Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    মাসুদ রানা ৪৬৯ – কিলিং মিশন

    কাজী আনোয়ার হোসেন এক পাতা গল্প362 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    কিলিং মিশন – ৩৭

    সাঁইত্রিশ

    সময় বাঁচাতে হলে আইল অভ ম্যানে বিমানে করে যাওয়াই বুদ্ধিমানের কাজ। নকল নাম ব্যবহার করে অনলাইন থেকে বিমানের টিকেট কিনল রানা ও ফক্স। ঝোড়ো বেগে গাড়ি চালিয়ে বিকেল ছয়টার আগেই পৌছে গেল হিথ্রো এয়ারপোর্টে। গাড়ি লং-স্টে কার পার্কে রাখল রানা। হ্যারিসের ল্যাপটপসহ ব্যাগটা কাঁধে তুলে নেমে পড়ল অফরোড প্রিমিয়াম থেকে। টাকা ভরা হোল্ডঅল গাড়িতে রাখা নিরাপদ নয় বলে ওটা সঙ্গে নিল ফক্স। আরও জরুরি কিছু চাই ওর, সেজন্যেই বলল, ‘সঙ্গে অস্ত্র নিলে ভাল হতো না?’

    ‘লাগবে না,’ জবাবে বলল রানা। ‘অস্ত্রসহ বিমানে উঠতে গেলে গ্রেফতার হব।’

    ওর কথায় তিক্ত হাসল ফক্স। ‘বস্, মরে ভূত হওয়ার আগে বহুৎ লোক এ-কথা বলেছে।’ চেকিঙের কথা স্পিকারে শুনে নিজের হোল্ডঅল ব্যাগেজ স্টোরেজে নিয়ে রাখল সে।

    বহুবার হিথ্রো এয়ারপোর্ট ব্যবহার করেছে রানা, তাই ভাল করেই চেনে কোথায় যেতে হবে। অপেক্ষার সময়টাতে অনলাইনে গিয়ে ববি জনসন সম্পর্কে তথ্য খুঁজল। তার ইউটিউব চ্যানেল থাকলেও কোথাও নেই লোকটার ছবি। বলা হচ্ছে ধার্মিক মানুষ সে। কালো জাদু ও শয়তান-পূজার বিরুদ্ধে লেখালেখি করে। এ-ছাড়া আছে বেশকিছু ভিডিয়ো। লাখ লাখ ইউরোপীয় ও আমেরিকান খ্রিস্টান ধর্মপ্রাণ মানুষ সেগুলো দেখে। নতুন কোন তথ্য নেই দেখে ফোন রেখে দেবে রানা, এমনসময় এল টেক্সট মেসেজ।

    ঝড়ের বেগে গাড়ি চালিয়ে জেসিকাকে নিয়ে গন্তব্যে পৌঁছে গেছে ওয়াকার ও রামিন। একটু আগে ডিগবার্টের বাড়ির পেছনের মাঠে নেমেছে বিলিয়নেয়ার লুকা ব্রেযনেভের বিমান। এবার ওটাতে জেসিকাকে তুলে দেবে ওরা। একঘণ্টার ভেতরে মেয়েটা পৌঁছে যাবে বুড়োর দুর্গে। এদিকে সেসনায় চেপে নরম্যাণ্ডিতে ফিরবে ওয়াকার ও রামিন। কোন সাহায্য লাগলে দেরি না করে যেন যোগাযোগ করে রানা।

    কিছুক্ষণ পর দুই প্রপেলারের ছোট এক ফকার বিমানে চেপে বসল রানা ও ফক্স। লিয়োনেলের সঙ্গে দেখা হওয়ার পর আজ আবারও বিমানে উঠেছে রানা। লণ্ডনের ওপর দিয়ে শব্দদূষণ করে উড়ে গেল বিমান। গত ক’দিনে কত কিছু ঘটে গেছে, চুপচাপ বসে ভাবছে রানা। অবশ্য শেষমেশ পাল্টে গেছে পাশার ছক। যদিও ভবিষ্যতে কী ধরনের বিপদ হবে সেটা জানার উপায় নেই। পরিকল্পনা করে এগোবে ওরা। প্রথম কাজ এখন উত্তর উপকূলে রহস্যময় লোকটার সঙ্গে দেখা করা।

    একসময় কুয়াশায় ভরা আইরিশ সাগরের ওপর দিয়ে উড়ে গেল পুরনো বিমান। গন্তব্যের কাছে পৌঁছে রানা দেখল, দূরে আইল অভ ম্যানের রুক্ষ ক্লিফ ও ধূসর-কালো পাহাড়।

    ‘লোকটা কমপিউটার জিনিয়াস,’ মন্তব্য করল ফক্স, ‘নইলে কোটি কোটি ডলার পেত না।’

    জবাবে চুপ করে থাকল রানা। আকাশে ওঠার সোয়া একঘণ্টা পর বিমান নামল রোনাল্ডসওয়ে এয়ারপোর্টের রানওয়েতে। জনসন বলেছে, দ্বীপে পৌঁছে ফোন দিতে। এয়ারপোর্ট থেকে বেরোবার আগেই তাকে কল দিল রানা। জবাবে লোকটা জানিয়ে দিল, একটু পর ওদেরকে তুলে নেবে।

    এয়ারপোর্ট থেকে বেরিয়ে সাগর থেকে আসা মৃদুমন্দ হাওয়ায় এসে দাঁড়াল রানা ও ফক্স। মিনিট পাঁচেক পর ওদের পাশে থামল লাল এক সুযুকি ভ্যান। কঙ্কালের মত চিকন, টাকমাথা এক বয়স্ক লোক ওটার ড্রাইভার। তার কানদুটো শয়তানের মূর্তির কানের মত খাড়া। খসখসে গলায় বলল সে, ‘আপনারাই মিস্টার রানা আর ফক্স?’

    ‘আপনিই কি মিস্টার জনসন?’ জানতে চাইল রানা। কেন যেন ওর মনে হচ্ছে, এই জিন্দালাশ ববি জনসন নয়।

    ‘শালা সাক্ষাৎ ইবলিশ!’ বিড়বিড় করল ফক্স।

    ‘আমার নাম কার্লি ফ্রেডিসন,’ চাপা স্বরে বলল লোকটা। ‘আমি তাঁর ড্রাইভার। ভ্যানের পেছনের সিট দেখাল সে। রানা ও ফক্স গাড়িতে উঠে দরজা আটকে নিতেই রওনা হয়ে গেল।

    দ্বীপের দক্ষিণে এয়ারপোর্ট। ওটা পেছনে ফেলে আঁকাবাঁকা গ্রাম্য সরু পথে উত্তরদিকে চলল ফ্রেডিসন। যেভাবে পেঁচার মত নাক-মুখ পেঁচিয়ে রেখেছে, রানার মনে হলো কিছু জিজ্ঞেস করলেও জবাব দেবে না সে। জানালা দিয়ে বাইরের দৃশ্য দেখতে লাগল রানা। আয়ারল্যাণ্ডের বেশিরভাগ এলাকার মতই আইল অভ ম্যানে আছে নানান ধরনের ফসলের খেত। মাঝে মাঝে একটা-দুটো গ্রাম। নড়বড়ে বেড়া দিয়ে ঘেরা খামারের সামনে সাদা রঙের পাথুরে আউটবিল্ডিং। দূরে কুয়াশায় ভরা ধূসর-কালচে উঁচু পর্বত।

    সরু, লম্বাটে দ্বীপ আইল অভ ম্যান। কয়েকবার রাস্তা পাল্টে চল্লিশ মিনিট উত্তরদিকে যাওয়ার পর ভ্যান পড়ল আরও চিকন পথে। চারপাশে গ্রাম্য পরিবেশ। মাথার কাছে ঝুঁকে এল পর্বতশ্রেণী। সন্ধ্যা পৌনে নয়টায় ঘনিয়ে এল রাতের আঁধার। আবছা আলোয় রানা দেখল, খাড়া এক টিলার ওপরে বহু পুরনো এক গির্জা। আরও কিছুটা গিয়ে পরিত্যক্ত বাড়িটার সামনে গাড়ি রাখল টেকো ড্রাইভার। ত্রিশ গজ দূরে হঠাৎ করেই খাড়া দেয়ালের মত সাগরে গিয়ে নেমেছে টিলা। গাড়ির ইঞ্জিন বন্ধ না করে রানা ও ফক্সকে দেখল ফ্রেডিসন। ‘আমরা পৌঁছে গেছি।’

    ‘আমার তো ধারণা: জনসনের সঙ্গে দেখা হবে তার বাড়ি বা অফিসে,’ বলল রানা।

    ‘তিনি এখানেই বাস করেন,’ মাথা নাড়ল ড্রাইভার।

    গাড়ি থেকে নামল রানা ও ফক্স। ভ্যান ঘুরিয়ে একরাশ কালো ধোঁয়া ওদের নাকে-মুখে ছড়িয়ে দিয়ে দেখতে না দেখতে উধাও হলো টেকো জিন্দালাশ। প্রাচীন গির্জার ধারেকাছে আর কোন বাড়ি নেই। কেউ অপেক্ষা করছে না রানা ও ফক্সের জন্যে। হাঁটু সমান ঘাস ও জংলা ঝোপগুলোকে দুলিয়ে দিচ্ছে সাগরের ঝিরঝিরে নোনা হাওয়া।

    ভুরু কুঁচকে রানাকে দেখল ফক্স। ‘তা হলে ওই লোক এখানে থাকে? জানতাম না এতবড় উন্মাদ!’

    রানা কিছু বলার আগেই ওর পকেটে বাজল স্মার্টফোন। ওটা হাতে নিয়ে দেখল, এই একই নম্বর থেকে কল এসেছিল লণ্ডনে। ফোন রিসিভ করতেই বলল জনসন, ‘গরীবের বাড়িতে পা রেখেছেন বলে অনেক ধন্যবাদ!’

    ‘আপনি কি ঠাট্টা করছেন?’ জানতে চাইল রানা।

    ‘মোটেও না। গির্জার তৃতীয় ঘরে দরজা পাবেন।

    কেন যেন রানার মনে হলো, ওদেরকে চোখে চোখে রাখা হচ্ছে। গির্জার ধুলোময় প্রথম ঘরে ঢুকল ওরা। মাঝের লম্বাটে ঘরটা পেরিয়ে তৃতীয় ঘরে পেল পেছনের দেয়ালে ধাতব এক আধুনিক সিকিউরিটি ডোর। রানার মনে হলো, জলপাই রঙের দরজাটা মিলিটারি বাঙ্কারের প্রবেশপথ। লোহার কবাটে হাতল নেই। তালায় চাবি ঢোকাবার কোন ফুটোও দেখা গেল না। রানা কবাটে দু’বার নক করতেই যে আওয়াজ হলো, ওরা বুঝল ওটা অনেক পুরু। বুলেটপ্রুফ তো বটেই, সম্ভবত বোমা নিরোধক।

    ‘এটা ফাঁদ বলে মনে হচ্ছে,’ বিড়বিড় করল ফক্স।

    কু ডাকছে রানারও মন। জানা নেই দরজার ওদিকে কী অপেক্ষা করছে।

    স্টিল-ডোরের ইলেকট্রনিক লক মেকানিযমের কিরকির শব্দ শুনল ওরা। পাঁচ সেকেণ্ড পর সরসর করে সরে খুলে গেল দরজা।

    পরস্পরের দিকে তাকাল রানা ও ফক্স।

    ‘আগে চলুন, বস্,’ নিচু স্বরে বলল প্রাক্তন সৈনিক।

    স্টিলের কবাট পেরিয়ে রানা পা রাখল চওড়া এক করিডরে। সাবধানে পিছু নিল ফক্স।

    দরজার ধারেকাছে কেউ নেই। একটু দূরে পাতালে নেমে যাওয়ার কংক্রিটের সিঁড়ি। দু’দিকে সাদা রঙের মসৃণ দেয়াল। সিলিঙে জ্বলছে ছোট কিছু এলইডি বাতি। মাথার ওপরের গির্জা ও নিচের আধুনিক এই ভবনটা অস্বাভাবিক লাগছে রানার কাছে।

    সিঁড়ি বেয়ে নেমে যেতেই বামে বাঁক নিল করিডর। রানার পেছনে হাঁটছে ফক্স। পেরিয়ে গেল একটা স্টিলের পুরু দরজা। কিন্তু হঠাৎ করেই ওদের পেছনে নিঃশব্দে বন্ধ হয়ে গেল ওটা। লক আটকে যাওয়ার ক্লিক শব্দটা বিশ্রী শোনাল ওদের কানে। কোন হাতল বা নব নেই যে ওটা মুচড়ে দরজা খুলে ফিরে যাবে।

    সিঁড়ি বেয়ে নামার সময় ধাপ গুনেছে রানা। ওর ধারণা: ওরা আছে মাটির কমপক্ষে ষাট ফুট নিচে। ঢালু হয়ে নেমে গেছে সুড়ঙ্গের মত করিডর। মিনিটখানেক হাঁটার পর সামনে পড়ল স্টিলের তৃতীয় দরজা। রানার মনে হলো, আড়াল থেকে ওদেরকে দেখছে কেউ। থমকে চারপাশে তাকাল ও। নয় ফুট ওপরে সাদা সিলিঙে এক জোড়া স্টিল মেশ গ্রিড। প্রথমে ওটা ভেন্টিলেটর শাট্ ভেবেছিল রানা, কিন্তু এবার দেখল একটা গ্রিড থেকে চেয়ে আছে ক্যামেরার চকচকে লেন্স।

    ওরা পার হতেই পেছনে নিঃশব্দে লক হলো তৃতীয় স্টিলের দরজা। সামনে সাদা রঙের এক চেম্বার। ওটা দেখতে বায়োকেমিকেল ল্যাবের এয়ারলকের মত। ঝিরঝির করে ওদের গায়ে লাগছে এয়ারকুলারের ঠাণ্ডা হাওয়া। সিলিঙে একাধিক ক্যামেরা। দু’দিকের দেয়ালে কিছু প্যানেল। সামনে স্টিলের ইলেকট্রনিক চতুর্থ দরজা। এ-মুহূর্তে ওটা বন্ধ। দরজার আগে স্টিলের আর্চওয়ে। ওটা এয়ারপোর্টের হাই-টেক মেটাল ডিটেক্টর বলেই মনে হলো রানার। ওরা চেম্বারে ঢুকতেই পেছনে নিঃশব্দে আটকে গেল ইলেকট্রনিক দরজা। একবার পরস্পরের দিকে তাকাল রানা ও ফক্স। খাঁচার মত বদ্ধ পরিবেশে আটকা পড়েছে ওরা।

    ‘হাই-টেক ফ্যাসিলিটি,’ রানার দিকে তাকাল ফক্স।

    ওরা বুঝে গেছে, এই ফ্যাসিলিটি তৈরি করতে গিয়ে খরচ করা হয়েছে কমপক্ষে কয়েক মিলিয়ন ডলার।

    আমেরিকায় এরচেয়ে কম সফিসটিকেটেড মিলিটারি ইন্সটলেশন দেখেছে রানা। তাই ভাবছে, একটু পর হয়তো দেখবে আরও আধুনিক কিছু।

    ‘সত্যিই আশ্চর্য!’ বিড়বিড় করল ফক্স।

    ‘আমার বাড়ি আপনাদের ভাল লেগেছে বলে খুশি হলাম,’ ছাতের গ্রিলের স্পিকার থেকে এল জনসনের কণ্ঠ রানার ধারণা, লোকটা আছে গোপন কোন কন্ট্রোল রুমে। মনিটরে দেখছে ওদেরকে। মুখের কাছে মাইক। আবারও বলল, ‘এবার, আমার কাছে আসার আগে আপনাদেরকে পেরোতে হবে কিছু সিকিউরিটি চেক। দয়া করে জ্যাকেট, জুতো, বেল্ট, ঘড়ি, পকেটের সবকিছু আর মোবাইল ফোন দেয়ালের ট্রেতে রাখুন। ধাতব কিছু যেন সঙ্গে না থাকে।’ দেয়ালে প্যানেল খুলে যেতেই দেখা গেল প্লাস্টিকের ভারী দুটো ট্রে।

    জনসনের কথা না মেনে উপায় নেই, বুঝে গেল রানা ও ফক্স। বিরক্তি নিয়ে কবজি থেকে খুলে ওমেগা ডাইভার্স ঘড়ি ট্রেতে রাখল রানা। বাদ গেল না বার্নার ফোন, হ্যারিসের ল্যাপটপসহ ব্যাগ। বুট খোলার পর আলগা করল কোমরের বেল্ট। নিজেকে ম্যাক্সিমাম সিকিউরিটি প্রিযনের বন্দি বলে মনে হলো ওর। একই হাল ফক্সের, বিপদ হবে ভেবে শুকিয়ে গেছে মুখ।

    সবকিছু রাখতেই দেয়ালের ওদিকে চলে গেল ট্রে-দুটো। বন্ধ হলো দেয়ালের প্যানেল।

    ‘অসংখ্য ধন্যবাদ,’ স্পিকারে এল জনসনের কণ্ঠ। ‘ফেরার সময় সব ফেরত পাবেন। এবার একজন একজন করে মেটাল ডিটেক্টরের মাঝ দিয়ে এগিয়ে যান।’

    ‘ভয় পাবেন না, আমরা সশস্ত্র নই,’ বলল রানা। ‘একটু আগে নেমেছি কমার্শিয়াল এয়ারক্রাফ্ট থেকে। তথ্য বিনিময় করতে এসেছি, আপনাকে খুন করতে নয়।’

    ‘আগে সেটা প্রমাণ করুন,’ বলল জনসন। ‘আপনারা হয়তো জানেন না, আমার কোন ভুল হলে যে-কোন সময়ে খুন হব।’

    ‘আপনি কি মনে করেন জুতোর ফিতা দিয়ে আপনাকে খুন করব?’ জানতে চাইল ফক্স।

    ‘কে জানে! হয়তো খালি হাতেই ঘাড় মটকে দেবেন! আমি বুদ্ধির চর্চা করি, শরীরের নয়। দয়া করে এগিয়ে যান মেটাল ডিটেক্টর আর্চওয়ের ভেতর দিয়ে।’

    প্রথমে পেরিয়ে গেল রানা। নীরব থাকল ডিটেক্টর। তবে ফক্স আর্চওয়ের অর্ধেক যেতেই কর্কশ শব্দে বাজল অ্যালার্ম। দু’হাতে শরীর চাপড়ে ক্যামেরার দিকে তাকাল ও। পরক্ষণে বত্রিশ দাঁত মেলে হেসে বলল, ‘যাশালা, শেষমেশ আটকে গেছি দাঁতে!’

    ‘দয়া করে ওগুলো বের করুন,’ বলল জনসন। ‘নইলে বুঝব কী করে, আপনার সঙ্গে আগ্নেয়াস্ত্র বা ছোরা নেই!’

    বিরক্ত হলেও সোনা ও টাইটেনিয়ামের দাঁতের পাটি মুখ থেকে বের করল ফক্স। ওগুলো রুমালে পেঁচিয়ে ছুঁড়ে দিল আর্চওয়ের ওদিকে। খপ্ করে ক্যাচ ধরল রানা। এবার অ্যালার্ম বাজল না। নিশ্চিন্তে বাকি পথ পেরোল ফক্স। রানার কাছ থেকে নিয়ে দ্রুত মুখে পুরল দু’পাটি দাঁত। ক্যামেরার দিকে সোনালি হাসি দিয়ে বলল, ‘এবার খুশি হয়েছেন তো?’

    জবাবে হঠাৎ করেই নিঃশব্দে খুলে গেল সামনে স্টিলের দরজা।

    ‘যাব্বাবা!’ বিড়বিড় করল ফক্স।

    দরজা পেরোতেই সামনে পড়ল চওড়া প্যাসেজ। দু’দিকে বার্নিশ করা স্টিলের দেয়াল। কোথায় আছে সেটা না জানলে ওরা ভাবত, পৌঁছে গেছে ইণ্টারন্যাশনাল স্পেস স্টেশনে।

    প্যাসেজের ওদিকে ডোরওয়ে।

    এরই ভেতরে খুলে গেছে দরজা। আগে কখনও এত মোটা লোক দেখেনি রানা ও ফক্স। সুমো কুস্তিগীররা এর কাছে কিছুই নয়। দাঁড়িয়ে আছে পুরো চওড়া দরজা জুড়ে। প্যান্টের বেল্ট দৈর্ঘ্যে হবে অন্তত ছয়ফুট। কত গজ কাপড়ে তৈরি হয়েছে এই লোকের প্যান্ট, ভাবতে গেলে বিস্মিত হতে হয়। মস্তবড় ভুঁড়িটাকে ঢেকে মেঝে ছুঁই-ছুঁই করছে তাঁবুর মত কাফতান। লোকটার চুল-দাড়ি মিলেমিশে একাকার। নির্জন দ্বীপে দশবছর বাস করলেও এত করুণ হাল হওয়ার কথা নয় কারও। দাড়ি-গোঁফের জঙ্গলে উঁকি দিল খয়েরি কিছু আধখাওয়া দাঁত। বাচ্চাহাতির থাবায় রানা ও ফক্স দেখল বিশাল এক স্টেইনলেস-স্টিলের ম্যাগনাম রিভলভার।

    ‘মিস্টার রানা, মিস্টার ফক্স, পরিচিত হয়ে খুব খুশি হলাম। আসুন, আসুন!’

    আঙুল তুলে অস্ত্রটা দেখাল রানা। ‘ওটা কি আপনার বাড়তি সিকিউরিটির জন্যে?’

    শ্রাগ করতেই দানবের থলথলে কাঁধে উঠল বড় এক ঢেউ। ‘ঠিকই ধরেছেন। আপনারা সশস্ত্র নন মানেই তো আর এমন নয় যে, আমি কোন বিপদে নেই। মনে রাখবেন রিভলভার পুরো লোডেড। হামলা করা না হলে ব্যবহার করব না। কিন্তু তার উল্টো হলে দুই গুলিতে উড়িয়ে দেব আপনাদের মগজের খুপরি।’

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleমাসুদ রানা ৪৭০ – কালবেলা
    Next Article মাসুদ রানা ৪৬৩ – ছায়াঘাতক

    Related Articles

    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৩৮৫-৩৮৬ – হ্যাকার (দুই খণ্ড একত্রে)

    July 22, 2025
    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫৬ – টপ টেরর

    July 22, 2025
    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫৪ – নরপশু

    July 22, 2025
    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫৩ – ধর্মগুরু

    July 22, 2025
    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫২ – কালো কুয়াশা

    July 22, 2025
    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫১ – মায়া মন্দির

    July 22, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }