Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    মাসুদ রানা ৪৬৭ – শকওয়েভ

    কাজী আনোয়ার হোসেন এক পাতা গল্প446 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    শকওয়েভ – ১৭

    সতেরো

    সভয়ে পিছু হটল সেলেনা।

    ‘ক্-কে ওখানে?’ মনে হলো, অন্য কারও গলায় কথা বলছে ও।

    ‘আমি!’ সামান্য বিরক্তির ছোঁয়া ছায়ামূর্তির কণ্ঠে। ‘কার কথা ভেবেছিলে? রিপেয়ারম্যান?’

    ‘রানা?’

    পুলিসের লাগানো টেপ খুলে ফেলে হাতছানি দিল শ্ৰীমান মাসুদ রানা। ‘এসো, ভেতরে এসো!’

    ‘জাদু জানো নাকি তুমি?’ দরজাটা লাগিয়ে দেয়ার পর প্রশ্ন রাখল সেলেনা।

    ম্যাগলাইট অন করল রানা।

    ‘উঁহু, সিম্পল ম্যাজিক।’ ছাতের দিকে তাক করে ধরল আলোটা। ‘দেখলাম কাজ করে কি না বুদ্ধিটা।’

    ‘বুঝলাম না।’

    ‘ওপর দিয়ে এসেছে ক্যারেনের হত্যাকারী। স্কাইলাইট প্যানেল রয়েছে বাথরুমের ওপর… ফ্রেমের ধুলোয় ছাপ পড়েছে গ্লাভসের। ফাসেনার গায়েব ওটার। হয় সে-ই খুলেছে স্ক্রু, নয় তো কোনও মিস্তিরি। সেক্ষেত্রে সুবিধে হয়ে গেছে রিপেয়ারম্যানের। যেটাই হোক না কেন, পুলিস এর কিনারা করতে পারেনি।’

    ‘তুমিও কি ওপথেই ঢুকেছ?’

    ‘তবে আর কীভাবে?

    ‘ছাতে উঠলে কেমন করে? তুমি তো দেখলাম নিচে নেমে গেছ!’

    ‘গলির ওপাশের হোটেলটা,’ ব্যাখ্যা করল রানা। ‘এক্সটারনাল ফায়ার এসকেপ রয়েছে ওটার। সেটা ধরে ওপরে উঠলাম। তার পর লাফিয়ে নামলাম এই বিল্ডিঙের ছাতে।’

    ‘রানা!’

    ‘এমন কিছু বেশি নয় দূরত্ব, অনায়াসেই পার হওয়া যায়। অন্ধকারে দেখতে পাবে না কেউ। অন্ততপক্ষে আমাকে যে দেখেনি, এই গ্যারান্টিটুকু দিতে পারি।’

    ‘ধুপ’ শব্দের রহস্যটা পরিষ্কার হলো সেলেনার কাছে।

    ‘ক্যারেনের খুনিও সম্ভবত একই কাজ করেছে,’ বলল রানা। ‘কারও চোখে পড়ার ঝুঁকি নিতে চায়নি। সেজন্যেই এই বিল্ডিঙের ফায়ার এসকেপ ব্যবহার না করে হোটেল থেকে লাফ দিয়েছে ছাতের উপর। সহজ কাজ। সহজ আর নিখুঁত।’

    ‘পড়ে গিয়ে ঘাড় ভাঙতে যদি?’

    ‘বললামই তো, সেরকম কোনও সম্ভাবনা নেই। তার পরও, থ্যাঙ্কস ফর কেয়ারিং।’

    ‘সিরিয়াসলি, রানা। তোমার কিছু হয়ে গেলে অকূল পাথারে পড়ে যেতাম না আমি?’

    ‘রাঙার মার মত বাজে বকছ তুমি।’

    ‘কে রাঙার মা? কার কথা বলছ?’ আসমান থেকে পড়ল যেন মেয়েটা।

    উত্তর না দিয়ে ছোট্ট লিভিং রুমে ঢুকে পড়ল রানা। অভিজ্ঞ নজর বোলাতে লাগল ক্রাইম সিনের খুঁটিনাটির উপর।

    ওর সেফহাউসের চেয়ে খুব বেশি বড় নয় অ্যাপার্টমেন্টটা। ক্যারেনের মৃত্যুর আগে যেরকম ছিল, তেমনটাই রয়ে গেছে বোধ হয়।

    কামরাটা অগোছাল। ব্যস্তবাগীশ সায়েন্স শিক্ষয়িত্রীর কাজের জায়গা যেমনটা হয়ে থাকে সাধারণত। শত শত ভলিউম, ফোল্ডার আর বক্স ফাইলে উপচে পড়া অবস্থা তাকগুলোর। বোঝা যায়, এসবের পিছনে দিনের অনেকটাই সময় ব্যয় হতো মেয়েটার।

    জানালার কাছে চলে গেল রানা। ধীরে, সতর্কতার সঙ্গে টেনে দেয়া পর্দার প্রান্ত সরিয়ে দেখে নিল রাস্তাটা।

    দুশ্চিন্ত করার মত কোনও কিছু চোখে পড়ল না ওখানে। পুলিস-টুলিসও নেই। তা-ও বেশিক্ষণ এখানে থাকা ঠিক হবে না।

    ঘুরে দাঁড়াল ও। ‘বলছ, চুরি যায়নি কিছু?’

    মাথা ঝোঁকাল সেলেনা। ‘পুলিস তা-ই বলছে— স্রেফ খুন করে বেরিয়ে গেছে খুনি। সেরকম হলে, মানেটা দাঁড়াচ্ছে: টেসলা-সংশ্লিষ্ট কিছুই ছিল না এখানে।’

    ‘তার পরও, এলাম যখন, চেক করে দেখি।

    মাথা নেড়ে সায় দিল মেয়েটা।

    ‘ফাইলগুলো দেখো তুমি,’ ওকে বলল রানা। ‘আমি অন্য কিছু দেখছি।’

    মোটা মোটা কয়েকটা ফাইল নামাল সেলেনা। সোফার উপর ফেলে দ্রুত উল্টে চলল ভিতরের কাগজপত্রগুলো।

    ‘ভালো লাগছে না, রানা!’ পাতার পর পাতা দেখে বাতিল করতে করতে দীর্ঘশ্বাস ফেলল ফোঁস করে। ‘মনে হচ্ছে, ক্যারেনের কবর খুঁড়ছি আমি!’

    সেলেনার মৃত বান্ধবীর অগোছাল ডেস্কে স্থির হলো রানার দৃষ্টি। ওর কমপিউটারটা দেখছি না…’

    ‘নিয়ে গেছে পুলিস, ফাইল থেকে চোখ তুলে বলল সেলেনা। ‘কেন, বলতে পারো?’

    ‘ই-মেইল, কমপিউটার ফাইল—এসব চেক করবে আর কী। হয়তো লিড পাওয়ার আশা করছে।’

    অকাজের নয় মেথডটা। চূড়ান্ত আঘাত হানার আগে প্রায়শই হপ্তা-মাস ধরে শিকারকে অনলাইনে অনুসরণ করে থাকে কিলাররা। কার্যকর আক্রমণ-পরিকল্পনা সাজানোর জন্য সোশ্যাল নেটওঅর্কিং সাইটগুলোর তথ্য সংগ্রহের সহজ প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে প্রোফাইল তৈরি করে টার্গেটের দৈনন্দিন রুটিন আর লাইফস্টাইল সম্বন্ধে। আর ফ্রেণ্ডলিস্টে একবার ঢুকতে পারলে তো কথাই নেই, প্রাইভেট তথ্যও পেয়ে যাচ্ছে শিকারের কাছ থেকে। এজন্যই একই সঙ্গে আশীর্বাদ আর অভিশাপ অন্তর্জালের দুনিয়াটা। বদ লোকদের জন্য স্বর্গবিশেষ।

    যদিও মোটামুটি শিয়োর রানা, এ ক্ষেত্রে হতাশই হতে হবে পুলিস ডিপার্টমেন্টকে। ট্রেইল রেখে যাওয়ার মত কাঁচা কাজ করবে না খুনি।

    খুলল ও ডেস্কের একমাত্র দেরাজটা। খচখচ করছে মন। অন্যের জিনিস ঘাঁটা অনেকটা কবর থেকে মানুষের হাড় চুরি করার মতই।

    সাধারণ সব জিনিস বেরোল ভিতর থেকে পেপারক্লিপ, কলম, স্টেপলার, পাঞ্চ মেশিন আর খুচরো কিছু পয়সা। সঙ্গে ড্রাইভিং লাইসেন্স, বার্থ সার্টিফিকেট, পাসপোর্ট আর কয়েকটা রসিদ।

    পাসপোর্টটায় চোখ বোলাল রানা।

    ‘বেশ ঘোরাঘুরি করত দেখছি তোমার এই বন্ধুটি।’

    ‘ফান করছ, তা-ই না?’ বিশ্বাস করল না সেলেনা। ‘সব সময়ই বলত, প্লেনে চড়াটা সহ্য হয় না ওর।’

    ‘অতটা নয় বোধ হয়। অন্তত ভিসা স্ট্যাম্পগুলো সেকথা বলছে না। গত কয়েক বছরে গেছে সে মেলা জায়গায়।

    ‘বৈজ্ঞানিক সম্মেলন-টম্মেলন হবে হয়তো।’ পরের ফোল্ডারে খোঁজা শুরু করল সেলেনা। ইন্টারেস্টিং কিছু পাওয়া যায়নি প্রথমটায়।

    অন্য কামরাগুলোতে তল্লাশি করতে চলল রানা। প্রথমে রান্নাঘর দেখল, তার পর বেডরুম। বাথরুমগুলোও বাদ পড়ল না। চেক করল সবগুলো দেরাজ আর কাবার্ড ক্যারেনের নানা রকম ড্রেস ঝুলছে হ্যাঙারে। ওয়ার্ডরোবের নিচের দিকে সার দিয়ে রাখা সুন্দর ডিজাইনের কয়েক জোড়া ছোট সাইজের জুতো।

    একদমই স্বাভাবিক রয়েছে যেন সব কিছু। যে-কোনও মুহূর্তেই এসে হাজির হবে যেন অ্যাপার্টমেন্টের বাসিন্দা। ফরেনসিক এগজামিনারদের উপস্থিতির চিহ্ন ধরা পড়ছে কামরায়। অথচ দক্ষতার সঙ্গে নিজের ট্র্যাক গোপন করেছে হত্যাকারী। ভাবতেই পারবে না কেউ, মাত্র কয়েক দিন আগেই ভয়ঙ্কর একটা খুন হয়েছে এখানে।

    লিভিং রুমে ফিরে এল রানা।

    ছড়ানো-ছিটানো কাগজ, বক্স ফোল্ডার আর খালি ফাইলের সমুদ্রে পেরেশান নাবিক যেন সেলেনা। অনুভূতি অবদমনের চেষ্টা টের পাওয়া যাচ্ছে ওর চেহারার অভিব্যক্তি দেখে।

    ‘কিছুই পাওয়া গেল না এগুলোতে,’ অনুযোগ করল সেলেনা। ‘টেসলা নিয়ে একটা শব্দও না। অবশ্য ভাবিওনি যে, থাকবে। পুলিসের বাজেয়াপ্ত করা কমপিউটারেও কিছু পাওয়া যাবে বলে মনে হয় না। ক্যারেন জানত, চোখে চোখে রাখা হচ্ছে ওকে। সুতরাং, কাজের এভিডেন্স রেখে দেয়ার মত বোকামি করবে না ও কিছুতেই।’ হতাশায় মাথা নাড়ল মেয়েটা। ‘খারাপ দিকটা হলো—যে বা যারা ওকে মেরেছে, তারাও হয়তো নিশ্চিত ছিল, পাওয়া যাবে না কিছু। সেজন্যেই হয়তো গরজ বোধ করেনি জিনিসপত্র ঘাঁটাঘাঁটি করার।’

    দীর্ঘনিঃশ্বাস ফেলল রানা মেঝের দিকে তাকিয়ে। ‘ভাগতে হবে এ বেলা। তার আগে আবার আগের মত গুছিয়ে রাখতে হবে সব কিছু। দেখা শেষ আমার।

    ‘তার মানে, তুমিও পাওনি কিছু!’

    ‘একেবারে কিছুই যে পাওয়া যায়নি, তা নয়।’

    ‘কী পেয়েছ, রানা?’

    ‘ইনফর্মেশন।’

    ‘ওহ, ওই পাসপোর্ট! ওটা আর কী কাজে লাগবে?’

    মিনিট কয়েক পর বেরিয়ে এল ওরা। পাল্লা টানতেই ‘ক্লিক’ করে জায়গামত বসে গেল ডোরনবের ল্যাচ। আগের মতই প্রবেশমুখে লাগিয়ে দিল রানা হলুদ টেপগুলো।

    আপসেট হয়ে আছে সেলেনা। ল্যাণ্ডিঙের জানালা দিয়ে আসা নীল আলোয় মেয়েটার চোখে অশ্রু চিকচিক করতে দেখল রানা। কী বলে ওকে সান্ত্বনা দেবে, ভেবে না পেয়ে আলতো করে স্পর্শ করল কাঁধ।

    ভিজে চোখ তুলে চাইল সেলেনা। হাসল বিষাদবিধুর হাসি।

    সিঁড়ির উদ্দেশে কদম বাড়িয়েছে ওরা, ঠাস করে খুলে গেল বিপরীত দিকের দরজা। কোনও রকম প্রতিক্রিয়া দেখানোর আগেই মুখের উপর এসে পড়া চোখ ধাঁধানো টর্চের আলোয় অন্ধ হয়ে গেল রানা-সেলেনা।

    ‘কারা তোমরা?’ মিহি একটা রূঢ় কণ্ঠ প্রশ্ন ছুঁড়ল ফরাসিতে। ‘খবরদার, নড়বে না! গুলি করতে বাধ্য কোরো না আমাকে!’

    সারেণ্ডারের ভঙ্গিতে দু’জনের দু’জোড়া হাত ধীরে ধীরে উঠে যাচ্ছে উপরদিকে; এ অবস্থায় তারও চেয়ে ধীরে আর সাবধানে পিছন-দেয়ালে বসানো সেকেলে ঘরানার লাইটের সুইচে পিঠ দিয়ে চাপ দিল রানা। যতখানি সম্ভব, শান্তিপ্রিয় নিরীহ লোক বলে প্রতিপন্ন করার চেষ্টা করা দরকার নিজেদের।

    না, অ্যাপার্টমেন্ট ছেড়ে যাননি ক্যারেনের প্রতিবেশী

    পায়ে চটি, চুলে কার্লার। একহারা কাঠামোটা ঢলঢলে ড্রেসিং গাউনে মোড়া। মহিলার হাতের চাইতেও মোটা স্টিলের উদ্যত টর্চলাইটটা। ছোট যে কালো পিস্তলটা উঁচিয়ে রেখেছেন আরেক হাতে, গুলি নয়, টিয়ার গ্যাস ছোঁড়ার কার্যকর যন্ত্র বলা যায় ওটাকে। একা বাড়িতে বয়স্ক, অরক্ষিত ফরাসি ভদ্রমহিলাদের মানসিক শান্তি দেয় এ-জাতীয় অস্ত্র।

    ‘জিজ্ঞেস করেছি, কারা তোমরা! পিস্তল দোলালেন বৃদ্ধা। ‘অ্যাই… আবার নড়ে! যেখানে রয়েছ, দাঁড়িয়ে থাকো গ্যাঁট মেরে। চোখে-মুখে এটা ছিটিয়ে দিলে কেঁদে কূল পাবে না। তার পর জায়গামত একটা কল দিলেই শ্রীঘরের টিকেট পেয়ে যাবে!

    রানার মনের একটা অংশ ভরে উঠল শ্রদ্ধা আর মমতায়। আরেক অংশের কাছে মোটেই উপভোগ্য মনে হলো না টিয়ার গ্যাসে চোখ জ্বলার ব্যাপারটা। সিভিলিয়ানদের জন্য তৈরি জিনিসটার ধক যদি কমও হয়, তবু ওটা চেখে দেখার খায়েশ ওর নেই।

    বুড়ির হাত থেকে পিস্তল কেড়ে নেয়ার বেশ ক’টা অপশন উঁকি দিয়ে গেল মনে, ওস্টিয়োপোরোসিসে আক্রান্ত হাড় বা টিসুর ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়াবে না যেগুলো।

    কিন্তু ও সক্রিয় হয়ে ওঠার আগেই নিষেধ অমান্য করে আগে বাড়ল মেয়েটা।

    ‘মাদাম গোলতিয়েই? ইটস অল রাইট,’ বলল ও ফরাসিতে। ‘ক্যারেনের বন্ধু আমরা।’ প্যারিসে অনেক দিন কাজ করার সুবাদে ভাষাটা বেশ সড়গড় ওর।

    নিজের আর ক্যারেনের নাম শুনে দ্বিধা খেলে গেল মাদামের চেহারায়। তবে পিস্তলটা উঁচানোই রইল ওদের উদ্দেশে।

    ‘ক্যানাডা থেকে উড়ে এসেছি আমি,’ বলে চলল সেলেনা। ‘আসার জন্যে চিঠি পাঠিয়েছিল ও আমাকে।’

    মোলায়েম হয়ে এল ভদ্রমহিলার সন্দেহের চাউনি। গাউনের পকেটে পিস্তলটা ফেলে দিয়ে নিচু করে নিলেন লম্বা হাতলের টর্চলাইটটা। হাত ব্যথা হয়ে গেছে ওজনদার জিনিসটা ধরে রাখতে রাখতে।

    ‘ক্যারেনের বন্ধু?’ বললেন তিনি বিমর্ষ কণ্ঠে। ‘জানো নিশ্চয়ই, জীবিত অবস্থায় আমিই শেষ দেখেছি বেচারিকে। আমিই পাই ওর লাশ।’

    ‘জি, মাদাম, জানি জবাব দিল সেলেনা। ‘অভিজ্ঞতাটা কী রকম ছিল আপনার জন্যে, বুঝতে একটুও কষ্ট হচ্ছে না আমার!’

    পকেটে চাপড় দিলেন মাদাম গোলতিয়েই। ‘সেজন্যেই কিনেছি এই বন্তরটা।’ ইঙ্গিত করলেন কানের দিকে। ‘আর এই হিয়ারিং এইড। চোর-ছ্যাঁচড় আর জেল পালানো পাগল-ছাগল গিজগিজ করছে যেখানে, সেখানে সদা-সর্বদা চোখকান খোলা রাখাটা বড্ড মুশকিল। বহু আগে থেকেই সে-কারণে বলে আসছি আমি, কল্লাগুলো আলাদা করার জন্য আবার ফিরিয়ে আনা উচিত গিলোটিন। কথা তো ঠিক, তা-ই না? দেখো দেখি এখন, কী থেকে কী হয়ে গেল…’

    ‘আমার নাম সেলেনা, সেলেনা বার্নহার্ট। আর ইনি আমার আরেক বন্ধু—মোসিউ রানা। আপনাকে ডিসটার্ব করতে চাইনি আমরা,’ ক্ষমা প্রার্থনার সুরে বলল মেয়েটা। ‘এসেছি স্রেফ বন্ধুর প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে।’

    ‘বার্নহার্ট… বার্নহার্ট…’ আওড়াচ্ছেন বৃদ্ধা। কী যেন মনে পড়ায় উজ্জ্বল হয়ে উঠল মুখটা। ‘তোমার স্বামীর নাম কি ডক্টেয়ার বার্নহার্ট?’

    ‘সরি?’ চোখ পিটপিট করছে সেলেনা।

    ‘ক্যানাডার কোন্ এক ডক্টেয়ার বার্নহার্টের উদ্দেশে লেখা হয়েছিল চিঠিটা,’ বললেন মহিলা।

    ‘আমিই সেই ডক্টর বার্নহার্ট,’ হেসে, খোলসা করল মেয়েটা। ‘কিন্তু আপনি জানলেন কীভাবে–কোথায়, কার কাছে পাঠানো হয়েছে চিঠি?’

    বিস্ময়ে হাঁ হয়ে গেছেন গোলতিয়েই। প্রফেশনাল টাইটেলওয়ালি কোনও মহিলার কথা জিন্দেগিতে শোনেননি যেন।

    ‘কারণ, আমিই পোস্ট করি ওটা,’ বিষাদ আর গর্ব মিশ্রিত স্বরে জবাব দিলেন। ‘শেষ যখন জীবিত দেখি ওকে, ওর দুটো চিঠি পোস্ট করার জন্যে অনুরোধ করে আমাকে। খুবই গুরুত্বপূর্ণ নাকি, বলছিল বার বার। একটা ক্যানাডার, আরেকটা সুইডেনের।

    চাউনি বিনিময় করল রানা আর সেলেনা।

    ‘ঠিক জানেন—সুইডেন?’ শুধাল মেয়েটা।

    মাথা ঝাঁকিয়ে নিশ্চয়তা দিলেন ফরাসি মহিলা।

    ‘মাদাম গোলতিয়েই,’ বলল রানা বিনয়বিগলিত কণ্ঠে। ‘সুইডেনের চিঠিটাও কি রেজিস্টার্ড মেইলে পাঠানো হয়েছে—-ক্যানাডারটার মত?’

    বৃদ্ধার কাছে ফরাসিভাষী ভিনদেশি সেলেনাই বিস্ময়ে হতবাক হওয়ার জন্য যথেষ্ট। সেখানে আরও একজন ফ্রেঞ্চ ভাষায় কথা বলে ওঠায় চক্ষু ছানাবড়া হলো তাঁর। ঘন ঘন মাথা উপরনিচ করে বোঝালেন—হ্যাঁ, হয়েছে।

    ‘তা হলে নিশ্চয়ই কাস্টমার রিসিপ্ট রয়েছে আপনার কাছে?’ আশায় দুলছে রানার মন। ‘বুঝতেই পারছেন, ক্যারেনের এই সুইডেননিবাসী বন্ধুটির সঙ্গে যোগাযোগ করা প্রয়োজন আমাদের। মেয়েটার পরিণতি সম্বন্ধে হয়তো জানেই না এখনও বেচারা…’

    সোৎসাহে মাথা ঝাঁকালেন বয়স্ক মহিলা। কারও কাজে আসতে পারছেন ভেবে খুশি ধরছে না তাঁর।

    ‘একটু দাঁড়াও,’ বলে, উধাও হলেন ফুলেল ওয়ালপেপার সাঁটা আলো-ঝলমলে অ্যাপার্টমেন্টের ভিতর।

    বাইরে থেকে শুনতে পেল ওরা, নিজের মনে বকবক করে চলেছেন বৃদ্ধ মহিলা। কয়েক সেকেণ্ড পর ফিরলেন দু’খানা চিরকুট নিয়ে। বাড়িয়ে দিলেন সেগুলো রানাদের দিকে।

    ‘সুযোগই পেলাম না হতভাগীকে এগুলো বুঝিয়ে দেয়ার।’ মাথা নাড়ছেন আফসোসে। কেঁদে ফেলবেন যেন। ‘আর ওই ঘটনাটার পর… ভুলেই গিয়েছিলাম কাগজগুলোর কথা।’

    আন্তরিকভাবে ধন্যবাদ জানিয়ে রসিদ দুটো পরীক্ষা করল রানা।

    দুটো স্লিপেই হাতে লেখা হয়েছে প্রাপকের নাম আর ঠিকানা। একটা অ্যাড্রেস সেলেনার অটোয়া অ্যাপার্টমেন্টের, আরেকটার প্রাপক জাকউইক, সুইডেনের হের গুস্তাফ ভিকান্দার। একই সময় আর তারিখে, রেজিস্টার্ড ইন্টারন্যাশনাল ডেলিভারি সিস্টেমে মেইল করা হয়েছে পত্ৰ দুটো।

    .

    ‘এখন প্রশ্ন: কে এই গুস্তাফ ভিকান্দার?’ ফ্ল্যাট-বাড়িটা ত্যাগ করার পর, রাস্তায় পার্ক করা বিএমডাব্লিউ গাড়ির দিকে এগোতে এগোতে বলে উঠল সেলেনা।

    ‘ক্যারেনের কলমবন্ধু বলে মনে হচ্ছে না আমার,’ মন্তব্য রানার।

    ‘নতুন বয়ফ্রেণ্ড?’

    ‘এমন কেউ, যে-কোনও মূল্যে যাকে বিশ্বাস করা যায় বলে ভেবেছে তোমার বান্ধবী।’

    ‘কী মনে হয় আমাকে যা লিখেছে, ওই লোককেও একই কথা লিখেছে ও?’

    ‘একই সময়ে দু’জনকে লিখেছে—কো-ইনসিডেন্স হতে পারে না এটা। দৈবেরও মাত্রা আছে। বুড়ির বক্তব্য অনুযায়ী, একই সমান গুরুত্ব বহন করছে চিঠি দুটো। সেক্ষেত্রে সম্ভাবনা রয়েছে বিষয়বস্তুও এক হওয়ার।’

    ‘অবাক লাগছে… কখনও এই গুস্তাফের কথা বলেনি আমাকে ক্যারেন!’

    ‘আমার তো মনে হচ্ছে, আরও অনেক কিছুই বলেনি তোমাকে।’

    স্টিয়ারিঙে উঠে বসার আগে অ্যালপিনা আনলকের কমাণ্ড উচ্চারণ করল রানা।

    ‘ফোন করবে লোকটাকে?’ প্যাসেঞ্জার সিটে উঠে বসে জানতে চাইল সেলেনা। ‘নাম্বারটা ইন্টারন্যাশনাল অনলাইন ডিরেক্টরিতে থাকবে নিশ্চয়ই!’

    ‘আগে ঘুরে আসি গ্যাসপারের ওখান থেকে। তার পর দেখব হের ভিকান্দারের ব্যাপারটা।

    স্টার্ট নিতে বলতেই সগর্জনে সাড়া দিল ইঞ্জিন।

    ‘মনে হয় না, কথা-শোনা গাড়িতে কখনও অভ্যস্ত হতে পারব,’ বিড়বিড় করল সেলেনা।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65 66 67 68 69 70 71 72 73 74 75 76 77 78 79
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleমাসুদ রানা ০৭২-৭৩ – সেই উ সেন (দুই খণ্ড একত্রে)
    Next Article মাসুদ রানা ৪৬৪ – স্ট্রেঞ্জার

    Related Articles

    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৩৮৫-৩৮৬ – হ্যাকার (দুই খণ্ড একত্রে)

    July 22, 2025
    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫৬ – টপ টেরর

    July 22, 2025
    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫৪ – নরপশু

    July 22, 2025
    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫৩ – ধর্মগুরু

    July 22, 2025
    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫২ – কালো কুয়াশা

    July 22, 2025
    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫১ – মায়া মন্দির

    July 22, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }