Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    মাসুদ রানা ৪৬৭ – শকওয়েভ

    কাজী আনোয়ার হোসেন এক পাতা গল্প446 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    শকওয়েভ – ৫০

    পঞ্চাশ

    নিউ ইয়র্ক। ম্যানহ্যাটনের ফাইনানশাল ডিসট্রিক্ট।

    ফুলটন স্ট্রিটের পশ্চিম প্রান্ত ধরে হাঁটতে হাঁটতে প্লেট গ্লাস উইণ্ডোতে নিজের প্রতিবিম্ব দেখতে পেল কোহেন। শুকনো, অস্থিচর্মসার ছায়াটাকে চিনতেই পারল না নিজের বলে। সিণ্ডির ফিউনেরালের পর, এক মাসেই বয়স যেন বেড়ে গেছে ওর কয়েক বছর।

    পরিস্থিতি বিবেচনায় অবসর দেয়া হয়েছে ওকে কাজ থেকে। শেফার্ডসটাউনের বাইরে এক মোটেল কামরায় যাপন করছিল হতাশায় ভরা নিষ্ক্রিয় জীবন। কোথাও যেত না, কথা বলত না কারও সঙ্গে। বেশির ভাগ সময়ই ফ্যালফ্যাল করে তাকিয়ে থাকত জিম বিমের গ্লাসের দিকে। একের পর এক বোতল থেকে সোনালি গরল ঢেলে যত বারই পূর্ণ করত ওটা, খালি হয়ে যেত নিমেষেই।

    নিজের ক্যারিয়ারের আর পরোয়া করছে না কোহেন, তোয়াক্কা করছে না ধ্বংসস্তূপে পরিণত হওয়া বাড়িটা নিয়ে; কিছুতেই আর কিচ্ছু যায় আসে না যেন লোকটার। ভালোবাসার যে-মানুষটাকে হারিয়ে ফেলেছে চিরজীবনের জন্য, শুধু এই একটা ব্যাপার ছাড়া। এটুকু অন্তত বোঝা হয়ে গেছে কোহেনের, ওর কারণেই মরতে হয়েছে মেয়েটাকে।

    দু’-দু’বার হাতে উঠে এসেছিল একান্ত প্রিয় পয়েন্ট ফোর ফাইভ কিম্বার-টা। মনস্থিরই করে ফেলেছিল, উড়িয়ে দেবে নিজের খুলি। প্রতি বারই ফিরে এসেছে খাদের একেবারে কিনারা থেকে, হ্যামার পড়ার ঠিক আগমুহূর্তে।

    অসহনীয় যন্ত্রণাময় অনেকগুলো দিবস-রজনী পার করার পর, আবার একদিন নতুন করে প্রাণশক্তি বইতে শুরু করল যেন কোহেনের মধ্যে। প্রথমে ক্ষীণ ধারায়, ধীরে ধীরে রূপ নিল সেটা খরস্রোতে। অন্ধকার পেরিয়ে এসেছে ও। তীব্র যে- শোকে অথর্ব হয়ে পড়েছিল, লেযার রশ্মির মত কেন্দ্রীভূত হয়েছে তা একটি বিন্দুতে। অন্ধ ক্রোধ ছাড়া অন্য কোনও কিছুর অস্তিত্ব নেই এখন কোহেনের অনুভূতিতে।

    গালিফিনাকিসের জন্য নিখুঁত হার্ট অ্যাটাকের ব্যবস্থা করল কীভাবে নরকের কীটগুলো, ধারণা নেই তার। এটা কেবল জানে, এ ধরনের গুপ্তহত্যায় বহু আগে থেকেই পদ্ধতিটা ব্যবহার করে আসছে এজেন্সিগুলো।

    অন্তরের অন্তস্তল থেকে নিশ্চিত ও—একমাত্র জীবিত সাক্ষীকে নিশ্চিহ্ন করে দেয়ার সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা নিয়েই গ্যাসের বিস্ফোরণ ঘটানো হয়েছে শেফার্ডসটাউনের বাড়িতে। ওরা ধরেই নিয়েছে, ওর কাছে সব কিছু ফাঁস করে দিয়েছে মোটকু লোকটা।

    গালিফিনাকিসের যে-কথাগুলো অব্যক্ত রয়ে গেল, সমস্ত খুঁটিনাটি না জানা পর্যন্ত বিশ্রাম কিংবা সোয়াস্তি নেই কোহেনের। লোকটার বক্তব্য সত্যি হলে, মিলফোর্ডের মৃত্যুটাও স্বাভাবিক নয়, সাজানো হয়েছে একই ধাঁচে।

    যত সময় লাগে—লাগুক; যত দূর যাওয়ার প্রয়োজন পড়ে—পড়ুক, নেপথ্যের কলাকুশলীদের খুঁজে বের করে জীবনের তরে শিক্ষা না দেয়া পর্যন্ত ক্ষান্ত দিচ্ছে না ও। এমনই নিষ্ঠুরভাবে, নির্দয় হাতে নির্মূল করতে হবে শত্রুপক্ষকে। ফিল কোহেনের জীবনের একমাত্র লক্ষ্য এখন এটাই। শক্তিতে পরিণত করেছে ও শোককে।

    তার পরও ঠাণ্ডা ঘামের মত সর্বক্ষণ যেন কেমন এক ভীতি নিঃসৃত হচ্ছে ওর শরীর থেকে। ভার্জিনিয়া থেকে নিউ ইয়র্ক শহরের সারাটা পথই ড্রাইভারের মিররে চোখ রেখেছে ক্ষণে ক্ষণে; অনুসরণ করছে কি না কেউ, বোঝার জন্য। গালিফিনাকিসের মানিব্যাগে পাওয়া বিজনেস কার্ডের ঠিকানার উদ্দেশে এই যে চলেছে পায়ে হেঁটে, অস্থিরতায় টান টান হয়ে আছে স্নায়ু। বার বার পিছনে তাকাচ্ছে কাঁধের উপর দিয়ে। জ্যাকেটের নিচে লুকানো হোলস্টারে রাখা বড়সড় আকারের কিম্বার অটোমেটিকটার নিরেট উপস্থিতিও ভরসা জোগাতে পারছে না ওকে।

    যে-কুত্তাগুলো এই পর্যায়ে নিয়ে এসেছে ওকে, তাদের উপর ম্যাগাজিন খালি করা ছাড়া আর কোনও কিছুতেই সান্ত্বনা পাবে না কোহেন। যখনই চিন্তা করে এটা, নিশপিশ করে ওঠে হাত দুটো। মেরিন-জীবনের শিক্ষা তখন শাসন করে মনটাকে, উপদেশ দেয় সবুর করার। সবুরে মেওয়া ফলে।

    হাঁটা থামিয়ে চাইল কোহেন গ্লাস টাওয়ারের উঁচুতে। এটাই সেই জায়গা!

    পঁচিশতলা দালানের ছায়া পড়েছে রাস্তা জুড়ে। এন্ট্রান্সের উপর সাত ফুট উঁচু, আয়নার মত চকচকে হরফে লেখা ফ্যান্টম হোল্ডিংস, ইনকরপোরেশন।

    কার্ডটা বের করে মিলিয়ে নিল কোহেন। ফ্যান্টম হোল্ডিংসের ব্যাপারে যা-কিছু পেয়েছে অনলাইনে, গত রাতের প্রায় পুরোটাই ঘাঁটাঘাঁটি করেছে সেসব নিয়ে।

    বিচিত্র আর ব্যাপকভাবে বিস্তৃত ওদের ব্যবসায়িক বিনিয়োগের পরিধি। দুনিয়া জুড়ে আবাসিক ও ইণ্ডাস্ট্রিয়াল রিয়েল এস্টেট থেকে শুরু করে টিন, দস্তা ও হীরার খনি; ইণ্টারন্যাশনাল কার্গো শিপিং এবং এয়ার ফ্রেইট; এনার্জি, কনস্ট্রাকশন—কীসে নেই ফ্যান্টম!

    কার্ডটা উল্টে লক্ষ বারের মত আবারও ভাবল হিজিবিজি অক্ষরে লেখা শব্দটা নিয়ে।

    ‘পসাইডন,’ আওড়াল বিড়বিড় করে।

    কী এই ছাতার-মাথা পসাইডন?

    প্রতিষ্ঠানের ওয়েবসাইট কিংবা অন্য কোনও সোর্সেও উল্লেখ নেই এটার। তার পরও, স্পেশাল ইনভেস্টিগেটর হিসাবে এত বছরের অভিজ্ঞতা ওকে জানান দিচ্ছে, এই পসাইডনের ব্যাপারেই বলতে চেয়েছিল কিছু গালিফিনাকিস।

    কার্ডটা পকেটে রেখে দিল কোহেন। শেষ একবার টাওয়ারের আগাগোড়া চোখ বুলিয়ে নিয়ে স্থির সঙ্কল্পে ঢুকে পড়ল প্রবেশপথ দিয়ে।

    বাইরেটার মতই চোখ টেরিয়ে দেয় ট্রিলিয়ন ডলারের লবি। মার্বেলের মেঝে, পিলার; আধুনিক পেইন্টিং আর ভাস্কর্য সাজানো দেয়ালের পটভূমিতে। পিঁপড়ার মত পিলপিল করে ছুটছে ব্যস্তসমস্ত এগযেকিউটিভরা। স্বাভাবিক একটা কর্মচঞ্চল মৌচাকের গুঞ্জন যেন সমস্তটা জুড়ে।

    এগিয়ে গেল কোহেন ডেস্কের দিকে।

    নিখুঁত সুট আর কানে হেডসেট পরা অসম্ভব গর্জিয়াস রিসেপশনিস্ট বহু কাল আগে হারিয়ে যাওয়া প্রিয়তমার মত মধুর হাসি দিল ওর দিকে চেয়ে। মাপা প্রসাধন মুখে। চমৎকার একটা পারফিউমের মাদক সুবাস আসছে গা থেকে।

    ‘এক্সকিউজ মি। আমার নাম ফিল কোহেন। পসাইডনের অথোরিটিতে রয়েছেন, এমন কারও সঙ্গে কথা বলতে পারি?’ এটুকুতেই কাজ হয়ে যাবে, আশা করছে কোহেন।

    ‘আরেকটু স্পেসিফিকালি বললে ভালো হয়, স্যর,’ বলল যুবতী বিনয়ের সঙ্গে। ‘কোন্ ডিপার্টমেন্টের অংশ এটা, প্লিজ?’

    ‘জাস্ট পসাইডন পর্যন্তই জানি আমি। ম্যানেজমেন্টের কারও সঙ্গে কথা বলিয়ে দিন বরং।’

    একবারে কাজ হলো না, বার দুয়েক আরও করতে হলো উপরোধ। মেকি হাসিটা মুছে গেছে ততক্ষণে মেয়েটার চেহারা থেকে। সম্পূর্ণ ভিন্ন কোনও মানুষ বলে মনে হচ্ছে তাকে এ মুহূর্তে। এক ফোনের রিসিভার তুলে দীর্ঘ গোলাপি নখে চাপল এক্সটেনশন নাম্বার, তার পর কোহেনের উপর নজর সেঁটে রেখে ওপাশের কারও কাছে পৌঁছে দিল মেসেজ।

    বেশ অনেকক্ষণ ওপ্রান্তের কথা শুনে ফোন রাখল রিসেপশনিস্ট। ঠাণ্ডা স্বরে লবির ওয়েটিং এরিয়ায় বসতে বলল কোহেনকে। শিগগিরই লোক আসছে, জানাল, ওর সঙ্গে কথা বলতে।

    বসল কোহেন। খুবই অস্থির লাগছে তার। ইচ্ছা করছে, এক ছুটে বেরিয়ে যায় রাস্তায়। এই পুরো ব্যাপারটা—এতটা পথ পাড়ি দিয়ে নিউ ইয়র্ক চলে আসাটা হয়তো গাধামির চূড়ান্ত হলো। ট্রেইনিং পিরিয়ডের আগেকার আনাড়িপনার মত। সম্ভবত ভুগছে ও পোস্ট-ট্রমাটিক স্ট্রেস ডিসঅর্ডারে…

    ‘মিস্টার কোহেন?’ কাঠ-কাঠ স্বরে জিজ্ঞেস করল কে-

    একজন।

    আরেকজন দাঁড়িয়ে বুকে হাত বেঁধে।

    হ্যাঁ-বাচক জবাব দিল কোহেন। এমপ্লয়ি নাম্বার, স্টেটাস এবং সিকিউরিটি ক্লিয়ারেন্স লেভেল উল্লিখিত সিআইএ আইডি দেখাল ওদেরকে।

    একই রকম কেঠো সুরে জানতে চাইল লোকটা, এজেন্সির কোনও ব্যাপারে কি না।

    না—জানাল কোহেন—ব্যাপারটা ব্যক্তিগত।

    ‘আমাদের সঙ্গে এলে ভালো হতো, স্যর।’

    ‘সানন্দে।’ আত্মবিশ্বাস জড়ো হচ্ছে কোহেনের মনে।

    পথ দেখিয়ে নিয়ে চলল দু’জনে।

    আঁকাবাঁকা করিডোর ধরে এসে পৌঁছুল ওরা টাওয়ারের এক ডিপ সেকশনে। চাকচিক্য অনেক কম এখানটায়। একটা সিকিউরিটি দরজা পেরোনোর আগে স্ক্যানারের ভিতর দিয়ে যেতে হলো ওকে।

    এ জিনিস কাম্য ছিল না কোহেনের। ‘বিপ’ করে সতর্ক- সঙ্কেত দিল স্ক্যানার।

    অন্তর্ভেদী দৃষ্টিতে ওর দিকে তাকাল লোক দু’জন। অভিব্যক্তি দিয়ে জানতে চাইছে, অস্ত্র- জাতীয় কিছু বহন করছে কি না সিআইএ এজেণ্ট।

    নিউ ইয়র্ক সিটিতে ফায়ার আর্ম ক্যারি করার পারমিট নেই কোহেনের। ভালো করেই জানে, সিআইএ অপারে- টরের পরিচয় অফিশিয়াল কারণ ছাড়া অস্ত্র বহনের অধিকার দেয় না ওকে। আর, অফিশিয়াল কোনও কাজে যে আসেনি, আগেই তো সেটা কনফার্ম করেছে। কাজেই, মুহূর্ত পরে সিকিউরিটির লোক এসে হাজির হলে ইচ্ছা না থাকা সত্ত্বেও দিয়ে দিতে হলো সাইড-আর্মটা।

    দরজাটা পেরোনোর পর অশুভ ‘ক্লিক’ শব্দে বন্ধ হয়ে গেল পিছনে।

    আবার শুরু হলো চলা। কোহেনের মনে হচ্ছে, সারা জীবন ধরে হাঁটছে ও।

    ‘দুর্গের মত সিকিউরিটি-সিস্টেম আপনাদের,’ ভিতরের অস্বস্তি প্রকাশ পেতে দিল না ও গলার স্বরে।

    মন্তব্য এল না কোনও।

    অবশেষে, নিয়ন-আলোকিত ছোট এক

    ছোট এক চারকোনা কামরায় কোহেনকে পৌঁছে দিয়েই হাওয়া হয়ে গেল চাপা স্বভাবের হোস্ট দু’জন।

    দুটো স্টিলের চেয়ার আর ডেস্ক রয়েছে কামরাটাতে। অফিসের চাইতে ইন্টারোগেশন রুম বলেই মনে হচ্ছে কোহেনের কাছে।

    সুট পরিহিত তৃতীয় যে-লোকটা ওকে অভ্যর্থনা জানাল, প্রথম দু’জনের চাইতে গায়েগতরে লম্বাচওড়া। মনে রাখার মত নয় চেহারাটা। আবারও দেখতে চাইল আইডি। ভুরু কুঁচকে এত বেশি সময় ধরে ওটার দিকে তাকিয়ে রইল যে, ভয়ই হলো কোহেনের-রায় না দিয়ে দেয়, জিনিসটা নকল! ফ্যান্টম হোল্ডিংসে ওর আগমনের কারণ জানতে চাইল।

    মনের মাঝে পীড়া অনুভব করল কোহেন। লবির মেয়েটাকে বলা কথাগুলোরই পুনরাবৃত্তি করল ও অনিশ্চিত স্বরে।

    পসাইডনের কথা শুনে বিস্ময় ফুটল লম্বাচওড়া চেহারায়। ‘কী জিনিস এটা?’

    ‘আপনারাই বলবেন, আশা করেছিলাম।’

    ‘দুঃখিত, সাহায্য করতে পারছি না আপনাকে,’ বিনয়ের সঙ্গে মাথা নেড়ে বলল লোকটা।

    কিন্তু এ কথা শোনার জন্য তো এত দূর পর্যন্ত আসেনি কোহেন! ভুলল না ও লোকটার জবাবে।

    ‘আর প্রজেক্ট ডুডে?’ ঢিল ছুঁড়ল সিআইএ এজেন্ট। ‘আলোকপাত করতে পারেন এই ব্যাপারে?’

    জবাব পেল না।

    সেলফোন বেজে উঠলে নীরবে রিসিভ করল ফ্যান্টম হোল্ডিংস স্টাফ। ভাবলেশহীনভাবে শুনে গেল ওপাশের কথা। শোনা শেষ হলে বলল কোহেনকে, ‘আপনার কৌতূহল মেটানো হবে, স্যর, একটু পরে। দয়া করে অপেক্ষা করুন এখানে।’

    কামরা ত্যাগ করে দরজা লাগিয়ে দিল লোকটা। আবারও অমঙ্গলের ‘ক্লিক’ আওয়াজে লেগে গেল লক।

    ‘আরে!’ চেয়ার ছেড়ে খাড়া হলো কোহেন। ‘কী হচ্ছে এসব? দরজা লক করলেন কেন? বন্দি করছেন নাকি আমাকে?’

    হ্যাঁ, তা-ই করেছে ওরা! অপেক্ষা ছাড়া কিছুই আর করণীয় নেই ওর। দেখা যাক, কী হয়!

    দশ মিনিট গেল।

    আরও পাঁচ।

    আঙুল দিয়ে তবলা বাজাচ্ছে কোহেন ডেস্কের উপর। অস্বস্তিদায়ক চেয়ারে বসে উসখুস করছে রীতিমত। দেয়ালগুলো যেন চারপাশ থেকে চেপে আসছে ওর দিকে।

    আচমকা নিভে গেল বাতি।

    ঘুটঘুটে আঁধারে পাথরের মূর্তির মত স্থির হয়ে গেল কোহেন। কয়েকটা চুল খাড়া হয়ে গেছে ঘাড়ের কাছে। লাফিয়ে উঠে দাঁড়িয়ে দরজায় গিয়ে থাবা মারতে লাগল কবাটের গায়ে। ‘এই যে! শুনতে পাচ্ছেন কেউ? দরজা খুলুন! এক্ষুণি বেরোতে দিন আমাকে এখান থেকে!’

    ঝটকা দিয়ে ওর মুখের উপর খুলে গেল দরজা।

    টলে উঠে পিছু হটল কোহেন।

    বাইরের করিডোরও এখন কামরার মত অন্ধকার। শুধু দেখতে পেল, জ্বলজ্বলে এলইডিঅলা ইনফ্রারেড গগলস চোখে চারটে মূর্তি এগিয়ে আসছে লম্বা পদক্ষেপে।

    শক্তিশালী হাতগুলো দু’দিক থেকে পাকড়াও করল ওকে। কামরার দিকে ঘুরিয়ে দিয়ে ঠেসে ধরা হলো ডেস্কের উপর।

    প্রাণপণ শক্তিতে নাগপাশের মধ্যে ঝটকাঝটকি করছে কোহেন। একটা হাত মুক্ত করতে পেরেই ধাম করে ঘুসি হাঁকিয়ে বসল। একজনের গগলসে লেগে রক্তাক্ত হলো আঙুলের গাঁট। যন্ত্রণার স্রোত উঠে এল কবজি বেয়ে।

    ‘কী হচ্ছে এসব! কারা আপনারা?’ চিল্লাতে লাগল ও সমানে।

    হাতটা আবারও চেপে ধরা হলে শরীর নড়ানোর আর ক্ষমতা রইল না কোহেনের। সুইয়ের তীক্ষ্ণ খোঁচা অনুভব করল ও বাহুতে।

    চট্ করেই বের করে নেয়া হলো সুইটা।

    আত্মা শুকিয়ে পানি হয়ে গেছে কোহেনের। মরা কাঠের মত শুকিয়ে গেছে কণ্ঠতালু। কিছু ইনজেক্ট করা হয়েছে ওর শরীরে!

    ছটফট করছে, আর উন্মত্তের মত চিৎকার করে চলেছে সিআইএ এজেন্ট। শরীরের ভিতর কীসের এক ক্রমবর্ধমান প্র াহ দখল করে নিচ্ছে ওকে দ্রুত। কয়েক সেকেণ্ডের মধ্যেই থিতিয়ে এল কোহেনের প্রতিরোধ। কণ্ঠস্বর অস্পষ্ট হয়ে গেল, ভেজা টিসুপেপারের মত নেতিয়ে পড়তে শুরু করেছে শরীরের পেশিগুলো।

    আরও কয়েক মুহূর্ত পর ছেড়ে দিল ওকে লোকগুলো। নিস্তেজ কোহেন পড়ে রইল ডেস্কের উপর। পুরোপুরি অচেতন হয়নি তখনও। আবছাভাবে বুঝতে পারল, ধরাধরি করে বের করা হলো ওকে কামরার বাইরে।

    এবং তার পরই জ্ঞান হারাল কোহেন।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65 66 67 68 69 70 71 72 73 74 75 76 77 78 79
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleমাসুদ রানা ০৭২-৭৩ – সেই উ সেন (দুই খণ্ড একত্রে)
    Next Article মাসুদ রানা ৪৬৪ – স্ট্রেঞ্জার

    Related Articles

    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৩৮৫-৩৮৬ – হ্যাকার (দুই খণ্ড একত্রে)

    July 22, 2025
    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫৬ – টপ টেরর

    July 22, 2025
    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫৪ – নরপশু

    July 22, 2025
    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫৩ – ধর্মগুরু

    July 22, 2025
    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫২ – কালো কুয়াশা

    July 22, 2025
    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫১ – মায়া মন্দির

    July 22, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }