Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    মাসুদ রানা ৪৬৫ – কাউণ্ট কোবরা

    কাজী আনোয়ার হোসেন এক পাতা গল্প389 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    কাউণ্ট কোবরা – ৫৮

    আটান্ন

    সিঁড়ির ধাপে রক্তের চিহ্ন দেখে ঝড়ের বেগে উঠছে রানা। রেলিঙে রক্তমাখা হাতের ছাপ। বাজেভাবে আহত হয়েছে মাইক বুচার। তবে সে এখনও খুব বিপজ্জনক। বোধহয় চলেছে ছাতের দিকে।

    মাত্র কয়েক মুহূর্তে পঞ্চমতলায় উঠল রানা। বুকে বাড়ি মারছে হৃৎপিণ্ড। সামনের করিডোর ধরে সোজা এগিয়ে গেছে রক্তের ফোঁটা। দু’পাশের দরজাগুলোর দিকে পিস্তল তাক করে জায়গাটা পেরিয়ে গেল রানা।

    করিডোরের শেষে খোলা দরজা। ওদিকে চোখ যেতেই রানা দেখল, শীতল হাওয়ায় পতপত করে উড়ছে পর্দা। ফ্রেঞ্চ উইণ্ডো দিয়ে ঢুকছে তুষার।

    সতর্ক পায়ে ওই ঘরের দিকে চলল রানা। পাঁজরে গুঁতো মারছে হৃৎপিণ্ড। ওই শব্দ ছাপিয়ে শুনতে পেল চেনা এক আওয়াজ।

    ক্রমেই বাড়ছে ওটা। তীক্ষ্ণ শব্দে চালু হয়েছে শক্তিশালী ইঞ্জিন। একটু দূরের খোলা ছাতে বাড়ছে গর্জন।

    হেলিকপ্টার।

    ফ্রেঞ্চ উইণ্ডোর দিকে চলল রানা। আর তখনই ওর চোখের সামনে ঝলসে উঠল সাদা একরাশ মেঘ। হাত থেকে ছিটকে মেঝেতে পড়ে পিছলে গেল ওয়ালথার পিস্তল। কিছু বুঝবার আগেই খপ্ করে ধরা হয়েছে ওর কলার। পরক্ষণে একটানে তুলে নেয়া হয়েছে ওপরে। চওড়া এক কপালের নিচে ছোট দুটো জ্বলন্ত চোখ দেখতে পেল রানা। তখনই চোয়ালে লাগল প্রচণ্ড ঘুষি। উড়ে গিয়ে পেছনের এক ডেস্কের ওপর চিত হয়ে পড়ল ও। চারপাশে ছড়িয়ে গেল ফাইল, কাগজ, অ্যাশট্রে ও টেলিফোন।

    এত প্রকাণ্ড লোক জীবনে খুব কমই দেখেছে রানা। ডেস্ক ঘুরে ওর দিকেই আসছে লালচে মুখের দৈত্য।

    বড় বড় দাঁত বের করে হাসল লোকটা। ‘তুমি মরে গেছ।’ তার ইংরেজি উচ্চারণ খুবই খারাপ। এই মুহূর্তে ডানহাতে আটইঞ্চি নলওয়ালা .৪৪ স্টিল-বডি রুগার রেডহক। একপলক রানাকে দেখে নিয়ে কোমরে অস্ত্র গুঁজল দানব। ‘না, এটা লাগবে না।’ দু’হাত ওপরে তুলল সে।

    কাত হয়ে ডেস্ক থেকে নেমে সোজা হয়ে দাঁড়াল রানা। শুকিয়ে গেছে গলা। ছাতে বাড়ছে হেলিকপ্টারের গর্জন। ঘুষি খেয়ে ঠোঁটের কোনা কেটে গেছে রানার। জিভে পেল রক্তের নোনতা স্বাদ। বনবন করে ঘুরছে মাথা। অথচ, ওর যেতে হবে বুচারের পেছনে। তার আগে কাবু করতে হবে সাদা এই ইয়েতিকে। চোখ পিটপিট করে দৃষ্টি পরিষ্কার করল রানা। পরক্ষণে এক লাফে এগিয়ে ঘুষি বসাল দৈত্যের সোলার প্লেক্সাসে। গায়ের সমস্ত শক্তি খরচ করেছে রানা। মুঠো থেকে কাঁধ পর্যন্ত ঝনঝন করছে হাড়। এটা ওর জীবনের সেরা ঘুষি। ঠিকভাবে লাগলে ঘোড়াও কাত হয়ে মাটিতে পড়বে। ·

    অথচ, কিছুই হলো না ভয়ানক দৈত্যের। রানার মাথার দিকে এল জাম্বুরা সাইযের ঘুষি। ঝট্ করে পাশে সরে এবারের মত বেঁচে গেল রানা। দেরি না করে গায়ের জোরে লাথি দিল দৈত্যের তলপেটে। তবে হাত নামিয়ে লাথিটা ঠেকাল লোকটা। তার গলায় জ্যাব করতে চাইল রানা। ওটাও ঠেকিয়ে দিল দানব। রীতিমত ভয় পেয়ে পিছিয়ে এল রানা। বুঝে গেছে, ঘরের ভেতর কমে আসছে নড়াচড়ার জায়গা। খোলা জানালা দিয়ে এল হেলিকপ্টারের গর্জনের ওপর দিয়ে অন্য আওয়াজ। ভীষণ ভয়ে আর্তচিৎকার জুড়েছে ছোট কোনও মেয়ে। ওই শব্দ লক্ষ্য করে জানালা দিয়ে বাইরে তাকাল রানা। ওদিকে খোলা ছাতে চিমনিগুলোর মাঝে বড় জায়গা নিয়ে হেলিপ্যাড। ত্রিশ গজ দূরে চারদিকে তুষারের কণা ছড়াচ্ছে কালো এক হেলিকপ্টার। জ্বলে উঠেছে শক্তিশালী সাদা বাতি। আগের চেয়ে জোরে ঘুরছে রোটর শক্ত হাতে চেপে ধরে হেলিকপ্টারে এমিলিকে তুলতে চাইছে মাইক বুচার। ছুটে যাওয়ার জন্যে লোকটার গায়ে লাথি মারছে মেয়েটা। ব্যথা পেয়ে দাঁত খিঁচাল ব্রিটিশ কমাণ্ডো। রক্তে কালো হয়ে গেছে তার শার্ট।

    ওদিকটা দেখতে গিয়ে দেরি করেছে রানা। ওর পাঁজরে লাগল বুট পরা পায়ের ভারী লাথি। মুহূর্তে বুঝে গেল রানা, ফেটে গেছে ওর পাঁজরের হাড়। মেঝেতে পড়েই নিজেকে গড়িয়ে দিল ও। একহাতে চেপে ধরেছে আহত জায়গাটা ঢুকে পড়ল ডেস্কের মাঝের গভীর জায়গায়। তবে একহাতে ডেস্ক ধরে প্রায় উড়িয়ে ওটাকে আরেক দিকে সরাল দৈত্য। তার হাতে এখন ভারী এক ড্রয়ার। ধুম্ করে ওটা নামল পিচ্চি প্রতিযোগীর মাথার ওপর। চুরমার হয়ে গেল ড্রয়ার। রানার চারপাশে বৃষ্টির মত ঝরঝর করে ঝরল অফিস ইকুইপমেন্টস্। কার্পেটে কী যেন চকচক করতে দেখল রানা। ওটা সরু একটা ছোরার মত। লেটার ওপেনার। খপ্ করে ওটা তুলে নিল ও। আবারও খুব কাছে পৌঁছে গেছে দৈত্য। তবে সে কিছু করার আগেই তার বুটের ওপর প্রাণপণ শক্তিতে চালাল লেটার ওপেনারটা।

    শক্ত চামড়ার বুট। লেটার ওপেনারের ডগাও তেমন চোখা নয়। তবে গায়ের জোরে মেরেছে রানা। ভচ্ করে চামড়া ভেদ করে দৈত্যর পায়ে বিধল লেটার ওপেনার। মাংস, হাড় ও সোল পার করে ওটা গেঁথে গেল কাঠের মেঝেতে। দৈত্য আপাতত হয়েছে জাদুঘরের বোর্ডে পিন দিয়ে আটকে রাখা প্রজাপতির মত।

    ছোট্ট মাথাটা ঝট করে পেছনে হেলিয়ে বিকট এক রাক্ষুসে আর্তনাদ ছাড়ল দৈত্য। টলমল করে উঠে দাঁড়াল রানা। পরক্ষণে কোমর ঘুরিয়ে মারাত্মক এক লাথি দিল দানবের সবচেয়ে দুর্বল জায়গায়, দু’পায়ের সংযোগস্থলে। তাতে মিলল ভাল ফলাফল। দু’ভাঁজ হয়ে মেঝেতে বসল দৈত্য। ছোট্ট কানদুটো ধরে ডানহাঁটু তুলেই তার নাকেমুখে কঠিন এক গুঁতো মারল রানা।

    ছাতে বুচারের হাত থেকে ছুটে গেছে এমিলি। ঘুরন্ত রোটরের ঝোড়ো হাওয়ায় আকাশে উড়ছে ওর মাথার চুল। বেচারি ছুটে এল জানালার দিকে। তবে জোরে দৌড়াতে গিয়ে তুষারে পিছলে গেল পা। পড়ে গিয়েও উঠে দাঁড়াল আবার। পিছু নিয়েছে বুচার। আবার দৌড়াবার আগেই খপ্ করে ধরে ফেলল এমিলির দীর্ঘ চুল। হ্যাঁচকা টানে নিজের দিকে নিল। তীক্ষ্ণ চিৎকার করে উঠল মেয়েটা।

    এদিকে বেমক্কা পিট্টি খেয়ে মোটা হেঁড়ে গলায় ফুঁপিয়ে উঠেছে দৈত্য। সরে যেতে চাইলেও হুঁশ নেই পা গেঁথে আছে মেঝেতে। এই সুযোগে দেয়ালে ঝুলন্ত ফায়ার এক্সটিংগুইশার খুলে নিল রানা। লোহার ভারী সিলিণ্ডারটা সজোরে নামাল দৈত্যের মাথার ওপর। ধুপ্ করে মেঝেতে পড়ে চিত হলো দৈত্য। মেঝে থেকে খুলে গেছে আহত পা। জেদি বাচ্চার মত প্রাণপণে ছুঁড়ছে হাত-পা। অবশ্য যে-কোনও সময়ে উঠে আবারও ধরতে পারে রানাকে। কোনও ঝুঁকি নিল না রানা, ভারী সিলিণ্ডারের তলিটা প্রচণ্ড বেগে নামাল লোকটার মুখের ওপর। বিশ্রী মড়াৎ আওয়াজে কপালের হাড় ভেঙে ঢুকল দৈত্যের মগজে। মাত্র দু’বার ঝটকা দিল দানব, তারপর স্থির হয়ে গেল মেঝেতে।

    লাশের বেল্ট থেকে ৪৪ রুগার নিল রক্তাক্ত, আহত রানা। পরীক্ষা করল অস্ত্রের সিলিণ্ডার। ওটার ভেতর আছে ছয়টা ম্যাগনাম কার্ট্রিজ। দেরি না করে টলতে টলতে ফ্রেঞ্চ উইণ্ডোর দিকে চলল রানা। হেলিকপ্টারের দিকে এমিলিকে টেনে নিয়ে চলেছে বুচার। বেশি ঝামেলা করছে দেখে বেচারিকে গুঁজল বগলের ভাঁজে। প্রাণপণে দুই পা ছুঁড়ছে মেয়েটা।

    ছাতে পা রেখে ফাটল ধরা পাঁজরের হাড়ের কথা ভুলে হেলিকপ্টারের দিকে ছুটল রানা। রিভলভারটা বুচারের দিকে তাক করে রোটরের গর্জনের ওপর দিয়ে চিৎকার করল, ‘থামো, বুচার! নইলে গুলি করব!’

    ঘুরেই এমিলিকে বর্মের মত করে নিজের সামনে ধরল বুচার। কী যেন ধরেছে বাচ্চা মেয়েটার ঘাড়ে।

    ওটা একটা সিরিঞ্জ।

    বুড়ো আঙুল রেখেছে প্লাঞ্জারের ওপর। গলা ফাটিয়ে বলল বুচার, ‘তুমি তেড়িবেড়ি করলে খুন হবে মেয়েটা! অস্ত্র নামিয়ে রাখো!’

    রিভলভারটা ছাতে ফেলে পা দিয়ে দূরে ঠেলল রানা। ব্যথা সহ্য করেও টিটকারির হাসি হাসল বুচার। এমিলিকে টেনে তুলল হেলিকপ্টারে। এখনও ঘাড়ে ধরে রেখেছে সিরিঞ্জ। অন্যহাতে সিটের ফ্রেমের সঙ্গে হ্যাণ্ডকাফে আটকে দিল এমিলির হ’ত। অসহায় চোখে সব দেখছে রানা। পিছলে এগিয়ে হেলিকপ্টারের কন্ট্রোলের সামনে বসল বুচার। আর্মিতে থাকতে যান্ত্রিক ফড়িং চালাতে শিখেছে। সে দক্ষ পাইলট। তুষারপাতের সময় কোনও পাইলট হেলিকপ্টার আকাশে না তুললেও বুচার চিরকালই ভয়ানক বেপরোয়া।

    ধীরে ধীরে ভেসে উঠছে হেলিকপ্টার। পার্সপেক্স জানালা দিয়ে এমিলির ফ্যাকাসে মুখ দেখল রানা। মুখ বিকৃত করে চিৎকার করছে বেচারি। কিন্তু প্রচণ্ড আওয়াজে ওর কথা শুনতে পাবে না কেউ।

    ছুটতে ছুটতে হেলিপ্যাডে পৌঁছুল রানা। আকাশে ভেসে উঠেছে হেলিকপ্টার। চারপাশে ছড়িয়ে দিচ্ছে তুষারের জোরালো ঝড়। তুষার ও বাতাসে প্রায় বুজে গেল রানার চোখ। আগেই ছাত থেকে তুলে নিয়েছে রুগার রিভলভার তবে হেলিকপ্টারের দিকে গুলি করার সাহস হলো না।

    ঘুরে যাচ্ছে যান্ত্রিক ফড়িং। মরিয়া হয়ে চারপাশে তাকাল রানা। ছাতের কিনারায় পাথরের একটা প্যারাপেট আছে। ওটার উচ্চতা বড়জোর চার ফুট। দৌড়ে গিয়ে ওটার ওপর উঠল রানা। ভাল করেই জানে, একবার এত উঁচু ছাত থেকে লাফ দিয়ে নিচে পড়ে গেলে নিশ্চিত মৃত্যু। তবুও লম্বা রিভলভারটা বেল্টে গুঁজে সামনে বাড়িয়ে দিল দু’হাত। হেলিকপ্টারের নাক নিচু করে রওনা হলো বুচার। একইসময়ে সামনে ঝাঁপ দিল রানা। মুহূর্তের জন্যে মনে হলো ও ভারশূন্য। বহু নিচে ম্যানশনের লনে জ্বলছে উজ্জ্বল আলো। ড্রাইভওয়ে ধরে একসারিতে এগিয়ে আসছে পুলিশের গাড়ির আলো। ভণ্ডুল হয়ে গেছে ব্রুনারের পার্টি। অতিথিরা এখন পালাতে পারলে বাঁচে।

    আকাশ থেকে পড়তে পড়তে হেলিকপ্টারের একদিকের বরফ-ঠাণ্ডা স্কিড বামহাতে জড়িয়ে ধরল রানা। ডানদিকে বাঁক নিল যান্ত্রিক ফড়িং। সরে যাচ্ছে বিশাল প্রাসাদ ছেড়ে। ঝুলতে ঝুলতে চলেছে রানা। ঝোড়ো হাওয়া ছিঁড়ে নিতে চাইল ওর মাথার চুল ও পোশাক। এবার অন্যহাতেও স্কিড ধরল রানা। শূন্যে দুলতে দুলতে হাত ও কোমরের জোরে স্কিডে তুলে নিতে চাইল পা। অনেক নিচে আবছাভাবে দেখল ঘুরে যাচ্ছে সবকিছু।

    রানা স্কিড জড়িয়ে ধরতেই ভারসাম্য নষ্ট হয়েছে ‘কপ্টারের। মাইক বুচারের বুঝতে দেরি হয়নি, এমনটা হয়েছে কী কারণে। ককপিট থেকে দেখল, ঝুলন্ত অবস্থায় বেপরোয়াভাবে পাশের দরজা খুলতে চেষ্টা করছে মাসুদ রানা। ব্যথা ভুলে নিষ্ঠুর হাসল বুচার। আবারও হেলিকপ্টার নিয়ে চলল ম্যানশনের দিকে। ভাল করেই জানে, ঝাঁকি দিয়েও রানাকে ঝরাতে পারবে না। তবে কিছুর সঙ্গে ঘষে ওকে পিষে শেষ করে দেয়া খুব সহজ কাজ।

    সামনেই অন্ধকারে বিশাল এক চিমনি। কাত হয়ে ওটার দিকে হেলিকপ্টার সরাল বুচার। রানা দেখল, এখন আর পা স্কিডে তোলার সময় পাবে না, অথচ হুড়মুড় করে ওর দিকেই আসছে ইঁটের তৈরি চিমনি। বাঁচার জন্যে বুকের কাছে দু’পা তুলল ও। সাঁই করে তলা দিয়ে বেরিয়ে গেল চিমনি। ছাতের ওপর দিয়ে গর্জন ছেড়ে উড়ে চলেছে হেলিকপ্টার। আবারও ওটা ঘুরিয়ে নিল বুচার। জি-ফোর্স দু’হাত ছুটিয়ে দিতে চাইছে বুঝে প্রাণপণে শক্ত করে স্কিড জড়িয়ে ধরল রানা।

    আবারও ছাতে ফিরছে বুচার। রানার পায়ে লেগে উঁচু প্যারাপেট থেকে নিচে খসে পড়ল কিছু আস্ত ইঁট। আবারও কাত হয়ে হেলিকপ্টার ঘোরাল বুচার। দাঁত বের করে হাসছে। এবার দেয়ালে ঘষে মাছির মত চ্যাপ্টা করবে রানাকে। আগ্রহের আতিশয্যে বেশি কাত করে ফেলেছে হেলিকপ্টার। ছাতের কিনারায় খটাং শব্দে লাগল টেইল রোটর। নানাদিকে ছিটকে গেল কমলা ফুলকি। মুচড়ে গেছে ধাতব লেজ। থরথর করে কেঁপে উঠেছে উড়ন্ত হেলিকপ্টার। মুহূর্তে নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেল ওটা। বাড়ি থেকে সরে টলতে টলতে চলল দূরের জঙ্গলের দিকে।

    স্কিডে পা তুলল রানা। ডানহাতে হ্যাণ্ডেল ধরে একটানে খুলল দরজা, পরক্ষণে হুড়মুড় করে ঢুকল ককপিটে। অসংখ্য গাছের মগডালের সামান্য ওপর দিয়ে নিয়ন্ত্রণহীনভাবে ঘুরতে ঘুরতে চলেছে হেলিকপ্টার। তুষার ছাওয়া পাইন, নেড়া ওক ও বিচ গাছের ওপর পড়ছে উজ্জ্বল আলো।

    বিষ ভরা সিরিঞ্জ হাতে রানার দিকে ঝুঁকল বুচার। তবে ঝট্ করে একদিকে সরে হামলা এড়াল রানা। একইসময়ে ‘কপ্টারের কন্ট্রোলের ওপর চেপে ধরল বুচারের কবজি। দুই সিটের সংকীর্ণ জায়গায় শুরু হলো দু’জনের মরণপণ কুস্তি ও এলোপাতাড়ি কিলঘুষি। ছাঁটা চুল খামচে ধরে বুচারের মুখ ডায়ালের ওপর আছড়াল রানা পর পর তিনবার। রক্তাক্ত হয়ে উঠেছে বুচারের কপাল।

    নিচে নামছে হেলিকপ্টার। বাড়ছে ঘূর্ণন। চোখেমুখে ওর খামচি এড়াতে গিয়ে ঠেলে বুচারকে দরজার ওপর ফেলল রানা। ওর ঘুষি খেয়ে খসে গেল লোকটার সামনের দুটো দাঁত। মাথাটা ধরে আবারও কন্ট্রোলের ওপর ফেলল ওকে রানা। সিটে এলিয়ে পড়ল বুচার। রানা দেখল কাত হয়ে সরাসরি জঙ্গলের দিকে নেমে চলেছে হেলিকপ্টার।

    কন্ট্রোলের ওপর ঝুঁকে রানা বুঝল, কিছুই করার নেই। ঘুরতে ঘুরতে আরও দু’শ’ গজ গিয়ে গাছগুলোর ওপর নামল ‘কপ্টার। মুহূর্তে ভাঙল রোটর। ব্লেডগুলো কচাকচ কাটছে নরম ডাল ও পাতা। মড়মড় আওয়াজে মোটা একটা ডাল ভেঙে মাটির দিকে ধসে পড়ল ভারী এয়ারক্র্যাফট। ছাতটা কয়েক ডিগবাজি দেয়ায় পা পিছলে মেঝেতে পড়ল রানা।

    মাটির তিরিশ ফুট ওপর থেকে গাছগুলোর নিচের শাখা-প্রশাখার শুরু। সব ভেঙে সরাসরি নিচে পড়ল ওরা। ফাটল ধরা পার্সপেক্স কাঁচের মাঝ দিয়ে ঝোড়ো বেগে তুষারে ছাওয়া জমি উঠে আসতে দেখল রানা। তাল সামলাতে না পেরে হুমড়ি খেয়ে পড়ল ইন্সট্রুমেন্ট প্যানেলে। পরক্ষণে বড়সড় এক তুষারের ঢিবির ওপর নাক গুঁজল হেলিকপ্টার। ওপর থেকে নেমে এল কাটা পড়া ডাল-পাতা ও এয়ারক্র্যাফটের নানান টুকরো অংশ। ‘কন্ট্রোল কন্সোলের ওপর পড়ে আছে বুচার। ডায়ালে ফৎ-ফৎ আওয়াজ তুলছে বৈদ্যুতিক ফুলকি।

    রানার নাকে এল এভিয়েশন ফিউয়েলের কড়া গন্ধ।

    ধড়মড় করে আঁধার, বিধ্বস্ত ককপিটে উঠে দাঁড়াল রানা। সারা শরীরের ব্যথায় ভীষণ অসুস্থ লাগছে।

    ছাত এখন মেঝে। ওপরের আসনে সিটবেল্ট থেকে ঝুলছে এমিলি। ঠোঁট কেটে রক্ত ঝরছে। সিটের হাতলে হ্যাণ্ডকাফে বাঁধা পড়েছে একহাত। চেষ্টা করেও ছোটাতে পারছে না।

    ফ‍-ফৎ শব্দ শুনে পেছনে তাকাল রানা। উইণ্ডশিল্ডের ভেতর ‘হুউফ্’ আওয়াজে জ্বলে উঠেছে আগুন। লকলক করে চাটছে কন্ট্রোল ও সিট। একবার এভিয়েশন ফিউয়েল জ্বলে উঠলে বোমার মত বিস্ফোরিত হবে হেলিকপ্টার।

    আগুনের আলোয় হ্যাণ্ডকাফের শেকল ধরে হ্যাঁচকা টান দিল রানা। তাতে কোনও লাভ হলো না। ভয়ে বিস্ফারিত চোখে ওকে দেখছে মেয়েটা। সারা মুখে ছড়িয়ে আছে মাথার চুল। স্টিলের ব্রেসলেট থেকে বেরোল না চিকন হাত।

    মেঝেতে আছে বুচার। হ্যাণ্ডকাফের চাবির জন্যে তার রক্তাক্ত টুক্সেডোর পকেট হাতড়াল রানা। কিন্তু কোনও পকেটেই নেই চাবি। অসহ্য হয়ে উঠছে আগুনের তাপ। রানার পিঠ চাটল শিখা। পুড়ছে জ্যাকেট। ঝুঁকে বুচারের প্যান্টের পকেট সার্চ করল রানা। হ্যাণ্ডকাফের চাবি পেল বাম পকেটে। আগুনে পুড়ে মরার ভয় তোয়াক্কা না করে দ্রুত এমিলির হাতের হ্যাণ্ডকাফ আনলক করল রানা। সিটবেল্ট খুলে হ্যাঁচকা টানে মেয়েটাকে নামিয়ে নিল নিচে। পত-পত আওয়াজে পুড়ছে ওর জ্যাকেটের আস্তিন। কানে কীসের ঝনঝন আওয়াজ। এমিলির হাত থেকে খুলে নিয়ে বুচারের একহাতে হ্যাণ্ডকাফ আটকে দিল ও। ব্যস, ‘কপ্টারের সিটের সঙ্গে আটকা পড়ল কসাই। মেয়েটাকে নিয়ে ককপিটের দরজার দিকে সরল রানা। পরক্ষণে গায়ের জোরে লাথি দিল মুচড়ে যাওয়া ধাতব কপাটের ওপর। বিশ্রী ক্র্যাচ আওয়াজে খুলল ওটা। এমিলিকে কাঁধে নিয়ে বিধ্বস্ত এয়ারক্র্যাফট থেকে নেমে পড়ল রানা। ছুটে পেরোতে চাইল আগুনের তৈরি দেয়াল। পেছনে কমলা শিখা গিলে নিয়েছে ককপিটটাকে।

    রানার মনে হলো চিরকাল জ্বলছে বুঝি নরকে, এমনসময় ছিটকে বেরিয়ে এল আগুনের ভেতর থেকে। এমিলিকে কাঁধে রেখে টলতে টলতে পেরোল তুষারের উঁচু এক ঢিবি। ওখানে না থেমে হেঁটে চলল অদ্ভুত এক ঘোরের ভেতর।

    দশ গজ যেতে না যেতেই হঠাৎ সাদা উজ্জ্বল আলোয় ভরে গেল জঙ্গল। বিপদটা বুঝে, ধসে পড়া বুড়ো এক ওক গাছের গুঁড়ির আড়ালে তুষারমোড়া জমিতে ঝাঁপিয়ে পড়ল রানা। বুক দিয়ে ঢেকে ফেলেছে মেয়েটাকে। বিকট শব্দে বিস্ফোরিত হলো হেলিকপ্টারের ফিউয়েল ট্যাঙ্ক। কানে তালা লেগে গেল ওদের।

    চারপাশে ছিটে গেল ভাঙা যন্ত্রপাতি ও সাদা আগুনের বিশাল ফুটবল। দিনের মত আলোকিত হলো আঁধার আকাশ। হেলিকপ্টার যেখানে ধসে পড়েছে, দাউ দাউ করে জ্বলছে ওদিকের প্রতিটি গাছ। ওপর থেকে ঝরঝর করে ঝরছে পোড়া, নষ্ট জিনিসপত্র।

    ফুঁপিয়ে কেঁদে উঠে রানার বুকে নাক গুঁজল এমিলি।

    ওই জ্বলন্ত নারকীয় পরিবেশে বেঁচে নেই বুচার, ভাবল রানা। এবার এমিলিকে পৌঁছে দেবে ওর বাবার কাছে।

    তারপর যাবে স্লোভেনিয়ায়, যেখানে ছিল লিয়া।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleমাসুদ রানা ৪৬২ – এক্স এজেন্ট
    Next Article রবিনহুড – কাজী আনোয়র হোসেন

    Related Articles

    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৩৮৫-৩৮৬ – হ্যাকার (দুই খণ্ড একত্রে)

    July 22, 2025
    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫৬ – টপ টেরর

    July 22, 2025
    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫৪ – নরপশু

    July 22, 2025
    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫৩ – ধর্মগুরু

    July 22, 2025
    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫২ – কালো কুয়াশা

    July 22, 2025
    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫১ – মায়া মন্দির

    July 22, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }