Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    মাসুদ রানা ৪৬৬ – ধ্বংসযজ্ঞ

    কাজী আনোয়ার হোসেন এক পাতা গল্প453 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ধ্বংসযজ্ঞ – ১৩

    তেরো

    বিকেল গড়িয়ে সন্ধ্যা নামতে শুরু করেছে অ্যাযোর্সে। পশ্চিম দিগন্তে ঢলে পড়েছে সূর্য। লালচে হয়ে উঠেছে আকাশ, নিচে দীর্ঘ হচ্ছে ছায়া। বাতাসও হয়ে উঠছে আর্দ্র। কোমল আলোয় স্থির হয়ে আছে সাগরের পানি, ঢেউ-টেউ কিচ্ছু নেই—মনে হচ্ছে অস্তগামী সূর্য বুঝি হাত বুলিয়ে ঘুম পাড়িয়ে দিয়েছে দুরন্ত সমুদ্রকে।

    নেপচুনের পোর্ট সাইডের রেলিঙে ভর দিয়ে প্রকৃতির সুধা পান করছে রানা, মাথায় ঘুরপাক খাচ্ছে নানা চিন্তা। এক্সপি- ফোরকে উদ্ধারের পর কেটে গেছে দু’দিন, এর ভেতর ঘটে গেছে অনেক কিছু। জনসমক্ষে রানা ও মুরল্যাণ্ডকে ধন্যবাদ জানিয়েছে পর্তুগিজ কর্তৃপক্ষ, পরে আবার আড়ালে ডেকে দিয়েছে হুমকি। উদ্ধার অভিযানের কয়েক ঘণ্টা পরে আবারও নিচে নেমেছিল ওরা, নেপচুনও এসে পজিশন নিয়েছে ডুবন্ত জ্বালামুখটার কাছাকাছি। পর্তুগিজদের অনুমতি নেয়া হয়নি, আর তাতেই যত বিপত্তি। বলে দেয়া হয়েছে, বিনা- অনুমতিতে আর যেন নিচে না যায় ওরা… রেকগুলো থেকে যেন কিছু সরাবার চেষ্টা না করে। অপমানজনক একটা ব্যাপার। ভাবখানা এমন, যেন সুযোগ পেলেই ওরা নিচ থেকে কিছু চুরি করে নিয়ে যাবে।

    ইতিমধ্যেই নানা রকম বিধি-নিষেধ আরোপ করা হয়েছে সদ্য-আবিষ্কৃত আণ্ডারওয়াটার গ্রেভইয়ার্ড-এর ব্যাপারে। পর্তুগিজ কর্তৃপক্ষ বলছে, নিরাপত্তার স্বার্থে করা হয়েছে কাজটা। যুক্তিটা একেবারে উড়িয়ে দেবার মত নয়। অদ্ভুত ওই পাথরের টাওয়ারের ম্যাগনেটিক ফিল্ডের কারণে ইকুইপমেণ্ট ঠিকমত কাজ করে না, আণ্ডারওয়াটার নেভিগেশন অত্যন্ত কঠিন। চৌম্বকীয় শক্তিটাও স্থির নয়, বাড়ছে-কমছে। যখন চূড়ান্ত সীমায় পৌঁছায়, ধাতব যে- কোনও জিনিসকে টেনে নেয় প্রচণ্ড টানে। সেই টানের ভেতরেই পড়েছিল হ্যামারহেড আর এক্সপি-ফোর। পরের বার নিচে নেমে রানা দেখেছে, কোনও কোনও জায়গায় চুম্বকের টান আর তীব্র স্রোত একই দিকে বইছে। কোনও সাবমারসিবল যদি তাতে আটকা পড়ে তো মুক্ত হওয়া অসম্ভব।

    বিপজ্জনক জায়গা, কোনও সন্দেহ নেই। এক্সপি-ফোরের পর আরও একটা সাবমারসিবলেও ইলেকট্রিক্যাল ডিসটার্বেন্স দেখা দিয়েছিল; সৌভাগ্যক্রমে বেশি গুরুতর ছিল না সেটা। এক্সপি-ফোর বেশি আক্রান্ত হয়েছে, ওটার দুই আরোহীকে ভর্তি করতে হয়েছে হাসপাতালে। মাথাব্যথা আর চোখে ঘোলা দেখার কথা জানিয়েছে তারা। এসব কারণে জায়গাটা সম্পর্কে নানা ধরনের ষড়যন্ত্র-তত্ত্ব আর গুজব ছড়িয়ে পড়েছে।

    ইচ্ছে করেই এসব গুজব দমাবার চেষ্টা করছে না পর্তুগিজ সরকার। গুজব যত রটে, ততই ভাল। মানুষ আকৃষ্ট হবে জায়গাটার প্রতি। টুরিস্ট বাড়বে। তার কিছুটা নমুনা ইতিমধ্যেই দেখতে পেয়েছে রানা। গতকাল পর্যন্ত নেপচুন ছাড়া আর কোনও জাহাজ ছিল না এলাকাটায়, আজ সকালেই নতুন তিনটে জাহাজ এসে উদয় হয়েছে। সন্দেহ নেই, খুব শীঘ্রি টুরিস্ট কোম্পানিগুলো তাদের অতিথিদের ডুবুরি পোশাক পরিয়ে কিংবা সাবমারসিবলে উঠিয়ে জাহাজের গোরস্থান দেখাতে নিয়ে যাবে।

    পেছনে পায়ের আওয়াজ শুনে ঘুরে দাঁড়াল রানা। দু’হাতে দুটো বিয়ারের বোতল নিয়ে আসছে মুরল্যাণ্ড। কাছে এসে একটা বোতল তুলে দিল ওর হাতে।

    ‘বোহেমিয়া?’ লেবেল পড়ে ভুরু নাচাল রানা।

    ‘মেক্সিকোর সেরা বিয়ার,’ জানাল মুরল্যাণ্ড।

    ‘কোত্থেকে জোগাড় করলে?’

    ‘ক্যাপ্টেন মিচামের পার্সোনাল কালেকশন থেকে। কেবিনে লুকিয়ে রেখেছিলেন।’

    ‘আর, তুমি চুরি করে নিয়ে এলে? জানতে পারলে কেমন খেপবেন, আন্দাজ করতে পারছ?’

    ‘আরে নাহ্। খেপবেন কেন, আমাদের মনের অবস্থা দেখে বরং সমব্যথী হবেন। আফটার অল, খানিক আগে আমাদেরকে সাবমারসিবলের কম্পিটিশন থেকে অফিশিয়ালি ডিসকোয়ালিফাই করা হয়েছে।’

    অবাক হলো না রানা। নিয়ম নিয়মই। বলল, ‘তো… দশ মিলিয়ন ডলার খুইয়ে কেমন লাগছে?’

    ‘আমি না, নুমা খুইয়েছে,’ বলল মুরল্যাণ্ড। ‘জিতলেও তো কিছু পেতাম না। সেটাই সান্ত্বনা।’

    হাসল রানা। পরমুহূর্তেই আওয়াজ শুনে আকাশের দিকে তাকাল। পূর্ব দিক থেকে একটা সুপার লিঙ্কস হেলিকপ্টার সরলরেখায় এগিয়ে আসছে নেপচুনের দিকে। কাছে আসতেই গায়ে পর্তুগিজ নেভির মার্কিং দেখা গেল। জাহাজের পেছনদিকে গিয়ে স্থির হলো ওটা। আস্তে আস্তে নামল হেলি ডেকে।

    একটু পরেই এক নাবিক উদয় হলো। ‘মি. রানা, মি. মুরল্যাণ্ড, আপনাদেরকে ক্যাপ্টেন তাঁর রেডি রুমে ডেকেছেন।’

    ‘আসছি,’ জানাল রানা।

    বিয়ার শেষ করল ও আর মুরল্যাণ্ড। কয়েক মিনিটের মধ্যে পৌঁছুল রেডি রুমে।

    কামরাটা বড় নয়। মাঝখানে একটা কনফারেন্স টেবিল। পর্তুগিজ নেভির ইউনিফর্মে একজন সিনিয়র অফিসারকে দেখা গেল বসে থাকতে। বাকি দু’জন অ্যাযোর্স দ্বীপপুঞ্জের গভর্নরের অফিস থেকে এসেছেন। ক্যাপ্টেন মিচামও উপস্থিত।

    অতিথিদের দলনেতার সঙ্গে রানা ও মুরল্যাণ্ডকে পরিচয় করিয়ে দিলেন ক্যাপ্টেন। ‘ইনি রিয়ার অ্যাডমিরাল মারিয়ো ফনসেকা। এখানকার সবকিছুর দায়িত্ব দিয়ে পাঠানো হয়েছে ওঁকে।’

    উঠে এসে হাত মেলালেন রিয়ার অ্যাডমিরাল। বললেন, ‘আমাদের বিশ্বাস, আপনারা যা আবিষ্কার করেছেন, তা বৈজ্ঞানিকভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এজন্যে পুরো পর্তুগাল আপনাদের প্রতি কৃতজ্ঞ।’

    আবারও ভোল পাল্টাচ্ছে পর্তুগিজরা। বিরক্ত হলো রানা। বলল, ‘কী যে আবিষ্কার করেছি, তা আমরা নিজেরাও জানি না। নিশ্চিত হবার জন্যে স্যাম্পল টেস্ট করা দরকার।’

    ‘কিছু তো নিশ্চয়ই আন্দাজ করেছেন।’

    কাঁধ ঝাঁকাল রানা। ‘টাওয়ারটা ম্যাগনেটাইজড় আয়রন অ্যালয়ের একটা বিশাল টুকরো হতে পারে। একসঙ্গে এত অ্যালয় সাধারণত পাওয়া যায় না, তবে আগ্নেয়গিরিটা কয়েক লক্ষ বছরের পুরনো। তাই ব্যাপারটা একেবারে অস্বাভাবিকও বলা যাচ্ছে না…’

    ‘নিশ্চিত থাকুন, রানাকে বাধা দিয়ে বললেন ফনসেকা, ‘এটা অস্বাভাবিকের চেয়েও বেশি কিছু। আজ আমরা কয়েকটা বিমান পাঠিয়েছিলাম, দেখেছেন নিশ্চয়ই?’

    সায় জানাল রানা। সকাল থেকে কয়েক বারই মাথার ওপর দিয়ে উড়ে গেছে কয়েকটা পর্তুগিজ পি-থ্রি ওরাইয়ন। ভেবেছিল নেপচুন আর বাকি জাহাজগুলোর ওপর নজর রাখছে ওগুলো।

    ‘বিমানে বসানো সফিসটিকেটেড যন্ত্রপাতির সাহায্যে ম্যাগনেটিজমটা স্টাডি করেছি আমরা,’ বললেন রিয়ার অ্যাডমিরাল। ‘যা পেয়েছি, তা অবাক হবার মত। ম্যাগনেটিক ফিল্ডটা ক্রমাগত বদলাচ্ছে। কখনও কয়েকশো টন লোহা টেনে নেবার মত শক্তিশালী হয়ে উঠছে, আবার কখনও কমতে কমতে এমন অবস্থায় যাচ্ছে যে, পৃথিবীর ব্যাকগ্রাউণ্ড ম্যাগনেটিজম থেকে আলাদা করা যাচ্ছে না।’

    একই ব্যাপার রানা ও মুরল্যাণ্ডও লক্ষ করেছে। সত্যিই অদ্ভুত। প্রাকৃতিকভাবে পাওয়া কোনও চুম্বক এ-ধরনের আচরণ করে না। রানা জানে, ম্যাগনেটাইট নামে লোহা মিশ্রিত এক ধরনের চৌম্বক-ক্ষমতাসম্পন্ন পাথর আছে; সেগুলো যথেষ্ট স্টেবল। টাওয়ারের অবস্থা দেখে বোঝা যাচ্ছে, ওটা সেই ম্যাগনেটাইট বা সমগোত্রীয় কোনও পাথরে তৈরি নয়।

    ‘কী ভাবছেন আপনারা?’ জিজ্ঞেস করল ও।

    ‘পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে দেখতে হবে,’ বললেন ফনসেকা ‘তবে আমাদের বিজ্ঞানীরা বলছেন, আপনারা সম্ভবত সম্পূর্ণ নতুন কোনও বিদ্যুৎ-পরিবাহী প্রাকৃতিক পদার্থ আবিষ্কার করে বসেছেন। নির্দিষ্ট জিয়োলজিক্যাল কণ্ডিশনে, সম্ভবত ভূগর্ভের ম্যাগমার প্রবাহ, কিংবা পৃথিবীর ম্যাগনেটিজমের কারণে বিদ্যুতায়িত হয়ে উঠছে পুরো টাওয়ার, বৈদ্যুতিক চুম্বকে পরিণত হচ্ছে। সেটাই প্রচণ্ড শক্তিতে আশপাশের সমস্ত ধাতব জিনিস টেনে নিচ্ছে নিজের দিকে।’

    ‘আমরা তা হলে এমন একটা কণ্ডিশনের মাঝখানে পড়েছিলাম?’

    ইতিবাচক ভঙ্গিতে মাথা ঝাঁকালেন রিয়ার অ্যাডমিরাল। ‘আমাদের বিজ্ঞানীরা এ-ও ধারণা করছেন, সাগরের তলার ওই গোরস্থানটার জন্যে ওই টাওয়ারই দায়ী। ওটাই ডুবে যাওয়া সব জাহাজকে টেনে নিয়েছে জ্বালামুখটার ভেতরে।’

    অবিশ্বাস ফুটল রানার চোখে। যা শুনছে তা সায়েন্স ফিকশনের পর্যায়ে পড়ে। ‘আপনি সিরিয়াস?’ বলল ও। ওখানে কার্গো শিপ দেখেছি আমরা, দুটো বিমানও দেখেছি। সেগুলোকে টানার জন্যে কী পরিমাণ ম্যাগনেটিক ফোর্স দরকার, কল্পনা করতে পারেন?’

    ওর বলার ভঙ্গিতে যেন আহত হলেন ফনসেকা। অনুযোগ ফুটল চোখে। ‘আমার কথা বিশ্বাস হচ্ছে না আপনার?’

    ‘দুঃখিত,’ বলল রানা। ‘আসলে… টাওয়ারটা সায়েন্টিফিক্যালি সত্যিই ইন্টারেস্টিং। ওটা নিয়ে গবেষণা হওয়া দরকার—আমরা না করি, অন্য কেউ করুক। কিন্তু কোনও ধরনের পরীক্ষা-নিরীক্ষার আগেই আপনারা যে- ধরনের হাইপথেসিস দিচ্ছেন, তাতে সত্যিকার গবেষণা চালানো মুশকিল।’

    ‘আমি মনগড়া কিছু বলছি না,’ বললেন ফনসেকা। ‘আপনার কথায় যুক্তি আছে, কিন্তু… বাস্তবতা হলো, যে- ধরনের ইলেকট্রো-ম্যাগনেটিক ফোর্সের কথা আপনি বলছেন, আমাদের ইকুইপমেন্ট সে-ধরনের রিডিং পেয়েছে ওখানে।’

    ‘সেটা কীভাবে সম্ভব?’

    ‘সুপারকণ্ডাক্টর কাকে বলে, আপনি জানেন? ‘

    ‘বেসিক আইডিয়া আছে। এমন সব পদার্থ, যার মাঝ দিয়ে কোনও ধরনের রেফিস্ট্যান্স ছাড়া বিদ্যুৎ প্রবাহিত হতে পারে, রাইট? শুনেছি, ভবিষ্যতে সুপারকণ্ডাক্টর দিয়ে শূন্যে ভাসমান ট্রেন ও আরও কী কী যেন তৈরি করা যাবে।’

    এবার মুখ খুললেন ক্যাপ্টেন মিচাম। কথা শুনে রানার মনে হলো, বিষয়টা নিয়ে রিয়ার অ্যাডমিরালের সঙ্গে আগেই আলোচনা হয়েছে তাঁর।

    ‘সুপারকণ্ডাক্টর দিয়ে আসলে অনেক কিছুই করা যাবে, মি. রানা,’ বললেন তিনি। ‘জিনিসটা যে-কোনও ইলেকট্রনিক অ্যাপ্লিকেশনের জন্যে আদর্শ। কম্পিউটার বলুন, চুম্বক-শক্তির সাহায্যে ভাসমান ট্রেন বলুন, অথবা গাড়ির মোটর… সবই বানানো যাবে সুপারকণ্ডাক্টর দিয়ে। যে-গাড়িতে এ-জিনিস থাকবে, সে-গাড়ি এক গ্যালন তেলে পাঁচশো মাইল চলবে। একটা স্টাডি বলছে, আমেরিকার পুরো ইলেকট্রিক্যাল গ্রিড যদি সুপারকণ্ডাক্টিং ওয়ায়্যার দিয়ে রিপ্লেস করা হয়, তা হলে চল্লিশ শতাংশ বিদ্যুৎ সাশ্রয় হবে। তাতে কয়লাচালিত অন্তত পাঁচশো ইলেকট্রিক প্ল্যান্ট বন্ধ করে দেয়া যাবে… পরিবেশ দূষণ কমবে।’

    ভ্রূকুটি করল রানা। ‘আপনি যে এসবের এতবড় বিশেষজ্ঞ, তা জানা ছিল না, ক্যাপ্টেন।’

    ‘গতকাল পর্যন্ত আমারও জানা ছিল না,’ স্বীকার করলেন মিচাম। ‘তবে আজ সারাদিনই এই বিষয়টা নিয়ে কথা বলছি নুমার বিশেষজ্ঞ আর পর্তুগিজ অথরিটির সঙ্গে।’

    ‘সুপারকণ্ডাক্টর যদি এতই পরিবেশবান্ধব হবে,’ বলল মুরল্যাণ্ড, ‘এখন পর্যন্ত কেউ সেটা ব্যবহার করছে না কেন?’

    ‘চরম শীতল তাপমাত্রা ছাড়া কাজ করে না সুপারকণ্ডাক্টর,’ জানালেন ফনসেকা। ‘সুপারকণ্ডাক্টিং এফেক্ট সৃষ্টির জন্যে তরল নাইট্রোজেনে ভিজিয়ে ঠাণ্ডা করে নিতে হয়।’

    ‘ইলেকট্রিক গ্রিডে তা হলে ব্যবহার করা কঠিন,’ মন্তব্য করল রানা।

    ‘সবকিছুতেই,’ বললেন ক্যাপ্টেন মিচাম। ‘ওভাবে সুপারকণ্ডাক্টিং কণ্ডিশন মেইনটেন করায় ঝক্কি অনেক।’

    ‘তা হলে বিষয়টা নিয়ে আমরা কথা বলছি কেন?’ মুরল্যাণ্ড ভ্রূকুটি করে জানতে চাইল।

    ‘কারণ,’ সামনে ঝুঁকলেন রিয়ার অ্যাডমিরাল, পালা করে তাকালেন রানা আর মুরল্যাণ্ডের দিকে, ‘আমাদের ধারণা, আপনারা এমন একটা সুপারকণ্ডাক্টিং অ্যালয় আবিষ্কার করেছেন, যেটা স্বাভাবিক টেম্পারেচারেই কাজ করে।’

    মুখ চাওয়াচাওয়ি করল রানা ও মুরল্যাণ্ড। এবার পরিষ্কার হচ্ছে রহস্যটা। আণ্ডারগ্রাউণ্ড গ্রেভইয়ার্ড নিয়ে পর্তুগিজদের বাড়াবাড়ির কারণটা বোঝা যাচ্ছে। কেন ওখানে যেতে বারণ করা হয়েছে, কেন স্যাম্পল সংগ্রহে, বাধা দেয়া হচ্ছে… তা-ও।

    ক্যাপ্টেন মিচাম বললেন, ‘নিচে যদি সত্যিই প্রাকৃতিকভাবে সৃষ্ট সুপারকণ্ডাক্টিং মেটেরিয়াল থেকে থাকে, তার দাম দাঁড়াবে কয়েকশো বিলিয়ন ডলার।’

    মাথা ঝাঁকাল রানা। ‘টাওয়ারটা শক্তি পাচ্ছে কোত্থেকে?’

    ‘ভলকানিক এরিয়ায় আছি আমরা,’ বললেন ফনসেকা। ‘মাটির গভীরে উন্মত্তের মত ফুঁসছে গরম ম্যাগমা। তার ভেতর রয়েছে বিভিন্ন ধরনের তরল ধাতু। বিজ্ঞানীরা বলেন, সেসব ধাতুর মুভমেন্টে বিদ্যুৎ এবং ম্যাগনেটিক ফিল্ড সৃষ্টি হতে পারে।’

    ‘কিন্তু ম্যাগনেটিক ফোর্স তো আর জাহাজ ডোবায় না। এখানে এতগুলো জাহাজ আর বিমান এল কোত্থেকে?’

    ‘সত্যি বলতে কী, আমরা জানি না,’ শ্রাগ করলেন রিয়ার অ্যাডমিরাল। ‘তবে সামুদ্রিক দুর্ঘটনার জন্যে এই এলাকার বদনাম আছে—অনেকটা ক্যারিবিয়ানের বারমুডা ট্রায়াঙ্গলের মত। রেকগুলো জ্বালামুখের উত্তর-পশ্চিমে পেয়েছেন আপনারা, তাই না? শক্তিশালী একটা স্রোত আছে ওদিকে—দুটো ডুবোপাহাড়ের মাঝ দিয়ে পানির প্রবাহে সৃষ্টি হয়েছে। মন্দ কপালের কারণে যদি কোনও জাহাজ ওটায় আটকা পড়ে…

    ‘স্রোত আর ম্যাগনেটিজমের টানে ডুবে যাবে?’ রানা মাথা নাড়ল। ‘এই থিয়োরিতে যথেষ্ট ফাঁক আছে। নিচে বিমানও দেখেছি আমরা। বিমান নিশ্চয়ই স্রোতের কবলে পড়েনি?’

    ‘বললাম তো, আমাদের কাছে এর জবাব নেই,’ স্বীকার করলেন ফনসেকা।

    ‘ঠিক আছে, কাজের কথায় আসুন,’ প্রসঙ্গ বদলাল রানা। ‘আমাদের কাছে কী চান আপনি?’

    দুই সঙ্গীর সঙ্গে দৃষ্টি বিনিময় করলেন রিয়ার অ্যাডমিরাল। ইতস্তত করে বললেন, ‘ইয়ে… একটা জটিলতা দেখা দিয়েছে। সাগরের এই অংশের মালিকানা নিয়ে পুরনো একটা বিরোধ আছে পর্তুগাল আর স্পেনের মাঝে—পাঁচশো বছরের পুরনো বিরোধ, চলছে সেই কলম্বাসের সময় থেকে। জ্বালামুখটা পড়েছে এই বিরোধপূর্ণ এলাকায়। শান্তিরক্ষার জন্যে বেশ কিছু চুক্তি হয়েছে আমাদের দু’দেশের মাঝে—মাছ ধরা-সহ বিভিন্ন অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড চলছে সেসব চুক্তির ভিত্তিতে। ইন ফ্যাক্ট, সাগরের তলায় তেল পাওয়া গেলে কীভাবে ভাগ-বাটোয়ারা হবে, তারও চুক্তি আছে…’

    ‘কিন্তু আণ্ডারসি মাইনিঙের ব্যাপারে কোনও চুক্তি নেই, এই তো?’ বলল মুরল্যাণ্ড।

    মাথা ঝাঁকালেন রিয়ার অ্যাডমিরাল। ‘এত বিশাল একটা আবিষ্কার… বুঝতেই পারছেন, দু’দেশই এর মালিকানা চায়। পরিস্থিতি গরম হয়ে উঠেছে। নিরাপত্তার জন্যে আমাদের সরকার একটা ফ্রিগেট পাঠাতে চাইছে এখানে, সে-খবর শুনে স্পেনও তাদের একটা যুদ্ধজাহাজ পাঠাবে বলে আমাদের জানিয়ে দিয়েছে। খুব বিশ্রী একটা অবস্থা। ‘

    ‘যুদ্ধ বেধে যাবে বলে আশঙ্কা করছেন?’

    ‘সে-কথা বলছি না। আমরা শান্তিপূর্ণ সমাধান চাই। কূটনীতিকরা কাজ শুরু করে দিয়েছেন, তবে সেটা সময়সাপেক্ষ। ততদিনে আবিষ্কারটায় হাত লাগাতে পারব না কেউ, গবেষণা পিছিয়ে যাবে। যদি না…’

    কথা শেষ না করে নাটকীয় ভঙ্গিতে থেমে গেলেন ফনসেকা।

    রানা প্রশ্ন করল, ‘যদি না… কী?’

    ‘যদি না কোনও বিশ্ববিখ্যাত নিরপেক্ষ প্রতিষ্ঠান সাইটটার দায়িত্ব নেয়,’ বললেন ফনসেকা। ‘পর্তুগাল আর স্পেনের মধ্যে বোঝাপড়া না হওয়া পর্যন্ত তাদের তদারকিতে নির্বিঘ্নে প্রাথমিক গবেষণা এগিয়ে যেতে পারে।’

    ক্যাপ্টেন মিচামের দিকে তাকাল রানা। তিনি বললেন, ‘অ্যাডমিরাল হ্যামিলটনের সঙ্গে কথা হয়েছে আমার। তিনি সম্মতি দিয়েছেন প্রস্তাবটায়।’

    ‘কাজটা এখুনি শুরু করা দরকার,’ বললেন ফনসেকা। ‘আমার ডেস্কে একগাদা পিটিশন

    পিটিশন জমা পড়েছে ইতিমধ্যে—বিভিন্ন দেশের বিজ্ঞানীরা সাইটটা স্টাডি করার অনুমতি চাইছেন। কিন্তু তাঁদেরকে আসতে দেবার আগে একটা নীতিমালা ঠিক করে ফেলা দরকার।’

    ‘এসব অ্যাডমিরাল হ্যামিলটন আর ক্যাপ্টেন মিচাম দেখবেন। আমাকে আর ববিকে ডেকেছেন কেন?’

    ‘আপনারা ওই গ্রেভইয়ার্ডের আবিষ্কারক। তা ছাড়া সাগরভিত্তিক এক্সপিডিশন পরিচালনায় সুখ্যাতিও আছে আপনাদের। আপনারা যদি এখানে থাকেন, খুব ভাল হয়। সবাই সমীহের চোখে দেখে আপনাদের, কথা বললে শুনবে।’

    ‘আমাদেরকে অ্যাডমিনিস্ট্রেটর হতে বলছেন আপনি?’ রানা ভুরু কোঁচকাল।

    ‘কীভাবে কী করবেন, সেটা আপনাদের ওপরেই ছেড়ে দেব। আপনারা এখানে হাজির থাকলেই আমরা খুশি।’

    ‘ক্যাপ্টেন, আপনার সঙ্গে আলাদাভাবে একটু কথা বলতে পারি?’

    রানার ডাকে উঠে দাঁড়ালেন মিচাম। বেরিয়ে এলেন রেডি রুম থেকে। মুরল্যাণ্ডও বেরুল।

    ‘এসবের অর্থ কী?’ আপার ডেকে বেরিয়ে জানতে চাইল রানা। ‘আমরা একটা ভিন্ন মিশনে এসেছি। কেন এই ঝামেলা ঘাড়ে নিচ্ছেন আপনি?

    ‘নুমা হেডকোয়ার্টারের হুকুমে,’ জানালেন মিচাম। ‘আরেকটা জাহাজ পাঠাতে প্রচুর সময় দরকার, তাই অ্যাডমিরাল হ্যামিলটন আপাতত আমাদেরকেই কাজটা করে দিতে বলেছেন।’

    ‘আর আরাতামা মারু?’

    ‘ওটার ধ্বংসাবশেষে তল্লাশি চালাবার মত ফ্যাসিলিটি নেই আমাদের। হ্যামারহেডের মডিফিকেশন করে যেভাবে কাজটা করতে চাইছেন, সেটাও পুরোপুরি নিরাপদ নয়। অ্যাডমিরাল তাই দায়িত্বটা আপনার দুই বন্ধু ড. আসিফ আর ড. তানিয়াকে দিয়েছেন। এক্সপেরিমেন্টাল একটা আরওভি __ ওঁদের কাছে, ওটা নিয়ে ইতিমধ্যেই ওঁরা ফকল্যাণ্ড থেকে রওনা হয়ে গেছেন।’

    ‘আমরা কি তা হলে এখানে আটকা পড়ে গেলাম?’

    ‘নেপচুনকে থাকার জন্যে অর্ডার দিয়েছেন অ্যাডমিরাল। মি. মুরল্যাণ্ডের জন্যেও সেটা প্রযোজ্য। কিন্তু আপনি তো… এনিওয়ে, অ্যাডমিরাল আমাকে বলতে বলেছেন যে, আপনি যদি আমাদের সাহায্য করেন, খুশি হবেন তিনি।’

    ‘কীভাবে সাহায্য করব? আপনি কি চান, আমি আর ববি বসে বসে নীতিমালা বানাব? যারা গবেষণা করতে আসবে, তাদেরকে অনুমতিপত্র ইস্যু করব?’

    ‘শুনেই ভয় লাগছে,’ বলল মুরল্যাণ্ড। ‘অফিসওয়ার্ক আমার দু’চোখের বিষ।’

    হাসলেন মিচাম। ‘ভয়ের কিছু নেই, আমি আর আমার অফিসারেরা পেপারওয়ার্ক আর লজিস্টিকস্ সামলাব। আপনারা দু’জন থাকবেন ফিল্ডে। গবেষণার জন্যে যারা আসছে, তারা নিয়মকানুন ঠিকমত মানছে কি না দেখবেন। তা ছাড়া সাইটের সিকিউরিটিরও একটা ব্যাপার আছে। কয়েকশো বিলিয়ন ডলারের মিনারেল… মন্দলোকের আনাগোনা হবেই।’

    ‘আমাকে ঢাকায় কথা বলতে হবে,’ বলল রানা। ‘দশ ‘মিনিট সময় দিন।’

    একটু দূরে গিয়ে সেলফোন বের করল রানা। কল করল বিসিআই হেডকোয়ার্টারে—মেজর জেনারেল রাহাত খানের ব্যক্তিগত নাম্বারে। দু’বার রিং হতেই ধরলেন তিনি।

    ‘ইয়েস?’

    দিব্যচোখে বসকে দেখতে পেল রানা। চুরুট ফুঁকছেন। কুঁচকে আছে কাঁচাপাকা ভুরু। পুরোটাই কল্পনা, তারপরেও বুক ধুকপুক করে উঠল। ঢোক গিলে বলল, ‘এমআরনাইন, স্যর। অ্যাযোর্স থেকে।’

    ‘খবর কী?’

    ‘এখানে একটা ব্যাপার ঘটেছে…’

    ‘সুপারকণ্ডাক্টিং মিনারেল আবিষ্কার করে বসেছ, এই তো? হ্যামিলটন ফোন করেছিল আমাকে। সব খুলে বলেছে। কয়েকদিনের জন্যে ধার চেয়েছে তোমাকে। আমি রাজি হয়েছি।’

    ‘কিন্তু, স্যর… যে-কাজে এসেছিলাম… মানে, হারানো জাহাজ…’

    ওই কাজ তো এগোচ্ছে। হ্যামিলটন বলল, তোমার বন্ধু আসিফ আর তানিয়াকে পাঠিয়েছে আরাতামা মারুর ধ্বংসাবশেষ চেক করার জন্যে। ওদের ওপর নিশ্চিন্তে নির্ভর করা যায়। একটু ধৈর্য ধরো, দেখো ওরা কিছু পায় কি না। তারপর নাহয় আবার ছুটবে রহস্যটার পেছনে। মাঝের ক’টা দিন যদি পর্তুগাল সরকারকে সাহায্য করা যায় তো মন্দ কী? ইন্টেলিজেন্স রিপোর্ট বলছে, সাগরতলের ওই মিনারেলের ওপর নজর পড়েছে অনেকের, নানা রকম ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে। সেসব ঠেকানো দরকার। তা ছাড়া বাংলাদেশ আণবিক কমিশন থেকেও দু’জন বিজ্ঞানী যাচ্ছেন রিসার্চের জন্যে। তুমি ওখানে থাকলে আমাদের বিজ্ঞানীদের ওপর কেউ জোরজুলুম করতে পারবে না। আফটার অল, ওই মিনারেলের ওপর বাকি সবার মত আমাদেরও দাবি আছে।’

    ‘বুঝতে পেরেছি, স্যর।’

    ‘টেক কেয়ার, এমআরনাইন। সাবধানে থেকো।’

    লাইন বিচ্ছিন্ন করে দিলেন রাহাত খান।

    ক্যাপ্টেন মিচাম আর মুরল্যাণ্ডের কাছে ফিরে এল রানা। মিচাম জিজ্ঞেস করলেন, ‘কী বললেন আপনার বস?’

    ‘কী আর বলবেন, অ্যাডমিরাল হ্যামিলটন আগেই কথা বলে রেখেছেন ওঁর সঙ্গে।’ দীর্ঘশ্বাস ফেলল রানা। ‘চলুন, রিয়ার অ্যাডমিরাল ফনসেকাকে জানিয়ে আসি, দায়িত্বটা আমরা নিচ্ছি।’

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleমাসুদ রানা ৪৬৩ – ছায়াঘাতক
    Next Article মাসুদ রানা ১৪৪ – অপহরণ-২

    Related Articles

    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৩৮৫-৩৮৬ – হ্যাকার (দুই খণ্ড একত্রে)

    July 22, 2025
    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫৬ – টপ টেরর

    July 22, 2025
    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫৪ – নরপশু

    July 22, 2025
    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫৩ – ধর্মগুরু

    July 22, 2025
    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫২ – কালো কুয়াশা

    July 22, 2025
    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫১ – মায়া মন্দির

    July 22, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }