Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    মাসুদ রানা ৪৬৮ – স্বর্ণলিপ্সা

    কাজী মায়মুর হোসেন এক পাতা গল্প393 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    স্বর্ণলিপ্সা – ৪৫

    পঁয়তাল্লিশ

    লোকটা হালকা হলেও হাতের পেশি ইস্পাতের তারের মত টানটান। এত আক্রোশ নিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়েছে যে তাল হারিয়ে মেঝেতে পড়ল রানা। ক্ষিপ্র চিতার মত ওর ওপর চড়াও হলো লোকটা। দু’হাতে টিপে ধরেছে রানার গলা। রানা বুঝে গেল, যে-কোনও সময়ে ভেঙে যাবে ওর কণ্ঠনালী। ঝট করে দু’হাতে লোকটার দুই কড়ে আঙুল ধরল রানা। তবে আক্রমণকারী হুঁশিয়ার লোক। হাতদুটো গুটিয়ে নিয়েই ঘুষি মারল ওর চোয়ালে। দু’জনের পায়ের ধাক্কা খেয়ে র‍্যাক থেকে ঝরঝর করে নামল কিছু যন্ত্রপাতি। একটা ভারী রেঞ্চ পড়ল হামলাকারীর মাথার ওপর। মৃদু গুঙিয়ে উঠে সরে যেতে চাইল সে। অবশ্য আগেই তার সোলারপ্লেক্সাস বরাবর মাঝারি ওজনের দুটো ঘুষি বসিয়ে দিয়েছে রানা। প্রায় একইসময়ে ধড়মড় করে উঠে দাঁড়াল দু’জন। রানা ভাবল, এবার দেরি না করে আক্রমণে যাবে। তবে জানালা পথে আসা মৃদু আলোয় মাঝারি আকারের মানুষটাকে দেখে থমকে গেল।

    একই হাল আক্রমণকারীর। ফ্যাসফেঁসে গলায় বলল, ‘রানা! তুমি? তুমি এখানে কী করে?’

    ‘আপনি তা হলে এখানে, ওস্তাদ!’ দীর্ঘশ্বাস ফেলল রানা। ‘আপনাকেই খুঁজছিলাম।’

    কয়েক মুহূর্ত পরস্পরের দিকে চেয়ে রইল যোগ্য ওস্তাদ ও তার তুখোড় শিষ্য, তারপর সামনে বেড়ে একে অপরকে জড়িয়ে ধরল ওরা।

    ‘আপনাকে দেখে ভাল লাগছে, রেন,’ বলল রানা। ‘আমরা দুশ্চিন্তায় পড়ে গিয়েছিলাম।’

    ‘আম তো বুঝলাম, রা-টা কে? মিরাণ্ডা? বেশি কাঁদাকাটি করছে?’

    ‘করবে না? কাউকে কিচ্ছু না বলে কী ছেলেমানুষী কাজটা করলেন আপনি, ওস্তাদ? আমরা আছি কী করতে? আমাদের মানুষ বলে মনে করেন না বুঝি?’

    ‘তোমার লাগেনি তো, বাছা,’ বকা খেয়ে কথা ঘোরাবার চেষ্টা করল রানার শ্রদ্ধেয় গুরু। স্নেহ ভরে শিষ্যের পিঠে হাত বোলাচ্ছে।

    ‘না, একেবারেই না,’ বলল রানা, ‘পড়ার সময়ে আপনার ট্রেইনিং ঠিকই মনে ছিল।’

    ‘আরেকটু হলেই আমাদের দু’জনের যে-কোনও একজন মারা পড়ত আজ,’ ওকে ছেড়ে পিছিয়ে গেল বেন হ্যানন। ‘আমি ভেবেছি ওই কুকুরের বাচ্চাগুলোর কেউ।’

    ‘এখন সংখ্যায় কমে গেছে,’ র‍্যাক থেকে লণ্ঠন নিয়ে একহাত দিয়ে আড়াল করে আলো জ্বেলে নিল রানা।

    গত কয়েক মাস ধরে অসুখে ভুগে শুকিয়ে দুই গাল চুপসে গেছে বেন হ্যাননের। কপালে গভীর বলিরেখা। আগের চেয়ে হালকা হয়েছে তার রুপালি চুল। পাইপের ভেতর দিয়ে আসতে গিয়ে গায়ের ছেঁড়া পোশাকে লেগেছে কাদা। রানার মনে হলো দিনের পর দিন ডানজনে থেকে দুর্বল হয়ে গেছে মানুষটা। মুখে কিছু বলল না ও। বরাবরের মতই বেনের চোখে জ্বলছে দৃঢ় প্রতিজ্ঞা। স্বয়ং মৃত্যু ছাড়া ওই আলো নিভিয়ে দিতে পারবে না কেউ।

    ‘তুমি এ জায়গা খুঁজে পেলে কী করে, রানা?’

    ‘সে অনেক কথা, ওস্তাদ… পরে সব বলব। মিরাণ্ডা ভাবী পাঠিয়েছেন। খুব দুশ্চিন্তায় আছেন।’

    ওর মুখে স্ত্রীর কথা শুনে আবেগের ছাপ পড়ল হ্যাননের চোখে। নিচু গলায় জানতে চাইল, ‘ও ঠিক আছে তো? শেষ কখন কথা বলেছ? বাক ওয়াকি নামের এক হারামজাদা বলেছিল মিরাণ্ডার ক্ষতি করবে। তা-ই যদি করে থাকে, দুনিয়ার কোথাও লুকিয়ে বাঁচবে না।’

    মৃদু মাথা নাড়ল রানা। ‘কিচ্ছু ভাববেন না। কোনও ক্ষতি হয়নি। হবেও না। আপাতত রোমে ভাইয়ের বাড়িতে আছেন। বিপদে নেই। তবে আপনার কথা ভেবে মানসিক যন্ত্রণায় আছেন।’ ওর মনে পড়ল পকেটে আছে কোয়ার্ট আর বেলের মোবাইল ফোন। তাই দেরি না করে একটা মোবাইল ফোন বের করে বেন হ্যাননের হাতে দিল। ‘নিন, কথা বলুন। আপনি যে ভাল আছেন সেটা জানিয়ে দিন।’

    মোবাইল ফোনের দিকে চেয়ে ঝুঁকে গেল বৃদ্ধ মানুষটার কাঁধ। রানার মনে হলো যন্ত্রটা ব্যবহার করবে না হ্যাঁকড়া বুড়ো। তবে পরক্ষণে আস্তে করে মাথা নাড়ল। ‘হুঁ, ফোন করা উচিত। তবে, কেন যেন মনে হচ্ছে ঝামেলা শেষ হয়নি। না, বাছা, সব শেষ হওয়ার আগে কথা না বলাই ভাল।’

    লণ্ঠন সামনে রেখে মেঝেতে মুখোমুখি হয়ে বসল রানা আর বেন। সংক্ষেপে গত ক’দিনের ঘটনা তাকে জানাল রানা। যোগাযোগ করেছিল মিরাণ্ডা ভাবী। তারপর গ্রামে যেতেই স্থানীয় মস্তানদের সঙ্গে গোলমাল হলো ওর। পরে খুন হয়েছে বাক ওয়াকির সঙ্গী। ওই দলের হাতেই মারা গেছে বিলি ম্যাকগ্রা। এসবে জড়িয়ে পড়েছে জেসিকা। সে-সময়ে রানা জানতে পেরেছে যে ঐতিহাসিক গুপ্তধন নিয়ে কামড়াকামড়ি করছে একদল কুকুর। গ্র্যানিট পাথরের মত কঠিন মুখে রানার কথা শোনার পর জানতে চাইল বেন, ‘হাসপাতালে পিটারকে দেখতে গিয়েছিলে? ও কেমন আছে?’

    ‘শেষবার শুনেছি এখনও জ্ঞান ফেরেনি। আমি দুঃখিত।’

    ‘এজন্যে পস্তাতে হবে ওদেরকে। স্টুয়ার্ট, তার ঘুষখোর পুলিশ আর তাদের দলের সবাইকে।’

    ‘আপনি যথেষ্ট করেছেন, বেন। বাকিটুকুর ভার আমার উপর ছেড়ে দিন। আপনার বিশ্রাম দরকার।’

    ‘তা-ই?’ কড়া চোখে ওকে দেখল হ্যানন। ‘এই কথা বলার সাহস তুমি পেলে কী করে?’

    মানুষটা রেগে গেছে জেনেও বলল রানা, ‘বলছি, কারণ মিরাণ্ডা আমাকে বলেছেন আপনি অসুস্থ। গত কয়েক দিনে আমার বারবার মনে হয়েছে, বোধহয় মারাই গেছেন। আপনি যেন আরও অসুস্থ না হন, সেটা চাইছি মিরাণ্ডা আর আমার জন্যেই।’

    চোখ পাকিয়ে ওকে দেখছে বৃদ্ধ। দুই মণির আলোটা হয়ে গেছে বরফের টুকরোর মত শীতল। নিজের চেয়ে আকারে বড় লোককে স্রেফ দৃষ্টি দিয়ে আগেও ঘাবড়ে দিয়েছে সে। ‘তুমি পাগল হলে, রানা? আমি অসুস্থ? কে বলেছে? মিরাণ্ডা বড়বেশি দুশ্চিন্তা করে। বুড়ো বেন হ্যাননের কিছুই হয়নি। স্টুয়ার্টের দলের লোকগুলোকে শেষ না করে থামব না।’ ডান তর্জনী রানার বুকে তাক করল সে। ‘ভুলেও আমাকে ফেলে কিছু করবে না, বাছা। নইলে বাকি জীবনেও তোমাকে ক্ষমা করব না।

    দীর্ঘশ্বাস ফেলল রানা। কোমরে গুঁজে রাখা পিস্তল বের করে বেনের হাতে ধরিয়ে দিল। ‘জানতাম এটাই বলবেন। ওস্তাদ, আপনার মনে আছে তো কীভাবে পিস্তল চালাতে হয়?’

    ‘একটু একটু,’ হাসল বেন। ‘দু’চারটে নতুন কৌশলও দেখাতে পারব, তোমাকে।’

    ‘তো, চলুন, রওনা হই,’ বলল রানা। ‘যে-কোনও সময়ে দুর্গে পৌঁছে যাবে আরও দশজন প্রাক্তন সৈনিক। এদিকে দুর্গে আটকা পড়েছে জেসিকা। ওকে খুঁজছে বাক ওয়াকি আর স্টুয়ার্ট। মেয়েটাকে উদ্ধার করে সরিয়ে দিতে হবে।’

    ‘কোনও প্ল্যান আছে, বাছা?’ জানতে চাইল রেন।

    ‘না,’ জানাল রানা, ‘ওদেরকে সামনে পেলেই গুলি করব। কাজ শেষ হলে সোজা ফিরব যে যার বাড়িতে।’

    ‘গুড। তবে আমার কাছে আরও ভাল একটা প্ল্যান আছে। তুমি যখন এলে, সেসব নিয়েই কাজ করছিলাম।’

    ‘আপনি কী করতে চান?’

    মৃদু হেসে লণ্ঠন নিয়ে উঠে দাঁড়াল বেন হ্যানন। হাতের ইশারায় রানাকে বলল সঙ্গে যেতে। ‘নিজেই দেখো, বাছা। মন ভাল হয়ে যাবে।’

    .

    বাজে ঝামেলায় পড়েছে বাক ওয়াকি। বিড়বিড় করে গালি দিচ্ছে নিজেকে। মাসুদ রানার শেষ গুলিটা লেগেছে তার বাম কাঁধে। নাইন এমএম হলো-পয়েন্ট বুলেট চুরমার করেছে হাড়, সেই সঙ্গে ছিঁড়ে দিয়েছে বেশ কয়েকটা নার্ভ। কাঁধ থেকে মরা সাপের মত ঝুলছে অসাড় বামহাত। অবশ হয়ে যাচ্ছে শরীরের বামদিক। একবার তীব্র ব্যথা শুরু হলে ওই ক্ষত পাগল করে দেবে ওকে। রক্তে ভিজে সপ-সপ করছে শার্ট ও জ্যাকেট। ঘামে ভিজে গেছে ভুরু। টপ-টপ করে স্বেদবিন্দু পড়ছে চোখে। দ্রুত হাঁটছে বাক ওয়াকি, পেছনের মেঝেতে রয়ে যাচ্ছে রক্তের ফোঁটা।

    কয়েক দফা সিঁড়ি ভেঙে দুর্গের প্রথমতলায় উঠল সে। সুস্থ হাতে মোবাইল ফোন নিয়ে কল দিল স্টুয়ার্টকে। সংক্ষেপে জানাল নিচে কী ঘটেছে। এইমাত্র লাঞ্চ শেষ করে দামি ওয়াইনে চুমুক দিয়েছে স্টুয়ার্ট। বাক ওয়াকির কথা শুনে খেপে গিয়ে চিৎকার করে গালাগালি করল সে।

    যত দ্রুত সম্ভব ফোন রেখে বাটারি রুমের দিকে চলল বাক ওয়াকি। ওখানেই আছে দুর্গের সমস্ত মদের লকার। ওই ঘরেই জেসিকা থমসনকে পাহারা দিচ্ছিল লিয়ন বেনেট। ভেতর থেকে বন্ধ ছিল দরজা। তবে কপাট এখন আধখোলা। দরজা পেরিয়ে রক্তের ছাপ গেছে প্যাসেজ ধরে ডান দিকে।

    বাটারি রুমের মেঝেতে হাত-পা ছড়িয়ে পড়ে আছে লিয়ন বেনেট। বাক ওয়াকি দেখল লোকটার হাতে এখনও মোবাইল ফোন। একফোঁটা নড়ছে না সে। উধাও হয়েছে জেসিকা থমসন। মেঝেতে ছড়িয়ে আছে দামি মদের বোতল- ভাঙা কাঁচ ও ক্রিস্টালের গ্লাস। মদে ভাসছে মেঝে। তবে তার সঙ্গে মিশে আছে লাল রক্ত। বেনেটের ক্ষুরধার বাউই ছোরাটা গেঁথে আছে তারই পেটে। শ্বাস চলছে খুব ধীরে।

    লোকটার দিকে পা বাড়িয়ে পিছলে গিয়েও সামলে নিল বাক ওয়াকি। বসে পড়ল অনুচরের পাশে। অক্ষত হাতে চওড়া ছোরাটা ধরে টেনে বের করতে গিয়ে বুঝল, পেটের গর্ত থেকে খুলে আসছে না ওটা।

    ‘বেনেট! লিয়ন! কথা বলো!’

    জবাব নেই লোকটার তরফ থেকে। রক্তক্ষরণ আর শকের কারণে জ্ঞান নেই। তাকে সরাতে গিয়ে বাক ওয়াকি বুঝল, একহাতে কাজটা পারবে না। এবার কী করবে ভাবতে শুরু করেছে, এমনসময় ঝড়ের বেগে বাটারি রুমে ঢুকল রন স্টুয়ার্ট। পেট ভরে লাঞ্চ খেলেও মেজাজ তার ভয়ানক তিরিক্ষি হয়ে আছে। রক্তের সাগরের সামনে থমকে গিয়ে টলে উঠল সে। চারপাশ দেখে চেঁচিয়ে উঠল, ‘কী হয়েছে? ওই কুত্তী কই?’

    ‘এমন কোথাও গেছে, যেখানে ওকে আমরা খুঁজব না,’ বিরক্ত হয়ে বলল বাক ওয়াকি। চাইছে বিদায় হোক রন স্টুয়ার্ট।

    ‘ওকে খুঁজে বের করো! জলদি!’

    ‘ওই মেয়ের চেয়েও বড় ঝামেলায় আছি আমরা,’ বলল বাক ওয়াকি। ‘ডানজন থেকে বের হয়ে কোথায় যেন চলে গেছে বেন হ্যানন। এ-ও জানি না কোথায় আছে মাসুদ রানা। কারাগার হিসেবে আপনার ডানজন মোটেই মজবুত ছিল না। এতক্ষণে ওখান থেকে বেরিয়ে গেছে সে।’

    ‘এসব কী বলছ!’ আরও রেগে গেল স্টুয়ার্ট। ‘ওকে নিচে ফেলে এখানে পালিয়ে এসেছ?’

    পিটপিট করে চোখ থেকে ঘাম ঝরাল বাক ওয়াকি। ‘আরে, অন্তত আমার দিকটা তো দেখবেন, নাকি? তাকান এদিকে! গুলি খেয়েছি, বাজেভাবে আহত। একা আমি কোনভাবেই ওর সঙ্গে পারতাম না। আমার কথা বুঝতে পেরেছেন? মৌরেন লরি আর তার দলের অন্যরা না এলে একা কিছুই করতে পারব না। আমি তো আর খুন হওয়ার জন্যে চাকরি নিইনি আপনার।’

    ‘কীজন্যে তোমাকে চাকরি দিয়েছি, আর করছটা কী, ভাল করেই বুঝতে পারছি,’ বেসুরো গলায় চেঁচাল স্টুয়ার্ট। ‘যাও, আগে খুঁজে বের করো কুত্তীটাকে! তারপর কী করতে হবে সেটা আমি বলে দেব!’

    ‘আপনি কি কানা নাকি? দেখছেন না মেঝেতে পড়ে আছে আহত একজন মানুষ? আপনার চেয়ে ওর মূল্য আমার কাছে ঢের বেশি। আপনি তো আছেন সোনার নেশায়। অথচ, ওই জিনিস হয়তো কোনও কালেই ছিল না।’

    ‘বললেই হলো?’ টুইডের কোটের পকেট থেকে চকচকে রুপালি, ছোট্ট একটা পিস্তল বের করল রন স্টুয়ার্ট। এই জিনিস আগে কখনও তার কাছে দেখেনি বাক ওয়াকি। সে কিছু বলার আগেই অজ্ঞান লিয়ন বেনেটের মাথার দিকে অস্ত্রটা তাক করেই ট্রিগার টিপে দিল স্টুয়ার্ট। বদ্ধ জায়গায় কড়াৎ আওয়াজে গর্জে উঠেছে পিস্তল। খুব কম রেঞ্জে মিস হলো না বুলেট। বেনেটের মাথার পাশ থেকে ফিনকি দিয়ে বেরোল রক্তের স্রোত। মাত্র একবার নড়ে উঠেই স্থির হয়ে গেল দেহটা।

    ‘হলো? এবার তো আর ওকে সাহায্য করা যাবে না! যাও, খুঁজে আনো মেয়েলোকটাকে। খুঁজে বের করবে মাসুদ রানাকেও। যত ধরনের গুবলেট করেছ, সেগুলো তোমাকেই ঠিক করতে হবে।’

    মৃত সঙ্গীকে দেখল বাক ওয়াকি, তারপর মুখ তুলে তাকাল রন স্টুয়ার্টের দিকে। ভুলে গেছে যে সে আহত। বাকি জীবনেও হয়তো ঠিক হবে না বামহাত। প্রচণ্ড রাগে থরথর করে কাঁপছে সে। হ্যাঁচকা টানে বেনেটের পেট থেকে বাউই ছোরাটা বের করেই উঠে দাঁড়াল। ঠিক করেছে, ফাঁসিয়ে দেবে সে হারামি ব্যবসায়ীর পেট।

    বিপদ বুঝে চট্ করে দরজার দিকে সরে গেছে স্টুয়ার্ট ওখান থেকে বাক ওয়াকির দিকে পিস্তল তাক করল। বিকৃত চেহারায় বলল, ‘এক মিলিয়ন পাউণ্ড, ওয়াকি! কাজ শেষ করো! নগদ দেব!’

    কথাটা শুনে থমকে গেল ঠাণ্ডা-মাথার খুনি। শক্ত হাতে ধরেছে ছোরার হ্যাণ্ডেল। ‘পুরো এক মিলিয়ন পাউণ্ড?’

    ‘দেড় মিলিয়ন! না, দুই! কীভাবে কাজটা শেষ করবে সেটা তোমাকেই বুঝতে হবে। পুরো দুই মিলিয়ন পাউণ্ড!’

    কড়া চোখে স্টুয়ার্টকে দেখছে বাক ওয়াকি। তার মনের ভেতর প্রচণ্ড ঘৃণা জন্মেছে লোকটার প্রতি। হারামজাদাটা বড়লোক বলেই মনে করে যা খুশি করিয়ে নেবে মানুষকে দিয়ে। তবে এ-ও ঠিক, দুই মিলিয়ন পাউণ্ড মেলা টাকা। ওই পরিমাণ টাকা পেতে পারে ভাবতেই রাগ কমল তার। আড়ষ্ট কণ্ঠে বলল, ‘আগে হাত থেকে পিস্তল ফেলুন, আমি আপনাকে বিশ্বাস করি না।’

    ‘তোমাকে গুলি করে আমার কোনও ফায়দা নেই। মন দিয়ে শোনো আমার কথা। হয়তো পরেও চাকরি করতে পারবে।’

    ‘পিস্তল ফেলুন,’ আবারও বলল বাক ওয়াকি।

    ‘তা হলে আগে হাত থেকে তুমি ছোরা ফেলো।

    কয়েক মুহূর্ত ভেবে হাত থেকে ছোরা ছেড়ে দিল বাক ওয়াকি। খটাং শব্দে পড়ে রক্তের পুকুরে অলস ঢেউ তুলল অস্ত্রটা। কোটের পকেটে পিস্তল পুরল স্টুয়ার্ট।

    ‘ঠিক আছে, নগদ দুই মিলিয়ন পাউণ্ডের জন্যে আমাকে দিয়ে যে-কোনও কাজ করাতে পারবেন,’ বলল ওয়াকি। ‘তবে একটা কথা, এই লড়াই শেষ হলে মাসুদ রানা আমার। আমিই শেষ করব তাকে। সেই প্রথম থেকেই সব ধরনের গোলমাল তৈরি করেছেন স্বয়ং আপনি। এবার আমি সেটা নিজের মত করে শেষ করব। আর এরপর কখনও আপনার কোনও কাজ নেব না। আমার কথা বুঝতে পেরেছেন?’

    আবারও বেজে উঠেছে ফোন। স্টুয়ার্টের ওপর থেকে চোখ না সরিয়ে ফোন ধরল সে।

    যোগাযোগ করেছে মৌরেন লরি। জানিয়ে দিল ক্রিস কোল আর দলের অন্য আটজন সহ লণ্ডন থেকে ইনভার্নেস এয়ারপোর্টে পৌছে গেছে। আধঘণ্টা পর হাজির হবে দুর্গে।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleধাওয়া – কাজী মায়মুর হোসেন
    Next Article অদৃশ্য ঘাতক – কাজী মায়মুর হোসেন

    Related Articles

    কাজী মায়মুর হোসেন

    অদৃশ্য ঘাতক – কাজী মায়মুর হোসেন

    July 25, 2025
    কাজী মায়মুর হোসেন

    ধাওয়া – কাজী মায়মুর হোসেন

    July 25, 2025
    কাজী মায়মুর হোসেন

    মৃত্যু উপত্যকা – কাজী মায়মুর হোসেন

    July 25, 2025
    কাজী মায়মুর হোসেন

    খুনে ক্যানিয়ন – কাজী মায়মুর হোসেন

    July 25, 2025
    কাজী মায়মুর হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৪৮ – মৃত্যুঘণ্টা

    July 25, 2025
    কাজী মায়মুর হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫৮ – মহাপ্লাবন

    July 25, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }