Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    মাসুদ রানা ৪৬৭ – শকওয়েভ

    কাজী আনোয়ার হোসেন এক পাতা গল্প446 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    শকওয়েভ – ১০

    দশ

    এ ধরনের পরিস্থিতি নতুন নয় রানার জন্য। শুধু রিফ্লেক্সের কারণে ডান পায়ে চাপ দিয়ে এক লাফে বিল্ডিঙের আড়ালে ফিরে আসতে পারল ও। আরও দুটো গুলির আওয়াজ হলো প্রথমটার পর পরই। পড়েই যাচ্ছিল, কিন্তু দুই হাতে জড়িয়ে ধরে ওকে খাড়া রাখল সেলেনা।

    আকস্মিক আঘাতে প্রায় অবশ হয়ে গেছে রানার পা।

    অস্ত্রটা ছেড়ে দিয়ে ঊরু আঁকড়ে ধরল রানা দুই হাতে। পরিষ্কার দেখতে পেল বুলেটের গর্তটা, জিনস ভেদ করে গুলি ঢুকেছে ভিতরে। অবশ হয়ে গেছে নিতম্ব থেকে হাঁটু পর্যন্ত!

    প্যান্টের পকেটে হাত ঢোকাল রানা। বেরিয়ে এল ম্যাগাজিন দুটো। অনেকখানি জায়গা জুড়ে বাঁকা হয়ে গেছে ওগুলোর একটা। প্রচণ্ড ঘা খেয়ে সম্পূর্ণ অকেজো হয়ে গেছে কঠিন অ্যালয়।

    বুলেটের আঘাত বেশির ভাগটাই গেছে ম্যাগাজিনের উপর দিয়ে। তবে গুলি বেরিয়ে যাওয়ার চিহ্ন নেই কেন? আর রক্ত? গেল কোথায়?

    চামড়ায় তপ্ত কিছুর ছোঁয়া পাচ্ছে রানা। পকেটের আরও গভীরে হাত ঢুকিয়ে পেয়ে গেল তামা আর সীসের চ্যাপ্টা, খাঁজ কাটা চাকতিটা। নাইন মিলিমিটার বুলেটের শেষ পরিণতি ওটা।

    স্বস্তিতে ছেয়ে গেল রানার অন্তর। আবারও স্বাভাবিক স্পন্দন শুরু হলো হৃদযন্ত্রে। বাতিল ম্যাগাজিনটা ছুঁড়ে ফেলে দিয়ে নিচ থেকে আবার তুলে নিল বেরেটা।

    চেপে রাখা শ্বাস ছাড়ল সেলেনা। ‘ভেবেছিলাম, গুলি খেয়েছ তুমি!’

    ‘বুলেটের ব্যাপারে বরাবরই ভাগ্যটা আমার অনুকূলে থাকে বলতে পারো,’ সরস মন্তব্য রানার। যেদিক থেকে গুলি এসেছে, সেদিকে আবারও সতর্ক দৃষ্টি নিক্ষেপ করল কোনা থেকে।

    বেশি দূরে নয় আক্রমণকারী… তিরিশ কি চল্লিশ গজ তফাতে আড়াল নিয়েছে কোথাও। শিকারির পোড় খাওয়া অভিজ্ঞতা নিয়ে প্রতীক্ষায় রয়েছে, আবার কখন ফাঁকায় পাবে ওদেরকে।

    কোথায় থাকতে পারে লোকটা?

    সিমেন্টের ব্যাগ অথবা ইটের পাঁজার ওপাশে?

    নাকি নিচু ওই দেয়ালটার পিছনে?

    সাব-মেশিন গানের ব্যারেলটা কোনা দিয়ে বের করে ট্রিগার চেপে এপাশ-ওপাশ বুলিয়ে আনল রানা। মোরব্বার মত ঝাঁঝরা হয়ে গেল সিমেন্টের ব্যাগগুলো। পাঁজার ইটগুলোকে একত্র করে রাখা টেপটা ছিঁড়ে হুড়মুড় করে নিচু দেয়ালের উপর আর পিছনদিকে ধসে পড়ল স্তূপ।

    সঙ্গে সঙ্গে শোনা গেল একটা আর্তচিৎকার। এতগুলো ইটের ঘা খেয়ে ত্রাহি ত্রাহি অবস্থা ‘অদৃশ্য’ শত্রুর।

    হামাগুড়ি দিয়ে সরে এল সে দেয়ালের আড়াল থেকে, এঁকেবেঁকে ছুটতে আরম্ভ করল পিছনের বিল্ডিংগুলোর দিকে।

    জায়গায় দাঁড়িয়েই গুলি শুরু করল রানা। কিন্তু দুটো গুলির পরই খালি হয়ে গেল ম্যাগাজিন। লাইফ-লাইন পেয়ে আবার অদৃশ্য হলো দুশমন।

    বিড়বিড় করে গাল বকতে বকতে অস্ত্রে ঢোকাল রানা অবশিষ্ট ম্যাগাজিনটা। খর দৃষ্টি রেখেছে দালানগুলোর উপর, যেগুলোর কোনটার মধ্যে আশ্রয় নিয়েছে অস্ত্রধারী।

    নীরবতা। পাল্টা কোনও গুলি এল না ওদিক থেকে।

    দ্রুত চলছে রানার মস্তিষ্ক। চেষ্টা করতে গিয়ে বিপদে পড়েছে একবার, দ্বিতীয় বার আর খোলা জায়গায় বেরোনোর খায়েশ ওর নেই।

    শুটারও নিশ্চয়ই সামনে থেকে নজর রাখবে না আর ওদের মুভমেন্টের উপর! বরঞ্চ ঘুরপথে এসে অ্যামবুশের চেষ্টা চালাবে। রানা নিজে হলে ঠিক তা-ই করত।

    তাড়াতাড়ি একটা সিদ্ধান্ত নিতে হবে ওকে। ভুলচুক করলেই মাশুল দিতে হবে জানটা খুইয়ে।

    তৃতীয় আরেকটা অপশন বেছে নিল রানা। সামনেও যাবে না, পিছনেও নয়। উঠে পড়বে উঁচু কোথাও।

    ভারাগুলোর দিকে ইঙ্গিত করল আঙুল তুলে। বিবশ ভাবটা কেটে গিয়ে অনেকটাই স্বাভাবিক এখন বাঞ্চ পা, রয়ে গেছে কেবল অস্বস্তিকর জ্বালাটুকু।

    ব্যথা উপেক্ষা করে চারতলার ছাতে উঠে যাওয়া মইয়ের কাছে চলে এল রানা। আগে উঠতে বলল সেলেনাকে।

    চারপাশে চেয়ে বুঝে ফেলল রানা নির্মাণশ্রমিকদের আজ আগেভাগে ছুটি দেয়ার কারণটা। বিশাল এক আণ্ডারগ্রাউণ্ড ওয়াটার-রিযারভয়েরের তলীটা ঢালাই হয়ে যেতেই আজ ছুটি দিয়ে দেয়া হয়েছে।

    যতক্ষণ না প্রথম ভারাটাতে পৌঁছুল সেলেনা, নিচেই দাঁড়িয়ে রইল রানা। ও উঠে যাওয়ার পর পরই মই বাইতে শুরু করল রানা নড়বড়ে তক্তা লক্ষ্য করে।

    সেলেনা ততক্ষণে মই বেয়ে রওনা হয়ে গেছে পরবর্তী লেভেলের দিকে। চারতলার ছাতে উঠে থামল ওরা। কিন্তু কোনও দিকেই লোকটার চিহ্ন দেখা গেল না।

    গোটা বিল্ডিংটাই ঘিরে দেয়া হয়েছে মাচা দিয়ে। সাবধানে পা ফেলে সেলেনাকে নিয়ে চলল রানা দালানটার পিছনদিকে। বিল্ডিং-কর্মীদের নিরাপত্তার জন্য মাচাগুলো আবার তারের জালের সেফটি ব্যারিয়ার দিয়ে ঘেরাও করা। জাল ভেদ করে দেখতে পাচ্ছে রানা পাশের বিল্ডিঙে যাওয়ার পাদানিগুলো। ছুরির পিঠ দিয়ে মসৃণ করা ধূসর পরিজের মত দেখতে লাগছে ওগুলোকে।

    কংক্রিটের চকচকে পিচ্ছিল সরু সারফেসের উপর দিয়ে যাবে কি যাবে না, কয়েক মুহূর্ত তা নিয়ে দোটানায় ভুগল রানা। শেষমেশ ভাবল, কেই সারা সারা—যা হওয়ার, তা হবে!

    রেইলিং আঁকড়ে ধরেছে সেলেনা। ‘আমার উচ্চতা- ভীতির কথা বলেছি কখনও তোমাকে?’ ভুলেও তাকাচ্ছে না ও নিচের দিকে।

    ‘আর উপায় তো নেই… চলে এসো।’ গম্ভীরভাবে পা বাড়াল রানা।

    নিচে একবার ঝাড়ু দিয়ে এল ওর দৃষ্টি। চল্লিশ ফুট উঁচুতে রয়েছে ওরা। চমৎকার নজর রাখা যাচ্ছে এখন সাইটের উপর। কিন্তু না, প্রতিপক্ষের নামনিশানা নেই কোথাও।

    পাদানিতে পা রাখল রানা। সাবধানে এগোতে এগোতে বিল্ডিং, গ্যারাজ, কনস্ট্রাকশন ইকুপমেন্ট—ভালো মত দেখে নিচ্ছে সম্ভাব্য আত্মগোপনের জায়গাগুলো।

    নাহ!

    হঠাৎ মেয়েটা ‘খোঁত’ করে উঠতেই একটা হার্টবিট মিস করল ও। ঘুরল পাঁই করে।

    ঘুরপথই বেছে নিয়েছে বদমায়েশটা। রানাদের মতই নিচে না থেকে উঠে এসেছে উপরে। পিছন থেকে এসে পাকড়াও করেছে সেলেনাকে। এক হাতে ওর গলা পেঁচিয়ে ধরে, বর্ম হিসাবে ব্যবহার করছে মেয়েটাকে।

    ফ্রি হয়ে গেল রানার অস্ত্র ধরা হাতটা।

    লোকটার এমএক্সফোরের মোটা সাইলেন্সার টিউব সেলেনার ঘাড়ের পাশে বিপজ্জনক ভঙ্গিতে চেপে ধরা।

    ‘অস্ত্র ফেলো,’ নির্দেশ এল নিরাবেগ স্বরে। ‘না হলে মরবে মেয়েটা।’

    ‘শুট হিম, রানা!’ চেঁচিয়ে উঠল সেলেনা। ‘আমার যা হয়, হোক!’

    ‘বাহ, বাহ! এক্কেবারে রোমান্টিক সিনেমার ডায়ালগ!’ সাব-মেশিন গানের সাইলেন্সারটা আরও একটু গেঁথে গেল সেলেনার ঘাড়ের মাংসে। গলার উপর থেকে হাতটা সরে এসে চেপে ধরল মুখটা।

    মোচড়ামুচড়ি করে ছাড়া পেতে চাইছে বেপরোয়া সেলেনা, পেরে উঠছে না শক্তিশালী লোকটার সঙ্গে। লোকটার হাসি হাসি বিদ্রূপাত্মক অভিব্যক্তিতে লেখা: ‘কাঁচা কাজ করি না আমি, ডারলিং!’

    রানাও টের পেয়েছে সেটা। নিষ্ঠুর, মর্মান্তিক মৃত্যু কানের কাছে ফিসফিস করছে। কোনও চালাকি চলবে না এর সঙ্গে। খসে পড়তে দিল ও পাটাতনের দিকে নিচু করা বেরেটাটা।

    ‘লাথি মেরে ফেলে দাও কিনার দিয়ে,’ পরবর্তী আদেশ এল।

    লাথির দরকার হলো না, জুতোর আগা দিয়ে অস্ত্রটায় মৃদু ঠেলা দিল রানা। সেফটি রেইলের নিচের ফাঁক দিয়ে কাত হয়ে হারিয়ে গেল ওটা। মাচানের ধাতব খুঁটির সঙ্গে ঠং-ঠনাৎ বাড়ি খেয়ে পড়ল গিয়ে চল্লিশ ফুট নিচের জমিনে।

    ‘গুড বয়।’ ক্রূর হাসিতে বেঁকে গেল শয়তানের ঠোঁট।

    খেয়াল করল রানা, ট্রিগারে চাপ বাড়াচ্ছে লোকটার আঙুল। সিঙ্গল শটে সেট করা অস্ত্রটার ফায়ার সিলেক্টর। মাযল বিস্ফোরিত হলে কানের নিচ দিয়ে মগজ ভেদ করে বেরিয়ে যাবে গুলি।

    ‘ট্রিগার টিপলে মরবে তুমি!’ অদ্ভুত শান্ত শোনাল রানার কণ্ঠস্বর।

    বিকশিত পদ্ম ফুলের মত মধুর হাসি দিল বাদামিচুলো গানম্যান। ‘আয়ু শেষ তোমার। বেহুদা মুখ খরচা না করে দু’-চার সেকেণ্ড নিজের উপরঅলাকে ডাকো!’

    কথাটা শেষ হওয়ার আগেই এক ঝটকায় সেলেনা নিজেকে ছাড়িয়ে নিলে হাসিটা পরিণত হলো নগ্ন বিস্ময়ে।

    মাপা স্পিডে বেরেটাধারীর পায়ের নলী বরাবর জুতোর হিল চালিয়ে দিল সেলেনা, সেই সঙ্গে প্রচণ্ড চাপে মাড়িয়ে দিল ওর পায়ের আঙুল। কারাতের কৌশলে মুচড়ে দিল আগ্নেয়াস্ত্র ধরা হাতটা।

    যন্ত্রণার চোটে সেলেনাকে ‘ওরেব্বাপ!’ ডেকে বসল বীরপুরুষ। ট্রিগারে চাপ পড়তেই কেশে উঠল সাব-মেশিন গান।

    ওদের অনেক দূর দিয়ে বেরিয়ে গেল গুলিটা। মাচানের পিছনের দেয়ালে লেগে তীক্ষ্ণ শিস তুলে ছুটল আরেক দিকে

    হাতটা এখনও মুচড়ে ধরে রয়েছে সেলেনা, হাঁটু ভাঁজ করে বসাতে চাইছে বদমাশটাকে। খেপা ষাঁড়ের মত মাথা দিয়ে ঢুস দিল ওকে বাদামিচুলো।

    চিৎপটাং হয়ে পড়ল বেচারি পাটাতনের উপর। অল্পের জন্য রক্ষা। আরেকটু হলেই নিচে পড়ে যেত সেফটি ব্যারিয়ারের নিচের ফাঁক দিয়ে।

    হাঙরের মত হিংস্র মুখভঙ্গি করে অস্ত্র তাক করল লোকটা পয়েন্ট-ব্ল্যাঙ্ক রেঞ্জ থেকে সেলেনার মাথাটা উড়িয়ে দেয়ার জন্য।

    তার আগেই দুনিয়াসেরা দৌড়বিদ উসাইন বোল্টের মত ছুটে এসে ঝাঁপিয়ে পড়ল রানা গানম্যানের উপর।

    সাব-মেশিন গান ধরা হাতটা নিষ্ঠুরভাবে আছড়াল ও ব্যারিয়ারের গায়ে, খসিয়ে ফেলল অস্ত্রটা। চারতলা থেকে নিচে পড়বার আগেই সর্বশক্তিতে কনুই চালাল রানা প্রতিদ্বন্দ্বীর অ্যাডাম’স অ্যাপল লক্ষ্য করে।

    কিন্তু জায়গামত লাগানো গেল না। সামান্য পিছিয়ে গিয়ে রানার আঘাত এড়িয়ে গেল লোকটা।

    বড় কঠিন পাত্র সে। কয়েক সেকেণ্ডেই নিজেকে সামলে নিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়ল রানার উপর। রেইলের পাশে ধস্তাধস্তি শুরু হলো দু’জনের। সমানে সমান।

    নিজের পায়ে দাঁড়ানোর চেষ্টা করছে সেলেনা। এখনও সামলে নিতে পারেনি বেমক্কা গোঁত্তাটা।

    ওজনদার একটা ঘুসি এসে পড়ল রানার বাম পাঁজরে। ব্যথার স্রোত ছুটল আশপাশে। পরমুহূর্তে ওর নাকমুখ সই করে কপাল ঠুকল খেপা ষাঁড়।

    সুযোগটা কাজে লাগল রানা। আলগোছে সরে গিয়ে শত্রুর মোমেন্টামের সঙ্গে নিজের শক্তি যোগ করে ঠুকে দিল ওর মাথাটা মাচানের খুঁটিতে।

    বিকট ‘ঠন্’ আওয়াজে থরথর করে কেঁপে উঠল গোটা স্ট্রাকচার।

    তাতেও সন্তুষ্ট নয় রানা। প্রতিপক্ষের শরীরটা ঘুরিয়ে দিয়ে দু’হাতে এবার মুচড়ে ধরল ওর কান দুটো। কান টানলে মাথা আসে। পিছিয়ে এনে আবারও লোকটার নারকেল ফাটাল রানা লোহার পাইপে আছড়ে। ফাটা নারকেল নিচু হতেই ধাতব খুঁটিতে দেখা গেল রক্ত।

    এবার সমস্ত শক্তি একত্রিত করে ডান হাঁটু দিয়ে মারল রানা ওর নাভি বরাবর।

    মাতালের মত টলমল করতে করতে সেফটি রেইলিঙের উপর চিত হয়ে পড়ল পরাস্ত দুশমন। বেঁকে গেল তারের জাল। একদিকের জয়েন্ট খুলে গিয়ে রেইলিং থেকে আলগা হয়ে ঝুলতে লাগল ব্যারিয়ারের গোটা একটা অংশ।

    রক্ত মাখা মুখটা এবার লক্ষ্য রানার। গায়ের জোরে একটা বিরাশি সিক্কা হেঁকেই কাতরে উঠল নিজেই। দাঁতে লেগে কেটে গেছে ওর আঙুলের গাঁট।

    ব্যালান্স ঠিক রাখার জন্য হাত দুটো দু’দিকে ছড়িয়ে দিয়েছে রক্তাক্ত প্রতিপক্ষ। তা-ও শেষ রক্ষা হলো না। গতি হারিয়ে কাত হয়ে পড়া লাটিমের মত আচমকা একটা পাক খেয়ে লুটিয়ে পড়ল পাটাতনের প্রান্তে। কী ঘটতে যাচ্ছে, হৃদয়ঙ্গম করতে পেরে হাহাকার উঠে এল বুকের গহীন থেকে। দেহের ঊর্ধ্বাংশের বেশির ভাগটা পাটাতনের বাইরে পড়ায় চল্লিশ ফুট নিচে পড়া এখন অবশ্যম্ভাবী।

    হঠাৎই খড়কুটো ঠেকল হাতে! নিচের দিকে রওনা হওয়ার আগেই বাতাসে থাবা মেরে পেয়ে গেল রানার শার্টের আস্তিন।

    এমন কিছুর জন্য মোটেই প্রস্তুত ছিল না রানা। প্রফেশনাল কিলারের শরীরের ওজনে আচমকা হুমড়ি খেয়ে পড়ল ও পাটাতনের বাইরের দিকে, দেখল উল্কার বেগে উপরে উঠে আসছে নিচের জমিন।

    মাচানের একটা খুঁটি ধরে ফেলে পতন ঠেকাল রানা। ঝাঁকুনির চোটে মনে হলো, হাতটা ছিঁড়ে আসবে কাঁধের জয়েন্ট থেকে। তীব্র ব্যথা হাত বেয়ে ছড়িয়ে পড়ল পিঠে।

    শূন্যে ঝুলছে ও বিপজ্জনকভাবে। কিছুই নেই পায়ের তলায়!

    তলোয়ারের মত বাতাস চিরল সেলেনার চিৎকার।

    রানার মত ভাগ্য অত ভালো নয় বদমাশটার। খড়কুটো পেলেও ধরে রাখতে পারেনি। ডিগবাজি খেয়ে চিত হয়ে আছড়ে পড়েছে নির্মীয়মান আণ্ডারগ্রাউণ্ড পানির টাঙ্কির তাল কে তাল ভেজা, নরম কংক্রিটের ঠিক মাঝখানে। চারদিকে কাদার মত ছিটকে উঠল এক রাশ সিমেন্ট, বার্ ও কুচিপাথর।

    নরম কাদার বিছানায় ল্যাণ্ড করে একটা মুহূর্ত চিত হয়ে শুয়ে থাকল লোকটা। যেন বুঝতে পারছে না, কী ঘটেছে। তার পরই আঠালো কাদা চোরাবালির মত টেনে নিতে শুরু করল তাকে। এই বার নড়ে উঠল লোকটা দুর্বলভাবে। চোখ মেলে চাইল চারপাশে।

    বিপদের ভয়াবহতা উপলব্ধি করেই ঝটকা দিয়ে উঠল মাথাটা কংক্রিট থেকে। নিজের অজান্তেই বেরিয়ে এল মরণ- চিৎকার। হাতপা ছুঁড়ে চোরাকাদার মাঝে দাপাদাপি করছে পেশাদার খুনি, মুক্ত হতে চাইছে কংক্রিটের মৃত্যু-আলিঙ্গন থেকে। কিন্তু ওর হাতের নাগালে কিছুই যে নেই ডুবে যাওয়া ঠেকানোর মত! জানে না, বাঁচার চেষ্টায় ছটফট করে আরও ঘনিয়ে আনছে মৃত্যু।

    চিত হয়ে পড়লেও প্রথমে তলিয়ে গেল ওর হাত দুটো। দেখতে দেখতেই বুক পর্যন্ত উঠে এল কংক্রিট, স্পর্শ করল চিবুক। চোখ দুটো যেন বেরিয়ে আসতে চাইছে কোটর ছেড়ে। ঘাড়টা পিছনে হেলিয়ে যথাসম্ভব উপরদিকে জাগিয়ে রেখেছে নাক। চোখ দুটো অদৃশ্য হয়ে গেল, এখন দেখা যাচ্ছে শুধু নাক ও জুতোর ডগা। তবু চেষ্টা করছে লোকটা।

    লাভ কী! নিয়তি যখন নির্ধারিত হয়েই গেছে!

    নাকটা তলিয়ে যেতেই অদৃশ্য হয়ে গেল জুতোটাও। পুরোপুরি ডুবে গেছে লোকটা কাদার ভিতর। অন্ধ আততায়ী তার পরও বাঁচার জন্য মরিয়া। বোঝা গেল, কংক্রিটের ভেতর ছটফট করছে সে শ্বাসের জন্য। একটু পরেই স্থির হয়ে গেল সব। প্রথমে সাব-মেশিন গান, তার পর আস্ত একটা মানুষকে গিলে নিয়ে কয়েকটা বুদ্বুদ ছাড়ল কংক্রিটের তাল। তৃপ্তির ঢেকুর ছাড়ল যেন। ভালোমানুষটির মত চুপ করে নির্নিমেষে চেয়ে রয়েছে চল্লিশ ফিট উপরে ঝুলন্ত পরবর্তী শিকারের অপেক্ষায়।

    বাতাসের গায়ে খামচি মারল রানা।

    ‘রানা!’ আবার শোনা গেল সেলেনার গলা।

    হামাগুড়ি দিয়ে চলে এসেছে ও পাটাতনের কিনারায়। ভার্টিগোর সমস্যা গ্রাহ্য না করে তাকাল নিচে। দু’চোখে আতঙ্ক। ঝুলন্ত রানার উদ্দেশে বাড়িয়ে দিল নিজের একটা হাত।

    নাগাল পেল না রানার। পেলেও টেনে তুলতে পারত কি না, সন্দেহ।

    ‘রানা!’ আবার মুখ দিয়ে বেরিয়ে এল ডাকটা।

    ঘামে ভিজে পিচ্ছিল হয়ে গেছে স্টিলের খুঁটি। ছুটে যেতে পারে যখন-তখন। এদিকে শরীরের পুরো ওজন নিতে হচ্ছে বলে ব্যথায় টনটন করছে আঙুলগুলো। অবশিষ্ট শক্তি জড়ো করে খালি বাম হাতটা উপরদিকে ঝাপটা দিল রানা।

    নাগালে ঠেকল সেফটি রেইলিঙের ঝুলে থাকা অংশটা।

    দাঁতে দাঁত পিষে শরীরটা উপরদিকে টেনে তুলতে শুরু করল ও, যতক্ষণ না তক্তার নাগাল পেল পায়ে। পাটাতনের কিনারায় হাঁটু ঠেকতেই বাহু পাকড়ে ধরে উঠতে সাহায্য করল মেয়েটা, টেনে সরিয়ে আনল ওকে কিনারা থেকে।

    সটান হয়ে শুয়ে পড়ল রানা। চোখ দুটো বোজা। হাপরের মত ওঠানামা করছে বুক, কাঁপছে হাতপা। কাহিল হয়ে গেছে প্রচণ্ড পরিশ্রমে।

    সেলেনার অবস্থাও তথৈবচ। গান সাইলেন্সারের লাল সিল বসে গেছে ঘাড়ে।

    খানিকটা স্থির হওয়ার পর উঠে বসল রানা। মেয়েটার দিকে তাকিয়ে জানতে চাইল, ‘ইউ অল রাইট?’

    বনবেড়ালের থুতু ছিটানোর ভঙ্গিতে মুখ ঝামটা দিল সেলেনা। ‘আরে, মিয়া, তোমার কথা বলো!’

    ‘আস্ত আছি, এটুকু বলতে পারি।’ ওর বিখ্যাত ভুবন ভোলানো হাসিটা উপহার দিল রানা।

    ‘হাসছ তুমি! তোমাকে দেখে মনে হচ্ছে, এতক্ষণ যা ঘটল—মজার এক রসিকতা সেসব! ওরা এসেছিল তোমার সঙ্গে স্রেফ তামাশা করতে, তা-ই না?’

    মিলিয়ে গেল রানার হাসিটা।

    ‘প্রমাণ চেয়েছিলে না?’ ভর্ৎসনার সুরে বলল সেলেনা। ‘সন্তুষ্ট এখন, জনাব?’

    কিছু বলার নেই রানার। উঠে দাঁড়াল ও পরিশ্রমের ধকল উপেক্ষা করে। চ্যাপ্টা হওয়া বুলেটের বেগের কারণে এখনও অসাড় হয়ে রয়েছে ঊরুর মাংস। পাঁজরে খাওয়া ঘুসিটার জন্য ব্যথা জানান দিচ্ছে মাঝে মাঝে ঝিলিক দিয়ে।

    নিচে উঁকি দিল।

    কংক্রিটের উপরটা দেখে কে ভাবতে পারবে, আস্ত এক পূর্ণবয়স্ক মানুষের গোর হয়েছে ওর ভিতরে! একটা মোটে মাঝারি বুদ্বুদ ছাড়া আর কোনও আলামত নেই কোথাও।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65 66 67 68 69 70 71 72 73 74 75 76 77 78 79
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleমাসুদ রানা ০৭২-৭৩ – সেই উ সেন (দুই খণ্ড একত্রে)
    Next Article মাসুদ রানা ৪৬৪ – স্ট্রেঞ্জার

    Related Articles

    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৩৮৫-৩৮৬ – হ্যাকার (দুই খণ্ড একত্রে)

    July 22, 2025
    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫৬ – টপ টেরর

    July 22, 2025
    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫৪ – নরপশু

    July 22, 2025
    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫৩ – ধর্মগুরু

    July 22, 2025
    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫২ – কালো কুয়াশা

    July 22, 2025
    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫১ – মায়া মন্দির

    July 22, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }