Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    মাসুদ রানা ৪৬৮ – স্বর্ণলিপ্সা

    কাজী আনোয়ার হোসেন এক পাতা গল্প393 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    স্বর্ণলিপ্সা – ৪৩

    তেতাল্লিশ

    ঘরে মানুষের উপস্থিতি টের পেয়ে ঘুরে দাঁড়াল বিলিয়নেয়ার রন স্টুয়ার্ট। রানা বুঝল, ভাব নিচ্ছে ব্যাটা-দরজার জোরালো টোকা তার কানে না যাওয়ার কোনও কারণই নেই। পরনে সিল্কের সাদা শার্টের ওপর দামি টুইডের সুট। পায়ে কমোডো ড্রাগনের চামড়ার আরামদায়ক লোফার। জানালা পথে আসা আলোয় ঝিকিয়ে উঠছে মাথার চকচকে রুপালি চুল। বোর্ডরুমে দুর্দান্ত লড়াই শেষে বিজয়ী হলে, বা করপোরেট প্রতিযোগীকে হারিয়ে দিলে যে সন্তুষ্টি থাকে ব্যবসায়ীর মুখে, এ মুহূর্তে তার মুখে সেই আত্মবিশ্বাসী মিটিমিটি হাসি।

    ‘তো তুমিই মাসুদ রানা? খুশি হলাম যে এসেছ। তোমাকে অসংখ্য ধন্যবাদ।’

    রানার পর ঘরে ঢুকেছে বাক ওয়াকি ও ম্যাকগ্রার খুনি। করিডোরে রয়ে গেছে তৃতীয় লোকটা। পেছনে দরজাটা আটকে দিল বাক ওয়াকি। সঙ্গীকে নিয়ে দরজার দু’পাশে দাঁড়িয়ে গেল। হাতে পিস্তল। সতর্ক চোখে দেখছে রানাকে। ভাবছে, যে-কোনও সময়ে বিলিয়নেয়ারের ওপর খালিহাতে ঝাঁপিয়ে পড়বে যুবক। নিজেও অন্তত তিনবার একই কথা ভেবেছে রানা, তারপর সিদ্ধান্ত পাল্টে নিয়েছে। কথা বলল ঠাণ্ডা গলায়, ‘জেসিকা কোথায়?’

    বাতাসে তাচ্ছিল্যের সঙ্গে হাত নাড়ল স্টুয়ার্ট। ‘কাছেই কোথাও আছে। তবে চাইলেও তাকে খুঁজে পাবে না। ওয়াকির লোক লিয়ন বেনেট এখন তাকে পাহারা দিচ্ছে। তার হাতে আছে ধারাল ছোরা। কারও বুকে বা পেটে ওটা গেঁথে দিতে পারলে মজা পায়। অবশ্য দুশ্চিন্তা কোরো না। আপাতত নিরাপদেই আছে মহিলা। তবে কতক্ষণ নিরাপদে থাকবে, তা নির্ভর করছে তোমার ওপর। কাজেই বলে ফেলো কোথায় আছে সোনার কয়েন।’

    ‘জেসিকা ভাল না থাকলে তোমার পরিণতি হবে খুব করুণ,’ বলল রানা।

    ‘তুমি বরং নিজের পরিণতি নিয়ে ভাবো, বাপু,’ হালকা সুরে বলল রন স্টুয়ার্ট।

    ‘নিজের মহাবিপদ ডেকে এনেছ,’ বলল রানা। ‘মানুষ তার ইচ্ছেপূরণ করতে গিয়ে মৃত্যুবরণ করে। আমিও তার বাইরে নই। কেউ বলবে না অনর্থক জীবন কাটিয়েছি। কিন্তু, তুমি যা চেয়েছ, তা তো পাবেই না, মরবে বেঘোরে।’

    ‘আমি ব্যবসায়ী,’ জবাবে বলল স্টুয়ার্ট। ‘ভাল করেই জানি কীভাবে সফল হতে হয়। তোমার মত মাথা গরম করে ভুল করি না। মনে রেখো, তুমি কিন্তু ভাল অবস্থানে নেই।’

    ‘বেন হ্যানন কোথায়?’ জানতে চাইল রানা।

    ‘হঠাৎ তার ভালমন্দে তুমি এত উদ্‌গ্রীব কেন?’ বিজয়ীর হাসি হাসল স্টুয়ার্ট। ‘তুমি আমাকে ধোঁকা দিতে পারোনি। জানতাম সে তোমার প্রিয় কেউ। চাতুরির বইয়ের প্রতিটি কৌশল আমার জানা। আমিই তৈরি করেছি ওগুলো।’

    ‘তার মানে সে বেঁচে আছে।’

    এখনও। তাকে বাঁচাতে অক্লান্ত পরিশ্রম করছে আমার লোক। আসলে, মিস্টার রানা, আমার দুনিয়ায় আছে মাত্র দুই ধরনের লোক। একদল তারা, যারা আমার কাজে আসবে। আর দ্বিতীয় দলের দরকার নেই বেঁচে থাকার। এখন যখন তোমাকে হাতের মুঠোয় পেয়েছি, তাই লাগছে না বুড়ো লোকটাকে। এবার তোমার বন্ধুকে পৃথিবী থেকে বিদায় করে দেব। তার ভবিষ্যৎ এখন নির্ধারিত।’

    ‘একই কথা তোমার ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য,’ বলল রানা। ‘বেন হ্যাননের ক্ষতি হলে সোনার কয়েনের হদিস পাবে না।’

    ‘সে বাঁচল না মরল, তাতে আমার কিছু না। আমি শুধু চাই আমার পূর্বপুরুষের হারিয়ে যাওয়া গুপ্তধন ফিরে পেতে।’

    আমার পূর্বপুরুষের হারিয়ে যাওয়া গুপ্তধন কথাটা বলতে গিয়ে চকচক করে উঠেছে স্টুয়ার্টের চোখ, দেখেছে রানা। চট্ করে বুঝে গেছে, লোকটা ভয়ঙ্কর এক ম্যানিয়াক। ঠাণ্ডা মাথায় মানুষ খুন করবে নগ্ন লোভের কারণে।

    ‘একটা প্রশ্ন, স্টুয়ার্ট,’ সহজ সুরে বলল রানা, ‘জীবনে এত কিছু পেয়েও কয়েকটা কয়েনের জন্যে এতবড় ঝুঁকি নিচ্ছ কেন?’

    তিক্ত হাসল স্টুয়ার্ট। ‘তোমার সেই কিছু কয়েন আমার জন্যে খুব জরুরি। নিজ বংশের সম্পদ। সতেরো শ’ ছেচল্লিশ সালে ফ্রান্সের রাজা পাঠান বনি প্রিন্সের কাছে ব্রিটিশ সাম্রাজ্যবাদীদের বিরুদ্ধে যুদ্ধে খরচ করার জন্যে।’

    ‘ও, তুমি এখন ইতিহাসবিদ,’ শুকনো গলায় বলল রানা।

    ‘আমি বনি প্রিন্স চার্লির একমাত্র উত্তরপুরুষ। ফ্রান্সের রাজা সাত সিন্দুকভরা সোনার কয়েন স্কটিশ সেনাবাহিনীকে দিলেও তা লুকিয়ে রাখা হয়েছিল সাগর থেকে বারো মাইল দূরে প্রাচীন এক পাইন জঙ্গলে। এরপর আর তার খোঁজ পাওয়া যায়নি। এখন জানি তা কোথায় আছে। বর্তমান বিক্রয়মূল্য বড়জোর দশ মিলিয়ন পাউণ্ড। অবশ্য তুমি নিজে ভাল করেই জানো দামটা।’

    রানা ভাবছে, উন্মাদটা কথা বলুক। তার বক্তব্য থেকে হয়তো বেরোতে পারে মুক্তির উপায়।

    উত্তেজিত হয়ে পায়চারি শুরু করল স্টুয়ার্ট। আবেগ কাজ করছে তার মগজে। বলতে লাগল, ‘এ অবিশ্বাস্য! বছরের পর বছর অভিজ্ঞ লোকদের দিয়ে এদিকের এলাকার মাইলের পর মাইল জায়গা সার্চ করিয়েছি। কয়েকবার খোঁজা হয়েছে ক্লুনি’স কেভ। বলা হয় ইংরেজদের কাছে কুলোডেন যুদ্ধে হেরে যাওয়ার পর ওখানেই লুকিয়ে ছিলেন বনি প্রিন্স। ভেবেছিলাম ওদিকেই কোনও

    ওদিকেই কোনও গুহায় সোনার কয়েন রেখেছেন। কিন্তু তেমন কোনও গুহার হদিস পাইনি। অবশ্য সেজন্যে হাল ছেড়ে দিইনি। এরপর ইতিহাসবিদদের কাজে নিলাম, যাতে তারা পুরনো চিঠিপত্র ঘেঁটে দেখে। তবে সেসব থেকেও কিছুই জানা গেল না।’

    ‘আমরা পেয়েছি স্রেফ কপালের জোরে,’ বলল রানা।

    ‘কয়েনের জন্যে এক পয়সাও খরচ করব না,’ থমকে দাঁড়িয়ে রানাকে দেখল স্টুয়ার্ট। ‘প্রাণে বাঁচতে হলে ওগুলো আমাকে দিয়ে দিতে হবে তোমার।’

    ‘আমি তো ভেবেছিলাম দুই-চার মিলিয়ন পাউণ্ড তোমার কাছে কিছুই না।’

    ‘কথা ঠিক,’ বলল স্টুয়ার্ট। ‘তবে তোমাকে দেব কেন? কী কারণে? বুদ্ধিমানের মত মেনে নাও যে হেরে গেছ তুমি। বরাবরের মত জিতে গেছি আমি। এর আর এদিক-ওদিক হয় না।’

    রানার মন চাইল বলে দিতে: দূর, ব্যাটা, আসলে আমিও কিছুই পাইনি। তুই পারলে খুঁজে বেড়া! নির্বিকার চেহারায় স্টুয়ার্টের দিকে চেয়ে রইল ও।

    ‘জীবনে আমি সবসময় জিতে এসেছি,’ বলল স্টুয়ার্ট।

    ‘ওই ছবি তা হলে বনি প্রিন্সের?’ ফায়ারপ্লেসের ওপরের চিত্র দেখাল রানা। আঠারো শতকের এক লোক নাক উঁচু করে দাঁড়িয়ে আছে। মাথায় পাউডারভরা পরচুলা। শিরস্ত্রাণের ডান কাঁধে লাল কেপ। ওটা দিয়ে বুঝিয়ে দেয়া হচ্ছে ওই লোক মহান এক নেতা। ছবির লোকটার চেহারা একেবারেই রন স্টুয়ার্টের মত। বিশ বছর বয়স বেড়ে গেলে লোকটা হতো বিলিয়নেয়ারের যমজ ভাই। রানা বুঝে গেল, দক্ষ কোনও চিত্রকরকে দিয়ে নিজের ছবি আঁকিয়ে নিয়েছে বাটপার স্টুয়ার্ট।

    পোর্ট্রেটের দিকে এমন দৃষ্টিতে তাকাল বিলিয়নেয়ার, যেন দেখছে কোনও দেবতাকে। ধীরে ধীরে মাথা নাড়ল। ‘তাঁর নীল রক্ত বইছে আমার ধমনীতে।’

    ‘তা-ই?’ হাসল রানা। ‘তা হলে তো তুমিও স্কটিশ হিরো।’ জবাব দিতে স্টুয়ার্ট হাঁ মেলতেই বলল ও, ‘কিন্তু দুঃখের কথা, স্কটিশ হিরো আসলে এক ইতালিয়ান কাপুরুষ। দলের সবাইকে বিপদে ফেলে মহিলার পোশাক পরে পালিয়ে গিয়েছিল যুদ্ধক্ষেত্র থেকে। তোমার মতই বুদ্ধিমান ছিল। তবে তার গর্ব করার মত কিছুই ছিল না।’

    চোখে আগুন নিয়ে রানাকে দেখল স্টুয়ার্ট। ‘বাজে কথা বলবে না! মূল কথা হচ্ছে, সেই সাত সিন্দুকভরা সোনার কয়েন আসলে তাঁরই। আর সেগুলো এখন আমি ফেরত চাই।’

    ‘আমার কথামত চললে ফেরত পাবে,’ বলল রানা। ‘বদলে যা চাইব, সেটা দেবে।’

    ‘তুমি বেশি বাড়াবাড়ি করছ,’ রাগে লাল হলো স্টুয়ার্টের দুই গাল। ‘কেউ আমার পথে বাধা হয়ে দাঁড়ালে, দেরি করি না তাকে সরিয়ে দিতে।’

    ‘তাই?’ বলল রানা। ‘কিন্তু মনে তো হচ্ছে না যে কিছু করার আছে তোমার।

    ওর দিকে তর্জনী তাক করল স্টুয়ার্ট। ‘সময় লাগবে না তোমার পেট থেকে সব জেনে নিতে।

    ‘চেষ্টা করে লাভ হবে না,’ বলল রানা।

    ‘তাই? সেটা নিজেই দেখে নেব।’ তুড়ি বাজাল স্টুয়ার্ট। দরজার দু’পাশ থেকে এল বাক ওয়াকি আর তার সঙ্গী। যে- কোনও সময়ে ঝাঁপিয়ে পড়বে রানার ওপর।

    ‘মিস থমসনকে নিয়ে এসো,’ নির্দেশ দিল স্টুয়ার্ট। ‘দেখা যাক বান্ধবীর গলা ফাঁক হতে দেখলে এই লোক কী করে।’

    ‘কার্পেটটা কিন্তু সুন্দর, বস,’ বলল বাক ওয়াকি। ‘ওটা রক্তে ভিজে গেলে আপনার ভাল লাগবে?’ –

    ‘তা হলে গরম পোকার দিয়ে মেয়েটার চোখ তুলে নেব।’ ফায়ারপ্লেস দেখাল স্টুয়ার্ট। ‘তারপর তাকে ফেলব আগুনের ভেতর।’

    ‘তাতে তোমারই ক্ষতি,’ নিচু গলায় বলল রানা। কথাটা শুনে থমকে গেছে স্টুয়ার্ট। ‘কারণ গুপ্তধনের ব্যাপারে ওকে সবই খুলে বলেছি আমি,’ জানাল রানা। ‘আমি মুখ না খুললে জেসিকা হচ্ছে তোমার সেরা ইনশু্যরেন্স। তুমি ওটা হারাতে চাইবে না। আর সেজন্যেই ওই মেয়ের চুলের ডগাও স্পর্শ করবে না।’

    বাক ওয়াকি আর তার সঙ্গী চেয়ে আছে স্টুয়ার্টের দিকে। চোখ সরু করে রানাকে দেখছে বিলিয়নেয়ার। কয়েক মুহূর্ত পর বলল, ‘তুমি মিথ্যা বলছ। আগেই আমাকে বলেছ, রবার্ট উইলসন ছাড়া তুমি একমাত্র মানুষ যে কি না জানে কোথায় আছে সোনার কয়েন।’

    ‘সেটা সকালের কথা,’ বলল রানা। ‘তবে সকাল তো বহু আগেই বিদায় নিয়েছে। গ্রামে ফেরার সময় জেসিকাকে সবই জানিয়েছি।’

    ‘কোথায় গিয়েছিলে তোমরা?’ জানতে চাইল রাক ওয়াকি।

    ‘ডিযঅনারেবল নামের একদল পশুর ব্যাপারে খোঁজ নিতে অন্য শহরে,’ বলল রানা। ‘জানলাম আমি একা নই, আরও অনেকে তাদের ব্যাপারে জানে। সতর্ক হয়ে উঠেছে কর্তৃপক্ষ। যে-কোনও সময়ে এখানে হানা দেবে। সে-সময় শুধু তোমরা নও, গ্রেফতার হবে তোমাদের নির্বোধ বস্ত্ত।’

    রানা জানে, বাক ওয়াকির মত লোককে কর্তৃপক্ষের ভয় দেখিয়ে লাভ হবে না। তবে রন স্টুয়ার্ট ঘাবড়ে যেতে পারে। ঘটলও তা-ই। ফ্যাকাসে হলো বিলিয়নেয়ারের মুখ। দাঁত দিয়ে ঠোঁট কামড়ে ধরে কী যেন ভাবছে। কয়েক মুহূর্ত পর আড়ষ্ট কণ্ঠে বলল, ‘ঠিক আছে, বুঝলাম। তবে তাতে কী? তুমি মুখ না খুললেও মেয়েটার মুখ খোলাতে পারব।’

    ‘নির্যাতনে সবসময় সঠিক তথ্য মেলে না,’ বলল রানা। ‘মেয়েটা হয়তো শকের মধ্যে চলে যাবে। বা, ভয়ে আবোলতাবোল বলবে। তাতে তোমার কোনও লাভ হবে না।

    ‘নির্যাতনের ব্যাপারে তুমি বহু কিছু জানো, তাই না?’ টিটকারির হাসি হাসল স্টুয়ার্ট।

    ‘আমাকে এ বিষয়ে ট্রেইনিং দেয়া হয়েছে,’ বলল রানা। ‘জানি কীভাবে যন্ত্রণা দিতে হয়। আমাকে ওই কাজের মাস্টার বলতে পারো। আর সঠিক সময়ে তোমার ওপরেও ওই ট্রেইনিং প্রয়োগ করব।

    ‘তাই নাকি? বড় করে শ্বাস নিল স্টুয়ার্ট। রেগে গেলেও তার চোখে দ্বিধা আর ভয় দেখল রানা। ‘ঠিক আছে। আপাতত তোমার সঙ্গে খেলছি। অন্যকিছুও করব। ওয়াকি, তুমি ডানজন থেকে নিয়ে এসো বুড়ো হারামজাদাকে। সে নাকি কিছুই জানে না। তো তাকে খুন করলেও ক্ষতি হবে না আমার।’

    মুচকি হাসল বাক ওয়াকি। ‘এবার ঠিক লাইন পেয়েছেন, বস্। খুশি হব বুড়োকে খতম করতে পারলে।’ সঙ্গীকে বলল সে, ‘কোয়ার্ট, তুমি এখানে পাহারা দেবে। দেখবে কোনও ধরনের ঝামেলা যেন না করতে পারে এই লোক।’

    ডানজনে যেতে হবে না বুঝে খুশি হয়ে মাথা দোলাল অ্যালান কোয়ার্ট। রানার উদ্দেশে বলল বাক ওয়াকি, ‘নিরস্ত্র কাউকে জবাই করতে হলে সেরা লোক কোয়ার্ট। কাজ শেষ হলে উধাও হতেও দেরি করে না।’

    বাক ওয়াকি দরজার দিকে যেতেই কেল্টিক কার্পেটের দিকে চেয়ে কী যেন ভাবল স্টুয়ার্ট। ‘একমিনিট, ওয়াকি। ভাবছি, ভাল হয় রানাকে ডানজনে নামিয়ে দিলে। ওটার মেঝে রক্তে ভরে গেলেও ক্ষতি নেই। তুমি দেখবে, যেন বুড়ো হারামজাদা মরার আগে কথা বলার সুযোগ না পায় রানার সঙ্গে।

    ‘ঠিক আছে,’ বলল বাক ওয়াকি। ‘আপনিও আমাদের সঙ্গে আসবেন নাকি, বস্?’

    টুইডের কোটের কবজি গুটিয়ে সোনার হাতঘড়ি দেখল স্টুয়ার্ট। ‘না, এখন নয়। লাঞ্চের সময় হয়ে গেছে।’

    ‘লাঞ্চ এনজয় করুন, বস্। মেন্যুতে আজকে কী আছে?’

    ‘পোচ্ড় স্যামন,’ মৃদু হাসল রন স্টুয়ার্ট।

    রানার দিকে পিস্তলের নল ঘোরাল বাক ওয়াকি। এত কাছে নেই যে তার ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে অস্ত্র কেড়ে নিতে পারবে রানা। অত্যন্ত সতর্ক লোক বাক ওয়াকি। নিচু গলায় বলল, ‘সামনে বাড়ো, চুতিয়ার বাচ্চা!’

    ‘পরে তোমার সঙ্গে কথা হবে,’ স্টুয়ার্টকে বলল রানা।

    ওকে ঘর থেকে বের করে করিডোরে আনল বাক ওয়াকি আর কোয়ার্ট। দরজার কাছেই আছে তৃতীয় ডিযঅনারেবল। ‘তুমিও সঙ্গে এসো,’ গ্রেগরি বেলকে বলল বাক ওয়াকি।

    ‘কোথায় যাচ্ছি?’

    ‘নিচে। ওখানে মজা হবে।’

    বন্দির কাছ থেকে দূরে থাকার ট্রেইনিং আছে তাদের। ভাল করেই জানে, সামান্য ভুল হলেও তাদের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়বে মাসুদ রানা। ফলাফল হবে খুব খারাপ। দুশ্চিন্তা করতে গিয়ে দরদর করে ঘামছে কোয়ার্ট আর বেল। মাথা ঠাণ্ডা রেখেছে বাক ওয়াকি। তার কোনও বিকার নেই। ইচ্ছে করলে ডানজনের দিকে যাওয়ার পথে গড়িমসি করতে পারে রানা, তবে বেন হ্যাননের সঙ্গে দেখা হবে ভাবতে গিয়ে কোনও কৌশল করল না। জেসিকার জন্যেও আছে দুশ্চিন্তায়। দুর্গের করিডোর ও হলওয়ের ঘোরপ্যাচে পড়ে এগিয়ে চলল আরও ভেতরের দিকে। আগের চেয়েও সতর্ক হয়ে গেছে তিন ডিযঅনারেবল।

    ‘একটা কথা জানো, রানা?’ হাঁটতে হাঁটতে বলল বাক ওয়াকি। ‘তোমাকে খুন করার জন্যে অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছি। সেই সময় বেশি দূরেও নেই। খুশি হব বস্ আমাকে কাজটা দিলে।’

    ‘তুমি বড়বেশি আশা করো,’ বলল রানা। ‘দলে তো তোমরা মাত্র চারজন।’

    ‘অন্যরাও পৌঁছে যাবে,’ বাঁকা হাসল বাক ওয়াকি। ‘কথা হয়েছে আমার পুরনো বন্ধু মৌরেন লরির সঙ্গে। লণ্ডন থেকে তার সঙ্গে এখানে আসছে আরও নয়জন। যে-কোনও সময়ে পৌঁছে যাবে। তোমাকে দেখলে খুশি হবে ওরা, মেজর।’

    লোকটা সত্যি বলছে কি না জানা নেই রানার। তবে বাক ওয়াকির চোখে কোনও কপটতা দেখল না ও।

    ‘আমি দুটো ব্যাপার খুব অপছন্দ করি,’ বলল ওয়াকি। ‘তার একটা হচ্ছে তোমার মত নীতিবান অফিসার। তোমরা মনে করো অন্যরা যেন মানুষই নয়। আর দ্বিতীয়টা হচ্ছে, কেউ আমাদের দলের কারও ক্ষতি করলে। তাকে প্রাণে বাঁচতে দিই না আমরা।’

    ‘তা হলে তো তোমরা আমাকে খুব ঘৃণা করো!’ বলল রানা। ‘কারণ আমার হাতেই মরেছে তোমাদের দোস্ত হ্যারি অ্যাণ্ডারসন। ডিযঅনারেবলদের দলের বাকি চোদ্দজনকে শেষ করতেও মন্দ লাগবে না আমার।

    তিক্ত মুখে মাথা দোলাল বাক ওয়াকি। সঙ্গীদের উদ্দেশে বলল, ‘তোমরা শুনলে শালার বোলচাল?’

    ‘ভাবছি এত নিচে তুমি নামলে কী করে,’ বলল রানা। ‘তোমার ফাইল দেখেছি। তুমি ছিলে পাথফাইণ্ডারদের স্টাফ সার্জেন্ট। দু’বার জিতে নিয়েছ এওএসসি পদক। অথচ, শেষমেশ গিয়ে নাক গুঁজলে ইঁদুরের দলে। এত পতন কীভাবে হলো তোমার? কপাল মন্দ ছিল, নাকি খুলে গেছে মগজের কয়েকটা বল্টু?’

    ‘তোমার কপাল খারাপ যে আরডাইক লকের তীরে আমার রাইফেলের গুলিতে খুন হওনি,’ বলল বাক ওয়াকি। ‘তবে এবার আমার হাতে মরবে চরম যন্ত্রণা পেয়ে।’

    ‘সঠিক লক্ষ্যে লাগাতে গিয়ে মিস্ করেছ,’ বলল রানা, ‘তোমার গোটা জীবনটাই মস্ত এক মিস্। মৃত্যুও এই ঘনিয়ে এল বলে।’

    ‘যা খুশি বলো,’ ঘড়ঘড়ে গলায় বলল বাক ওয়াকি, ‘তবে খুন করার আগে তোমাকে নিয়ে ফুর্তি করে নেব আমরা।’

    পাথুরে প্যাসেজওয়েতে পেরেক গাঁথা বড় এক ওক কাঠের দরজা পেরোল ওরা। সিঁড়ি বেয়ে নেমে এল বেযমেণ্টে। নানাদিকে গেছে কিছু দরজা। একপাশের সরু সিঁড়ি বেয়ে রানাকে নিয়ে প্রায়ান্ধকারে আরও একতলা নামল ডিযঅনারেবলরা। বদ্ধ পরিবেশ ভেজা-ভেজা। দেয়ালের পেরেক থেকে খুলে জ্বেলে নেয়া হলো দুটো ইলেকট্রিক লণ্ঠন। বাক ওয়াকি আর কোয়ার্টের হাতে থাকল ও-দুটো। উজ্জ্বল আলোর তাড়া খেয়ে হুড়মুড় করে হটে গেছে কালো ছায়া। সামনে ব্যাঙ্কের ভল্টের মত ভারী, চওড়া ইস্পাতের দরজা। রানাকে পিস্তলের মুখে রেখে দেয়ালের কাছে কোণঠাসা করল কোয়ার্ট আর বেল। ওদিকে চাবি বের করে একে একে চারটে ভারী প্যাডলক খুলল বাক ওয়াকি। ঠেলে সরাল দরজাটা। রানা বুঝল, মানুষকে বন্দি রাখতে গিয়ে নিজের আয়োজনে কোনও ত্রুটি রাখেনি রন স্টুয়ার্ট।

    ভল্টের দরজার ওদিকে যেতে ইশারা করল বাক ওয়াকি নিজেই আগে ঢুকল সামনের ঘরে। রানাকে পিস্তলের মুখে রেখে ওর পিছু নিয়ে এল কোয়ার্ট আর বেল।

    ‘প্রায় পৌঁছে গেছি,’ রানাকে বলল বাক ওয়াকি। ‘আশা করি পুরনো বন্ধুর সঙ্গে দেখা হলে খুশি হবে তুমি।’

    পাথরের চৌকো, এবড়োখেবড়ো ব্লক দিয়ে তৈরি সুড়ঙ্গে ঢুকল ওরা। বাতাসে ফাংগাস ও পানির গন্ধ। বারো ফুট যেতেই সামনে পড়ল আরেকটা সিঁড়ি। ধাপ বেয়ে নেমে যেতে যেতে রানার মনে হলো, ওরা পৌঁছে গেছে দুর্গের ভিত্তির খুব কাছে।

    ডিযঅনারেবলরা খুব সতর্ক। যথেষ্ট দূরত্ব বজায় রাখছে। ওকে নিয়ে দুশ্চিন্তা করছে লোকগুলো, টের পেল রানা। সিঁড়ি থেকে নামার পর সামনে পড়ল শিকের তৈরি এক দরজা। ওটার তালা খুলে রানাকে ভেতরে ঢোকাল ডিযঅনারেবলরা। এবারের খিলান সহ সুড়ঙ্গটা আগেরটার চেয়েও সরু। দুলন্ত লণ্ঠনের আলোয় নড়ছে ভুতুড়ে ছায়া। বদ্ধ পরিবেশে আটকে আসছে শ্বাস। রন স্টুয়ার্টের দুর্গ নতুন হলেও পাতালে নামার পর এখন সবই মধ্যযুগীয় বলে মনে হচ্ছে রানার। বহুকাল আগে এভাবেই আটকে রাখা হতো বন্দিদেরকে। অন্ধকারে ক্ষুধার জ্বালায় কষ্ট পেয়ে পেয়ে একসময় মরত মানুষগুলো। তার আগে বাঁচার জন্যে খুবলে খেত মৃত সঙ্গীর লাশ। এই ধরনের কারাগারে দিনের পর দিন অসুস্থ বেন হ্যাননকে কাটাতে হয়েছে ভাবতে গিয়ে ভয়ানক রাগ হলো রানার। বুকে ফুঁসে উঠছে রাগ।

    ‘হ্যাঁ, প্ৰায় পৌঁছে গেছি,’ মন্তব্য করল বাক ওয়াকি।

    সামনে দেয়াল তুলে আটকে দেয়া হয়েছে পাথুরে সুড়ঙ্গ। রানা ভেবেছিল, পুরু শিকের কোনও দরজা দেখবে। কিন্তু চারপাশে তেমন কিছু নেই। নিচে চোখ যেতেই দেখল, বাক ওয়াকির পায়ের কাছের মেঝেতে লোহার পুরু শিক দিয়ে তৈরি ট্র্যাপডোর। নিচে ডানজন। আপাতত বড় একটা বল্টু দিয়ে আটকে রাখা হয়েছে ট্র্যাপডোর। পাশে শুইয়ে রাখা হয়েছে অ্যালিউমিনিয়ামের কলাপসিবল মই।

    ডান পা ব্যবহার করে বল্টু খুলল বাক ওয়াকি। মেঝেতে লণ্ঠন নামিয়ে দু’হাতে তুলল ভারী ট্র্যাপডোর। গর্তের দিকে চেয়ে নিচে ঘুটঘুটে আঁধার ছাড়া আর কিছুই দেখল না রানা। জানার উপায় নেই কত নিচে মেঝে। গর্ত থেকে এল ভাপসা দুর্গন্ধ।

    ‘যিশু, কী বাজে গন্ধ, রে!’ বিড়বিড় করল গ্রেগরি বেল। ‘বুড়ো শালা বোধহয় এই গন্ধেই মরে গেছে!’

    ট্র্যাপডোর মেঝেতে শুইয়ে রাখল বাক ওয়াকি। সাবধানে গর্তে নামাল লম্বা করে নেয়া অ্যালিউমিনিয়ামের মই। নিচের মেঝেতে ওটা ঠেকতেই ‘ঠং!’ শব্দ এল তলা থেকে। প্রতিধ্বনিত হলো আওয়াজটা। গলা ছেড়ে বলল বাক ওয়াকি, ‘অ্যাই, হ্যানন! জেগে ওঠ! তোর জানের দোস্ত এসেছে দেখা করতে!’

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleরবিনহুড – কাজী আনোয়র হোসেন
    Next Article মাসুদ রানা ০২৯-৩০ – রক্তের রঙ (দুই খণ্ড একত্রে)

    Related Articles

    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৩৮৫-৩৮৬ – হ্যাকার (দুই খণ্ড একত্রে)

    July 22, 2025
    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫৬ – টপ টেরর

    July 22, 2025
    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫৪ – নরপশু

    July 22, 2025
    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫৩ – ধর্মগুরু

    July 22, 2025
    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫২ – কালো কুয়াশা

    July 22, 2025
    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫১ – মায়া মন্দির

    July 22, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }