Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    রুদ্রসমগ্র – রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ

    January 8, 2026

    রান্না খাদ্য পুষ্টি – সিদ্দিকা কবীর

    January 8, 2026

    শহর খুলনার আদি পর্ব – আবুল কালাম সামসুদ্দিন

    January 8, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    মাসুদ রানা ৪৭৪ – ডার্টি গেম

    ডার্টি গেম এক পাতা গল্প344 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ডার্টি গেম – ১৭

    সতেরো

    মতিঝিল, ঢাকা।

    বাংলাদেশ কাউন্টার ইন্টেলিজেন্স-এর হেডকোয়ার্টার। সোমবার দুপুর দেড়টা। নিভিয়ে রাখা হয়েছে সাততলা দালানের ষষ্ঠ তলার কিছু অফিসের বাতি। করিডরে আপাতত কেউ নেই। দুনিয়ার নানান দেশে জরুরি মিশনে আছে বেশিরভাগ এজেন্ট। অফিসে রয়ে গেছে মাত্র ক’জন-সোহেল আহমেদ, সলীল সেন, জাহেদ, রূপা ও জুনিয়র এজেন্ট রায়হান রশিদ। ওদেরও অফিশিয়াল কাজে ব্যস্ত থাকার কথা, কিন্তু বসের নির্দেশে হাজির হয়েছে কমপিউটার ডিপার্টমেন্টে। আজ ভোরে দেশে ফিরে এসেছে সোহানা। অফিসে আসত আগামীকাল সকালে, তবে আধঘণ্টা আগে ফোন করে ওকে ডেকেছেন বিসিআই চিফ মেজর জেনারেল (অব.) রাহাত খান।

    একটু আগে বিসিআই-এর কমপিউটার ডিপার্টমেন্ট থেকে মেইন সুপার কমপিউটারের এক্সটেণ্ডেড লাইন দেয়া হয়েছে সপ্তম তলায় চিফের পার্সোনাল কমপিউটারে। এখন গম্ভীর চেহারায় এলইডি স্ক্রিনের দিকে চেয়ে আছেন তিনি।

    কমপিউটার ডিপার্টমেন্টে ডার্টি গেম-এর প্রতিযোগিতা দেখতে গিয়ে বিসিআই এজেন্টরা বুঝে গেছে, ভয়ঙ্কর এই মরণপণ লড়াইয়ে নয়জন খুনি ও ধর্ষককে খুন করতে পারলে তবেই প্রাণে বাঁচবে ওদের বন্ধু মাসুদ রানা।

    ডেস্কে ইন্টারকম বাজতে কল রিসিভ করল বিসিআই-এর কমপিউটার ডিপার্টমেন্টের চিফ রায়হান রশিদ।

    ‘এইমাত্র এলেন সোহানা ম্যাডাম,’ জানাল আর্মি থেকে অবসরপ্রাপ্ত হাবিলদার মোজাম্মেল শেখ।

    অন্য এক স্ক্রিনে রায়হান রশিদ দেখল, গ্রাউণ্ড ফ্লোরে ঢুকে মেইন লিফট দুটো পেছনে ফেলে ডানে বাঁক নিল সোহানা। অচেনা কেউ ওদিকে যায় না। ভুল করে গেলেও দেখে ওখানে আছে পরিত্যক্ত জং-ধরা লিফট। সোহানা ডানহাতের তালু ওটার পাশের দেয়ালে ভাঙাচোরা অ্যাকসেস কন্ট্রোল ডিভাইসের সামনে নিতেই দেখা গেল জং-ধরা দরজার গায়ে দেখা দিয়েছে চার ইঞ্চি বর্গাকার চকচকে স্ক্রিন। ওখানে ভার্চুয়াল কিবোর্ডে নিজের পিন নম্বর দিতেই খুলে গেল দরজা। তবে ওটা আসলে লিফট নয়, আধুনিক স্ক্যানার। আপাদমস্তক ডিজিটালি নিরীক্ষা করা হবে আগত মানুষটার, যাতে ক্ষতিকর কিছু বহন করলে সেটা ধরা পড়ে। সোহানা ভেতরে ঢুকতেই লেগে গেল দরজা। ভেতরটা ঝকঝকে তকতকে। সোহানার জানা আছে, ইতোমধ্যে কাজ করছে অদৃশ্য স্ক্যানার। ওর প্রতিটি পদক্ষেপ সিসিটিভিতে দেখছে সিকিউরিটির লোকজন।

    স্ক্যানিং শেষ হয়ে যেতেই নিজ থেকে খুলল উল্টোদিকে আরেকটা দরজা। সোহানা বেরিয়ে এল ফাঁকা বেসমেন্ট এরিয়ায়। এখানে আরেকটা লিফটে, চেপে উঠল ছয়তলায়। ওর অফিস এই ফ্লোরেই। লিফটের দরজা খুলে যেতেই বিস্মিত হলো ও। করিডরে দাঁড়িয়ে আছে সোহেল, সলীল, জাহেদ, রূপা, রায়হান রশিদ ও সিকিউরিটি টিমের সদস্যরা।

    ‘কী?’ ভুরু কুঁচকে বলল সোহানা। ‘একসঙ্গে সবাই হঠাৎ করে হাজির?’

    অন্যরা বুঝে গেল, সোহানাকে কিছুই বলেননি বস্।

    ‘ইয়ে, সোহানা, তুমি বরং কমপিউটার সেকশনে এসো, ‘ খুক খুক করে কেশে উঠল সোহেল।

    ‘কেন, বিশেষ কিছু দেখতে হবে?’ সবার মুখ শুকিয়ে গেছে দেখে জানতে চাইল সোহানা, ‘আসলে কী হয়েছে?’

    ‘পরে বলছি, আগে এসো,’ কমপিউটার ডিপার্টমেন্টের দরজা দেখাল সোহেল।

    ‘বেশ, অন্যদের পিছু নিল সোহানা।

    ওরা ঢুকে পড়ল কমপিউটার ডিপার্টমেন্টে। বিশাল ঘরে কাজ করছে ক’জন ব্যস্ত অপারেটর। তাদেরকে পাশ কাটিয়ে মেইন কমপিউটারের মস্ত স্ক্রিনের সামনে থামল সোহেল। আগেই ওখানে রাখা আছে ক’টা চেয়ার। হাতের ইশারায় ওগুলো দেখাল রায়হান রশিদ। ‘আপনারা বসুন।’

    সবাই বসতেই কৌতূহলী গলায় জিজ্ঞেস করল সোহানা, ‘আসলে কী হয়েছে? সবাই এত গম্ভীর কেন? আমি দেশে ফিরতে না ফিরতেই কল করে কেন আসতে বললেন বস্‌?’

    ‘তুমি তো জানো, রানা ছিল এল সালভেদরের পাহাড়ি দুর্গ সোনসোনেট কারাগারে,’ শুষ্ক গলায় বলল সোহেল। ‘আমরা স্থির করেছিলাম ওখান থেকে ওকে বের করে আনব। এই ব্যাপারে কথা হয়েছিল বসের সঙ্গে।’

    ‘হ্যাঁ,’ বলল সোহানা, ‘কোঅর্ডিনেটর হব আমি।’

    ‘তবে রানা এখন আছে প্রশান্ত মহাসাগরের অচেনা এক দ্বীপে,’ বলল সোহেল। বাকি কথা বলতে হাতের ইশারা করল রায়হান রশিদকে।

    ‘আপনি আগে দেখুন কমপিউটার স্ক্রিন,’ সোহানাকে বলল রায়হান। ‘পরে আলাপ হবে।’

    স্ক্রিনের দিকে তাকাল সোহানা।

    ওখানে মুভি পোস্টারের মত গ্রাফিক। ব্যাকগ্রাউণ্ডে জং- ধরা জেলখানার সেল ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় সবুজ দ্বীপের দৃশ্য। ইমেজে ফাঁসির মঞ্চ, পিচ্ছিল দড়ি ও ইলেকট্রিক চেয়ার। নিচে বন্দিদের ছবি ও নাম। ক্লোযআপ করা হয়েছে রূপসী রোযি ইয়াসিমানের ছবি। পাশে রুপার্ট শ্যাননের সাইকোটিক চেহারা। খাড়া এক ক্লিফের কাছ থেকে সরে জঙ্গলে গিয়ে ঢুকছে অন্যরা। রানাকে অনেক পরে পেয়ে ওর ছবি আপলোড করেছে স্টিলের ক্রুরা।

    স্ক্রিনের ডিজিটাল তারিখ ও সময় বলছে: আজ সোমবার, ১৭:৩৩:০০।

    সোহানার জানার কথা নয়, একটু পর মেক্সিকান মেয়ে ইসাবেলাকে ধর্ষণের পর খুন করবে প্রাক্তন এসএএস মেজর রুপার্ট শ্যানন।

    মাউস দিয়ে কমপিউটার স্ক্রিনে রায়হান ক্লিক দিতেই ফুটে উঠল একটি রঙিন মেন্যু:

    রুলস্
    কনটেস্ট্যান্টস্‌
    গো টু লাইভ!
    ব্র্যাড স্টিল-বায়োগ্রাফি

    রায়হান কনটেস্ট্যান্ট্স আইকনে ক্লিক দিতেই স্ক্রিনে এল দশজন মানুষের পাসপোর্ট ছবি। সেগুলোর তিনটে এখন লাল ক্রসচিহ্ন দেয়া। নিচে মৃতদের নাম:

    রাশান, ম্যানইয়া লোপাতিন।

    ইতালিয়ান, এনযো বিয়াঞ্চি।

    এবং জার্মান, ডেরেক স্লাইডার।

    দশম ছবি দেখে মুখ শুকিয়ে গেল সোহানার

    ‘দুনিয়ার সবচেয়ে হারামি ক’জন খুনির সঙ্গে লড়বে মাসুদ ভাই,’ জানাল রায়হান। এফবিআই স্পেশাল এজেন্ট এডওয়ার্ড সিমন্সের কাছ থেকে যা জেনেছে, সেটা এবার গড়গড় করে বলল সে। কথা শেষ করে ক্লিক দিল রানার বায়োগ্রাফির ওপরে। ঝড়াৎ করে খুলে গেল নতুন পেজ। ওখানে আছে ব্র্যাড স্টিলের তৈরি করে নেয়া রানার নকল পরিচয়।

    ঢাকা শহরে মৌলবাদী এক মুসলিম পরিবারে জন্ম নিয়েছে বিকৃত মস্তিষ্কের ভয়ঙ্কর নরপশু মাসুদ রানা। তরুণ বয়সে ঢাকা শহরে নামকরা এক ক্যাথোলিক চার্চে হামলা করে। তাতে খুন হয়ে যায় তেরোজন যাজক ও নান। অবশ্য প্রমাণের অভাবে পরে জেলখানা থেকে মুক্তি দেয়া হয় রানাকে। ডিভি লটারিতে জিতে চলে গিয়েছিল আমেরিকায়। একুশ সালে গভীর রাতে অকটেন ঢেলে আগুন দিয়েছে আর্কানসাসের লিটল রকের এক ব্যাপটিস্ট চার্চে। তাতে খুন হয়েছে ছয় যাজক ও এতিমখানার আঠারোজন নাবালক ছেলে। এরপর রানা আমেরিকা থেকে পালিয়ে গিয়ে ঢুকেছে এল সালভেদরে। বাইশ সালে পঙ্গু ও মানসিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত ছেলেমেয়েদের একটি হাসপাতালে ফাটিয়ে দিয়েছে শক্তিশালী প্লাস্টিক বোমা। সেই বিস্ফোরণে মারা গেছে বারোজন মহিলা নার্স আর তেত্রিশজন অসহায় ছেলেমেয়ে। তারপর…

    আর কিছু না পড়েই সোহেলের চোখে তাকাল সোহানা। ‘এসব কী? এটা কী ধরনের মস্করা?’

    মাথা নাড়ল সোহেল। ‘না, সোহানা, এটা মস্করা নয়। গোটা দুনিয়া জুড়ে ওর নামে এসব ছড়াচ্ছে প্রযোজক ব্র্যাড স্টিল।’

    ‘সত্যিটা আমরা জানলেও সাধারণ মানুষ সেটা জানে না, বলল সলীল, ‘তারা ভাবছে এসব নৃশংস খুনিদের মতই রানাও একই ধরনের রক্তপিশাচ।’

    ‘এখন আমাদের তা হলে কী করা উচিত?’ বলল সোহানা।

    ‘তুমি তো দেখলে সবার গোড়ালিতে টাইম বম,’ বলল সোহেল, ‘ফাটবে সতেরো ঘণ্টার একটু পর। প্রশান্ত মহাসাগরের ওদিকে আছে দু’ শ’র বেশি দ্বীপ। আমরা জানি না ঠিক কোথায় আছে রানা। যদি জিপিএস লোকেশন পাঠাতে পারে, তবুও ঠিক সময়ে ওখানে বোধহয় পৌঁছুতে পারব না আমরা।’

    ‘তাই বলে…’ প্রতিবাদ করতে গিয়েও চুপ হয়ে গেল সোহানা। রাগে লালচে হয়ে গেছে ওর অপরূপ সুন্দর মুখ।

    ‘আমাদের আসলেই কিছু করার নেই,’ বিড়বিড় করল জাহেদ।

    মেনে নিতে কষ্ট হলেও কথাটা চরম সত্যি,’ নিচু গলায় বলল সোহেল। ‘দেখা যাক বস্ কোন পথ খুঁজে বের করতে পারেন কি না।’

    ডার্টি গেমের লাইভ ভিডিয়ো চালু করল রায়হান।

    কমপিউটার রুমে নেমেছে পিন-পতন নীরবতা।

    থমথম করছে সোহানা, সোহেল, জাহেদ ও সলীলের মুখ। আগে কখনও এত অসহায় বোধ করেনি ওরা।

    .

    সন্ধ্যার আগে দ্বীপ জুড়ে নেমে এসেছে অপার্থিব মায়াবী এক পরিবেশ। চারদিকের আকাশ এখন গভীর নীল জলের পুকুরের মত। লাল-বেগুনি দিগন্তরেখার আগে ভেসে বেড়াচ্ছে গোলাপী ও কমলা ছেঁড়া মেঘের ভেলা। একটু পর আকাশের কালো চাদরের বুকে ফুটে উঠবে কোটি কোটি উজ্জ্বল নক্ষত্র। তপ্ত হাওয়ায় সর-সর শব্দে নড়ে উঠছে পাম গাছের সবুজ পাতা।

    প্রেমিক-প্রেমিকার জন্যে সত্যি চমৎকার এক আবহ। এবং তেমনটা মনে হবে বলেই এ-দ্বীপটি বেছে নিয়েছে স্টিল। তার প্রতিটি শো-তে ছিল ভয়াবহতা আর মজা। প্রেমিকার কোলে মাথা রেখে আয়েস করে বিশ্রাম নেয়ার জন্যে এখানে হাজির হয়নি স্টিল। প্রচণ্ড পরিশ্রম করেছে গত একমাস ধরে। আর তারই ফল আজকের ডার্টি গেম। মস্ত তাঁবুর ভেতরে সবার সামনে রিটা অপমান করলেও মেয়েটার প্রতি আকর্ষণ কমে যায়নি তার। এই শো শেষ হলে বিছানায় তুলতে গেলে বোধহয় বাধা দেবে রিটা। আর তখন ওকে বুঝিয়ে-শুনিয়ে ফূর্তি করার সময় মনে মনে হাসবে স্টিল।

    ওদের যে তাঁবু, তার সামনে ছোট্ট বারান্দায় বসে দূরে চেয়ে আছে রিটা। আবছা আলোয় ওকে দেখে নিজের রুচির প্রশংসা না করে পারল না স্টিল। দুনিয়ার দশ সুন্দরীর একজন হচ্ছে এই রিটা। যখন ওর প্রবল আকর্ষণে সব ভুলে ঘনিষ্ঠ হবে মেয়েটা, দারুণ লাগবে স্টিলের। আসলে কোন মেয়ে কখনও উপেক্ষা করতে পারে না তাকে।

    সময় হলে নিজের ভুল ঠিকই বুঝবে রিটা।

    ওকে সুযোগ করে দেয়ার জন্যে স্টিলের বোধহয় এখন উচিত গিয়ে ওর ঠোঁটে চুমু দেয়া। প্রেমিক-প্রেমিকার ঝগড়া হওয়ার পর দারুণ লাগে যৌন-মিলন করতে, ভাবল স্টিল। রিটার সামনে থেমে নরম সুরে বলল সে, ‘তুমি কি সত্যিই আমাকে ঘৃণা করো?’ তার দু’হাতে বরফ দেয়া কফির দুটো মগ। সূর্যাস্তে লাটিস কফিতে চুমুক দিতে পছন্দ করে রিটা।

    মাথা সামান্য পিছিয়ে মৃদু স্বরে বলল মেয়েটা, ‘হ্যাঁ।’

    অর্থাৎ সত্যি ঘৃণা করে। বেশ বিরক্ত হলো স্টিল। পরক্ষণে ভাবল, কিন্তু

    কিন্তু এটা তো হতে পারে না! ওকে ভালবাসে মেয়েটা। তার মানে আসলে ঘৃণা করছে ওর কাজটাকে। দ্বিধার ভেতরে পড়েছে রিটা। বুঝতে পারছে ওকে ঠকায়নি স্টিল। এমন কী কোন মিথ্যাও বলেনি। এটা ঠিক, ডার্টি গেমের বিষয়ে রিটার সঙ্গে খুঁটিনাটি কোন আলাপ করেনি। তবে সেটা তো হতেই পারে। স্টিল একজন সফল পুরুষ, নিজের কাজ ভালবাসে। সুতরাং ভাল হোক বা মন্দ, যে-কোন মেয়ের উচিত ওকে মন থেকে ক্ষমা করে দেয়া। রিটাকে তো মাথায় পিস্তল ঠেকিয়ে এই দ্বীপে আসতে বাধ্য করেনি স্টিল। যদিও মনে হচ্ছে এখানে এসে নিজের ওপরে রেগে গেছে মেয়েটা।

    ‘আমি তো তোমাকে আগেই বলেছি, কী ধরনের শো তৈরি করব,’ ফিসফিস করল স্টিল। ‘তুমি তো সবই জানতে, তা-ই না?’

    মুখ তুলে তাকে দেখল রিটা। ধীরে ধীরে মাথা দোলাল।

    ‘আমি কী ধরনের কাজ করি, সেটা জেনেও এলে কেন?’

    কোন জবাব দিল না মেয়েটা। দু’জনই জানে কেন এসেছে রিটা। স্টিলের প্রেমে পড়েছে সে। সবার গোড়ালিতে টাইম বম সেট করার আগে সেই ভালবাসায় কোথাও কোন খামতি ছিল না। এমন কী এতকিছুর পরেও মনের অনুভূতি চেপে রাখতে পারছে না রিটা।

    বারান্দায় ওর পাশে বসে কফির মগ মেঝেতে রাখল স্টিল। গভীরভাবে চুমু দিল রিটার ঠোঁটে। প্রত্যুত্তরে আগ্রহ নিয়ে চুমু ফেরত দিল মেয়েটা। বরাবরের মতই ভেঙে গেল ওর তৈরি বাঁধ। পরস্পরকে জড়িয়ে ধরল স্টিল ও রিটা ওদের এই ভালবাসার আড়ালে কী লুকিয়ে আছে, জোর করে সেটা ভুলে যেতে চাইল মেয়েটা। মনস্থির করল, আর কখনও মৃতপ্রায় মানুষের আর্তনাদ শুনতে যাবে না। সেক্ষেত্রে এত কষ্ট পেতে হবে না ওকে। মাত্র আঠারো ঘণ্টার ভেতরে শেষ হবে এই অনুষ্ঠান। আর তারপর একসময়ে মনের আয়নায় জমে যাবে প্রচুর ধুলো। তখন আগের মত মনের ভেতরে হানা দেবে না আজকের দগদগে স্মৃতি।

    হঠাৎ ইসাবেলার ভয়ঙ্কর মৃত্যু-দৃশ্য মনে পড়তেই ঠোঁট থেকে ঠোঁট সরিয়ে সঙ্গীর চোখে তাকাল রিটা। কী করে যেন মিলেমিশে গেল মেক্সিকান মেয়েটার লাশ ও স্টিলের চেহারা।

    সরে বসে ফিসফিস করে বলল রিটা, ‘আমি আর কখনও তোমার কাছ থেকে কোন চুমু নেব না।’ কথা না বাড়িয়ে উঠে গিয়ে ঢুকে পড়ল তাঁবুর ভেতরে। কুঁকড়ে বসল একটা চেয়ারে। আজ দৈহিক মিলনে নিজেকে জড়াতে পারবে না। হয়তো বহু বছর আর স্টিলের কাছে যাওয়া হবে না।

    বারান্দায় চুপ করে বসে থাকল স্টিল। কোন দিনই উপেক্ষা সহ্য করে না সে। বিশেষ করে সেটা যদি আসে কোন মেয়ের তরফ থেকে। স্টিলের মনে পড়ল, কী ভয়াবহভাবেই না ইসাবেলাকে জোর করে ধর্ষণ করেছে শ্যানন। তারও ইচ্ছে হলো তাঁবুতে ঢুকে দু’হাতে ছিঁড়ে ফেলতে রিটার পোশাক। মেয়েটা পছন্দ করুক না করুক, গায়ের জোরে ওকে ভোগ করতে পারলে এখন ভাল লাগবে তার। রিটার বোঝা উচিত, যুদ্ধ চলছে এই দ্বীপে। আর যুদ্ধে সবকিছুই আসলে বৈধ।

    নিজের প্রিয় শো-র কথা ভেবে যৌন-আকাঙ্ক্ষা দমন করল স্টিল। রিটাকে নিয়ে ফূর্তি করতে গিয়ে ডার্টি গেমের কথা ভুলে গেলে ওর চলবে না। এখনও বেঁচে আছে ছয় অপরাধী। তাদের পাঁচজনের মৃত্যু চমৎকারভাবে দেখাতে হবে দর্শকদের কাছে। সুতরাং ওদিকে দিতে হবে পূর্ণ মনোযোগ।

    কফির মগ ফেলে রেখে বিশাল তাঁবুর দিকে চলল সে।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleতিমির প্রেম – রকিব হাসান
    Next Article মৃত জ্যোৎস্নার রাত্রি – অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অসম্পূর্ণ বই
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    রুদ্রসমগ্র – রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ

    January 8, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    রুদ্রসমগ্র – রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ

    January 8, 2026
    Our Picks

    রুদ্রসমগ্র – রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ

    January 8, 2026

    রান্না খাদ্য পুষ্টি – সিদ্দিকা কবীর

    January 8, 2026

    শহর খুলনার আদি পর্ব – আবুল কালাম সামসুদ্দিন

    January 8, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }