Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    মাসুদ রানা ৪৬৮ – স্বর্ণলিপ্সা

    কাজী আনোয়ার হোসেন এক পাতা গল্প393 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    স্বর্ণলিপ্সা – ১৭

    সতেরো

    পরিচর্যা করা হয়নি বলে নিভু নিভু হয়ে এসেছে আগুন। আলাপের জন্যে ফায়ারপ্লেসের পাশের টেবিলটা বেছে নিল রানা ও জেসিকা। উইকার বাস্কেট থেকে কিছু কাঠ নিয়ে আগুনে গুঁজে দিল রানা। নতুন করে আবারও বড় হয়ে উঠছে শিখা। আগুনের দিকে বাড়িয়ে হাতদুটো গরম করতে চাইল জেসিকা। নিচু গলায় বলল, ‘আমাদের গ্রামে আগন্তুক একেবারেই আসে না। বিশেষ করে তোমার মত লোক।’

    ‘তুমি কি প্রশ্ন করলে, নাকি মন্তব্য?’ বলল রানা। ‘আমি কৌতূহলী, আর কিছু না।’

    ‘আমাকে নিয়ে ভেবো না। কাজ শেষ হলে দেরি করব না বিদায় নিতে।’

    ‘জানতে পারি আসলে কেন এসেছ?’

    ‘ব্যক্তিগত কাজে,’ বলল রানা।

    ‘অর্থাৎ বলবে না।’

    ‘তা নয়। আমি হ্যানন পরিবারের বন্ধু।’

    ভুরু উঁচু করল জেসিকা। ‘পিটারের সঙ্গে দেখা করতে এসেছ?’

    ‘সবাই দেখি ওকে চেনে,’ বলল রানা, ‘ম্যাকডোনাল্ডও ওর কথাই বলছিল। খুব অপছন্দ করে পিটারকে।’

    হাত নাড়ল জেসিকা। ‘ছোট গ্রাম। পরস্পরকে চেনে সবাই। তাই সবার হাঁড়ির খবরও সবার জানা। কে ভাল বা মন্দ, সহজেই আমরা জেনে যাই। যেমন ওই ম্যাকডোনাল্ড। সে মাথাগরম একটা ষাঁড়। এমন কেউ নেই যে ওকে ভাল মানুষ বলবে। ওর কথা বাদ দাও।’

    প্রসঙ্গ পাল্টে ফেলল রানা। ‘পিটার এখন কেমন আছে? সরাসরি গ্রামে এসেছি বলে হাসপাতালে যেতে পারিনি।’

    ‘ওর শরীরের অর্ধেক হাড় ভেঙে দিয়েছে। ক্ষতি হয়েছে মগজের। এখনও জ্ঞান ফেরেনি। আর কখনও না-ও ফিরতে পারে।’

    ‘জেনে খারাপ লাগছে।’

    ‘আমারও মন খুব খারাপ,’ জেসিকার চোখে সত্যিকারের দুঃখ দেখল রানা। কী যেন ভাবল মেয়েটা, তারপর বলল, ‘একেবারেই ছোটবেলার বন্ধু তো, তা-ই। ওর সঙ্গে কীভাবে তোমার পরিচয়?’

    ‘আমার সঙ্গে কখনও পরিচয় হয়নি। আসলে ওর জন্যে এখানে আসিনি। পিটারের চাচা আমার সিনিয়র ফ্রেণ্ড। তার খোঁজেই এদিকে এসেছি।’

    ভুরু কুঁচকাল জেসিকা। ‘কেন খুঁজছ তাকে? সে কি হারিয়ে গেছে?’

    ‘এই গ্রামে থাকার কথা। তবে পরে জানলাম কোথায় যেন গেছে। খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না।’

    ভুরু আরও কুঁচকে গেল জেসিকার। ‘তুমি তা হলে বলছ বেন হ্যাননের কথা?’

    ওর কথায় অবাক হয়েছে রানা। চট করে জানতে চাইল, ‘তুমি তাকে চেনো কীভাবে?’

    ‘ভাল করে না চিনলেও পছন্দ করি। ফোর্ট উইলিয়ামের হাসপাতালে পরিচয়। গাড়িতে করে পৌঁছে দিয়েছিলাম পুলিশ স্টেশনে। আর তারপর ডিটেকটিভ ইন্সপেক্টর জন মুরে আর ডিটেকটিভ সার্জেন্ট ডানকান রিডের সঙ্গে যখন আন্তরিক আলাপ করলেন মিস্টার হ্যানন, সে-সময়ে ওই ঘরে আমিও উপস্থিত ছিলাম।’

    ‘পুলিশের সঙ্গে তো একদমই বনে না ওর। আসলে কী হয়েছিল ওখানে?’

    ‘আমার সুপিরিয়র অফিসাররা তাঁকে পাত্তা দিতে চাননি। আর তারপর যখন মিস্টার হ্যানন বললেন, পিটারকে পেটানোর কেসের ব্যাপারটা নিজেই তদন্ত করবেন, তখন ইন্সপেক্টর মুরে আর সার্জেন্ট রিডের সঙ্গে সম্পর্কটা আরও তিক্ত হয়ে গেল। তবে মিস্টার হ্যানন পুলিশ স্টেশন থেকে বেরিয়ে যাওয়ার পর তাঁর সঙ্গে আর দেখা হয়নি আমার। মনে হয়েছে, কোনও সূত্র না পেয়ে হাল ছেড়ে ইতালিতে ফিরে গেছেন।’

    মাথা নাড়ল রানা। ‘হাল ছেড়ে দেয়ার মানুষ বেন নয়।’ আগুনে দুটো চ্যালাকাঠ ফেলল ও। ভাবছে, আরও তথ্য দেবে মেয়েটাকে? ওর অন্তর বলছে: অনুচিত হবে কিছু বলা। অথচ, মন এটাও বলছে: তুমি বিশ্বাস করতে পারো জেসিকা থমসনকে। জরুরি তথ্যও হয়তো পাবে ওর কাছ থেকে। সামান্য দ্বিধা নিয়ে বলল রানা, ‘বেন ফিরে গেলে, পিটারের ক্যাম্পার ভ্যানটা উধাও হতো না।’

    ‘পিটারের ভ্যান নিয়ে গেছেন তিনি?’

    মাথা দোলাল রানা। ‘পিটারের বাড়িতে গিয়েছিলাম। আমার আগে ওখানে গেছে বেন। ভ্যানটা এখন আর বাড়ির পেছনের উঠানে নেই। ফলে বুঝে গেছি, ইতালিতে ফেরেনি বেন। ওই গাড়ির রেজিস্ট্রেশনের কাগজ এখন আমার কাছে। চাইলে নিতে পারো।’

    মুচকি হাসল জেসিকা। ‘আমি পুলিশ, তুমি তো নও, মিস্টার রানা। কাগজপত্র দাও। কেসটা সলভ হলে পিটারের হাতে ওটা দিয়ে দেব।’

    ‘চাইলে আমাকে রানা বলে ডাকতে পারো,’ বলল রানা।

    ‘ঠিক আছে, রানা। বেন হারিয়ে গেছেন এমনটা ধরে নেয়ার কোনও কারণ নেই। সেজন্যে যথেষ্ট সময়ও পেরিয়ে যায়নি। তবে স্থানীয় অফিসারদের বলে দেব ক্যাম্পার ভ্যানের কথা। ওটা দেখলেই আটক করবে। রানা, তোমার কী ধারণা, ওই গাড়িটা কী কারণে নিয়ে গেছেন তিনি?’

    ‘ফোর্ট উইলিয়ামে তোমার সঙ্গে দেখা হওয়ার পর ভাতিজার বাড়িতে ফিরেছে বেন। তারপর যখন স্থির করেছে কী করবে, তখন যানবাহন লাগবে বলে ক্যাম্পার ভ্যান নিয়ে গেছে।’

    নড করল জেসিকা। ‘শেষবার যখন দেখলাম, গ্রামে আসবেন বলে বাসের জন্যে অপেক্ষা করছিলেন।’

    এবং এরপর থেকে আর খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না,’ বলল রানা। ‘এ থেকে মনে হচ্ছে, কয়েকটা কাজ করতে পারে বেন।’

    ‘যেমন?’

    ‘ওর হার্টের অবস্থা ভাল নয়।’

    ‘তাই? হায়, ঈশ্বর! জানতাম না। আমার মনে হয়েছিল, এই বয়সেও অনেক সুস্থ তিনি।’

    ‘গতকাল পর্যন্ত আমিও তাই ভাবতাম।’

    ‘তুমি কি তা হলে ভাবছ হৃদরোগে আক্রান্ত হয়েছেন তিনি?’

    ‘হয়তো। এজন্যেই বেশি চিন্তিত ওর স্ত্রী মিরাণ্ডা। আমিও দুশ্চিন্তায় আছি। তা ছাড়া, অন্য বিপদেও পড়তে পারে। এই গ্রামে বাজে সব ঘটনা ঘটছে। প্রথমে মরল রবার্ট উইলসন। তারপর পিটিয়ে আহত করা হলো পিটারকে। এখন বেনের কী ঘটেছে, সেটা আমরা জানি না।’

    গভীর চিন্তায় তলিয়ে গেল জেসিকা। একটু পর বলল, ‘বেন হ্যাননকে বলেছি, এদিকের মানুষের কাছে যেন রবার্ট বা পিটারের ব্যাপারে প্রশ্ন না করেন। তাঁকে বলেছি, তাঁর জন্যে দুশ্চিন্তা হচ্ছে আমার।’

    ‘কী কারণে দুশ্চিন্তা?’

    ‘কারণ, বেন হ্যানন ভেবেছিলেন রবার্ট আর পিটারের কেস একই শেকড় থেকে উঠে এসেছে। তাই আমার মনে হয়েছিল, পিটারকে যারা পিটিয়ে আহত করেছে, তাদেরকে পুলিশ ধরতে না পারলে যখন-তখন বেন হ্যাননের ক্ষতি করবে তারা।’

    ‘তা হলে কি ওই দুই কেস আসলে সম্পর্কিত?’

    মাথা নাড়ল জেসিকা। ‘এগুলো পুলিশ তদন্তের বিষয়। তোমাকে এ বিষয়ে কিছু জানাতে পারব না।’

    ‘পিটারকে যারা আহত করেছে, তাদের বিরুদ্ধে জরুরি কোনও সূত্র পেয়েছে পুলিশ?’

    ‘এই বিষয়েও জবাব দেব না। তা ছাড়া, ওই কেসে আমাকে কাজ করতে দেয়া হয়নি।’

    ‘তদন্তের দায়িত্ব তা হলে কার?’

    ‘বেন হ্যানন যে দুই অফিসারের সঙ্গে কথা বলেছেন, সেই ইন্সপেক্টর মুরে আর সার্জেন্ট রিড আছেন এই দুই কেসে।’

    কেস তোমাকে না দেয়া হলেও তুমি কৌতূহলী। কারণ পিটিয়ে আহত করেছে তোমার ছোটবেলার বন্ধুকে। বুঝতে পেরেছি। আমার মনে হচ্ছে, অনেক কিছুই ভাবছ তুমি। সেগুলো শেয়ার করবে আমার সঙ্গে?’

    ‘এখন পর্যন্ত কাউকে সন্দেহভাজন বলে ধরে নেয়া হয়নি। আপাতত এর বেশি কিছু আমার জানা নেই।

    ‘আমিও আছি আঁধারে,’ বলল রানা। ‘এই দুই কেস সম্পর্কে ভুল কিছু বললে আমাকে শুধরে দিয়ো।’

    ‘তুমি তথ্য শেয়ার করলে, শুনতে আপত্তি নেই আমার।’

    ‘তার মানে, নিজে থেকে কিছু বলবে না।’

    ‘আমি পুলিশ আর তুমি সাধারণ মানুষ। এই সূত্র ধরে এগোতে পারো।’

    ‘ঠিক আছে,’ বলল রানা, ‘যুক্তির বাইরে যাচ্ছ না। এখন প্রথম কথা: বেন যদি পিটারের আহত হওয়ার বিষয়ে কোনও প্রমাণ পেয়ে থাকে, হয়তো সতর্ক হয়ে গিয়ে ওর ওপর হামলা করবে একদল বাজে লোক।’

    ‘তাতে কোনও সন্দেহ নেই।’

    ‘দ্বিতীয়ত: তুমি তো আর আমার মত করে বেনকে চেনো না। ভয় পেয়ে কোনও কিছু থেকে পিছিয়ে যায় না সে। হার্ট যেমনই হোক, বেন গ্র্যানিট পাথরের চেয়েও কঠিন।’

    ‘গ্লাসগোতে এ ধরনের মানুষ দেখেছি। চিনি কতটা শক্ত হয় এরা।’

    ‘কিন্তু বেনকে চেনো না,’ বলল রানা, ‘ও বোমার চেয়েও বিপজ্জনক দক্ষতার চূড়ায় ওঠা এক যোদ্ধা। ভাবতেও পারবে না কী করতে পারে সে।’

    চোখ সরু করে ওকে দেখল জেসিকা। ‘বলতে থাকো। আমি শুনছি।’

    ‘পিটারকে যারা আহত করেছে, তারা জানে না যে নরক ডেকে এনেছে নিজেদের মাথার ওপর। তাদের মাথার ওপরে আছে বড় কেউ। হয়তো অর্গানাইড্ ক্রাইমের কোনও মাফিয়া ডন। এমন একজন, যে কি না দরকারে দলের লোক দিয়ে খুন করাতে দ্বিধা করবে না।’

    ‘এসব যৌক্তিক মনে হচ্ছে তোমার?’ জানতে চাইল জেসিকা।

    ‘না, তা মনে হচ্ছে না।’

    ‘যা বলছ, সবই আন্দাজে,’ বলল জেসিকা। ‘প্রথমেই কথা উঠবে: এসবের পেছনে মোটিভ কই? কিনলোকার্ড গ্রামে কী আছে যে বাইরের ক্রিমিনালরা হামলে পড়বে এখানে?’

    ‘কিছু সত্যিই আছে,’ বলল রানা। ‘এটা আন্দাজ নয়। আমার ধারণা: এদিকের জঙ্গল বা টিলায় আছে লাখ লাখ পাউণ্ডের সোনার কয়েন।’ মোবাইল ফোন বের করে সোনার মোহরের ছবি জেসিকাকে দেখাল রানা। ‘এটা পাওয়া গেছে এদিকে।’

    ‘ব্যাখ্যা করে বলো,’ বলল জেসিকা।

    রবার্ট উইলসনের সোনার কয়েন পাওয়া থেকে শুরু করল রানা। তারপর রবার্ট খুন হওয়ায় পেটানো হলো পিটারকে। ধরে নেয়া হয়েছিল তার কাছে আছে সোনার কয়েনের হদিস। গড়গড় করে বলে গেল রানা, ‘শত শত বছর আগের এসব সোনার কয়েন সাধারণ সোনার চেয়ে ঢের বেশি দামি। ব্ল্যাক মার্কেটে যা দাম উঠবে, তাতে মানুষ খুন করতেও দ্বিধা করবে না কোনও সংগ্রাহক।’

    ‘চোরাই অ্যান্টিকুইটি? এই বিষয়ে কতটা জানো তুমি?’

    ‘যথেষ্ট জানি। এসব সোনার কয়েনের জন্যে খুন করবে বেশিরভাগ মানুষ।’

    ছবিটা চিন্তিত চোখে দেখল জেসিকা। ‘বলা হয় এদিকে আছে বেশ কিছু গুপ্তধন। যদিও কখনও মনে হয়নি বাস্তবে ওসব আছে। রবার্ট সোনার কয়েন কোথায় পেয়েছিল? কতগুলো ছিল?’

    ‘কোথায় পেয়েছে বা কতগুলো তা আমি জানি না,’ বলল রানা। ‘তবে যথেষ্ট না পেলে গ্রামের পাবে এসে বগলবাজি করত না। ভেবেছিল, বড়লোক হয়ে গেছে সে। বাকি জীবন কাটাবে ইতালি বা ফ্রান্সের সৈকতের ধারে কোনও বাড়ি কিনে।’

    ‘তোমার কাছে আছে মাত্র একটা কয়েনের ছবি। আরও আছে বলে ভাবছ কেন?’

    ললিপপ লিলি পুলিশি ঝামেলায় জড়িয়ে যাক, তা চাইছে না রানা। তাই তার কথা উল্লেখ করল না। ‘এই তথ্যটা গোপনীয়, অফিসার। সোর্স সম্পর্কে কিছুই জানাতে চাই না।’

    ‘পুলিশের কাছে তথ্য গোপন আইনের চোখে অপরাধ।’

    ‘তা হলে আমাকে গ্রেফতার করো।’

    কড়া চোখে রানাকে দেখল জেসিকা। একটু পর দীর্ঘশ্বাস ফেলে বলল, ‘ঠিক আছে। আর কী জানতে পেরেছ?’

    ‘পিটার পেয়েছিল রবার্টের অন্তত একটা কয়েন। কপালের জোরে বোধহয় পেয়ে যায়। আমার মনে হয় না রবার্ট ওর বন্ধুকে সোনার কয়েনের হদিস দিয়েছিল। এটাও বলেনি যে গ্রাম ছেড়ে যাওয়ার কথা ভাবছে সে। তবে পিটারের ওপর হামলা করল যারা, তারা জানত না যে কিছুই জানে না সে। তথ্যের জন্যে পেটানো হলো ওকে। অথবা, হয়তো ওর কাছ থেকে জেনে নিয়েছে কোথায় আছে গুপ্তধন। রবার্ট খুনের সময় ঘটনাটা দেখে ফেলে স্যামন মাছ-শিকারি এক পোচার। সে যে খুনের সাক্ষী, সেটা তারা জানত না। পিটারও চিনতে পারেনি তাকে। চাচার কাছে সাহায্য চেয়েছিল সে। আর সেজন্যেই স্কটল্যাণ্ডে পা রাখে বেন হ্যানন।’

    চুপ করে আছে জেসিকা। রানা বুঝতে পা গভীরভাবে ভাবছে মেয়েটা। অবশ্য মুখ খুলল না।

    ‘ওই সাক্ষীকে পেলে উন্মোচিত হবে এই রহস্য,’ বলল · রানা। ‘তখন জানা যাবে আসলেই রবার্ট খুন হয়েছে কি না। মিথ্যাও বলে থাকতে পারে সে। হয়তো পানিতে ডুবেই মরেছে রবার্ট। আত্মহত্যাও করে থাকতে পারে।’

    কী যেন ভাবছে জেসিকা।

    ‘এটা ধরে নাও, পিটারের ভ্যান নিয়ে ওই সাক্ষীর খোঁজেই গেছে বেন,’ বলল রানা, ‘ওই লোককে পেলে, জানবে অনেক কিছুই। পুলিশেরও একই পথে তদন্ত করা উচিত ছিল। তারা কি সেটা করছে?’

    মাথা নাড়ল জেসিকা। ‘আগেই বলেছি, তদন্তের ব্যাপারে কিছুই বলব না।’

    ‘তার মানে, তুমি বহু কিছু জানলেও তদন্ত থেকে তোমাকে দূরে সরিয়ে রাখা হয়েছে,’ বলল রানা। ‘সেটা করেছে ইন্সপেক্টর মুরে আর সার্জেন্ট রিড।’

    ‘তা ঠিক।’

    ‘সেজন্যে দোষ দিচ্ছি না তাদেরকে। নিয়ম নিয়মই। এ ব্যাপারে আমার কোনও অভিযোগ নেই। এই দুই কেস বা বেন হ্যাননের ব্যাপারে আরও কোনও প্রশ্ন আছে তোমার?’

    ‘কৌতূহল হচ্ছে। এবার কী করবে তুমি।’

    ‘আপাতত কোথাও যাচ্ছি না। আগে খুঁজে বের করব বেন হ্যাননকে। সেজন্যে চারপাশে চোখ রাখব।’

    ‘গ্রামে থাকার মত কোনও জায়গা আছে তোমার?’

    ‘নেই,’ বলল রানা। ‘দরকারে একটা তাঁবু কিনে নেব।’

    ‘ডিসেম্বরের শীতে তাঁবু?’

    রানা জানাল না, এর চেয়ে ঢের খারাপ পরিবেশে মাসের পর মাস থাকার অভিজ্ঞতা আছে ওর। সহজ সুরে বলল, ‘দেখি কোথায় ওঠা যায়।’

    ‘কিনলোকার্ড গ্রামে ক্যাম্পিং সাপ্লাইয়ের দোকান নেই,’ বলল জেসিকা, ‘হোটেল বা গেস্টহাউসও নেই যে ওখানে উঠবে।’

    ‘তা হলে ঘুমাব গাড়িতে।’

    ‘গ্রামের ধারে মিসেস ক্লার্কের খালি কটেজ আছে। ওটা ভাড়া নিতে পারো।’

    ‘মিসেস ক্লার্ক?’

    ‘গ্রামের সবচেয়ে বয়স্কা মহিলা। আমি যখন ছোট ছিলাম, তখনও তিনি এতটাই বুড়ি ছিলেন। মিলিয়নখানেক বছর হবে তাঁর বয়স। ঝুনো নারকেলের মত। তবে মাথা খেলে খুব ভাল। ক’দিন আগেও কথা বলেছি। খুশি মনেই তোমাকে কটেজ দেবেন। অবশ্য আগেই আদায় করবেন এক সপ্তাহের ভাড়া। টাকা পেলে খুব খুশি হন। ‘

    রানার ধারণা: ওর ওপর চোখ রাখতেই সাহায্য করতে চাইছে জেসিকা। তা হোক। আপাতত তার সঙ্গে একই পথে হাঁটতে ওর আপত্তি নেই। তা ছাড়া, গাড়ির বদলে কটেজে ঘুমাতে পারলে ভালমত বিশ্রাম নিতে পারবে। প্রয়োজনে যে- কোনও সময়ে জেসিকার চোখ এড়িয়ে উধাও হবে। খুশি মনেই বলল রানা, ‘সমস্যা নেই, কটেজটা তা হলে কোথায়?’

    ‘আমিই ড্রাইভ করে নিয়ে যাচ্ছি। বুড়ির সঙ্গে পরিচয়ও করিয়ে দেব।’

    ‘আমার ভাড়া করা গাড়িটা আছে পিটারের বাড়ির সামনে,’ বলল রানা।

    ‘গ্রামের কিনারায় বুড়ির কটেজ। ওখান থেকে বেশি দূরে নয় পিটারের বাড়ি। বুড়ির সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেয়ার পর সহজেই গাড়িটা সংগ্রহ করে নিতে পারবে। দশ মিনিটের হাঁটা পথ।

    পাব ছেড়ে তুষারপাতে বেরোল রানা ও জেসিকা। উঠানের একটু দূরে আছে পুরনো ল্যাণ্ড রোভার। গাড়িটা দেখে মৃদু হেসেছে রানা, সেটা খেয়াল করেছে জেসিকা। তাই বলল, ‘ভেবেছিলে লাল, ছোট কোনও ফিয়াট চালাই? হেডলাইটের ওপরে থাকবে চোখের পাপড়ি?’

    ‘গাড়িটা ভাল লেগেছে আমার,’ বলল রানা।

    ‘বেন হ্যাননেরও ভাল লেগেছিল।’

    গাড়িতে উঠল ওরা। ঢং শব্দে বন্ধ হলো দরজা। ইঞ্জিন চালু করে হেডলাইট অন করল জেসিকা। সুইচ টিপে দেয়ায় উইণ্ডস্ক্রিনের ওপর থেকে তুষার ঝেড়ে ফেলল শক্তিশালী ওয়াইপার। হিটার ভেণ্ট থেকে বেরোল বরফ-ঠাণ্ডা হাওয়া। গিয়ার ফেলে ফাঁকা রাস্তায় উঠল মেয়েটা। গ্রামের মাঝ দিয়ে চলেছে ল্যাণ্ড রোভার। রানা বলল, ‘তো কিনলোকার্ড গ্রামেই থাকে তোমার স্বামী?’

    নিস্পৃহ চোখে ওকে দেখল জেসিকা।

    অপ্রস্তুত হয়ে রানা বলল, ‘সরি। স্বামী বলা বোধহয় ঠিক হলো না। পার্টনার? পাবে ঢোকার সময় দেখেছি তোমরা

    একই টেবিলে বসে ছিলে।’

    ‘মাইক?’ হেসে ফেলল জেসিকা। ‘না তো! আমরা তো বিবাহিত বা পার্টনার নই।

    ‘তা হলে ভুল ভেবেছি।’

    ‘তাতে কোনও ক্ষতি হয়নি। আগে আমার সঙ্গে তাকে জড়িয়ে গল্প ফাঁদত গ্রামের অনেকে। পরে জানল, সে আসলে সমকামী। গ্রামে পার্টনার নেই। প্রতি সপ্তাহে দু’বার ইনভার্নেস শহরে ঘুরতে যায়।’ রানা চুপ করে আছে বলে আলাপটা আরেকটু এগিয়ে নিল জেসিকা, ‘এ গ্রামের মানুষগুলোর ভেতর নিজেদের ব্যক্তিগত বলে কোনও কথা নেই। পর্দার আড়াল থেকে সবাই চোখ রাখছে সবার ওপর। আমি নিজে অবিবাহিতা… সেটা যদি জানতে চেয়ে থাকো।

    ‘না, তা বলছিলাম না,’ অস্বস্তি কাটয়ে বলল রানা।

    অন্য প্রসঙ্গে গেল জেসিকা। ‘তোমার ড্রাইভিং লাইসেন্স থেকে জানলাম তুমি লণ্ডনে থাকো।’

    মাথা দোলাল রানা।

    ‘ওখানে কী করো?’

    ‘প্রাইভেট ইনভেস্টিগেটরের কাজ।’

    ‘আগে বেন হ্যাননের সঙ্গে আর্মিতে ছিলে?’

    ‘এ-কথা বলেছে বেন?’ অবাক হলো রানা। বুড়ো কখনোই মিলিটারিতে তার অতীত জীবন নিয়ে কারও সঙ্গে কথা বলে না।

    ‘এখন টমেটো চাষ করে ইতালির খামারে। অনেকেই তাদের মনের কথা আমাকে বলে। কেন বলে, জানি না। বোধহয় আমার নিরীহ চেহারার জন্যেই।’

    ‘আমি নিজের ব্যাপারে কিছু বলিনি।’

    ‘না, বলোনি। ফলে কৌতূহলী হয়ে গেছি। নিজ চোখে দেখেছি, মার খেয়ে ভূত হয়েছে গ্রামের পাকা হারামি তিনটা খাটাশ। অথচ, একটা ঘুষিও দাওনি। যেভাবে কথা বলো, বা ভাবো, তাতে আমার মনে হয়েছে, আগে ছিলে মিলিটারিতে। তবে জানি না কত দিন আগে চাকরি ছেড়েছ।’

    ‘যেভাবে আন্দাজে সব জেনে যাচ্ছ, তাতে তো তোমার এতদিনে ডিটেকটিভ সার্জেন্ট হয়ে যাওয়ার কথা।’

    ‘সে চেষ্টাতেই আছি,’ বলল জেসিকা, ‘আমি কি ভুল বলেছি?’

    ‘বেশ কয়েক বছর আগেই অবসর নিয়েছি,’ বলল রানা।

    ‘মিলিটারিতেই বেন হ্যাননের সঙ্গে তোমার পরিচয়?’

    ‘হুঁ, আমার ট্রেইনার ছিল। এত সৎ মানুষ খুব কম‍ই দেখছি।’

    ‘বন্ধুর জন্যে এত দূরে এসেছ বলে তোমার প্রশংসা না করে পারছি না। বন্ধুদের এমনই হওয়া উচিত। একে অপরের বিপদে ঝাঁপিয়ে পড়ে সাহায্য করবে।’

    কথাটা অন্তর থেকে বলেছে জেসিকা, নাকি খুঁড়তে চাইছে আরও তথ্য, ভাবল রানা। ‘পারতপক্ষে মিথ্যা বলি না। এখানে এসেছি বেনকে খুঁজতে। জেনে নেব ওর কী হয়েছে। পথে কেউ বাধা দিলে সাধ্যমত চেষ্টা করব তাকে সরিয়ে এগিয়ে যেতে। এর বেশি কিছু বলার নেই আমার।’

    ‘পুলিশ স্টেশনে আমার ঊর্ধ্বতন অফিসারকে বেন যা বলেছিলেন, সেটার সঙ্গে মিলে যাচ্ছে তোমার কথা,’ বলল জেসিকা। ও নকল করল বৃদ্ধ যোদ্ধার গলা: ‘তোমরা বরং আমার পথ থেকে দূরে থেকো। নইলে বিপদে পড়বে।’ আমি আসলে মানুষটার জন্যে দুশ্চিন্তায় পড়েছি। নিজে তদন্ত না করলেই হয়তো ভাল হতো। আশা করি তুমিও তাঁর মত ওই একই ভুল করবে না?’

    ‘আমি ঝামেলা করতে এখানে আসিনি,’ বলল রানা। ‘অথচ, গ্রামে এসেই হাসপাতালে পাঠিয়ে দিয়েছ এদিকের সবচেয়ে বদমাশ দু’তিনজনকে।’

    ‘ঝামেলা কিন্তু ওরাই করেছে, আমি না। মাত্র একটা কাজেই এখানে এসেছি। আমার বন্ধুকে যেন নিরাপদ আর সুস্থ অবস্থায় ফিরিয়ে নিয়ে যেতে পারি।’

    ‘শুনে খুশি হলাম। আশা করি ভালই আছেন মানুষটা।’

    ওরা পৌঁছে গেছে বুড়ির বাড়ির সামনে। গাড়ি পার্ক করে নেমে পড়ল মেয়েটা। তার পিছু নিল রানা।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleরবিনহুড – কাজী আনোয়র হোসেন
    Next Article মাসুদ রানা ০২৯-৩০ – রক্তের রঙ (দুই খণ্ড একত্রে)

    Related Articles

    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৩৮৫-৩৮৬ – হ্যাকার (দুই খণ্ড একত্রে)

    July 22, 2025
    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫৬ – টপ টেরর

    July 22, 2025
    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫৪ – নরপশু

    July 22, 2025
    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫৩ – ধর্মগুরু

    July 22, 2025
    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫২ – কালো কুয়াশা

    July 22, 2025
    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫১ – মায়া মন্দির

    July 22, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }