Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    মাসুদ রানা ৪৬৭ – শকওয়েভ

    কাজী আনোয়ার হোসেন এক পাতা গল্প446 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    শকওয়েভ – ৬৭

    সাতষট্টি

    সেলেনার নির্জীব শরীর ঢেকে দেয়া ডালপাতাগুলো সরিয়ে, জড়িয়ে ধরল ওকে রানা। টেনে তুলল পাড়ের আরও উঁচুতে।

    জামাকাপড় ছিঁড়ে গেছে মেয়েটার। নীলচে-বেগুনি রং ধারণ করেছে ঠোঁট জোড়া। শরীরটা ঠাণ্ডা হয়ে আছে মরা মানুষের মত। নানা রকম কাটাছেঁড়ার দাগ দেহের উন্মুক্ত অংশে। ডালের খোঁচা লেগে হয়েছে ওগুলো। তবে সিংহভাগ রক্তের উৎস হেয়ারলাইনের ঠিক নিচের গভীর ক্ষতটা। যেখানটায় রক্ত নেই মুখে, পাঁশুটে দেখাচ্ছে জায়গাগুলো।

    হাঁটু গেড়ে বসল রানা মেয়েটার পাশে। এক মুহূর্তও দেরি না করে কাত করে দিল ওকে বাঁ দিকে। ফিনকি দিয়ে পানি বেরিয়ে এল সেলেনার মুখ দিয়ে।

    ‘কিচ্ছু হয়নি… কিচ্ছু হয়নি তোমার!’ বিড়বিড় করে, পালস খুঁজছে রানা। ওর নিজের হৃৎপিণ্ড দামামা বাজাচ্ছে বুকের খাঁচায়।

    নাহ… পাওয়া গেল না নাড়ি!

    তাড়াতাড়ি সিপিআর দেয়া শুরু করল রানা। নিজের বুকের সবটুকু বাতাস ভরে দিল ও সেলেনার মুখে। বরফের মত ঠাণ্ডা আর প্রাণহীন মনে হলো মেয়েটার ঠোঁটের স্পর্শ। সোজা হয়ে বসে বুকের উপর চাপ দিতে লাগল ফুসফুস দুটোকে সচল করার জন্য।

    নাহ… কাজ হচ্ছে না!

    হাল না ছেড়ে পুনরাবৃত্তি করল প্রক্রিয়াটার।

    নাহ!

    আবার। নাহ!

    আবারও।

    ছোট্ট একটা কাশি দিয়ে উঠল মেয়েটা! তার পরই কাশির বেগ বেড়ে গেল বেদম। বন্ধ চোখের পাতা জোড়া কাঁপতে লাগল তিরতির করে।

    আবার ওর নাড়ির স্পন্দন দেখল রানা। এত ক্ষীণ আর অনিয়মিত যে, ফের থেমে যেতে পারে যখন-তখন।

    ‘পাওয়া গেছে ওকে!’ হাঁকল রানা গলার সবটুকু জোর দিয়ে। ‘এই যে… এদিকে!’

    এক সেকেণ্ড পর চিৎকার করে সাড়া দিল সিআইএ এজেন্ট।

    ধীরে ধীরে চোখ দুটো খুলে গেল সেলেনার। প্রথমে মনে হলো, দেখতে পাচ্ছে না কিছু। আস্তে আস্তে ভাষা ফুটল চোখে। ঠোঁটে ফুটল এক চিলতে হাসি।

    ‘রানা!’ প্রায় শোনাই গেল না কণ্ঠটা।

    ‘এই তো আমি!’ খুশি আর শঙ্কায় লাফাচ্ছে রানার হৃৎপিণ্ড। ‘দুঃখিত তোমাকে ছেড়ে যাওয়ার জন্যে!’

    ‘রানা…’ কিছু যেন বলতে চাইছে সেলেনা। সংজ্ঞা হারানোর কারণে এবারেও শেষ হলো না কথা।

    চট্ করে আবার নাড়ি দেখল রানা। না, আছে। বোঝা যায় কি যায় না।

    ‘তাড়াতাড়ি আসুন, মিস্টার কোহেন!’ চেঁচিয়ে উঠল ও। তক্ষুণি দেখা গেল ওকে। পিছলে নেমে এল কোহেন কাদাটে পাড় বেয়ে।

    ‘ঠিক আছেন তো উনি?’

    ‘ভালো ঠেকছে না মাথার আঘাতটা।’ নিজের কানেই বেখাপ্পা শোনাল গলাটা রানার কাছে। ‘সাহায্য করুন আমাকে। হাসপাতালে নেয়া দরকার এক্ষুণি।’

    ‘তুলব কী করে উপরে?’ ঘন গাছে ছাওয়া দুরারোহ ঢালের দিকে চেয়ে বলল কোহেন।

    ‘এদিক নয়, ওদিক দিয়ে যাব।’ পুব দিক নির্দেশ করল রানা। জায়গাটা নিচু। ‘ওদিকটায় গাছপালা নেই। কোথাও- না-কোথাও রাস্তা পাওয়া যাবে নিশ্চয়ই।’

    ‘কিন্তু একমাত্র উঁচু জায়গাগুলোই ডোবেনি পানিতে।’ তবে এ-ও লক্ষ করল কোহেন, আগের চাইতে দ্রুত হ্রাস পাচ্ছে পানি।

    দীর্ঘ, প্রাণান্ত পরিশ্রম হলো দু’পাশ থেকে সংজ্ঞাহীন দেহটা ধরে উতরাই বেয়ে নামতে গিয়ে। পলিমাটি আর দুর্ভেদ্য ঝোপঝাড়ের মাঝ দিয়ে কায়ক্লেশে পেরোতে হচ্ছে শৈলশিরা।

    মাটির কাছাকাছি নেমে আসছে সূর্যটা। সন্ধ্যা নামার বাকি নেই বেশি।

    কালশিটে পড়া গোড়ালি ম্যাসাজ করার জন্য একটু পর পর থামতে হচ্ছে কোহেনকে।

    যতই এগোচ্ছে, ততই পাতলা হয়ে আসছে গাছগাছালি। ফাঁকায় বেরিয়ে এসে এই প্রথম অনুধাবন করতে পারল ওরা ধ্বংসলীলার মাত্রাটা।

    পুরোপুরি নেমে গেছে এখন বানের পানি। প্লাবনের স্মৃতি হিসাবে ছোটবড় কয়েকটা পুকুর রেখে গেছে স্থানে স্থানে। ডুবন্ত সূর্যের লালচে আভায় কী রকম বিচিত্র দেখাচ্ছে চরাচর। সিক্ত ধ্বংসক্ষেত্রটা দেখে মনে হচ্ছে, হিরোশিমা- নাগাসাকির মত নিউক্লিয়ার বিস্ফোরণ ঘটানো হয়েছে এখানটায়।

    ‘হায়, মা মেরি!’ আঁতকে উঠল কোহেন। ‘মানুষ, না পিশাচ ওরা? কেমন করে করতে পারল এটা!’

    ‘আবারও করবে!’ ক্রুদ্ধ মুখভঙ্গি করল রানা। ‘যদি না ওদের থামানো যায়!’

    একটা তৃণভূমিতে এসে পৌঁছেছে ওরা। কাদা আর আবর্জনার সুবিশাল প্রান্তর এখন ওটা। প্রায় লীন হয়ে গেছে মাঠ চিরে ঘুরে ঘুরে চলে যাওয়া সরু আলপথ।

    আবার শুরু হলো হাঁটা। জনমানবহীন, সুবিস্তৃত ধ্বংসযজ্ঞের পটভূমিতে তিনটে মাত্র চলমান, খুদে অবয়ব।

    কোথাও-না-কোথাও জনমানুষের দেখা মিলবে নিশ্চয়ই। নিশ্চয়ই সব কিছু ধ্বংস হয়ে যায়নি বন্যার ছোবলে।

    যুদ্ধক্ষেত্রে আহত সৈনিককে যেভাবে বহন করে সহযোদ্ধা, তেমনিভাবে কাঁধের উপর তুলে নিয়েছে রানা মেয়েটাকে। সেলেনার শ্বাসপ্রশ্বাস অনুভব করছে ও নিজের শরীরে। ধীর আর সংক্ষিপ্ত।

    চলতে চলতে বাধা পেল ওরা। উল্টে যাওয়া একটা ট্রাক আটকে রেখেছে রাস্তা। আবর্জনার পাহাড় জমেছে যানটার উপর। স্টিয়ারিং ধরা অবস্থাতেই ডুবে মরেছে হতভাগ্য ড্রাইভার।

    ট্রাকটার পাশ দিয়ে বর্জ্যের ঢিপি পেরিয়ে এগিয়ে চলল রানা আর কোহেন।

    নামতে শুরু করেছে তাপমাত্রা। প্রশস্ত, কালো ডানা ছড়িয়ে নেমে আসছে সন্ধ্যা। বোঝা যাচ্ছে, খুব ঠাণ্ডা পড়বে রাতে।

    ‘ধরব ওঁকে কিছুক্ষণের জন্যে?’ আরও আধঘণ্টা ক্লান্তিকর পথচলার পর প্রস্তাব করল সিআইএ এজেন্ট।

    উপকার হতো ধরলে। কিন্তু মেয়েটাকে ছেড়ে দেয়ার মত ভুল করতে চায় না রানা দ্বিতীয় বার। তা ছাড়া কোহেনেরও পায়ে ব্যথা।

    ‘ধন্যবাদ, মিস্টার কোহেন,’ আন্তরিকতার সঙ্গে এড়িয়ে গেল রানা।

    ‘ফিল বলে ডাকুন আমাকে। প্লিজ।’

    ‘ঠিক আছে, ফিল। না পারলে বলব তখন আপনাকে। আপনার অবস্থাও তো সুবিধের মনে হচ্ছে না।’

    ‘চিন্তা করবেন না ও-নিয়ে।’

    এর পর ফুরিয়ে গেল কথা।

    আঁধার যত ঘনাচ্ছে, ততই সেলেনাকে নিয়ে দুশ্চিন্তা বাড়ছে রানার। শিগগিরই সুচিকিৎসা দরকার সেলেনার। তা না হলে… ভাবতে চায় না বাকিটা। কোহেনের পায়ের ব্যথা খারাপের দিকে গেলে দেরি হয়ে যাবে আরও-এ নিয়ে ও চিন্তা কম নয়। গোঁয়ারগোবিন্দের মত খুঁড়িয়ে খুঁড়িয়ে পাশে পাশে আসছে কোহেন। মচকানো গোড়ালি নিয়ে কেমন লাগে হাঁটতে, সে-অভিজ্ঞতা নতুন নয় তার কাছে।

    দুঃস্বপ্নভূমি পেরিয়ে এসেছে ওরা। অদ্ভুত রকমের স্বাভাবিক এখন আঁকাবাঁকা পথটা। কোনও কালেই ঘটেনি যেন কোনও ধরনের প্রাকৃতিক দুর্যোগ।

    শিগগিরই অপেক্ষাকৃত বড় আরেকটা রাস্তায় গিয়ে পড়ল দু’জনে। সত্যিকার অর্থেই টের পাওয়া যাচ্ছে এখন দুর্যোগের ভয়াবহতা। মৃত আর আহতয় বোঝাই অসংখ্য ট্রাক, কার পেরিয়ে যাচ্ছে ওদের। এমনকী মোটরসাইকেলগুলোকেও অস্থায়ী ট্রেলার টানতে হচ্ছে। সুদীর্ঘ আলোর মিছিল যেন গাড়ির সারিগুলো। ধপ্ আওয়াজে যান্ত্রিক পতঙ্গের কালো কালো অবয়বগুলো সাঁঝের আকাশ-বাতাস প্রকম্পিত করে ছুটে চলেছে দুর্গত এলাকার দিকে।

    রেসকিউ অপারেশন শুরু হলো তা হলে! সময়সাপেক্ষ, অসম্ভবপ্রায় কাজটা। শেষ পর্যন্ত মৃতের সংখ্যা কততে গিয়ে ঠেকবে, অনুমানেও আসছে না রানার। তার পর রয়েছে পঙ্গু কিংবা আহতরা, কখনোই যারা আর ফিরতে পারবে না স্বাভাবিক জীবনে।

    গোঁ গোঁ করতে করতে পিছন-খোলা একটা ট্রাক পেরিয়ে গেল ওদের। খোলা অবস্থায় ঝুলছে টেইলগেটটা। আতার বিচির মত অন্ধকারে দেখতে পেল রানা, মানুষ উপচে পড়ছে গাড়িটার ফ্ল্যাটবেড থেকে। তবে এতটা নয় যে, আরও তিন- চারজনের জায়গা হবে না।

    ছুটল ও হুমড়ি খেয়ে। ঝাঁকুনিতে মেয়েটার ক্ষতি যাতে না হয়, খেয়াল রেখেছে যথাসাধ্য।

    ‘দাঁড়ান, ভাই… একটু দাঁড়ান!’ হাঁক দিল ও ট্রাক ড্রাইভারের উদ্দেশে।

    রানার ডাক অগ্রাহ্য করে চলে যাবে মনে হচ্ছিল ট্রাকটা। কিন্তু না, থামল ওটা।

    টেইলগেটের দিকে এগিয়ে যেতেই সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিল কয়েকজন। সযতনে ধরে তুলে একজনের বিছিয়ে দেয়া কম্বলে শুইয়ে দিল মেয়েটাকে।

    এর পর কোহেনকে উঠতে সাহায্য করে, নিজেও সেলেনার পাশে উঠে বসল রানা।

    চলতে শুরু করল গাড়ি।

    রাস্তাটা এবড়োখেবড়ো। যত বারই কাত হচ্ছে ট্রাক, ককিয়ে উঠছে আহতরা।

    নয়-দশ বছরের এক বাচ্চা মেয়ের মাথায় ব্যাণ্ডেজ পেঁচানো। মুখটা রক্তে মাখামাখি।

    এক ইন্দোনেশিয়ানের ঊরুর হাড়ে কমপাউণ্ড ফ্র্যাকচার হয়েছে। ব্যথায় খিঁচিয়ে রেখেছে চেহারা। রাতের শীতল বাতাসেও সর্বাঙ্গ ভিজে গেছে ঘামে।

    কথা বলার মত অবস্থায় নেই আহতদের সঙ্গী অধিকাংশ লোকই।

    আটাশ-ঊনতিরিশ বছরের শ্বেতাঙ্গ এক টুরিস্ট লিয়ঁ-র জেরার্ড বলে পরিচয় দিল নিজের। চিন্তায় চিন্তায় শেষ হয়ে যাচ্ছে লোকটা। সুনামি এসে আঘাত হানার পর বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে সে স্ত্রীর কাছ থেকে। বউয়ের ছবি দেখিয়ে জিজ্ঞেস করল, রানা ওকে দেখেছে কি না।

    ‘না’ বলতে হলো রানাকে।

    ইনল্যাণ্ডের দিকে ছোটা অন্য কোনও ট্রাকে হয়তো উঠতে পেরেছে মেয়েটা—এই বলে নিজেকে প্রবোধ দেয়ার চেষ্টা করল ফরাসি। আশা করছে, সহি-সালামতেই খুঁজে পাবে ওকে পাদাং পানজাঙের হসপিটালে। বেশির ভাগ যাত্রীরই গন্তব্য ওটা।

    কাজ চালানোর মত ইংরেজি জানে ফিতরি নামে স্থানীয় এক মহিলা। কাঁদতে কাঁদতে বলল, উপকূলের এক গাঁয়ে বাস করত পরিবার-পরিজন নিয়ে। সবাইকে হারিয়েছে প্রলয়ঙ্করী জলোচ্ছ্বাসে।

    বেচারিকে কী বলে সান্ত্বনা দেবে, ভেবে পেল না রানা। খটরমটর ঝাঁকুনি খেতে খেতে ছুটে চলেছে ট্রাক। গাড়ির গায়ে হেলান দিয়ে চোখ বুজে রয়েছে কোহেন। বুকের উপর ঝুলে পড়েছে মাথাটা।

    রানার কাছে মনে হচ্ছে, পেরিয়ে যাচ্ছে যুগের পর যুগ। একটু পর পর রক্ত মুছে দিচ্ছে মেয়েটার মুখ থেকে। কতক্ষণে জ্ঞান ফিরবে ওর, অধীর হয়ে রয়েছে সেই প্রতীক্ষায়। বয়স্কা এক মহিলা কায়মনোবাক্যে প্রার্থনা করছে সেলেনার একটা হাত নিজের মুঠোয় নিয়ে।

    এক মুহূর্তের বিরাম নেই আহতদের যন্ত্রণাকাতর বিলাপধ্বনিতে। স্বজন হারানো মানুষগুলো কাঁদছে নীরবে, কেউ কেউ ঠায় বসে রয়েছে কাঠপুতুলের মত। সহধর্মিণীকে খুঁজে পাওয়ার প্রত্যাশায় অনর্গল বকে চলেছে ফরাসি লোকটা।

    রেসকিউ কনভয়ে যোগ দেয়া গাড়ির মিছিল ওদের পিছনে। আরও সারভাইভার নিয়ে দ্রুতগামী পিকআপ ট্রাক- কারগুলো শাঁ করে চলে যাচ্ছে আগে।

    চরম ব্যস্ততা দেখা গেল হাসপাতালে পৌঁছে। এক জায়গায় এত কোলাহল এর আগে কোথাও দেখেছে বলে মনে করতে পারল না রানা। ট্রাক যখন গেট দিয়ে ঢুকছে, ফ্লাডলাইটের আলোয় আলোকিত নরক বলে মনে হলো গাড়ি আর মানুষে ঠাসাঠাসি চিকিৎসাকেন্দ্রটাকে। এমার্জেন্সি ওয়ার্ডের দিকে ছুটছে যেন সবাই ধাক্কাধাক্কি করে। অস্থায়ী অ্যামবুলেন্স, ট্রাক, প্রাইভেট কার, ঠেলাগাড়িতে; এমনকী পায়ে হেঁটেও লোকজন আসছে চিকিৎসা নিতে।

    বুঝতে কষ্ট হয় না, সহ্যের ক্ষমতা হারিয়ে ত্রাহি মধুসূদন দশা হাসপাতাল কর্মচারীদের। খোঁড়া, রক্তাক্ত, ব্যাণ্ডেজ জড়ানো, মৃত্যুপথযাত্রীর অবিরাম ঢল আর আতঙ্কিত আর্তনাদে স্তম্ভিত ওরা।

    এরই মধ্যে পৌঁছে গেছে টিভি চ্যানেলের রিপোর্টার আর ক্যামেরাপার্সনরা। ভটভট আওয়াজে ক’মিনিট পর পরই আসা-যাওয়ার মধ্যে রয়েছে হেলিকপ্টারগুলো। রোটরের হাওয়ায় ভিড় ঠেলে এগোনো প্যারামেডিকরা হয়রান হয়ে যাচ্ছে স্ট্রেচারগুলোর চাদর সামলাতে সামলাতে।

    ‘তিল-ঠাঁই-আর-নাহি-রে’ অবস্থা হাসপাতালের ভিতর। যত বেশি সম্ভব, সেবা দেয়ার চেষ্টায় ছুটোছুটিরত ডাক্তার- নার্সদের হাঁকডাকে সরগরম করিডোর। ঠাস ঠাস করে খুলছে আর বন্ধ হচ্ছে দরজাগুলো।

    হাতপা ভাঙা পেশেন্টদের বয়ে নেয়া হচ্ছে রক্তাক্ত চাদরে ঢেকে, সবাই জীবিতও নয়। চিকিৎসা পাওয়ার অপেক্ষায় নারী, পুরুষ, শিশু মানবেতরভাবে গাদাগাদি করে রয়েছে হাসপাতাল করিডোরে

    মেঝেময় রক্ত। সাফ করতে করতে নাকাল হচ্ছে পরিচ্ছন্ন-কর্মীরা।

    প্রিয়জন হারানো মানুষগুলো উদ্ভ্রান্তের মত সন্ধান করে ফিরছে ভিড়ে ভিড়াক্কার হাসপাতালের আনাচে-কানাচে, ডাকাডাকি করছে স্বজনদের নাম ধরে। সঙ্গে থাকা ছবি দেখাচ্ছে একে-তাকে। নেতিবাচক উত্তর পেলে ছুটে যাচ্ছে আরেকজনের কাছে। কান্না, চিৎকার, গোলমাল আর বিচ্ছিরি গন্ধের ঘূর্ণিপাকে পড়ে ঝিমঝিম করে উঠল রানার মাথা। লাল, নীল, হলুদ রং দুলছে চোখের সামনে। ভোঁ ভোঁ করছে দুই কান।

    এরই মাঝ দিয়ে বয়ে নিয়ে চলেছে ও সেলেনাকে।

    শেষ পর্যন্ত পাওয়া গেল এক সিস্টারকে। ক্রন্দনরত এক পরিবার হারানো শিশু আর এক মরণাপন্নকে দেখার মাঝে সময় দিতে পারল ওকে কয়েকটা সেকেণ্ড।

    পেশেন্টের অবস্থা বুঝে ভিড়াক্রান্ত করিডোর ধরে পথ দেখিয়ে নিয়ে এল এক ওয়ার্ডে। ওরাও ঢুকল, এক পেশেন্টকে সার্জারিতে নিয়ে যাওয়ার কারণে খালি হলো একটা বিছানা।

    যত্নের সঙ্গে সেলেনার অচেতন দেহটা বেডে শুইয়ে দিল রানা। গায়ের উপর চাদর টেনে দিল নার্স। দশ মিনিটের মধ্যেই ফিরে আসছে, কথা দিয়ে ত্বরিত পায়ে হারিয়ে গেল মহিলা গোলমালের মধ্যে।

    দশ মিনিট নয়, পঁচিশ মিনিট পর দেখা মিলল নার্সের। বুকে ‘ডক্টর আবদুল্লাহ’ লেখা ব্যাজ আঁটা মাঝবয়সী এক ইন্দোনেশীয়কে নিয়ে এসেছে সঙ্গে করে। টানা কয়েক দিন ঘুমাননি মনে হচ্ছে লোকটাকে দেখে।

    ‘দেখবেন একটু, ডক্টর!’ সকাতরে বলল রানা। ‘অনেকক্ষণ ধরে অজ্ঞান হয়ে আছে!’

    মাথার গভীর ক্ষতটা পরীক্ষা করে চিন্তিত মনে হলো ডাক্তারকে। এক এক করে চোখের পাতা তুলে আলো ফেললেন মণিতে। রোগিণীর ব্যাপারে বেশ ক’টা প্রশ্ন করে সংক্ষেপে রায় জানালেন রানাকে: একিউট কঙ্কাশন।

    হড়বড় করে ভাঙা ভাঙা ইংরেজিতে এর পর যে- কথাগুলো বললেন ভদ্রলোক, সেখান থেকে ‘সাবঅ্যারাকনয়েড ব্লিডিং’ এবং ‘সাবডিউরাল হেমাটোমা’-র মত ভীতিকর শব্দগুলো ধরতে পারল রানা। অবস্থা কতখানি গুরুতর, জানতে চাইল ও।

    ভবিষ্যদ্বাণী করতে রাজি হলেন না ডাক্তার। তবে দুই- তিন সেকেণ্ডের জন্য চেতনা ফিরলে যে চিনতে পেরেছে রানাকে, মনে করতে পেরেছে ওর নাম—এটা ভালো লক্ষণ বলে জানালেন। যদিও বেশ সিরিয়াস আঘাতটা। এক্স-রে করার আগপর্যন্ত এর বেশি মন্তব্য করা সম্ভব নয়।

    মেয়েটার পাশ ছেড়ে যাওয়ার ইচ্ছা ছিল না রানার। তার পরও বেরোতে হলো ওয়ার্ড ছেড়ে। সেলেনার বেডের চারপাশে পর্দা টেনে দিয়েছে নার্স। শুরু করেছে কাপড় খোলার কাজ। এক্স-রের আগে ভালো মত ধুয়ে ব্যবস্থা নিতে হবে ক্ষতগুলোর। কোনও রকম অযত্ন হবে না ওর, আশ্বাস দিয়েছে মহিলা।

    কোনও মতে নিজেকে খাড়া রেখেছে রানা। বড় একটা চিন্তা দূর হওয়ায় এতক্ষণে ব্যথা মালুম হচ্ছে শরীরের নানা জায়গার আঘাতগুলোয়।

    ‘কিছু হয়নি আমার,’ বলল বটে, তা-ও জোর করে বসিয়ে দিল ওকে আরেক সেবিকা। পরীক্ষা করবে রানাকে।

    সিরিঞ্জের মাধ্যমে অ্যান্টিবায়োটিক আর পেইনকিলার পুশ করে দিয়ে ছুটে বেরিয়ে গেল মহিলা নতুন কোনও ক্রাইসিস হ্যাণ্ডেল করতে। প্রতীক্ষমাণ অসংখ্য মানুষকে মনোযোগ দিতে গিয়ে কর্মী-মৌমাছির মত অবিশ্রাম ছুটোছুটি করতে হচ্ছে ওদের মত আরও অনেককে।

    হলওয়েতে একটা কোনা খুঁজে নিয়ে ধপ্ করে মেঝেতে বসে পড়ল রানা দেয়ালে পিঠ ঠেকিয়ে। হতক্লান্ত ও। ধসে পেছে একেবারে। বসে বসে এখন প্রতীক্ষা আর শুভকামনা ছাড়া আর কিছু করার নেই।

    মাথা নিচু করে মনে মনে ভাবছে রানা এর পরের কর্তব্য। এত দূর পর্যন্ত যে আনতে পেরেছে ওকে, সেজন্য নিজের উপর সন্তুষ্ট ও। এখন ভালোয় ভালোয় ওকে দেশে ফেরত পাঠাতে পারলে…

    চোখ বন্ধ করে কতক্ষণ এভাবে বসে আছে, বলতে পারবে না রানা। ক্লান্তি ও দুর্বলতা সত্ত্বেও এক ফোঁটা ঘুম নেই ওর চোখে। উদ্বেগ, যন্ত্রণা আর অনিশ্চয়তা ছাপিয়ে নতুন এক অনুভূতি মাথাচাড়া দিচ্ছে মনের মধ্যে। মগজ গুলিয়ে দেয়া তীব্র এক আলোড়ন। গনগনে ইস্পাতের ফলা ঠাণ্ডা পানিতে চুবালে যেরকম শক্ত হয়ে ওঠে, হিমশীতল ক্রোধে তেমনি আচমকা দৃঢ় হয়ে গেল মুঠো। রক্তের বান ছুটল ওর শিরায়, ধমনিতে।

    কারও উপস্থিতি টের পেয়ে চোখ মেলল রানা।

    ওর উপর ঝুঁকে দাঁড়ানো অবস্থা থেকে সোজা হলো ফিল কোহেন।

    ‘শিয়োর ছিলাম না, আপনাকে আবার দেখতে পাব কি না,’ বলল সে এক চিলতে হেসে। ‘কেমন আছেন উনি?’

    ‘জানি না এখনও। ভুলেই গিয়েছিল রানা কোহেনের কথা।

    ‘বসি এখানে?’

    ‘হ্যাঁ, হ্যাঁ… বসুন না!’

    ‘থপ্পাস’ করে টাইলস বসানো মেঝেতে রানার পাশে বসে পড়ল লোকটা

    ‘কোডিন দিয়েছে এরা,’ বলল মুখ বিকৃত করে। ‘তা-ও কী যে যন্ত্রণা করছে শালার-পো-শালা গোড়ালিটায়! মনে হচ্ছে, এক লাফে ছাত ফুঁড়ে উঠে যার আকাশে।’

    ঠোঁটের কোণে সহানুভূতির হাসি টেনে আনল রানা।

    ‘বিয়ার টিয়ার পাওয়া গেলে মন্দ হতো না। ঠোঁট চাটল সিআইএ এজেন্ট। ‘সাহারা মরুভূমি হয়ে আছে গলার ভিতরটা।’

    ‘সার্জিকাল স্পিরিটে কাজ চলবে?’ রসিকতা করল রানা। ‘সেটার ব্যবস্থা মনে হয় করা যাবে।’

    দু’জনেই হাসল ওরা।

    ‘চিন্তা করবেন না, রানা।’ কিছুক্ষণ নীরব থাকার পর বলে উঠল কোহেন। ‘সুস্থ হয়ে উঠবেন মিস বার্নহার্ট।’

    ‘তা-ই যেন হয়, মিস্টার কোহেন। ‘

    ‘ফিল’ মনে করিয়ে দিল কোহেন।

    ‘ও, হ্যাঁ… ফিল।’

    ‘অনেক দিন ধরে একসঙ্গে বোধ হয় আপনারা? সরি… ব্যক্তিগত প্রশ্ন করে ফেললাম হয়তো… ‘

    ‘যা ভাবছেন, ওরকম কিছু নয়।’ বিব্রত রানা। ‘ভালো বন্ধু আমরা–ব্যস।’

    ‘মাফ করবেন। যেভাবে উতলা হয়ে পড়েছিলেন… অন্য কিছু ভেবেছিলাম সেজন্যে…

    চুপ রইল রানা।

    মুখচোখ কঠিন হয়ে উঠল কোহেনের। মুহূর্ত কয়েক তাকিয়ে রইল টাইলসের দিকে। পরিষ্কার বোঝা যাচ্ছে, ডুব দিয়েছে স্মৃতির সাগরে।

    ‘সিণ্ডি আর আমি…’ বলে উঠল দূরাগত কণ্ঠে। শীঘ্রি বিয়ে হতে যাচ্ছিল আমাদের!’

    ‘দুঃখিত…’ বলতে পারল শুধু রানা।

    অদৃষ্টের উদ্দেশে ভেংচি কাটল যেন কোহেন। ফাঁকা দৃষ্টিতে চেয়ে রয়েছে শূন্যে।

    ‘অন্য প্রসঙ্গে কথা বলি, আসুন,’ প্রস্তাব করল রানা। ‘কোরে ছিলেন বলছিলেন…’

    ‘হ্যাঁ। সেমপার ফাই—মানে, ‘অলওয়েজ ফেইথফুল’ তকমা জুটিয়ে নিয়েছি মানুষকে গর্ব করে দেখানোর জন্যে। রক্তাক্ত, নোংরা শার্টের আস্তিন উপরে তুলল কোহেন।

    গ্লোবের উপর বসা একটা আমেরিকান ইগল শোভা পাচ্ছে এক্স-মেরিনের বাহুতে। গোলকটার পিছনে নোঙর আঁকা। ছবিটার মত নিচের নীল হরফগুলোও ঝাপসা হয়ে এলেও পড়া যাচ্ছে এখনও ইউএসএমসি আর তার উপর মেরিন কোরের নীতিবাক্য সেমপার ফিডেলিস কথাটা।

    ‘সাত বচ্ছর ছিলাম ওখানে,’ জানাল কোহেন।

    ‘এখনও সেই ধার আছে আপনার?’ রানার জিজ্ঞাসা । হতাশ চেহারা করল লোকটা। ‘মনে হয়, আর জনমের ঘটনা সেগুলো। তবে আপনি বোধ হয় ভোলেননি কিছু! মেজর বলে ডাকছিল ওরা আপনাকে…

    ‘হ্যাঁ, বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে ছিলাম একটা সময়।’

    ‘ছাড়লেন কেন? নাকি…..’

    ‘সে অনেক কথা,’ এড়িয়ে গেল রানা। বুকে সামান্যতম ভয় নেই বলে আর্মিতে যোগ দিয়েছিল ও। দ্রুত পদোন্নতি হচ্ছিল। কিন্তু মেজর জেনারেল রাহাত খানের ডাকে সেনাবাহিনী ছেড়ে এসে যোগ দিয়েছে বাংলাদেশ কাউন্টার ইন্টেলিজেন্সে-সেসব কথা একে বলার মানে নেই কোনও।

    ‘বুঝলাম, বলতে চাইছেন না। অন্য একটা প্রশ্নের জবাব দিন তা হলে। কী করবেন এর পর?’

    ‘বিপদ যদি কেটে যায় সেলেনার, নিরাপদ কোথাও পৌঁছে দিতে হবে ওকে…’

    ‘সেটা না হয় হলো। তার পর?’ রানার চোখের দিকে তাকিয়ে আছে কোহেন।

    ‘আছে কিছু পরিকল্পনা।’

    ‘বুঝতে পারছি বোধ হয়।’ সঙ্কল্প দেখতে পাচ্ছে লোকটা রানার চোখে। ‘সাথে নেবেন আমাকে?’

    কী খুঁজল রানা কোহেনের দৃষ্টিতে। বলল, ‘বেঁচে ফেরার নিশ্চয়তা নেই কিন্তু!’

    ‘প্রতিশোধ ছাড়া আর কিছুই ভাবছি না আমি!’ মৃত প্রেয়সীর অনিন্দ্য সুন্দর মুখটা ভেসে উঠল সিআইএ এজেন্টের মানসপটে। ধকধক প্রতিহিংসার আগুন জ্বলছে দুই চোখে।

    উপরনিচে মাথা দোলাল রানা। ডান পাঞ্জাটা বাড়িয়ে দিয়ে বলল, ‘হাত মেলান তা হলে। ফ্যান্টম হোল্ডিংস আর পসাইডন সম্পর্কে যা যা জানেন, সব বলুন আমাকে।’

    করমর্দনের মাধ্যমে অলিখিত চুক্তি হয়ে গেল দুই অগ্নিপুরুষের মাঝে

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65 66 67 68 69 70 71 72 73 74 75 76 77 78 79
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleমাসুদ রানা ০৭২-৭৩ – সেই উ সেন (দুই খণ্ড একত্রে)
    Next Article মাসুদ রানা ৪৬৪ – স্ট্রেঞ্জার

    Related Articles

    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৩৮৫-৩৮৬ – হ্যাকার (দুই খণ্ড একত্রে)

    July 22, 2025
    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫৬ – টপ টেরর

    July 22, 2025
    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫৪ – নরপশু

    July 22, 2025
    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫৩ – ধর্মগুরু

    July 22, 2025
    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫২ – কালো কুয়াশা

    July 22, 2025
    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫১ – মায়া মন্দির

    July 22, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }