Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    মাসুদ রানা ৪৬৯ – কিলিং মিশন

    কাজী আনোয়ার হোসেন এক পাতা গল্প362 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    কিলিং মিশন – ৩৩

    তেত্রিশ

    স্কটল্যাণ্ডের ফোর্ট উইলিয়াম।

    দুপুর পৌনে একটা।

    অনলাইনে থার্স্টি পাবের ফোন নম্বর খুঁজতে তিন মিনিট ব্যয় করেছে ওয়াকার। রিসেপশনে কল দিতেই ওদিক থেকে তোলা হলো ফোনের রিসিভার। এক তরুণী বলে উঠল: ‘হ্যালো, থার্স্টি পাব থেকে বলছি, আমি তেরেসা!’ ওদিকে বহু মানুষের গুঞ্জন ও প্লেট-গ্লাসের শব্দ শুনল ওয়াকার ও রামিন।

    ফুর্তিভরা কণ্ঠে বলল ওয়াকার, ‘হাই, তেরেসা! আমি জানি, এমন একটা অনুরোধ করা একদম ঠিক নয়, কিন্তু তোমার সাহায্য আমার এখন বড়ই দরকার! এ-মুহূর্তে তোমাদের পাবে বান্ধবীকে নিয়ে বসে আছে দারুণ সুন্দরী এক রাজকুমারী। মেঘকালো চুলের ওপরে চাপিয়ে নিয়েছে নীল ক্যাপ। নাম ওর জেসিকা। জেসিকা থমসন। তুমি কি দয়া করে ওকে ফোনে একটু ডেকে দেবে?’

    মনে সন্দেহ এলেও লাইন কাটল না তেরেসা।

    এই সুযোগে বলল ওয়াকার, ‘আসলে হয়েছে কী, বহু বছর ধরেই আমি ওর বয়ফ্রেণ্ড। যুদ্ধে ছুটি পেয়ে একটু আগে ফিরে এসেছি বিদেশ থেকে। কিন্তু জেসিকা সেটা জানে না। দাঁড়িয়ে আছি তোমাদের পাবের বাইরে। হাতে লাল গোলাপের তোড়া। পকেটে হীরা বসানো সোনার আংটি। আজ ওকে বলে দেব, এই জীবনে ওর চেয়ে বেশি কাউকে ভালবাসিনি আমি। ওকে চিরকালের জন্যে সঙ্গিনী হিসেবে চাই।’

    ওয়াকার জানে, তেরেসা ভাবছে নামকরা কোন সুদর্শন নায়কের কথা। যুদ্ধে গেছে সে, আর তারপর বীর বেশে ফিরে এসেছে নিজের দেশে। নেভির ইউনিফর্মের বুকে সোনালি- রুপালি মেডেল। প্রেমিকার জন্যে হাতে করে এনেছে ফুলের মস্ত তোড়া। আজ প্রিয় মানুষটাকে বলে দেবে, তাকে ছাড়া বাঁচতে চায় না সে। বিয়ে করতে মেয়েটার হাত ধরে হাজির হবে গির্জায়। এত ভাবার পর হৃদয় না গলে উপায় আছে তেরেসার!

    ‘আসলে, তেরেসা, তোমার সাহায্য আমার খুব দরকার। ওকে অবাক করে দেব। তুমি শুধু বলবে ওকে, ফোন করেছে মাসুদ রানা। পাবের বাইরে ভাইকে নিয়ে দাঁড়িয়ে আছি। জেসিকা পাব থেকে বেরোলেই ছুটে এসে ওর সামনে হাঁটু গেড়ে বসে বলব: ভালবাসি! তোমাকে ভালবাসি! তুমি কি আমাকে বিয়ে করবে? তো এখন, তেরেসা, তুমি কি আমার জন্যে এ-কাজটা করে দেবে?’

    হতবাক রামিন ভাবছে: ব্যাটা পাগল হয়ে গেল? কিন্তু তা-ই বা হয় কী করে? নিশ্চয়ই ভয়ানক কোন ভণ্ডামি শুরু করেছে!

    এদিকে বিয়েতে অবদান রাখতে পারবে ভেবে ঘায়েল হয়ে গেছে তেরেসা। খিলখিল করে হেসে উঠল সে। মজা পেয়ে বলল, ‘একটু অপেক্ষা করুন। এক্ষুণি ওকে ডেকে দিচ্ছি!’

    তেরেসার চাপা কণ্ঠস্বর শুনল ওরা।

    জেসিকা থমসন? আপনাকে ফোনে ডাকছেন মাসুদ রানা! তাঁর ভাইও বোধহয় কথা বলবেন আপনার সঙ্গে!’

    এক মিনিট পেরোবার আগেই লাইনে এল জেসিকা। খুশিমনে বলে উঠল, ‘হ্যালো, রানা? তুমি জানলে কী করে যে আমি এখানে? তোমার তো কোন ভাই ছিল বলে শুনিনি?’

    মুহূর্তে গম্ভীর হলো ওয়াকার। নিচু কণ্ঠে বলল, ‘মিস জেসিকা, মন দিয়ে শুনবেন আমার প্রতিটা কথা। আর যাই করুন, ফোন রেখে দেবেন না। আমার নাম জনি ওয়াকার। রানার পুরনো বন্ধু। রানা এজেন্সিতে কাজ করছি বেশকিছু দিন ধরে। আপনাকে ফোন দিয়েছি, কারণ মস্ত বিপদে আছেন আপনি। আর তাই এসেছি আপনাকে সরিয়ে নেয়ার জন্যে।’

    জ্বলন্ত আগ্নেয়গিরির মধ্যে তুষারের বল ছুঁড়লে যেভাবে ভুস করে উবে যায়, সেভাবেই ফুরিয়ে গেল জেসিকার উচ্ছ্বাস। ‘আরে, এক মিনিট! এসব কী বলছেন? আসলে কী হচ্ছে?’

    ‘ভাল করেই জানি আপনাকে সব খুলে বলা উচিত। কিন্তু আপাতত বলার মত সে-সময় আমার হাতে নেই।’

    ‘রানার মুখে আপনার কথা শুনেছি। তবে আপনিই যে সেই লোক, সেটা জানব কী করে?’

    মেয়েটার পুলিশি সন্দেহপ্রবণ মন জেগে উঠেছে, বুঝে গেছে ওয়াকার। তাই বলল, ‘তা হলে রানার ব্যাপারে এমন কোন তথ্য জানতে চান, যেটা বাইরের কেউ জানে না। আমি জবাব দেব।

    একটু ভেবে বলল জেসিকা, ‘বেশ, বলুন তো মরুভূমিতে কী হয়েছিল ওর বোন ক্যারেনের?’

    হাসল ওয়াকার। ‘ক্যারেন নামে ওর কোন বোন নেই। তবে লিলিয়ানা নামের এক মেয়েকে বোনের মতই ভালবাসে। তাকে লিবিয়ার মরুভূমি থেকে উদ্ধার করেছিল রানা।’

    ‘রানার ছোট ভাইয়ের নাম কী?’

    ছোট ভাইয়ের মত স্নেহ করে রামিন রেজাকে। এখন আমার সঙ্গেই আছে সে। জেসিকা, দয়া করে আমার কথা বিশ্বাস করুন। হাতে সময় নেই। মহাবিপদে আছেন আপনি।’

    চিন্তিত জেসিকা বলল, ‘আমি তো কিছুই বুঝতে পারছি না! ধরে নিলাম আপনার কথা সত্যি। কিন্তু সেক্ষেত্রে আমার কী করা উচিত? আপনি আমাকে কী করতে বলেন?’

    ‘স্বাভাবিক আচরণ করুন। ওরা আপনাকে লক্ষ করছে।’

    ‘কারা?’

    ওয়াকার স্থির করেছে, কালো মার্সিডিযের লোকগুলোর সম্পর্কে কিছুই জানাবে না। নইলে হয়তো রেগে গিয়ে তাদের .মুখোমুখি হবে জেসিকা। তার চেয়েও খারাপ কিছু হতে পারে। হয়তো খুনিদের গ্রেফতার করতে গিয়ে মরবে মেয়েটা। ‘আপনার সঙ্গে লাঞ্চে এসেছেন যিনি, তিনি তো আপনাদের স্টেশনে কাজ করেন, তাই না?’

    ‘লিনা,’ বিস্মিত কণ্ঠে বলল জেসিকা। ‘ও কাজ করে অ্যাডমিনিস্ট্রেশন ডিপার্টমেন্টে।’

    ‘তার সঙ্গে মোবাইল ফোন আছে?’

    ‘আজকাল তো সবার সঙ্গেই থাকে।’

    ‘ঠিক আছে, এবার ওটা ধার নিন তার কাছ থেকে। সেজন্যে অজুহাত তৈরি করুন। চাইলে বলতে পারেন, ভুলে নিজেরটা বাড়িতে রেখে এসেছেন। অথচ জরুরি কল করতে হবে। এরপর সোজা বেরিয়ে এসে উঠবেন আপনার গাড়িতে। নির্জন কোন এলাকায় চলে যাবেন। তবে বহুদূরে কোথাও নয়। যদি বুঝতে পারেন পিছু নেয়া হচ্ছে, তবুও রেগে গিয়ে কিছু করবেন না, বা কাউকে ফাঁকি দিতে যাবেন না। ভাল মেয়ের মত শান্তভাবে ড্রাইভ করবেন।’

    ‘কিন্তু একটু পর আমাকে স্টেশনে ফিরতে হবে।’

    ‘এটা ইমার্জেন্সি, জেসিকা। পরে ঊর্ধ্বতন অফিসারকে বানিয়ে কিছু বলে দেবেন।’

    ‘মিথ্যা কেন বলব?’

    ‘কারণ আমি অনুরোধ করেছি। জেসিকা, এটা খুব জরুরি যে বিপদের মাত্রা আপনি যেন বুঝতে পারেন। দয়া করে আমার কথামত কাজ করুন।’

    দ্বিধা করল জেসিকা। গোটা ব্যাপারটা ভাল ঠেকছে না ওর। কিন্তু বিষয়টার গুরুত্ব বুঝে গেল। নইলে এখানে হাজির হতো না রানার বন্ধু। নিচু স্বরে বলল জেসিকা, ‘ঠিক আছে, এখান থেকে দশ মিনিটে পৌঁছে যাব জঙ্গুলে এক উপত্যকায়। কখনও কখনও ওখানে জগিং করি। নির্জন এলাকা, কেউ যায় না ওদিকে।’

    ‘গুড। পৌঁছে যাওয়ার আগে আমার নম্বরে ফোন দেবেন।’ বার্নার ফোনের নম্বর জানাল ওয়াকার।

    ‘ফোনের নম্বর লিখে নিয়েছি,’ বলল জেসিকা।

    ‘আপনার কোন বিপদ হবে না,’ প্রতিশ্রুতি দিল ওয়াকার। ‘আমাদেরকে দেখতে না পেলেও খুব কাছেই থাকব আমরা।’

    ‘কিন্তু বলবেন তো, আসলে এসব কী হচ্ছে?’ অনুনয়ের সুরে বলল জেসিকা।

    ‘নিশ্চয়ই বলব, জেসিকা,’ বলল ওয়াকার। ‘তবে এখন হাতে সময় নেই। আপনি রওনা হয়ে যান।’

    কল কেটে বড় করে শ্বাস নিল ওয়াকার।

    ‘আপনার কি ধারণা মেয়েটা কথামত কাজ করবে?’ জানতে চাইল রামিন।

    ‘এ-ছাড়া ওর কোন উপায় নেই, রামিন।’

    তিন মিনিট পর পাব থেকে জেসিকাকে বেরোতে দেখল ওরা। চট করে গিয়ে উঠল ল্যাণ্ড রোভারে। চোখ-মুখ শান্ত থাকলেও হাঁটার ভঙ্গি ছিল একটু দ্রুত। এদিক-ওদিক না চেয়ে গাড়ির ইঞ্জিন চালু করে রওনা হয়ে গেল।

    ‘লক্ষ্মী মেয়ে,’ মৃদু হাসল রামিন।

    ‘দেখতেও দারুণ। রানার রুচি আছে।’

    ডিযেলের ধূসর ধোঁয়া পেছনে ফেলে পার্কিং লট থেকে বেরোল জেসিকার ল্যাণ্ড রোভার। পাঁচ সেকেণ্ড পর হঠাৎ করে ওটার পিছু নিল কালো মার্সিডিয। গাড়িদুটো অনেকটা দূরে চলে যাওয়ার পর ইউ টার্ন নিয়ে অনুসরণ করল ওয়াকার। ওরা বুঝে গেছে, মনে ভয় নিয়ে ড্রাইভ করছে না মেয়েটা।

    ‘বেশি কাছাকাছি না যাওয়াই ভাল,’ সতর্ক করল রামিন।

    ‘আমি জানি কী করতে হবে, বাছা।’

    ফিরতি পথে পুলিশ স্টেশন পাশ কাটিয়ে গেল জেসিকা। মাইলখানেক গিয়ে বাঁক নিতেই শেষ হলো বাইপাস। পাহাড়ি এলাকায় পাইন গাছের জঙ্গলের মাঝ দিয়ে গেছে মাটির সরু পথ। গোপনে কীভাবে কাছাকাছি থাকতে পারবে, সেটা ভেবে দুশ্চিন্তায় পড়ল ওয়াকার। সামনের গাড়ির চালকও চাইছে মেয়েটা যেন কিছু টের না পায়। পাহাড়ি পথে দূরত্ব বজায় রেখে এগিয়ে চলেছে তিন গাড়ির ক্যারাভান।

    দশ মিনিট পর ওয়াকারের বার্নার ফোনে এল অপরিচিত ফোনকল। ওটা রিসিভ করে জিজ্ঞেস করল ও, ‘জেসিকা?’

    ‘পঞ্চাশ গজ পেছনে একটা কালো মার্সিডিয দেখছি।’

    পাত্তা দেবেন না। গন্তব্যের কতটা কাছে গেছেন?’

    ‘এক মিনিট পর পৌছুব,’ বলল জেসিকা। ‘বামে সরু এক পথ গেছে জঙ্গলের ফাঁকা জায়গায়। সবসময় ওখানে গাড়ি রাখি।’

    ‘বেশ।’ কল কেটে দিল ওয়াকার। গাড়ির গতি বাড়িয়ে বাঁক নিয়ে দেখল ল্যাণ্ড রোভারের পেছনে চলেছে কালো মার্সিডিয। সামনের বাঁকের ওদিকে অদৃশ্য হলো ল্যাণ্ড রোভারের লাল ব্রেক লাইট।

    ‘পিছু নিলে কৌটোর ভেতরে লুডুর তিনটে গুটি হব,’ মন্তব্য করল রামিন। ‘নড়াচড়ার জায়গা নেই।’

    বামে সরু ট্র্যাক দেখে ওদিকে চলল ওয়াকার। জঙ্গলের মাঝ দিয়ে পথ গেছে খাড়া টিলার ওপরে। গর্তে ভরা জমিতে পিছলে যাচ্ছে চাকা। বারবার বিপজ্জনকভাবে কাত হচ্ছে ট্র্যানসিট ভ্যান। যে-কোন সময়ে একদিকে ধুম করে আছড়ে পড়বে। দু’দিক থেকে পাইন গাছের ডালপালা এসে লাগছে ভ্যানের বড়িতে। ছুটন্ত গাড়ির নিচে ঠুংঠাং শব্দে তাল ঠুকছে ছোটসব পাথর। খেপে যাওয়া উন্মাদের মত অ্যাক্সেলারেটর দাবিয়ে ভ্যান ছুটিয়ে নিয়ে চলেছে ওয়াকার।

    একটু পর ফোন দিল জেসিকা। ‘ঠিক আছে, পৌঁছে গেছি ঠিক জায়গায়।

    ‘আপনি কি কালো মার্সিডিযটাকে দেখতে পাচ্ছেন?’

    ‘না, আপাতত পেছনে কেউ নেই। এবার কী করব?’

    ‘আপনার ফোন দিয়ে আমাকে কল করুন।’

    ‘কেন?’

    ‘তা হলে জানতে পারব কেউ কান পেতেছে কি না।’

    ‘কী বললেন? এর মানে কী?’

    ‘কাজটা করুন, জেসিকা। আমি জবাব দেব না। এরপর আপনি পাঠিয়ে দেবেন রানার ফোনে ভয়েস মেইল।’

    ‘কী বলব তাতে?’

    বলবেন, ‘রানা, যোগাযোগ করতে বলেছ? কী হয়েছে, বলো তো?’ উদ্বেগ নিয়ে উঁচু গলায় কথা শেষ করবেন।’

    ‘আমি সত্যিই দুশ্চিন্তায় আছি। জানিই তো না আসলে কী ঘটছে!’

    আমিও দুশ্চিন্তাগ্রস্ত, আনমনে ভাবল ওয়াকার।

    ‘যা করতে বলেছেন, তা-ই করছি,’ বলল জেসিকা। ‘তবে পরে প্রতিটা ব্যাপারে ব্যাখ্যা দেবেন।’ কল কেটে দিল মেয়েটা।

    এবড়োখেবড়ো জমিতে ছুটে চলেছে ভ্যান। খারাপ পথের জন্যে তৈরি নয় এই গাড়ি। আরও কিছুদূর গিয়ে ওয়াকার বুঝল, ওর ধারণা সঠিক। সামনে হালকা হয়ে গেছে গাছের সারি। টিলার ওপর থেকে নিচে দেখা যাচ্ছে জঙ্গলের মাঝে বৃত্তাকার মাঠের মত এক জায়গা। ল্যাণ্ড রোভার রেখে ওখানে অপেক্ষা করছে জেসিকা। কড়া ব্রেক কষে ভ্যান থামাল ওয়াকার। ইঞ্জিন বন্ধ করে গাড়ি থেকে নেমে পড়ে বলল, ‘রাইফেলটা নাও! এবার হেঁটে এগোতে হবে!’

    বাঙ্কের তলা থেকে ব্যাগ নিয়ে ভ্যান থেকে নামল রামিন। ততক্ষণে রওনা হয়ে গেছে ওয়াকার। সামনে টিলা নেমে গেছে খাড়া প্রাচীরের মত। কিনারায় পৌঁছে ঘাসের ওপরে উপুড় হয়ে শুল ওয়াকার। জঙ্গুলে উপত্যকা বেশ নিচে। বিনকিউলার ব্যবহার করে দূরে দেখল ওদের টার্গেট জেসিকাকে। ওয়াকারের পাশে পৌঁছে বসে পড়ল রামিন, হাতে রাইফেলের ব্যাগ।

    ‘মেয়েটার হাতে ফোন,’ বলল ওয়াকার। ‘যে-কোন সময়ে কল দেবে।’

    কথা শেষ হওয়ার আগেই থরথর করে কাঁপল সাইলেন্ট করা ফোন। কল রিসিভ করল না ওয়াকার। এবার রানার কাছে ভয়েস মেসেজ দেবে জেসিকা। সেক্ষেত্রে হয়তো শত্রুপক্ষ ধরে নেবে রানার সঙ্গে যোগাযোগ করছে মেয়েটা।

    এবার যে-কোন সময়ে হাজির হবে ওরা,’ বলল ওয়াকার।

    ‘আমি যা ভাবছি, আপনিও কি তা-ই ভাবছেন?’ বলল রামিন।

    মৃদু মাথা দোলাল ওয়াকার। ‘হ্যাঁ, সময় হয়েছে।’

    রাইফেলের পার্টস্ সংযুক্ত করতে এক মিনিটও নিল না রামিন। দেয়ালের মত খাড়া জায়গার আগে ঝুরঝুরে মাটিতে বসিয়ে নিল বাইপড়। শুয়ে পড়ে স্কোপ দিয়ে দেখল ডানে- বামে। হাই-ম্যাগনিফিকেশন লেন্সের কল্যাণে মুহূর্তে খুব কাছে চলে এসেছে জেসিকা। ল্যাণ্ড রোভারের গায়ে কোমর ঠেকিয়ে মোবাইলে ভয়েস মেসেজ দিচ্ছে মেয়েটা। কোনদিকে খেয়াল নেই। রামিন আন্দাজ করল তিন শত ত্রিশ মিটার দূরে আছে মেয়েটা। তবে স্কোপের ইনবিল্ট লেযার রেঞ্জ ফাইণ্ডার জানাল, আধফুট বেশি ভেবে নিয়েছে ও।

    অপেক্ষা করল ওরা। ধীরে ধীরে পেরোল তিনটে মিনিট। শত্রুপক্ষ বোধহয় জেসিকার মেসেজ নিয়ে নিজেদের মধ্যে আলাপ করছে। যে-কোন সময়ে হাজির হবে। ওয়াকার ভাবল, জঙ্গুলে এলাকায় পেয়ে মেয়েটাকে বোধহয় কিডন্যাপ করতে চাইবে খুনিরা।

    শামুক গতি তুলে পেরোল আরও এক মিনিট। তারপর বিড়বিড় করল ওয়াকার, ‘ওই যে, ঘণ্টার কাঁটা তিনটার ওপরে।’

    রাইফেলের মাযল দুই ডিগ্রি সরিয়ে নিল রামিন। বিনকিউলার দিয়ে নিচের দৃশ্য দেখছে ওয়াকার। জঙ্গুলে পথে রেঞ্জ রোভারের দিকে এল দুই লোক। নিজেদের ভেতরে কোন কথা বলছে না। প্রতিটি পদক্ষেপে ঝরছে দৃঢ়তা। বেশিক্ষণ লাগবে না জেসিকার কাছে পৌঁছে যেতে। অন্যদিকে ঢেয়ে আছে বলে তাদেরকে দেখছে না মেয়েটা।

    লোকদু’জনের ওপর থেকে চোখ না সরিয়ে রাইফেলের বোল্ট টানল রামিন। সড়াৎ শব্দে ম্যাগাযিন থেকে বেরিয়ে চেম্বারে ঢুকল ভয়ঙ্কর শক্তিশালী .৩৩৮ লাপুয়া কান্ট্রিজ। দৈর্ঘ্যে ওটা প্রায় তর্জনীর সমান লম্বা।

    বিনকিউলার থেকে চোখ না সরিয়ে বলল ওয়াকার, ‘খুব সাবধান, রামিন।’

    ‘ভাববেন না। ওদের দু’জনের জন্যে দুশ্চিন্তা করুন।’

    ‘মরুক শালারা!’

    তিন শ’ বা চার শ’ মিটার দূরের টার্গেটে লক্ষ্যভেদ করা কিছুই নয় রামিনের জন্যে। হাঁটতে হাঁটতে গুলি করে শুইয়ে দিতে পারবে যে-কাউকে। না থেমে এই দূরত্বে এক এক করে ফুটো করতে পারবে নারকেল গাছের প্রতিটা ডাব। স্কোপের মাঝ দিয়ে দেখছে লোকদু’জনকে। বামে মোটা লোকটা একটু কাছে। তার বুকেই ক্রস-হেয়ার রাখল রামিন। প্রায় নিঃশব্দে অফ করল সেফটি ক্যাচ।

    ত্রিশ কদম গেলেই তারা পৌঁছে যাবে জেসিকার সামনে। এখনও কিছুই জানে না মেয়েটা। অবশ্য তখনই ওর নাম ধরে ডাকল ডানদিকের লোকটা। হঠাৎ চমকে গিয়ে ঘুরে তাকাল জেসিকা, চোখে বিস্ময়। লোকগুলোকে দেখে পকেটে হাত পুরল।

    ওয়াকারের মনে হলো, জেসিকা বের করছে পুলিশ ওয়ারেন্ট কার্ড। ঠোঁট নড়ছে ওর। এতদূর থেকে কিছুই শোনা গেল না। হয়তো বলছে: ‘আমি পুলিশ অফিসার! আর এক পাও এগোবেন না!’

    নির্বিকারভাবে জেসিকার দিকে হেঁটে চলেছে তারা।

    ‘মিস কোরো না, বাছা,’ বিড়বিড় করল ওয়াকার।

    ‘এত কম রেঞ্জে?’ মাথা নাড়ল রামিন।

    আরও এক পা এগোল লোকগুলো।

    তারপর আরেক পা।

    পিস্তল বের করতে জ্যাকেটের পকেটে হাত ভরল তারা। ঝট্ করে বের করল অস্ত্রদুটো। সরাসরি মাযল তাক করেছে জেসিকার বুকে। আবারও কথা বলল ডানদিকের লোকটা। পিস্তল দেখে চমকে গেছে জেসিকা।

    ‘সময় নেই, রামিন,’ নিচু স্বরে বলল ওয়াকার।

    তখনই মোটামত লোকটার মাথার পাশে ভুস্ করে ভেসে উঠল লালচে মেঘ। কাত হয়ে ধড়াস্ করে মাটিতে পড়ল সে।

    কাঁধে রিকয়েল মিলিয়ে যাওয়ার আগেই বোল্ট পিছিয়ে নিয়ে আবারও সামনে ঠেলল রামিন। চেম্বারে ঢুকেছে লাপুয়া গুলি। সঙ্গীর তাজা রক্ত আর মগজের ধূসর পদার্থে মেখে গেছে দ্বিতীয়জনের মুখ। এতই হতভম্ব, নড়তে পারল না। যন্ত্রের মত তার মাথায় ক্রস-হেয়ার এনে ট্রিগার স্পর্শ করল রামিন।

    উত্তপ্ত ব্যারেলের ভেতর দিয়ে গুলি গেলে নিখুঁতভাবে লক্ষ্যভেদ করা কঠিন। রামিন যেখানে চেয়েছে, তার সিকি ইঞ্চি দূরে বিধল দুই নম্বর বুলেট। তাতে মন খারাপ হলো ওর। অবশ্য উড়ে গেছে লোকটার করোটির একপাশ। হাই- ভেলোসিটি বুলেট ছিটিয়ে দিয়েছে হাড়ের গুঁড়ো, মাংস ও রক্তের লালচে বাষ্পের মত মেঘ। ধুপ করে মাটিতে পড়ল লাশ।

    ‘সত্যিই চমৎকার লক্ষ্যভেদ!’ মন্তব্য করল ওয়াকার।

    মাথা নাড়ল রামিন। ‘মাসুদ ভাই হলে ঠিকমত লাগিয়ে দিতেন।’

    বিনকিউলারের মাধ্যমে জেসিকাকে দেখল ওয়াকার। গাড়ির পাশে দাঁড়িয়ে বিস্ময় নিয়ে দুই লাশ দেখছে বেচারি।

    ‘এবার ওকে গিয়ে বলবে, এদেরকে খুন না করে আমাদের কোন উপায় ছিল না,’ বলল ওয়াকার। ‘পরে সবই ওকে বুঝিয়ে বলব। আপাতত একটা ফোন করতে হবে, ওটা জরুরি।’

    টিলা থেকে নেমে জেসিকার সামনে গিয়ে থামল ওরা। ওয়াকার আর নিজের পরিচয় দিল রামিন

    একবার হাতঘড়ি দেখে নিল ওয়াকার।

    এখন বাজে দুপুর একটা একত্রিশ।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleমাসুদ রানা ৪৭০ – কালবেলা
    Next Article মাসুদ রানা ৪৬৩ – ছায়াঘাতক

    Related Articles

    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৩৮৫-৩৮৬ – হ্যাকার (দুই খণ্ড একত্রে)

    July 22, 2025
    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫৬ – টপ টেরর

    July 22, 2025
    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫৪ – নরপশু

    July 22, 2025
    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫৩ – ধর্মগুরু

    July 22, 2025
    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫২ – কালো কুয়াশা

    July 22, 2025
    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫১ – মায়া মন্দির

    July 22, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }