রানা। একটু বিশ্রাম নিতে হবে। বনবন করে ঘুরছে মাথা।

    মনে এল আবছা কিছু স্মৃতি। খুনিদের এড়িয়ে আরেক পথে হেঁটে যাচ্ছিল। সামনেই ছিল লাল গাড়ি। তবে তার আগে দুর্ঘটনায় আহত হয়েছিল লুদভিগ। এবার সবই মনে পড়ল রানার। হাত গেল ঘাড়ের পেছনে। ফুলে আছে মাংসের একাংশ। ডার্ট মেরে ট্র্যাঙ্কুলাইযার দিয়ে অজ্ঞান করেছে ওকে। মেয়েটা কী যেন বলেছিল ওকে… কাজটা করছে ইচ্ছের বিরুদ্ধে।

    দেয়ালের পাশে রিইনফোর্সড ব্রেস হাতে ঠেকতেই ওটা ধরে উঠে দাঁড়াল রানা। এদিক-ওদিক দুলে ঝাঁকি খেতে খেতে চলেছে ট্রাক। স্থির হওয়া কঠিন। চারদিকে কোথাও কোন জানালা নেই। চট্ করে হাতঘড়ি দেখল রানা। এখন বাজে প্রায় ছয়টা। দেড়ঘণ্টার বেশি অজ্ঞান হয়ে ছিল ও। জানা নেই এরা কোথায় নিয়ে চলেছে ওকে।

    আরও পনেরো মিনিট ঝাঁকুনি দেয়ার পর ট্রাক নেমে পড়ল আরও ভাঙা রাস্তায়। হঠাৎ জোরে ডানে বাঁক নিল। পড়তে গিয়েও দু’দিকের দেয়ালে হাত রেখে সামলে নিল রানা। তবে তখনই ব্রেক কষে থামল যন্ত্রদানবটা। ধুম আওয়াজে বন্ধ হলো ধাতব বড় কোনও দরজা। বাইরে অন্তত তিনজন লোকের গলার আওয়াজ। তুফান বেগে জার্মান ভাষায় কথা বলছে। ব্যাক গিয়ার দিয়ে পিছিয়ে গেল ট্রাক। চারপাশ থেকে এল ইঞ্জিনের ঘড়ঘড় শব্দের প্রতিধ্বনি। রানার মনে হলো, ওকে নিয়ে আসা হয়েছে খালি কোনও ওয়্যারহাউসের ভেতর। ট্রাক থামার কয়েক মুহূর্ত পর খুলে গেল পেছনের দরজা। ভেতরে ঢুকল অত্যন্ত জোরালো সাদা আলো। চোখ ধাঁধিয়ে গেছে রানার। শক্তিশালী কয়েকটা হাত খপ্ করে চেপে ধরল ওর দুই কাঁধ। তাল হারিয়ে হাঁটু গেড়ে বসল রানা। পরক্ষণে ছেঁচড়ে টেনে ওকে নামানো হলো বরফের মত ঠাণ্ডা কংক্রিটের মেঝেতে। মুখ তুলে চোখ পিটপিট করে চারপাশে তাকাল রানা। ওকে ঘিরে রেখেছে অন্তত দশ-বারোজন লোক। হাতে পিস্তল বা হেকলার অ্যাণ্ড কক্ সাবমেশিন গান। এদেরকে মিলিটারির প্রাক্তন সদস্য বলে মনে হলো রানার। চেহারা পাথুরে। চোখের দৃষ্টি শীতল। হাত-পায়ের নড়াচড়া মাপা।

    ধাতব এই ঘরটা বোধহয় একসময়ে ছিল কোনও এয়ার-বেসের হ্যাঙার। ক্যাথেড্রালের মত বহু ওপরে উঠেছে চারদিকের অ্যালিউমিনিয়ামের দেয়াল। কংক্রিটের মেঝে সবুজ রঙের। একটু দূরে আসবাবপত্র বলতে রয়েছে স্টিলের টিউব দিয়ে তৈরি একটা চেয়ার ও টেবিল। কাঁচ দিয়ে ঢাকা একটা চুলোয় জ্বলছে আগুন। ওটার একটু ওপরে দীর্ঘ চিমনি উঠে গেছে ছাত ফুঁড়ে।

    বিশাল হ্যাঙারের মাঝখানে পিছন ফিরে চুলোয় হাত গরম করছে দীর্ঘদেহী এক লোক। পরনে কালো পোশাক। আর্মি কাট চুল ধূসর রঙের।

    উজ্জ্বল আলোয় চোখ কুঁচকে তাকে দেখল রানা। মনে হলো চেনে ওকে। কিন্তু কোথায় দেখেছে স্মরণ নেই।

    রানার খুব কাছে দাঁড়িয়ে আছে অস্ত্র হাতে এক লোক। ঝুঁকি নিল রানা, লাফ দিয়ে উঠে দাঁড়িয়েই ডানহাতের তালুর কিনারা দিয়ে প্রচণ্ড জোরে মেরে বসল লোকটার গলায়। শ্বাসনালী চুরমার হওয়ায় ধড়াস করে মেঝেতে পড়ল সে। অস্ত্র ছেড়ে দিয়ে দু’হাতে চেপে ধরেছে কণ্ঠা। মেঝেতে ছটফট করছে আহত সাপের মত। হেকলার অ্যাণ্ড কক্ সাবমেশিন গান মেঝেতে পড়ার আগেই ধরে ফেলেছে রানা। অস্ত্রটা কক করা। মুহূর্তে অফ করল সেফটি ক্যাচ। রানার হাত চলছে বিদ্যুদ্গতিতে। এবার কয়েক দফায় ব্রাশ ফায়ার করে নিজেকে মুক্ত করবে ও, তারপর…

    রানার হাত থেকে খটাং শব্দে মেঝেতে পড়ল অস্ত্রটা। সারা দেহে শক্তিশালী বিদ্যুতের তরঙ্গ বইছে, থরথর করে কাঁপছে শরীর। একটু দূরে ট্রাকের কাছে দাঁড়িয়ে হাসছে এক প্রহরী, হাতে ট্যোর গান। এইমাত্র রানার পিঠে ডার্ট গেঁথে দিয়েছে সে। হাত-পায়ের পেশি চলে গেছে রানার নিয়ন্ত্রণের বাইরে।

    ‘যথেষ্ট হয়েছে,’ এগিয়ে এল কালো পোশাকের লোকটা। অফ হলো টেযারের বিদ্যুৎ। ডাঙায় তোলা আধমরা মাছের মত হাঁ করে হাঁপাচ্ছে রানা। টের পায়নি কখন পড়ে গেছে মেঝেতে। ওর ক্যানভাসের ব্যাকপ্যাক এখন এক গার্ডের হাতে। ওটা নিয়ে কালো পোশাক পরা লম্বা লোকটার হাতে দিল সে। ধাতব টেবিলে উপুড় করা হলো ব্যাকপ্যাক। ছিটিয়ে পড়েছে ভেতরের সব জিনিস: রানার পোশাক, ফার্স্ট- এইড কিট, প্যারা-অর্ডন্যান্স .৪৫ ইত্যাদি।

    কিন্তু ওগুলো নয়, কালো পোশাক পরা লোকটার নজর অ্যালেকের সেই বক্স ফাইলের দিকে। ঢাকনা খুলে নোটগুলো দেখছে। কয়েক মুহূর্ত পর মাথা দোলাল। হ্যাঁ, এটাই আসল ফাইল। এটার কথাই বলা হয়েছে তাকে।

    চুলোর দরজা খুলে একটা একটা করে অ্যালেকের লেখা নোটগুলো আগুনে ফেলতে লাগল সে। দপ করে জ্বলে উঠছে হলদে শিখা। পুড়ে ছাই হচ্ছে রানার বন্ধুর এত সাধের নোট। অসহায় রানা দেখল, ভাসতে ভাসতে চিমনির দিকে চলেছে কালো ছাই।

    এবার মুড়িয়ে রাখা মোযার্টের চিঠি নিল লোকটা। রিবনটা খুলে ছুঁড়ে ফেলল কাঁধের ওপর দিয়ে পেছনে। ভাঁজ খুলে চোখ বোলাল। চেহারায় ফুটে উঠেছে উপহাস।

    রানার মনে হলো, এবার চিঠিটাও আগুনে ফেলবে সে। তবে তা না করে কাগজটা মুড়ে আবার কার্ডবোর্ডের টিউবে পুরল। ওটা টেবিলে রেখে ঘাঁটতে লাগল রানার জিনিসপত্র। তুলে নিল সিডির বাক্স। আনমনে মাথা দুলিয়ে পরীক্ষা করে দেখল ভেতরে সিডি আছে কি না। সন্তুষ্ট হয়ে বাক্সটা ঢোকাল ওর কমব্যাট ট্রাউযারের পকেটে। সন্তুষ্ট চিত্তে বলল, ‘এবার নিয়ে এসো এটাকে জায়গামত।’

    দু’জন মিলে দু’হাত ধরে রানাকে মেঝের ওপর দিয়ে ছেঁচড়ে নিয়ে চলল কালো পোশাক পরা লোকটার পিছন পিছন। ওদিকেই ছাতের একটা বিম থেকে ঝুলছে ভারী শেকল, শেষ প্রান্তে একইঞ্চি পুরু লোহার হুক। ওটা ঝুলছে কংক্রিটের মেঝে থেকে অন্তত পৌনে আটফুট ওপরে। তৃতীয় গার্ড রানার মাথার পেছনে ঠেসে ধরল পিস্তলের মা। হ্যাঁচকা টানে ওপরে তোলা হলো ওর দুই হাত। মস্ত এক বডি বিল্ডার এগিয়ে এল হ্যাণ্ডকাফ নিয়ে। রানার দুই হাতের কবজিতে আটকে দেয়া হলো শীতল দুটো হ্যাণ্ডকাফের বেড়ি। আরেক টানে ওকে দাঁড় করিয়ে উপরের আঙটায় আটকে দেয়া হলো হ্যাণ্ডকাফ। রানার জুতোর আগাটা কোনমতে ছুঁয়ে আছে মেঝে। পিছিয়ে অর্ধচন্দ্র তৈরি করে দাঁড়াল এবার আটজন গার্ড।

    রানার সামনে এসে থামল কালো পোশাক পরা দীর্ঘদেহী লোকটা। মাথা কাত করে দেখল রানাকে। মুখে ভীষণ নিষ্ঠুর এক চিলতে হাসি।

    রানা বুঝে গেল, এবার কী ঘটতে চলেছে।

    দৃঢ় পায়ে সোজা হয়ে দাঁড়াল লোকটা। মুঠো করেছে ডানহাত। কাঁধ পিছিয়ে গায়ের জোরে ঘুষি মারল রানার পেটে। কী আসছে বুঝতে পেরে পেটের পেশি শক্ত করেছে রানা। তবে দুষিটা লোহার হাতুড়ির বাড়ির চেয়ে কম নয়। ভুস্ করে বুক থেকে বেরোল সব বাতাস। দুই হাঁটু ভাঁজ হয়ে যাওয়ায় শেকলে ঝুলে গেল রানা।

    ‘আবারও দেখা হলো। বড় ভাল লাগছে, রানা। আমার কথা মনে আছে তো তোমার? নাকি নতুন করে পরিচয় দিতে হবে আবার? মনে তো থাকার কথা, তাই না?’

    ফুসফুসে বাতাস ঢুকতেই সামান্য শক্তি ফিরল রানার। অনেক কষ্টে চোখ তুলে তাকাল লোকটার চোখে।

    পৃথিবীটা সত্যিই ছোট জায়গা। চিনতে পেরেছে রানা। এই লোক সেই মাইক বুচার। সাইকোপ্যাথ। এ লোকই কয়েক বছর আগে মেরে ফেলতে চেয়েছিল ওকে ব্রেক ন বিকনের পাহাড়ে চোরা-কাদায় ফেলে।

    শ্বাস স্বাভাবিক হওয়ার আশায় শেকলে ঝুলছে রানা। ভাবতে চাইল, কী কারণে এখানে এই লোক?

    দুষ্ট হাসি হাসল মাইক বুচার। ভুরু থেকে গালে পড়ল একফোঁটা ঘাম। গুটিয়ে নিল জ্যাকেটের আস্তিন। চাপা স্বরে বলল, ‘বহুদিন পর দেখা, তাই না, দোস্ত?’

    তার দিকে চেয়ে রইল রানা। আগের চেয়েও তাগড়া হয়েছে বুচার। ট্রাইসেপ, বাইসেপ আর কাঁধ দেখেই বোঝা যায় সারা শরীরে কিলবিল করছে পেশি। প্রতিদিন ঘণ্টার পর ঘণ্টা ভারোত্তোলন করে। অনেক বদলে গেছে সে। ডানকানে শুকনো ক্ষত। আগুনের তাপে মোম যেভাবে গলে পড়ে, প্রায় সেইভাবেই খসে পড়েছে একটা কানের নিচের অংশ। মার খাওয়া দুর্বল শরীরে পরিস্থিতি বুঝতে চাইছে রানা। মগজ বলে দিল দুটো তথ্য: ওই ভিডিয়ো ক্লিপের সঙ্গে সম্পর্ক আছে বুচারের। আর, সে-ই কিডন্যাপ করেছিল এমিলি কেইলম্যানকে।

    ‘কী এত ভাবছ, রানা?’ টিটকারির হাসি হাসল বুচার। ‘প্রেমিকার ভাইয়ের খুনের প্রতিশোধ নেবে? হ্যাঁ, বহু আগেই মরেছে সে। আমার ওপর বিশ্বাস রাখতে পারো। আমি জানি।’ প্রচণ্ড ঘুষি মারল সে রানার বামপাঁজর লক্ষ্য করে।

    শরীর মুচড়ে নিয়ে প্রাণপণে শক্ত করেছে রানা পেটের পেশি। কিডনির ওপর না পড়ে ঘুষি লাগল পেটের শক্ত পেশির ওপর। তবুও প্রচণ্ড ব্যথা লাগল। অসুস্থ বোধ করল ও। বুক থেকে বেরিয়ে গেল সব বাতাস। চোখের সামনে দেখছে অজস্র ঝলমলে আলোর বিন্দু।

    এক পা পিছিয়ে হাতের মুঠো ডলছে বুচার। কর্কশ স্বরে বলল, ‘তোমাকে কোনকিছুর জবাব দিতে হবে না, রানা। এটা ইন্টারোগেশন নয়। নিশ্চয়ই বুঝছ এর মানে?’ প্যান্টের পকেটে রাখা সিডির বক্সে টোকা দিল। ‘তোমার কাছ থেকে সবই কেড়ে নিয়েছি। কাজেই তোমাকে আমাদের আর প্রয়োজন নেই। আমার কথা বুঝতে পারছ?’

    একটা চিন্তা মাথায় আসতেই গলা শুকিয়ে গেল রানার।

    লোকটা লিয়ার ব্যাপারে কিছু জানতে চাইছে না কেন?

    টেবিল থেকে ধাতব কী যেন নিল বুচার।

    ওটা লোহার তৈরি ভারী নাকল ডাস্টার।

    বামহাতে ওটা ধরে ডানহাতের আঙুলগুলো ভরল ভেতরে। রানার চোখে চোখ রেখে হাসল লোকটা। ‘তোমাকে বিদায় দেয়ার আগে যথেষ্ট সময় নেব। ধীরে ধীরে খেলব আমরা, কেমন? ঠিক তুলোর মত নরম করে নেব তোমাকে। তারপর…’ কথাটা অসমাপ্ত রেখে গার্ডদের দিকে তাকাল সে। চোখ স্থির হলো মোটা ও বেঁটে এক গার্ডের ওপর। লোকটার তেল দেয়া চুল পনিটেইল করা। ‘রানা এবার দেখবে কীভাবে মজা করতে হয়। সেই ব্যবস্থা করছি। চোখের ইশারায় বেঁটে গার্ড গেল এক হোল্ডঅলের পাশে। টান দিয়ে খুলল ওটার চেইন।

    ব্যাগের ভেতর ছোট একটা চেইন স’। ওটা একহাতে নিয়ে ছোট্ট ট্যাঙ্কে অকটেন ভরল বেঁটে দানব। তারপর হ্যাঁচকা টান দিল স্টার্টিং কর্ড-এ। রাগী চাপা গুঞ্জন ছেড়ে চালু হলো চেইন স’। হ্যাঙারের দেয়াল থেকে ফিরল মোটরের প্রতিধ্বনি। থ্রটল দাবিয়ে মোটরের গতি বাড়াল বেঁটে-মোটা দানব।

    তার দিকে মাথা কাত করল বুচার। অফ হলো করাতের মোটর। আবারও নীরবতা নেমেছে হ্যাঙারে। টেবিলে চেইন স’ নামিয়ে রাখল ‘গার্ড।

    রানার দিকে ফিরল মাইক বুচার। ‘আগেই বলেছি, জিজ্ঞাসাবাদ করব না। আর সেজন্যে এখনই শুরু হবে মজার খেলা।’ ঠোঁট বাঁকা করে হাসল সে। ‘এক এক করে কেটে নামাব তোমার অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ। প্রতিটা মুহূর্ত মনে হবে আছি স্বর্গে।’ রানার মুখের কাছে মুখটা নিল বুচার। ‘ঠিক যেমন লেগেছিল তোমার প্রিয় অ্যালেক বেকারকে খুন করার সময়। তবে এটা ঠিক, খুব সহজেই মরে গেছে ছোকরা। তোমার মৃত্যুটা অত সহজে হবে না।’

    তা হলে তো সত্যিই খুন করা হয়েছে অ্যালেককে। খুনি হিসেবে দায় স্বীকার করেছে মাইক বুচার। মনে মনে প্রতিজ্ঞা করল রানা, এই গর্ত থেকে যদি বেরোতে পারে, জানোয়ারটাকে দেখে নেবে ও। তবে ওর নিজেরই বাঁচার সম্ভাবনা খুব ক্ষীণ। শেকলে টান দিয়ে বুঝে নিয়েছে, খেপা হাতিও ছিঁড়তে পারবে না ওটা। তদুপরি ওর বুক বা মাথার দিকে চেয়ে আছে কয়েকটা আগ্নেয়াস্ত্রের লোলুপ দৃষ্টি।

    বুচারকে পাশ কাটিয়ে চেইন স’-এর ওপর চোখ গেল রানার। একটু পর ধারালো করাত দিয়ে কেটে নামানো হবে ওর হাত-পা। সামান্য স্পর্শেই দেহে গাঁথবে ধারালো ফলা।

    প্রথমে শরীরের কোন্ অংশ কাটবে লোকটা?

    কাঁধ বা পেট নয়, কারণ প্রথমেই ভাইটাল অর্গানের ক্ষতি করবে না। কারণ যা-ই হোক, বুচার চাইছে ধীরে ধীরে কষ্ট দিয়ে ওকে মারতে।

    সেক্ষেত্রে কাটবে পা থেকে। প্রচুর রক্তক্ষরণে চট্ করে মরে যাবে বলে বাদ রাখবে ঊরু। শুরু করবে গোড়ালি বা হাঁটু থেকে। ধীরে ধীরে মাংস কেটে করাতের দাঁত বসবে হাড়ে। একেকটা পা খসে পড়বে গাছ থেকে কাটা ডালের মত। বাঁচার উপায় নেই রানার। শেকল থেকে ঝুলবে, প্রচণ্ড ব্যথায় ঝটকা দিয়ে সরতে চাইবে এদিক-ওদিক। গলা চিরে বেরোবে মরণ চিৎকার। দেখতে পাবে কাটা জায়গা থেকে ঝরঝর করে মেঝেতে ঝরবে রক্ত। মাঝে মাঝেই ওর দিকে চেয়ে হাসবে বুচার। হাসি চাপতে পারবে না।

    না, এমন হবে না, নিজেকে বোঝাতে গিয়ে কলজে শুকিয়ে গেল রানার। ছবির মত পরিষ্কার দেখতে পাচ্ছে: প্রথমে প্যান্টের কাপড় ছিঁড়ে ঢুকবে করাতের ব্লেড, তীব্র ব্যথা, তারপর হাঁটুর নিচের মাংস দুভাগ করে দিয়ে পৌঁছে যাবে হাড়ের কাছে; আওয়াজটা একটু অন্যরকম শোনাবে—চাপ সামান্য বাড়ালেই থপাস্ করে পড়বে পা-টা রক্তাক্ত মেঝেতে। চারদিকে ছুটবে রক্তের ছিটে।

    আরেকবার ঝাঁকি দিয়ে দেখল শেকল।

    মাথার ওপরে ফ্লুরেসেন্ট বাতির আলোয় চোখের কোণে দেখল রানা নাকল ডাস্টারের ঝিলিক। নাটকীয়ভাবে এদিক- ওদিক বাতাসে ঘুষি মেরে মক-ফাইট করল বুচার কিছুক্ষণ, লক্ষ করছে রানার চেহারার পরিবর্তন হয় কি না। দর্শকদের সবার মুখে কদর্য হাসি। পিছিয়ে গেল বুচার এক পা। দেখে নিচ্ছে রানার মুখের কোন অংশে মারবে, ভাঙবে ক’টা দাঁত।

    শেকলে ঝুলতে ঝুলতে লোহার মুঠি দেখছে রানা। জানে, এখুনি নরক ভেঙে পড়বে ওর ওপর। প্রথম ঘুষিতে চুরমার হবে ওর নাক। গলা দিয়ে ঢুকবে বেশ কয়েকটা ভাঙা দাঁত। তারপর চলবে নানান ধরনের নির্যাতনের আনন্দ, আর ওর নিজের অজান্তেই গলা চিরে বেরিয়ে আসবে বুক-ফাটা আর্তনাদ। মনে মনে তৈরি হলো রানা।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleমাসুদ রানা ৪৬২ – এক্স এজেন্ট
    Next Article রবিনহুড – কাজী আনোয়র হোসেন

    Related Articles

    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৩৮৫-৩৮৬ – হ্যাকার (দুই খণ্ড একত্রে)

    July 22, 2025
    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫৬ – টপ টেরর

    July 22, 2025
    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫৪ – নরপশু

    July 22, 2025
    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫৩ – ধর্মগুরু

    July 22, 2025
    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫২ – কালো কুয়াশা

    July 22, 2025
    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫১ – মায়া মন্দির

    July 22, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }