Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    মাসুদ রানা ৪৭৪ – ডার্টি গেম

    ডার্টি গেম এক পাতা গল্প344 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ডার্টি গেম – ১৩

    তেরো

    জঙ্গলের ভেতর দিয়ে এগিয়ে খাড়া এক টিলার সামনে পৌঁছে গেছে রানা। ভাবছে, একবার ওপরে উঠলে বোধহয় দেখতে পাবে কাছেই ওয়েদার টাওয়ার।

    শুকনো মাটিতে জুতোর কুড়মুড় শব্দ তুলে টিলা বেয়ে উঠতে লাগল রানা। ওপরদিকের মাটি কালচে ও পাথুরে। একটু পর ও বুঝে গেল, সাগরতলের অগ্ন্যুৎপাত ও ভূমিকম্পে তৈরি হয়েছে এই দ্বীপ। নানাদিকে ছোটবড় পাহাড় ও টিলা গভীর অরণ্যের সবুজ ও সাগরের সুনীলে এই দ্বীপ যেন মর্ত্যে তৈরি এক স্বর্গ। আবার একই সঙ্গে এখানে আছে নানান ধরনের ভয়ঙ্কর মৃত্যুফাঁদ। ওগুলো মানবসৃষ্ট নয়। বিশেষ করে খাড়া টিলা বেয়ে উঠতে গিয়ে নিচের ধারাল ঝামাপাথরে আছড়ে পড়লে হবে নিশ্চিত মৃত্যু। এ-ছাড়া, আছে লাভার গোপন সুড়ঙ্গ। একবার ওপরের মাটি ধসে গেলে সরাসরি পড়তে হবে বহু নিচে।

    সাবধানে টিলা বেয়ে উঠছে রানা। কিছুক্ষণ পর পাহাড় বেয়ে উঠে এল এক অধিত্যকায়। দূরে দেখতে পেল পশ্চিমে উপকূল। এরই ভেতরে দিগন্তের দিকে নেমে গেছে সূর্য। ফলে দিক নির্ধারণ করা এখন কোন সমস্যা নয়। দক্ষিণে ওদের সবাইকে হেলিকপ্টার থেকে নামিয়ে দেয়া হয়েছিল। ওদিক এখন রানার বামে। দ্বীপের চারদিকের দৃশ্য অনায়াসে দেখতে পেল ও। বিশেষ করে ওর চোখ কেড়ে নিল দক্ষিণে গ্র্যাণ্ড ক্যানিয়নের মত এক এলাকা ও কিছু জলপ্রপাত। বড়সব ঝর্না হয়ে ঘন জঙ্গলের ভেতর দিয়ে বয়ে গেছে জলপ্রপাতের পানি। এক পর্যায়ে বড় ধরনের নদী তৈরি করে নেমে গেছে সাগরে।

    রানা যেতে চাইছে দ্বীপের উত্তর-পশ্চিমে। উঁচু পাহাড়ের জন্যে ওদিকে দেখা যাচ্ছে না ওয়েদার টাওয়ার। ওর বুঝতে দেরি হলো না যে ঠিক দিকেই চলেছে।

    অধিত্যকার শেষে খাড়া জমিন। তবে এত দূর থেকে বোঝা গেল না ওদিক দিয়ে নেমে যেতে পারবে কি না। শেষ বাঁশের ক্যান্টিনের পানিটুকু গিলে নিয়ে ওদিকে চলল রানা।

    বামে দুই কলাগাছের মাঝ দিয়ে এল ন্যাড়া-মাথা, বিশাল এক দানব। সে-ও চলেছে অধিত্যকার খাড়া জমির দিকে।

    রাশান এই লোকই ম্যানইয়া লোপাতিন। নানান শুকনো গাছপালা সরিয়ে হেঁটে আসছে রানার দিকে। লোকটা যেন সাক্ষাৎ এক মৃত্যুদূত। অক্সিজেনের অভাবে মানুষ যেভাবে মারা যায়, কাউকে খুন করতে না পেরে বেঁচে থাকা কঠিন হয়ে গেছে তার পক্ষে।

    ‘একটু ভেবে দেখো, আমি কিন্তু মোটেও তোমার শত্রু নই,’ তাকে বলল রানা।

    জবাবে মাটিতে বুট দিয়ে আঁচড় কেটে নিয়ে ওর দিকে বাইসনের মত তেড়ে এল লোপাতিন।

    কুঁজো হয়ে আক্রমণ ঠেকাতে তৈরি হলো রানা।

    ষাঁড়টা ওকে উড়িয়ে নেয়ার আগে সরে গিয়ে কাঁধ দিয়ে তার গাছের গুঁড়ির মত উরুতে প্রচণ্ড গুঁতো দিল রানা। ওকে টপকে হুড়মুড় করে চিৎ হয়ে মাটিতে পড়ল লোপাতিন।

    ‘তুমি হামলা না করলে তোমার সঙ্গে আমার কোন শত্রুতা নেই,’ বোঝানোর সুরে বলল রানা।

    সাড়ে সাত ফুটি দেহ নিয়ে ধড়মড় করে উঠে দাঁড়াল লোপাতিন। ঢালু নিচু জমিতে তাকে সাত ফুটি দানব বলে মনে হচ্ছে রানার। সে এখনও ওর চেয়ে অন্তত একফুট বেশি উঁচু।

    ‘বড় ধরনের বিপদে পড়ে গেছি!’ বিড়বিড় করল রানা।

    .

    একই সময়ে স্ক্রিনে লোপাতিন ও রানাকে দেখছে সিওয়ার্স। বুঝে গেছে, এবার তুমুল লড়াই হবে দুই প্রতিযোগীর ভেতরে।

    ‘মিস্টার স্টিল,’ গলা ফাটাল সে। ‘নতুন করে কিছু ঘটতে শুরু করেছে!’

    দ্রুত এসে সিওয়ার্সের স্ক্রিনে চোখ বোলাল পরিচালক। সিলভারম্যানের উদ্দেশে বলল, ‘এবার লড়ছে বাঙালি মাসুদ রানা আর রাশান ম্যানইয়া লোপাতিন!’

    স্ক্রিনের দিকে হাতের ইশারা করল স্টিল। ‘সিলভি! তুমি কি কানা হয়ে গেলে? জলদি ছোট স্ক্রিনের দৃশ্য লাইভে দাও!’

    এরই মধ্যে নিজের কাজে ব্যস্ত হয়ে উঠেছে সিলভারম্যান। মেইন স্ক্রিনে ফুটল রানা ও লোপাতিনের লড়াইয়ের দৃশ্য।

    কয়েকটা অ্যাঙ্গেল কাট করল সিলভি। অধিত্যকার ওপরে চালু করে দিয়েছে তিনটে ক্যামেরা। এ-ছাড়া আছে আরও অন্তত দশটা লেন্স। রানা আর লোপাতিনের প্রাণান্তকর লড়াই পরিষ্কার দেখতে পাবে দর্শকেরা।

    ‘দারুণ!’ খুশিমনে চেঁচাল স্টিল, ‘ভাল করে লড়ক ওরা!’

    .

    অধিত্যকার ওপরে পরস্পরের বুকে প্রচণ্ড ঘুষি বসাচ্ছে রানা ও লোপাতিন। দুই প্রতিযোগী যেন লড়ছে কোন খাঁচার ভেতরে, আর শ্বাস আটকে সেটা দেখছে দর্শকেরা।

    এই যুদ্ধের অস্বাভাবিক বিষয় হচ্ছে, পুরনো আমলের মত লড়াকুদের চারপাশে কোন চেইন লিঙ্ক নেই। উড়ে গিয়ে বাইরে পড়লে প্রতিযোগিতা থেকে বাদ পড়বে না কেউ। তার বদলে আছে খাড়া ক্লিফ। একবার ওদিক দিয়ে শত শত ফুট নিচে পাথরের ঝামার স্তূপে পড়ে গেলে মরতে হবে নিশ্চিতভাবে। অন্যদিকে আছে রহস্যময় ঢালু জমি। ওখানে হঠাৎ করে থেমে গেছে অধিত্যকা। ওদিকে হয়তো বহু নিচে উপকূলে আছড়ে পড়ছে অতল প্রশান্ত মহাসাগরের বিশাল সব ঢেউ। একবার ওখানে পড়লে বাঁচবে না দুই প্রতিযোগীর কেউ।

    রানার মাথার পাশে লেগেছে রাশানের মুগুরের মত হাতের মারাত্মক ঘুষি। বাধ্য হয়ে পিছিয়ে গেছে ও। পরের ঘুষি আসার আগেই কীভাবে যেন তাল সামলে ওর সেরা ঘুষি লোপাতিনের চোয়ালে ও ঘাড়ে মারল রানা। যদিও এর ফলে থামল না দানবের এগিয়ে আসার গতি। গরিলার মত রানাকে জড়িয়ে ধরে বুকে তুলে অধিত্যকার কিনারায় চলে গেল সে।

    গায়ের জোরে কয়েকবার লোপাতিনের পাঁজরে কনুইয়ের গুঁতো মারল রানা। ঝটকা দিয়ে ছাড়িয়ে নিল নিজেকে। তারই মধ্যে ঘুষি মেরে ফাটিয়ে দিয়েছে দৈত্যের নাক। তবুও কমল না ওর ওপরে রাশানের হামলার বেগ।

    অধিত্যকার কিনারায় দাঁড়িয়ে একবার নিচে চোখ বোলাল রানা। প্রথম পঞ্চাশ গজ প্রায় খাড়াভাবে নেমে গেছে পাহাড়। কোথাও জন্মায়নি কোন গাছপালা। এখানে-ওখানে পাথরের বোল্ডার। যেদিক দিয়ে উঠে এসেছে ওরা, এদিকটা তার চেয়েও অনেক বেশি দুর্গম।

    বুকে প্রচণ্ড এক ঘুষি লাগতেই মাটিতে পড়ে গেল রানা। ঢালু জমি বেয়ে গড়িয়ে নেমে যেতে লাগল ও। আরও নিচে কী আছে সেটা আর দেখতে পেল না। আগেই বুঝে গেছে, লড়াইয়ে জিতে গেলেও নতুন কোন পথে যেতে হবে ওয়েদার টাওয়ারে।

    একের পর এক ঘুষি ও লাথি মেরে অধিত্যকার কিনারায় রানাকে নিয়ে গেল লোপাতিন। পরের লাথি আসার আগেই ধড়মড় করে উঠে দাঁড়িয়ে দানবের দু’ফুটের ভেতরে পৌঁছে গেল রানা। গায়ের জোরে কয়েকটা ঘুষি মারল রাশানের বুক ও মুখে। তাতে ভয়ঙ্কর রেগে প্রচণ্ড এক গর্জন ছেড়ে রানাকে ট্যাকল করল রাশান দৈত্য। হাত-পা পেঁচিয়ে অধিত্যকা থেকে নিচে হুড়মুড় করে নেমে গেল ওরা।

    ঢালু জমিতে গড়িয়ে পঁচিশ গজ নামার পর বড় এক ফার্নের ঝোপে থেমে গেল ওরা দু’জন। দু’হাতে গলা পেঁচিয়ে ধরে রানার শ্বাস আটকে দিল লোপাতিন।

    জবাবে হাতের তালু দিয়ে তার দু’কানের তালি ফাটিয়ে দিতে চাইল রানা। নাক থেকে ঝরঝর করে ওর মুখে রক্ত ঝরাচ্ছে দানব। ফুরিয়ে গেছে তার সব ধৈর্য। একহাত সরিয়ে নিয়ে রানার গোড়ালির লাল ট্যাব টেনে খুলে নিতে চাইল সে।

    একই সময়ে ডানপায়ে দৈত্যের চোয়ালে লাথি দিল রানা। ওর গোড়ালির ব্রেসলেটে লেগে পিছলে গেল লোপাতিনের সাগর কলার মত আঙুল। আর সে-সুযোগে দৈত্যের বামহাত গলা থেকে ছুটিয়ে নিল রানা। প্রচণ্ড এক ঘুষি মারল রাশানের মুখে। তাতে আবারও গড়ান খেয়ে শুরু হলো ওদের পতন। কয়েকটা ঝোপের ভেতর দিয়ে নেমে চলেছে ওরা। পৌঁছে গেল একটা কার্নিশের ওপরে। এরপর পাহাড় সরাসরি নেমে গেছে অতল গভীরে। আবারও রানার বুকে চেপে বসেছে লোপাতিন। এবার এক ঘুষিতে নিভিয়ে দেবে রানার জীবনের বাতি। কিন্তু তখনই জোর এক ‘বিইইইপ!’ আওয়াজ শুনে থমকে গেল সে।

    একই সময়ে রানা বুঝল, গড়িয়ে নেমে আসার সময় কোন এক ঝোপে লেগে খুলে গেছে ওদের একজনের লাল ট্যাব!

    চট্ করে নিজের গোড়ালির দিকে তাকাল রানা। এখনও রয়ে গেছে ওর ব্রেসলেটের লাল ট্যাব।

    নিজের গোড়ালির দিকে বোকা চোখে তাকাল লোপাতিন। এবার কী হবে সেটা ভালভাবে বুঝে গেছে। একেক সেকেণ্ডে কমে যাচ্ছে তার জীবনের ক্ষণ! মাত্র তিন সেকেণ্ডে বুঝে গেল সে, বড়জোর আর বাঁচবে সে পাঁচ সেকেণ্ড!

    মরতেই যদি হয়, তো একা কেন!

    তাতে আপত্তি আছে দানবের।

    নতুন করে রানার গলা পেঁচিয়ে ধরতে দু’হাত তুলল সে।

    আর তখনই সরাসরি তার কণ্ঠনালীতে ঘুষি মারল রানা। চুরমার করে দিল অ্যাডাম্‌স্‌ অ্যাপল। তাতেও তোয়াক্কা করল না দানব। এদিকে বিপ বিপ শব্দ তুলছে টাইম বম!

    রাশান দৈত্যের মাথা প্রকাণ্ড আর বিকৃত। দাড়িতে মেখে আছে রক্ত। মুখে একরাশ লালা। চোখ হাঁসের ডিমের মত। দৈত্যটার জন্যে মরতে হবে ভাবতে গিয়ে মনে প্রবল আপত্তি এল রানার। আর তখনই হাতড়াতে গিয়ে পেয়ে গেল যা খুঁজছে।

    লাভা পাথরের অংশ ওটা। মাথার পাশে পাথরের টুকরোর প্রচণ্ড তিনটে বাড়ি খেয়ে গলা থেকে হাত সরিয়ে নিল লোপাতিন। দু’হাঁটু তুলে গায়ের জোরে তার বুকে লাথি দিল রানা। ওর ওপর থেকে পিছলে প্যারাশ্যুটহীন প্যারাট্রুপারের মত কিনারা থেকে নিচে খসে গেল রাশান দৈত্য।

    দুই সেকেণ্ড পর ক্যানিয়নের ভেতর থেকে এল বিকট বিস্ফোরণের আওয়াজ। বিশ্ব যেন কেঁপে গেল থরথর করে। মায়া জাদুর মত মাত্র একসেকেণ্ডে উবে গেছে দৈত্য!

    ওখানে রয়ে গেল শুধু লালচে মেঘ ও একরাশ কালো ধোঁয়া। ভুস্ করে উঠে এল ওটা ওপরদিকে।

    লোপাতিনের মাংস ও হাড়ের টুকরো রয়ে গেলে সেটা সাঁই করে নেমে গেছে আড়াই শ’ ফুট নিচে কালো নারকীয় কোন গহ্বরে।

    বড় করে শ্বাস নিল রানা। পাহাড়ের কিনারা থেকে নিচে তাকাল। এখনও ওর দিকে উঠে আসছে বিশ্রী গন্ধের ধোঁয়া।

    ‘আগেই বলেছি মারামারি করতে নেই,’ বিড়বিড় করে লোপাতিনের উদ্দেশে বলল রানা। চট্ করে দেখে নিল নিজের গোড়ালির টাইমার। ক্রমেই ফুরিয়ে আসছে সময়।

    ঘড়িতে বাজে ২৩:১৫:১৭!

    হাঁচড়েপাঁচড়ে ঢালু জমি বেয়ে ওপরে চলল রানা।

    .

    যে তাঁবুতে স্টিলের সঙ্গে বাস করছে, ওখানে বসে ল্যাপটপে রানা ও লোপাতিনের লড়াইয়ের শুরুর দিক দেখেছে রিটা। দুনিয়ার লাখো দর্শক ওর মত করেই চোখ রেখেছে দুই প্রতিদ্বন্দ্বীর মরণপণ লড়াইয়ের ওপরে।

    এরপর ব্যক্তিগত তাঁবু থেকে বেরিয়ে মেইন তাঁবুতে ঢুকে সবাইকে হাসিখুশি দেখে খুব বিস্মিত হয়েছে রিটা। ওর মনে হয়েছে, মানুষ খুন হওয়া যেন এদের কাছে ম্যাডেলিন স্কয়্যারের কোন সভার মত সাধারণ কিছু! লড়াইয়ে অংশ নিয়ে সবমিলিয়ে দশজনের ভেতরে শেষমেশ বাঁচবে মাত্র একজন!

    বিশাল তাঁবুর কেউ যেন বুঝতে চাইছে না, নিজেদের ভেতরে লড়াই করে মরছে একদল মানুষ!

    এরই ভেতরে রিটা দেখেছে, কীভাবেই না মারা গেছে দু’জন লোক!

    বিশাল তাঁবুর দিকে আসার সময় বোধহয় অধিত্যকার নিচের ঢালে খুন হয়ে গেছে রানা বা লোপাতিন। ডার্টি গেম শো এখনও কেন দেখছে, নিজেও জানে না রিটা। এটা ঠিক, অদ্ভুত এক উত্তেজনা আছে এই প্রোগ্রামের। আজ রানার চোখে অন্যকিছু দেখতে পেয়েছে রিটা। ওটা মানবিকতা ছাড়া আর কিছুই নয়। তার নকল ব্যাকগ্রাউণ্ড তৈরি করে দিয়ে এখন নিজেকে দোষী বলে মনে হচ্ছে ওর। বড় রহস্যময় মানুষ এই মাসুদ রানা। দুর্গম জঙ্গলে একা উড়িয়ে দিয়েছে হেরোইনের মত ভয়ঙ্কর সব ড্রাগসের কারখানা। তার হাতে খুন হয়ে গেছে পশুর চেয়েও ঘৃণ্য একদল লোক। কিন্তু একজন সন্ত্রাসী হিসেবে এই কাজ রানা করেছে বলে ভাবছে না রিটা। নিশ্চয়ই কোন না কোন দেশের হয়ে কাজ করে সে। আরও বড় কথা, মানবতার পক্ষে একা লড়ছে মানুষটা।

    কোনভাবেই মাসুদ রানাকে একজন অপরাধী হিসেবে ভাবতে পারছে না রিটা। রাশান খুনি-ধর্ষক লোপাতিন ভয়ঙ্কর একজন অপরাধী। আগ বাড়িয়ে খুন করতে চেয়েছে রানাকে। তার মত নিচু পর্যায়ের মানুষ হিসেবে বাঙালি যুবককে ভাবছে ‘না রিটা।

    মরুভূমির ঝড়ে বালির নিচে মুখ ডুবিয়ে দেয়া উটপাখির মত নিজেকে মনে হচ্ছে ওর। স্বীকার করুক বা না করুক, এরই ভেতরে বেছে নিয়েছে পক্ষ। মাত্র কয়েক ঘণ্টা আগে ভেবেছে অপরাধীদের চরম শাস্তি দেয়ার পূর্ণ অধিকার আছে স্টিলের। কিন্তু এখন ভাবছে, সত্যিই কি সেটা আছে তার? কারও মৃত্যু নিশ্চিত করার ন্যায্যতা কোথায় পেল স্টিল? যতই সে বলুক শো-র কোটি টাকা পরে ব্যয় করবে নানান দেশের জেলের উন্নয়নে, সেটা সত্য বলে মোটেও মনে হয়নি রিটার।

    শো-র শুরু থেকে স্টিলকে চরম স্বার্থপর এক লোক বলেই মনে হয়েছে ওর। অপরাধীদের ভাল-মন্দ নিয়ে কোন দুশ্চিন্তা আসলে ছিল না তার। অথচ আগে এটা ভাবতে আপত্তি ছিল রিটার।

    বিশাল শরীরের রাশান অপরাধী খুনি এবং ধর্ষক। কিন্তু সেজন্যে কর্তৃপক্ষের বদলে তাকে মৃত্যুদণ্ড দেয়ার কে আসলে ব্র্যাড স্টিল? মৃত্যু-দৃশ্য দেখাতে দর্শকদের কাছ থেকে নিচ্ছে কোটি কোটি ডলার। যারা এমন শো দেখতে টাকা দিচ্ছে, তারাই বা কেমন ধরনের বিকৃত মানসিকতার মানুষ!

    খুশিতে হৈ-চৈ করছে স্টিল আর তার কর্মচারীরা।

    তাদের সঙ্গে নিজের মানসিকতার তফাৎটা এখন ভাল করে বুঝতে পারছে রিটা।

    .

    ‘এক কোটি বিশ লাখ,’ উঁচু গলায় বলল সিওয়ার্স, ‘আমাদের দর্শক এখন এক কোটি বিশ লাখ!’ হাসিমুখে স্ক্রিনের দিকে চেয়ে আছে সে। এইমাত্র দেখা গেল মেইন স্ক্রিনে ধোঁয়ার মধ্যে ভুস্ করে উবে গেছে রাশান দানব।

    সামনে বেড়ে সিলভারম্যানের কাঁধে প্রশংসার চাপড় দিল স্টিল। হাসছে আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে। চট করে তাকাল মেইন স্ক্রিনে-ওখানে লোপাতিনের ছবির ওপরে ফুটে উঠেছে লাল একটা ক্রস।

    ‘কী বুঝলে, সিলভি? এখন আমাদের শো দেখছে এক কোটি বিশ লাখের বেশি দর্শক!’

    ‘এক কোটি বিশ লাখ তো আর চার কোটি নয়,’ জবাবে বলল সিলভারম্যান।

    ‘চিন্তা কোরো না, ঠিকই ওখানে পৌঁছে যাব আমরা,’ বলল স্টিল।

    বন্ধুকে সন্দেহ নিয়ে দেখল সিলভারম্যান।

    দর্শক-সংখ্যা জেনে হতবাক হয়ে গেছে রিটা।

    প্রতি সেকেণ্ডে হুড়মুড় করে বাড়ছে দর্শক।

    এমিলি ও সিওয়ার্সের দিকে তাকাল রিটা।

    খুশিতে উরুতে চাপড় দিচ্ছে ওরা।

    ‘এমিলি, সিওয়ার্স, নতুন কিছু ঘটার আগে স্লো মোশনে দেখাতে থাকো রাশানের মৃত্যু। একে একে দেখাবে প্রতিটা ফ্রেম। কাজটা করতে দেরি কোরো না!’

    ‘আগেই মেইন স্ক্রিনে দেখাচ্ছি,’ লোপাতিনের অদ্ভুত মৃত্যু বিস্মিত করেছে এমিলিকে। ওর মনে হচ্ছে, দেখতে পেয়েছে কোন স্পেশাল এফেক্ট সিকিউয়েন্স। মনেই হয়নি সত্যি সত্যি মারা গেছে লোকটা। লোপাতিন যেন ছিল দক্ষ স্টান্টম্যান, যার কপট মৃত্যু দেখানো হয়েছে বোমা বিস্ফোরণ ও কালো ধোঁয়ার মাধ্যমে।

    এমিলি ভাবছে, অপরাধীদের গোড়ালিতে বোমা রেখে দুর্দান্তভাবে শো জমিয়ে তুলেছেন ওদের বস্!

    চট্ করে স্টিলের দিকে তাকাল সে। অন্তর থেকে মেনে নিয়েছে, এই দুনিয়ায় ওদের বসের মত জিনিয়াস আর কেউ নেই।

    বারবার বন্ধুকে দেখছে সিলভারম্যান। তার ক্যারিয়ারে এত জনপ্রিয় শো আগে কখনও তৈরি করতে পারেনি স্টিল। ভয়ঙ্কর দৃশ্য প্রচারের জন্যে বাকি জীবন স্মরণীয় হয়ে থাকবে সে। রক্তপিশাচের মত জঘন্য কাজ করে লুটে নিচ্ছে শত শত কোটি ডলার। এরই ভেতরে বিনোদন জগতে নিজের নাম লিখে নিয়েছে ইগোম্যানিয়াক হিসেবে। তার শো দেখতে গিয়ে নিষ্ঠুরতার চরম প্রকাশ ঘটাচ্ছে কোটি মানুষ।

    দীর্ঘ দিনের সম্পর্কে প্রথমবারের মত সিলভারম্যান টের পেল, স্টিল আসলে খুব অরুচিকর মানসিকতার এক লোক। অথচ বাধ্য হয়ে তার সঙ্গে এই শো-তে কাজ করতে হবে। এবং সেজন্যে বাকি জীবন ওকে কুরে কুরে খাবে ওর বিবেক।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleতিমির প্রেম – রকিব হাসান
    Next Article মৃত জ্যোৎস্নার রাত্রি – অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }