Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    মাসুদ রানা ৪৬৮ – স্বর্ণলিপ্সা

    কাজী মায়মুর হোসেন এক পাতা গল্প393 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    স্বর্ণলিপ্সা – ২০

    বিশ

    ক’দিন আগের কথা।

    সংসার জীবনে প্রবেশ করে বেন হ্যানন প্রায় ভুলেই গিয়েছিল যুদ্ধের ময়দান কত ভাল লাগত তার। আর এজন্যেই মিলিটারি জীবনটাকে এত ভালবাসত। লড়তে গেলে যেভাবে উত্তেজিত হয় হৃৎপিণ্ড, তেমন মজা আর কোনও কাজে নেই। তার ওপর এবার লড়বে প্রিয় ভাতিজার জন্যে। বেচারা গুরুতরভাবে আহত হয়ে পড়ে আছে হাসপাতালে। এর পেছনে যারা দায়ী, এক এক করে সবার পাওনা সুদে-আসলে মিটিয়ে দেবে সে।

    ইনভার্নেস শহর থেকে ফেরার সময় কিনলোকার্ড গ্রামে না গিয়ে সরাসরি লক আরডাইকের তীরে ঘন পাইনের জঙ্গলে ক্যাম্পার ভ্যান রেখেছে সে। সদ্য কেনা ছোরা দিয়ে গাছের ডালপালা কেটে ওগুলো দিয়ে ঢেকে দিয়েছে গাড়িটাকে। এতই নিখুঁত ক্যামোফ্লেজ, দু’ফুট দূর দিয়ে গেলেও কেউ বুঝবে না এদিকে ওঁৎ পেতে বসে আছে বেন।

    দিনের বাকি সময় কমাণ্ড সেন্টারে বসে মনে মনে গুছিয়ে নিয়েছে সে তার রণকৌশল। বুঝে গেছে, যেখানে পাওয়া গিয়েছিল রবার্টের ভাসমান লাশ, পোচারকে খুঁজে বের করতে হলে যেতে হবে তার উল্টোদিকের তীরে। অবশ্য, ভয় পেয়ে এই এলাকা ছেড়ে পালিয়ে যেতে পারে লোকটা। সেক্ষেত্রে হয়তো কোনদিনই সত্যটা জানবে না বেন।

    এটা ভাবতে গিয়ে তিক্ত হয়ে গেল তার মন।

    পিটারের বাড়ি ত্যাগ করার পর থেকে যোগাযোগ করা হয়নি মিরাণ্ডার সঙ্গে। এখন একা বসে আছে জঙ্গলে মানুষ শিকার করতে। বেচারি মিরাণ্ডা বোধহয় আছে খুব দুশ্চিন্তায়। এ-কথা ভাবতে গিয়ে বুক চিরে দীর্ঘশ্বাস বেরোল বেনের। স্থির করল, কাজ শেষ হলে আর কখনও স্ত্রীকে ফেলে কোথাও যাবে না। এক্কেবারে তিন সত্যি, মনে মনে শপথ নিল বেন।

    ক্যাম্পার ভ্যানে বসে পার করল দিনটা। এরপর হঠাৎ করেই জঙ্গলে ঝুপ করে নামল ঘুটঘুটে কালো আঁধার রাত। সেদ্ধ শিমের বিচি আর পাউরুটি দিয়ে সেরে নিল ডিনার। পর পর দু’বার নিল দুই মগ কালো ঘন কফি। জ্বলন্ত গ্যাস স্টোভের গুণে ভ্যানে প্রবেশ করতে পারল না কনকনে শীত। মাঝরাত হওয়ার পর ক্রসবো আর ব্যাগ নিয়ে তৈরি হলো বেন। ক্ষুরধার ছয়টা তীর নিয়ে ধনুকের অনবোর্ড তূণে রাখল। তার ধারণা, বড় ধরনের বিপদ তৈরি করবে না পোচার। তবে সতর্ক থাকা ভাল। তাই সশস্ত্র হয়ে নিয়েছে। এবার পরল ঘিলি সুটের কোট-প্যান্ট। মাথায় নাইট-ভিশন গগলসের হেড হার্নেস আটকে নিল পোশাকের ওপরের অংশে। কাজ শেষ হলে নিঃশব্দে নেমে পড়ল গাড়ি থেকে। অন্ধকার জঙ্গলে এগিয়ে চলল লক আরডাইকের উত্তর-পশ্চিম তীর লক্ষ্য করে। গগলসের গুণে চারপাশ হয়ে গেছে সাগরের নিচের সবজেটে পরিবেশের মত। বরফে ঢাকা মাটিতে হাঁটলে বিশ্রী আওয়াজ হয়। তবে যাদেরকে ট্রেইনিং দিয়েছে বেন, তারা চলে নিঃশব্দে। বেশিরভাগ কমাণ্ডোর চেয়ে কম আওয়াজ তুলে চলল সে।

    লক আরডাইকের সিকি মাইল দূরে পৌঁছে সরু এক ডাল ভাঙার আওয়াজে হঠাৎ করেই বরফের মূর্তি হলো বেন। শেওলা ও পাতা রঙের সুট মিশে গেছে অন্ধকার ঝোপঝাড়ের সঙ্গে। পেরিয়ে গেল কয়েক মুহূর্ত। তারপর বেনের কয়েক ফুট দূরে এসে থামল সবজেটে পটভূমিতে ছোট এক হরিণ। ওটা কমবয়সী মাদী। গাছের নিচে খাবার খুঁজতে খুঁজতে এগোচ্ছে। সম্পূর্ণ সতর্ক। কোথাও আওয়াজ হলে বা কিছু সামান্য নড়লেই মুহূর্তে চার পা চালিয়ে তীরবেগে উধাও হবে। বেন এতই স্থিরভাবে দাঁড়িয়ে আছে, তার উপস্থিতি টের পেল না জন্তুটা।

    হরিণটার দিকে চেয়ে আনমনে হাসল প্রাচীন যোদ্ধা। মিলিটারি জীবনে বহু হিংস্র মানব-জন্তুকে খতম করে দিয়েছে সে। কেউ বলতে পারবে না নিষ্পাপ কোনও প্রাণীকে কখনও কষ্ট দিয়েছে। সুতরাং এই কমবয়সী হরিণীরও ক্ষতি হবে না। চারফুট দূর দিয়ে গেল ওটা। ভয় যেন না পায় তাই চুপ করে অপেক্ষা করল বেন। ওটা বিদায় নেয়ায় আবার এগোল।

    জঙ্গলের ভেতর দিয়ে আধঘণ্টা হেঁটে বেন পৌঁছে গেল লকের তীরে। পাইনের গাছের সারি ঝুঁকে গেছে জলাশয়ের দিকে। এখানে-ওখানে থোকা থোকা কুয়াশা। নাইট-ভিশনের জন্যে মনে হলো ওগুলো বিষাক্ত সবুজ গ্যাস। তীর ধরে আধমাইল হেঁটে আশপাশে কাউকে দেখল না বেন। তবে এসএএস ফোর্সে শেখানো হয়েছে ধৈর্য ধরতে। ধীরে ধীরে জঙ্গলের ভেতর দিয়ে আরও আধমাইল গিয়ে ভাবল, বৃথা হয়েছে আজ রাতের অভিযান। অবশ্য শতখানেক গজ যাওয়ার পর দূরে পানির ধারে হঠাৎ করেই দেখল সবজেটে ভুতুড়ে আলো। তা হলে সত্যিই কেউ আছে ওদিকে!

    নিঃশব্দে এগিয়ে চলল বেন। সতর্ক হরিণ টের পায়নি কতটা কাছে ছিল সে। কাজেই সম্ভাবনা খুব কম যে কেউ ওকে দেখতে পাবে। ক্যামোফ্লেজ পোশাকে সে হয়ে গেছে ঝোপের মত। সামনের ওই লোক বড়সড়ো আকারের, শুয়োরের মতই মোটাসোটা। গায়ে ওঅটারপ্রুফ উইন্টার জ্যাকেট। মাথায় উলের ক্যাপ। পায়ে গামবুট। মাছ ধরার সরঞ্জাম গুছিয়ে নিচ্ছে। আরেকটু দেরি হলে তার সঙ্গে আর দেখাই হতো না বেনের। সাদা বরফে ছাওয়া ঝোপের ভেতর স্থির হয়ে দাঁড়াল ও। নিজের মালপত্র নিয়ে ব্যস্ত হয়ে আছে পোচার। লকের তীর থেকে একটু দূরে গাছের সারির ওদিকে সরু পথে দাঁড়িয়ে আছে পুরনো এক সুবারু ফোর-হুইল- ড্রাইভ পিকআপ। ওটার টেইল গেট খুলে সরঞ্জাম তুলল পোচার। আবারও ফিরল জলের ধারে। কুড়িয়ে নিল ছোটখাটো কিছু ইকুইপমেন্ট। গাড়ির কাছে ফিরে বেশ সময় নিয়ে খুলল পায়ের গামবুট। এদিকটা বোধহয় নিজের বাড়ি বলে মনে করে সে। আছে খুব নিশ্চিন্তে। জানে না, একটু দূর থেকে চোখ রেখেছে কেউ। হাঁসফাঁস করতে করতে তীর থেকে এনে গাড়ির পেছনে তুলল লম্বাটে একটা ক্রেট। বেন বুঝল, ওটার ভেতর আছে স্যামন মাছ। ক্রেট যতটা ওজনদার মনে হচ্ছে, আজ রাতে প্রচুর শিকার পেয়েছে লোকটা।

    বেন স্থির করল, একটু পর চোরাই মৎস্য-শিকারি গাড়িতে উঠতে গেলেই কাজে নামবে সে।

    .

    চারঘণ্টা ধরে বরফ-ঠাণ্ডা পরিবেশে থেকে প্রায় জমে গেছে বিলি ম্যাকগ্রার দেহ। এখন ওর মন চাইছে উড়ে গিয়ে কেবিনে পৌঁছে যেতে। আগুন জ্বেলে গপগপ করে গিলবে কয়েক টুকরো র‍্যাবিট পাই। এরপর সিকি বোতল বেল’স উইস্কি গিলে সোজা শুয়ে পড়বে বিছানায়। কম্বলের ভেতর থাকবে গরম পানির বোতল। তাতে সময় লাগবে না ওম পেয়ে ঘুমিয়ে পড়তে। নাহ্, আজ সত্যিই খুব ক্লান্ত সে। হয়তো স্বপ্নে দেখবে ঝাঁকে ঝাঁকে মাছ ধরছে। আর ঘুম থেকে উঠে আরামসে পেট পুরে খাবে ভাজা স্যামন। তা ছাড়া, মাছ বিক্রি করেও পকেটে আসবে নগদ বেশ কিছু টাকা।

    চাকরি নিয়ে কারও বকা খেতে হচ্ছে না তাকে। নানান লকে মৎস্য-শিকার করে ভালই কাটছে অলস জীবন। বহুদিন আগেই বুঝে গেছে, অন্যের হয়ে কাজ করার ধাত তার আসলে নেই। ছোটবেলা থেকেই মিশতে পারে না মানুষের সঙ্গে। তাতে বড় কোনও ক্ষতিও হয়নি। ভাল করেই চেনে এই এলাকা। ভালবাসে প্রকৃতির মাঝে বাস করতে। শহুরে ব্যস্ততা বা হৈ-চৈ নেই এমন জায়গা বেছে নেয়। লক থেকে ধরে নিশ্চিন্তে সাবড়ে দিচ্ছে দারুণ স্বাদের পেটমোটা বড় সব স্যামন মাছ। তার ওপর গোপনে বেআইনি কাজ করার ফলে মনে থাকছে নিষিদ্ধ এক আনন্দ। হয়তো সেজন্যেই বারবার ফিরছে প্রিয় এই লকে। ছোটবেলা থেকে এখানে মাছ ধরছে সে। এ যে কী নেশা, মৎস্য-শিকারি না হলে কেউ বুঝবে না।

    এই নেশা মিশে গেছে আমার রক্তে, ভাবল ম্যাকগ্রা। সেজন্যেই আরডাইক লকে মানুষ খুন হলেও পাত্তা দিচ্ছি না। সাধারণ মানুষ হলে ভুলেও এদিক আর মাড়াত না।

    ম্যাকগ্রার মনে আছে, লোকগুলো ধাক্কা দিয়ে লকে ফেলার সময় কী করুণ আহাজারি আর আর্তচিৎকার জুড়েছিল’ রবার্ট উইলসন। লগি দিয়ে বুক-পেটে গুঁতো মেরে পানির নিচে তাকে তলিয়ে দিল খুনিরা। বারবার ভেসে উঠতে চেয়েছে রবার্ট। বগ-বগ শব্দে গলা দিয়ে ঢুকছিল পানি। এরপর কয়েক মিনিটে ফুসফুসভরা পানি নিয়ে পচা লতাপাতার ভেতর ভেসে উঠল নিস্পন্দ লাশ।

    ঝোপে ঘাপটি মেরে বসে সবই দেখল বিলি। চিনেও গেল খুনিদের দু’জনকে। যদি ওদের চোখে পড়ে যেত, নিজেও খুন হতো। এই ঘন জঙ্গল আর গভীর লক খুব বিপজ্জনক ও নির্জন। চারপাশে ঘুরে বেড়াচ্ছে খুনির দল। এজন্যেই আজকাল খুব সতর্ক থাকে ম্যাকগ্রা। রবার্টের লাশ যেখানে পাওয়া গেছে, সেখান থেকে বারো মাইল পশ্চিমে সরে ইদানীং মাছ ধরছে ও। ঝুঁকি কমাতেই এড়িয়ে গেছে কিনলোকার্ড গ্রাম। ওখানে পার্ক করা আছে তার ভাড়া নেয়া মোবাইল হোম। প্রতিমাসে পয়সা দিতে হচ্ছে ওটার মালিকটাকে। তা যাক! সবসময় তো আর জেতা যায় না! গত ক’দিন হলো জঙ্গলে পরিত্যক্ত পাথুরে এক কুটিরে উঠেছে সে। ছোটবেলায় ওখানেই উঠত বাবার সঙ্গে। মন দিয়ে শিখত কীভাবে চুরি করতে হবে স্যামন মাছ।

    অতীত নিয়ে ভাবতেই তিক্ত হলো ম্যাকগ্রার মন। ভীষণ নিষ্ঠুর ছিল তার বাবা। আদর যেমন করত, তেমনি একটু এদিক-ওদিক হলেই বেধড়ক পেটাত। ঠোঁটের ক্ষতচিহ্নটা স্পর্শ করল সে। বাকি জীবন এটা নিয়েই বাঁচতে হবে তাকে।

    গভীর জঙ্গলে কেবিনটা জরাজীর্ণ হলেও ওখানেই আছে সে। আগে বুঝে নেবে খুনিদের চোখ পড়েছে কি না ওর ওপর। তারপর পরিবেশ স্বাভাবিক বলে মনে হলে ফিরবে গ্রামের মোবাইল হোমে।

    পিকআপের পেছনে বিন ব্যাগে গামবুট রাখল ম্যাকগ্রা। পরে নিল বুটজুতো। অভ্যেসবশত মোবাইল ফোন বের করে দেখল ফেসবুক পেজ। কোনকালেই তার কোনও বন্ধু ছিল না, তাই কেউ যোগাযোগও করে না। রিসেপশন খুব খারাপ জঙ্গলের ভেতর। বুকপকেটে ফোন রেখে আড়মোড়া ভেঙে হাই তুলল সে। ক্লান্ত ভঙ্গিতে বন্ধ করল গাড়ির টেইল গেট। ধীর পায়ে পৌঁছুল ড্রাইভিং দরজার পাশে। ওটা খুলে উঠে পড়ল গাড়িতে। স্টিয়ারিং হুইলে প্রায় ঠেকে গেল ফোলা পেট। ক্রমেই আরও মোটা হয়ে উঠছে সে। তবে তাতে কোনও ক্ষতি নেই। সঙ্গিনী নেই যে ওজন নিয়ে টিপ্পনী কাটবে। দরজা খুললেও জ্বলেনি সুবারু পিকআপের ভেতরের বাতি। গাড়িটা এতই পুরনো, নষ্ট হয়ে যাচ্ছে সব যন্ত্রপাতি। সুইচ টিপে দিতেই ক্যাবের ভেতর জ্বলল হলদে মিটমিটে আলো। আর তখনই প্রথমবারের মত ম্যাকগ্রা দেখল, প্যাসেঞ্জার সিটে বসে আছে ভীষণ বিদঘুটে কোনও প্রাণী!

    আঁৎকে উঠে গাড়ি থেকে নেমে পড়তে চাইল ম্যাকগ্রা। একপলকে বুঝে গেছে, ওটা মানুষ নয়, ভয়ঙ্কর কোনও জন্তু। বোধহয় উঠে এসেছে আরডাইক লকের গভীর থেকে। সারাশরীরে সবুজ লতাপাতা। ম্যাকগ্রার ধাঁ করে মনে পড়ল আরডাইক লক নিয়ে তার দাদার বলা ভীতিকর কাহিনী। কিন্তু ওই পৌরাণিক জন্তুর চোখে হাই-টেক নাইট-ভিশন গগল্স্ থাকার কথা নয়! হাতে আবার কক করা ক্রসবো! ক্ষুরের মত ধারাল তীরের ফলা চেয়ে আছে তার মোটা পেটের দিকে।

    হ্যাণ্ডেল মুচড়ে দরজা খুলেই লাফ দিয়ে নেমে একদৌড়ে গভীর জঙ্গলে পালিয়ে যাবে, ভাবল সে। কিন্তু কিছু করার আগেই গ্লাসগো এলাকার উচ্চারণে বলল জন্তুটা: ‘ভুলেও ও- চেষ্টা কোরো না, খোকা। চুপ করে বসে থাকো।’

    আরডাইক লকের হিমশীতল পানি যেন ঢুকল ম্যাকগ্রার রক্তনালীর ভেতর। ভয়ের চোটে ভুলে গেছে শ্বাস নিতে। দু’বার ঢোক গিলে হড়বড় করে বলল, ‘ক… ক্কা… কে আপনি?’

    জবাবে অদ্ভুত জন্তু বলল, ‘আমি কে সেটা নিয়ে তোমাকে ভাবতে হবে না। নিজের কথা বলো। তুমি কে? নাম কী?’

    এক শ’ ধরনের দুশ্চিন্তা চেপে ধরল ম্যাকগ্রাকে। প্রথমেই ভাবল, আমাকে খুন করতে পাঠানো হয়েছে একে। তা হলে সত্যি হয়ে উঠেছে দুঃস্বপ্ন! খুনিরা জেনে গেছে ওর কথা! ক্রসবোর দিকে তাকাল বিলি। এতই ভয়, গলার কাছে উঠে এল টক-টক বমি। তুতলে উঠে বলল, ‘জ… জ… জনি… জনি মি… মিচেল।’

    জবাব শুনে ক’মুহূর্ত নীরব থাকল আরডাইক লকের পৌরাণিক জানোয়ারটা। কী যেন ভাবছে। শেওলাভরা হাত বাড়িয়ে ম্যাকগ্রার কোটের বুকপকেট থেকে নিল মোবাইল ফোন। একহাতে ম্যাকগ্রার পেটে তাক করেছে ক্রসবো। স্ক্রিন আনলক করে ফোন দেখছে। ঢোক গিলল দুর্ধর্ষ চোরা মৎস্য- শিকারি। মনে পড়ল খোলা আছে মোবাইল ফোনে ফেসবুকের পেজ।

    ‘ওটা দেখেই বীভৎস জন্তু জেনে গেল তার আসল নাম। গম্ভীর কণ্ঠে বলল ওটা, ‘আবারও মিথ্যা বললে, বাছা, ধরে নাও তুমি লাশ হয়ে গেছ।’

    তাতে আবার বুকে একটু ভরসা পেল ম্যাকগ্রা। জন্তুটাকে বোধহয় খুন করতে পাঠানো হয়নি। ‘আচ… ঠিক আছে। আর মিথ্যা বলব না। আমার নাম বিলি ম্যাকগ্রা।’ সামান্য সাহস ফিরতেই জিজ্ঞেস করল, ‘আপনি আসলে কে?’

    লতাপাতাভরা হুড খুলল জানোয়ার। ম্যাকগ্রা দেখল ঘিলি সুটের ভেতর দাড়িওয়ালা বয়স্ক এক লোক। জানুয়ারি মাসে শীতল পানির স্যামন মাছের অস্বচ্ছ চোখের চেয়েও বেশি, নিস্পৃহ তার চোখ।

    ‘নামটা হ্যানন। আমি পিটারের চাচা।’

    চমকে গেছে ম্যাকগ্রা। মুখ দিয়ে বেরোল, ‘সর্বনাশ!’ তবে পরমুহূর্তে বুঝল মুখ বন্ধ করে রাখা জরুরি ছিল।

    ‘রবার্ট খুন হওয়ার পর আমার ভাতিজার সঙ্গে ফোনে কথা বলেছিলে,’ বলল পিটারের চাচা। ‘তখনও আহত হয়নি ও।’

    ‘আ…’

    ‘খবরদার, ভুলেও মিথ্যা বলবে না, ম্যাকগ্রা। তোমার চোখ বলে দিচ্ছে ভুল বলছি না। তুমিই সেই পোচার। নিজের চোখে দেখেছ রবার্টকে খুন হতে।’

    মিথ্যা বলে লাভ হবে না, বুঝে গেল ম্যাকগ্রা। কেন যেন হালকা হয়ে গেল তার বুক। সহজ সুরে বলল, ‘হ্যাঁ, ঠিকই বলেছেন। নিজের চোখে দেখেছি। খুনিগুলো খুব কষ্ট দিয়ে মেরেছে রবার্টকে। আমাকে যদি মেরেও ফেলেন, ওই দৃশ্য ভুলতে পারব না আমি।’

    ‘আমি ক্ষতি করতে আসিনি, ম্যাকগ্রা। তবে মিথ্যা বললে প্রচণ্ড ব্যথা পাবে। চিরকালের জন্যে হারিয়ে যাবে এই জঙ্গলের ভেতর। কেউ জানবে না কোথায় আছে তোমার কবর। আমার কথা কি বুঝতে পেরেছ?’

    ভয় পেয়ে পিছাতে চাইল ম্যাকগ্রা। কিন্তু গাড়ির ভেতর যথেষ্ট জায়গা নেই। তিরতির করে কাঁপছে তার দুই হাত। ‘আপনি আমার কাছে কী চান?’

    ‘আমাকে জানাবে খুনিদের পরিচয়। তাদের নাম কী? কোথায় থাকে? কোথায় তাদেরকে পাব? এসব বলে দিলে তোমাকে ছেড়ে দেব আমি।’

    ‘তা যদি না করি?’ ঢোক গিলল ম্যাকগ্রা।

    হ্যাননের মরা মাছের মত চোখে জ্বলজ্বল করে জ্বলে উঠল অদ্ভুত এক অশুভ আলো। ‘আমার মনে হয় নিজের স্বার্থেই মুখ খুলবে তুমি, বাছা।’

    সঠিক ধারণা করেছে বেন হ্যানন।

    প্রথম থেকে সব খুলে বলল বিলি ম্যাকগ্রা। তার ওপরের ঠোঁটে আছে পুরনো ক্ষতচিহ্ন। দেখতে মুচড়ে থাকা কেঁচোর মত। কথা বললে ওটার জন্যে বিকৃত হয় উচ্চারণ। রবার্ট খুন হওয়ার সময় কাদেরকে দেখেছে গড়গড় করে বলল সে। বেন জেনে গেল দুই খুনির নাম। কথা শেষ করতে গিয়েও বেনের ভ্রুজোড়া কুঁচকে উঠতে দেখে ম্যাকগ্রা জানাল আরও দুটো নাম। ওই দুই নাম শুনে বেন বুঝে গেল কেন এতটা ভয় পেয়েছে মোটা যুবক।

    খুনিদের দলে ছিল ডিটেকটিভ ইন্সপেক্টর জন মুরে আর সার্জেণ্ট ডানকান রিড।

    একটু আগেও শান্ত ছিল বেন। তবে লোকদুটোর নাম শুনে এখন রেগে উঠেছে। কঠোর গলায় বলল, ‘ভুলেও মিথ্যা বলবে না, ম্যাকগ্রা। পরে যদি জানতে পারি তারা জড়িত নয়, একেবারে মাটিতে পুঁতে ফেলব তোমাকে। আমার কথা কি বুঝতে পেরেছ?’

    ‘মিথ্যা বলছি না!’ বলল ম্যাকগ্রা, ‘নিজ চোখে তাদেরকে দেখেছি।’

    সন্দেহ নিয়ে তাকাল বেন। ‘তাদেরকে কীভাবে চেনো তুমি?’

    ‘স্যামন পোচিং করতে গিয়ে ক’বার গ্রেফতার হয়েছি জানেন? ভাল করেই চিনি এদিকের কাদামাখা সবক’টা নোংরা শুয়োরকে। আমার কথা বিশ্বাস করতে পারেন। দেখতে ভুল হয়নি আমার। রবার্ট খুনের সঙ্গে জড়িত ছিল ইন্সপেক্টর মুরে আর সার্জেন্ট রিড।’

    ‘শপথ করে বলছ?’

    ‘মায়ের কবরের শপথ! আমি মিথ্যা বললে যেন নরকেও স্থান না পাই।’

    ম্যাকগ্রার চোখে চোখ রেখে বেন বুঝে নিল, সত্যি কথাই বলছে যুবক। পিছিয়ে হেলান দিয়ে সিটে বসল সে। চুপচাপ ভাবছে দুই পুলিশ অফিসারের ব্যাপারে। তারা বলেছিল: ভাববেন না, যারা আহত করেছে আপনার ভাতিজাকে, আমরা ঠিকই তাদেরকে গ্রেফতার করব। অথচ, রবার্টকে খুন করেছে তারাই! পিটারকেও বোধহয় খুন করতে চেয়েছিল। এটা ভাবতে গিয়ে ভীষণ রেগে গেল বেন। ধুপ-ধাপ করে লাফ দিচ্ছে তার বুকের ভেতর হৃৎপিণ্ড। কনকনে শীতেও যেন আগুন ধরে গেল তার শরীরে। কেমন ঘোলাটে হয়ে গেছে চিন্তাগুলো। বুঝে গেল, দেরি না করে একটা বড়ি গিলতে হবে। তবে পকেট থেকে বোতলটা বের করল না সে।

    ‘এবার কী করবেন ভাবছেন?’ জানতে চাইল ম্যাকগ্রা।

    দ্বিধাহীনভাবে বলল বেন, ‘এবার ওদেরকে খুঁজে বের করে মুখ খোলাব। ওরা বুঝবে নরকের চেয়েও বেশি কষ্ট আছে পৃথিবীতে। পুঁতে দেব ছয় ফুট নিচে। ওদের উচিত ছিল আগেই ওখানে সেঁধিয়ে যাওয়া।’

    ঢোক গিলে ক্রসবো দেখল ম্যাকগ্রা। ‘না, মানে… আমার ব্যাপারে কী ভাবছেন সেটা জানতে চাইছিলাম।’

    মৃদু মাথা দোলাল বেন। ‘নিজেকে রক্তপিশাচ মনে করি না, বাছা। তুমি মিথ্যা বলোনি। কাজেই ছেড়ে দেব। ফিরে যেতে পারবে নিজের বাড়িতে।’

    খুশি আর স্বস্তিতে ছলছল করে উঠল ম্যাকগ্রার দুই চোখ। ‘একটা কথা বলব, মিস্টার হ্যানন?‘

    ‘কী?’

    ‘আমার খুব খারাপ লেগেছে পিটারের জন্যে। আমি ওকে সাবধান করে দিয়েছিলাম।’

    ‘তা বুঝতে পেরেছি, বাছা। সেজন্যে তোমাকে ধন্যবাদ।’

    ‘প্রার্থনা করি পিটার যেন সুস্থ হয়ে যায়।’

    গম্ভীর চেহারায় মাথা দোলাল বেন। ‘ধন্যবাদ, বাছা। তুমি নিজেও বিপদমুক্ত নও—সাবধানে থেকো।

    ‘লুকিয়ে থাকব। কেউ জানবে না কোথায় আছি।’

    ‘আমার পরামর্শ চাইলে বলব: আপাতত এ এলাকা থেকে বহু দূরে চলে যাও। এদিকটা এবার হবে নরকের মত। প্যাসেঞ্জার দরজা খুলে পিকআপ থেকে নামল বেন। মাত্র কয়েক সেকেণ্ডে হারিয়ে গেল জঙ্গলের অন্ধকারে।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleধাওয়া – কাজী মায়মুর হোসেন
    Next Article অদৃশ্য ঘাতক – কাজী মায়মুর হোসেন

    Related Articles

    কাজী মায়মুর হোসেন

    অদৃশ্য ঘাতক – কাজী মায়মুর হোসেন

    July 25, 2025
    কাজী মায়মুর হোসেন

    ধাওয়া – কাজী মায়মুর হোসেন

    July 25, 2025
    কাজী মায়মুর হোসেন

    মৃত্যু উপত্যকা – কাজী মায়মুর হোসেন

    July 25, 2025
    কাজী মায়মুর হোসেন

    খুনে ক্যানিয়ন – কাজী মায়মুর হোসেন

    July 25, 2025
    কাজী মায়মুর হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৪৮ – মৃত্যুঘণ্টা

    July 25, 2025
    কাজী মায়মুর হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫৮ – মহাপ্লাবন

    July 25, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }