Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    মাসুদ রানা ৪৬৫ – কাউণ্ট কোবরা

    কাজী আনোয়ার হোসেন এক পাতা গল্প389 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    কাউণ্ট কোবরা – ৭

    সাত

    সরু পথে মানুষ বা গাড়ির আনাগোনা নেই। স্কয়্যারে পৌঁছে ট্যাক্সি থেকে নেমে পড়ল লিয়া ও রানা। ছোট এক দোকান থেকে কিনল দু’তিন দিন চলার মত খাবার। লিয়া ফোন দিল স্থানীয় এক ট্যাক্সি সার্ভিস এজেন্সিতে। ফলে মিনিট দশেক পর হচিন্সটন হলে ওদেরকে পৌছে দিতে হাজির হলো তোবড়ানো এক সবুজ ট্যাক্সি।

    বরফে ছাওয়া শীতার্ত ওক ও উইলো গাছের মাঝ দিয়ে গেছে আঁকাবাঁকা দীর্ঘ পথ। অক্সফোর্ডশায়ারে জন্স গ্রামের আকাশে নেমেছে সন্ধ্যার কালো আঁধার। চারপাশে বিশাল এলাকা নিয়ে মাঝে হচিন্সটন হলের কাউন্টি হাউস। একটু আগে আকাশে উঁকি দেয়া চাঁদের রুপালি আলোয় রানা দেখল, বাড়িটার ফ্যাকাসে ধূসর দেয়াল, উঁচু চিমনি এবং চকচকে ছাত। এ মুহূর্তে আলো নেই কোনও জানালায়। একটু দূরের গাছ থেকে হু-উ হু-উ শব্দে হুতাশ করে উঠল একটা পেঁচা।

    ড্রাইভারের পাওনা বুঝিয়ে দিয়ে ট্যাক্সি থেকে নেমে পড়ল ওরা। বাড়ির সদর দরজা ভারী ওক কাঠের তৈরি। পাশের পাথুরে দেয়ালে ইলেকট্রনিক প্যানেল। ওখানে লিয়া কয়েকটা নম্বর টিপে দিতেই ডিসআর্ম হলো অ্যালার্ম সিস্টেম। বাড়ির ভেতরে ঢুকে বাতি জ্বেলে নিল ওরা।

    ‘চমৎকার বাড়ি,’ ফাঁকা এন্ট্রান্স হলে গমগম করে উঠল রানার কণ্ঠ। প্রশংসার চোখে দেখছে কারুকাজ করা কাঠের প্যানেলিং ও চওড়া সিঁড়ি।

    এখন তো কিছুই নেই। তবে সব কাজ শেষ হলে তখন সত্যিই ভাল লাগবে দেখতে।’ একবার শিউরে উঠে হাসল লিয়া। ‘ভেতরটা বেশ ঠাণ্ডা! এই বাড়ির মতই বয়লারটাও অনেক পুরনো। শুনেছি তেমন কাজও করে না।

    ‘তাতে সমস্যা নেই,’ বলল রানা, ‘আগুন জ্বেলে নিলে কিছুক্ষণের ভেতর স্বাভাবিক হয়ে উঠবে তাপমাত্রা।

    ‘তুমি সঙ্গে এলে সেজন্যে অনেক ধন্যবাদ, রানা।’

    লিয়ার পিছু নিয়ে মস্ত কিচেনে পা রাখল রানা। পাইনের বড় টেবিলের ওপর নামিয়ে রাখল প্লাস্টিকের শপিং ব্যাগ। প্রথম সুযোগে পরীক্ষা করে দেখল কিচেনের দরজা। ঠিকভাবেই কাজ করছে পুরনো আমলের তালা। কয়েকটা ড্রয়ার টেনে দেখার পর দরকারি জিনিসটা পেয়ে গেল রানা। লিয়ার অগোচরে চট্ করে ওর জ্যাকেটের ভেতরে চলে গেল করাতের মত ফলাওয়ালা ছুরিটা।

    ‘এবার বাইরে থেকে জ্বালানি কাঠ আনতে হবে,’ বলল রানা। ‘একটু দেখেও আসব চারপাশটা। আমি বেরিয়ে গেলে ভেতর থেকে দরজায় তালা মেরে দেবে তুমি।’

    ‘কিন্তু…’

    ‘দুশ্চিন্তা কোরো না।’

    তর্কে না গিয়ে রানা বেরিয়ে যেতেই চাবি ঘুরিয়ে তালা লাগিয়ে দিল লিয়া। শুনতে পেল করিডোরে দূর থেকে দূরে চলে যাচ্ছে রানার পদশব্দ।

    গ্রামের দোকান থেকে কেনা ওয়াইনের বোতলের ছিপি খুলল লিয়া। ওয়াক-ইন প্যান্ট্রিতে ঢুকে সংগ্রহ করল দুটো গ্লাস। আবার কিচেনে ফিরে এসে দেয়াল থেকে ঝুলন্ত ভারী লোহার ফ্রাইপ্যান নিয়ে চাপিয়ে দিল গ্যাসের চুলার ওপর। শপিং ব্যাগ থেকে ডিম নেয়ার সময় আনমনে হাসল। কেমন অদ্ভুত লাগছে ওর। এত দিন পর আবারও ওর পাশে মাসুদ রানা! পাগলের মত ভালবেসেছিল ও এই অদ্ভুত মানুষটাকে। খুশিমনেই দূরে ছুঁড়ে ফেলত নিজের উজ্জ্বল ক্যারিয়ার। কিন্তু শেষে মিলন হলো না ওদের। সবই আসলে কপালের লিখন। নইলে আজ হয়তো রানার সঙ্গে ছোট্ট কোন কিচেনে বসে গল্প করত ও। সর্বক্ষণ ওকে ব্যস্ত করে রাখত দুটো কি তিনটে বাচ্চা। ওদের ভেতর শৈশবের রানাকে দেখত সকৌতুকে। বুক চিরে চাপা দীর্ঘশ্বাস বেরিয়ে এল লিয়ার।

    ‘তুই ওকে খুব পছন্দ করিস, তা-ই না?’ একবার বলেছিল ওর ভাই অ্যালেক, ‘কিন্তু মনে রাখিস, রানা যেমন ধরনের মানুষ, তুই হয়তো কোনদিনই সুখী হবি না।’

    বোধহয় অ্যালেকের কথাই ঠিক। তখন ওর কাঁচা বয়স। রানাও সবে মাত্র যুবক হয়ে উঠেছে। কী মিষ্টি করেই না হাসত! আর চোখদুটোর কুচকুচে কালো মণিতে খেলা করত অদ্ভুত এক মায়া। আগে কখনও কারও চোখে এমন দুর্বার আকর্ষণ দেখেনি লিয়া। আজ সবই রূপকথার মত লাগছে ওর কাছে। প্রথম দর্শনে পড়ে গিয়েছিল রানার প্রেমে। আর ওটাই ছিল ওর শেষ প্রেম। ওদের দু’জনের পরিচয়ের পর তিনটে মাস কীভাবে উড়ে পার হয়ে গিয়েছিল, নিজেও বুঝতে পারেনি লিয়া। শেষবার যখন দেখা হলো, দ্বিতীয়বারের মত ওর ঠোঁটে চুমু এঁকে দিয়েছিল রানা। কথা ছিল, পরদিন বিয়ে করবে ওরা। অথচ… তারপর কোথায় যেন হারিয়ে গেল মানুষটা!

    ভাবতে গেলে অবাক লাগে, এরপর কেটে গেছে দীর্ঘ ছয়টা বছর!

    কে জানে, কতটা বদলে গেছে রানা?

    আগের চেয়ে শুকিয়ে গেছে ওর মুখ। ঠোঁটের কোণে দুষ্টুমি-হাসিটা সবসময় থাকত, আজ আর তা নেই। বরাবরের মতই সুঠামদেহী হলেও ক্ষিপ্র চিতার মত হয়েছে ওর চলার গতি। আগে এমন দৃঢ়পায়ে হাঁটত না। চোখের দৃষ্টি বদলে গেছে। কথা বলে কম: টু দ্য পয়েন্ট।

    থাক না রানার কথা, দীর্ঘশ্বাস ফেলে ভাবল লিয়া।

    অ্যালেক একদিন বলেছিল, দুনিয়ার নানান প্রান্তে ভয়ঙ্কর সব অপারেশনে জড়িয়ে গেছে রানা। একদম পাল্টে গেছে। কাজেই ওর উচিত রানার কথা ভুলে যাওয়া। বিষাদময় অতীত নিয়ে ভাবতে চাইছে না লিয়া। নিজেকে ব্যস্ত করে তুলল রাতের খাবার তৈরির কাজে।

    .

    স্টাডিরুমে ফায়ারপ্লেসের সামনে কার্পেটে বসেছে লিয়া ও রানা। এই ঘরটা মস্তবড় বাড়ির অন্যসব ঘরের চেয়ে আকারে ছোট। রানা কিছুক্ষণ আগে ফায়ারপ্লেসে আগুন জ্বেলে দেয়ার পর গরম হয়ে উঠেছে স্টাডিরুম। আগুনের দাউ দাউ কমলা শিখার প্রতিচ্ছবি পড়ছে চকচকে ওক কাঠের প্যানেলে। ঘরের চার কোনায় মৃদু দুলছে অদ্ভুত সব ছায়া। একদিকে কয়েকটা প্যাকিং কেস, কার্ডবোর্ডের বাক্স, খোলা হয়নি এখনও।

    ‘ভাজা ডিমের স্যাণ্ডউইচ আর কমদামি ওয়াইন,’ হাসল লিয়া। ‘আমিও হয়ে গেছি তোমারই মত সৈনিক!’

    চুপ করে থাকল রানা।

    স্যাণ্ডউইচে কামড় দেয়ার ফাঁকে ওয়াইনের বোতল হাত বদল করছে ওরা। মিনিট পাঁচেক পর আধখালি হলো বোতলটা। অ্যালকোহলের কল্যাণে মনের অস্বস্তি কমে গেছে লিয়ার। খাবার শেষ করে লালচে আগুনের নৃত্যরত শিখার দিকে চেয়ে নীরবে বসে থাকল ওরা।

    আগুনের আভায় লিয়াকে দেখছে রানা। মনে পড়ছে শেষবার কবে বসেছে ওর পাশে। বেশ কয়েক বছর আগের কথা। কঠিন এক ট্রেইনিঙের ফাঁকে ছুটি পেয়ে মধ্য ওয়েল্‌স্-এ অ্যালেক ও লিয়ার বাবা গ্যারি বেকারের বাড়িতে জড় হয়েছিল ওরা। বাড়িটা ছিল অনেক পুরনো। হারিয়ে বসেছিল আগের আভিজাত্য। অযত্নে উঠানে জন্মেছিল ঝোপঝাড়। লিয়ার বাবা ছিলেন পিয়ানো মেরামতকারী এক প্রতিষ্ঠানের মালিক। তবে সময়টা ভাল যাচ্ছিল না তাঁর। মাত্র সাতান্ন বছর বয়সে বুড়িয়ে গিয়েছিলেন। পেকে গিয়েছিল চুল-দাড়ি। অতিরিক্ত পর্ট গিলতেন বলে দুই গাল লালচে দেখাত। বিষাদে ছাওয়া চোখে কী যেন হারিয়ে ফেলার অব্যক্ত যন্ত্রণা। আসলে কোনদিন মেনে নিতে পারেননি কোলন ক্যান্সারে প্রাণপ্রিয় স্ত্রীর অকাল মৃত্যুটাকে।

    রানার সম্পর্কে সবকিছু জানবেন বলে স্টাডিরুমে ডেকে নেন তিনি অ্যালেককে। নিচতলায় বসে ছিল রানা ও লিয়া। বাইরে ঝুম বৃষ্টি। জানালার কাঁচ বেয়ে নামছে অবিশ্রান্ত জলের ধারা। ফায়ারপ্লেসে দাউ দাউ আগুনের লাল শিখা। কয়েক ঘণ্টা পাশাপাশি বসে গল্প করেছিল ওরা। সেদিনই প্রথমবারের মত লিয়ার ঠোঁটে চুমু দিয়েছিল ও। এবং তারপর, দ্বিতীয়বার…

    বুক চিরে দীর্ঘশ্বাস বেরিয়ে এল রানার। চট্ করে ফিরল বাস্তবে। আগুনের কম্পিত আলোয় দেখল লিয়ার ফর্সা গাল। গত ক’বছরে অঢেল সুনাম পেলেও বোধহয় একটুও বদলে যায়নি মেয়েটা।

    ‘কী ভাবছ?’ মৃদু কণ্ঠে জানতে চাইল রানা।

    আগুনের দিক থেকে ওর দিকে ফিরল লিয়া। ‘ভাবছি তোমার কথাই।’

    ‘আমি তো অতি সামান্য মানুষ; দুনিয়া কাঁপানো, নাম করা কোনও গুণী শিল্পী নই।’

    ‘নিশ্চয়ই বিয়ে করেছ? মেয়েরা তো সবসময় পছন্দ করত তোমাকে।’ সরাসরি রানার চোখে তাকাল লিয়া।

    এবার কিছু না কিছু বলতে হবে বুঝতে পেরে সোজাসাপ্টা জানাল রানা, ‘না, লিয়া। বিয়েটা করা আর হয়ে ওঠেনি।’

    ‘তা হলে আগের মতই রয়ে গেছ: যেদিকে মন, সেদিকে গমন? স্বাধীন, স্বেচ্ছাচারী?’

    তিক্ততার তীর নীরবে হজম করল রানা। কিছুক্ষণ পর বলল, ‘এ-ই বোধহয় ভাল হয়েছে, লিয়া।’

    ‘অথচ আমি তোমাকে সত্যিই ভালবেসেছিলাম,’ অস্ফুট স্বরে বলল লিয়া।

    ‘আমিও,’ ওকে দেখল রানা।

    আগুনের দিকে ফিরল লিয়া। ‘সত্যিই কি তাই?’

    ‘আমার প্রাণের চেয়েও অনেক বেশি।‘

    ‘কিন্তু সবসময় তোমার কাছে চাকরিই ছিল একনম্বরে।‘

    ‘তুমি তো জানতে, আমার চাকরি দেশের নিরাপত্তার সঙ্গে জড়িত, ওই দায় কখনও এড়ানো যায়?’

    ‘অ্যালেক ঠিকই বলেছিল, আজও সেই চাকরিই তোমার জীবনের সবকিছু।’

    নীরবে মাথা দোলাল রানা।

    ‘সেদিন অপেরায় ছিল আমার প্রথম শো,’ ফিসফিস করল লিয়া। ‘খুব খুশি হয়ে ভেবেছিলাম শ্রোতাদের ভেতর না থাকলেও ঠিক সময়ে তুমি পৌঁছে যাবে।’

    চুপ করে আছে রানা।

    ‘তুমি বুঝতেও চাওনি যে ভেঙে দিচ্ছ আমার বুকটা,’ নিচু গলায় বলল লিয়া।

    ‘যেদিন আমাদের বিয়ে হওয়ার কথা, তার আগের রাতে এল জরুরি তলব—তক্ষুণি ফিরতে হবে,’ বলল রানা। ‘তবে প্রথম সুযোগে তোমাকে ফোন করেছি। একবার নয়, বহুবার। কিন্তু তুমি আমার কল রিসিভ করোনি। মেসেজ দিয়েছি, জবাব দাওনি। তারপর সব বিস্তারিত জানিয়ে ই-মেইল করেছি। বহুবার। সেগুলো তো তুমি পেয়েছিলে, তা-ই না?’

    একটু থমকে গিয়ে চট্ করে রানার দিকে তাকাল লিয়া। ‘তোমার কল রিসিভ করার কোনও যুক্তি ছিল না। এত অপমানিত হয়েছি যে খুলে দেখিনি মেসেজ। কোনদিন ভুলব না, কথা দিয়েও তুমি আসোনি। নিজেকে অসহায়, বঞ্চিত, প্রতারিত মনে হয়েছিল সেদিন। বান্ধবীদের কাছে খুব ছোট হয়েছিলাম। ভাবতেও পারিনি, বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে উধাও হবে আমার নায়ক। আমার ধারণা, বানিয়ে বলছ এখন; তুমি আসলে ই-মেইল করোইনি। করে থাকলে রাগ কমলে নিশ্চয়ই খুলে দেখতাম তোমার কৈফিয়ত।’

    ‘তখন হু-হু করে বাড়ছে তোমার ব্যস্ততা,’ নরম কণ্ঠে বলল রানা। ‘তাই কি আমার মেইল চোখে পড়েনি তোমার? এতগুলো চিঠি লিখলাম… একটাও পাওনি?’

    ‘কই, না!’

    ‘আর কারও অ্যাকসেস ছিল তোমার কমপিউটারে?’

    পলকের জন্যে লিয়ার চোখে ফুটল দিশেহারা একটা ভাব। বলল, ‘অ্যালেক দেখত। তুমি ভাবছ ও মুছে দিয়েছে ওসব?’

    ‘আমি কিছুই ভাবছি না। আন্দাজ করতেও চাই না।’

    রানার কথাটা কাঁপিয়ে দিয়েছে লিয়াকে। ও জানে, মিথ্যে বলার মানুষ রানা নয়। ফ্যাকাসে হয়ে গেছে ওর মুখ। বিষণ্ণ চোখে চেয়ে রইল পেলব হাতের ফর্সা, সুগঠিত আঙুলের লাল নেইল পলিশের দিকে। আজ বারবার ভেবেছে, ওর জীবনটা কেমন হতো রানা ওকে বিয়ে করলে! আর এখন এস শুনছে? অ্যালেক রানার পাঠানো ই-মেইল গোপন না করলে হয়তো সত্যিই বদলে যেত ওর জীবন!

    ‘ভাবতেও পারিনি আমারই আপন ভাই তোমার আর আমার মাঝে দেয়াল হয়ে দাঁড়াবে,’ আগুনের লাল শিখার দিকে তাকাল লিয়া। রানা আর ওর প্রতি চরম অন্যায় করেছে অ্যালেক। তবে আজ আর কোনও জবাবদিহি করতে পারবে না সে। লিয়া আর কখনও তাকে বলতে পারবে না, ‘ভাইয়া, আমরা কী অন্যায় করেছিলাম যে তুমি এমন নিষ্ঠুর কাজটা করলে!’

    চুপচাপ গনগনে আগুনের দিকে চেয়ে আছে ওরা। কারও কিছু বলার নেই। চিমনির দিকে ছিটকে উঠছে লাল সব স্ফুলিঙ্গ।

    বেশ অনেকক্ষণ পর বলল লিয়া, ‘অ্যালেকের কথা মনে পড়ছে। অনেক বড় ছিল ওর মন। ও কেন এরকম একটা কাজ করতে গেল…’

    ‘কারণটা জানি না, তবে আঁচ করতে পারি,’ বলল রানা। ‘অ্যালেক ধরে নিয়েছিল, আমরা দু’জন আসলে আলাদা দুই জগতের মানুষ। বিয়ে হলে সেটা শেষ হতো বিচ্ছেদের মাধ্যমে। তাই চায়নি আমার কৈফিয়ত তোমাকে নরম করে ফেলুক। অথচ আমার সঙ্গে ওর বন্ধুত্ব ছিল অটুট।’

    ‘সুযোগ পেলেই তোমার প্রশংসায় পঞ্চমুখ হতো ও।’

    ‘আমিও ওকে খুব পছন্দ করতাম,’ বলল রানা। ‘এত কম বয়সে চলে যাবে, ভাবতে পারিনি।’

    ‘ও বলেছে, তুমি নাকি হয়ে উঠেছ দুনিয়ার সেরা যোদ্ধা।’

    হাসল রানা। তারপর প্রসঙ্গ বদলে হঠাৎই প্রশ্ন করল, ‘আচ্ছা, কেন ওই লেকে গিয়েছিল অ্যালেক বলতে পারো?’

    ‘কারও জানা নেই,’ বলল লিয়া, ‘সেরাতে ওর সঙ্গে যে মেয়েটা ছিল, সে বলেছে: বরফ ভেঙে পানিতে তলিয়ে যায়।’

    ‘ওই মেয়ে আসলে কে?’

    ‘নাম মেরি বার্নলে। গত বছর অস্ট্রিয়ায় সুইট্যারল্যাণ্ডের যে রাষ্ট্রদূত ছিলেন, তাঁর স্ত্রী সে। অ্যালেককে জড়িয়ে মেয়েটার নামে ছড়িয়ে পড়েছিল বিশ্রী বদনাম। অবশ্য রাজনৈতিকভাবে চাপা দেয়া হয় পুলিশি ফাইল। সাধারণ মানুষ আর জানতে পারেনি কী ধরনের তদন্ত করা হয়েছে।’

    ‘আমাকে কি খুলে বলবে, আসলে কী হয়েছিল?’ বলল রানা।

    ‘বেশি কিছু তো নিজেই জানি না। তবে সেদিন অ্যালেক ছিল ভিআইপিদের এক পার্টিতে। জানি না ওখানে কারা ছিল। ওর ওই দুর্ঘটনা অন্য কেউ দেখে থাকলেও মুখ খোলেনি।’

    ‘ভিআইপি?’ বলল রানা। ‘যতটা চিনতাম অ্যালেককে, ও তো ওই ধরনের পার্টিতে যাওয়ার মত মানুষ ছিল না।

    ‘সেরাতে লেকের ধারে গিয়েছিল মেয়েটাকে নিয়ে। পুলিশি জেরার সময় মেরি বার্নলে বলেছিল, তাকে পাওয়ার জন্যে হন্যে হয়ে ওঠে অ্যালেক। পার্টিতে আসতে দেরি করছিলেন তার স্বামী। তখন একটু বেশি শ্যাম্পেন খেয়ে ফেলে সে। তার সঙ্গে তাল মিলিয়ে গিলছিল আমার ভাইও।’

    ‘একটু বেশিই খেত,’ স্বীকার করল রানা।

    ‘একইসঙ্গে নেচেছে ওরা। একইসঙ্গে ড্রিঙ্ক করেছে। তবে আমার ভাইয়ের মত অত মাতাল ছিল না ওই মেয়ে। দূরে কোথাও গিয়ে ঘনিষ্ঠভাবে সময় কাটাতে চাইল ওরা। মেরি বার্নলে পুলিশকে পরে বলেছে, আমার ভাই বারবার চেয়েছিল ভাল কোন হোটেলের রুম নেবে।’

    ‘বড়লোকদের পার্টি, অনায়াসেই নির্জন কোন বেডরুম ওরা ব্যবহার করতে পারত।

    ‘তা করেনি।’

    ‘মাতাল অবস্থায় গাড়ি ড্রাইভ করা অ্যালেকের স্বভাবের সঙ্গে একেবারেই মেলে না,’ বলল রানা।

    ‘আমারও তাই ধারণা,’ বলল লিয়া, ‘কিন্তু হোটেলের দিকে যাওয়ার সময় গাড়ি অ্যাক্সিডেন্ট করে। আমি নিজে দেখেছি ওই গাড়ির সামনের দিক মুচড়ে গিয়েছিল।’

    ‘ওর সেই ইয়ারিস হ্যাচব্যাক গাড়ি?’

    ‘সরাসরি কোথাও গুঁতো দিয়েছিল। দেয়াল বা গাছে।’

    ‘মাতাল হয়ে ভাঙা গাড়ি নিয়ে হোটেলে গেলে সাক্ষীর অভাব থাকত না,’ বলল রানা।

    মাথা নাড়ল লিয়া। ‘ওরা হোটেলে যায়নি। তার আগেই ঠিক করেছিল পথের ধারে আড়ালে কোথাও থামবে।’

    ‘ওই লেকের তীরে?’

    মৃদু নড করল লিয়া। ‘তখনই দুর্ঘটনা ঘটে। মেয়েটার কথা যদি সত্য হয়, আমার ভাই বরফে স্কেট করছিল তখন।’

    ‘অ্যালেকের চরিত্রের সঙ্গে এসব একটুও মিলছে না।’

    ‘আমিও অবাক হয়েছি,’ বলল লিয়া। ‘তবে মেরি বার্নলের কথা ঠিক হলে, মাতাল হয়ে অ্যালেক চলে গিয়েছিল বরফে ঢাকা লেকের বেশ ভেতরে। মেয়েটার প্রথমে মনে হয়েছিল খুব মজা হচ্ছে। তবে একটু পর বিরক্ত হয়ে ফিরে যায় গাড়িতে। ঘুমিয়ে পড়ে পেছনের সিটে।’

    ‘তার মানে মাতাল হয়ে চেতনা হারিয়েছে,’ বলল রানা। ‘তবে সে তুলনায় অনেক কিছুই মনে রেখেছে সে।’

    ‘তার বলা কথাগুলোই শুধু জানি। আর কোনও সাক্ষী তো ছিল না।’

    ‘দু’জন ঘনিষ্ঠ সময় কাটাবার পর স্কেট করতে গিয়ে ওই লেকে নেমেছে অ্যালেক?’

    ‘মেয়েটা বলেছে দৈহিক কিছু ওদের ভেতর ঘটেনি।’

    ‘তার মানে, হোটেলে যাওয়ার ধৈর্য ছিল না অ্যালেকের, অথচ সেক্স ভুলে চলে গেল লেকের বুকে স্কেট করতে?’

    ‘এটা আমারও অস্বাভাবিক লেগেছে,’ বলল লিয়া। ‘এমন তো হওয়ার কথা নয়। তবে মাতাল হয়ে গেলে…’

    মাথা নাড়ল রানা। ‘ঠিক আছে, আর বাধা দেব না, তুমি পুরো কাহিনী শেষ করো।’

    ‘ভীষণ শীতে ঘুম ভাঙল মেরি বার্নলের। পুলিশকে পরে বলেছে, গাড়ির ভেতর ঘুমিয়ে পড়েছিল আধঘণ্টার জন্যে। তারপর ঘুম ভাঙলে বুঝল আশপাশে কেউ নেই। লেক থেকে ফেরত আসেনি আমার ভাই। তবে লেকের বরফের মেঝেতে ছিল গোল একটা গর্ত।’

    লোহার পোকার দিয়ে চ্যালা কাঠ ফায়ারপ্লেসের আগুনে গুঁজল রানা। ভাবছে: অ্যালেক প্রশিক্ষিত সৈনিক, তার তো এভাবে বোকার মত ঝুঁকি নেয়ার কথা নয়!

    ‘অস্ট্রিয়ায় আসলে কী করছিল অ্যালেক?’ জানতে চাইল রানা।

    ‘একটা বই লিখবে বলে রিসার্চ করছিল।’

    মেঝেতে পোকার রেখে লিয়ার দিকে তাকাল রানা। ‘কী ধরনের বই লিখতে চেয়েছিল?’

    ‘মোযার্টের ওপর।’

    ‘বায়োগ্রাফি বা ওই ধরনের কিছু?’

    ‘মোযার্টের জীবনের কাহিনী তো হাজারটা লেখা হয়েছে,’ বলল লিয়া। ‘অ্যালেক চেয়েছিল মোয়ার্টের মৃত্যু-রহস্যের ওপর রিসার্চ করে একটা বই তৈরি করবে।’

    ‘অদ্ভুত সাবজেক্ট।’

    ‘এ বিষয়ে আর কেউ কিছু লিখেছে বলে জানা নেই আমার,’ বলল লিয়া। ‘ওই কাজে মন ঢেলে দিয়েছিল অ্যালেক। নিয়মিত জানাত কেমন চলছে ওর রিসার্চ। আসলে ওর সব খরচ আমিই চালিয়ে নিতাম। তাই সবই শেয়ার করত। আমার হাতে সময় কম বলে ওসব নোট কখনও পড়ে দেখিনি। আর… ওই দুর্ঘটনার পর ইচ্ছে হয়নি সেসব কাগজ ঘেঁটে দেখি। যে-রাতে মারা গেল, তার আগে আমাকে কী যেন পাঠিয়েছিল। কিন্তু মন খারাপ হবে বলে ওটা আর কখনও খুলে দেখিনি।’ মেঝে থেকে ওয়াইনের বোতল তুলে ছোট্ট চুমুক দিল লিয়া। ‘অবশ্য গত কয়েক মাস ধরে ভাবছি, ওর রিসার্চের বাকি অংশটা আমারই লিখে শেষ করা উচিত।’

    ‘তার মানে ওর লিখতে শুরু করা বইটা তুমি নিজে লিখে শেষ করতে চাইছ?’

    ‘ওর স্মৃতিরক্ষা করতে চাইলে সেটা করাই ভাল,’ ত তুলে একটু দূরের কয়েকটা কার্ডবোর্ড বাক্স দেখাল লিয়া। ‘মণ্টি কার্লো থেকে সব নোট এনেছি। ওগুলোর ভেতরেই আছে।’ রানার দিকে চেয়ে মৃদু হাসল লিয়া। ‘তুমি কি আমাকে পাগল ভাবছ?’

    ‘বইটা লিখে শেষ করতে চাও, সেজন্যে? না। আমার বরং মনে হচ্ছে ভাল সিদ্ধান্ত নিয়েছ। তবে খাটতে হবে অনেক!’

    ‘তা ঠিক, আমি গায়িকা; লেখিকা তো নই,’ বলল লিয়া 1 ‘তবু মনে হচ্ছে শেষ করতে পারব কাজটা। তাতে নিজেরও ভাল লাগবে। মনে হবে অ্যালেকের জন্যে কিছু অন্তত করতে পেরেছি।’

    মেঝে থেকে ওয়াইনের বোতলটা তুলে গলায় লালচে তরল ঢালল রানা। ভাবছে, কিচেন থেকে আনবে আরেকটা বোতল? পরক্ষণে দূর করে দিল ভাবনাটা। নিচু গলায় বলল, ‘আমি ভেবেছিলাম সবাই জানে কীভাবে মারা গেছেন মোযার্ট।’

    ‘প্রতিযোগী সুরকার বিষ খাইয়ে মেরে ফেলেছেন তাঁকে?’ হাসল লিয়া। ‘ওটা তো পুরনো থিয়োরি। আজকাল ওটা বলে না কেউ।’

    ‘অ্যালেক তা হলে ওই বিষয়ে কী ভেবেছিল?’

    ‘খুন হন মোযার্ট। তবে ওর থিয়োরি অন্যরকম। আর সেজন্যেই ওর বইটা হবে একেবারেই আলাদা।’

    ‘খুন? মোযার্টকে খুন করল কে?’

    ‘আমার মনে হয় অ্যালেক ভাবত তাঁকে খুন করেছে ফ্রিম্যাসনরা।’

    এক পায়ের প্যান্ট গুটিয়ে ঘুরে বেড়ানো একদল লোক কী কারণে খুন করবে মোযার্টকে?’

    গম্ভীর হয়ে গেল লিয়া। ‘অ্যালেক কিন্তু সত্যিই ভাবত, ওরাই খুন করেছে।’

    ‘কিন্তু ফ্রিম্যাসনরা খুন করবে কেন?’

    ‘মোযার্ট খুন হন দ্য ম্যাজিক ফ্রুটের কারণে।’

    ‘অপেরার ওই পালার কথা আগেও বলেছ। তা হলে অ্যালেক ভাবত, ওটার সঙ্গে সম্পর্ক আছে মোযার্টের খুনের? কিন্তু প্রমাণ কোথায়?’

    ‘ম্যাসনিক সিম্বলে ভরা দ্য ম্যাজিক ফুট,’ ধৈর্যের সঙ্গে বলল লিয়া, ম্যাসনরা প্রতিজ্ঞা করেছিল ওগুলো গোপন রাখবে।’

    ‘আর ওসব জানতেন মোযার্ট?’

    ‘হ্যাঁ, জানতেন, কারণ তিনি নিজেও ফ্রিম্যাসন ছিলেন।’

    ‘জানতাম না। কিন্তু তাতে কী? বেশি বকবক করেছিলেন বলে খুন হন তিনি?’

    ‘অ্যালেকের তা-ই ধারণা। আমি অবশ্য এ-ব্যাপারে প্রায় তেমন কিছুই জানি না।’

    ‘বইটা তুমি লিখে প্রকাশ করার পর পড়ে নেব,’ হাসল রানা। ‘তবে এসব তথ্য কোথা থেকে পেল অ্যালেক?’

    ‘বাবার সেই আবিষ্কারের পর,’ বলল লিয়া। ‘মনে নেই ওটার কথা?’

    মাথা দোলাল রানা। মনে আছে। ‘ওই চিঠি?’

    ‘রিসার্চ শুরু করার সময় ওটাই ছিল প্রথম সূত্র,’ বলল লিয়া। ‘ওটার কারণেই বইয়ের নাম অ্যালেক দিয়েছিল: দ্য মোযার্ট’স ডকুমেন্ট।’

    রানা কিছু বলার আগেই বেজে উঠল মোবাইল ফোন। পকেট থেকে ওটা নিয়ে কল রিসিভ করল লিয়া। ‘এমিলিয়া বেকার বলছি।’

    ওদিক থেকে পুরুষকণ্ঠ শুনল রানা। মন দিয়ে কথা শুনছে লিয়া। কুঁচকে গেল ভুরু। কয়েক মুহূর্ত পর বলল, ‘আমি এখন দ্য নেড হোটেলে নেই।’ ওদিকের বক্তব্য শুনে জানাল, ‘আমি আছি আমার কাউন্টি হাউস হচিন্সটন হলে। …আপনি কি আরও কিছু বলবেন?’

    লোকটার কথা শুনতে পাচ্ছে না বলে লিয়ার মুখের দিকে তাকাল রানা।

    বিস্ফারিত হলো লিয়ার দু’চোখ। ‘মাই গড! পুরো ফ্ল্যাট?’ কি থেকে কী যেন বলছে লোকটা। চিন্তার ছাপ পড়ল লিয়ার চেহারায়। ‘ওগুলো চুরি হয়নি? …না…. বুঝতে পেরেছি।’ আবারও শুনছে মন দিয়ে। আনমনে এলোমেলো করল মাথার চুল। নিচু গলায় বলল, ‘ঠিক আছে, বুঝতে পেরেছি। জী, আমাকে জানিয়ে দেয়ার জন্যে অসংখ্য ধন্যবাদ।’

    ফোন রেখে বড় করে শ্বাস ফেলল লিয়া। বিড়বিড় করে বলল, ‘সর্বনাশ!’

    ‘কী হয়েছে?’ জানতে চাইল রানা।

    ‘পুলিশের ফোন। লণ্ডনে আমার ফ্ল্যাটে ঢুকে কারা যেন, সবকিছু তচনচ করেছে!

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleমাসুদ রানা ৪৬২ – এক্স এজেন্ট
    Next Article রবিনহুড – কাজী আনোয়র হোসেন

    Related Articles

    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৩৮৫-৩৮৬ – হ্যাকার (দুই খণ্ড একত্রে)

    July 22, 2025
    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫৬ – টপ টেরর

    July 22, 2025
    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫৪ – নরপশু

    July 22, 2025
    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫৩ – ধর্মগুরু

    July 22, 2025
    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫২ – কালো কুয়াশা

    July 22, 2025
    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫১ – মায়া মন্দির

    July 22, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }