Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    মাসুদ রানা ৪৬৬ – ধ্বংসযজ্ঞ

    কাজী আনোয়ার হোসেন এক পাতা গল্প453 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ধ্বংসযজ্ঞ – ৩১

    একত্রিশ

    তুমুল বেগে সারফেসের দিকে ছুটে চলেছে হ্যামারহেড। ভেতরে বসে নিজের বোকামিতে নিজের ওপরেই ক্ষুব্ধ রানা। সবকিছু না জেনেই নিজেকে আর নেপচুনকে শত্রুপক্ষের টার্গেট ভেবে বসেছিল, অন্য কোনোদিকে মনোযোগ দেয়নি। বাস্তবে লোকগুলো যে মহা-পরিকল্পনা নিয়ে মাঠে নেমেছে, সেখানে ওদের গুরুত্ব নেই বললেই চলে।

    দেরি হয়ে গেছে কি না কে জানে। যত দ্রুত সম্ভব সারফেসে ভেসে উঠতে হবে, তা হলে শর্টওয়েভ রেডিওতে যোগাযোগ করা যাবে ত্রিশ মাইল দূরে, বন্দরে অপেক্ষমাণ নেপচুনের সঙ্গে। নিশ্চিত করতে হবে বিজ্ঞানীদের নিরাপত্তা।

    খুন হওয়া ফরাসি বিজ্ঞানীদের কথা ভাবল রানা। কেন তাদেরকে জীবিত অবস্থায় ধরে নিয়ে যাওয়া হলো না? এর একটাই জবাব—বাধা দিয়েছিল তারা। ধরা দিতে চায়নি। বাকি বিজ্ঞানীদের কপালেও একই পরিণতি অপেক্ষা করছে… হয় ধরা দাও, নয়তো মরো!

    আর লামিয়া? ওকেও কি ধরে নিয়ে যাবে শত্রুরা? না-ও পারতে পারে। সঙ্গে দক্ষ একজন দেহরক্ষী আছে ওর। তা ছাড়া সবকিছু ঠিক থাকলে এতক্ষণে এয়ারপোর্টে গিয়ে বিমানে উঠে পড়ার কথা ওর।

    ‘চল্লিশ ফুট,’ পেছন থেকে ঘোষণা করল মুরল্যাণ্ড।

    থ্রটল একটু কমাল রানা। ফুল স্পিডে সারফেস ভেদ করলে বাতাসে লাফ দেবে সাবমারসিবল, নেমে আসার সময় আছাড় খেয়ে উল্টেও যেতে পারে। হ্যামারহেডকে লেভেলে আনল ও, তারপর সাবধানে পানি ভেঙে ভেসে উঠল।

    ‘ডাকো নেপচুনকে।’

    বলার প্রয়োজন ছিল না, তার আগেই সুইচ টিপতে শুরু করেছে মুরল্যাণ্ড। বাইরে থেকে মৃদু গুঞ্জন ভেসে এল, সাবমারসিবল থেকে বেরিয়ে আসছে একটা অ্যান্টেনা।

    ‘নেপচুন, দিস ইজ হ্যামারহেড,’ ডাকল মুরল্যাণ্ড। ‘সাড়া দিন, প্লিজ। জরুরি কথা আছে।’

    জবাবের প্রতীক্ষায় রইল দু’জনে। কন্ট্রোল নিয়ে কসরত করছে রানা, হ্যামারহেডকে স্থির রাখতে চাইছে। সাবমারসিবলটা পানির নিচে চলাফেরার জন্যে তৈরি, সারফেসে থাকার জন্যে নয়।

    ‘হ্যামারহেড কলিং নেপচুন,’ আবার বলল মুরল্যাণ্ড। ‘শুনতে পাচ্ছেন?’

    খড়খড় করে উঠল স্পিকার। শোনা গেল ক্যাপ্টেন মিচামের উদ্বিগ্ন গলা।

    ‘মি. মুরল্যাণ্ড? ক্যাপ্টেন বলছি। শুনুন, এদিকে একটা সমস্যা দেখা দিয়েছে। আমরা অনেকক্ষণ থেকেই আপনাদের সঙ্গে…’

    পুরোটা শোনা হলো না, তার আগেই বাইরে থেকে একটা কর্কশ আওয়াজ ভেসে এল। ক্যানোপিতে ফাটল ধরতে দেখল রানা। আরেকবার হলো আওয়াজটা….. শটগানের আওয়াজ, চিনতে পারল ও… এবার হ্যামারহেডের বাম উইঙে তৈরি হলো একটা বিশাল ফুটো।

    থ্রটল ঠেলে দিল রানা, ডানে ঘুরিয়ে নিল হ্যামারহেডকে। ঘাড় ফিরিয়ে দেখল, একটা পাওয়ারবোট ছুটে আসছে ওদের দিকে—ছুরি চালাবার মত ছোট্ট সাবমারসিবলটাকে দু’টুকরো করে দেবার চেষ্টা করছে। কন্ট্রোল স্টিক ঠেলে ডাইভ দিল রানা। হ্যামারহেড পানির নিচে যেতে না যেতে ওপর দিয়ে সগর্জনে চলে গেল পাওয়ারবোট। পানির আলোড়নে টাল- মাটাল হয়ে গেল সাবমারসিবল।

    ডানে তাকাল রানা। উইঙের যে-অংশটা রেডার হিসেবে কাজ করে, সেটা ভেঙে গেছে। ক্যানোপির ফুটো দিয়ে ঝরঝর করে ঢুকছে পানি। ঠিকমত সাড়া দিচ্ছে না হ্যামারহেড।

    আবার কন্ট্রোল স্টিক টানল ও, পানির ওপর তুলে আনল সাবমারসিবল। ঢেউয়ের দোলায় ভীষণভাবে দুলছে পুরো কাঠামো।

    ‘জলদি!’ মুরল্যাণ্ডকে তাড়া দিল রানা।

    মাইক্রোফোনে ডাকল মুরল্যাণ্ড, . ‘ক্যাপ্টেন, শুনতে পাচ্ছেন?’

    পাওয়ারবোটটার দিকে নজর গেল রানার। বাঁক নিতে শুরু করেছে ওটা, ফিরে আসছে। দূরে আরেকটাকে দেখতে পেল, তীব্র বেগে ওটাও ছুটে আসছে হামলায় যোগ দিতে। কীভাবে ওগুলোকে ফাঁকি দেবে… কীভাবে পালাবে, জানে না রানা। শুধু জানে, নেপচুনকে সতর্ক করে দিতে হবে। পেছনে পাগলের মত বোতাম চাপছে মুরল্যাণ্ড, কিন্তু স্পিকারে কিছু শোনা যাচ্ছে না—না ক্যাপ্টেনের কণ্ঠস্বর, না স্ট্যাটিক সিগনালের খড়খড়।

    ‘নেপচুন, দিস ইজ হ্যামারহেড। বিজ্ঞানীদের ওপর হামলা হতে চলেছে। ওঁরাই আসল টার্গেট!’

    এখনও স্পিকার নীরব।

    মুরল্যাণ্ডকে কিছু বলার জন্যে ঘাড় ফেরাল রানা, সঙ্গে সঙ্গে চোখ পড়ল সাবমারসিবলের টেইল-এণ্ডে। গায়েব হয়ে গেছে হাই-ফ্রিকোয়েন্সি অ্যান্টেনাটা। সেখানে, লম্বা লম্বা কতগুলো ফাটল—পাওয়ারবোটের প্রপেলারটা কামড় বসিয়ে গেছে যাবার সময়।

    রানার দৃষ্টি অনুসরণ করে মুরল্যাণ্ডও পেছনে তাকাল। ‘ধুশ্ শালা!’ একটা গালি বেরিয়ে এল তার পবিত্র মুখ থেকে। একযোগে ছুটে আসছে পাওয়ারবোটদুটো। গতির দৌড়ে ওগুলোকে হারাতে পারবে না হ্যামারহেড। রেডিও বলতে আণ্ডারওয়াটার ট্রানসিভারটা কেবল অক্ষত রয়েছে, কিন্তু সেটার রেঞ্জ মাত্র এক মাইল।

    ‘স্পিড টেপ নাও,’ মুরল্যাণ্ডকে বলল রানা। ‘ফুটোগুলো বন্ধ করো।’

    আগুয়ান বোটদুটোর দিক থেকে হ্যামারহেডের মুখ ঘুরিয়ে নিল রানা, মুরল্যাণ্ড ততক্ষণে ব্যস্ত হয়ে পড়েছে। ছোট্ট একটা কম্পার্টমেন্ট থেকে বের করে এনেছে ডাক্ট টেপ, ছিঁড়ে ছিঁড়ে লাগাতে শুরু করেছে ক্যানোপির ফুটোগুলোয়।

    ‘তাড়াতাড়ি করো,’ বলল রানা। ‘এই এসে পড়ল।’

    ‘গভীরে গেলে এগুলো টিকবে না, জানো নিশ্চয়ই?’ বলল মুরল্যাণ্ড।

    ‘সারফেসের কাছাকাছি থাকার চেষ্টা করব।’

    ক্রমাগত টেপ ছিঁড়ছে আর লাগাচ্ছে মুরল্যাণ্ড। আবারও শটগানের চাপা আওয়াজ শুনতে পেল রানা। তবে এ-দফা হ্যামারহেডকে মিস করল প্রতিপক্ষ, পানি ছিটকাল ওদের একপাশে।

    ‘ডাইভ,’ বলল মুরল্যাণ্ড।

    হ্যামারহেডের নাক নিচু করে ফেলল রানা। ক্যানোপির ওপর পাক খেল পানি, ঢেউয়ের মাঝে হারিয়ে গেল ওরা। দশ ফুট নিচে নেমে সাবমারসিবলকে আবার লেভেলে আনল ও। এখনও পানি ঢুকছে, তবে আগের মত জোরালোভাবে নয়। কাজ চালিয়ে যাচ্ছে মুরল্যাণ্ড, আটকে দিচ্ছে সব ফুটো। শেষ ফুটোটা বন্ধ করার পর টুথপেস্টের টিউবের মত একটা টিউব তুলে নিল, ওটার ভেতরে রয়েছে এপোক্সি রেইযিন হার্ডেনার। স্পিড টেপের উপাদানের সঙ্গে বিক্রিয়া ঘটিয়ে নিরেট একটা প্রলেপ তৈরি করবে জিনিসটা। টিউবের মুখ খুলে টেপের ওপর লাগাতে থাকল ওটা।

    মাথার ওপর দিয়ে পানিতে আলোড়ন তুলে পর পর দুটো ছায়াকে চলে যেতে দেখল রানা। স্টিক নেড়ে বাঁয়ে ঘুরিয়ে নিল হ্যামারহেডকে। ডানদিকে রেডার ভেঙে যাওয়ায় আপাতত বামে নড়তে হচ্ছে ওদেরকে।

    কাজ শেষ হয়েছে মুরল্যাণ্ডের। জানতে চাইল, ‘আর কোনও ফুটো দেখতে পাচ্ছ?’

    ক্যানোপির ভেতরে নজর বোলাল রানা। টেপ আর রেইযিনের প্রলেপ মিলিয়ে মনে হচ্ছে কেউ কাঁচা হাতে গ্রাফিতি এঁকেছে ককপিটে। রেইযিনের বাষ্পে জ্বালাপোড়া করছে চোখ, দপদপ করছে মাথা। তবে খুশির খবর হলো, পানি ঢোকা বন্ধ হয়ে গেছে। প্রলেপটা জমাট বেঁধে গেলে আর চিন্তা নেই।

    ‘দারুণ কাজ দেখিয়েছ, ববি,’ বলল ও।

    ‘দেখতে সুন্দর হলো না আর কী,’ হালকা গলায় বলল মুরল্যাণ্ড। ‘অবশ্য গোলাগুলির মাঝে, পানির তলায় কিছু করতে গেলে এ-অবস্থাই হয়।’

    ‘এটাও এক ধরনের শিল্প,’ বলল রানা। চোখ ছোট করে সারফেসের দিকে তাকাচ্ছে, বোটদুটো ফিরে আসবে নির্ঘাত।

    ‘শিল্প না ছাই! তুমি একটা কুফা। তোমার সঙ্গে থাকলেই খালি বিপদে পড়ি। আগামী জন্মে তোমার সঙ্গে আর না, অন্য কারও সঙ্গে বন্ধুত্ব করব।’

    ‘এই জন্মটাই একটু লম্বা করা যায় কি না দেখো। নেপচুনের সঙ্গে যোগাযোগের বিকল্প কোনও কায়দা আছে?’

    একটু ভাবল মুরল্যাণ্ড। তারপর বলল, ‘ডেটা লিঙ্ক। ওদেরকে একটা মেইল পাঠাতে পারি।’

    ‘ই-মেইল?’ রানা বিস্মিত।

    ‘ঠিক তা না। ডেটা মেসেজের কথা বলছি। এখান থেকে স্যাটেলাইটে যাবে মেসেজটা, তারপর আবার নিচে রিলে হবে। টেলিমেট্রি ইকুইপমেন্ট যদি অন্ করা থাকে, নিশ্চয়ই রিসিভ করবে।’

    আশাবাদী হতে পারল না রানা। এ-মুহূর্তে নেপচুনের টেলিমেট্রি মনিটরে নজর রাখছে না কেউ। মেসেজ রিসিভ হলেও হয়তো দেখবে না।

    ‘আর কিছু?’

    ‘হয় ওটা, নয়তো বৈঠা মেরে সান্তা মারিয়ায় গিয়ে হাত নাড়তে হবে।’

    ‘হুম,’ মাথা ঝাঁকাল রানা। ‘টেলিমেট্রি সিস্টেম চালু করো। রেডি হলে জানিয়ো আমাকে।’

    ‘সারফেসে গিয়ে ত্রিশ সেকেণ্ড লাগবে আমাদের স্যাটেলাইট কানেকশন পেতে।’

    ‘অত সময় পাব বলে মনে হয় না,’ বলল রানা। ওর কথার সত্যতা প্রমাণের জন্যেই বুঝি আবার দেখা গেল ঢেউয়ের আলোড়ন। ফিরে আসছে বোটদুটো। এবার অবশ্য আগের মত ছোটাছুটি করছে না, দু’দিক থেকে আস্তে-ধীরে এগোচ্ছে।

    বাঁয়ে মোড় নিল রানা, রওনা হলো সাগরতলের গোরস্থানের দিকে। বোটদুটো পিছু নিল।

    ‘ওরা আমাদেরকে পরিষ্কার দেখতে পাচ্ছে, দোস্ত,’ বলল মুরল্যাণ্ড।

    নিশ্চয়ই সাবমারসিবল থেকে বেরুনো বুদ্বুদের ট্রেইল অনুসরণ করছে, অনুমান করল রানা। মরতে থাকা মাছের দশা হয়েছে ওদের, পেছনে ফেলে যাচ্ছে রক্তের রেখা।

    চাপা কয়েকটা আওয়াজ ভেসে এল ওপর থেকে। পানিতে গুলি করছে শত্রুরা। বড় কোনও বিপদ নয়, তবে পরিস্থিতি যে কতটা গুরুতর, তা বোঝা যাচ্ছে পরিষ্কার।

    আরেকটু গভীরে গেলে হয়তো ফাঁকি দেয়া যাবে ওদের, ভাবল রানা। নাক নিচু করল হ্যামারহেডের। ডেপথ গজের কাঁটা ঘুরতে শুরু করল। পনেরো… বিশ…

    হঠাৎ বিচ্ছিরি একটা শব্দ হলো। টেপ দিয়ে আটকানো একটা অংশ খুলে গেছে পানির চাপে, ঢুকছে অঝোর ধারা। তাড়াতাড়ি ওটা আবার মেরামতে ব্যস্ত হয়ে পড়ল মুরল্যাণ্ড, হ্যামারহেডকে দশ ফুট গভীরতায় ফিরিয়ে আনল রানা। মুখ ঘুরিয়ে আরেকদিকে ছুটল। লাভ হলো না, বোটদুটোও মুখ ঘোরাল একই সঙ্গে।

    ‘ব্যাটারা মনে হয় মাউয়ি জিম সানগ্লাস পরে এসেছে,’ সখেদে বলল মুরল্যাণ্ড। ‘ওই যে, যেগুলো পরলে পানির তলার মাছ দেখা যায়।’

    তিক্ততা অনুভব করছে রানা। তাড়া খাওয়া তিমির মত লাগছে নিজেদেরকে, ওপর থেকে ওদেরকে যেন ধাওয়া করছে শক্তিশালী হার্পুন বোট। বুঝতে পারছে, বেশিক্ষণ টিকতে পারবে না নিচে; এক সময় ওপরে উঠতেই হবে, আর তখন তিমির মত ওদেরকে শিকার করবে শত্রুরা।

    টুপ টুপ করে কী যেন পড়ল সামনে আর ডানে। আলোর ঝলকানি দেখতে পেল ও। তারপরেই উন্মুক্ত পানির বিশাল এক গোলক এসে আঘাত হানল সাবমারসিবলের গায়ে।

    ‘গ্রেনেড,’ দাঁতে দাঁত পিষল রানা।

    নতুন করে ফাটল দেখা দিল ক্যানোপিতে। জোড়া দেয়া জায়গাগুলো থেকে সরু সরু সব রেখা মাকড়সার জালের মত ছড়িয়ে পড়ছে চারদিকে। যে-কোনও মুহূর্তে ভেঙে পড়বে প্লেক্সিগ্লাস।

    আরেকটা বিস্ফোরণে কেঁপে উঠল হ্যামারহেড। রানা জানতে চাইল, ‘হলো তোমার?’

    ‘ওপরে দশ সেকেণ্ডও টিকব না আমরা,’ বলল মুরল্যাণ্ড।

    ‘টিকব, যদি আত্মসমর্পণ করি,’ বলল রানা। স্রেফ ত্রিশ সেকেণ্ড দরকার ওদের। আশা করছে, হাত তুলে অপেক্ষা করলে ওদেরকে গুলি করবে না শত্রুরা। কাছে আসতে ত্রিশ সেকেণ্ডের বেশিই নেবে।

    মাথা ঝাঁকিয়ে কি-বোর্ডের বাটন টিপতে শুরু করল মুরল্যাণ্ড। একটু পর জানাল, ‘রেডি।’

    হ্যামারহেডের নাক সারফেসের দিকে তাক করল রানা। মনে মনে আওড়াচ্ছে, দেখামাত্র যেন ওদেরকে ঝাঁঝরা করে দেয়া না হয়। দশ ফুট পানি চোখের পলকে পেরিয়ে এল। পানির ওপরে ভেসে উঠেই ইঞ্জিন বন্ধ করে দিল ও।

    ঢেউয়ের দোলায় দুলছে হ্যামারহেড। দু’পাশ থেকে ওটাকে পেরিয়ে চলে গেল পাওয়ারবোটদুটো।

    ‘শুরু করো!’ চাপা গলায় বলল রানা। ক্যানোপি সরিয়ে দু’হাত তুলে দিল ওপরে, আত্মসমর্পণের ভঙ্গিতে। লক্ষ করল, সামনে ঘুরতে শুরু করেছে বোটদুটো।

    কি-বোর্ডের ওপর ঝুঁকে রয়েছে মুরল্যাণ্ড। ‘কাম অন! জলদি কর্ না রে, ভাই!’

    সিট থেকে উঠে দাঁড়াল রানা। হাত এখনও তুলে রেখেছে ওপরে। বোটদুটো দু’পাশ থেকে এগিয়ে এল ওদের দিকে দূরে বড়-সড় আরেকটা বোট চোখে পড়ল ওর, ওটাও আসছে এদিকেই।

    পাশে এসে থামল দুই পাওয়ারবোট। দু’জন লোক শটগান তাক করল রানার দিকে।

    ‘আত্মসমর্পণ করছি,’ বলল ও।

    নির্বিকার রইল লোকদুটো। পেছনে পাখির ডাকের মত একটা মৃদু আওয়াজ শুনল রানা। এবার দু’হাত তুলে মুরল্যাণ্ডও উঠে দাঁড়াল। ফিসফিসিয়ে জানাল, ‘মেসেজ চলে গেছে।’

    আস্তে করে মাথা ঝাঁকাল রানা। ওর দায়িত্ব শেষ। বাকিটা ভাগ্যের হাতে।

    একটা দড়ি ছুঁড়ে দেয়া হলো ওদের থেকে। সেটা দিয়ে হ্যামারহেডকে বাঁধা হলো একটা পাওয়ারবোটের পাশে। রানা ও মুরল্যাণ্ডকে অস্ত্রের মুখে তোলা হলো বোটে। হাতে পরিয়ে দেয়া হলো হ্যাণ্ডকাফ।

    তৃতীয় বোটটা ততক্ষণে কাছে চলে এসেছে। ষাট ফুট দীর্ঘ একটা মোটর ইয়ট। ওটার চেহারাসুরত বেশ অদ্ভুত। বিলাসিতার ছাপ নেই, ঝগড়াটে চেহারা। রানার মনে হলো, একটা যুদ্ধজাহাজকে যেন ইয়টের ছদ্মবেশ পরানো হয়েছে।

    ভাসতে ভাসতে ওদের পাশে এল ইয়টটা। বো-র কাছে দাঁড়িয়ে আছে জাঙ্গল ফেটিগ পরা একজন মানুষ, তাচ্ছিল্যের দৃষ্টিতে তাকিয়ে আছে রানার দিকে। দেহের গড়ন দেখে রানা বুঝল, এ-ই সেই জলদস্যুদলের নেতা… এ-লোকই গত সন্ধ্যায় ধাওয়া করেছিল ওকে আর লামিয়াকে। বিজয়ীর হাসি ফুটে আছে লোকটার মুখে। কাছাকাছি এসেই লাফ দিয়ে নামল পাওয়ারবোটে, ইয়টটা পাশে ভেড়ার অপেক্ষা করল না।

    লম্বা লম্বা পা ফেলে রানার সামনে এসে দাঁড়াল লোকটা। চোখ রাখল রানার চোখে। এই প্রথম তাকে কাছ থেকে দেখছে রানা। একদৃষ্টে কয়েক মুহূর্ত তাকিয়ে রইল মুখটার দিকে। তারপরেই তেতো হয়ে গেল রানার মনটা।

    ‘কুচিয়ো,’ দাঁতে দাঁত পিষে বলল ও।

    ‘তোমার পুরনো দোস্ত নাকি?’ পাশ থেকে জানতে চাইল মুরল্যাণ্ড।

    জবাব দেবার সুযোগ পেল না রানা। তার আগেই সর্বশক্তিতে ওর চোয়ালে একটা ঘুসি মারল কর্টেজ। তাল হারিয়ে ডেকের ওপর আছড়ে পড়ল ও। চোখের সামনে তারা দেখছে। ব্যথা সামলে যখন সোজা হয়ে বসল, ঠোঁটের কোণ থেকে রক্ত বেরুচ্ছে ওর।

    ‘থাক, কিছু বলতে হবে না,’ বলল মুরল্যাণ্ড। ‘জবাব পেয়ে গেছি আমি।’

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleমাসুদ রানা ৪৬৩ – ছায়াঘাতক
    Next Article মাসুদ রানা ১৪৪ – অপহরণ-২

    Related Articles

    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৩৮৫-৩৮৬ – হ্যাকার (দুই খণ্ড একত্রে)

    July 22, 2025
    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫৬ – টপ টেরর

    July 22, 2025
    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫৪ – নরপশু

    July 22, 2025
    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫৩ – ধর্মগুরু

    July 22, 2025
    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫২ – কালো কুয়াশা

    July 22, 2025
    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫১ – মায়া মন্দির

    July 22, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }