Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    রুদ্রসমগ্র – রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ

    January 8, 2026

    রান্না খাদ্য পুষ্টি – সিদ্দিকা কবীর

    January 8, 2026

    শহর খুলনার আদি পর্ব – আবুল কালাম সামসুদ্দিন

    January 8, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    মাসুদ রানা ৪৭৪ – ডার্টি গেম

    ডার্টি গেম এক পাতা গল্প344 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ডার্টি গেম – ১৫

    পনেরো

    আট ঘণ্টা আগে আলফা চপার থেকে নামিয়ে দেয়া হয়েছে ইসাবেলা আলকারাযকে। সাগরে ডুবে যেতেই নোনা পানির সঙ্গে আরেকটু হলে গিলে নিত চাবি। সেক্ষেত্রে হাত-পায়ের শেকল খুলতে না পেরে মরত শ্বাস আটকে। অবশ্য কপাল ভাল, মুখ থেকে চাবি নিয়ে খুলতে পেরেছে কবজির তালা। ভেসে উঠে সাঁতরে গিয়ে উঠেছে সৈকতে। ওখানে বসে হড়হড় করে বমি করেছে। একটু সুস্থির হওয়ার পর পায়ের শেকল খুলে চারদিকে চেয়ে দেখল, আশপাশে কেউ নেই। তখনই মনে হলো, আর বুঝি দেখা হবে না আলকারাযের সঙ্গে। ভয়ে অন্তরাত্মা শুকিয়ে গেল ওর।

    ইসাবেলার বয়স যখন মাত্র দশ, ওদের পরিবার ফেলে উধাও হয়ে গিয়েছিল ওর বাবা। খাবার জোগাড় করতে না পেরে ওকে আর ওর ছোট বোন এলাকে নিয়ে আকাপুলকোয় এক রিসোর্টে চাকরি নিয়েছিল ওদের মা। কাজের মেয়ে হিসেবে প্রতিদিন খাটত ষোলো ঘণ্টা। তাতে যা পেত, ছোট একটা কেবিনের ভাড়া দেয়ার পর খুব কম পয়সা থাকত খাবার কেনার জন্যে। পরের ছয় বছর প্রচণ্ড পরিশ্রম করল ইসাবেলার মা। এরপর একদিন হয়ে গেল অসুস্থ। কাজ করার আর সাধ্য থাকল না। এদিকে চাকরির বয়স হয়নি এলার। একা ইসাবেলার পক্ষে কঠিন হয়ে গেল কেবিনের মালিকের ভাড়া শোধ দেয়া। তা ছাড়া, ওদের তিনজনের খাবার আর মা-র ওষুধ জোগাড় করবে কীভাবে!

    ইসাবেলার বয়স তখন মাত্র ষোলো বছর। দেহে এসেছে যৌবনের ঢেউ। আর সেটা দেখে অনেকে প্রশংসা করে শিস বাজায়। বাঁচার জন্যে যা করা জরুরি, সেটাই করল ইসাবেলা। আর সেজন্যে গোটা দুনিয়ার ওপরে ঘৃণা জন্মাল ওর মনে।

    এরপর একসময়ে ওর শূন্য জীবনে এল আলেক্যান্দ্রো আলকারায। আকাপুলকোর পতিতালয়ে ওর সঙ্গে পরিচয় হলো তার। ইসাবেলার বয়স তখন উনিশ। আলেক্যান্দ্রোর চলছে তেইশ। গত তিন বছর নিজের দেহ বিক্রি করে মা, ছোট বোন আর নিজের জীবন কোনরকমে পার করে দিয়েছে ইসাবেলা। তত দিনে বুঝে গেছে, ওর কাছে আসলে কী চায় পুরুষেরা। কিন্তু আলেক্যান্দ্রো যেন অন্য ধরনের মানুষ। প্রথম দর্শনে ইসাবেলাকে ভালবেসে ফেলল সে। কী করে যেন বুঝল ওর মনের গভীর আকুতি। সমবেদনা দেখাতে গিয়ে ওকে ছোট করল না। দু’চার কথায় শুধু জানাল, ওর জীবনও খুব কষ্টের। শৈশব কেটেছে টিজুয়ানার ভয়ঙ্কর সব রাস্তায়। তবে এবার যখন দেখা পেয়ে গেছে ইসাবেলা নামের মরুভূমির অদ্ভুত সুন্দর গোলাপের, তো কোনভাবেই তাকে আর হারিয়ে যেতে দেবে না সে।

    পতিতালয় ত্যাগ করে সে-রাতেই বিয়ে করল আলকারায ও ইসাবেলা। নিজের স্ত্রীকে পতিতার কাজ করতে দেবে না বলে নামকরা এক রিসোর্টে কাজ নিল আলকারায। ওখানেই পরিচ্ছন্নকর্মী হলো ইসাবেলা। দু’জন যে বেতন পেত, তাতে ওরা থাকত দারিদ্র্য সীমার নিচে। রাতে আলাপ করত, গোপনে ঢুকবে কি না ইউএসএতে। কিন্তু তাতে আছে বড় ধরনের বিপদ। পনেরো শ’ ডলার খরচ করে আগে একবার সে-দেশে গিয়ে ধরা পড়েছে আলকারায। ওকে ফেরত আসতে হয়েছে মেক্সিকোতে। যে ক’দিন আমেরিকায় ছিল, ছোট এক ঘর ভাড়া নিয়ে সেখানে বাস করত বেআইনী নয়জন অভিবাসী মিলে। যেসব চাকরি করেছে, সেই বেতনে পেট চালিয়ে নেয়া খুব কঠিন কাজ। সুতরাং ইসাবেলাকে বলেছে আলকারায, দুঃস্বপ্নময় ভিন দেশে না গিয়ে নিজেদের দেশে রয়ে যাওয়াই ওদের জন্যে বুদ্ধিমানের কাজ হবে।

    আমেরিকায় ডাকাতির দায়ে পুলিশ ওকে খুঁজছিল, সেটা ইসাবেলাকে বলেনি আলেক্যান্দ্রো। একই কীর্তি করেছিল মেক্সিকোর বাজা ক্যালিফোর্নিয়ায়। ভেবেচিন্তে আলকারায একদিন জানাল, ওদের উচিত গুয়াতেমালায় গিয়ে চুরি- ডাকাতি করে জীবন চালিয়ে নেয়া। আর এতে মানা করেনি ইসাবেলা। বিয়ের একমাস পর যৎসামান্য যে টাকা জমাতে পেরেছে, সেটা নিয়ে রাতে বাইরে খেতে গেল ওরা। ফিরে এসে দেখল তচনচ হয়ে গেছে ওদের তেলাপোকায় ভরা ছোট্ট অ্যাপার্টমেন্ট। আলকারাযকে ধরতে হানা দিয়েছিল দ্য ফেডারেল-এর লোক। এখানেও আর থাকতে পারবে না বুঝে মনের দুঃখে কার্ডবোর্ডের দেয়াল ঘুষি মেরে ভেঙে দিয়েছিল আলকারায। বুঝে গিয়েছিল, যত সৎ থাকার চেষ্টা করুক, এই দুনিয়া ওদেরকে সোজা পথে চলতে দেবে না।

    পুলিশের লোক আলকারাযকে জেলে ভরবে ভাবতে গিয়ে আতঙ্ক চেপে ধরল ইসাবেলাকে। বুঝে গেল, আলকারাযকে ছাড়া একা যে টাকা রোজগার করতে পারবে, তাতে ওর একারই চলবে না। সেক্ষেত্রে আবার হতে হবে পুরুষমানুষের ভোগ্য পণ্য। আলকারাযের মতই মানব-সমাজটাকে চরমভাবে ঘৃণা করতে লাগল ইসাবেলা। স্বামীকে বলল, ‘তুমি যেখানে যাবে, আমিও সেখানে যাব। তোমাকে আমি হারাতে চাই না।’

    আগে মস্তানদের এক দলে ছিল আলকারায। কাউকে গুলি না করলেও তাদের কাছ থেকে শিখেছে আগ্নেয়াস্ত্র চালানো। ইসাবেলাকে সে জানাল, পারতপক্ষে কাউকে গুলি করবে না ওরা। কিন্তু দরকারে যেন নিজেদের বাঁচাতে পারে, সেজন্যে ওদের চাই আগ্নেয়াস্ত্র। পরিচিত এক মস্তানের কাছ থেকে দুটো .৩৮ স্মিথ অ্যাণ্ড ওয়েসন রিভলভার কিনল সে। ইসাবেলাকে নিজের হাতে শেখাল কীভাবে গুলি করতে হয়। পরিকল্পনা করল ওরা, দেরি না করে চলে যাবে গুয়াতেমালার দক্ষিণে। ওখানে ওদেরকে চেনে না কেউ।

    এরপর প্রথম ডাকাতিটা ওরা করল মাযাটেনানগোর ছোট এক মুদি দোকানে। কাউন্টারের তলা থেকে অস্ত্র বের করতে যাওয়ায় বাধ্য হয়ে কর্মচারীর বুকে দুটো গুলি করল ইসাবেলা ও আলকারায। আর একবার খুন করে বসার পর ওরা বুঝল, আর যাই হোক ডাকাতির কখনও কোন সাক্ষী রাখতে নেই।

    গুয়াতেমালায় সন্ধ্যার পর চলল ওদের দু’জনের ডাকাতি। দু’মাসে চোদ্দটা দোকান ও পেট্রল পাম্প লুঠ করল। সবমিলে তাতে ব্যয় হলো আঠারোটা গুলি। কিন্তু উনিশতম লুটের সময় ওদেরকে চিনে গেল এক লোক। তার চেয়েও খারাপ কথা, গুলি করলেও মরল না সে।

    পরে ইসাবেলাকে বলেছে আলকারায, কপাল মন্দ হলে আসলে যা হয়, তা-ই হয়েছে। চিরকাল ধরে ওদেরকে তাড়া করে এসেছে চরম দুর্ভাগ্য, কাজেই এখনই বা ভাগ্য ভাল হবে কেন!

    আহত লোকটার বর্ণনা অনুযায়ী পুলিশের লোক এঁকে নিল ওদের মুখের ছবি। মাত্র এগারো দিন পর ধরা পড়ল ওরা। একবছর পর আদালত থেকে রায় দেয়া হলো মৃত্যুদণ্ডের। জেলে বসে মরণের দিন গুনতে লাগল ওরা। তারপর পৌনে দু’বছর পর ওদেরকে কারাগার থেকে বের করে আনল ব্র্যাড স্টিল। তবে তাতে আসলে কোন লাভ হয়নি। আজ বা কাল অন্য কোন অপরাধীর হাতে খুন হবে ওরা!

    সৈকতের বালিতে বসে এসব ভাবতে গিয়ে আরও তিক্ত হয়েছে ইসাবেলার মন। উঠে এগিয়ে গেল জঙ্গলের দিকে। বারবার ভাবছে, যেভাবে হোক খুঁজে নিতে হবে স্বামীকে।

    কিছুক্ষণ পর দূরে বিস্ফোরণের আওয়াজ শুনে বুঝে গেল, ফেটে গেছে কারও গোড়ালির বোমা! মনে মনে প্রার্থনা করল ইসাবেলা, খুন হওয়া লোকটা যেন অচেনা কেউ হয়। আলকারায যদি মারা যায়, সেক্ষেত্রে ওর উচিত হবে নিজের গোড়ালির বোমা ফাটিয়ে মরে যাওয়া। তাতে মানসিক আর দৈহিক যন্ত্রণা কম হবে ওর।

    হেলিকপ্টারে কানে কানে বলেছে আলকারায, একবার তীরে উঠলে যেন জঙ্গলে লুকিয়ে পড়ে ও। দ্বীপ খুব বড় নয়। ওকে খুঁজে নেবে আলকারায। যে সৈকতের কাছ থেকে বোমার আওয়াজ এসেছে, তাতে মনে হয় না খুন হয়েছে ওর স্বামী।

    এসব ভাবতে ভাবতে সৈকত পার করে জঙ্গলে ঢুকল ইসাবেলা। ওর মনে হলো, যে-কোন সময়ে দেখা হবে কারও সঙ্গে। ভয় নিয়ে কিছুক্ষণ হাঁটার পর পৌঁছে গেল এক নদীর তীরে। পাশের ঘন জঙ্গলে আছে বড় একটা ডোবা। ওখানে ঢকঢক করে পানি খেয়ে তারপর গা থেকে লবণ ধুয়ে নিল ইসাবেলা। ভাবল, এখানেই অপেক্ষা করবে স্বামীর জন্যে।

    বহুক্ষণ পর আবারও শুনতে পেল দ্বিতীয় বিস্ফোরণের আওয়াজ। ইসাবেলার জানা নেই, বোমার আঘাতে উবে গেছে রাশান দানব। গুরুগম্ভীর শব্দ এসেছে দ্বীপের ভেতর দিক থেকে। আবারও হৃৎপিণ্ডের স্পন্দন থেমে গেল ওর। কে জানে কে মারা গেল! স্রষ্টার কাছে প্রার্থনা করল ও, যেন বেঁচে থাকে ওর স্বামী।

    এরপর পেরোল আরও একঘণ্টা। সূর্য হেলে যেতেই জঙ্গলে নেমে এল অন্ধকার। ইসাবেলার বুকে আবারও চেপে বসল ভয়। বুঝে পেল না ডোবার ধারে বসে কোন লাভ হবে কি না। ঘুটঘুটে অন্ধকারে ওকে কীভাবে খুঁজে নেবে ওর স্বামী? আবার নদীর ধারে এসে উজানের দিকে চলল ইসাবেলা। সিকি মাইল যেতে না যেতেই হালকা হলো সামনের জঙ্গল। গাছের ফাঁক দিয়ে দেখতে পেল বিকেলের হলদেটে আলো। আর তখনই ঝোপঝাড়ের ভেতরে শুনল কার যেন পায়ের আওয়াজ। আরেকটু হলে স্বামীর নাম ধরে ডেকে বসত ইসাবেলা। নিজেকে সামলে লুকিয়ে পড়ল বড় এক গাছের গুঁড়ির ওদিকে। বেচারি জানে না চোখে পড়ে গেছে ও।

    নদীর ধারে ইসাবেলার দিকে চেয়ে আছে রুপার্ট শ্যানন, ঠোঁটে শয়তানির হাসি। শিকার ধরার জন্যে এক পা এগোতেই ঝিলিক দিল তার হাতের ছোরা।

    চোখের কোণে ঝলকানি দেখে ঘুরে তাকাল ইসাবেলা। পরক্ষণে লাফ দিয়ে উঠে দাঁড়িয়ে ছুটে চলল জঙ্গলের অন্যদিক লক্ষ্য করে। কিন্তু শুকনো এক ডালে পা বেধে হুড়মুড় করে পড়ে গেল মাটিতে। ওর ডানহাতে খচ করে লাগল চোখা এক পাথর। শরীর পিছলে নেমে গেল নদীর তীরে। তীব্র ব্যথা সহ্য করে শ্যাননের দিকে তাকাল ইসাবেলা। দুটো গাছ পাশ কাটিয়ে তীরের বেগে ওর দিকেই ছুটে আসছে লোকটা!

    .

    ‘ডার্লিং ইসাবেলা, বাঁচতে চাইলে ঝেড়ে দৌড় দাও!’ নিচু গলায় বলল স্টিল। বিশাল তাঁবুর ভেতরে নিজের চেয়ারে আরাম করে বসে আছে সে।

    তার কথা শুনেই যেন উঠে দাঁড়িয়ে ছুট দিল ইসাবেলা। গতি হরিণীর মত। তবে বেশিক্ষণ এভাবে দৌড়াতে পারবে না। উড়ে চলেছে এক গিরিখাদের মাঝ দিয়ে। এরই ভেতরে জ্বলতে শুরু করেছে ফুসফুস। দৌড়ের ভেতরে একবার ঘুরে তাকাল ইসাবেলা। পেছনে এখন কেউ নেই। মনে মনে বলল, ভাগ্য ভাল হলে হয়তো ওকে হারিয়ে ফেলেছে লোকটা। একটা ঘন ছায়া দেখে ওখানে থামল ইসাবেলা। ভাবছে, বিশ্রাম করে নেবে একটু। ব্যথায় টনটন করছে ডানহাতের হাড়। তালু চোখের সামনে তুলে দেখল মাংস কেটে দরদর করে রক্ত পড়ছে। পোশাকে হাত মুছে এদিকে- ওদিকে তাকাল। আর তখনই শুনতে পেল পেছনে পায়ের আওয়াজ।

    চরকির মত ঘুরে তাকাল ইসাবেলা।

    ওর দিকেই ছুটে আসছে কে যেন!

    মানুষটা অন্য কেউ নয়, তার আলেক্যান্দ্রো!

    চোখে অশ্রু নিয়ে ফুঁপিয়ে উঠল মেয়েটা।

    ইসাবেলার সামনে এসে নিচু গলায় বলল আলকারায, ‘আমার জান!’ হাত থেকে শেকল ফেলে প্রিয় স্ত্রীকে কোলে তুলে নিল সে। উন্মাদের মত পরস্পরকে চুমু দিল তারা।

    ইসাবেলার হাতের তালু কেটে গেছে দেখে তিক্ত হলো আলকারাযের মুখ। নিচু গলায় জানতে চাইল, ‘কেটে গেল কীভাবে?’

    প্রায় ফিসফিস করে বলল ইসাবেলা, ‘আমাকে ধাওয়া করেছিল সেই ইংরেজ লোকটা। তবে কোনমতে পালিয়ে আসতে পেরেছি। কাছেই কোথাও আছে সে।’

    ‘আমি কুত্তাটাকে নিজের হাতে খুন করব,’ রেগে গিয়ে বলল আলকারায।

    ‘না, চলো, আমরা এখান থেকে পালিয়ে যাই,’ কাঁপা গলায় বলল ইসাবেলা।

    ‘আমি কুত্তাটার হাড়গোড় ভেঙে দেব,’ চাপা স্বরে বলল আলকারায। ‘আমার কাছ থেকে কোন মাফ পাবে না সে।’ অন্য কেউ তার স্ত্রীর দিকে হাত বাড়িয়ে দিয়েছে সেটা ভাবতে গিয়ে ভীষণ রেগে গেছে সে। আবার ইসাবেলার হাতের তালু দেখল। ‘আগে বন্ধ করতে হবে রক্ত পড়া।’ টি-শার্ট খুলে ফড়ফড় করে ওটা ছিঁড়ে ইসাবেলার তালু কাপড় দিয়ে মুড়িয়ে দিল সে।

    নিজের গোড়ালির ব্রেসলেটের দিকে চেয়ে আছে ইসাবেলা।

    ডায়ালে এখন: ১৭:৩১:০৫।

    বেসুরো কণ্ঠে বলল ও, ‘আলেক… আমরা কি মারা যাব?’

    স্ত্রীর মাথা ভরা কালো চুলে হাত বুলিয়ে দিল আলকারায। খয়েরি বড় চোখদুটোয় দৃষ্টি রেখে গলা শুকিয়ে গেল ওর। এ-প্রশ্নের কী জবাব দেবে ও? প্রতিযোগিতা করতে এই দ্বীপে ওদেরকে ধরে এনেছে বদ্ধ এক উন্মাদ। বলে দিয়েছে, বাকি নয়জনকে খুন করতে পারলে শেষেরজন হবে বিজয়ী। আলকারায অবশ্য ভেবে রেখেছে, যেভাবে হোক সেই দশম প্রতিযোগী করে তুলবে ইসাবেলাকে। তাতে মৃত্যু হোক তার নিজের। মনের ভেতরে কু ডাকছে তার। বুঝতে পারছে যে তার চেয়ে অনেক যোগ্য প্রতিযোগী রয়ে গেছে। স্ত্রীর প্রশ্নের জবাবে আলতো করে ওর কপালে চুমু দিল আলকারায। নিচু গলায় বলল, ‘দেখো, বেলা, অন্যরা মরবে। আমরা নই।’

    ‘বাহ্! তোমাদের ভেতরে কত রোমাণ্টিকতা!’ মাত্র পনেরো ফুট দূর থেকে টিটকারির সুরে বলল শ্যানন, হাতে চকচকে ছোরা। ‘আমি বোধহয় তোমাকে বলতে ভুলে গেছি, তোমার বউ কিন্তু খুব সেক্সি!’ এক কান থেকে আরেক কানে চলে গেছে তার হাসি।

    ইসাবেলাকে মাটিতে নামিয়ে ঝট্ করে শেকল তুলে নিল আলকারায। চাপা স্বরে স্ত্রীকে বলল, ‘তুমি পালিয়ে যাও, বেলা! আমি এদিকটা দেখছি!’

    স্বামীকে ছেড়ে চলে যেতে চাইছে না ইসাবেলা, কিন্তু ওর চেয়ে অনেক ভাল বোঝে আলেক। গিরিখাদের ভেতর দিয়ে দৌড় দিল সে।

    ছুটে গিয়ে শ্যাননের মাথা লক্ষ্য করে সাঁই করে শেকল চালাল আলকারায। তবে চট্ করে মাথা নিচু করে নিল প্রাক্তন কমাণ্ডো। বামহাতে মেক্সিকানের চোয়ালে বসিয়ে দিল প্রচণ্ড ঘুষি। একই সময়ে কোপ দিয়েছে তার বাহুর ওপরে। ভীষণ ব্যথা পেয়ে ফুঁপিয়ে উঠল আলকারায।

    ‘আরও জোরে দৌড় দাও, আমার ডার্লিং! গতি সবসময় মানুষের জীবনের সব!’ উৎসাহ দেয়ার ভঙ্গিতে ইসাবেলাকে বলল শ্যানন। ‘আর ওই তুমুল বেগেই তোমার যৌনাঙ্গে ঢুকব আমি!’

    কথা বলতে গিয়ে তিন সেকেণ্ড ব্যয় করেছে শ্যানন, আর এই সুযোগে গায়ের জোরে তার কিডনির ওপরে শেকল ঘুরিয়ে মেরেছে আলকারায। অন্যহাতে বসিয়ে দিয়েছে লোকটার চোয়ালে ঘুষি। শ্যানন আকারে বড়, শক্তিও বেশি। তবে ছোটবেলা থেকে পথঘাটে মারপিটের অভিজ্ঞতা কম নয় আলকারাযের। ঝোড়ো বেগে হামলা করছে সে। সামনে বেড়ে ইংরেজ লোকটার ওপরে ঝাঁপিয়ে পড়ল। তার এক ঘুষি খেয়ে শ্যাননের হাত থেকে ছিটকে নদীতে গিয়ে পড়ল ছোরা। আর তখনই আর্তচিৎকার করে উঠল এক মেয়ে।

    কণ্ঠস্বর ইসাবেলার!

    চরকির মত ঘুরে ওদিকে তাকাল আলকারায।

    এইমাত্র ইসাবেলার ওপরে ঝাঁপিয়ে পড়েছে তানাকা। শ্যাননের আনা শেকলে জড়িয়ে নিয়েছে বেচারির দুই হাঁটু।

    ‘আলেক! সাবধান! আলেক!’ কেঁদে উঠল ইসাবেলা।

    আলকারায অন্যদিকে চেয়ে আছে দেখে নদীর তীর থেকে শুকনো একটা ডাল তুলে নিয়েছে শ্যানন। ওটা দিয়ে প্রচণ্ড বেগে বাড়ি দিল মেক্সিকান ডাকাতের বাম হাঁটুর বাটিতে। খটাস্ আওয়াজে ফেটে গেল হাড়। ব্যথার চাপা গর্জন ছেড়ে মাটিতে হুড়মুড় করে পড়ল আলকারায। ধীর পায়ে সরে গিয়ে স্বচ্ছ জলের নদী থেকে ছোরা তুলল শ্যানন। ফিরে এসে ধারাল ফলা ঠেসে ধরল শত্রুর গলার ওপরে। ‘এখন কেমন হয় তোকে জবাই করলে? দেব জোর একটা পোঁচ?’

    তানাকার দিকে তাকাল সে। এরই ভেতরে শেকলে মেয়েটার পা বেঁধে নিয়েছে জাপানি তস্কর। দল গড়ে তারা কাজের কাজ করেছে বলেই মনে হলো শ্যাননের।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleতিমির প্রেম – রকিব হাসান
    Next Article মৃত জ্যোৎস্নার রাত্রি – অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অসম্পূর্ণ বই
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    রুদ্রসমগ্র – রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ

    January 8, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    রুদ্রসমগ্র – রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ

    January 8, 2026
    Our Picks

    রুদ্রসমগ্র – রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ

    January 8, 2026

    রান্না খাদ্য পুষ্টি – সিদ্দিকা কবীর

    January 8, 2026

    শহর খুলনার আদি পর্ব – আবুল কালাম সামসুদ্দিন

    January 8, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }