Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    মাসুদ রানা ৪৬৯ – কিলিং মিশন

    কাজী আনোয়ার হোসেন এক পাতা গল্প362 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    কিলিং মিশন – ৩৮

    আটত্রিশ

    রানা ও ফক্সকে দরজা দিয়ে ঢুকতে দেয়ার জন্যে ভারী শরীর নিয়ে পিছিয়ে গেল ববি জনসন। রানার পর বিশাল লিভিংরুমে ঢুকল ফক্স। তিনটে জানালা দিয়ে আবছা আলোয় ওরা দেখল উপত্যকা ও উপকূল। আঁধার সাগরের কালো আকাশে মিটমিট করে জ্বলছে অজস্র নীলচে নক্ষত্র।

    রানা বুঝে গেল, টিলার গভীরে কায়দা করে গির্জার নিচে তৈরি করা হয়েছে জনসনের বাড়ি। লিভিংরুমে ছড়িয়ে- ছিটিয়ে আছে কিছু আসবাবপত্র। ফায়ারপ্লেসের ওপরের দেয়ালে ঝুলছে মস্ত ফ্ল্যাটস্ক্রিন টিভি। আরেক দেয়ালে ছয়ফুটি ক্রোম-প্লেটেড ক্রুশ ছাড়া অন্যান্য দেয়াল ফাঁকা। ওদেরকে বসতে দেয়ার জন্যে দশ ফুট দূরে পাশাপাশি দুই আর্মচেয়ার দেখাল জনসন। নিজে ভীষণ মোটা বলে কোন চেয়ারে বসতে পারবে না।

    ‘ড্রিঙ্ক দেব?’ জানতে চাইল সে। ‘বাড়িতে অবশ্য আছেই শুধু বিয়ার। আমি নিজে কড়া কিছু পান করি না।’

    ‘ধন্যবাদ, লাগবে না,’ বলল রানা।

    মাথা নাড়ল ফক্স।

    ‘আমার আরেকটা বিয়ার চাই,’ ফ্রিযের কাছে গেল জনসন। ডালা খুলে হাতে নিল এক পাইন্টের বিয়ারের বোতল। বুড়ো আঙুল দিয়ে অনায়াসেই উড়িয়ে দিল ওটার ক্যাপ।

    হাতিটা বোধহয় দিনে শেষ করে দশ পাইন্টের বেশি বিয়ার, ভাবল রানা।

    দূরে ডাবল সোফায় গিয়ে বসল জনসন। কোলের ওপরে রাখল ম্যাগনাম রিভলভার। আক্রমণ এলে চট্ করে হাতে তুলে নেবে। চোঁ-চোঁ করে খালি করল বিয়ারের অর্ধেক বোতল।

    ‘আপনার বাড়িটা চমৎকার,’ মন্তব্য করল রানা।

    ‘কাউকে ঢুকতে দিই না,’ বলল জনসন। ‘তবে আমার বড় বোন আপনাকে পছন্দ করেছে। সবসময় বলে: অন্যদের চেয়ে ঢের বেশি বুঝি মানুষের চরিত্র।’

    ‘আপনার বোন?’ জনসনের সঙ্গে মিসেস ম্যাণ্ডকের চেহারার মিল আছে, টের পেল রানা।

    মাথা দোলাল লোকটা। ‘হ্যারিসের বইটা পড়েই সঙ্গে সঙ্গে ই-মেইল করেছিল। ভীষণ ঘাবড়ে গেছে। দুঃখ লাগে, নিরেট এক গর্দভের সংসার করছে। ওই বই আসলে কীসের ওপরে লেখা, সেটাও বুঝতে পারেনি লোকটা।’

    এরপর তাঁদের অফিসে গেলাম আমরা,’ বলল রানা।

    ‘আপনাদের কথা শুনে আমার বোন বুঝল, আমার সঙ্গে যোগাযোগ করা উচিত।’ আরেক চুমুক বিয়ার নিল জনসন। হাতের তালুতে মুছে নিল মুখ। ‘জেন্টলমেন, এবার হয়তো আমাদের ভেতরে হবে চমৎকার বন্ধুত্ব। জানতাম, বহু বছর ধরে মানুষ খুন করছে অশুভ হ্যাভোক ক্লাব। তাই কয়েক বছর হলো ওটার সম্পর্কে নানান তথ্য সংগ্রহ করেছি। কিন্তু সত্যিকারের কোন প্রমাণ হাতে ছিল না। এবার হয়তো সেটা পাব।’

    হাতির মত শরীর নিয়েও ঝট করে উঠে দাঁড়াল সে। চলে গেল দেয়ালের তাকের কাছে। ওখানে ট্রেতে আছে রানা ও ফক্সের জিনিসপত্র। ঘুরে ওদের দিকে তাকাল সে। ‘দেখা যাক আমার জন্যে কী এনেছেন আপনারা। বলুন তো, কোন্ ফোনে আছে সেই ভিডিয়ো?’

    ‘আমারটায়,’ বলল ফক্স। ‘যেটা একটু ছোট।’

    ‘আপনি নিজেই কি তুলেছেন ভিডিয়ো ফুটেজ?’

    ‘আপনি তো ভাল করেই জানেন আমরা কারা,’ বলল রানা, ‘কিন্তু আপনার সম্পর্কে আমরা কিছুই জানি না।

    মাথা দোলাল দানব। ‘মাফ করবেন, আসলে এত উত্তেজিত হয়ে গেছি, নিজের সম্পর্কে কিছুই বলতে পারিনি। আমার আসল নাম গ্রেগ ডিলান।’

    ‘আপনার বোন বিয়ের আগে ছিলেন এলেনা ডিলান,’ বলল রানা।

    ‘গাধাটাকে বিয়ে করার আগে ওটাই ছিল ওর নাম। আমরা দুই ভাইবোন ধার্মিক পরিবারে মানুষ হয়েছি। অবশ্য ওর চেয়েও বেশি ঝুঁকে পড়ি ধর্মের দিকে।’ দেয়ালে ক্রুশ দেখাল ডিলান। ‘বলতে দ্বিধা নেই, ধর্ম আমার কাছে জীবনের চেয়েও প্রিয়।’

    ‘যদিও মনে হচ্ছে না যে আপনি যাজক,’ বলল রানা।

    হাসল ডিলান। ‘আসলেই তা নই। স্রষ্টাকে নিয়ে ভাবার কথা বাদ দিলে বাকি সময় পড়ে থাকতাম কলেজে টেকনোলজি নিয়ে। বাইশ বছর বয়সে আমরা চারবন্ধু মিলে তৈরি করলাম শক্তিশালী একটি সার্চ ইঞ্জিন অ্যাপলিকেশন। নানান দরকারে বহুবার ওটা ব্যবহার করেছেন আপনারা। সে-সময়ে ভালভাবে চলছে ডট বুম। নামকরা এক কোম্পানির কাছে অ্যাপলিকেশনটা বিক্রি করে আমরা আয় করলাম শত শত কোটি টাকা।’

    হাতের ইশারায় চারপাশ দেখাল সে। ‘হয়তো বুঝেছেন, দুনিয়া থেকে দূরে থাকতে গিয়ে ব্যয় করেছি আমার সম্পদের বড় একটা অংশ। আর এখানে বসেই গবেষণা করেছি, গত কয়েক শতাব্দীতে কীভাবে রাজনৈতিক ক্ষমতায় চলে গেছে শয়তান-পূজারীরা। বেশিরভাগ মানুষ এসব কিছুই জানে না। বাস্তবতা হচ্ছে, যে-কোন সময়ে হাসতে হাসতে সম্পদশালী দেশগুলোর ক্ষমতা দখল করে নেবে নরপশুগুলো।’

    ‘একটু খুলে বলবেন, কীভাবে এসবে জড়ালেন?’ জানতে চাইল রানা।

    ‘কীভাবে?’ দীর্ঘশ্বাস ফেলল ডিলান। ‘ওর নাম ছিল কেন মিচেল। ঘনিষ্ঠ বন্ধু। ধর্ম বিশ্বাস করত না। তবুও পরস্পরকে ভালবাসতাম ভাইয়ের মত। ওর জন্যেই একসময় বুঝলাম, কালো জাদু বা শয়তান-পূজা এখন কোন্ পর্যায়ে পৌঁছে গেছে।’

    ডিলানের বক্তব্য শোনার জন্যে অপেক্ষা করছে রানা।

    বড় করে শ্বাস ফেলে বিয়ার গিলল ডিলান। ‘আগেই বলেছি, মাত্র ক’দিনের ভেতরে মস্ত বড়লোক হয়ে গেলাম আমরা চারবন্ধু। আর অত টাকা পেয়ে বেছে নিলাম আলাদা পথ। টেকনো ব্যবসায় রয়ে গিয়ে নতুন এক কোম্পানি খুলল কেভ ওডোনেল। ট্রপিকাল এক দ্বীপে গিয়ে বাস করতে লাগল টমাস গ্রেমাজ। সারাদিনে তার একমাত্র কাজ হয়ে উঠল গ্লাসের পর গ্লাস রাম শেষ করা। নিজে আমি ভাবলাম, টাকার যখন অভাব নেই, এবার আয়েস করে কাটিয়ে দেব বাকি জীবন। আমাদের ভেতরে সবচেয়ে উচ্চাভিলাষী ছিল কেন মিচেল। ওর ইচ্ছে ছিল ব্যবসায় টাকা লগ্নি করে বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার আয় করবে। এরপর চারবছর আর ওর সঙ্গে দেখা হয়নি। একদিন ফোন দিল। মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছে। অনুরোধ করল, যেন একটু সময় দিই। মনের কথা বলার মত কেউ নেই ওর। ঠিকানা দিল। ওখানে গিয়ে দেখলাম, সস্তা এক হোটেল উঠেছে মিচেল। রুমে ঢুকে চমকে গেলাম ওকে দেখে। চেনা যাচ্ছিল না। যেন জীবন্ত কঙ্কাল। কীভাবে ওর জীবন ধ্বংস হয়ে গেছে, সেটা বিস্তারিতভাবে জানাল।

    বন্ধুর করুণ পরিণতির কথা বলতে গিয়ে ভারী হয়ে গেছে গ্রেগ ডিলানের গলা। ‘টাকার পেছনে ছুটতে গিয়ে ফিন্যানশিয়াল এক ব্রোকারের সঙ্গে পরিচয় হয় ওর। নামকরা মস্তবড় কিছু কর্পোরেশনের হয়ে ট্রিলিয়ন ডলারের বিজনেস দেখাশোনা করত সেই লোক। শিক্ষানবিশ হিসেবে কেনকে সঙ্গে নিল। দেখাতে লাগল কীভাবে পিচ্ছিল দড়ি বেয়ে উঠে যেতে হবে অকল্পনীয় সম্পদের পাহাড়ের চূড়ায়। অবশ্য সেজন্যে দুটো শর্ত ছিল তার। প্রথম কথা: কেনের প্রাপ্য সবকিছুর দশ পার্সেন্ট পাবে সে। আর দ্বিতীয় শর্ত: চিরকালের জন্যে ভুলে যেতে হবে বিবেকের কথা।’

    ‘বলতে থাকুন, আমরা শুনছি,’ বলল রানা।

    ‘লোকটা আরও জানাল: ‘মূল্য পরিশোধ করতে দ্বিধা এলে ভুলেও নেমো না এই খেলায়।’ তখন টাকার নেশায় পেয়েছে কেনের। সবকিছু চট্ করে বুঝে নিত। ওর মনে হলো কয়েক হাজার কোটি টাকা পেলে সত্যিই খুব সুখী হবে ও।’

    ‘তারপর কী হলো তার?’ জানতে চাইল ফক্স।

    ‘প্রথম দু’বছর কাটল সুখস্বপ্নের মাঝে। ব্যবসা করতে গিয়ে আয় করল শত শত কোটি টাকা। পেল বিলাসবহুল জীবন। কিন্তু এরপর ওর মনে হলো: আরও টাকা পাচ্ছি না কেন? বেচারা তখনও ভাবতে পারেনি জড়িয়ে যাচ্ছে কীসে।’

    বিয়ার শেষ করে বোতলটা দেখল ডিলান। দীর্ঘশ্বাস ফেলে আবারও শুরু করল: ‘সেই সময়ে কেন জানল, নতুন বন্ধুরা অদ্ভুত এক ধর্মের অনুসারী। ওটা খুব অস্বাভাবিক কিছু। আগ্রহ দেখাতেই ওকে তাদের ধর্মে বরণ করে নিল তারা। জানিয়ে দিল: কখনও বেইমানি করতে পারবে না, নইলে ভয়ঙ্কর বিপদে পড়বে। শয়তান-পূজার অনুষ্ঠানে যেতে লাগল ও। ওর চোখের সামনে জবাই হলো একের পর এক মেয়ে। কিছু বলবে সেই সাধ্য ওর ছিল না।’

    হতাশ চোখে ওদেরকে দেখল ডিলান। ‘ এরপর শয়তানের কাছে বলি দেয়া হলো কিছু শিশুকে।’

    চুপ করে থাকল রানা ও ফক্স।

    ঘরে বিরাজ করছে থমথমে পরিবেশ।

    ‘শিশু-হত্যার দৃশ্য মন ভেঙে দিল কেনের,’ বলল ডিলান। ‘তখনই যোগাযোগ করল আমার সঙ্গে। বলেছিল, বহু আগেই খুন হয়ে গেছে ওর বিবেক। কিন্তু এত চরম অন্যায় আর সহ্য করতে পারছে না। স্বীকারোক্তি দিল আমার কাছে। সেই রাতে ওকে হোটেলে রেখে ফিরলাম তখনকার অ্যাপার্টমেন্টে। একেবারে হতভম্ব হয়ে গেছি। ভাবতে লাগলাম, কীভাবে সুস্থ জীবনে ফেরত আনব বন্ধুকে। জানতাম না, আর কখনও ওকে জীবিত দেখব না। পরদিন সেই হোটেলের রুমে পাওয়া গেল ওর লাশ। সিলিঙের আংটা থেকে দড়িতে ঝুলছিল দু’পা। কেটে নেয়া হয়েছে মাথা। ওটা ছিল মেঝেতে। জীবিত অবস্থায় ছিলে নেয়া হয় ওর চামড়া।’

    ‘দুঃখজনক,’ বলল ফক্স।

    ‘ড্রাগখোর এক খুনিকে গ্রেফতার করল পুলিশ। আগে দুটো খুন করেছে সে।’ মাথা নাড়ল ডিলান। ‘আমি ভাল করেই বুঝে গেলাম, শয়তান-পূজারীদের বিরোধিতা করেছে বলে চরম শাস্তি দেয়া হয়েছে কেনকে। এরপর দেরি করিনি আত্মগোপনে যেতে। চোখ খুলে গিয়েছিল। আইল অভ ম্যানে তৈরি করলাম এই আস্তানা। তখন থেকে সংগ্রহ করছি শয়তান-পূজারীদের বিরুদ্ধে নানান ধরনের প্রমাণ। গবেষণা করে জেনেছি, বেশিরভাগ দেশের রাজনৈতিক উঁচু পর্যায়ে আছে তারা। এরপর একসময়ে জেনে গেলাম দ্য হ্যাভোক ক্লাবের কথা।

    ‘ঊনবিংশ শতক থেকে শুধু ব্রিটেনে নয়, অন্য দেশেও চালু আছে এই ক্লাব। ইউরোপের দেশগুলোর ক্ষমতাশালীরা ওটার সঙ্গে আষ্টেপৃষ্ঠে জড়িত।’

    ‘ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রীও কি তাদেরই কেউ?’ বলল ফক্স।

    ‘জানা নেই,’ বলল ডিলান। ‘তবে শয়তান-পূজা না করলে বেশিদিন ক্ষমতায় থাকতে পারে না কেউ।’ ফক্সের দিকে তাকাল সে। ‘আঠারো শ’ বিশ সালে ব্রিটেনে চালু হয়েছে প্রাচীন ধর্ম অর্ডার অভ থঅর্থ। শিকারি পাখির মুওওয়ালা মিশরীয় এক অপদেবতা সে। তখন থেকে আরও ছড়িয়ে গেল কালো জাদুর প্রচারণা।

    ‘থঅথের মূর্তির বেদিতে এক মেয়েকে আমি খুন হতে দেখেছি,’ বলল ফক্স।

    ‘একবার ওই ভিডিয়োটা দেখতে পারি?’ বলল ডিলান। ‘আপনার হাতেই আছে আমার ফোন, ওটাতে পাবেন,’ বলল ফক্স।

    ‘আমাদের কাছে ল্যাপটপে স্টিভ হ্যারিসের বইটাও আছে,’ বলল রানা। ওটা পড়তে পারলে হয়তো জানা যাবে অর্ডার অভ থঅথের সঙ্গে কীসের সম্পর্ক হ্যাভোক ক্লাবের।

    ‘আপনারা হয়তো জানেন না,’ বলল ডিলান, ‘ঊনবিংশ শতকে শার্লন হলে থঅথের মন্দির তৈরি করেছিল ফিলিপ এন. শার্লন। তার মৃত্যুর পর একমাত্র সন্তান জিওফ্রি এন. শার্লন এবং পরে নাতি গ্রেগরি এন. শার্লন ছিল মন্দিরের প্রধান পৃষ্ঠপোষক। তাদেরকে গভীর শ্রদ্ধা করত ব্রিটেনের উঁচু সমাজের সবাই। পরে সেই গোপন সঙ্ঘ সম্পর্কে নতুন তথ্য আর পাইনি। আমি যদি পনেরো শতক থেকে শয়তান-পূজার বিষয়টা ব্যাখ্যা করি, সেক্ষেত্রে হয়তো গোটা ব্যাপারটা ভাল করে আপনারা বুঝতে পারবেন।’

    ‘অতীত নিয়ে ভাবছি না,’ বলল লেকচারে বিরক্ত ফক্স। ‘আমরা জানতে চাই বর্তমানে শার্লন হলে কী ঘটছে।’

    ‘আপনারা যদি ওখানে যান, তো এরপর কী করবেন?’ জানতে চাইল ডিলান।

    ‘হয়তো পুড়িয়ে দেব প্রাসাদ,’ বলল ফক্স। ‘ওখানে কাউকে পেলে তাকে খতম করে দেব।

    ‘তাতে লাভ কী?’ মাথা নাড়ল ডিলান। ‘ওরা তো একজন দু’জন নয়। সমাজের মাথা তারা। সংখ্যায় হয়তো এক শ’র বেশি। আমি নিজে এ-ব্যাপারে খুব বেশিকিছু জানি না। অর্থাৎ, আপনাদেরকে নানান তথ্য দিয়ে সাহায্য করতে পারব না।’

    ‘অথচ, ভুল ধারণা দিয়েছেন, প্রচুর তথ্য আমাদেরকে দিতে পারবেন,’ বলল রানা।

    ‘আসলে সেটা বোঝাতে চাইনি,’ মাথা নাড়ল ডিলান। ‘আমি জানি না ওই দলের নেতৃত্বে এখন কারা আছে। আশা করি বুঝেছেন, আমি একজন গবেষক, গোয়েন্দা নই। গোপনে কী করছে খুনিগুলো, সেটা আমার জানা নেই।’

    ‘আপনি তো হ্যারিসের বইটা পড়েছেন,’ বলল ফক্স। ‘ওটা থেকে জরুরি কোন তথ্য পাননি?’

    ‘পড়েছি মাত্র এক শ’ পৃষ্ঠা।’

    ‘অথচ, ইঙ্গিত দিয়েছিলেন, প্রচুর তথ্য দিয়ে সাহায্য করতে পারবেন,’ বলল ফক্স। ‘এখন তো মনে হচ্ছে অত দূর থেকে এখানে এসে সময় নষ্ট করেছি আমরা।

    ‘ওই বইয়ে যাদের কথা লিখেছে, তাদের আলাদা ছদ্মনাম দিয়েছে হ্যারিস,’ বলল ডিলান। ‘এ-ব্যাপারে বিশদ বর্ণনাতেও যায়নি। সে ছাড়া আর কেউ জানত না এরা কারা।’

    ‘তা হলে সত্যিই আমরা সময় নষ্ট করেছি,’ বিড়বিড় করল ফক্স। কড়া চোখে দেখল ডিলানকে। রানা বুঝে গেল যুবকের মনের ইচ্ছে। যদি উপায় থাকত, ঘাড় ধরে ডিলানকে জানালা দিয়ে নিচের উপত্যকায় ছুঁড়ে ফেলত ফক্স।

    ‘আমার কাছে বইয়ের যে অংশ, চাইলে ওটা পড়তে পারেন,’ ক্ষতিপূরণ হিসেবে জানাল ডিলান।

    ‘অ্যালেক্যাণ্ডার লিয়োনেল বা অ্যালান শ’ নামে কারও কথা বইয়ে লিখেছে হ্যারিস?’ জানতে চাইল রানা।

    মাথা নাড়ল ডিলান। ‘তেমন কিছু বইয়ে দেখিনি।’

    ‘শার্লন হলে ছিল ধেড়ে শকুনের মত গলাছেলা এক বুড়ো,’ বলল ফক্স।  ‘হাতে ওয়াকিং স্টিক। বয়সে লিয়োনেলের চেয়ে ত্রিশ বছরের বেশি। নিজের বইয়ে তার ব্যাপারে কিছু লিখেছে হ্যারিস?’

    ‘না, ওয়াকিং স্টিকসহ কারও কথা নেই বইয়ে,’ বলল ডিলান। ‘আমরা আসলে এভাবে কাউকে শনাক্ত করতে পারব না। বরং দেখি ভিডিয়োটা। তাতে হয়তো বহুকিছুই জানতে পারব।’ মোবাইল ফোন অন করে ফক্সের দিকে তাকাল সে।

    ‘আপনি জেনেবুঝে আমাদেরকে ঠকিয়েছেন,’ সরাসরি অভিযোগ করল ফক্স। ‘এমন ভাব করেছেন, যেন বহুকিছু জানেন। কিন্তু আসলে কিছুই আপনার জানা নেই। তাই মনে হচ্ছে, ভিডিয়ো আপনাকে দেখিয়ে আমাদের কোন লাভ নেই। বরং আপনিও থাকুন আমাদের মত অন্ধকারে।’ রানার দিকে তাকাল ফক্স।

    ‘ভিডিয়োটা মাত্র একবার দেখতে দিন! প্লিয!’ ভাঙা গলায় বলল ডিলান। প্রায় কেঁদে ফেলেছে।

    পায়ের জুতো থেকে শুরু করে মুখের দাঁত পর্যন্ত খুলে নিয়েছে এই শালা!’ রাগ সামলাতে না পেরে রানাকে বলল ফক্স। ‘এত দূর থেকে এসে কী পেলাম? এটা জানলাম, এই মোটা শালা আসলে ফালতু এক লোক! তাই মনে হচ্ছে, ভিডিয়ো আর না দেখানোই ভাল! এই মানসিক কষ্ট এর পাওয়া উচিত! জুতো পরার আগে ওটা দিয়ে ওর ফোলা দু’গাল ফাটিয়ে দিতে পারলে খুশি হতাম!’

    কী যেন ভাবছে রানা। কয়েক মুহূর্ত পর বলল, ‘খালি হাতে ফিরছি, তা ঠিক। তবে ভিডিয়ো দেখালে ক্ষতি নেই। পাসওয়ার্ড দাও ডিলানকে। ওই দৃশ্য দেখে বাকি রাত আর ঘুমাতে পারবে না। আপাতত এটুকু আমাদের প্রাপ্তি।’

    কথাটা মনে ধরল ফক্সের। সোনালি হাসিতে ভরে গেল মুখ। ‘ঠিক, বস্! শালা ডিলান, তো নে পাসওয়ার্ড— ওটা রিটা। বড় অক্ষরের ‘আর’ দিয়ে শুরু। এরপর সারারাত মনের কষ্টে ছটফট করে মর!’

    অপমান গায়ে না মেখে ফোনে পাসওয়ার্ড দিল ডিলান। ভিডিয়ো চালু হতেই ঝুঁকে বসল সোফায়। নিজেরা চেয়ার থেকে উঠল না রানা বা ফক্স। দ্বিতীয়বার খুনের দৃশ্য দেখার ইচ্ছে ওদের নেই।

    ‘আশ্চর্য!’ নিচু স্বরে বলল ডিলান। ‘এই ভিডিয়ো করলেন কী করে? আগে তো কেউ এদের এত কাছে যেতে পারেনি!’

    ‘আমার কপাল মন্দ ছিল,’ বলল ফক্স।

    ‘ওটা কী?’

    ‘ওটাই শার্লন হল,’ বলল রানা। ‘মনোযোগ দিয়ে ভিডিয়ো দেখুন।’

    ‘তা তো বটেই!’

    একটু পর ফ্যাকাসে হয়ে গেল ডিলানের মুখ। হাঁ হয়ে গেছে। বিড়বিড় করল, ‘অবিশ্বাস্য! আগে কখনও এ-দৃশ্য কেউ দেখেনি!’

    ‘আপনি তৃতীয়জন,’ মন্তব্য করল রানা।

    শ্বাস আটকে ফেলল ডিলান। সোনালি চুলের এক মেয়েকে নেয়া হয়েছে অপদেবতা থঅথের মূর্তির সামনে। কমপিউটার বিশেষজ্ঞের মাথার তালু বেয়ে কপালে দরদর করে নামল ঘাম। ভয়-ঘৃণা নিয়ে দেখছে খুনের দৃশ্য। বিড়বিড় করে বলল, ‘তা হলে সত্যিই এরা মানুষ খুন করে!’

    ‘আরও ভালভাবে দেখো,’ তিক্ত স্বরে বলল ফক্স। ‘ঘাম ঝরলে শরীরের চর্বি গলবে।’

    মেয়েটাকে খুন হতে দেখে আরেকটু হলে মোবাইল ফোন হাত থেকে ফেলে দিত ডিলান। ফিসফিস করে বলল, ‘হায়- হায়, ঈশ্বর! হায় হায়!’

    এবার নিশ্চয়ই তুমি খুব খুশি?’ দাঁত খিঁচাল ফক্স।

    ‘নকল ভিডিয়োর মত নয়,’ বলল রানা।

    ‘কিন্তু এক মিনিট!’ চমকে উঠল ডিলান। ‘শেষ দিকটা আরেকবার দেখতে হবে!’

    বিরক্ত হয়ে মাথা নাড়ল ফক্স। ‘দ্বিতীয়বার না দেখে তোমার চলছে না, তাই না, শালা! তুমি নিজেও আসলে নরকের কীট!’

    জবাব না দিয়ে প্লেব্যাক পিছিয়ে নিল ডিলান।

    যুম করল ইমেজের ওপরে।

    কাছ থেকে দেখছে স্ক্রিন।

    বিস্ফারিত হলো তার দু’চোখ। হঠাৎ বেসুরো কণ্ঠে বলল, ‘আরে! আমি তো এই মেয়েকে ভাল করেই চিনি!’

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleমাসুদ রানা ৪৭০ – কালবেলা
    Next Article মাসুদ রানা ৪৬৩ – ছায়াঘাতক

    Related Articles

    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৩৮৫-৩৮৬ – হ্যাকার (দুই খণ্ড একত্রে)

    July 22, 2025
    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫৬ – টপ টেরর

    July 22, 2025
    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫৪ – নরপশু

    July 22, 2025
    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫৩ – ধর্মগুরু

    July 22, 2025
    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫২ – কালো কুয়াশা

    July 22, 2025
    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫১ – মায়া মন্দির

    July 22, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }