Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    মাসুদ রানা ৪৬৯ – কিলিং মিশন

    কাজী আনোয়ার হোসেন এক পাতা গল্প362 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    কিলিং মিশন – ৪৬

    ছেচল্লিশ

    পরের রাত, মার্চের ঊনত্রিশ তারিখ।

    সারে কাউন্টির নির্জন এক এলাকায় শার্লন হল।

    বসন্ত-বিষুবের রাতের চেয়ে আজকের পরিবেশ থমথমে। কোথাও নেই একফোঁটা বাতাস। শার্লন হলের বিশাল ওক ও সিকেমোর গাছের একটা পাতাও নড়ছে না। পূর্ণিমার মায়াবী চাঁদের বদলে আকাশে আধখাওয়া চাঁদ। সাদারঙের প্রকাণ্ড বাড়ি, সবুজ ঘাসে ছাওয়া বিস্তীর্ণ লন ও গভীর লেকের টলটলে জলে পড়েছে আকাশ-প্রদীপের ম্লান আলো। শিকারের জন্যে চমৎকার এক রাত। বিশাল ওক গাছের মগডালে বসে শিকার ধরার জন্যে এদিকে-ওদিকে চোখ বোলাচ্ছে বড় দুটো পেঁচা। তাদের এলাকায় অন্য পেঁচা ঢুকলে সঙ্গে সঙ্গে শুরু হবে মরণপণ লড়াই। অবশ্য আজ দুই পেঁচা ছাড়াও এই জঙ্গলে হাজির হয়েছে তাদের চেয়ে হাজার গুণ বিপজ্জনক ক’জন শিকারি।

    এগারোটার পর শার্লন হলের চেকিং পয়েন্টে এল দামি সব গাড়ি। আমন্ত্রণপত্র দেখে নিয়ে ড্রাইভারদেরকে হাতের ইশারায় এগোতে বলল সিকিউরিটির লোকেরা। প্রাসাদের সামনে পৌঁছে আরোহীদের জন্যে গাড়ির পেছন-দরজা খুলে দিল ড্রাইভারেরা। নামকরা মানুষগুলো বিশেষ একটি দরজা পেরিয়ে বাড়িতে ঢুকে গেলে পার্কিংলটে গাড়ি রাখল তারা। নিজেরা গিয়ে ঢুকল দূরের লজ হাউসে। ওটা সাউণ্ডপ্রুফ করা, চারপাশে সার্ভেইলেন্স ক্যামেরা। রাতের অনুষ্ঠানের কিছুই জানবে না ড্রাইভার বা বডিগার্ডেরা। তাদের ধারণা: বিশাল সেই বাড়িতে গোপনে চরম অন্যায় করেন তাদের বসেরা। কর্মচারীরা পরস্পরকে চোখ টিপে হাসাহাসি করলেও কারও সাহস নেই যে অতি কৌতূহলী হবে। বাড়তি সময়টা সার্ভিস দেয়ার জন্যে তাদেরকে দেয়া হয় তিনগুণ টাকা। তা ছাড়া, লজ হাউসে রয়েছে বিশাল পর্দার কিছু টিভি। ওগুলোতে দেখা যায় দুনিয়ার যে-কোন সিনেমা, খেলা বা অনুষ্ঠান। সময় কাটাতে আছে পিনবল মেশিন, পুল টেবিল ও কমপিউটার গেম্‌স্।

    এদিকে প্রাসাদের লবি পেরিয়ে মেম্বার্স লাউঞ্জে জড় হচ্ছে দ্য হ্যাভোক ক্লাবের সদস্যরা। তাদের জন্যে বার-এ রয়েছে বিনা পয়সায় দামি শ্যাম্পেইন, ওয়াইন, জিন অ্যাণ্ড টনিক ও ভিন্টেজ উইস্কির আপ্যায়নের ব্যবস্থা। সদস্যরা ভালভাবেই চেনে পরস্পরকে। প্রত্যেকে এ দেশের সমাজে প্রতিষ্ঠিত ও প্রভাবশালী। রাজনৈতিক নেতা, হাই-কোর্টের বিচারক, নামি উকিল, সিনিয়র সিভিল সার্ভেন্ট, ইণ্ডাস্ট্রি টাইকুন, করপোরেট বস, মিডিয়া মোগল থেকে শুরু করে সমাজের গুরুত্বপূর্ণ প্রতিটি স্তরে যারা ভূমিকা রাখছে, শুধু তারাই সুযোগ পেয়েছে এই ক্লাবের সদস্য হওয়ার। ব্রিটেনের বেশিরভাগ মানুষ মনে করে, এরা একে অপরের শত্রু, অথচ এখানে এলে বিলাসবহুল সোফায় বসে ড্রিঙ্কের গ্লাস হাতে আপন ভাইয়ের মত হালকা মেজাজে গল্প করে তারা। জানে, এখানে সবাই তারা নিরাপদ। তাদের উদ্দেশ্য এক, কোথাও কোন বিভেদ নেই। হলরুমে এসে সবাই অপেক্ষা করছে, একটু পর শুরু হবে বিশেষ একটি অনুষ্ঠান। সেজন্যে উত্তেজিত হয়ে চাপা স্বরে নিজেদের মধ্যে আলাপ করছে তারা।

    একটু পর রাত সাড়ে এগারোটায় চেক-পয়েন্টে পৌঁছে গেল তাদের শ্রদ্ধেয় গ্র্যাণ্ড মাস্টারের রোল্স রয়েস। ওটাকে এগিয়ে যেতে দিল সিকিউরিটি গার্ডেরা। নির্ধারিত সময়ে প্রতাপশালী সম্রাটের মত মেম্বার্স লাউঞ্জে পা রাখল ইমোজেন ব্যালার্ড। প্রশংসা করে কিছু না কিছু বলছে সবাই, তাই হলরুমে উঠল মৃদু গুঞ্জন। বহু বছর ধরে এই ক্লাবের প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছে বৃদ্ধ গ্র্যাণ্ড মাস্টার। এখানে- ওখানে থেমে এর-ওর সঙ্গে হাত মিলিয়ে নিখাদ সোনার রাজসিংহাসনে গিয়ে বসল সে। বারটেণ্ডার তার হাতে তুলে দিল আর্মাও দে ব্রিগন্যাক ম্যাথিউসেলাহ্ শ্যাম্পেইনের সরু গ্লাস। এই মদের প্রতিটি বোতলের দাম বর্তমান বাজারে সাত হাজার পাউণ্ড। ওটা ছাড়া অন্য শ্যাম্পেইন মুখে তোলে না ক্লাব প্রেসিডেন্ট। সেটাও পান করে অতি সামান্য, কারণ ক্রমেই দুর্বল হয়ে গেছে তার যকৃৎ। খুবই দুঃখের কথা, নিজের প্রধান স্যাঙাতের এভাবে বুড়িয়ে যাওয়ার সমস্যাটা কোনভাবেই রোধ করতে পারেনি প্রভু শয়তান!

    বরাবরের মতই ইমোজেন ব্যালার্ডের সঙ্গে শার্লন হলে এসেছে তার বিশ্বস্ত লেফটেন্যান্ট। তাকে নানান নামে চেনে অনেকে। তবে বেশিরভাগ সময় নিজের পরিচয় দেয় অ্যালেক্যাণ্ডার লিয়োনেল বা অ্যালান শ’ হিসেবে। শখ করে তার দাদা নাম রেখেছিল রিপার ক্যাসিডি। সে বড় হওয়ার পর, খুব কম মানুষের সঙ্গেই আন্তরিকতা গড়ে উঠেছে তার। সবাই জানে, বহু বছর ধরে গ্র্যাণ্ড মাস্টারের ব্যক্তিগত সহকারি হিসেবে কাজ করছে সে। কারও কারও জানা আছে, আগে ব্রিটিশ সিক্রেট সার্ভিসে স্পাই হিসেবে কাজ করত ক্যাসিডি। সরকারি দলের হয়ে একাধিক গোপন মিশনে খুন করেছে বিরোধী মতের ক’জন নেতাকে। যদিও দায় চাপিয়ে দেয়া হয়েছে আইরিশ মিলিশিয়া আইআরএ-র ওপরে। অশুভ ধর্ম থঅথের প্রধান যাজক ইমোজেন ব্যালার্ডের আদেশে সরকারি চাকরি ছেড়ে তার কাজে যোগ দেয় রিপার ক্যাসিডি। ক্লাবের প্রেসিডেন্টের সেক্রেটারি হিসেবে তার ক্ষমতা প্রচণ্ড। ভয়ঙ্কর নিষ্ঠুর লোক বলে তাকে ভয় পায় না ক্লাবের সদস্যরা, এমন কেউ নেই।

    গ্র্যাণ্ড মাস্টারের সিংহাসনের পাশে দাঁড়িয়ে হলরুমে চোখ বোলাচ্ছে রিপার ক্যাসিডি। কিছুদিন আগে ক্লাবে নতুন সদস্য গ্রহণের দায়িত্ব তাকে দিয়েছে ইমোজেন ব্যালার্ড। বর্তমান সদস্যদের হাঁড়ির খবরও ভাল করে জেনে নিয়েছে সে। গর্বের সঙ্গে বলতে পারবে, এরা নিজেদেরকে যতটা জানে, তার চেয়ে বেশি তাদেরকে চেনে সে। অবশ্য স্টিভ হ্যারিস কাণ্ডে এতদিনের আত্মবিশ্বাসে বড় চিড় ধরেছে ক্যাসিডির। এই ঘরেই প্রথমবার বুঝেছিল, কোথায় যেন ছন্দপতন ঘটেছে লোকটার। তখন থেকেই তার ওপরে চোখ রেখেছিল ক্যাসিডি। অতিরিক্ত মদ্যপানে অভ্যস্ত হয়ে পড়ে হ্যারিস। রেগে গিয়ে ক্লাবের সদস্যদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করত। নিজের ভেতরে ছিল না সে। মাঝে মাঝে ভাইদের প্রতি প্রকাশ করত তীব্র ক্ষোভ ও ঘৃণা। ক্যাসিডি ভেবেছিল, হয়তো রাজনৈতিক ব্যর্থতার জন্যে তিক্ত হয়ে গেছে লোকটার মন। কিন্তু পরে মনে হলো, কোন না কোন কারণে হ্যারিসের মধ্যে শুরু হয়েছে বিবেকের দংশন।

    কিন্তু সেটা তো ভয়ঙ্কর ব্যাপার!

    ক্যাসিডি ভাবতে লাগল: তবে কি হ্যারিসের মনে আর বিশ্বাস নেই ভ্রাতসঙ্ঘের প্রতি? তখনও তাকে সাবধান করেনি ক্যাসিডি। বলেনি: ক্লাবের আইন ভাঙলে ভয়ঙ্করভাবে খুন হবে সে।

    সতর্ক হয়ে গেল ক্যাসিডি। এর কয়েক দিনের ভেতরে নিজের লোক মারফত জানল- গোপনে ক্লাব সদস্যদের বিরুদ্ধে ক্ষতিকর এক বই লিখছে হ্যারিস। নিজেকে খুব চালাক ভাবত সে। বিচ্ছিন্ন করেছিল বাড়ির ল্যাণ্ড ফোনের লাইন ও ইন্টারনেট। কারও সঙ্গে কথা বলতে হলে ব্যবহার করত বার্নার ফোন। তবে ভাবতেও পারেনি, তার বাড়ি ও গাড়িতে ইলেকট্রনিক গুবরে পোকা রেখে দেয়া হয়েছে। প্রতিটি কথা শুনত ক্যাসিডি। হ্যারিস লণ্ডনের এক লিটারারি এজেন্সিতে বই প্রকাশের ব্যাপারে আলাপ করতেই ক্যাসিডি সিদ্ধান্ত নিল: এবার সময় হয়েছে লোকটার বাড়িতে আততায়ী পাঠিয়ে দেয়ার। স্থির করা ছিল হ্যারিস-হত্যার পর ওটাকে দেখানো হবে ডাকাতি হিসেবে। এবং এ-কাজে সেরা লোকটাকে পাঠিয়ে দেয় ক্যাসিডি। যদিও পরে জানা গেল, যাকে বিশ্বাস করে কাজ দিয়েছে, নিজেই সে চরম বেইমান!

    এরপর কেউ যেন থঅথের ধর্ম ও হ্যাভোক ক্লাবের বিরুদ্ধে খারাপ কিছু করতে না পারে, তাই ভাইদের ওপরে নজরদারি বাড়িয়ে দিয়েছে ক্যাসিডি। এ-মুহূর্তে এক এক করে প্রত্যেকের ওপরে চোখ বুলিয়ে নিচ্ছে সে। বিশ্লেষণ করছে তাদের দৈহিক ভাষা ও আচরণ। হ্যারিসকে খুন করার আগেই দ্য হ্যাভোক ক্লাবের সবাইকে সন্দেহের আওতায় এনেছে সে। অবশ্য কারও মধ্যে অস্বাভাবিক কোন আচরণ ধরা পড়েনি। সামনের অনুষ্ঠানের জন্যে অধীর হয়ে অপেক্ষা করছে হ্যাভোক ক্লাবের সদস্যরা। প্রথম অনুষ্ঠানে যে পূজা হবে, সেখানে আমন্ত্রিত হয়ে ফুর্তিতে আছে সবাই। এমনই হওয়ার কথা, আনমনে হাসল ক্যাসিডি। তারা দেখবে সুন্দরী এক মেয়ের বুকের তাজা রক্ত ছিটকে পড়ছে অপদেবতার পায়ে। এরচেয়ে উত্তেজনাময় দৃশ্য কমই আছে পৃথিবীতে। আর এরপর ক্লাবের বিশেষ সভ্যদের জন্যে রয়েছে গ্র্যাণ্ড মাস্টারের সেরা চমক। কেউ ওই পূজা দেখলে কখনও ভুলবে না। লেকের তীরে যেটা হবে, ওটা স্রেফ প্রাথমিক সদস্যদের জন্যে। যুবতী মেয়ের রক্ত ঝরার পর ক্লাবের ইনার কমিটির সদস্যরা হাজির হবে বাড়ির নিচের সমাধিতে। তখনই শুরু হবে মূল অনুষ্ঠান। বহুবার ওটা দেখার পরেও বারবার উত্তেজিত বোধ করে ক্যাসিডি। যদিও গভীর রাতে দারুণ মজা হবে জেনেও এ-মুহূর্তে ফুর্তি লাগছে না তার। কেন যেন কু ডাকছে মন। গত ক’দিনে বিমর্ষ হয়ে গেছে সে। প্রথমে স্পেনের সেই লাশের ডিএনএ টেস্ট করে জানা গেল, সে আসলে উইলবার ফক্স নয়। মনে যে আশঙ্কা ছিল, সেটাই সত্যি হলো। ভ্লাদিমির যে দাঁতের পাটি আনল লণ্ডনে, পরীক্ষা করে দেখা গেল সত্যিই ওটা ফক্সের। তখন মেনে নিতে হলো, ফক্সকে খুন না করে তার সঙ্গে জোট বেঁধেছে মাসুদ রানা। ক্যাসিডি ভেবেছিল জালে ভালভাবেই আটকে নিয়েছে বাঙালি যুবককে। কিন্তু পরে বুঝল, ফাঁদ কেটে বেরিয়ে গেছে বাদামি কুকুরটা।

    এরপর এল আরও দুঃসংবাদ।

    স্কটল্যাণ্ডে খুনি দলের সবাইকে বোকা বানিয়ে কারা যেন নিয়ে গেল জেসিকা থমসনকে। স্বয়ং শয়তান বলতে পারবেন এমন কাণ্ড কীভাবে ঘটল। ক্যাসিডি ধরে নিত, মেয়েটাকে সরিয়ে নিয়েছে রানা ও ফক্স। কিন্তু প্রায় একইসময়ে হ্যারিস মারা যাওয়ার পর ভিডিয়োতে দেখা গেল সেই বাড়িতে গেছে তারা। জায়গাটা স্কটল্যাণ্ডের হাইল্যাণ্ড থেকে বহুদূরে। এতে ক্যাসিডি বুঝে গেল, জেসিকাকে সাহায্য করেছে রানার এক বা একাধিক বন্ধু। এটা মেনে নিতে হলো, যে-কোন সময়ে এবার ক্লাবের সদস্যদের ওপরে প্রতিশোধ নিতে শার্লন হলে হাজির হবে এসএএস ফোর্স থেকে প্রশিক্ষিত রানা ও ফক্স।

    জানা গেল রানার হাতে আছে হ্যারিসের ল্যাপটপ। ওটায় আছে বেইমানটার লেখা বইয়ের পাণ্ডুলিপি। হারামজাদা বোধহয় বুদ্ধি করে এনক্রিপ করেছিল ফাইল। সেক্ষেত্রে ওটা পড়তে পারবে না রানা। হ্যাভোক ক্লাবের সদস্যদের বিরুদ্ধে ব্রিটেনের সমাজে ছড়াতে পারবে না কুৎসা। আরও কিছু বিষয় অজানা, তাই দুশ্চিন্তায় আছে ক্যাসিডি। কারা যেন গোপনে কাজ করছে রানা ও ফক্সের পক্ষে। রানা যেহেতু একইসঙ্গে দুই জায়গায় থাকতে পারবে না, তাই বোধহয় বন্ধুদের সহায়তা চেয়েছে. সে। ফ্রান্সে যারা রানা এজেন্সিতে কাজ করে, তারাই হয়তো সরিয়ে নিয়েছে জেসিকাকে। ফ্রান্সেও চোখ রেখেছে ক্যাসিডির লোক। কিন্তু তাদের কাছ থেকে জানা গেছে, ওই দেশ থেকে ব্রিটেনে পা রাখেনি রানা এজেন্সির কেউ।

    নাকি বড় কোন ভুল হচ্ছে তার?

    প্রশ্নগুলোর কোন জবাব নেই বলে চরম দুশ্চিন্তা বোধ করছে ক্যাসিডি। বুঝে গেছে, যে-কোন সময়ে মাসুদ রানার তরফ থেকে আসবে হামলা। অর্থাৎ, দ্য হ্যাভোক ক্লাবের কেউ এখন আর নিরাপদ নয়।

    ‘মরুক ওর বোন,’ তিক্ত মনে ভাবল ক্যাসিডি। ‘প্রথমেই উচিত ছিল কুত্তীটাকে মুঠোর ভেতরে নেয়া।’ এখন বারবার তার মনে হচ্ছে, রানার কথা শুনে বোধহয় গা ঢাকা দিয়েছে মেয়েটা। নিজের তৈরি নিখুঁত বাড়ি ধসে গেলে যেমন লাগে প্রকৌশলীর, সেভাবে বিমর্ষ বোধ করছে ক্যাসিডি।

    মনের ভেতরে এসব ঘুরছে বলে গ্র্যাণ্ড মাস্টারকে অনুরোধ করেছিল, বাতিল করা হোক ক্লাবের এবারের অনুষ্ঠান। কিন্তু তাতে রাজি হয়নি বুড়ো। মাথা নেড়ে বলেছে, ‘অনুষ্ঠানে সম্মান দেখানো হবে বিশেষ এক সদস্যকে। থঅথ যদি জানেন মাত্র দু’জন লোকের ভয়ে কাপুরুষের মত আমরা আত্মগোপন করেছি, তা হলে কী মনে করবেন তিনি?’

    বুড়োর আপত্তির কারণটা ভাল করেই জানে ক্যাসিডি 1 বেশি দিন বাঁচবে না সে। এটাই হয়তো শেষ বছর, যখন বার্ষিক অনুষ্ঠানে অংশ নিচ্ছে। ক্যাসিডির মনের খবর ভাল করেই জানে সে। সিংহাসনের পাশে দাঁড়িয়ে ঘরে চোখ বোলাচ্ছে ক্যাসিডি। তার বাহুতে হাত রেখে মৃদু হাসল গ্র্যাণ্ড মাস্টার। ঠোঁট ফাঁক হতেই বেরিয়ে এল সাপের বিষদাঁতের মত চোখা, ছোট একরাশ ধূসর দাঁত। খসখসে গলায় বলল বুড়ো, ‘ভয় পেয়ো না। আমরা জিতব, কারও সাধ্য নেই যে আমাদের গায়ে টোকা দেবে।’

    কথাগুলো বলা হয়েছে আত্মবিশ্বাস বাড়িয়ে দেয়ার জন্যে। কয়েক ঘণ্টা আগে নিজেদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আরও ক’জন সিকিউরিটি গার্ড নিয়োগ দিয়েছে ক্যাসিডি। এ- ছাড়া, অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণকারী ভিআইপিদের জন্যে এনেছে বারোজনের পেশাদার সশস্ত্র ক্র্যাক টিম। আগে তারা ছিল সিআইডি ও ইন্টেলিজেন্স এজেন্সির অপারেটিভ। সবাই থঅথ ধর্মে দীক্ষিত। এখন হ্যাভোক ক্লাবের ছোট কিছু পদে চাকরি করছে। প্রাণ থাকতে, দায়িত্ব পালনে অবহেলা করবে না কেউ।

    জেসিকাকে কিডন্যাপ করতে স্কটল্যাণ্ডে গিয়েছিল পেশাদার কয়েকজন খুনি। ব্যর্থ হয়ে ফিরে এসেছে তারা শার্লন হলে। তাদেরকেও লাগিয়ে দেয়া হয়েছে সিকিউরিটির কাজে। বিপদ এলে তারা সরিয়ে নেবে গ্র্যাণ্ড মাস্টারকে। এ দলের প্রধান হচ্ছে ক্যাসিডির ঘনিষ্ঠ সহচর ব্রায়ান্ট হার্ডস্টাফ। হলরুমের সদর দরজার কাছে তাকে দেখে হাতের ইশারায় ডাকল ক্যাসিডি। ষাঁড়ের মত মুগ্ধো লোকটা হাজির হতেই ভিড় এড়িয়ে তাকে নিয়ে ঘরের দূরের কোণে গেল সে। জানতে চাইল, ‘সব ঠিক আছে তো?’

    ‘সেক্টর সিক্সে ঝামেলা করছে ক্যামেরা। সব চেক করতে আমার দু’জনকে পাঠানোর পর ওরা রিপোর্ট দিয়েছে। ওটা বড় কোন সমস্যা নয়।’

    শার্লন হলের একটু দূরের জঙ্গল ছয় নম্বর সেক্টর। ‘ক্যামেরাগুলো মেরামত করতে বলো,’ বলল ক্যাসিডি।

    ‘বেশ, বলছি। এদিকে শার্লন হলে চলে এসেছেন সম্মানিত সদস্যরা। আপনারা এবার অনুষ্ঠান শুরু করতে পারেন।’

    ‘সদস্য তালিকা আমার কাছে দাও,’ বলল ক্যাসিডি।

    পকেট থেকে নিয়ে তার হাতে ছোট ট্যাবলেট ডিভাইস দিল হার্ডস্টাফ। সদস্যরা চেক-পয়েন্ট পেরিয়ে গেলে প্রত্যেকের জন্যে লেখা সংখ্যা কমপিউটারে তুলেছে সিকিউরিটি গার্ডেরা। কেউ না এলে সহজেই সেটা বোঝা যেত। দেখা গেল, অনুষ্ঠানে যোগ দেয়নি স্টিভ হ্যারিস। এ- ছাড়া, ঠিক সময়ে পৌছে গেছে সবাই। বিপদ হবে ভেবে সবধরনের সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নিয়েছে ক্যাসিডি। তালিকা দেখে মুখস্থ করেছে চুয়ান্নজন সদস্য ও তাদের অতিথিদের নাম। যেমন: তার মনে আছে এস. এইচ. এম. ৩৭২৭৩ হচ্ছেন পররাষ্ট্র অফিসের প্রধান স্যর হ্যারি মর্গ্যান। সি. এ. এইচ. ৪৭৩১৮ হচ্ছেন কমাণ্ডার অ্যারন হিউবার্ট। তিনি ব্রিটিশ সিক্রেট সার্ভিসের অ্যান্টি-টেরর টাস্ক ফোর্সের চিফ। সি. জি. ৯০৯৫১ হচ্ছেন এমপি ক্রিস্টোফার গান। শেষ অনুষ্ঠানে অংশ নেবেন তিনি।

    …কিন্তু এক মিনিট!

    আবারও হলরুমে চোখ বোলাল ক্যাসিডি। একটু পর কুঁচকে গেল তার দুই ভুরু। নতুন করে চেক করল তালিকা।

    ‘এই তালিকা ঠিক আছে তো?’ হার্ডস্টাফকে বলল সে।

    ‘আমি নিজে দেখেছি। কোথাও কোন ত্রুটি পাইনি।’

    ‘রেকর্ড অনুযায়ী রাত এগারোটা চার মিনিটে চেক-পয়েন্ট পেরিয়ে গেছেন সি. জি. ৯০৯৫১। হাজির হয়েছেন ঊনত্রিশ মিনিট আগে।’

    তালিকায় চোখ বোলাল হার্ডস্টাফ। ‘তাই তো দেখছি। কিন্তু তাতে সমস্যা কোথায়?’

    ‘সি. জি. ৯০৯৫১ মানেই এমপি গান। এসেছেন প্রায় আধঘণ্টা আগে। সেক্ষেত্রে এই মুহূর্তে তিনি কোথায়?’ তাকে ভাল করেই চেনে ক্যাসিডি। সবসময় সবার মনোযোগ আকর্ষণ করতে ভালবাসে সে। এই বাড়িতে এলে জটলা করে তাকে ঘিরে রাখত সবাই। সবার মুখে থাকত তার প্রশংসা।

    হলরুমে চোখ বুলিয়ে ক্যাসিডির মতই ভুরু কুঁচকাল হার্ডস্টাফ। ‘ঠিকই বলেছেন। আমি তো তাঁকে দেখছি না!’

    ‘তোমার লোকদের বলো বাথরুম চেক করতে, বলল ক্যাসিডি। ‘হয়তো অসুস্থ বোধ করছেন তিনি।’

    শার্টের কলারের ভেতরে রাখা তারের শেষমাথায় ছোট্ট রেডিয়োতে দলের উদ্দেশে বলল হার্ডস্টাফ, ‘এক্ষুণি বাথরুম চেক করো। ওখানে কাউকে না পেলে আমাকে জানাবে।’

    এদিকে হলরুমে ক্রিস্টোফার গানকে কেউ দেখেছে কি না, সেটা জিজ্ঞেস করছে রিপার ক্যাসিডি। কিন্তু কেউ দেখেনি বিখ্যাত এমপিকে।

    হলরুম ত্যাগ করল ক্যাসিডি। করিডরে এসে ফোন বের করে ডায়াল করল গোপন নম্বরে। ভ্রাতৃসঙ্ঘের প্রত্যেককে বলা আছে, বিশেষ একটি মোবাইল ফোন যেন তারা সর্বক্ষণ সঙ্গে রাখে। এটা কঠোর আইন। এতে ভুল হলে চলবে না। যখন-তখন ক্লাব সদস্যকে যেন ফোনে পান গ্র্যাণ্ড মাস্টার। আইনটা ভাঙলে ধরে নেয়া হবে, জেনেবুঝে তাঁর প্রতি চরম বেয়াড়াপনা করা হয়েছে।

    ক্রিস্টোফার গানের কাছে ফোন দেয়া হলেও সেটা রিসিভ করল না কেউ। অত্যন্ত বিশ্বস্ত সদস্য সে। থঅথ ধর্মের সত্যিকারের অনুগত ভক্ত, নইলে নিজের মেয়েকে অপদেবতার কাছে বিসর্জন দিত না। তার মত ভাল ক্লাব-সদস্য ফোনে সাড়া দিচ্ছে না মানেই বড় ধরনের কোন গোলমাল আছে।

    কয়েকবার বেজে ফোন কেটে যেতেই গলা শুকিয়ে গেল ক্যাসিডির। এদিকে তার পাশে পৌঁছে গেছে হার্ডস্টাফ। ‘তাঁর রোল্স রয়েস পাওয়া গেছে কার পার্কিঙে। তবে বাথরুম বা অন্য কোথাও তাঁকে খুঁজে পাওয়া যায়নি।’

    ‘সবসময় দু’জন বডিগার্ড সঙ্গে রাখেন,’ বলল ক্যাসিডি। ‘লজ হাউসে খোঁজ নাও। তারা হয়তো কিছু বলতে পারবে।’

    মৃদু মাথা দোলাল হার্ডস্টাফ। ‘এখনই দেখছি।’

    অধৈর্য হয়ে করিডরে পায়চারি করতে লাগল ক্যাসিডি লজ হাউসের সিকিউরিটি চিফের সঙ্গে কথা বলল হার্ডস্টাফ। ‘আরে না, আমি কি ওই শালাদের নাম জানি নাকি? ওদের যে-কোন একজনকে ফোনে দাও। এটা খুব জরুরি।’

    অপেক্ষা করল ক্যাসিডি ও হার্ডস্টাফ। কয়েক মিনিট পর লাইনে এল সিকিউরিটি চিফ। তার কথা শুনে ধমকে উঠল হার্ডস্টাফ, ‘আরে, গাধা, ওরা তোমার ওখানে নেই বললেই হলো? নিশ্চয়ই আছে! ওদের মালিকের গাড়ি তো পার্কিং লটে!’

    ‘কী বলছে ও?’ জানতে চাইল ক্যাসিডি।

    ফোন কেটে বলল হার্ডস্টাফ, ‘ওদেরকে দেখেনি কেউ। আমার মাথায় কিছুই ঢুকছে না! ক্রিস্টোফার গান, তাঁর দুই বডিগার্ড আর ড্রাইভার এখানে না এসে থাকলে, কে এল ওই রোল্স রয়েসে চেপে?’

    হার্ডস্টাফকে কড়া চোখে দেখল ক্যাসিডি। বুঝে গেছে, খুব খারাপ কিছু না হলে বিকল হতো না জঙ্গলের ক্যামেরা! তার মনে হলো, বড় ধরনের বিপদে পড়েছে তারা। যে-কোন সময়ে হামলা হবে হ্যাভোক ক্লাবের সদস্যদের ওপরে। চাপা স্বরে বলল ক্যাসিডি, ‘হার্ডস্টাফ, শুরু হয়ে গেছে ওদের আক্রমণ!’

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleমাসুদ রানা ৪৭০ – কালবেলা
    Next Article মাসুদ রানা ৪৬৩ – ছায়াঘাতক

    Related Articles

    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৩৮৫-৩৮৬ – হ্যাকার (দুই খণ্ড একত্রে)

    July 22, 2025
    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫৬ – টপ টেরর

    July 22, 2025
    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫৪ – নরপশু

    July 22, 2025
    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫৩ – ধর্মগুরু

    July 22, 2025
    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫২ – কালো কুয়াশা

    July 22, 2025
    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫১ – মায়া মন্দির

    July 22, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }