Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    মাসুদ রানা ৪৬৯ – কিলিং মিশন

    কাজী আনোয়ার হোসেন এক পাতা গল্প362 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    কিলিং মিশন – ৩০

    ত্রিশ

    ‘এবার কী করবেন, বস্?’ বলল ফক্স।

    ‘বাড়ি থেকে বেরোতে হবে।’ স্টাডিরুম থেকে বেরিয়ে সিঁড়ির রেলিঙের পাশে থামল রানা। নিচে তাকাতেই দেখতে পেল করিডরে পড়ে আছে হ্যারিসের লাশ। এই অ্যাঙ্গেল থেকে দেখা যাচ্ছে না করিডরের বেশিরভাগ অংশ। স্লেজহ্যামারের বিকট শব্দ হতেই ভেতরের দিকে দড়াম করে খুলে গেল সদর দরজা।

    বাড়িতে ঢুকেছে তিন ষণ্ডা। তাদের গলার আওয়াজ শুনল ওরা। কয়েক সেকেণ্ড পর নির্বিকার চেহারায় হ্যারিসের লাশের পাশে থামল অনুপ্রবেশকারীরা। স্লেজহ্যামার দরজার কাছে রেখে এসেছে লম্বা লোকটা। হাতের কিটব্যাগ মেঝেতে রেখে, যিপার খুলে ওটা থেকে নিল স্টিলের দুটো ভারী দণ্ড। এক এক করে ধরিয়ে দিল দুই সঙ্গীর হাতে। ব্যাগ থেকে নিল স্লিংওয়ালা অটোলোডার শটগান। ওটার বাঁট নেই। আছে শুধু পিস্তল গ্রিপ। ডানদিকের লোকটা পেল অস্ত্রটা। দলনেতা ব্যাগ থেকে বের করল নিজের স্টিলের ডাণ্ডা। কারও বাড়ির বারোটা বাজাতে হলে ওই জিনিসই চাই। কারও মাথা চুরমার করে দিতেও ওটা দারুণ অস্ত্র। নিজেদের মধ্যে কথা বলছে না এরা। মনে হয় দেরি করবে না কাজে নেমে পড়তে।

    পিছিয়ে এসে রানা ভাবল, নিশ্চয়ই এদের অন্তত একজন উঠবে দোতলায়। নির্দেশ অনুযায়ী গিয়ে ঢুকবে স্টাডিরুমে। ফক্সকে ইশারায় সেটাই বোঝাল রানা। মৃদু মাথা দুলিয়ে স্টাডিরুমের প্যাসেজ ধরে উল্টোদিকে চলল ফক্স। সিঁড়ির ধাপে পায়ের আওয়াজ পেল রানা। দলের অন্যরা নিচতলায় শুরু করেছে সত্যিকারের প্রলয়কাণ্ড। ধুপধাপ শব্দে উল্টে পড়ছে আসবাবপত্র। ঝনঝন করে ভাঙছে কাঁচ। ফক্সের পিছু নিল রানা। হাতে ওয়ালথার পিপি। বাম বগলে ল্যাপটপ।

    দোতলার প্যাসেজে বার্নিশ করা কাঠের একের পর এক দরজা। করিডরের দেয়ালে ঝুলছে সোনাপানি করা ফ্রেমে তৈলচিত্র। বামের প্রথম দরজা বোধহয় বাথরুম। ওখানে লুকাতে পারবে না বলে ডানের এক দরজা খুলে ভেতরে ঢুকল ফক্স। পিছু নিয়ে ঘরে ঢুকে দরজা বন্ধ করল রানা। পায়ের শব্দে বুঝল দোতলায় উঠেছে এক লোক।

    সুসজ্জিত বড় এক বেডরুমে পা রেখেছে রানা ও ফক্স। একপাশে অ্যান্টিক বেড। মেঝেতে পুরু কার্পেট। ফ্রেঞ্চ উইণ্ডো দিয়ে ওরা দেখল পশ্চিম সাসেক্সের ঘন সবুজ বনভূমি। সামনের ব্যালকনিতে উঠেছে আইভি লতা। নিচে কমলার খেতের দিকে ঢালু হয়ে নেমে গেছে ছাত। ঘুরে দরজায় কান পাতল রানা। পায়ের শব্দে বুঝল, প্রমাণ সরাতে স্টাডিরুমে ঢুকল লোকটা। ভাবল রানা, ডেস্কে ধুলোহীন চারকোনা একটা জায়গা দেখেই সে বুঝে যাবে ওখান থেকে সরানো হয়েছে ল্যাপটপ।

    কয়েক মুহূর্ত পর এল চিৎকার: ‘বিস্‌! রস! তোমাদের নোংরা পোঁদদুটো নিয়ে উঠে এসো! জলদি!’

    নিচে থামল ভাঙচুর। শুরু হলো সিঁড়িতে বুটের আওয়াজ। রানার দেখাদেখি দরজায় কান পেতেছে ফক্স। ল্যাণ্ডিঙে শোনা গেল চাপা কণ্ঠ: ‘কী হয়েছে, মিচ?’

    প্রথমজন হড়বড় করে বলল, ‘চুতিয়া জিনিসটা নেই!’

    ‘কীসের চুতিয়া নেই?’

    ‘কুত্তার বাচ্চার কমপিউটার! ওটা নেই! কেউ আগেই নিয়ে গেছে! ডেস্কের ড্রয়ারও ভেঙেছে! ওটার ভেতরে যা ছিল, সেসব আর নেই!’

    পরস্পরকে দেখল ফক্স ও রানা। এক ভুরু কপালে তুলল এসএএস সৈনিক। ‘সেরেছে!’

    ‘শালা হয়তো অন্য কোথাও রেখেছে ডিস্ক বা হার্ড ড্রাইভ,’ বলল রস।

    রানা বুঝে গেছে, হ্যারিসের বইয়ের ফাইল চাই এদের। ‘স্টাডিরুম থেকে কোন কুত্তার বাচ্চা যেন সব লোপাট করেছে,’ বলল মিচ। ‘এতক্ষণে খুলে নিয়েছে কমপিউটার থেকে হার্ড ড্রাইভ!’

    ‘সর্বনাশ! ওটা যেভাবে হোক চাই! নইলে ওরা বাঁচতে দেবে না!’

    নীরবতা নেমেছে করিডরে। তারপর শোনা গেল দলনেতা মিচের নির্দেশ: ‘বিস্‌, রস, নিচে গিয়ে কাজ শুরু করো! আমি দেখছি ওপরের ঘর। হ্যারিস হয়তো অন্য কোথাও রেখেছে।’

    সিঁড়ি বেয়ে নেমে গেল দু’জন। নতুন করে শুরু হলো নিচে ধ্বংসযজ্ঞ। স্টাডিরুম সার্চ করবে মিচ। কিন্তু একটু পর বুঝবে ল্যাপটপ আসলেই নেই। তখন আসবে ঘর তল্লাসী করতে। তার বেশিক্ষণ লাগবে না রানাদের বেডরুমে হাজির হতে।

    রানার কবজিতে টোকা দিয়ে বেডরুমের আরেক দেয়ালে সরু এক দরজা দেখাল ফক্স। ওর পিছু নিল রানা। ফক্স সরু দরজা খুলতেই রানা দেখল, সামনের ছোট ঘরটা আসলে ওঅক-ইন ওয়ারড্রোব। তিনদিকের র‍্যাকে ইস্ত্রি করা পোশাক। অন্যদিকে হ্যাঙারে ঝুলছে প্লাস্টিকের প্যাকেটে শতখানেক কোট। ফক্সের পর ঘরে ঢুকে দরজা বন্ধ করল রানা। আঁধার ঘরের দরজার তলা দিয়ে এল মৃদু আলো। কান পাতল ওরা। শ্বাস নিচ্ছে ধীরে ধীরে। হঠাৎ পিঠে বিশ্রী চুলকানি শুরু হতেই দাঁত-মুখ খিঁচিয়ে পাথরের মূর্তি হলো রানা। দুনিয়ার সেরা সেনাবাহিনীর ট্রেইনিং আছে ওদের। চাইলে কয়েক মুহূর্তে খতম করে দিতে পারবে মিচ ও তার দুই স্যাঙাকে। কিন্তু জেসিকার জীবন বিপন্ন হবে ভেবে চোরের মত ওয়ারড্রোবে ঢুকে ওরা ভাবছে: এই বুঝি ধরা পড়লাম!

    আরও বাড়ল রানার পিঠের চুলকানি। গাল কুঁচকে ওটা সামলে নিতে চাইল। জেসিকার জন্যে দুশ্চিন্তা মনে আসতেই ভাবল: আমরা বড় কোন ভুল করলাম না তো? আমার কি উচিত ছিল স্কটল্যাণ্ডে চলে যাওয়া?

    পাশের বেডরুমে ঢুকে ধুপ্ শব্দে দরজা বন্ধ করল মিচ। থরথর করে কাঁপল দেয়াল। ভারী পায়ে হাঁটছে লোকটা। টান খেয়ে মেঝেতে পড়ল বিছানার পাশে কেবিনেটের ড্রয়ার। ছিটিয়ে গেল নানান হালকা জিনিস। আছাড় খেয়ে ভাঙল টেবিল ল্যাম্প। যা খুঁজছে, সেটা না পেয়ে বিড়বিড় করে গালি দিচ্ছে লোকটা। যে-কোন মুহূর্তে ঢুকবে ওঅক-ইন ওয়ারড্রোবে।

    দ্রুত ভাবতে গিয়ে বিদায় নিল রানার পিঠের চুলকানি। দমে গেছে ওর মন। লোকটা হ্যারিসের কাপড়চোপড় ঘাঁটবে না, সেটা হওয়ার নয়। চাইলেও অদৃশ্য হতে পারবে না ওরা। হ্যাঙারে ঝুলন্ত কোটের প্লাস্টিক কাভারে লেগে বিশ্রী খসখস শব্দ হচ্ছে। ওয়ালথার ধরা হাতের তালু দরদর করে ঘামছে রানার।

    রেগে গিয়ে নানান জিনিস মেঝেতে ছুঁড়ছে মিচ। রানার মনে হলো লড়াই এড়িয়ে যাওয়ার উপায় আসলে নেই। নিজেকে বোঝাল, খুনোখুনি হলে সেটা হয়তো ওর জন্যে ভালই হবে। হ্যারিস নেই। তার কাছ থেকে কিছুই জানতে পারবে না। তবে এদের কাছ থেকে হয়তো জেনে নিতে পারবে কাদের হয়ে কাজ করে এরা। এদের বস্ কিছু বোঝার আগেই হয়তো সামান্য সময় হাতে পাবে রানা। সেক্ষেত্রে চেষ্টা করবে স্কটল্যাণ্ড থেকে জেসিকাকে সরিয়ে নিতে।

    যারা এসেছে, তথ্য পেতে হলে তাদের অন্তত একজনকে বাঁচিয়ে রাখতে হবে। মাথায় পিস্তল ধরে হুমকি দিলে, সে ফোন দেবে তার বসকে। জানিয়ে দেবে: ঠিকভাবেই শেষ করেছে তাদের কাজ। পরে তার পেট থেকে সব জেনে নেবে রানা। তাতে জানা যাবে এদের বসের কাছে কীভাবে পৌঁছুতে হবে।

    হয়তো সহজেই যেতে পারবে শত্রুপক্ষের আস্তানায় এটা ভেবে মনে নতুন উদ্যম পেল রানা। বগল থেকে ল্যাপটপ নিয়ে রেখে দিল একটা তাকে ভাঁজ করা পোশাকের ওপরে। নিঃশব্দে চলল দরজা লক্ষ্য করে। অন্ধকারে ওকে দেখছে ফক্স। নীরবে যেন বলছে: ‘বস্, করেন কী!’ ওর তিক্ত আবছা মুখ দেখে রানা টের পেল, প্রাক্তন এসএএস সৈনিক বুঝে গেছে যে লড়তে হবে।

    দরজা আধইঞ্চি খুলে উঁকি দিল রানা। তারপর নীরবে ফাঁক করল আরও নয় ইঞ্চি। কয়েক ফুট দূরে ওর দিকে পিঠ দিয়ে দাঁড়িয়ে আছে মিচ। টেনে সরাচ্ছে হ্যারিসের বিছানার ম্যাট্রেস। বোধহয় ভেবেছে ওটার নিচে আছে ল্যাপটপ বা ডেটা ড্রাইভ। লোকটার জিন্সের ওয়েস্টব্যাণ্ডে গুঁজে রাখা হয়েছে এক ১৯।

    বরফের মত শীতল হয়ে গেছে রানার স্নায়ু। একবার শ্বাস নিয়ে ওয়ারড্রোব পেছনে ফেলে কয়েক পা গিয়ে ওয়ালথারের বাঁট ঠাস করে নামাল মিচের কানের পেছনে।

    প্রচণ্ড ব্যথা পেয়ে বিছানার ওপরে কাত হয়ে পড়ল লোকটা। গলা চিরে বেরোল চাপা গোঙানি। তারই ভেতরে কোমর থেকে নিতে গেল গ্লক ১৯। খপ্ করে ধরে পিঠের ওপরদিকে তার হাতটা ঠেলল রানা। পরক্ষণে টেনে হিঁচড়ে তাকে নামিয়ে নিল কার্পেটে। ঘাড়ে ঠেসে ধরল ওয়ালথারের মাযল। মিচ চেঁচাবার আগেই মাথার তালুর ওপরে পড়ল পিস্তলের জোরাল বাড়ি। তার মুখ বামহাতে চেপে ধরেছে রানা। ওর হাঁটুর নিচে চাপা পড়ে যে-কোন সময়ে মট করে ভাঙবে মিচের বাহুর হাড়।

    ওয়ারড্রোব থেকে বেরিয়ে এসেছে ফক্স। লোকটার কোমর থেকে সংগ্রহ করে নিল গুক পিস্তল। পিছিয়ে গেল দু’পা। এরই ভেতরে দেখেছে গুলি আছে পিস্তলের চেম্বারে। এবার হয়তো অস্বাভাবিক শব্দ শুনে উঠে আসবে অন্যদু’জন। ঘরের দরজার দিকে অস্ত্রটা তাক করল ফক্স।

    অবশ্য জিনিসপত্র ভাঙতে বেশি ব্যস্ত নিচের ওরা।

    মাথায় বাড়ি খেয়ে ঘোর লেগেছে মিচের। বামহাতের তালু দিয়ে তার মুখ চেপে ধরেছে রানা। ফাঁদে পড়া শুয়োরের, মত ওর হাত কামড়ে দিতে চাইল মিচ। এখন গুলি করা হলে তার মগজ ভেদ, করে উড়ে যাবে রানার আঙুল। ও যে আসলে খুন করতে চাইছে না, সেটা বোঝার কথা নয় লোকটার। নরম সুরে বলল রানা, ‘আমার কথা মন দিয়ে শোনো, নইলে খুন হবে। এবার ঢিল দেব হাতে। তাতে ব্যথা কমবে। আমার কথা বুঝে থাকলে মাথা দোলাও।’

    কনুইয়ের ওপরে হাঁটুর চাপ কমাল রানা। মিচের মুখ থেকে সরিয়ে নিল হাত।

    লোকটা বুঝেছে, গায়ের জোরে ছুটে যেতে পারবে না সে। একবার মৃদু মাথা দোলাল।

    ‘গুড, দুয়েকটা প্রশ্ন করব,’ বলল রানা। ‘ঠিকঠাক জবাব দেবে। মিথ্যা বললে খুন হবে। তুমি তো মরতে চাও না, তাই না, মিচ?’

    দ্বিধাহীনভাবে মাথা দোলাল লোকটা।

    ‘তো বলো, এ-বাড়িতে তোমাদের আরও কেউ আসবে?’

    ‘না।’

    ‘গাড়িতে কেউ রয়ে গেছে?’ জানতে চাইল রানা। ‘না।’

    মৃত্যুমুখে পড়লে বেশিরভাগ মানুষ বাঁচতে গিয়ে সত্যি কথা বলে, সেটা জানে রানা। ‘ঠিক আছে, আর কোন প্রশ্ন নেই। এবার আমার হয়ে একটা কাজ করে দেবে।’

    ‘সেটা কী?’

    ‘উঠে দাঁড়াবে। দরজা খুলে করিডরে গিয়ে তোমার দুই দোস্তকে ডাকবে। বলবে, দারুণ এক জিনিস পেয়েছ। তারা যেন দেরি না করে ছুটে আসে। আমার হয়ে কাজটা করে দিলে মরতে হবে না তোমাকে।’

    ফক্সকে চোখের ইশারায় ফ্রেঞ্চ উইণ্ডো দেখাল রানা। আগেও এ-ধরনের অপারেশনে গেছে ফক্স। চট্ করে বুঝে গেল এবার কী করতে হবে। মিচ ডাকলে সিঁড়ি বেয়ে উঠবে তার দুই সঙ্গী। কাভার পাবে না তারা। চাইলেও পালাতে পারবে না। ওপরতলায় সিঁড়ির কাছে থাকবে রানা। ওদিকে নিচতলায় নেমে ঘুরে এসে সিঁড়ির গোড়ায় পৌঁছুবে ফক্স। দরকার হলে দু’জন মিলে হামলা করবে ওরা দু’দিক থেকে।

    লক করা নয় ফ্রেঞ্চ উইণ্ডো। দরজা খুলে ব্যালকনিতে পা রাখল ফক্স। নিচে বামে-ডানে বাগান। ঢালু ছাত নেমে গেছে কমলার খেতের দিকে। ছাত থেকে সরসর করে পিছলে নেমে গেলে পতনটা হবে বারো ফুট নিচে। প্যারাশুট ল্যাণ্ডিঙের মত কয়েক গড়ান দিয়ে উঠে দাঁড়াবে ফক্স। আগেও বহুবার এই কাজ করেছে। ব্যালকনিতে ওঠা কিছু আইভি লতা মুঠোয় ধরে টান দিল। সিমেন্ট থেকে উপড়ে এল না ওগুলো। ব্যালকনির রেলিং টপকে ঢালু ছাতে নামল ফক্স। কয়েক সেকেণ্ড পর নিচ থেকে এল মৃদু ধুপ আওয়াজ।

    একইসময়ে হ্যাঁচকা টানে মিচকে দাঁড় করাল রানা। মুচড়ে ধরা হাতে চাপ বেড়ে যেতেই বেডরুমের দরজার দিকে চলল লোকটা। নিচু গলায় বলল রানা, ‘আমাকে হতাশ কোরো না। দোস্তদের কপালে কী হবে, সেটা তোমার মাথাব্যথা নয়।’

    দরজা খুলে মিচকে সামনে রেখে করিডরে বেরোল রানা। কয়েক মুহূর্তে দু’জন পৌঁছে গেল সিঁড়ির কাছে। মিচের ঘাড়ে পিস্তলের নল ঠেসে ধরেছে রানা। নিচে থেমে গেছে রস ও বিগসের করা ভাঙচুরের আওয়াজ। কমলা খেত থেকে ধুপ শব্দটা শুনে সতর্ক হয়ে গেছে তারা। এবার অন্যদিকে সরাতে হবে তাদের মনোযোগ। সিঁড়ির ওপরের ধাপের দিকে মিচকে ঠেলল রানা। নিচু স্বরে বলল, ‘ডাকো।’ নিজে সরে গেল প্যাসেজের দেয়ালের পাশে। এখন নিচতলা থেকে ওকে দেখবে না কেউ।

    কর্কশ স্বরে ডাকল মিচ: ‘ওয়ে! দারুণ জিনিস পেয়েছি!’

    কয়েক মুহূর্ত পর ডাইনিং ও লিভিংরুম থেকে নিচের করিডরে এল মিচের দুই সঙ্গী। হ্যারিসের লাশের পাশে থেমে ওপরে তাকাল। ডানদিকের জনের হাতে শটগান। বামদিকের লোকটার মুঠোয় পিস্তল। বিপদের জন্যে দু’জনই তৈরি। গলা উঁচিয়ে জানতে চাইল পিস্তলওয়ালা, ‘কী পেয়েছ, মিচ?’

    ‘দেখে যাও!’ ওপর থেকে হাতের ইশারা করল মিচ।

    ‘ল্যাপটপটা তা হলে পেয়ে গেছ?’

    ‘জলদি এসে দেখে যাও, রস!’

    অভিনয় মোটেই খারাপ করছে না লোকটা, ভাবল রানা।

    সিঁড়ি বেয়ে উঠছে পিস্তল হাতে রস। তবে দ্বিধা করছে শটগানধারী বিস্‌। কয়েক মুহূর্ত পর সিঁড়ি বেয়ে উঠতে লাগল সে। কিন্তু তখনই ফাটা গলায় চেঁচিয়ে উঠল মিচ, ‘সাবধান, রস! বিস্! এই শুয়োরের বাচ্চারা…’

    প্রাণের তোয়াক্কা নেই দুঃসাহসী মিচের। তার কথা শেষ হওয়ার আগেই দেয়ালের আড়াল থেকে বেরিয়ে এল রানা। ওর গুলি বিধল সিঁড়ির মাঝামাঝি জায়গায় থমকে যাওয়া রসের বুকে। প্রচণ্ড ধাক্কা খেয়ে হুড়মুড় করে নিচে গিয়ে পড়ল লাশ। বন্ধুর মৃতদেহ গায়ে এসে পড়ছে দেখে লাফিয়ে সরে গেছে বিগ্‌স্‌।

    এদিকে হাত বাড়িয়ে রানার পিস্তল কেড়ে নিতে চাইল মিচ। কিন্তু তার কোদালের মত সামনের সব দাঁতে খটাস্ করে নামল রানার পিস্তলের নল। নিচের জানালা দিয়ে বাড়ির পাশে গ্লক হাতে ফক্সকে ছুটতে দেখল রানা। আধ মিনিটে সামনের দরজা দিয়ে ঢুকবে প্রাক্তন এসএএস সৈনিক। পিছলে নেমে সিঁড়ির প্রথম ধাপে থেমেছে রসের লাশ। ততক্ষণে ভারসাম্য ফিরে পেয়েছে বিস্‌। সে নলকাটা বন্দুক তাক করার আগেই তার দিকে পিস্তল ঘুরিয়ে নিয়েছে রানা। পায়ের কাছে শুয়ে আছে দাঁতভাঙা, রক্তাক্ত মিচ। রানার হাঁটুর বাটি লক্ষ্য করে পা ছুঁড়ল সে। লাথিটা এড়াতে গিয়ে একপাশে সরে গেল রানা। তবে এখন আর বাড়তি সময়টা নেই ওর হাতে। শটগানের নল ঘুরিয়ে নিয়েই ট্রিগার টিপে দিল বিগ্‌স্‌।

    বদ্ধ পরিবেশে গ্রেনেডের মত বিকট আওয়াজ তুলল বারো গেজ শটগানের গুলি। নলকাটা বন্দুক দিয়ে দূরের কাউকে লক্ষ্যভেদ প্রায় অসম্ভব। দুই আউন্সের তপ্ত সীসা রানাকে মিস করে লাগল ওপরের দেয়ালের কোনায়। কিছু ছররা ম্যাচের কাঠির মত মট-মট করে ভাঙল রেলিঙের ওপরদিকে সরু কয়েকটা খুঁটি।

    বিগ্‌স্‌ গুলি করার আগেই দোতলায় ওদিকের প্যাসেজ লক্ষ্য করে ঝাঁপিয়ে পড়েছে রানা। মেঝেতে পড়ার আগেই শূন্যে শরীর ঘুরিয়ে পর পর দু’বার গুলি ছুঁড়েছে। এদিকে বাড়ির সদর দরজা দিয়ে ঢুকে পড়েছে ফক্স। লাফিয়ে টপকে গেছে হ্যারিসের লাশ। ফক্সের একের পর এক গুলি বিধল রিগসের পিঠে। এ-ছাড়া লোকটার বুকে বিঁধেছে রানার দুটো বুলেট। মৃত্যু-মুহূর্তে খিঁচ ধরল বিগসের আঙুলে। তর্জনীর হ্যাঁচকা টান পড়ল বন্দুকের ট্রিগারে। ভয়ঙ্কর শব্দে গর্জে উঠল শটগান। এবারের এক থোকা ছররা লাগল সিঁড়ির ওপরদিকের ধাপে। নানানদিকে গেল কাঠের কুঁচি ও ছেঁড়া কার্পেটের টুকরো। মেঝেতে উঠে বসে আবারও রানা গুলি করতেই বিগসের কপালে জন্মাল দগদগে এক লাল ফুটো। লোকটার হাত থেকে আগেই খসে পড়েছে বন্দুক। সিঁড়ির ধাপে ঠোকর খেয়ে নেমে গেল লাশটা রসের মৃতদেহের পাশে।

    মিলিয়ে গেল গোলাগুলির আওয়াজ।

    রসের লাশ দেখে নিয়ে বলে উঠল ফক্স, ‘শালা শেষ!’

    মেঝেতে ঘুরে বসে দেখল রানা, সিঁড়ির ওপরের ধাপের কাছে হাত-পা ছড়িয়ে পড়ে আছে মিচ। ভাঙা দাঁতের জন্যে মুখ রক্তাক্ত। পিটপিট করে ছাত দেখছে সে। বিড়বিড় করে কী যেন বলল। রানা ভাবল, ঘাড় ধরে দাঁড় করাবে লোকটাকে। কিন্তু তখনই দেখল, মিচের ছেঁড়া শার্টের বুকে ছড়িয়ে পড়ছে লাল ভেজা দাগ। বিগসের বন্দুক সিঁড়ির ধাপ ভাঙার সময় কয়েকটা বাকশট লেগেছে মিচের বুক ও কিডনিতে। ক্ষত থেকে ঝর্নার মত বেরোচ্ছে রক্ত। বড়জোর কয়েক মিনিট বাঁচবে সে। ঠোঁটের কোণে জমছে লালচে বুদ্বুদ। গলার গভীর থেকে এল ঘড়ঘড়ে আওয়াজ।

    ছেঁচড়ে এগিয়ে তার কাঁধ চেপে ধরে ঝাঁকাল রানা। ‘শুনছ? হাসপাতালে নিয়ে যাব! তুমি পুরো সুস্থ হয়ে যাবে!’ ভাল করেই জানে, কথাগুলো মিথ্যা। এখন দুনিয়ায় এমন কেউ নেই যে বাঁচাতে পারবে লোকটাকে।

    খক-খক করে কাশল মিচ। মুখ থেকে গলগল করে বেরিয়ে তাজা রক্ত ভিজিয়ে দিল চিবুক। উল্টে যাচ্ছে দুই মণি। রানার দিকে তাকাল। অস্বচ্ছ হয়ে গেছে দু’চোখ। বড় করে শ্বাস নিয়ে পরক্ষণে শিথিল হলো সে।

    সিঁড়ি থেকে নিচু গলায় জানাল ফক্স, ‘ও আর নেই, বস্!’ রানাও সেটা বুঝেছে।

    আর কারও কাছ থেকে কোন তথ্য পাবে না ওরা।

    বিগসের ঝাঁঝরা বুক-পিঠ দেখল ফক্স। লোকটার কপাল ফুটো হয়েছে রানার গুলিতে। ‘এ-ও খতম! আমাদের আর কিছু করার নেই!’

    উঠে দাঁড়িয়ে ফক্সের দিকে তাকাল রানা।

    আর তখনই আঁৎকে উঠল ফক্স। ‘হায়, ঈশ্বর!’

    ‘কী দেখলে?’ ক্লান্ত স্বরে বলল রানা।

    বিগসের আইডি খুঁজতে গিয়ে অন্যকিছু পেয়েছে ফক্স।

    বুলেট লেগে চুরমার হয়েছে কালো এক বাক্স- দেখতে ছোট রিমোট কন্ট্রোলের মত।

    ‘বস্, এর কাছে বডি ক্যাম! আপনি যখন গুলি করলেন, চলছিল লাইভ ট্র্যান্সমিশন! কেউ না কেউ সবই দেখেছে!’

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleমাসুদ রানা ৪৭০ – কালবেলা
    Next Article মাসুদ রানা ৪৬৩ – ছায়াঘাতক

    Related Articles

    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৩৮৫-৩৮৬ – হ্যাকার (দুই খণ্ড একত্রে)

    July 22, 2025
    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫৬ – টপ টেরর

    July 22, 2025
    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫৪ – নরপশু

    July 22, 2025
    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫৩ – ধর্মগুরু

    July 22, 2025
    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫২ – কালো কুয়াশা

    July 22, 2025
    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫১ – মায়া মন্দির

    July 22, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }