Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    মাসুদ রানা ৪৬৭ – শকওয়েভ

    কাজী আনোয়ার হোসেন এক পাতা গল্প446 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    শকওয়েভ – ৫৭

    সাতান্ন

    পঁয়তাল্লিশ মিনিট পর, এয়ার ফোর্স বেইসের কাঁটাতারের ঘেরের মধ্যে পৌঁছুল মিলিটারি পিউমা। শোঁ শোঁ আওয়াজে নেমে এল হেলিপ্যাডে।

    প্রায় সারাটা পথই নিজেদের মধ্যে হাসি-তামাশায় মশগুল ছিল সৈনিকরা। বন্দিদের দিকে দৃকপাত করেনি বললেই চলে।

    আগের চাইতে এখন আরও নিশ্চিত রানা—রুটিন ইন্টারোগেশনের বাইরেও বেশ কিছু প্রশ্ন ফেস করতে হবে, হয়তো তার পরই ছেড়ে দেয়া হবে ওদের। কিছু পয়সা যাবে এমার্জেন্সি ভিসার জন্য। জরিমানাও গুনতে হতে পারে। সঙ্গে পই পই করে নিষেধ করা হবে: পারমিশন ছাড়া ভুলেও যেন আর কখনও না আসে ইন্দোনেশিয়ার আকাশসীমায়।

    লুকা ব্রেযনেভের ধার দেয়া বিমানটা লেক টোবায় তলিয়ে যাওয়ার পর নিষেধাজ্ঞা পালনের ব্যাপারে পুরোপুরি নিশ্চয়তা দিতে পারে এখন রানা। এখনও ওর মাথায় আসছে না, কী জবাব দেবে বিলিয়নেয়ারকে। এই পরিস্থিতিতে ‘টাকা দিয়ে দেব’ বলাটা অশ্লীল শোনাবে রীতিমত।

    ল্যাণ্ডিঙের পর তিনজনকে নামানো হলো হেলিকপ্টার থেকে। কমপাউণ্ড ঘিরে থাকা মিলিটারি বিল্ডিংগুলোর দিকে নিরুদ্বেগে হাঁটিয়ে নিয়ে চলল ওদের সৈন্যরা তপ্ত অ্যাসফল্টের উপর দিয়ে।

    ভাপসা গরম এক অ্যান্টি-রুমে অপেক্ষা করানোর পর একখানা অফিস-কামরায় ঢুকিয়ে দেয়া হলো রানাদের। মুখোমুখি হলো ওরা ডেস্কের পিছনে বসা গম্ভীর চেহারার নন- কমিশনড অফিসারের। লোগান বালবোয়ার পাসপোর্ট এনসিও-র হাতে, ওর লোকেরা পেয়েছে ওটা রানার ব্যাগে।

    ঘোরতর সন্দেহ নিয়ে পাসপোর্টটা পরীক্ষা করার পর ঘেউ ঘেউ করে উঠল অফিসার। ভুলভাল ইংরেজিতে থেকে থেকে ছুঁড়তে লাগল প্রশ্নের তীর।

    কোত্থেকে এসেছে ওরা?

    আগমনের হেতু কী এই দেশে?

    কার জিনিস এয়ারক্রাফটটা?

    পাইলট কে ওদের মধ্যে?

    সব শেষে সন্দেহ আরেকটু ঘনীভূত হলো লোকটার দুই চোখে। জানতে চাইল: এত টাকা কেন ওদের সঙ্গে?

    ধৈর্যের সঙ্গে ব্যাখ্যা দিল রানা। পয়সাঅলা টুরিস্ট ওরা। কুয়ালা লামপুর যাচ্ছিল এয়ারক্রাফটে গড়বড় দেখা দেয়ার আগে। দুঃখের কথা হলো, বাকি সব জিনিসপত্রের সঙ্গে মালয়েশিয়ান ভিসা আর পাসপোর্টও হারিয়ে গেছে লেক টোবার জলে।

    রহস্যময় আধো-হাসি ঠোঁটে ঝুলিয়ে গল্পটা শুনল ছোটখাটো চেহারার এনসিও। তার পর জানাল, একটু বাদেই পদধূলি দিচ্ছে এখানে ওর সিনিয়র অফিসার। ততক্ষণ পর্যন্ত আরাম করতে পারে ওরা বিশেষ হসপিটালিটি লাউঞ্জে।

    রানাকে অতিশয় উৎকণ্ঠায় ডুবিয়ে; এক সার স্টিলের দরজাঅলা হাজত-কামরা নিয়ে সঙ্কীর্ণ, নোংরা করিডোরে আনা হলো ওদের। এটারই নাম হসপিটালিটি লাউঞ্জ।

    ‘এ কেমন ব্যবহার!’ প্রতিবাদ করল ও। ‘অন্যায় কিছু তো করিনি আমরা।’ কিন্তু ও জানে, কোনও ফল হবে না আপত্তিতে।

    আলাদা আলাদা কারাপ্রকোষ্ঠে ঢুকিয়ে দেয়া হলো ওদের তিনজনকে। সেলে ঢোকার আগে হাসল সেলেনা রানার দিকে তাকিয়ে। ভরসা খুঁজতে চাইছে। পরক্ষণে ‘খটাং’ শব্দে লেগে গেল ইস্পাতের দরজা।

    অতি ধীরে বয়ে চলল ক্ষণ। ছোট্ট প্রকোষ্ঠে অস্থির পায়চারি করছে রানা। স্যাঁতসেঁতে, বাতাস আর জানালা- বিহীন ঘরটা দৈর্ঘ্যে-প্রস্থে স্রেফ সাত আর ছয় কদম। ধাতব বাঙ্ক আটকানো দেয়ালের সঙ্গে। পূতিগন্ধময় টয়লেট ও মরচে পড়া, লালচে পানির কল নিয়ে বেসিন রয়েছে এক কোনায়।

    অক্লেশে আটতিরিশ ডিগ্রি সেলসিয়াসের উপর হবে কামরার তাপমাত্রা। আরশোলার জন্য আদর্শ পরিবেশ। টয়লেট আর সেলের মেঝেতে ছোটার উপর রয়েছে ঘিনঘিনে প্রাণীগুলো।

    এত সময় লাগছে কেন ঊর্ধ্বতন অফিসার এসে হাজির হতে? ব্যাপার মোটেই পছন্দ হচ্ছে না রানার।

    দেখতে দেখতে পেরিয়ে গেল আধঘণ্টা। পাল্লা দিয়ে মাত্রা ছাড়াল হতাশা। দরজায় দমাদম ঘুসি মেরে একটু পর পর চিৎকার করে ডাকতে লাগল ও প্রহরীদের।

    সাড়া দিল না কেউ।

    দরজায় থাবা দেয়া আর ডাকাডাকি বন্ধ করল না রানা। কিন্তু একটা সময় পর হাল ছাড়তে হলো ওকে। আক্রোশে টগবগ করে ফুটতে লাগল বাঙ্কের কিনারে বসে।

    আরও আধঘণ্টা পর আচম্বিতে ‘ঠং’ করে খুলে গেল স্টিলের সেল ডোর। এক-দু’জন নয়, চার-চারজন সশস্ত্র সৈন্য হুড়োহুড়ি করে ঢুকে পড়ল খুদে কামরাটায়।

    আগে দেখা চেহারাগুলো চিনতে পারল রানা। সোজা ওর মাথা বরাবর তাক করা হলো অ্যাসল্ট রাইফেলগুলো। ট্রিগারে অঙুল। অফ করা সেফটি ক্যাচ। এআর-ফিফটিন আর কালাশনিকভ ডিজাইনের জবড়জং

    জগাখিচুড়ি পিনড্যাডগুলো। লড়াইয়ের সময় এ ধরনের অস্ত্র ব্যবহারের চিন্তা মাথাতেও আনবে না রানা। কিন্তু এই রেঞ্জ থেকে সেলের নোংরা দেয়াল আরও নোংরা করার কাজে যথেষ্ট কার্যকর অস্ত্র ওগুলো।

    হাওয়াবদলের গন্ধ পেল রানা। ব্যাপার কী! পুরোপুরি বদলে গেছে এখন সৈন্যদের চালচলন। এর আগে উদাসীন আর নিরুদ্বিগ্ন ছিল ওরা তিন বন্দির ব্যাপারে। ভাব দেখে মনে হচ্ছে এখন, রানা যেন গুরুতর হুমকি ওদের জন্য। এক সেকেণ্ডের জন্য চোখ সরালেই এক তুড়িতে ঘায়েল করে ফেলবে সশস্ত্র চারজনকে।

    সত্যি কথা হলো—এক তুড়িতে না হলেও, রানার পক্ষে একেবারে অসাধ্য নয় কাজটা। সেলেনার নিরাপত্তার চিন্তা করতে না হলে, হয়তো চেষ্টা করে দেখা যেত।

    তার বদলে, ধীরেসুস্থে উঠে দাঁড়াল ও বাঙ্কবেড ছেড়ে। মাত্র কয়েক ইঞ্চি দূরে রয়েছে রাইফেলের মাযলগুলো।

    জনাকীর্ণ সেলটায় পা রাখল এবার এনসিও। ট্রুপারদের মতই সাংঘাতিক উত্তেজিত দেখাচ্ছে তাকে। এমন এক দৃষ্টিতে তাকাচ্ছে রানার দিকে, চার-চারটে মিলিটারি রাইফেলও যেন যথেষ্ট নয় ওকে সামলাতে। সেজন্যই বোধ হয় নাইন এমএম পিস্তল বের করে ঠেসে ধরল রানার কপালে।

    তেরছা চোখে তাকাল রানা পিস্তলের ব্যারেলের দিকে। মৃদু কাঁপছে ওটা অফিসারের হাতে।

    ঠেলাধাক্কা দিয়ে কামরা থেকে বের করা হলো ওকে অফিসারের আদেশে। নিয়ে চলেছে করিডোর দিয়ে।

    কয়েকটা প্রকোষ্ঠ পেরিয়ে সেলেনার সেলটার কাছে আসতেই ডেকে উঠল রানা ওর নাম ধরে। সঙ্গে সঙ্গে রাইফেল ব্যারেলের তীক্ষ্ণ খোঁচা খেল পিঠে।

    ‘রানা?’ স্টিলের দরজার ওপাশে চাপা শোনাল মেয়েলি কণ্ঠস্বরটা

    ঠিক আছে সেলেনা, এটুকু নিশ্চিত হলো রানা। দাঁতে দাঁত চেপে এগিয়ে চলল ও। এখনও জানা নেই, কীভাবে মুক্ত হবে এ অবস্থা থেকে।

    আস্তরবিহীন যে-কক্ষটায় নিয়ে আসা হলো ওকে, কংক্রিটের মেঝের মাঝামাঝি একটা মাত্র কাঠের চেয়ার ছাড়া আর কিচ্ছু নেই সেখানে। কালিঝুলি মাখা একমাত্র জানালার গরাদে দিয়ে চুইয়ে ঢুকছে আলো।

    এনসিও-র নির্দেশে বাহু ধরে টেনে নিয়ে গিয়ে চেয়ারে বসিয়ে দেয়া হলো রানাকে। রাইফেলের একটা মাযল কপালের কাছে ধরে রেখে ব্যাকরেস্টের পিছনে নিয়ে যাওয়া হলো হাত দুটো।

    ইস্পাতের হাতকড়ার ঠাণ্ডা স্পর্শ পেল রানা কবজিতে। আঁটসাঁট কড়া দুটো কামড় বসিয়েছে চামড়ায়।

    ‘শুরু হলো খেলা।’ মনে মনে হাসন ও দুঃখের হাসি।

    কোনও ধরনের প্রশ্ন-টশ করা হলো না ওকে। আগেই হয়ে গেছে ওটা। সৈন্যদের মধ্যে লম্বা তাগড়াজনকে দেয়া হয়েছে পরবর্তী দায়িত্ব। হাসিমুখে এক সহকর্মীর হাতে ভুলে দিল নিজের রাইফেল। পরনের ইউনিফর্ম জ্যাকেটটা খুলে নিয়ে পা ফাঁক করে দাঁড়াল চেয়ারের পাশে। কাজে নামার জন্য প্রস্তুত। বলিষ্ঠ হাত দুটোতে প্রকট হয়ে ফুটে রয়েছে শিরা-উপশিরা। আঙুলের গাঁটগুলোতে পুরানো জখম দেখে বুঝতে পারল রানা, আগেও এ ‘দায়িত্ব পালন করেছে লোকটা।

    এবং আগেও এ ধরনের পরিস্থিতিতে পড়েছে রানা। অনেক বার। অকথ্য নির্যাতনের মুখে কী করে অটল থাকতে হয়, শেখানো হয়েছে ওকে। সাধারণ যে-কোনও লোকের চাইতে সহ্যশক্তি অনেক বেশি এর। ভাঙবে, তবু মচকারে না। মরে যাবে, তবু একটা কথাও বের করা যাবে না ওর পেট থেকে।

    পাঁচ-পাঁচটা জবরদস্ত ঘুসির পর রক্তের স্বাদ পেল ও জিভে। দুরমুশ করে রীতিমত হাতের সুখ মিটিয়ে নিচ্ছে তাগড়া ইন্দোনেশিয়ান।

    থু করে লাল টকটকে এক দলা থুতু ছুঁড়ল রানা সৈনিকটির মুখ লক্ষ্য করে। লাগল না অবশ্য।

    ‘ব্যস, এ-ই?’ জানতে চাইল মুখ ভেঙচে।

    ইংরেজি বোঝে না লোকটা। তবে কিছু একটা আঁচ করে নিল বেপরোয়া ধরনের সুরটা থেকে। পরবর্তী মারটা মারার জন্য পিছিয়ে আনল মুঠো।

    সোলার প্লেক্সাসে মুষ্ট্যাঘাত খেয়ে বুক থেকে সব বাতাস বেরিয়ে গেল রানার। সম্ভবত বিচক্ষণের কাজ হলো না লোকটাকে উত্ত্যক্ত করা, ভাবল ও হাত বাঁধা অবস্থায় মারের ধকল সইতে সইতে। শ্বাস নিচ্ছে বোয়াল মাছের মত মুখ হাঁ করে।

    অনেকক্ষণ ধরে চলল এই প্রহার। স্থান-কাল থেকে মনটাকে বিচ্ছিন্ন করে ফেলেছে রানা। আঘাত অনুভব করছে, যন্ত্রণা নয়। একের পর এক ছাড়া ছাড়া ভাবনা আর স্মৃতির তোড়ে ভাসিয়ে দিয়েছে নিজেকে। কেবল আবছাভাবে সচেতন রয়েছে, ক্লান্ত হতে শুরু করেছে নির্যাতনকারী; ঘুসির জোর কমে গেছে অনেকখানি।

    এক পর্যায়ে খুলে দেয়া হলো হ্যাণ্ডকাফ। টেনে তোলা হলো ওকে বসা থেকে।

    ঘামে চকচক করছে নির্যাতনকারীর সারা শরীরে। শ্বাস নিচ্ছে সশব্দে। হাত দুটোর পরিচর্যা করতে লাগল কামরার কোনায় গিয়ে। এক তাল কাঁচা মাংসের মত দেখাচ্ছে ও- দুটোকে।

    কিছুটা হাঁটিয়ে, কিছুটা চ্যাংদোলা করে আবার সেলে ঢোকানোর জন্য নিয়ে চলল ওরা রানাকে।

    নিজেকে নিয়ে ভাবছে না রানা। এরকম কিছু যে ঘটতে পারে, মোটামুটি প্রস্তুত ছিল সেজন্য। ওর একমাত্র চিন্তা সেলেনাকে নিয়ে।

    সেলেনার কামরার পাশ দিয়ে যাওয়ার সময় আবারও ডাকার চেষ্টা করল নাম ধরে। কিন্তু এতটাই কাবু যে, স্বর ফুটল না কণ্ঠে।

    মেঝেতে ছুঁড়ে ফেলা হলো ওকে দরজা খুলে।

    অনেক, অনেকক্ষণ কুকুর-কুণ্ডলী হয়ে পড়ে রইল রানা। নিজের রক্তের মধ্যে মুখ গোঁজা অবস্থায় মন ভেসে চলেছে অজানা কোথায়!

    ধীরে, খুব ধীরে ফিরে পেল সংবিৎ। সেই সঙ্গে যন্ত্রণার বোধটাও। আর, যন্ত্রণার সঙ্গে এল চণ্ডাল ক্রোধ। রাগটা সাহায্য করল ওকে সুস্থিরভাবে চিন্তা করতে।

    মাথা তুলল রানা কংক্রিট থেকে। বার কয়েক মিটমিট করল চোখ দুটো। অসহ্য যন্ত্রণায় খুলিটা মনে হচ্ছে বিস্ফোরিত হবে। যন্ত্রণা প্রশমন করার জন্য নিয়ন্ত্রণ আনার চেষ্টা করল শ্বাসপ্রশ্বাসে।

    বার কয়েক চেষ্টার পর ভর দিতে পারল এক কনুইয়ে। এর পর বসল ও হাঁটু গেড়ে।

    বুকে হেঁটে কোনও রকমে পৌঁছল রানা নোংরা সিঙ্কের কাছে। শক্ত করে বেসিনের কিনারা আঁকড়ে ধরে কাঁপতে কাঁপতে টেনে তুলতে লাগল নিজেকে। ইঞ্চি ইঞ্চি করে অবশেষে দাঁড়াতে পারল নিজের পায়ে।

    ক্যাঁচকোঁচ আওয়াজে ছাড়ল রানা কলটা। ফোয়ারার মত ছিটকে বেরোনো লালচে, নোনতা পানি আঁজলা ভরে নিয়ে ছিটাল নিজের মুখে। চোখ থেকে রক্ত ধুয়ে যাওয়ার পর পরিষ্কারভাবে দেখতে পেল আবার।

    মুখ ধোয়া শেষে সরে এল ও সিঙ্কের কাছ থেকে। যন্ত্রণাকাতর শরীরের নীরব আর্তনাদকে পাত্তা না দিয়ে বুকডন দিল দশ বার।

    তার পর আরও দশ বার।

    আরও দশ বার!

    আরও দশ…

    বিসিআই চিফের চেহারাটা ভাসছে চোখের সামনে। কাঁচাপাকা ভুরু কুঁচকে তাকিয়ে আছেন ওর দিকে। শাসনের সুরে বলছেন: ফোকাস করো, রানা… সারভাইভ করো! লড়ো এবং জেতো!

    দ্বিতীয় বারের মত যখন ঠাস করে খুলে গেল সেলের দরজা, রানা তখন অঘোর ঘুমে।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65 66 67 68 69 70 71 72 73 74 75 76 77 78 79
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleমাসুদ রানা ০৭২-৭৩ – সেই উ সেন (দুই খণ্ড একত্রে)
    Next Article মাসুদ রানা ৪৬৪ – স্ট্রেঞ্জার

    Related Articles

    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৩৮৫-৩৮৬ – হ্যাকার (দুই খণ্ড একত্রে)

    July 22, 2025
    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫৬ – টপ টেরর

    July 22, 2025
    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫৪ – নরপশু

    July 22, 2025
    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫৩ – ধর্মগুরু

    July 22, 2025
    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫২ – কালো কুয়াশা

    July 22, 2025
    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫১ – মায়া মন্দির

    July 22, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }