Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    মাসুদ রানা ৪৬৭ – শকওয়েভ

    কাজী আনোয়ার হোসেন এক পাতা গল্প446 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    শকওয়েভ – ৬৪

    চৌষট্টি

    চরম হতাশায় ঢাকনাটা আবার জায়গামত ফেলে দিল রানা। দুর্গন্ধে টেকা যাবে না নইলে। জোরালো ধাতব প্রতিধ্বনি ছড়িয়ে পড়ল সারাটা দালান জুড়ে। ডিসম্যান্টল করা অস্ত্রটা সেলেনার হাতে গুঁজে দিয়ে ত্বরিত পা চালাল ও দরজার দিকে।

    এগারো মিনিটেরও কম সময় রয়েছে ওদের হাতে!

    মাথা ঠাণ্ডা রাখো… একদম ঠাণ্ডা! মনে মনে অটোসাজেশন দিচ্ছে রানা নিজেকে। অন্য কোনও পথ আছে নিশ্চয়ই! ছাতের দিকে তাকিয়ে বলল, ‘নিচে নামতে না পারলেও, ওপরে উঠতে হয়তো পারব। স্রেফ ওই জানালা বাইতে হবে।’

    ‘তার পর বাইরে লাফিয়ে পড়ে পা-টা ভাঙি আর কী!’ বলল সেলেনা সন্দিহান সুরে।

    ‘দড়ির বাণ্ডিলটা দেখেছ?’ ইশারায় দেখাল রানা। ‘বাইরে নামার মত লম্বা হতে পারে ওটা।’

    ‘ধচাপচা না হলেই হয়,’ কোহেনের কণ্ঠেও সন্দেহ। ‘ঠিকই বলেছেন ভদ্রলোক,’ সাপোর্ট করল সেলেনা। ‘ছিঁড়ে-টিড়ে গেলে?’

    ‘পপাত ধরণীতল,’ ড্যামকেয়ারভাবে জবাব দিল রানা। ‘অন্তত সান্ত্বনা থাকবে, চেষ্টা তো করেছি!’

    ‘নাছোড়বান্দা লোক তুমি, রানা।’

    ‘মরার আগে মরতে কে চায়, বলো?’

    ‘কিন্তু উঠবে কী করে জানালায়?’

    ‘সেটাও ভেবেছি। পিস্তলটা দাও তো!’

    দিল সেলেনা।

    ফ্রেম আর স্লাইড আবার দ্রুত হাতে জুড়ে নিল রানা।

    ‘আবারও তো আগের মতন অকেজো অস্ত্র হলো ওটা। রানার মতিগতি অ্যানটেনায় ধরছে না সেলেনার।

    ‘তোমার কাছে যেটা অকেজো অস্ত্র, আমার কাছে সেটা কেজো হাতুড়ি।’ ব্যারেলের প্রান্তের দিকটা ধরে বাঁটটা দিয়ে বাড়ি দিল রানা প্লাস্টারের গায়ে, যদ্দূর হাত যায় উপরে।

    পর পর তিন বার জোরালো ঘা মারার পরেও কিছুই হলো না দেয়ালের। উল্টো আঁচড় পড়ল পিস্তলের ফ্রেমে।

    ‘কী চাইছ তুমি, রানা? ধসাতে চাইছ দেয়ালটা?’ এমনভাবে তাকিয়ে আছে সেলেনা, যেন একটা রামছাগলকে দেখছে।

    ‘ভুল জায়গা,’ মন্তব্য করে, কয়েক ইঞ্চি বাঁয়ে সরে চেষ্টা করল রানা আবার।

    প্লাস্টারের একটা চাঙড় ভেঙে এল আঘাতে। আঙুল আটকানোর মত খাঁজ তৈরি হয়েছে দেয়ালে।

    আর আট মিনিট!

    তবে যথার্থভাবে কাজে লাগাতে পারলে আট মিনিটও দীর্ঘ সময়।

    হাঁটু ভেঙে বসে পড়ল রানা। বাড়ি মারতে আরম্ভ করল কোমর-সমান উচ্চতায়। কয়েক সেকেণ্ডেই প্লাস্টার খসিয়ে নিয়ে পৌঁছে গেল নিচের পাথুরে অংশে।

    নিচের খাঁজে বাঁ পা রাখল ও। বাম হাতের আঙুলগুলো উপরের খাঁজে বাধিয়ে টেনে তুলল নিজেকে। তার পর আরও উপরে আঘাত করে করে আরেকটা খাঁজ বের করার চেষ্টায় রত হলো ধরে ওঠার জন্য। বাম হাত আর বাম পায়ের তলার প্লাস্টার ওজন রেখেছে ওর।

    ‘পারবে না, রানা!’ নিরুৎসাহিত করল সেলেনা।

    ঘোঁত করে উঠল রানা উপরে উঠতে উঠতে। ‘আর তো কোনও উপায় দেখছি না আমি, তুমি দেখছ?’ ব্যথা অগ্রাহ্য করে আঁকড়ে ধরে রেখেছে প্লাস্টারের খাঁজ। পিস্তলটা এবার বাম হাতে নিয়ে যন্ত্রের মত নিজের কাজ করে চলল।

    মিনিট দেড়েক পাগলের মত ‘হাতুড়ি’ চালিয়ে, বিপজ্জনক ভঙ্গিতে টাটিয়ে ওঠা আঙুল নিয়ে অর্ধেকটা পথ জানালার দিকে এগোতে পারল ও।

    সীমাহীন উদ্বেগে রানার কাজ দেখছে কোহেন আর সেলেনা।

    ‘উপরে উঠতে পারলে নিচে ছুঁড়ে দেব দড়িটা,’ হেঁকে বলল রানা। ‘এক এক করে তুলে নেব তোমাদের।’

    ‘রানা!’ চিৎকার করল সেলেনা। ‘ছয় মিনিটেরও কম সময় রয়েছে!’

    উফ! বহুত টাইম লেগে যাচ্ছে জানালা পর্যন্ত পৌঁছুতে! আতঙ্কের সঙ্গে বোঝাপড়া করতে করতে কাজের গতি দ্বিগুণ করে দিল রানা। বৃষ্টির মত প্লাস্টারের চাঙড় ভেঙে চুরচুর হচ্ছে নিচে পড়ে।

    বিরামহীন আঘাতের চোটে অসহ্য রকমের টনটন করছে ওর হাত দুটো। পায়ের আঙুলগুলোতে যেন সাড় নেই কোনও। দরদরিয়ে ঘাম ঝরছে গা থেকে।

    তার পরেও মনের উপর জোর খাটিয়ে ঝুলে থাকতে হচ্ছে রানাকে। যতটা উঠেছে; হাতপা যদি ছুটে যায় একবার, পা তো ভাঙবেই, মেরুদণ্ডও কয়েক টুকরো হতে পারে।

    ‘পড়বি না… পড়বি না তুই!’ অটোসাজেশন নেয়া বন্ধ করেনি রানা। খেপার মত পিস্তলের ঘা মেরে মেরে দেয়াল বেয়ে চলল, যতক্ষণ না আঙুল বাধাতে পারল জানালার তাকে। কামড়ে ধরে রেখেছে টাল খাওয়া পিস্তলটা।

    মুহূর্ত কয় পর, ঘর্মাক্ত রানা উঠে পড়তে পারল তাকের উপর। দৌড়ে আসা কুকুরের মত বেদম হাঁপাচ্ছে।

    এখন বুঝতে পারছে, কতটা উঠেছে এই অল্প সময়ে। চল্লিশ ফুট নিচে ছোট্ট দেখাচ্ছে সেলেনা আর কোহেনকে।

    নড়বড়ে তাকটায় দাঁড়িয়ে শরীরটা সাবধানে টান টান করল রানা। ব্যবধান বেশি নয় মাথা আর টিন প্লেটের সিলিঙের।

    বাইরের দিকে পাঞ্জা বাড়িয়ে শূন্যে কাত হলো ও। হাতের প্রায় নাগালেই রয়েছে রুফ সাপোর্টের দড়ি-পেঁচানো অংশটা। আরেকটু কাত হতেই জং ধরা গার্ডারের অস্বস্তিকর খরখরে ছোঁয়া লাগল বাড়ানো আঙুলগুলোয়। তার পরই সহসা মুঠোবন্দি হলো মোটা রশিখানা।

    এই বার!

    উইণ্ডো লেজ থেকে রানা দোল খেয়ে সরে যেতেই ভেসে এল সেলেনার ভয়ার্ত চিৎকার। বিপজ্জনকভাবে ঝুলছে রানা দড়ি থেকে। ‘পটাস’ করে যদি ছিঁড়ে যায়, কিংবা প্যাঁচ খুলে যায় গার্ডার থেকে, কঠিন কংক্রিটে আছড়ে পড়া ঠেকাতে পারবে না কেউ।

    ‘চার মিনিটেরও কম সময়, রানা!’ সাবধান করল সেলেনা।

    আঙুলের ফাঁক দিয়ে গড়িয়ে পড়া বালির মত নিঃশেষ হতে চলেছে যেন মুহূর্তগুলো। তার পরও চেষ্টা বন্ধ করা

    চলবে না রানার।

    ঝুলন্ত অবস্থায় উপরদিকে ছুঁড়ল ও পা দুটো। পুরু রাস্ট পড়া গার্ডারের এইচ-সেকশন আউটলাইন পা দিয়ে জড়িয়ে ধরে উঠে বসল ওটার উপর। হাঁটু, গোড়ালি আর পায়ের গুলের সাহায্যে চেপে রেখেছে দুই পাশ।

    চেষ্টা চালিয়ে গেল রানা লোহার কড়িবরগার সঙ্গে টাইট করে পেঁচিয়ে রাখা দড়ির প্যাচ আলগা করার জন্য।

    কয়েক সেকেণ্ডেই সফল হলো কাজটায়। এর পর দড়ির পাক খুলে নিয়ে এক প্রান্ত বাঁধল গার্ডারের সঙ্গে। নিচে নামাতে শুরু করল অন্য প্রান্তটা। মেঝে পর্যন্ত পৌঁছুলেই হয় এখন!

    হালকা স্বাস্থ্যের সেলেনাকে যে টেনে তুলতে পারবে, সে- ব্যাপারে সন্দেহ নেই ওর। ভারি গড়নের ফিল কোহেনকে নিয়েই যা দুশ্চিন্তা। যাক… যখনকারটা তখন।

    উপরে ওঠার পর, একবারে একজন করে জানালার তাকে পৌঁছুতে পারবে ওরা দড়িতে দুলে। এর পর দড়িটা বাইরে নামিয়ে দিয়ে নেমে যেতে পারবে ওটা বেয়ে।

    আপাতত এটুকুই পরিকল্পনা।

    সেকেণ্ডের টিক-টিকগুলো যেন গুলি ফোটার আওয়াজ

    তুলছে রানার মস্তিষ্কের মধ্যে।

    মেঝের দেড় ফুট উপরে নেমে শেষ হয়ে গেল দড়ি। ‘কোমরে পেঁচিয়ে, ধরে রাখো শক্ত করে!’ সেলেনার উদ্দেশে বলল রানা চেঁচিয়ে।

    ঝটপট তা-ই করল ও। দড়ির উপর নিজের ভর ছেড়ে দিয়ে দেখল, ওজন নিতে পারছে কি না।

    ঘামে ভেজা হাত দুটো প্যান্টে মুছে নিল রানা। ‘ঠিক আছে, তুলছি এবার তোমাকে।’

    গার্ডারের উপর জুত করে বসে শক্ত মুঠিতে ধরল ও দড়িটা। ওঠাতে আরম্ভ করল সেলেনাকে।

    পাঁচ ফুট উঁচুতে ঝুলছে যখন সেলেনা, ঠিক সেসময় ঘটতে শুরু করল কিছু একটা।

    প্রথমটায় মনে হলো রানার, এত জোরে ধকধক করছে হৃৎপিণ্ডটা যে, ওটারই স্পন্দন টের পাচ্ছে শরীরে। তার পর উপলব্ধি করল, কাঁপছে আসলে আয়ার্ন গার্ডার। প্রথমে গভীর একটা গুঞ্জনের সঙ্গে ছন্দবদ্ধ কম্পন– বোঝা যায় কি যায় না, তার পরই বাড়তে লাগল কাঁপুনির প্রাবল্য। গার্ডার নয় শুধু, গোটা দালানটাই ভরে উঠেছে ভাইব্রেশন আর গুঞ্জরনে। এমনকী বাতাসেরও যেন কাঁটা দিচ্ছে গায়ে।

    পীড়াদায়কভাবে পরিচিত অনুভূতিটা। ইলিয়েলদের পারিবারিক সমাধিক্ষেত্রে এ অভিজ্ঞতার সঙ্গেই পরিচয় হয়েছিল ওদের, দুনিয়ার আরেক প্রান্তে।

    সন্দেহাতীতভাবে ওটাই ঘটছে আবার। শিয়োর হওয়ার জন্য ঘড়ি দেখার প্রয়োজন বোধ করল না রানা।

    ‘সত্যি সত্যিই মহড়া শুরু করেছে জানোয়ারগুলো!’ ভাবল ও দাঁতে দাঁত ঘষে। অবিশ্বাস, আতঙ্ক আর রাগের মিশেলে অ্যাড্রেনালিন ছুটতে লাগল ধমনিতে। আরও দ্রুত দড়ি টানতে লাগল রানা।

    কয়েক সেকেণ্ডের ব্যবধানেই ক্রমবর্ধমান নির্ঘোষে পরিণত হলো গুঞ্জনধ্বনি। অনেকটা মুহুর্মুহু বজ্রপাতের মত। কাঁপুনির প্রভাবে লাল ধুলোর আকারে মরচে ঝরে পড়ছে বরগা থেকে। ধাতব সঙ্গত ধরেছে উপরের টিন প্লেটগুলোও।

    কোহেনের অবস্থা শোচনীয়। হিমশিম খেয়ে যাচ্ছে দাঁড়িয়ে থাকতে গিয়ে। ধরার মত কোনও অবলম্বন নেই লোকটার।

    ‘টানতে থাকো, রানা!’ মেঝে থেকে আঠারো ফুট উপরে এখন সেলেনা, ঘুরছে বৃত্তাকারে। মাঝরাস্তায় কর্তব্যবিমূঢ় হয়ে পড়েছে রানা—খুবই বিপজ্জনক ব্যাপারটা।

    ‘ও কী! নামাচ্ছ কেন আবার?’ দড়ি ছাড়তে শুরু করতেই ভীত কণ্ঠে চেঁচিয়ে উঠল সেলেনা।

    ‘আগে মাথা বাঁচাও তোমরা!’ চেঁচাল রানা দু’জনের উদ্দেশে।

    মাতালের মত টলায়মান অবস্থা কোহেনের। ভয়ঙ্কর- ভাবে কাঁপতে লেগেছে কংক্রিটের মেঝে। টলতে টলতে হুমড়ি খেয়ে পড়ল সে হামাগুড়ি দেয়ার ভঙ্গিতে। মেঝেতেই মুখ গুঁজল মাথার উপর হাত দুটো চাপা দিয়ে।

    হ্যাঁচকা টান মেরে কোমর থেকে দড়ি ছুটিয়ে নিয়ে একই কাজ করল সেলেনাও। আর কোনও জায়গা নেই যাওয়ার।

    একটা হাত ঢুকিয়ে দিল রানা এক প্যাঁচ দিয়ে বাঁধা দড়ির লুপে, বজ্র-আলিঙ্গনে ধরে রাখল গার্ডার।

    নড়ছে দেয়ালগুলো, থরথরিয়ে কেঁপে চলেছে ভিত্তির উপর, ঝাঁকুনির চোটে আগুপিছু করছে। কিলবিল করা সাপের মত লম্বা ফাটল ছড়িয়ে পড়ল প্লাস্টার জুড়ে। খসে খসে পড়তে লাগল পলেস্তারা।

    ‘ফটাস’ করে চুরমার হলো অক্ষত একটা জানালার- শার্সি। অল্পের জন্য বেঁচে গেল সেলেনা কাঁচবৃষ্টি থেকে।

    কম্পমান গার্ডারের কারণে সাংঘাতিক ঝাঁকি খাচ্ছে হাতপা। কাঁপুনি যত তীব্র হচ্ছে, ততই আঁটো হচ্ছে রানার আলিঙ্গন। কিন্তু ও জানে, বেশিক্ষণ ধরে রাখতে পারবে না এভাবে।

    একটানা গর্জনে রূপ নিয়েছে এখন গুডুগুডু বজ্রনির্ঘোষ। আওয়াজ আর কম্পনের যে-প্রচণ্ডতা অনুভব করছে রানা, ইলিয়েল চ্যাপেলের অভিজ্ঞতাকে মনে হচ্ছে তুচ্ছ আর নগণ্য।

    দিব্য চোখে পষ্ট দেখতে পাচ্ছে ও, সেন্টার কলাম সহ ভিতরদিকে ধসে পড়ছে দেয়ালগুলো। গার্ডারগুলোর সঙ্গে নিজেও খসে পড়ে ধুড়ুম-ধাড়ুম আওয়াজে চাপা পড়ছে শত শত টিন শিটের নিচে, সেটাও দেখতে পেল কল্পনায়।

    এটাই শেষ যাত্রা ওদের! নিখুঁত একটা মৃত্যুদণ্ডের ব্যবস্থা করেছে জোসেফ নিকলসন।

    কিন্তু হঠাৎ করেই কমতে শুরু করল কম্পন; যেখানে মনে হচ্ছিল, বাড়বে আরও। দ্রুত হ্রাস পাচ্ছে কাঁপুনির তীব্রতা।

    সাহস করে বজ্রকঠিন আঁটুনি ঢিলে করল রানা। তাকাল নিচে কুঁকড়ে-মুকড়ে থাকা দুই সঙ্গীর দিকে।

    কয়েক মুহূর্ত পর একদম নেই হয়ে গেল ভাইব্রেশনটা।

    বিশাল কারখানা-দালান খাড়া রয়েছে এখনও, যদিও অক্ষত নয়।

    বেঁচে গেছে ওরা! কেউ এমনকী আহতও হয়নি বলতে গেলে!

    ‘জিতে গেছি!’ কষ্টেসৃষ্টে উঠে দাঁড়িয়ে উচ্ছ্বসিত চিৎকার ছাড়ল সেলেনা। ধুলো মাখা মুখটা ঝলমল করছে আনন্দে।

    সিধে হলো কোহেনও। পরস্পরকে ঠাস ঠাস করে হাই- ফাইভ দিয়ে হাসতে লাগল ওরা অপ্রকৃতিস্থের মত।

    ভেস্তে গেছে উন্মাদটার এক্সপেরিমেন্ট। সত্যিকারের কোনও ক্ষতিসাধনের আগেই স্তিমিত হতে হতে মরে গেছে কৃত্রিম ভূমিকম্প।

    উত্তেজনা কেটে যাওয়ার পরবর্তী তিন-চার মিনিট এতটাই দুর্বল বোধ করতে লাগল, নড়াচড়ার সাধ্য রইল না কারও। আপনা-আপনি কাঁপতে শুরু করেছে রানার পেশিগুলো। হাসি-কান্না মেশানো অনুভূতি উথলে উঠতে চাইছে অন্তরাত্মা থেকে। ‘এটাই কি তোমার শ্রেষ্ঠ কাজ, নিকলসন?’ বলতে ইচ্ছা করছে চিৎকার করে।

    গার্ডারের উপর এলিয়ে পড়ে থেকে শ্বাস নিতে লাগল ও গভীরভাবে। সময় দিচ্ছে হার্টবিট স্বাভাবিক হওয়ার।

    মানসিক প্রেশারটা দূর হয়েছে বটে, কিন্তু স্রেফ অল্প সময়ের জন্য। এক্সারসাইজ ফেল মেরেছে, টের পেতে বেশিক্ষণ লাগবে না নিকলসন আর ওর চেলা-চামুণ্ডাদের। প্রথাগত পদ্ধতিতে কাজ শেষ করতে ফিরে আসবে তখন। মগজের মধ্যে বুলেট ঢুকিয়ে দিয়ে চরিতার্থ করবে প্রতিহিংসা

    ‘সেলেনা!’ ডাক দিল রানা। ‘বেরিয়ে যেতে হবে এখান থেকে। আগের মত করে কোমরে পেঁচাও দড়িটা।’

    নড করল মেয়েটা। হাসছে এখনও। উবু হলো দড়ির মাথাটা তুলে নেয়ার জন্য। কোমরে জড়াচ্ছে ওটা, বাইরের সাগরে কী একটা যেন নজর কেড়ে নিল রানার। চাইল ও ক’ফুট দূরের কাঁচহীন জানালা দিয়ে।

    সাগরচারী পাখিতে ভরে গেছে আকাশ। হাজারে হাজারে সামুদ্রিক পাখি বিরাট-বিশাল ঝাঁক বেঁধে সর্বোচ্চ গতিতে উড়ে আসছে তীরের দিকে। কোনও কিছুর তাড়া খেয়ে প্রাণ নিয়ে ছুটছে যেন।

    পলক ফেলতেও ভুলে গেছে যেন রানা। হিচককের বার্ডস ছবিটার বাস্তব রূপ দেখতে পাচ্ছে যেন চোখের সামনে। এতটাই অবাক হয়েছে যে, দেরি হয়ে গেল প্রতিক্রিয়া হতে।

    ‘হায়, খোদা!’

    নতুন একটা আওয়াজ শোনা গেল ওগুলোর কর্কশ, তীক্ষ্ণ সম্মিলিত চিৎকার ছাপিয়ে। গভীর একটা গুরুগম্ভীর ধ্বনি দ্রুত চড়া হচ্ছে আরও। তাণ্ডব চালানোর আগে জোর সঞ্চয় করছে যেন ঘূর্ণিঝড়।

    যদিও আদতে কোনও ঝড় নয় ওটা।

    চোখ মিটমিট করল রানা। কীসের থেকে পালাচ্ছে পাখিগুলো, স্বচক্ষে দেখতে পেয়ে বিস্ফারিত হলো চোখ দুটো। শিরশিরে একটা বিজাতীয় শিহরণ ছড়িয়ে পড়ল শরীরের আনাচে-কানাচে।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65 66 67 68 69 70 71 72 73 74 75 76 77 78 79
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleমাসুদ রানা ০৭২-৭৩ – সেই উ সেন (দুই খণ্ড একত্রে)
    Next Article মাসুদ রানা ৪৬৪ – স্ট্রেঞ্জার

    Related Articles

    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৩৮৫-৩৮৬ – হ্যাকার (দুই খণ্ড একত্রে)

    July 22, 2025
    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫৬ – টপ টেরর

    July 22, 2025
    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫৪ – নরপশু

    July 22, 2025
    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫৩ – ধর্মগুরু

    July 22, 2025
    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫২ – কালো কুয়াশা

    July 22, 2025
    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫১ – মায়া মন্দির

    July 22, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }