Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    মাসুদ রানা ৪৬৭ – শকওয়েভ

    কাজী আনোয়ার হোসেন এক পাতা গল্প446 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    শকওয়েভ – ২৩

    তেইশ

    আধ কিলোমিটারমত সরে এসেছে ওরা দুর্গবাড়িটা থেকে। ছোট একটা শহর পড়েছিল এখানে আসার পথে, অন্ধকার মেঠো পথ ধরে ত্বরিত পা চালাচ্ছে শহরটার উদ্দেশে।

    দূরাগত সাইরেনের বিলাপ কর্ণগোচর হলো এমন সময়। চোখে পড়ল লাল-নীল ঝলকানি।

    ‘এদিকে এসো!’

    রাস্তা ছেড়ে বাঁ দিকের নিবিড় জঙ্গলে আত্মগোপন করল ওরা। সুতীব্র চিৎকার ছেড়ে যতক্ষণ না চোখ রাঙাতে রাঙাতে জায়গাটা পেরিয়ে গেল গাড়িগুলো, তার আগপর্যন্ত গাছপালার আড়ালেই থেকে গেল ওরা।

    আবার নীরবতার চাদরে ঢাকা পড়ল সব কিছু।

    পকেটে হাত ঢোকাল রানা।

    ‘কাকে ফোন করছ?’ সেলেনার জিজ্ঞাসা।

    ‘কাউকেই না। এখন আর ব্যবহার করা যাবে না এটা।’ মাটিতে ফেলে দিল ও ফোনটা। এক খণ্ড পাথর কুড়িয়ে নিয়ে বাড়ি মেরে টুকরো করল যন্ত্রটা, তার পর ধুলোয় ছড়িয়ে দিল সেগুলো পা দিয়ে।

    ‘আমার পরিচয় সম্ভবত জেনে গেছে ওরা,’ ব্যাখ্যা করল রানা। ‘অতএব, ট্র্যাকিঙের সম্ভাবনা যত কমানো যায় আর কী।’

    ‘যাক, সান্ত্বনা পেলাম।’

    অন্ধকারেও মেয়েটার সাদা দাঁতগুলো দেখতে পেল রানা। ট্রেন ধরতে হবে আমাদের।’ গম্ভীর হলো ও। ‘পা চালাও।’

    .

    একজনও জনমনিষ্যি নেই ছোট্ট রেলওয়ে স্টেশনটাতে।

    সেলেনা যখন নিজেদের জন্য কফি আনতে গেল মেশিন থেকে, এই ফাঁকে টাইমটেবল চেক করল রানা। পঁয়তাল্লিশ মিনিটের মধ্যে আসছে রাতের শেষ প্যারিসগামী ট্রেনটা।

    টিকেট কিনল ও অটোমেটিক ডিসপেন্সার থেকে। একটা পে-ফোনে ঢুকে ভাংতি পয়সা দিয়ে ডায়াল করল টম হার্ডির মোবাইল নাম্বারে।

    ‘আমি,’ বলল রানা ঘুমজড়িত হ্যালো-র জবাবে। ‘বেশিক্ষণ কথা বলতে পারছি না। বাট দ্য বটম লাইন ইজ: ঠিক আছি আমি… ঠিক আছে সব কিছু।’

    এত বছরের পরিচয়ে জানা আছে হার্ডির: রানার ঠিক আছে-র মানে হতে পারে অনেক কিছু।

    ‘ঠিক থাকলেই ভালো,’ বলল ও ঘুমজড়ানো কণ্ঠে।

    ‘আর শোনো… অ্যালপিনার ব্যাপারে খোঁজখবর নিতে শিগগিরই তোমার ওখানে চাঁদবদন দেখাতে যাচ্ছে পুলিস। তার আগেই গাড়িটা খোয়া গেছে বলে রিপোর্ট করতে হবে। জলদি জলদি করে ফেলো তো কাজটা…

    এক্ষুণি। বলবে—সম্ভবত মিসিং ওটা দিন কয়েক আগে থেকে; কিন্তু এই মাত্র টের পেয়েছ তুমি। বুঝতে পেরেছ, কী বলেছি?’

    ‘কার পোঁদে আঙুল দিয়েছ, রানা?’ অ্যালপিনা মিসিং শুনে ঘুম-টুম হাওয়া হার্ডির।

    ‘সে যাক… যোগাযোগ রাখব আমি। যা বললাম, মনে রেখো কিন্তু! কিচ্ছু জানি না আমি অ্যালপিনার ব্যাপারে।’ বন্ধু বেচারা আর কিছু জিজ্ঞেস করতে পারার আগেই কানেকশন কেটে দিল রানা।

    লঘু পায়ে মিলিত হলো ও সেলেনার সঙ্গে। স্টেশন প্ল্যাটফর্মের একটা প্লাসটিকের বেঞ্চে ওর জন্য অপেক্ষা করছিল মেয়েটা। রানার দিকে একটা পেপার কাপ এগিয়ে দিয়ে বলল, ‘গুয়ের পানির মত লাগছে স্বাদটা।

    বিস্বাদ কফিতে চুমুক দিতে লাগল ওরা।

    ‘ভবঘুরের মত দেখাচ্ছে আমাদের।’ ট্র্যাকের ওধারের এক জানালায় নিজেদের অবিন্যস্ত প্রতিবিম্বের দিকে তাকিয়ে রয়েছে সেলেনা।

    ‘সেকা হাঁসের গন্ধ আসছে তোমার গা থেকে।’ প্রচ্ছন্ন হাসল রানা।

    ‘ধন্যবাদ প্রশংসার জন্যে।’ ভেংচি কাটার ভঙ্গি করল মেয়েটা। ‘তোমার অবস্থাও আমার চেয়ে বেশি ভালো নয়, এক শ’ ভাগ গ্যারান্টি দিতে পারি।’

    ট্রেন এল। প্রায় ফাঁকা এক ক্যারিজে উঠে আসন নিল ওরা পিছনদিকে।

    গোবেচারা গোছের কয়েকজন মাতাল ছাড়া সহযাত্রী বলতে নেই আর কেউ। ঘরঘর আওয়াজে ট্রেনটা আবার চলতে শুরু করলে টলোমলো পায়ে আইলে এসে দাঁড়াল ওদের একজন, মুখে না ধরানো সিগারেট। আগুন চাইল রানার কাছে।

    অপারগতা জানাতে হলো ওকে। শ্যাতোর লঙ্কাকাণ্ডে খুইয়েছে লাইটারটা।

    কুকুরের মত বাতাস শুঁকছে মাতাল। সেকা হাঁসের গন্ধ পাচ্ছে বোধ হয়। সন্দিগ্ধ কৌতূহলে পা থেকে মাথা পর্যন্ত দেখে নিল হদ্দ নোংরা বেশবাসঅলা রানা-সেলেনাকে।

    ‘এই অবস্থা কেন তোমাদের?’ জানতে চাইল।

    ‘ভূমিকম্প,’ সংক্ষেপে জবাব দিল রানা।

    দোস্তদের কাছে ফিরে গেল মদ্যপ পা টেনে টেনে। লোকগুলোর চাউনি দেখে মনে হচ্ছে, অষ্টম আশ্চর্য দেখতে পাচ্ছে বুঝি চর্মচক্ষে।

    ‘কী, রানা?’ শুকনো হাসল সেলেনা। ‘এখনও বিশ্বাস হয়নি তোমার?’

    ‘ব্যাখ্যাও করতে পারছি না, অস্বীকারও নয়, ‘ ডিপ্লোম্যাটিক উত্তর রানার। ‘বাদ দাও ওসব। আগের বার থেমেছিলে যেখানে, শুরু করো ওখান থেকে।’

    ‘উইদ প্লেজার, স্যর।’ কুর্নিশের ভঙ্গিতে মাথা ঝোঁকাল মেয়েটা। মনে মনে গুছিয়ে নিল বক্তব্য। ‘টাইম মেশিনে করে আঠারো শ’ আটানব্বই সালের নিউ ইয়র্ক শহরে যাওয়া যাক, চলো। টেসলা তখন হিউস্টন স্ট্রিটের বেইসমেন্ট ল্যাবোরেটরিতে বসে -‘

    ‘সার্বিয়ান না লোকটা?’ বাধা দিল রানা।

    ‘ছিলেন। স্টেটসে পাড়ি জমান আঠারো শ’ চুরাশি সালে, টমাস আলভা এডিসনের সঙ্গে কাজ করার জন্যে।’ সাল- তারিখ ভালোই মনে থাকে সেলেনার। ‘পরে নাগরিকত্ব পান আমেরিকার :

    ‘এবার একটা ঘটনা বলি, শোনো। নিউ ইয়র্কেই ঘটেছিল ঘটনাটা… এক শ’ বছরেরও বেশি আগে। আজ যে- ডিভাইসটা জীবন বাঁচাল আমাদের, ওটারই আদি রূপের প্রোটোটাইপ ডিজাইন এবং নির্মাণের পর স্বভাবতই ট্রায়াল দিয়ে দেখতে চাইলেন টেসলা। কিন্তু কাহিনী কী, জানো… যে-বাড়ির বেইসমেন্টে ল্যাব, ওটারই রেজোনেন্ট ফ্রিকিউয়েন্সিতে টিউন করলেন তিনি যন্ত্রটা। খেপাটে বিজ্ঞানী বলে কথা!

    ‘কথিত রয়েছে—মেশিন যখন চালু করা হলো, প্রথমে একটা গুঞ্জন শুনতে পেলেন টেসলা ও তাঁর সহকারীরা। কড়াক করে একটা আওয়াজ হলো এর পর। আরও একবার আওয়াজটা হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে কাঁপতে আরম্ভ করল গোটা বিল্ডিং। শুধু তা-ই নয়, একই ফ্রিকিউয়েন্সির যত দালানপাট ছিল আশপাশে, রেহাই পেল না কোনটাই।

    ‘বুঝতেই পারছ, কী ঘটতে পারে এর পর! তুমুল হাঙ্গামা বেধে গেল এলাকায়। সবাইকে সচকিত করে ফায়ার ডিপার্টমেন্ট আর পুলিস বাহিনী এসে হাজির অকুস্থলে। শেষ পর্যন্ত কী ঘটত, কে জানে! মেশিনের কার্যক্ষমতা দেখে স্বয়ং টেসলাই দিশেহারা হয়ে পড়েন। স্বাভাবিক বোধবুদ্ধি হারিয়ে হাতুড়ির বাড়ি দিয়ে বন্ধ করেন ওটাকে। সবাই ধরে নিল, বড় মাত্রার কোনও ভূমিকম্প হতে যাচ্ছিল নিউ ইয়র্কে।’

    মাথা দোলাল রানা।

    ‘কিন্তু ওই ফলাফলেই সন্তুষ্ট রইলেন না টেসলা,’ বলে চলেছে মেয়েটা। ‘অ্যালার্ম ক্লকের সমান দ্বিতীয় আরেকটা অসিলেটর তৈরি করলেন তিনি। ওয়াল স্ট্রিটের এক কনস্ট্রাকশন সাইটে চলে গেলেন ডিভাইসটা নিয়ে। দশতলা এক দালানের সাপোর্ট বিমে আটকে দিলেন যন্ত্রটা।

    ‘কয়েক মিনিটের মধ্যেই—পরে বলেছেন নিজের রিসার্চের ব্যাপারে—ককাতে আর কাঁপতে শুরু করল গোটা স্ট্রাকচার। জান বাঁচাতে আতঙ্কিত ওঅর্কাররা নিচে নেমে এল। ভেবেছিল, ধসে পড়তে চলেছে বিল্ডিংটা।

    ‘এই বিশৃঙ্খল পরিস্থিতির মাঝে মেশিনটা পকেটে পুরে সটকে পড়লেন টেসলা। যা জানার, জানা হয়ে গেছে তাঁর। ওঁর কথা থেকেই কোট করছি আমি: ‘ধুলোয় লুটিয়ে দিতে পারি আমি আস্ত এক বিশাল অট্টালিকা।’ … খানিকটা বিশ্বাসযোগ্য শোনাচ্ছে এখন?’

    তার পরও হজম করতে কষ্ট হচ্ছে রানার। ‘ওরকম এক যন্ত্রই বানিয়েছে তোমার বান্ধবী! ‘

    মাথা ঝাঁকাল সেলেনা। ‘ওরটা আপডেটেড, এই যা। মূল কনসেপ্ট কিন্তু খুবই সিম্পল। মাত্র পাঁচ পাউণ্ডের এয়ার প্রেশার দেয়া হতো অরিজিনাল অসিলেটরের নিউম্যাটিক পিস্টনে।

    ‘হিউস্টন স্ট্রিটের এক্সপেরিমেন্ট নিয়ে শুরুতে নিউ ইয়র্ক অথোরিটির কাছে লুকোছাপা করেন টেসলা। পরে দাবি করলেন, ওই পাঁচ পাউণ্ড প্রেশারই ধসিয়ে দেয়ার ক্ষমতা রাখে এমপায়ার স্টেট বিল্ডিং, ইস্ট রিভারে ডুবিয়ে দিতে পারে ব্রুকলিন ব্রিজ।

    ‘তাত্ত্বিকভাবে, স্ট্রাকচার যত বড় হবে, ততই সুবিধে সেটাকে ধ্বংস করা। কারণ, ভর বাড়লে কমে যায় রেজোনেন্ট ফ্রিকিউয়েন্সি।

    ‘ক্ষমতার কোনও সীমা-পরিসীমা নেই যন্ত্রটার। কী বলেছিলাম, মনে আছে, রানা? টেসলা বিশ্বাস করতেন, পৃথিবী দু’খণ্ড করে ফেলার ক্ষমতা ধরে ওঁর অসিলেটর। যথেষ্ট বড় মেশিন হলে সত্যিই অসম্ভব নয় সেটা।’

    ‘বড় মানে কত বড়?’ পাগল পাগল লাগছে রানার নিজেকে।

    ‘যতটা ভাবছ, ততটা নয়। টেসলা নাকি দাবি করেছিলেন, দু’শ’ পাউণ্ড আর উচ্চতায় ফুট তিনেক হলেই পৃথিবীর মাঝ দিয়ে যে-কোনও দূরত্বে চালিকাশক্তি ট্রান্সমিট করতে পারবে মেশিনটা। এসব আমি শুনেছি ক্যারেনের মুখে। ভুল বলেনি বোধ হয়।

    ‘এ তো ভয়াবহ কাহিনী!’ পেটের মধ্যে ফড়িং উড়ছে রানার।

    ‘তবে আষাঢ়ে গল্প যে নয়, নিশ্চয়ই স্বীকার করবে এবার! নিজের চোখেই তো দেখলে ওটার ক্ষমতার দৌড়।’

    অসহায় ভঙ্গিতে শ্রাগ করল রানা। ‘ঠিক আছে। বিশ্বাস করলাম তোমার কথা। তবে একটা প্রশ্ন আছে। কেন ব্যাপকভাবে পরিচিত নয় এরকম একটা জিনিস? উপযোগিতার দিক থেকে বিবেচনা করলে, এর গুরুত্ব তো কম হওয়ার কথা নয়!’

    ‘কারণ রয়েছে, রানা। অকল্যাণের আশঙ্কায় আরও অনেক ‘গুরুত্বপূর্ণ’ আবিষ্কারের মতই বিধিনিষেধের বেড়াজালে বন্দি হয় টেসলার এই উদ্ভাবন, জগৎবাসীর কাছে হয়ে ওঠে অস্পৃশ্য। নিষিদ্ধ এসব আবিষ্কারের মধ্যে রয়েছে অনন্ত জীবনের সম্ভাব্যতা কিংবা মৌলিক পদার্থকে সোনায় পরিণত করার গুমর। সেজন্যেই খুব কম লোকে জানে মহান এই বিজ্ঞানীর অবদান সম্পর্কে। মূল ধারার অ্যাকাডেমিক রিসার্চ সার্কেলে, স্রেফ উল্লেখ করো লোকটার নাম, গবেট হিসেবে বিবেচিত হবে তুমি।’ রহস্যময় হাসি সেলেনার ঠোঁটে। ‘নিজের সায়েন্স ক্যারিয়ারের বড় একটা অংশ কাটিয়ে দিয়েছি আমি ‘অস্পৃশ্য’ এই সমস্ত জিনিস ঘাঁটাঘাঁটি করে। আমার মতন অল্প যে ক’জন নাড়াচাড়া করে এগুলো নিয়ে, নিজেদের স্বার্থেই গোপনীয়তা বজায় রাখতে চায়। ঠিক যেভাবে উনিশ শ’ চল্লিশ সালের রসওয়েল-কাণ্ডকে ইউএফও এবং এলিয়েন সম্পর্কিত রটনা বলে চালিয়ে দিয়েছে আমেরিকান সরকার… গোপন এয়ারক্রাফট টেকনোলজি নিয়ে গবেষণা চালাচ্ছে, এই সত্যকে গোপন রাখা খুবই দরকার ছিল সেসময়ে।’

    ‘বলছ, মার্কিন সরকারের যোগসাজশ রয়েছে টেসলার আবিষ্কার ধামাচাপা দেয়ার পিছনে?’

    ‘শুরুতে অত্যন্ত সমীহের চোখে দেখা হতো টেসলাকে। নানান ধরনের গোপন বিধ্বংসী অস্ত্রের ডেভেলপমেন্টের জন্যে লক্ষ লক্ষ ডলার আর্থিক সহায়তা দেয়া হয় তাঁকে ওয়ার ডিপার্টমেণ্ট থেকে। যদিও অস্ত্রগুলোর কোনটিই আলোর মুখ দেখেনি। উনিশ শ’ সতেরো সালে তারবিহীন এক ইঞ্জিনের পেটেণ্ট নেন টেসলা। তাঁর দাবি অনুসারে, দশ হাজার মাইল দূর থেকে, স্রেফ একটা লিভারের সাহায্যে গোটা একটা নৌবহরকে হাওয়া করে দেয়ার ক্ষমতা রাখে ওটা। এর বছর কয়েক পর, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ যখন হব হব করছে, তথাকথিত পার্টিকেল ডেথ বিম উইপনের পরিকল্পনা পেশ করেন তিনি। একবার মাত্র রশ্মি ছুঁড়েই শত্রুর বিমানবহর কিংবা লাখো সৈন্যের আগুয়ান বাহিনীকে ধ্বংস করতে সক্ষম নাকি ওটা—অনেকটা মিথোলজির দেবতা থরের বজ্রের মত। বৈদেশিক আগ্রাসন থেকে কোনও জাতিকে রক্ষা করতে কতখানি কার্যকর অস্ত্র, ভেবে দেখেছ, রানা?

    ‘তবে তত্ত্বীয় স্তর পেরোতে পারেনি কখনও এসব পরিকল্পনা। বরঞ্চ প্রয়োগসিদ্ধ প্রজেক্ট হিসেবে তুলনামূলকভাবে এগিয়ে ছিল জুলিয়াস ওপেনহেইমারের পারমাণবিক বোমা; জয় করে নেয় সরকারের ধন-মন— দুই-ই। ‘

    ‘শুনে খুশি হলাম যে, ফেল মেরেছে টেসলার কুপরিকল্পনা।’ হাঁপ ছাড়ল রানা। ‘ওই জিনিসের অস্তিত্ব থাকলে ছারখার হয়ে যেত দুনিয়া।’

    ‘তবে কর্তৃপক্ষ তার পরও আগ্রহ হারায়নি টেসলার প্রতি,’ বলে যাচ্ছে সেলেনা। ‘উনিশ শ’ তেতাল্লিশ সালের জানুয়ারি মাসে, ছিয়াশি বছর বয়সে মৃত্যুবরণ করেন নিকোলা টেসলা। তিনি তখন দারিদ্র্যের কশাঘাতে জর্জরিত। মারা যাওয়ার পর এফবিআই এজেন্ট, অফিস অভ এলিয়েন প্রপার্টি এবং ওয়ার ডিপার্টমেন্টের কূটচালে হাওয়া হয়ে যায় টেসলার জাদুকৌশল। আইনের প্রভাব খাটিয়ে অস্ত্রের গোপন ফর্মুলা, ব্লুপ্রিন্ট ও যাবতীয় ডিজাইন প্ল্যান সরিয়ে ফেলা হয় নিরাপদ বলয়ে। কথিত রয়েছে—টেসলা মারা গেলে, জে. এডগার হুভার এবং কতিপয় ঊর্ধ্বতন সেনা কর্মকর্তার অলিখিত নির্দেশে সে-মাসের কোনও এক সময়ে নিউ ইয়র্ক হোটেলের কামরায় হানা দিয়ে ভাঙা হয় বিজ্ঞানীর সিন্দুক। জীবনের শেষ বছরগুলো ওই হোটেলেই কাটিয়েছেন তিনি। আরও একটা ভল্টের চাবি গাপ করা হয় গভর্নর ক্লিনটন হোটেল থেকে— ‘

    ‘যেটার ভিতর ছিল ঘোড়ার ডিম আর হাতিমি বা বকচ্ছপ-জাতীয় কিছু,’ ফাজলামো করল রানা।

    ‘মোটেও না!’ কড়া চোখে তাকাল সেলেনা। ‘ওই সিন্দুকেই মারণরশ্মি মেশিনের প্রোটোটাইপ ওঅর্কিং মডেল রেখেছিলেন টেসলা।’

    ঝমঝম করে ছুটে চলেছে রেলগাড়ি। দুলছে ওরা ট্রেনের দুলুনির সঙ্গে। আর মাত্র কয়েক মিনিটের দূরত্বে রয়েছে প্যারিস সিটি।

    সামনের সিটে পা তুলে দিয়ে শরীরটা নিচু করে নিল রানা। চোখ রাখল জানালার বাইরে। তলিয়ে দেখছে মেয়েটার কথাগুলো।

    ‘কী হলো, রানা?’ ওকে চুপ করে থাকতে দেখে জিজ্ঞেস করল সেলেনা। ‘বিশ্বাস হলো না আমার কথা?’

    ‘আজকের পর, আইনস্টাইন এলিয়েন ছিলেন বললেও বিশ্বাস করব আমি।’ সোজা হলো রানা। ‘সমস্যা সেটা নয়। ‘

    ‘সমস্যা তা হলে কোনটা?’

    ‘আর ইউ সিরিয়াস? তুমি যা শোনালে, সেটার মানে দাঁড়াচ্ছে—এসব নিয়ে মাতামাতি করার জন্যে সরকারের সিক্রেট এজেন্টরাই হত্যা করেছে ক্যারেনকে!’

    ‘তবে আর বলছি কী? বিকৃতমস্তিষ্ক সিরিয়াল কিলারের থিয়োরি প্রতিষ্ঠা করা খুবই সহজ ওদের জন্য, জাস্ট নকল করতে হবে কিলারের মোডাস অপারেণ্ডি। বরাবর ফলো করা হচ্ছে এ ধরনের টেকনিক।

    ‘তুমিই দেখো না, এ পর্যন্ত কী কী ঘটেছে আমাদের চারপাশে! ইংল্যাণ্ডের এক ছোট্ট গাঁয়ে ট্র্যাক করল আমাকে—লেলিয়ে দিল খুনি! প্যারিস চলে আসার পরও কীভাবে জানি খোঁজ পেয়ে গেল আবার… হোমিং ডিভাইস লাগিয়ে দিল গাড়িতে! কীসের ইঙ্গিত করছে এগুলো?’

    ‘বেশ,’ মেনে নিল রানা। ‘তর্কের খাতিরে ধরে নেয়া গেল—যা যা বললে, সবই সত্যি। সেই উনিশ শ’ তেতাল্লিশ সালে এফবিআই এবং অন্যান্য সরকারি গুপ্তচরেরা হন্যে হয়ে উঠেছিল উন্মাদ এক বিজ্ঞানীর এমন এক অস্ত্র হাতে পাওয়ার জন্যে, যেটার সাহায্যে মারণরশ্মি পাঠানো যায় চাঁদের দেশে… পুরাণের মেডিউসার মত চোখের পলকে পাথরে পরিণত করা যায় গোটা একটা সেনাবাহিনীকে… আরও কত আগডুম-বাগডুম!

    ‘আসল সমস্যাটা এখানেই। যেসব বিষয় নিয়ে কথা বলছি আমরা, তোমার-আমার জন্মের বহু বহু আগেকার কল্পবিজ্ঞান বলা যায় এগুলোকে। এখন, টেসলার দাবি অনুযায়ী যদি কাজও করে থাকে ডিভাইসগুলো; কোনও ধারণা রয়েছে তোমার, কতটা অচল বলে বিবেচিত হবে আজকের যুগে? আজ আমাদের হাতে ইন্টারকন্টিনেন্টাল ব্যালিস্টিক মিসাইল রয়েছে; লড়াইয়ের ময়দানে ব্যবহারের জন্যে রয়েছে ড্রোন, রোবট, ইউরেনিয়াম ওয়ারহেড আর জীবাণু-অস্ত্র সহ খুনজখমের এমন সব মারাত্মক হাতিয়ার, যেগুলোর কাছে টেসলার সৃষ্টিকে মনে হবে সাদা-কালো আমলের ফ্ল্যাশ গর্ডন সিনেমার প্রযুক্তি।’

    ‘তা-ই, না?’ বেজার হয়েছে সেলেনা। ‘ঠিক কী বলতে চাইছ, বলো তো, রানা!

    ‘সিম্পল। এ যুগের রিসার্চাররা এসবে নাক গলিয়ে বিপদ ডেকে আনবে বলে মনে হয় না আমার। অন্তত এতগুলো বছর পর তো নয়ই! অন্য কোনও রহস্য রয়েছে এর মধ্যে।’

    হাল ছেড়ে দেয়ার ভঙ্গি করল সেলেনা। ‘কী ধরে নেব তা হলে? এমন কোনও যন্ত্র আবিষ্কার করেছিল মেয়েটা, যেটা কারও কল্পনাতেও আসেনি? হুম… হতে পারে। ওটার জন্যেই হয়তো ফেউ লেগেছিল ওর পিছনে।’

    সেক্ষেত্রে, কী কারণে চেষ্টাও করল না লোকগুলো জিনিসটা দখলে নেয়ার? কেন গোর দিল টন কে টন পাথরের নিচে?’

    গার সেইন্ট-ল্যাজারে ঢোকার আগপর্যন্ত মজে রইল ওরা রহস্যটা নিয়ে। অনেক তর্কবিতর্কের পরেও পৌঁছনো গেল না কোনও উপসংহারে।

    শোরগোল তুলে ট্রেন থেকে নামল মাতালের দল। এর পর নীরবে বেরিয়ে এল রানা আর সেলেনা।

    হাতে গোনা কয়েকজন শেষ রাতের যাত্রী দেখা যাচ্ছে প্রাচীন আর আধুনিক স্থাপত্যরীতির সম্মিলনে গড়া প্যারিসের অন্যতম প্রধান স্টেশনের প্ল্যাটফর্মে। ইস্ট এন্ট্রান্স দিয়ে বেরিয়ে পড়ল ওরা রু্য সেইন্ট-ল্যাজারে।

    অল্প কিছু গাড়িঘোড়া চলছে রাস্তায়। সকাল হতে ঢের দেরি এখনও।

    ইতিউতি চাইল রানা ক্যাবের আশায়। পঁচিশ গজ দূরের ট্যাক্সিস্ট্যাণ্ডে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখল ধূসর একখানা মার্সিডিসকে। পাঁচ মিনিটের বেশি লাগবে না সেফহাউসে পৌঁছুতে।

    ক্যাবের দিকে এগোচ্ছে, এ সময় এক লোককে লক্ষ করল সেলেনা আড়চোখে। স্টেশন এন্ট্রান্সের কাছে, বদখত চেহারার এক ঘড়ির ভাস্কর্যের নিচে দাঁড়িয়ে চুরুট ফুঁকছে। পরনে জিনস আর হুডি।

    স্পষ্টতই নজর রাখছিল এন্ট্রান্সে। ব্যতিব্যস্ত ভঙ্গিতে চুরুট ফেলে দিয়ে কদম চালাল ওদের উদ্দেশে। গতি বাড়ছে প্রতি পদক্ষেপে।

    ওরা ক্যাবস্ট্যাণ্ডে পৌঁছনোর আগেই সান্ধ্য পোশাক পরা একটা দল উদয় হলো রাস্তার কোনা ঘুরে। তিন পুরুষ, তিন মহিলা। রঙ্গতামাশার বহর দেখে মনে হচ্ছে, বেজায় ফুর্তিতে কেটেছে রাতটা।

    ওরাই আগে দখল নিল ক্যাবটার। দুমদাম করে বন্ধ হলো মার্সিডিসের দরজা। ছুটল গাড়ি রু সেইন্ট-ল্যাজার ধরে।

    ‘সাবওয়ে ধরতে হবে আমাদের,’ সিদ্ধান্ত নিল রানা।

    ঘন ঘন পিছনে চাইছে সেলেনা। উদ্বেগ ফেটে বেরোচ্ছে ওর চোখ থেকে। কোনও ভুল নেই, ওদেরই পিছু নিয়েছে হুডিঅলা। হাত দুটো পকেটে ভরে দিয়ে পা চালাচ্ছে অধোবদনে।

    ‘রানা!’ আর চুপ থাকা সম্ভব হলো না মেয়েটার পক্ষে। ‘আপদ জুটেছে আমাদের পিছনে!’

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65 66 67 68 69 70 71 72 73 74 75 76 77 78 79
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleমাসুদ রানা ০৭২-৭৩ – সেই উ সেন (দুই খণ্ড একত্রে)
    Next Article মাসুদ রানা ৪৬৪ – স্ট্রেঞ্জার

    Related Articles

    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৩৮৫-৩৮৬ – হ্যাকার (দুই খণ্ড একত্রে)

    July 22, 2025
    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫৬ – টপ টেরর

    July 22, 2025
    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫৪ – নরপশু

    July 22, 2025
    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫৩ – ধর্মগুরু

    July 22, 2025
    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫২ – কালো কুয়াশা

    July 22, 2025
    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫১ – মায়া মন্দির

    July 22, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }