Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    রুদ্রসমগ্র – রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ

    January 8, 2026

    রান্না খাদ্য পুষ্টি – সিদ্দিকা কবীর

    January 8, 2026

    শহর খুলনার আদি পর্ব – আবুল কালাম সামসুদ্দিন

    January 8, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    মাসুদ রানা ৪৭৪ – ডার্টি গেম

    ডার্টি গেম এক পাতা গল্প344 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ডার্টি গেম – ১৬

    ষোলো

    মাত্র পাঁচ মিনিটের ভেতরে কবজিতে শেকল বেঁধে বড় এক গাছের ডালে ঝুলিয়ে দেয়া হলো আলকারাযকে। পিঠে ঘষা দিচ্ছে রুক্ষ বাকল। মাটি থেকে মাত্র তিন ইঞ্চি ওপরে ঝুলছে ওর দু’পা। প্রচণ্ড ব্যথায় পাগল হয়ে গেছে সে। গোঙানি চেপে দেখছে একটু দূরে শুইয়ে নেয়া হয়েছে ইসাবেলাকে। এবার ওর স্ত্রীর কপালে কী আছে, সেটা ভেবে অপমানে ও দুঃখে চোখদুটো বেয়ে দরদর করে অশ্রু ঝরল তার।

    মেক্সিকান ডাকাতের ভাবনাগুলো বুঝতে পারছে শ্যানন। মনে মনে হাসছে সে। তার জানা আছে, মানুষকে নানানভাবে নির্যাতন করা যায়। আলকারাযকে দৈহিকভাবে ব্যথা দিলে সে যতটা যন্ত্রণা ভোগ করবে, তার চেয়ে বেশি কষ্ট পাবে চোখের সামনে প্রিয় স্ত্রীকে ধর্ষিত হতে দেখলে। যুবক বারবার ভাববে, সে একজন ব্যর্থ মানুষ, তাই বাঁচাতে পারছে না ইসাবেলাকে। আলকারায মানসিক কষ্ট ভোগ করুক সেটাই চাইছে শ্যানন। মনে মনে জানে, মেয়েটাকে খতম করার পর বাঁচতে দেবে না আলকারাযকেও। তবে তার আগে অপরাধী কপোতীকে নিয়ে একটু ফূর্তি না করে নিলে নিজের কাছেই দোষী হয়ে যাবে সে।

    গাছের সামনে থেমে আলকারাযের ভুরুতে আলতো করে আঙুল বোলাল শ্যানন। বুঝিয়ে দিচ্ছে, বাচ্চা ছেলের সমান ক্ষমতাও এখন নেই মেক্সিকানের।

    ‘আলকারায, তুমি বাছা বরং মাথা ঠাণ্ডা করো,’ নরম সুরে বলল শ্যানন, ‘আমরা আবার তোমার বউয়ের সঙ্গে মৌজ করতে গিয়ে বেশিক্ষণ সময় নেব না।’

    রাগ-ক্ষোভে ইংরেজ খুনির মুখে থুতু ছিটাল আলকারায। চাইছে যেন দ্রুত মেরে ফেলা হয় তাকে। সেক্ষেত্রে ইসাবেলার করুণ পরিণতি দেখতে হবে না। তার মন বলছে, একবার সুযোগ পেলে খুন করত জানোয়ারটাকে। কিন্তু মুখে থুতু মেরে অপমান করা ছাড়া আর কিছুই তার করার নেই।

    ‘এই কাজ আবারও করলে তোর বউয়ের সামনের গর্ত আর পেছনের গর্তে এমনভাবে পেনিস চালাব, ওখানে আস্ত একটা পুকুর তৈরি হবে,’ হাতের তালু দিয়ে মুখ মুছল শ্যানন। আগের চেয়ে নরম সুরে বলল, ‘আমি চাই তুমি আমাদের বন্ধু হও। তোমাকে খুন করতে চাই না। হাঁটুর ব্যথা কি এখন খুব বেশি?’ আলকারাযের ভাঙা হাঁটুর বাটির ওপরে প্রচণ্ড এক ঘুষি বসিয়ে দিল সে।

    ভীষণ ব্যথায় বিকট আর্তনাদ করল মেক্সিকান ডাকাত।

    স্বামী কতটা ব্যথার ভেতরে আছে, সেটা বুঝে কেঁদে ফেলল ইসাবেলা। তানাকাকে ঠেলে ধড়মড় করে উঠে বসল। কিন্তু ছোট এক গাছ ঘুরিয়ে এনে ওর হাঁটুতে শেকল জড়িয়ে তালা মেরে দিয়েছে তানাকা। ইসাবেলার পাশেই আছে সে, চোখে তীব্র যৌন-লালসা। কারাগারে যাওয়ার পর পুরো চার বছর কোন মেয়েকে ভোগ করতে পারেনি সে।

    আলকারাযের গালে আলতো করে টোকা দিল শ্যানন। বাতাসে শুঁকল কী যেন। ‘গন্ধটা কি পাচ্ছ, আলকারায?’ আরও জোরে নাক টানল সে। ‘এটা তো দেখি ভালবাসার গন্ধ। বাতাসে তুমি প্রেমের গন্ধ পাচ্ছ না? তুমি আসলে খুবই সৌভাগ্যবান একজন মানুষ। দারুণ সুন্দরী এক বউ পেয়ে গেছ। আর আমরা এখন ওকে মজা দেয়ার জন্যে খুব পরিশ্রম করব!’

    ক্ষুধার্ত শেয়ালের চোখে ইসাবেলাকে দেখল সে।

    তার দৃষ্টি অনুসরণ করল আলকারায। এরই ভেতরে ইসাবেলাকে শুইয়ে দিয়ে ওর ব্লাউয ছিঁড়ে নিয়েছে তানাকা। জোর করে শুয়ে পড়ল মেয়েটার ওপরে।

    ‘হায়, আমার বেলা!’ হাহাকার করল আলকারায। ভুলে গেছে ভাঙা হাড়ের ব্যথা।

    গিরিখাদের দিকে এগিয়ে নরম সুরে বলল শ্যানন, ‘তোমার এত তাড়া কিসের, তানাকা? আরে, বাবা, একটু ধৈর্য ধরো। আমাকে আগে দাও মেয়েটার সঙ্গে ফূর্তি করতে!’

    কড়া চোখে তাকে দেখল তানাকা, তারপর কী যেন ভেবে নেমে পড়ল ইসাবেলার বুকের ওপর থেকে।

    ‘অনুমতি ছাড়া কোন মেয়েকে জোর করে ভোগ করতে নেই,’ মাথা নাড়ল শ্যানন। ইসাবেলার চোখে চেয়ে মুচকি হেসে বলল, ‘আমি কি ঠিক বলেছি, কী বলো, ডার্লিং?’

    ইসাবেলার পায়ের কাছে থেমেছে সে। হাত বাড়াল মেঘের মত কালো চুল স্পর্শ করতে। আর তখনই তার হাঁটুর নিচের হাড়ে কষে লাথি দিল ইসাবেলা।

    মারাত্মক ব্যথা পেয়েও কিছু বলল না শ্যানন। যৌন- সঙ্গমের আগে মারকুটে মেয়েদের, বাড়াবাড়ি চুপচাপ সহ্য করে সে। ‘তোমার তেজ দেখি অন্যসব মেয়ের চেয়ে বেশি।’ তানাকার দিকে চেয়ে হাসল শ্যানন। ইসাবেলার পাশে থেমে চিমটি কাটল ওর স্তনবৃন্তে। ‘দেখি তো কতটা মজা লাগে তোমার!’

    জবাবে গায়ের জোরে তার গালে চড় দিল ইসাবেলা। কয়েক সেকেণ্ডের জন্যে হতভম্ব হয়ে গেল শ্যানন। স্বামীর মত শরীরে অত জোর নেই ইসাবেলার, কিন্তু কৈশোর ও তারুণ্যে বিপদে পড়ে শিখে নিয়েছে কীভাবে রক্ষা করতে হবে নিজের সম্মান। ভাবছে, মরেই যদি যাই, তো তার আগে লড়াই করাই তো ভাল!

    রাগে উন্মাদ হয়ে গেছে শ্যানন। তার কাছে যৌনতা মানে হিংস্রতা, যেখানে থাকবে না কোমল কোন অনুভূতি। গায়ের জোরে ধর্ষণের পর শেষ করে দেবে মেয়েটাকে, যাতে তার মাধ্যমে কোন বিপদ তৈরি না হয়। চুলের মুঠি ধরে হ্যাঁচকা টানে ইসাবেলাকে দাঁড় করিয়ে নিল শ্যানন। পরক্ষণে গায়ের জোরে ঘুষি মারল মেয়েটার চোয়ালে। ধপ্ করে মাটিতে পড়ে গেল ইসাবেলা। ওর মাথার পাশে একের পর এক লাথি মারতে লাগল শ্যানন।

    কর্কশ গলায় চিৎকার জুড়েছে আলকারায। বারবার ঝটকা দিয়ে শেকল থেকে ছুটিয়ে নিতে চাইছে নিজের দুই হাত। বুঝে গেছে, থামাতে না পারলে চোখের সামনে ওর স্ত্রীকে খুন করবে উন্মাদ লোকটা।

    ইসাবেলার নাক ভেসে যাচ্ছে রক্তে, চোখে ঘোলাটে দৃষ্টি। তবুও বুঝে গেল, খুনিটার হাতে এখন ছোরা। ইসাবেলার গালে প্রচণ্ড চড় দিল শ্যানন। তারপর ছোরা দিয়ে ফড়ফড় করে ছিঁড়ে দিল ব্রেসিয়ার। মানসচক্ষে ভেসে উঠেছে রুয়াণ্ডার শান্তিরক্ষা মিশনের দৃশ্য। মিলিটারি ছাড়া আর কোথাও এত হালকাভাবে নেয়া হয় না সাধারণ মানুষের ওপরে নির্যাতন ও খুনের বিষয়। রুয়াণ্ডায় সেবার এক গ্রামে বিদ্রোহীরা হামলা করেছে শুনে নিজের সৈন্যদের নিয়ে হাজির হয়েছিল শ্যানন। কিন্তু গ্রামে ছিল সবমিলিয়ে নিরীহ তিনজন মানুষ। তাদের দু’জন আবার খুব ভিতু বুড়ো। তাদেরকে অপরাধ স্বীকার করতে বললে পরস্পরের দিকে অবাক হয়ে চেয়ে ছিল। তখন বাধ্য হয়ে তাদেরকে জবাই করেছিল শ্যানন। দলের কয়েকজনকে নিয়ে নাবালক মেয়েটাকে ধর্ষণ করে গলা টিপে মেরে ফেলেছিল।

    আর ওটাই ছিল চরম ভুল। উচিত ছিল দলের সবাইকে খুন করে ফেলা। সেক্ষেত্রে ধরা পড়ত না শ্যাননের কোন অপরাধ।

    ওই সামান্য দোষে আমরণ জেল হয়ে গিয়েছিল তার। নিজের দেশের জন্যে অন্তর ঢেলে কাজ করেও শিকার হতে হয়েছিল চরম অন্যায়ের!

    .

    বিশাল তাঁবুর ভেতরে ঢুকে স্পিকারে পুরুষ-নারীর সম্মিলিত আর্তচিৎকার শুনতে পেল রিটা। এ-ছাড়া আর কোন শব্দ নেই তাঁবুর ভেতরে। মস্ত স্ক্রিনের দিকে বিস্ময় ও ঘৃণা নিয়ে চেয়ে আছে স্টিলের সহকর্মীরা।

    রাশান লোকটা বোমা ফেটে মরার পর যখন বারবার সে- দৃশ্য দেখানো হচ্ছিল, নিজের ল্যাপটপ অফ করে দিয়েছে রিটা। এতক্ষণ কম্পাউণ্ডের এখানে-ওখানে ঘুরে বেড়িয়েছে। ভেবে বের করতে চেয়েছে, আসলে কেমন ধরনের শো তৈরি করছে ব্র্যাড স্টিল! আর নিজেই বা কেন এসবে জড়াতে গেল ও! শেষমেশ স্থির করেছে, স্টিলের সামনে তুলে ধরবে ওর নিজের আপত্তি। কিন্তু এখন তাঁবুর সবার থমথমে নীরবতা ও নারী-পুরুষের আর্তচিৎকার যেন বলে দিচ্ছে, আপাতত চুপ করে থাকাই ওর জন্যে ভাল।

    স্ক্রিনে বারবার দেখা যাচ্ছে আলকারাযের বিকৃত মুখ। ব্যাকগ্রাউণ্ডে আরও তিনজন। অন্য এক ক্যামেরায় দেখা গেল, একটা গাছের সঙ্গে ধর্ষিতা, বিপর্যস্ত ইসাবেলার পা বেঁধে রেখেছে তানাকা। এ-সুযোগে মেয়েটার মুখে-মাথায় ঘুষি মারছে শ্যানন। একই সময়ে ছোরা দিয়ে চিরে দিচ্ছে বেচারির বুক ও পেট। ভয়ঙ্কর ব্যথা সহ্য করতে না পেরে হাউমাউ করে কাঁদছে রক্তাক্ত ইসাবেলা। গলা ফাটিয়ে প্রতিবাদ করছে ওর স্বামী।

    অন্যদের মতই চরম অবিশ্বাস নিয়ে দৃশ্যটা দেখছে রিটা। এদিকে সিলভির পাশে চলে গেছে ব্র্যাড স্টিল। বুঝতে দেরি হয়নি তার, এসব দৃশ্য দেখতে মোটেই ভাল লাগছে না তার বন্ধুর।

    ‘কতগুলো অ্যাঙ্গেলে দেখাচ্ছ?’ নিচু গলায় জানতে চাইল স্টিল।

    স্ক্রিন থেকে মুখ ফিরিয়ে ফিসফিস করল সিলভি, ‘বাড়তি আর কোন ক্যামেরা নেই।’

    ‘দৃশ্য কিন্তু খুব পরিষ্কার নয়,’ আপত্তির সুরে বলল ব্র্যাড।

    হতবাক হয়ে তার দিকে তাকাল সিলভারম্যান।

    সিওয়ার্সের দিকে তাকাল স্টিল। ভয়ঙ্কর শ্বাসরুদ্ধকর দৃশ্য দেখে স্ক্রিন থেকে চোখ সরাতে পারছে না যুবক।

    ‘সিওয়ার্স, আমাদের লাইভ ইউনিট কোথায়?’

    স্ক্রিন থেকে চোখ সরিয়ে নিজের ডিসপ্লেতে ম্যাপ দেখল সিওয়ার্স। ওখানে আছে কিছু + চিহ্ন। শ্যানন, আলকারায, তানাকা ও ইসাবেলার যেসব দৃশ্য তুলছে গুচ্ছ ক্যামেরা, তার একটু দূরে নীল রঙের ক্যামেরার আইকন। দপদপ করছে ওটা।

    ‘বেশি দূরে নেই।’

    স্ক্রিনের দৃশ্য দেখছে সিকিউরিটি চিফ রিভ সিম্পসন। তার সামনে গিয়ে থামল স্টিল। ‘ওখানে লাইভ ইউনিট পাঠাও!’

    গিরিখাদের ভেতরে রক্তাক্ত মেয়েটাকে ধর্ষণের পর খুন করবে ভেবেছে শ্যানন। সে জানে, ক্যামেরার লেন্স এখন তার দিকে তাক করা। মনে মনে বলছে সে-’দ্যাখ, শালারা, কীভাবে ফূর্তি করার পর মেয়েদের খুন করতে হয়!’

    জঙ্গলে নড়ে উঠল কিছু। শ্যানন, তানাকা, আলকারায ও ইসাবেলা জানল না, এগিয়ে এসেছে আস্ত এক ঝোপ। ওটার ভেতরে আছে ক্যামোফ্লেজ পরা ক্যামেরাম্যান। মুখে মুখোশ, হাতে গ্লাভ্স্ আর পুরো শরীরে একগাদা নকল পাতা। শক্ত হাতে ধরেছে দামি ক্যামেরা। সে না নড়লে কারও সাধ্য নেই যে বুঝবে, ওখানে কেউ বসে আছে।

    অস্ট্রেলিয়ান ক্যামেরাম্যানের নাম জোহানসন। ওর সামনেই বেলারুশের জেলে বিক্রি করা হয়েছিল রাশান অপরাধী ম্যানইয়া লোপাতিনকে। আট ঘণ্টারও বেশি জঙ্গলে ঘাপটি মেরে বসে আছে সে। একটা ক্লিপ ছবিও তুলতে হয়নি। সেজন্যে কারও প্রতি কোন অভিযোগও নেই তার। হেডসেটের মাধ্যমে বরাবর জেনে গেছে, এরই ভেতরে খুন হয়েছে তিনজন অপরাধী। জোহানসন বুঝে গেছে, এবার তার চোখের সামনে ঠাণ্ডা মাথায় খুন করা হবে আরও দু’জনকে। আর সেই দৃশ্য ক্যামেরায় তুলতে হবে ওকে।

    ‘ঘটনা ঘটে যাওয়ার আগেই এগোও,’ সিম্পসনের কণ্ঠস্বর হেডসেটে শুনল জোহানসন। ‘নইলে দেরি হয়ে যাবে।

    ধীরে ধীরে এগোল জোহানসন। পেছনে এল আরেকটা ঝোপ। সে একজন গার্ড, হাতে বিআর ১৮ অ্যাসল্ট রাইফেল। জোহানসন বিপদে পড়লে গুলি চালাবে অপরাধীদের ওপরে।

    একটু পর শ্যাননের হামলা থেমে যেতে লাশের মত পড়ে থাকল ইসাবেলা। এবার ওকে ধর্ষণ করবে তানাকা। অপরাধের ঘটনা যেখানে ঘটছে, তার তিরিশ গজের ভেতরে পৌঁছে জঙ্গলের কিনারায় থামল জোহানসন। দক্ষ হাতে যুম করল লেন্স।

    ‘লাইভ ইউনিট এখন পযিশনে,’ টেকনিকাল ডিরেক্টরকে গম্ভীর কণ্ঠে বলল স্টিল। ‘এবার ফিল্ম স্ক্রিনে দাও।’

    অনিচ্ছাসত্ত্বেও মেইন স্ক্রিনে লাইভ ক্যামেরার ফিড দিল সিলভারম্যান। জোহানসনের তোলা ছায়াছবিতে দেখা যাচ্ছে বীভৎস দৃশ্য। তাঁবুর ভেতরে স্টিল ছাড়া আঁৎকে উঠেছে অন্যরা। মস্ত স্ক্রিনে ক্লোয-আপে দেখা যাচ্ছে, শ্যানন ছুরিকাঘাত করার পরেও ধর্ষিতা ইসাবেলাকে ভোগ করতে ব্যস্ত হয়ে উঠেছে তানাকা।

    এখন আর হাসি নেই স্টিলের মুখে। চোখে ভীতির ছাপ। নিচু গলায় বলল, ‘সিওয়ার্স… দর্শক কত হলো?’

    স্ক্রিন থেকে চোখ না সরিয়ে দ্রুত কিবোর্ডে আঙুল চালাল সিওয়ার্স। এখন পর্যন্ত যা দেখেছে, তাতে ওর মনে হচ্ছে এনসি-১৭ হরর ফিল্ম এসবের কাছে কিছুই নয়। স্টিলের বদলে অন্য কেউ কখনও দেখাতে পারবে না এরচেয়ে বাস্তব সব মৃত্যু-দৃশ্য। ‘দর্শক দ্রুত বাড়ছে। এখন আছে পনেরো মিলিয়ন।’

    ‘এসব বন্ধ করো,’ ভারী কণ্ঠে বলল রিটা।

    ওর দিকে ধীরে ধীরে ঘুরে হাসি-হাসি চেহারায় তাকাল স্টিল। প্রেমিকা ফিরে এসে প্রতিবাদ করবে সেটা ভাবেনি। ‘কী বললে, রিটা? ওই মেয়ে তো প্রমাণিত একজন খুনি। তার আগে ছিল পতিতা।’

    ‘কিন্তু মানুষ তো!’

    ‘এমন একজন, যে কি না স্বামীর সঙ্গে নানান শহরে গিয়ে নিরীহ বহু মানুষকে গুলি করে মেরেছিল,’ হালকাভাবে কাঁধ ঝাঁকাল স্টিল। ‘গুয়াতেমালায় ওদেরকে ইলেকট্রিক চেয়ারে বসিয়ে মৃত্যুদণ্ড দিত। তোমার বোধহয় মনে নেই, আজই সেই দেশে ওদের ছিল শেষ দিন।’

    ফ্যাকাসে হয়ে গেছে রিটা। চাপা স্বরে বলে উঠল, ‘এরা যাই করুক, ভুলে যেয়ো না যে তুমি যেটা করছ, সেটা চরম অন্যায়।’ এত জোরে কথাগুলো বলেছে, তাঁবুর ভেতরে এমন কেউ নেই যে কি না শুনতে পায়নি।

    মাত্র একসেকেণ্ডে প্রচণ্ড রাগে রক্তবর্ণ হলো স্টিলের চেহারা। ভেবে পাচ্ছে না, কেন হঠাৎ দল ত্যাগ করেছে রিটা। তার ওপর কাজটা করেছে তার কর্মচারীদের সামনে। অস্বীকার করেছে তার ক্ষমতা ও কর্তৃত্ব। নিশ্চয়ই অন্যরা এখন ভাবছে, যে-লোক নিজের প্রেমিকাকে সামলে রাখতে পারে না, তার আবার কিসের সম্মান!

    ‘রিটা, আমি চেয়েছি নাটকীয়তা থাকবে এই শো-তে,’ অস্বাভাবিক ঠাণ্ডা গলায় বলল স্টিল। আঙুল তাক করল স্ক্রিনের দিকে। ‘তোমার দেখতে ইচ্ছে না হলে আমাদের তাঁবুতে গিয়ে বিশ্রাম নাও। আরও কিছু বলার থাকলে সেটা পরে জানাবে। ঠিক আছে?’

    অনুরোধের সুরে কথাটা বলেনি স্টিল। থমথম করছে তার চেহারা। জবাবে স্টিলের চোখে চেয়ে রইল রিটা। মনে পড়েছে, এই লোক জীবনে আসার আগে চমৎকার ছিল ওর সময়টা। কারও নির্দেশ মেনে চলতে হতো না। আর এখনও কোন প্রয়োজন নেই কারও কথা মেনে নেয়ার। আড়ষ্ট কণ্ঠে বলল রিটা, ‘তুমি কী করে এমন নৃশংস শো দুনিয়ার মানুষকে দেখাচ্ছ, সেটা আমার মাথায় ঢুকছে না।’

    চট করে ঘুরে কর্মচারীদের দেখল স্টিল। অন্যদিকে চেয়ে আছে তারা, যেন কিছুই শোনেনি। স্টিল বুঝে গেল, আপাতত যেভাবে হোক সামলে নিতে হবে রিটাকে। তাই রাগ ও বিরক্তি চেপে নরম সুরে বলল, ‘বাস্তবে যা হওয়ার কথা, ঠিক সেটাই হচ্ছে, রিটা। আমরা শুধু ক্যামেরায় সেসব ছায়াছবি তুলছি দর্শকের জন্যে। হ্যাঁ, এটা ঠিক যে দৃশ্যগুলো নৃশংস। তবে ভেবে দেখেছ, আমরা তো আর নিজেরা এসব করছি না।’

    ‘তুমি জেনে-বুঝে এদেরকে দিয়ে অন্যায় করাচ্ছ। আর সেজন্যে কোনভাবেই দায় এড়াতে পারবে না।’

    ‘হ্যাঁ, এটা বলতে পারো যে, দ্বীপে দশজন খুনিকে ছেড়ে দিয়েছি আমি,’ ভদ্রলোকের মুখোশ খুলে কড়া গলায় বলল স্টিল। ‘আর তাতে যা ঘটছে, সেটার দায় আসলে ওই মানুষগুলোর। দুনিয়া জুড়ে সবাই সেটাই দেখছে। বাস্তবতা আসলে এমনই হয়। আমার কথা কি তুমি বুঝতে পেরেছ, রিটা? দয়া করে এরপর থেকে এই বিষয়ে আর কোন তর্ক আমার সঙ্গে করবে না।’

    নার্ভাস চোখে স্টিল ও রিটাকে দেখছে ডার্টি গেমের কর্মচারীরা। বাবা-মা ঝগড়া করলে এভাবেই তাদের দিকে অসহায় চোখে চেয়ে থাকে বাচ্চা ছেলেমেয়েরা। স্টিল বুঝে গেছে, এখনই কৰ্তৃত্ব প্রমাণ করার শেষ সময়, নইলে যে- কোন সময়ে বিদ্রোহ করবে তারই দলের লোকেরা।

    ‘আমরা বাস্তব শো নিয়ে এখানে ব্যস্ত,’ গম্ভীর কণ্ঠে বলল স্টিল। ‘ওই মেয়েলোককে মরতেই হতো। আমি তো আর তার রায় লিখিনি। সেটা করেছে গুয়াতেমালার জুরিরা। এই দ্বীপে এসে বাঁচার ভাল একটা সুযোগ পেয়েছিল। তবে সেটা কাজে লাগাতে পারেনি। আর আমি তাকে বাঁচাবার জন্যে কোন চেষ্টা করিনি, কারণ সেটা করলে শো-র বাস্তবতার দিকটা বিনষ্ট হতো। গুয়াতেমালায় মেয়েটার মৃত্যু আমি ঠেকাতে পারতাম না। তা হলে এই দ্বীপেই বা কেন তাকে আমি বাঁচাতে যাব? ইসাবেলা আলকারায প্রমাণিত অপরাধী। তার যা প্রাপ্য সেটাই সে পাচ্ছে। অন্যরা এরপর লড়াই করে মারা গেলে আমি কে তাদেরকে বাঁচিয়ে দেয়ার!’

    শুধু রিটা নয়, গোটা তাঁবুর সবার জন্যে কথাগুলো বলেছে স্টিল। তার কথায় মাথা দোলাল ক’জন। বিশেষ করে এমিলি ও সিওয়ার্স।

    বন্ধুর দিকে মুখ তুলে তাকাতে পারছে না সিলভারম্যান। রিটার মতই বিব্রত বোধ করছে বলে স্ক্রিনের দিকেও চেয়ে নেই সে।

    ‘তোমার আরও কত কোটি ডলার চাই, স্টিল?’ সরাসরি প্রেমিকের চোখে চেয়ে বলল রিটা।

    মনের সমস্ত শক্তি ব্যয় করে রিটার গালে চড় দেয়া থেকে নিজেকে বিরত রাখল স্টিল। নিস্পৃহ করে রেখেছে চোখ- মুখ। কয়েক পা গিয়ে রিটার সামনে থামল সে। প্রায় ফিসফিস করে বলল, ‘এসব টাকা রোজগারের জন্যে করছি না, রিটা। কোটি মানুষ এখন দেখছে আমার শো। তারা জানে ওটা তৈরি করেছে কে। আর এমন অনুষ্ঠান তৈরি করার কাজে আমার কোন তুলনা নেই। বলতে পারো আমিই সেরা।’

    অন্তর থেকে কথাগুলো বলেছে স্টিল। তার চোখে চেয়ে বুঝে গেল রিটা, একফোঁটা মিথ্যা বলছে না ওর প্রেমিক। বুকের ভেতরে ভীষণ ভয় ঢুকে গেল রিটার। আর কোন কথা না বলে বিশাল তাঁবু ত্যাগ করে চলল নিজেদের তাঁবুর দিকে। বহু দিনের বিশ্বস্ত বন্ধু সিলভির দিকে ঘুরে তাকাল স্টিল। প্রতিটি অনুষ্ঠানে সে ছিল ওর ডানহাত। কিন্তু এখন চোখ তুলে তাকাচ্ছে না। তার চেয়েও খারাপ কথা, কন্সোল ছেড়ে তাঁবুর দরজার দিকে চলেছে সে।

    ‘অ্যাই, সিলভি, তুমি আবার কোথায় চললে?’

    ‘আমার তাজা বাতাস লাগবে,’ না থেমে দরজার দিকে এগোল সিলভারম্যান।

    এখন আপত্তি না জানালে সিলভির মত অন্যরাও হয়তো বিদ্রোহ করবে, কাজেই কড়া গলায় বলল স্টিল, ‘কী, এত সহজেই ঘাবড়ে গেলে? শেষমেশ বন্ধুর কাছ থেকেও পালিয়ে যাচ্ছ? তা হলে কি হঠাৎ তোমার মনে ফালতু কোন আবেগ কাজ করছে? তা-ও আবার একদল খুনি-ধর্ষকের জন্যে?’

    ফ্যাকাসে মুখে ঘুরে স্টিলের চোখে তাকাল সিলভি। সত্যিই দংশন হচ্ছে তার বিবেকে। আর সেটা শুরু হয়েছে প্রথম লোকটা মারা যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে। তখনও নিজের কাজ করে গেছে, কারণ কোন বন্ধুকে বা কোন শো ফেলে কখনও চলে যায়নি সে। কিন্তু এখন তিক্ততায় ভরে গেছে তার মন।

    ‘না, স্টিল, আসলে… আমার মনে হয় না… আমরা এসব ঠিক কাজ করছি,’ মস্ত স্ক্রিন দেখাল সিলভারম্যান। এখন আর তীব্র ব্যথায় আর্তচিৎকার করছে না ইসাবেলা। লাশটাকে ছোরার আঘাতে বিকৃত করছে শ্যানন। ‘এসব মৃত্যু দেখা সহজ কোন কাজ নয়। তবে এখনও তোমার সঙ্গেই আছি। একবার ঘুরে আসি বাইরে থেকে। এখানে বমি করতে চাইছি না।’

    ‘বেশ, ঘুরে এসো,’ বিরক্তির সুরে বলল স্টিল। তার মনে হচ্ছে, কখন যেন হারিয়ে বসেছে পুরনো বন্ধুকে। এই শো- তে সে নিজে ছাড়া এমন কেউ নেই, যে দায়িত্ব পালন না করলে ক্ষতি হবে না। সিলভির বদলে কাজ চালিয়ে নিতে পারবে সিওয়ার্স ও এমিলি, কিন্তু সেক্ষেত্রে সেরা মানের হবে না শো।

    ‘সিওয়ার্স?’ নরম সুরে বলল স্টিল, ‘তুমি আমার সঙ্গে আছ তো?’

    ‘নিশ্চয়ই, বস্!’ হাসল যুবক। ‘কাজটা আমি পছন্দ করি।’

    ‘এমিলি?’

    ‘এই কাজ আমি সত্যিই ভালবাসি। আমরা তো আসলে খুব ভাল একটা টিম।’

    আন্তরিক হাসল স্টিল। ‘ভবিষ্যতে দেখবে এরচেয়ে ঢের বেশি রোজগার হবে তোমাদের।’

    তাঁবুর দরজার দিকে তাকাল স্টিল। এরই ভেতরে বিবেকের ছোরা চিরে দিচ্ছে সিলভারম্যানের অন্তর। সুতরাং আগে বা পরে, একসময় বেঁকে বসবে সে।

    স্ক্রিনের দিকে তাকাল স্টিল। ইসাবেলা আলকারাযের ছবির ওপরে এখন লাল একটা ক্রস চিহ্ন।

    এরই মধ্যে থিতিয়ে এসেছে তাঁবুর ভেতরের উত্তেজনা। মন দিয়ে স্ক্রিন দেখছে সবাই।

    ইসাবেলার ওপর থেকে উঠে দাঁড়াল শ্যানন, সারাশরীরে মেখে আছে নব্য লাশের তাজা রক্ত। কিছুটা দূরে হতাশা নিয়ে দাঁড়িয়ে তাকে দেখছে তানাকা। মেয়েটা মারা যাওয়ায় তাকে ভোগ করতে না পেরে তিক্ত হয়ে গেছে ওর মন। তানাকার সামনে গিয়ে হাতের ইশারা করল শ্যানন। ‘চলো, আমাদের কাজ এখানে প্রায় শেষ।’

    বিড়বিড় করে জাপানি গালি দিল তানাকা, তারপর গিরিখাদের দিকে চলল তারা। এর মাত্র ছয় সেকেণ্ড পর বিস্ফোরিত হলো ইসাবেলার গোড়ালির বোমা। বিকট শব্দের সঙ্গে ভুস্ করে মিলিয়ে গেল লাশ।

    কনুই ধরে তানাকাকে থামিয়ে ঘুরে তাকাল শ্যানন।

    এবার পালা এসেছে আলেক্যান্দ্রো আলকারাযের।

    ঘন ধোঁয়া সরে যাবে সেজন্যে অপেক্ষা করছে শ্যানন ও তানাকা। মিনিটখানেক পর দেখতে পেল, কীভাবে যেন শেকলসহ উধাও হয়ে গেছে আলকারায।

    যুবক নেই জেনেও গাছটার দিকে দু’পা গিয়ে দাঁড়িয়ে পড়ল শ্যানন। তার জানা আছে, হাঁটুর বাটি ফেটে যাওয়ায় লড়তে পারবে না আলকারায। হাসি-হাসি মুখে তানাকাকে বলল সে, ‘ওকে নিয়ে একদম ভাববে না। ব্যাটা পালিয়ে যাবে কোথায়!’

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleতিমির প্রেম – রকিব হাসান
    Next Article মৃত জ্যোৎস্নার রাত্রি – অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অসম্পূর্ণ বই
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    রুদ্রসমগ্র – রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ

    January 8, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    রুদ্রসমগ্র – রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ

    January 8, 2026
    Our Picks

    রুদ্রসমগ্র – রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ

    January 8, 2026

    রান্না খাদ্য পুষ্টি – সিদ্দিকা কবীর

    January 8, 2026

    শহর খুলনার আদি পর্ব – আবুল কালাম সামসুদ্দিন

    January 8, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }