Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    মাসুদ রানা ৪৬৮ – স্বর্ণলিপ্সা

    কাজী মায়মুর হোসেন এক পাতা গল্প393 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    স্বর্ণলিপ্সা – ৫

    পাঁচ

    সোনার কয়েনের গায়ে খোদাই করে লেখা: LVD. XV. D. G. FR. ET NAV. REX. উল্টোপিঠে রাজকীয় চেহারার দাড়ি- ওয়ালা এক লোকের মুখ। মাথায় কারুকাজ করা মুকুট। নিচে কিছু অক্ষর। ভুরু কুঁচকে পড়ল পিটার: CHRS. REGN. VINC. IMPER. 1747. আগে কোনদিন এমন কিছু দেখেনি ও। কয়েনের গায়ে ধুলোবালি। অর্থাৎ, বেশি দিন হয়নি মাটি খুঁড়ে তোলা হয়েছে। মোহরটা সতেরো শ’ সাতচল্লিশ সালের। জিনিসটা তামার নয়। সোনার কয়েন কীভাবে রবার্টের কাছে এল, ভেবে পেল না পিটার। চট্ করে গাড়ি থেকে নেমে বসে পড়ল ড্রাইভিং দরজার পাশে। হাত ভরল সিটের নিচে। হাতড়ে দেখছে আর কিছু আছে কি না। কয়েক মুহূর্ত পর বিস্মিত হলো দ্বিতীয় মোহর পেয়ে। আরে! দীর্ঘক্ষণ চেয়ে রইল ওটার দিকে। আগেরটার মত হলেও এটা তৈরি করা হয়েছে আরও একবছর আগে সতেরো শ’ ছেচল্লিশ সালে।

    পিটারের মনে জেগে উঠল জরুরি প্রশ্নঃ এসব মোহর কোথায় পেল রবার্ট? সে যতই বোকা হোক, গাড়ির মেঝেতে এসব ফেলে রাখবে তা হতে পারে না! গায়ের কাদা জানিয়ে দিচ্ছে, গত ক’দিনের ভেতরই মোহরগুলো পড়েছে গাড়ির মেঝেতে। সেক্ষেত্রে ধরে নেয়া চলে, এগুলো পেয়েছে রবার্ট জঙ্গল বা লকের তীরে।

    স্কটল্যাণ্ডের ইতিহাস অত্যন্ত সমৃদ্ধ আর ঘটনাবহুল। দেশের অন্যান্য এলাকার চেয়ে বেশি ইতিহাস তৈরি করেছে এদিকটা। বড়লোক হওয়ার আশায় বহু বছর ধরেই লক আরডাইকের তীরে পাইন জঙ্গল, পাহাড়-টিলা ও উপত্যকায় আতিপাতি করে গুপ্তধন খুঁজেছে শত শত মানুষ। কারও কাছে ছিল কোদাল বা শাবল, কারও কাছে মেটাল ডিটেক্টর, কিংবা ডিভাইনিং রড। অবশ্য আজও মেলেনি ঐতিহাসিক কোনও সম্পদ। স্বর্ণসন্ধানীরা বড়জোর পেয়েছে জংধরা তীরের ডগা বা পচা কাঠির মত ক্ষয়ে যাওয়া একটা-দুটো স্কটিশ ক্লেমোর তলোয়ার। ফলে ধীরে ধীরে কমে গেছে গুপ্তধন শিকারিদের আনাগোনা। আজকাল বিশাল এলাকা খুঁজেও ওদের একজনকেও পাওয়া যায় না। বহুকাল ধরেই এদেরকে নিয়ে ঠাট্টা-মস্করা করেছে গ্রামের মানুষ। হাসতে হাসতে বলেছে: ‘যতই খোঁজো, গুপ্তধন আর পাবে না! সব আমরা হজম করে ফেলেছি!’

    আনমনে মাথা নাড়ল পিটার। এখন দেখা যাচ্ছে, ভুল জানে গ্রামের মানুষ! কিন্তু রবার্ট কেন ওকে জানাল না, কী পেয়েছে? কেন যেন নিজেকে বঞ্চিত লাগল পিটারের। ঘনিষ্ঠ বন্ধু হলেও স্বর্ণমুদ্রা পাওয়ার তথ্যটা ওর কাছ থেকে গোপন করেছে রবার্ট। অর্থাৎ, ওকে বিশ্বাস করেনি। রবার্ট হয়তো ভেবেছে, এ-কথা জানলে ওর কাছ থেকে সোনার কয়েন চুরি করবে পিটার! বা হয়তো ভেবেছে, ফার্মের অফিস টাইমে ওগুলো পেয়েছে বলে মোহরের ভাগ চাইবে পিটার!

    ‘ধ্যাৎ, এসব কী যা-তা ভাবছি,’ বিড়বিড় করল পিটার।

    মাথায় কিছুই খেলছে না ওর।

    ভ্যানের ভেতর এগুলো রয়ে গেল কী করে?

    যে-কেউ চাইবে গোপনে সব লুকিয়ে রাখতে। অর্থাৎ, জ্ঞাতসারে ভ্যানের সিটের নিচে কয়েন ফেলে রাখেনি রবার্ট। আসলে জানত না মেঝেতে পড়ে গেছে সোনার এই দুই মোহর। ওর বন্ধু অলস ও বোকা ছিল। জানত না কখন হাত বা পকেট থেকে পড়ে গেছে সোনার মোহর। তার মানে এ-ও ধরে নিতে হবে, সে-সময়ে অন্যদিকে মনোযোগ ছিল ওর।

    কিন্তু সে-সময়ে কী ঘটেছিল যে মন অন্যদিকে থাকবে? যৌক্তিক চিন্তা এল পিটারের মনে। আসলে আরও কয়েন পেয়েছিল রবার্ট। মনের চোখে দৃশ্যটা দেখল পিটার। স্বর্ণজ্বরে আক্রান্ত রবার্টের মাথা খারাপ হয়ে গেছিল লোভে। কয়েন পেয়ে মুঠো মুঠো তুলেছে মাটির নিচ থেকে। খেয়ালই করেনি কখন গাড়িতে ওঠার সময় হাত থেকে ফস্কে মেঝেতে পড়েছে দুটো মোহর।

    এখন, কথা হচ্ছে, কয়টা কয়েন পেয়েছিল রবার্ট?

    অনেকগুলো?

    এত বেশি যে গুনতে যায়নি। ভেবেছে বাড়ি ফিরে গুনবে।

    কিন্তু সবমিলে রবার্টের কাছে তা হলে কয়টা মোহর থাকতে পারে?

    এক ডযন? বিশটা? ত্রিশটা? কে জানে!

    আরেকটা চিন্তা আসতেই হিম হয়ে গেল পিটারের বুক। এই দুই মোহর বলে দিচ্ছে, অনেকগুলো পেয়েছিল রবার্ট। সেক্ষেত্রে সেসব এখন কোথায়? হয়তো নিজের কাছেই রেখেছিল রবার্ট। তারপর ওকে ধরল খুনির দল। তা হলে তো সব সব পেয়ে গেছে তারা। হয়তো আরও সোনার মোহর পারে সে-লোভেই খুন করেছে রবার্টকে! কিংবা চেয়েছে চিরতরে ওর মুখ বন্ধ করে দিতে।

    হঠাৎই রবার্টের মৃত্যুর আসল কারণ বুঝে গেল পিটার। সোনার মোহরদুটো পকেটে রেখে মোবাইল ফোন বের করল সে। কল দিল ওর চাচা বেন হ্যাননকে। কিন্তু ওদিক থেকে ধরছে না কেউ। ইতালিয়ান ল্যাণ্ডফোন। মেসেজিং সার্ভিস নেই যে ভয়েসমেইল পাঠাবে। মোবাইল ব্যবহার করে না চাচা-চাচী। তাদের ই-মেইল ঠিকানা আছে পিটারের কাছে। কিন্তু ওদিক থেকে কখনও ই-মেইল চেক করা হয় না বলে আগেই হাল ছেড়ে দিয়েছে।

    এখন চুপচাপ বসে থাকার সময় নয়, ভাবল পিটার। কিছু না কিছু ওকে করতেই হবে। মানুষকে জানাতে হবে, কীভাবে মারা গেছে রবার্ট। খুনের সাক্ষীও আছে। আর এটাও পরিষ্কার, সোনা লুঠ করতে গিয়েই খুন করা হয়েছে বেচারাকে।

    কিনলোকার্ড গ্রামে একটি চার্চ, পাব, গাড়ি মেরামতির গ্যারাজ, বিশজন ছাত্র-ছাত্রী সহ ছোট্ট এক প্রাথমিক স্কুল থাকলেও কোনও পুলিশ স্টেশন নেই। আর তাতে যথেষ্ট ফুর্তি এবং স্বস্তিতে আছে গ্রামের মানুষ। এই এলাকায় পুলিশ বলতে রয়েছে জেসিকা থমসন। তার কথা মনে পড়তেই আবারও ভ্যানে উঠল পিটার। গ্রামের মূল বসতি থেকে একটু দূরে ছোট এক কটেজ ভাড়া নিয়েছে মেয়েটা। একাই থাকে ওখানে। কিছুক্ষণ পর ওই কটেজের সামনে পৌঁছে গেল পিটার। জেসিকার সঙ্গে শেষবার ওর কথা হয়েছিল অন্তত ষোলো বছর আগে। কয়েক মাস আগে মেয়েটা গ্রামে ফিরেছে জানলেও, জরুরি কোনও কারণ ঘটেনি বলে দেখা করেনি। এখন নার্ভাস লাগছে ওর।

    আজ অবশ্য নার্ভাস না হলেও চলত। কটেজের দরজায় তালা দিয়ে কোথায় যেন গেছে জেসিকা। এখন পুলিশের সঙ্গে কথা বলতে চাইলে যেতে হবে দক্ষিণ-পুবে ত্রিশ মাইল দূরের ফোর্ট উইলিয়ামে। আঁকাবাঁকা পথের হাজার ঝক্কি সয়ে একঘণ্টা পর দূরের সেই শহরে গিয়ে পৌঁছুল পিটার।

    কুয়াশামাখা ঝুঁকে আসা টিলার কোলে চারকোনা থান ইঁটের মত পুলিশ স্টেশন বিল্ডিংটা শহর থেকে দূরে লক এইলের তীরে। রিসেপশন ডেস্কে পৌঁছে হড়বড় করে ডিউটি অফিসারকে সব জানাল পিটার। অবশ্য অপ্রাসঙ্গিকভাবে হঠাৎ কথা বলতে শুরু করেছে বলে কিছুই বুঝল না পুলিশ অফিসার। প্রথমে পিটারকে শান্ত হতে অনুরোধ করল সে, তারপর নিয়ে গেল জানালাহীন এক ইন্টারভিউ রুমে। ঘরে একটা টেবিল আর চারটে প্লাস্টিকের চেয়ার ছাড়া আর কিছু নেই। পিটারকে অপেক্ষা করতে বলে ঘরে তালা মেরে উধাও হলো পুলিশ অফিসার। তাতে কেন যেন পিটারের মনে হলো, ও বন্দি হয়েছে পুলিশ স্টেশনে। ঘরের কোণে দেখল, নিষ্পলক ওকে দেখছে ভিডিয়ো ক্যামেরার কালো চোখ।

    অপেক্ষায় পেরোল আধঘণ্টা, তারপর দরজা খুলে ভেতরে ঢুকল সাধারণ পোশাকের মধ্যবয়স্ক দুই লোক। নিজেদেরকে পরিচয় দিল ডিটেকটিভ ইন্সপেক্টর জন মুরে ও ডিটেকটিভ সার্জেন্ট ডানকান রিড হিসেবে। দানবাকৃতি লোক জন মুরে, মোষের গর্দানের মত মোটা ঘাড়। আপেলের মত লালচে দুই গাল। তার সঙ্গী ডানকান রিড ছোটখাটো, হালকা-পাতলা লোক। মাথার চুল বালির মত ধূসর রঙের। ঠোঁটের ওপরে পুরু গোঁফ। অস্থির ধরনের লোক সে, সর্বক্ষণ নাড়ছে দুই হাত। পিটারের উল্টোদিকের চেয়ার টেনে বসল তারা। ডিউটি অফিসারকে বলা পিটারের কথাগুলো আবারও জানতে চাইল।

    প্রথম থেকে সব বলল পিটার। বাদ পড়ল না কিছুই। বুকপকেট থেকে নোটবুক আর কলম নিয়ে গম্ভীর চেহারায় খস খস করে জরুরি তথ্য টুকল সার্জেন্ট রিড। তবে সোনার মোহরের প্রসঙ্গ উঠতেই ওগুলো দেখতে চাইল দুই ডিটেকটিভ।

    ‘মাত্র একটাই এনেছি,’ অপেক্ষাকৃত নতুন মোহরটা পকেট থেকে বের করে তাদেরকে দেখাল পিটার। মিথ্যা বলেছে। পকেটে রয়ে গেছে অন্য মোহরটা। কেন যেন মনে হয়েছে, এদেরকে বিশ্বাস করা উচিত হবে না। ওর কাছ থেকে নিয়ে নিস্পৃহ চেহারায় সোনার মোহর দেখল ইন্সপেক্টর মুরে। তারপর ফেরত না দিয়ে জানাল, আপাতত প্রমাণ হিসেবে ওটা রেখে দিচ্ছে। এমনটা হবে আগেই ধারণা করেছে পিটার। কোনও তর্কে গেল না। ইন্সপেক্টর মুরে মোহরটা ডানকান রিডের হাতে দেয়ায় প্লাস্টিকের ছোট্ট ব্যাগে পুরল সে ওটা। জন মুরে জানাল, পিটারের দুশ্চিন্তার কিছু নেই, মোহরটা পুলিশের কাছে নিরাপদেই থাকবে।

    ‘আবার যখন আসবেন, দ্বিতীয়টা আনতে ভুলবেন না, ‘ বলল সার্জেন্ট ডানকান রিড।

    ‘তা তো বটেই,’ জবাবে বলল পিটার। মনে মনে বলল, জীবনেও না!

    ‘এবার আরেকবার বলুন ওই পোচারের কথা, যে-লোক বলেছে সে দেখেছে আপনার বন্ধুকে খুন হতে,’ থলথলে দুই হাত টেবিলে রেখে পিটারের দিকে ঝুঁকল মুরে।

    ইন্সপেক্টরের কথা অস্বাভাবিক লেগেছে পিটারের কাছে। তবুও আবার প্রথম থেকে বলল: ‘আগেই বলেছি, আমার মনে হয়েছে তাকে চিনি। তবে মনে পড়ছে না নাম। চেহারাটাও মনে নেই। ওই লোক দেখেছে চারজন লোক ঠেলে নিয়ে গিয়ে রবার্টকে ফেলে দিয়েছে লকের পানিতে। সাঁতার জানত না রবার্ট। তাই ডুবে মারা গেছে।’

    ‘সাঁতার জানত না বলে ডুবে মরেছে?’ ঊর্ধ্বতন অফিসারের দিকে তাকাল সার্জেন্ট রিড। তার ভার দেখে পিটারের মনে হলো, ওই তথ্য পেয়েই কেস সমাধান করে ফেলেছে সে। এরা যে ব্যাপারটা গুরুত্বের সঙ্গে নিচ্ছে না, সেটা বুঝে গেল ও।

    ভারী দুই কাঁধ তুলে শ্রাগ করল ইন্সপেক্টর মুরে। ‘সত্যি বলতে, মিস্টার হ্যানন, আমাদের হাতে জরুরি কোনও সূত্র নেই। আপনি যেটা বলছেন, সবই কান-কথা। অথচ, এই ধরনের অভিযোগ সবসময় অত্যন্ত গুরুতর। এবং তাই এ ক্ষেত্রে চাই নিরেট প্রমাণ। আর সেটা না থাকলে এই ধরনের কেস ধোপে টিকবে না।’

    ‘আপনারা চাইলে খুঁজে বের করতে পারবেন সেই সাক্ষী আসলে কে,’ বলল পিটার।

    ‘সত্যিই যদি কোনও সাক্ষী থেকে থাকে,’ বলল সার্জেন্ট রিড।

    ‘হ্যাঁ, সত্যিই সে সাক্ষী হয়ে থাকলে,’ ফাঁপা স্বরে বলল পিটার। অধৈর্য লাগছে ওর। মনে হচ্ছে, এখানে এসে সময় নষ্ট করেছে।

    ‘কিন্তু, মিস্টার হ্যানন, বলুন দেখি আমরা কীভাবে খুঁজে বের করব সেই অদৃশ্য লোকটাকে?’

    ‘আপনারা জানেন, লকে গোপনে বেআইনিভাবে স্যামন মাছ ধরে সে। ওই লোককে খুঁজে বের করতে তো সমস্যা হওয়ার কথা নয়। আমাকে বলেছে, আগেও তাকে জেল- জরিমানা করেছে পুলিশ। অর্থাৎ, আপনাদের ফাইলে তার নাম থাকবে। ডেটাবেস দেখলেই পাবেন সে আসলে কে। কাজটা খুব কঠিন হওয়ার কথা নয়।

    ‘আপনার এই তথ্যের জন্যে হয়তো ঝামেলা একটু কম হবে,’ বলল ডানকান। ‘তবে আমরা জানি না, কবে বা কখন সে ধরা পড়েছে। এখন কী কাজ করে বা কোথায় থাকে, তা-ও জানা নেই। ডেটাবেসে আছে শত শত মানুষের নাম, তাদের পেশা ও বাড়ির ঠিকানা। তাই এতজনের ভেতর থেকে নির্দিষ্ট কাউকে খুঁজে নেয়া অতটা সহজ নয়। এজন্যে যেমন সময় দিতে হবে, তেমনি চাই জনবল।’

    বিস্ময় নিয়ে পুলিশ অফিসারকে দেখল পিটার। ভাবছে: পুলিশের তো জনবলের অভাব নেই! আর তাদেরকে তো বেতন দেয়াই হয় অপরাধীকে খুঁজে বের করার জন্যে! কেন যেন তিক্ত হয়ে গেল ওর মন। এরা কেন যেন তদন্ত করতে চাইছে না রবার্টের খুনের ব্যাপারে। শুকনো গলায় বলল পিটার, ‘আপনারা নিশ্চয়ই খুঁজে বের করতে পারবেন ওই সাক্ষীকে। আর সেক্ষেত্রে সমস্যা হবে না তার কাছ থেকে সব জেনে নিতে। স্যামন মাছ ধরে বলে আপনারা তাকে গ্রেফতার না করলে, তাতেই হয়তো মুখ খুলবে সে।’

    ‘কাজটা অত সহজ নয়,’ চালিয়াতি হাসি হাসল সার্জেন্ট রিড।

    ‘এটা খুনের কেস, কিছু না কিছু তো করতে হবে, তাই না?’ বলল পিটার।

    দুই ঠোঁট প্রসারিত করে বড় করে শ্বাস নিল ইন্সপেক্টর মুরে। ‘বুঝতে পেরেছি। আপনি তা হলে সবই বুঝে গেছেন, তাই না, মিস্টার হ্যানন? তো আমাদের হয়ে আপনি নিজেই তদন্তের কাজে নেমে পড়ুন না!’

    ‘আমিও তা-ই ভাবছি,’ তিক্ত সুরে বলল পিটার। পরক্ষণে ওর মনে হলো, অনুচিত হলো পুলিশের লোককে চেতিয়ে দেয়া।

    এরপর কোনও দিকেই গেল না ইন্টারভিউ। বিশ মিনিট পর বিরক্তি নিয়ে পুলিশ স্টেশন থেকে বেরিয়ে এল পিটার। এত কষ্ট সহ্য করে খামোকা এখানে এসেছিল বলে রাগ লাগছে। বাড়ি ফেরার দীর্ঘ পথে বারবার মনে হলো, মাঝখান থেকে লুট হলো সোনার মোহরটা। অস্বাভাবিক কোনও কারণে রবার্টের খুনের ব্যাপারে তদন্ত করতে চাইছে না দুই পুলিশ অফিসার। বিষয়টা গুরুত্বের সঙ্গে নেয়নি তারা।

    আনমনে ভাবল পিটার, যাক গে, আজ বা আগামীকাল পৌঁছে যাবে চাচা। তখন সবই খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে তদন্ত করবে।

    বাড়ি ফিরে ফোনে কোনও মেসেজ পেল না পিটার। তাতে দমে গেল ওর মন। চিন্তা অন্যদিকে সরাতে গিয়ে দিনের বাকি সময় বাড়ির পাঁচিলের ভাঙা অংশ মেরামত করল। সন্ধ্যার দিকে বসল কমপিউটারের সামনে। ইন্টারনেটে ঢুকে সার্চ কি-ওঅর্ড হিসেবে ব্যবহার করল গোল্ড কয়েন… আরডাইক… পাইন জঙ্গল। তাতে যে ধরনের তথ্য পেল, সব টুকে নিল নোটপ্যাডে। এরপর পুরনো মোহরের যেসব সাইট আছে, সেগুলো একে একে দেখল।

    সতেরো শ’ ছেচল্লিশ সালের স্বর্ণমুদ্রা ইণ্টারনেটে সার্চ দিতেই এল তথ্য: CHRS. REGN. VINC. IMPER. 1746. ওই মোহরের নাম: Louis d’or. অষ্টাদশ শতাব্দীতে প্রচলিত ছিল ফ্রান্সে। লোকে বলত ফ্রেঞ্চ ফ্র্যাঙ্ক। বর্তমান মূল্য প্রতিটি কমবেশি পাঁচ হাজার পাউণ্ড। টাকার অঙ্ক জেনে গলা শুকিয়ে গেল পিটারের। আনমনে ভাবল, ফ্রান্সের ওই সোনার মোহর কী কারণে এসেছিল এই স্কটল্যাণ্ডে?

    আরও কিছু ডেটা পেয়ে নোটপ্যাডে টুকে নিল পিটার। কাজ শেষ করে ইণ্টারনেটে সার্চ করল স্যামন মাছের বেআইনি শিকার আর শিকারিদের ওপর। এবারও পেল টুকটাক কিছু খবর। তবে সেসব জরুরি কিছু নয়। তা-ও নোটপ্যাডে লিখল। কাজটা শেষ করে হাতঘড়ি দেখল। রাত হয়ে গেছে। অথচ যোগাযোগ করেনি চাচা। বিরক্ত করবে না ঠিক করেছে, তাই ইতালিতে আবারও ফোন দিল না। একবার ভাবল, পাঠিয়ে দেবে কি না ই-মেইল। চাচাকে সোনার মোহরের ব্যাপারটা জানিয়ে রাখা উচিত।

    স্মার্টফোন দিয়ে মোহরের ছবি তুলল পিটার। ছবির নিচে মেসেজও দিল: ‘রবার্ট এটা পেয়েছে। সব অদ্ভুত লাগছে। আশা করি দ্রুত চলে আসবে তুমি, চাচা।’

    মেসেজ পাঠিয়ে দেয়ার পর নিজেকে ভীষণ একা আর অসহায় লাগল ওর। মন ছেয়ে গেল চরম হতাশা ও রাগে। ফড়াৎ করে নোটপ্যাড থেকে কাগজটা ছিঁড়ে গোল পাকিয়ে ছুঁড়ে ফেলল ঘরের কোণে ওয়েস্টপেপার বাস্কেট লক্ষ্য করে। ওটা ঠিক জায়গায় না পড়ে গড়িয়ে গিয়ে থামল এক চেয়ারের পাশে। পিটারের মন এতই বিক্ষুব্ধ যে, উঠে গিয়ে গোল পাকানো কাগজটা ঠিক জায়গায় ফেলল না। মন কু ডাকছে ওর। বারবার মনে হচ্ছে, চাচা হয়তো আসবেই না।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleধাওয়া – কাজী মায়মুর হোসেন
    Next Article অদৃশ্য ঘাতক – কাজী মায়মুর হোসেন

    Related Articles

    কাজী মায়মুর হোসেন

    অদৃশ্য ঘাতক – কাজী মায়মুর হোসেন

    July 25, 2025
    কাজী মায়মুর হোসেন

    ধাওয়া – কাজী মায়মুর হোসেন

    July 25, 2025
    কাজী মায়মুর হোসেন

    মৃত্যু উপত্যকা – কাজী মায়মুর হোসেন

    July 25, 2025
    কাজী মায়মুর হোসেন

    খুনে ক্যানিয়ন – কাজী মায়মুর হোসেন

    July 25, 2025
    কাজী মায়মুর হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৪৮ – মৃত্যুঘণ্টা

    July 25, 2025
    কাজী মায়মুর হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫৮ – মহাপ্লাবন

    July 25, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }