Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    মাসুদ রানা ৪৬৭ – শকওয়েভ

    কাজী আনোয়ার হোসেন এক পাতা গল্প446 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    শকওয়েভ – ২

    দুই

    এই ঘটনার আট মাস পর।

    জুনের এক উজ্জ্বল রৌদ্রালোকিত দুপুর।

    ভারি কার্টেন টেনে দেয়ার কারণে আধো-অন্ধকারে ডুবে রয়েছে ক্যারেন ল্যানকাউমের অ্যাপার্টমেন্ট।

    বিষয়টা স্বস্তিদায়ক নয় ওর জন্য। তার উপর অস্বস্তিকর, ভ্যাপসা গরম পড়েছে গত দুই দিন ধরে।

    তবে কেউ গোপনে অনুসরণ করছে ওকে, যে-কোনও মুহূর্তে খুন করার চেষ্টা চালাবে, সেটাও কি স্বস্তিকর কিছু?

    আঁধারিতে ভরা অপরিসর হলওয়েতে সন্তর্পণে পা ফেলছে ক্যারেন। উদ্বেগে আঁকড়ে রয়েছে ভিতরটা। মনে মনে প্রার্থনা করছে, যাতে ক্যাঁচকোঁচ শব্দ না ওঠে পায়ের নিচের পাটাতনগুলোয়। তাতে ফাঁস হয়ে যাবে অ্যাপার্টমেন্টে ওর উপস্থিতির ব্যাপারটা। একটু আগে মনে হয়েছিল, কার জানি পায়ের আওয়াজ শুনেছে সদর-দরজার বাইরে। এখন আবার শুনতে পাওয়া গেল শব্দটা। না, কোনও ভুল নেই শোনায়।

    নিঃশ্বাস চেপে দরজার সামনে গিয়ে দাঁড়াল ক্যারেন। ঢিপঢিপ করছে বুক-চোখ রাখল ফিশ-আই লেন্সে। ঝাপসা কাঁচের পিপহোল ভেদ করে প্রথমেই চোখে পড়ল অ্যাপার্টমেন্ট বিল্ডিঙের আদ্যি কালের প্লাস্টার আর আপার ল্যাণ্ডিঙের বাঁকাচোরা রট আয়ার্ন রেইলিং। লেন্সের ভিতর দিয়ে বহু দূরের দৃশ্য বলে মনে হচ্ছে।

    পরক্ষণে পড়শি মাদাম গোলতিয়েইকে দেখতে পেয়ে স্বস্তির সুবাতাস বয়ে গেল মনে। একই ফ্লোরের বাসিন্দা এই বৃদ্ধা। কারও সাতে-পাঁচে থাকেন না। নির্ঝঞ্ঝাট মানুষ।

    নিজ অ্যাপার্টমেন্টের দরজায় তালা দিয়ে নিচে নামার জন্য সিঁড়ির দিকে পা বাড়ালেন অশীতিপর বিধবা। সঙ্গে শপিঙের ঝুড়ি। বাজারসদাই করতে বেরোচ্ছেন বোধ হয়।

    তড়িঘড়ি করে দরজার নিরাপত্তা-শেকল খুলে ফেলল ক্যারেন। খুলল হুড়কো দুটো। এর পর চাবি দিয়ে তালা, আর সব শেষে কবাটটা খুলে ডাক দিল বৃদ্ধাকে।

    ‘মাদাম গোলভিয়েই! মাদাম গোলতিয়েই! দাঁড়ান, প্লিজ… একটু দাঁড়ান!’

    বয়স হলেও অটুট স্বাস্থ্য বুড়ির। প্রাণশক্তিতে ভরপুর। বছরের পর বছর সিঁড়ি ভেঙে ছ’তলা অবধি ওঠানামা করছেন রোজ দু’-তিন বার করে। একটাই সমস্যা, কানে খুবই কম শোনেন তিনি—বৃক্ষের মত বধির।

    মহিলার মনোযোগ আকর্ষণ করতে আরও দু’বার তাঁর নাম ধরে ডাকতে হলো ক্যারেনকে।

    ‘বঁযুখ, ম্যাদেমোয়যেল ল্যানকাউমে,’ মিষ্টি হাসিতে সম্ভাষণ জানালেন পড়শি বুড়ি। ‘কেমন আছ তুমি?’

    ‘এই তো… আছি। বেরোচ্ছেন নাকি, মাদাম?’ কয়েক পর্দা চড়া স্বরে জানতে চাইল ক্যারেন।

    ‘হ্যাঁ… কেনাকাটা রয়েছে কিছু। কেন, তোমার কিছু লাগবে? কেমন জানি লাগছে তোমাকে, বাছা! কোনও সমস্যা হয়নি তো?’

    ক্যারেন জানে, কেমন দেখাচ্ছে ওকে। গত দুটো রাত এক সেকেণ্ডের জন্যও দু’চোখের পাতা এক করতে পারেনি ও। টেনশনের কাছে পাত্তাই পায়নি ক্লান্তি।

    ‘মাইগ্রেনের ব্যথা,’ সত্যের কানে একটু মোচড় দিল ক্যারেন। ‘খারাপ ধরনেরটা। সেজন্যেই বেরোতে পারছি না। আমার দুটো চিঠি পোস্ট করে দেবেন দয়া করে?’

    স্নেহের দৃষ্টিতে পড়শি মেয়েটার দিকে চাইলেন মাদাম গোলতিয়েই। মাথার ব্যথায় না জানি কত কষ্ট পাচ্ছে বেচারি!

    ‘এ আর এমন কী, সোনা!’ বললেন তিনি। ‘আর কিছু লাগবে না? ওষুধ-টষুধ?’

    ‘না-না, ঠিক আছে। অনেক ধন্যবাদ আপনাকে। … এক সেকেণ্ড দাঁড়ান, প্লিজ।’

    ছুটে বৈঠকখানায় ফিরল ক্যারেন।

    মুখবন্ধ খামে ভরা দু’খানা চিঠি পড়ে রয়েছে টেবিলের উপর। কেবল ডাকটিকেট লাগানো বাকি। দুটো চিঠির বিষয়বস্তু একই। তবে গন্তব্য ভিন্ন। বলতে গেলে, পৃথিবীর এমাথা আর ওমাথা।

    চিলের মত ছোঁ দিয়ে খাম দুটো তুলে নিয়েই দরজার দিকে ছুট দিল ক্যারেন।

    এটা যাবে সুইডেনে, ‘ বলল ও। ‘আর এটা… ক্যানাডায়।’

    ‘কী–সুইট্যারল্যাণ্ড? ঝোপের মত ভ্রু জোড়া কপালে তুলে কান এগিয়ে আনলেন বৃদ্ধা।

    ‘পোস্ট অফিসের কাউন্টারে দেখালে, ওরাই করবে যা করার,’ ধৈর্যহারা হলো না মেয়েটা। ‘আপনি শুধু বলবেন, ইন্টারন্যাশনাল মেইল হিসেবে রেজিস্ট্রি করতে হবে এ-দুটো, এক্সপ্রেস ডেলিভারি। …বুঝতে পেরেছেন, মাদাম?’

    ‘আরেক বার বলো তো, ডিয়ার।’

    ‘রেজিস্টার্ড ইন্টারন্যাশনাল মেইল,’ থেমে থেমে, প্রতিটা শব্দ জোর দিয়ে উচ্চারণ করল ক্যারেন। ‘খুবই… খুবই জরুরি চিঠি এগুলো। আজই পোস্ট করতে হবে।‘

    নাকের কাছে এনে দুটো চিঠিই উল্টেপাল্টে দেখলেন মহিলা। যেন চোখেও সমস্যা রয়েছে তাঁর।

    ‘সুইডেন! ক্যানাডা!’ এমনভাবে উচ্চারণ করলেন, ও- দুটোয় যেন উত্তর আর দক্ষিণ মেরুর তফাত।

    ‘হ্যাঁ, ক্যানাডা আর সুইডেন।’ প্যান্টের পকেট থেকে মুঠো ভর্তি ইউরো নিয়ে বাড়িয়ে ধরল ক্যারেন। ‘ডাকখরচ হয়েও বেঁচে যাবে কিছু। ওগুলো আর ফেরত দিতে হবে না।’

    মহিলা সিঁড়ির উদ্দেশে রওনা হতেই এক মুহূর্ত আর দাঁড়াল না ক্যারেন। ত্বরিত তৎপরতায় আবার গৃহবন্দি করল নিজেকে।

    একটা প্রার্থনাই করতে পারে এখন পড়শি যাতে ভুলে না যান, কিংবা হারিয়ে না ফেলেন চিঠি দুটো। বিশ্বাস করার মত দু’জন মাত্র সুহৃদ রয়েছে ওর দুনিয়ায়। ওদের কাছে বার্তা পৌঁছনোর জন্য পত্র- যোগাযোগ ছাড়া আর কোনও মাধ্যম নেই। ফোন বা ই-মেইলের প্রাইভেসির উপর ভরসা করার উপায় নেই এ বুগে। চিঠিগুলো যদি জায়গামত পৌঁছে, হয়তো সাহায্যের হাত বাড়াবে ওর বন্ধুরা।

    যদি না এরই মধ্যে খুব বেশি দেরি হয়ে গিয়ে থাকে!

    বুকে ক্রস এঁকে জানালার কাছে চলে গেল ক্যারেন। নার্ভাস আঙুলে ফাঁক করে ধরল পর্দার প্রান্ত। অনেকক্ষণ অন্ধকারে থাকার কারণে চোখ কোঁচকাতে বাধ্য হলো। .

    ছ’তলা নিচে অপ্রশস্ত রাস্তায় গাড়িঘোড়ার মন্থর স্রোত। ঝিমিয়ে আছে যেন শহরটা।

    কিন্তু ওসব দেখছে না মেয়েটা। ওর মনোযোগ অন্য কিছুতে।

    পেভমেন্টের পাশের পার্কিং স্পেসে আগের জায়গাতেই রয়েছে এখনও টিনটেড গ্লাস লাগানো গাড়িটা, জানালার ঠিক নিচে। গত কাল থেকেই দেখছে ওখানে দাঁড়িয়ে।

    ঢোক গিলল ক্যারেন। গলার ভিতরটা যেন শিরিশ কাগজ হয়ে আছে।

    একদম শিয়োর ও―দিন তিনেক আগে গ্যাসপারদের এস্টেট থেকে ফেরার পথে কালো যে-অডিটা ফলো করছিল ওকে, এটাই সেই গাড়ি।

    তারও আগে, এই একই গাড়ি ধাওয়া করেছিল ওকে রাস্তায়!

    ভাবলেই গায়ে কাঁটা দেয় এখনও!

    একটুর জন্য বেঁচেছে ক্যারেন গাড়িচাপা পড়ার হাত থেকে!

    তাড়াতাড়ি করে পর্দার ফাঁকটা বুজিয়ে দিল আবার। আশা করছে ক্যারেন, গাড়ির লোকগুলো লক্ষ করেনি ওকে জানালায়। ষষ্ঠ ইন্দ্রিয় বলছে, সংখ্যায় অন্তত তিনজন হবে ওরা।

    গ্যাসপারদের ওখান থেকে ফেরার সময়, যখন উপলব্ধি করল, অনুসরণ করা হচ্ছে ওকে, এই বিল্ডিঙে থাকাটা আর নিরাপদ মনে করেনি আতঙ্কিত ক্যারেন। ক’টা জিনিস গুছিয়ে নিয়ে বেরিয়েই যেত, কিন্তু আত্মগোপনে যাওয়ার আগেই মূর্তিমান বিভীষিকার মত আবির্ভাব ঘটল আবার সেই কালো গাড়িটার।

    কোণঠাসা হয়ে পড়েছে ক্যারেন! অবরুদ্ধ হয়ে পড়েছে নিজের অ্যাপার্টমেন্টে।

    এদের ব্যাপারেই কি তবে সাবধান করতে চেয়েছে ওকে গুস্তাফ? এদের ভয়েই কি সরে গেছে মানুষটা ওর কাছ থেকে?

    তা-ই যদি হয়, তবে তো রিসার্চের প্রতিটা খুঁটিনাটিই জেনে গেছে ওরা! এ-ও নিশ্চয়ই অজানা নয়, কী কী জেনেছে ও ওদের ভয়ঙ্কর পরিকল্পনা সম্বন্ধে। সর্বনাশ!

    একবার যদি কায়দামত পায়, বাঁচতে দেবে না প্রাণে! যে-সত্য ও আবিষ্কার করেছে, তার পর তো নয়ই!

    কত দিন পর্যন্ত সইতে হবে ওকে এ বন্দিদশা?

    রয়েসয়ে খরচ করলে, দুটো হপ্তা চালানোর মত পর্যাপ্ত টিনের খাবার মজুত রয়েছে ঘরে। ব্র্যাণ্ডির জোগানও রয়েছে যথেষ্ট। কিন্তু তার পর? হতচ্ছাড়াগুলো যদি জায়গা ছেড়ে না নড়ে?

    পরবর্তী আধঘণ্টা কামরার এমাথা-ওমাথা পায়চারি করে কাটাল ক্যারেন। দেয়ালঘড়ির কাঁটা আর নিজের হৃৎপিণ্ড একই ছন্দে চলছে বলে মনে হচ্ছে ওর। প্রতিবেশী চিঠিগুলোর গতি করতে পারলেন কি না, তাই ভেবে অস্থির হয়ে রয়েছে মনটা।

    শেষমেশ আর উত্তেজনা সইতে না পেরে চলে এল ছোট্ট কিচেনটায়। গলা ভেজানো দরকার।

    ব্র্যাণ্ডির বোতলটা তুলে নিল ক্যারেন টামলার থেকে। ঢেলে নিল আধ গেলাস তরল। দু’-তিন ঢোকে ওটুকু গিলে নিয়ে আবার নিল একই পরিমাণ।

    বেশিক্ষণ লাগল না ব্র্যাণ্ডির প্রভাব পড়তে। খালি পেটে অ্যালকোহল পড়ায় ঘুরছে মাথাটা। গলায় কেমন যেন বমি বমি ভাব।

    ড্রইং রুমে ফিরে গিয়ে ধপ্ করে বসল কাউচে, তার পর গা এলিয়ে দিল ও। পাঁচ মিনিটও লাগল না, ঢলে পড়ল ও ঘুমপাড়ানি মাসির কোলে।

    .

    ধড়মড় করে উঠে যখন চোখ মেলল, ততক্ষণে ঘুটঘুটে আঁধার হয়ে গেছে কামরাটা।

    কতক্ষণ ঘুমিয়েছে, কে জানে!

    কিন্তু স্বাভাবিকভাবে তো ভাঙেনি ঘুমটা! কিছু একটা জাগিয়ে দিয়েছে ওকে। কোনও ধরনের আওয়াজ-টাওয়াজ?

    পাগলা নাচন শুরু হলো বুকের মধ্যে। ঢোক গেলার ভঙ্গিতে কণ্ঠার হাড়টা উঠল, নামল; কিন্তু ভিজল না গলা। শুকিয়ে কাঠ হয়ে রয়েছে ভিতরটা।

    কীসের শব্দ, বুঝে গেল একটু পরেই পর্দার মাঝের চিলতে ফাঁকে তীব্র উজ্জ্বল আলোর ঝলকানি দেখে।

    স্বস্তির শ্বাস ফেলল ক্যারেন। বাইরে ঝড় হচ্ছে। দামাল হাওয়ায় বৃষ্টির ছাঁট এসে লাগছে জানালায়। গুমোট গরমটা নেই আর এখন।

    উঠে পড়ল ও কাউচ থেকে। হাত বাড়াল টেবিল- ল্যাম্পটার সুইচের দিকে।

    মিটমিটিয়ে জ্বলে উঠল বাতি।

    সেরেছে!

    যত বারই ঝড়বৃষ্টি হয়, এমনিভাবে মিটমিট করে জ্বলে পুড়ে যাওয়ার হুমকি দেয় প্রাচীন ইলেকট্রিসিটি লাইন।

    দশটা পঁয়তিরিশ দেখাচ্ছে ম্যান্টলপিসের উপর রাখা ঘড়িটা। চিঠিগুলো পোস্ট করতে পারলেন কি না, আজ আর জিজ্ঞেস করা হলো না মাদাম গোলতিয়েইকে। দশটার মধ্যেই শুয়ে পড়েন মহিলা বরাবর। জানতে হলে, অপেক্ষা করতে হবে সকাল পর্যন্ত। সেটাও সাতটার আগে নয়।

    বিড়ালের মত নিঃশব্দ পায়ে জানালার দিকে চলল ক্যারেন। পর্দার ফাঁক দিয়ে উঁকি দিয়ে নিচে কোথাও দেখতে পেল না গাড়িটাকে।

    স্বস্তিতে ভরে উঠল ওর বুকের ভিতরটা। মনে হলো, যাবজ্জীবন দণ্ড ভোগ করে এই মাত্র বেরিয়ে এসেছে কারাগার থেকে।

    চলে গেছে ওটা!

    হ্যাঁ, চলে গেছে। যেখানটায় দাঁড়িয়ে ছিল, স্ট্রিটলাইটের আলোয় জায়গাটা এখন চকচক করছে বৃষ্টির পানিতে। ছোট ছোট পুকুর হয়ে রয়েছে রাস্তার বুকে খানাখন্দগুলো।

    চোখ মিটমিট করল ক্যারেন। কিছুটা বিভ্রান্তি বোধ করছে এ মুহূর্তে।

    গোটা ব্যাপারটা ওর কল্পনার ফসল নয় তো? আসলেই কি কেউ অনুসরণ করছিল ওকে?

    তিন দিন আগের সম্ভাব্য দুর্ঘটনাটা কি তবে দৈব সংযোগ? অন্ধের মত গাড়ি চালাচ্ছিল বেপরোয়া কোনও মাতাল চালক? হয়তো হ্যাঁ। হয়তো বা না।

    স্বস্তিটাকে ছাপিয়ে উঠল বিব্রতকর একটা অনুভূতি। না দেখেও বুঝতে পারল, লাল হয়ে উঠেছে কান দুটো। ব্যাপারটা যদি নিছকই মনের খেয়াল হয়ে থাকে, তবে কি উচিত হলো চিঠিগুলো পাঠানো? … ধুর, বোকামিই হয়ে গেল বোধ হয়!

    চিঠি দুটো যেন পোস্ট করতে ব্যর্থ হন ভদ্রমহিলা, এটাই এখন একমাত্র চাওয়া।

    জানালার পর্দা সরিয়ে দিল ক্যারেন।

    ঝড়ের বিরাম নেই। একটু পর পর আকাশের বুকে চাবুক চালাচ্ছে বিদ্যুৎশিখা। আর তার মুহূর্ত কয়েক বাদেই অ্যাপার্টমেন্ট বিল্ডিংটাকে কাঁপিয়ে দিচ্ছে বজ্রের হুঙ্কার।

    বেশ বুঝতে পারছে ক্যারেন, আজ আর ঘুম আসবে না। ইতস্তত হাঁটতে আরম্ভ করল ছোট্ট বেডরুমে। দুশ্চিন্তা বিদায় নিয়েছে। তা-ও কেন আসতে চাইছে না স্বস্তিবোধ?

    এক পর্যায়ে সাইড-লাইটটা জ্বেলে দিয়ে, বাক্স খুলে হাতে তুলে নিল শখের ভায়োলিনটা।

    একই ফ্লোরের প্রতিবেশী কানে খাটো হওয়ার সুবিধা এ-ই—মন চাইলেই বাজাতে পারে বাজনা। বাজ পড়ার বিকট আওয়াজও বোধ করি জ্বালাতন করতে পারে না একাকী বৃদ্ধাকে। ব্যাপারটার অবশ্য সুবিধা-অসুবিধা—দুই-ই রয়েছে।

    ভাগ্যিস, বিক্ষিপ্ত মনটাকে আরেক দিকে ব্যস্ত রাখার উপকরণ রয়েছে ওর হাতে! দীর্ঘ রাতটা পার করা মুশকিল হয়ে যেত নইলে!

    চারটে তার সুরে বেঁধে নিয়ে থুতনির নিচে বাদ্যযন্ত্রটা জুত করে ধরল ক্যারেন। বেহালার ছড় স্পর্শ করল বেহালার তার। তার আর ছড়ের জাদুতে বাজতে শুরু করল জোহান সেবাস্টিয়ান বাখ-এর সোনাটা। কয়েক হপ্তা ধরেই আয়ত্তে আনার চেষ্টা করছে ও সুরটা।

    জানালার ওপাশে আরও একবার ঝলসে উঠল আলো। আর ঠিক সেই মুহূর্তেই দপ করে নিভে গেল বাতি। আঁধারে ডুবে গেল গোটা অ্যাপার্টমেন্ট।

    বজ্রের গুড়গুড়র মাঝে ভাগ্যকে অভিসম্পাত দিল ক্যারেন। বাজনা বন্ধ করল না অবশ্য। রাস্তার ওপাশের হোটেলের নিয়ন সাইনের নীল আলো দেখেই বাজাতে পারছে বেশ। আলো-আঁধারিতে মূর্ত হতে থাকল বেহালার মূর্ছনা।

    কিন্তু থেমে যেতে হলো একটা পর্যায়ে।

    না, আলোর অভাবে নয়।

    কুঁচকে গেছে ক্যারেনের ভ্রু জোড়া।

    শব্দ হলো না একটা?

    বজ্রগর্জন নয়। অন্য কিছু!

    আওয়াজটা এসেছে সম্ভবত ছাত থেকে। কিন্তু আর তো কোনও ফ্লোর নেই উপরে!

    বাতাসে পড়ে-টড়ে গেছে বোধ হয় কিছু। নয় তো কোনও কিছুর ভাঙা টুকরো পড়েছে ছাতে।

    নাকি বিড়াল-টিড়াল?

    নাহ! এমন ঝড়-দুর্যোগের রাতে বিড়াল বেরোবে না।

    আবারও বাজতে লাগল বাখ সোনাটা।

    যদিও ক’টা নোটের বেশি তুলতে পারল না এবার। তার আগেই তারের গায়ে বেসুরোভাবে গুঙিয়ে উঠল ছড়টা।

    আরেকটা আওয়াজ কানে এসেছে এবার!

    সন্দেহ নেই, কেউ হাজির হয়েছে ওর অ্যাপার্টমেন্টে! পদশব্দ লুকানোর কোনও চেষ্টাই করছে না অনুপ্রবেশকারী।

    শীতল পরিবেশেও ঠাণ্ডা ঘাম ফুটল ক্যারেনের কপালে। হঠাৎই কাঁপুনি শুরু হয়েছে হাঁটু দুটোয়। জোর পাচ্ছে না পায়ে। যেন নরম রবারে তৈরি পা জোড়া।

    কোনও অস্ত্র দরকার নিজেকে রক্ষার জন্য। কিচেন- টেবিলে রাখা চাকুর সেটটার কথা মনে হতেই বেহালা আর ছড়টা বিছানার উপর ছুঁড়ে ফেলেই ছুট দিল ক্যারেন দরজার দিকে। নিজেকে মনে হচ্ছে সাসপেন্স মুভির কোনও চরিত্র।

    দু’কদমও এগোয়নি, থমকে দাঁড়াতে বাধ্য হলো মেয়েটা। কার্পেটবিহীন কাঠের মেঝেতে পিছলে যাওয়ার উপক্রম হলো পা দুটো। ধড়াস করে এক লাফ মেরেছে হৃদযন্ত্রটা।

    চোখ ধাঁধানো আরেকটা বিজলিঝলক কামরাটা আলোকিত করে তুলতেই দেখতে পেয়েছে ও দরজা জুড়ে দাঁড়িয়ে থাকা অবয়বটা—কিচেনে যাওয়ার পথ রুদ্ধ!

    অবর্ণনীয় আতঙ্কে পেছোতে শুরু করল ক্যারেন। দলা পাকানো কান্নার মত অনুভূতি গলার কাছে।

    অনুপ্রবেশকারী পায়ে পায়ে ঢুকে পড়ল ওর শোয়ার ঘরে। বিজলির আলো আর হোটেল-সাইনের নীল আভায় আগন্তুকের ভীতি জাগানো দেহাবয়ব দেখতে পাচ্ছে তরুণী।

    লম্বায় ইলেকট্রিকের খাম্বা যেন লোকটা। কাঁধ বুনো মোষের মত। পরনের সব কিছুই কালো তার। সোনালি চুলগুলো খাটো করে ছাঁটা। নিষ্ঠুর, চোখা চেহারাটা হোমোসেক্সুয়ালদের মত। পাতলা, লালচে ঠোঁট। সরু হয়ে এসেছে সবুজরঙা চোখ দুটো। কোমরে ইউটিলিটি বেল্ট। যেমনটা পরে থাকে ছুতোর মিস্তিরি ও নির্মাণশ্রমিকেরা।

    যুক্তিহীন একটা সম্ভাবনার উদয় হলো ভীতবিহ্বল মেয়েটার মনে—বাথরুম মেরামতের কাজে এসেছে কোনও ওঅকম্যান?

    বেল্টের খোপ থেকে ক্ল-হ্যামারটা হাতে উঠে আসতেই দূর হয়ে গেল সম্ভাবনাটা। সাক্ষাৎ যমের মত এগিয়ে আসছে মূর্তিমান আতঙ্ক।

    খাবলা দিয়ে খাটের উপর থেকে ভায়োলিনের সরু অংশটা মুঠো করে ধরল ক্যারেন। ধাঁই করে সামনের দিকে চালাল বেহালার চওড়া দিকটা।

    এতটাই জোরে মেরেছে যে, প্রকাণ্ডদেহীর কপালে লেগে দু’টুকরো হলো বাদ্যযন্ত্রটা। কাঠের টুকরোর আঁচড়ে ত্বক চিরে বেরিয়ে এল রক্ত-নীল আলোয় কালো দেখাচ্ছে।

    অতর্কিত এই আক্রমণেও এক বিন্দু টলেনি যেন সোনালিচুলো আগন্তুক। পাল্টা হাতুড়ি চালিয়ে ভাঙা বেহালা খসিয়ে দিল ক্যারেনের হাত থেকে।

    মৃত্যুভয়ে কুঁকড়ে গেল মেয়েটা।

    ‘দয়া করে…’ বলে মিনতি করতে যাচ্ছিল, শেষ হলো না কথা।

    সাঁই করে বাতাস কাটল আবার হ্যামারটা।

    দৃষ্টি বিস্ফারিত হলো তরুণীর। অন্ধ করে দেয়া যন্ত্রণার উজ্জ্বল বিস্ফোরণ ঘটল মগজে। চিত হয়ে পড়ল সে বিছানায়।

    দশাসই লোকটা ঝুঁকে এল ক্যারেনের উপর, পেশল মুঠোয় ধরা মারাত্মক হাতুড়ি। রক্তাক্ত ক’টা লম্বা চুল আলগোছে লেগে রয়েছে ইস্পাতের গায়ে।

    কোনও তাড়া নেই লোকটার। ধীরেসুস্থে বিছানার চাদরে মুছে পরিষ্কার করল হাতিয়ারটা। ফেরত গেল ওটা বেল্টের নির্দিষ্ট জায়গায়।

    এবার বেলনাকৃতি একটা টিউব বেরোল লম্বা এক থলে থেকে। স্বচ্ছ প্লাসটিকের নজল আর প্লাঞ্জারের মত কী যেন যুক্ত রয়েছে টিউবে।

    আরও ঝুঁকে এল লোকটা।

    পুরোপুরি চেতনা হারায়নি ক্যারেন, ব্যথার কুয়াশার মাঝে হাসতে দেখল লোকটাকে। হোটেলের নিয়ন আলোয় পিশাচের মত দেখাচ্ছে ওকে।

    ‘সময় এসেছে সুন্দর মুখটা জন্মের তরে বুজে দেয়ার,’ বিড়বিড় করে উঠল ইংরেজিতে।

    হাতুড়ির আঘাতে বধির ক্যারেন শুনতে পেল না সেটা। মৃত্যুদূতের হাতে ওটা কী, হৃদয়ঙ্গম করতে পেরে প্রাণভয়ে ফোঁপানি বেরোল অসাড় ঠোঁটের ফাঁক দিয়ে। বিছানায় কেঁচোর মত শরীর কুঁকড়ে সরে যাওয়ার চেষ্টা করল ও মরিয়ার মত।

    খপ্ করে ওর চুল চেপে ধরল অনাহূত আগন্তুক এক হাতে, থেঁতলানো মাথাটা ঠেসে ধরল বিছানায়। হাতে-মুখে ক্যারেনের দুর্বল আক্রমণগুলো কেয়ারই করছে না।

    নজলটা ভরে দেয়া হলো চিৎকাররত মুখটায়।

    শক্ত প্লাসটিকে দাঁত বসাল ক্যারেন গুঙিয়ে উঠে, মুখের ভিতর থেকে প্রাণপণে বের করে দেয়ার চেষ্টা করছে টিউবটা। নির্দয়ভাবে ওটা গলা পর্যন্ত ঠেলে দেয়ায় রোধ হয়ে এল কণ্ঠনালি।

    প্লাঞ্জারে চাপ দিল আগন্তুক।

    নরম, উষ্ণ, কটু স্বাদের কিছুতে ভরে উঠল ক্যারেনের মুখগহ্বর।

    চেষ্টা করল কাশি দিয়ে উগরে দেয়ার, হাঁসফাঁস করে উঠল বাতাসের অভাবে। তরল জিনিসটা পরিমাণে বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে প্রচণ্ড চাপে ফেটে যাওয়ার জোগাড় হলো ওর ফুসফুস।

    শ্বাস নিতে পারছে না ক্যারেন, চিৎকার তো দূরের কথা! নাড়ানোর জো নেই চোয়াল।

    এতক্ষণে সাঙ্গ হলো বাঁচার জন্য নিষ্ফল জোরাজুরি। অনুভব করল, ঘন ফেনা গড়াচ্ছে দু’ঠোঁটের কশ বেয়ে।

    খালি হয়ে যাওয়া ক্যানিস্টারটা বিছানায় ফেলে দিল নকল রিপেয়ারম্যান। খিঁচুনি ওঠা নারীদেহটা টেনে নামাল খাট থেকে।

    ইতোমধ্যে অক্সিজেনের জন্য হাহাকার শুরু হয়েছে ক্যারেনের গোটা দেহে। বাতাসের জন্য বার কয়েক প্ৰবল ঝাঁকুনি খাওয়ার পর শিথিল হয়ে এল ওর শরীর।

    সিধে হলো জল্লাদ।

    দৃষ্টি ঘোলা হয়ে আসছে মেয়েটার। আঁধারে ছেয়ে যাচ্ছে ওর দুনিয়াটা। আরও কয়েকটা সেকেণ্ড চেয়ে থাকতে পারল নীল আলোয় আলোকিত আবছা আকৃতিটার দিকে।

    মাথাটা সামান্য কাত করে নিস্পৃহ দৃষ্টিতে দেখছে ওকে খুনি।

    চার সেকেণ্ড পর জীবনের তরে সমস্ত দৃশ্য মুছে গেল ক্যারেনের চোখ থেকে। খোলা অবস্থাতেই নিথর হয়ে গেল চোখের পাতা।

    আরও কিছুক্ষণ অপেক্ষা করার পর, মেয়েটার পালস দেখল আততায়ী। প্রাণবায়ু বেরিয়ে গেছে, নিশ্চিত হয়ে কামরা ত্যাগ করল সন্তুষ্ট চিত্তে।

    ফ্ল্যাটের দরজা আধভেজানো রেখে নিঃশব্দ পায়ে এগিয়ে গেল সে সিঁড়ির দিকে।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65 66 67 68 69 70 71 72 73 74 75 76 77 78 79
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleমাসুদ রানা ০৭২-৭৩ – সেই উ সেন (দুই খণ্ড একত্রে)
    Next Article মাসুদ রানা ৪৬৪ – স্ট্রেঞ্জার

    Related Articles

    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৩৮৫-৩৮৬ – হ্যাকার (দুই খণ্ড একত্রে)

    July 22, 2025
    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫৬ – টপ টেরর

    July 22, 2025
    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫৪ – নরপশু

    July 22, 2025
    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫৩ – ধর্মগুরু

    July 22, 2025
    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫২ – কালো কুয়াশা

    July 22, 2025
    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫১ – মায়া মন্দির

    July 22, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }