Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    রুদ্রসমগ্র – রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ

    January 8, 2026

    রান্না খাদ্য পুষ্টি – সিদ্দিকা কবীর

    January 8, 2026

    শহর খুলনার আদি পর্ব – আবুল কালাম সামসুদ্দিন

    January 8, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    মাসুদ রানা ৪৭৪ – ডার্টি গেম

    ডার্টি গেম এক পাতা গল্প344 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ডার্টি গেম – ২০

    বিশ

    সিকিউরিটি চিফ রিভ সিম্পসনের দেয়া কোঅর্ডিনেট্স্ অনুযায়ী উপত্যকার বড় গাছগুলোর মাথা ছুঁয়ে দ্বীপের অভ্যন্তর লক্ষ্য করে উড়ে চলেছে হেলিকপ্টার। ওটার গন্তব্য জঙ্গলের মাঝে ছোট এক ফাঁকা ময়দান। রানা ও আলকারা বা শ্যানন ও তানাকার মাঝে পড়বে জায়গাটা।

    এখন রানা ও আলকারাযকে অনুসরণ করছে শ্যানন ও তানাকা। যে গিরিখাদে নিষ্ঠুরভাবে খুন করেছে ইসাবেলাকে, এরই ভেতরে জায়গাটা অনেক পেছনে ফেলে এসেছে তারা। আর সামনে যারা রয়ে গেছে, কে যেন খুব দক্ষতার সঙ্গে মুছে দিচ্ছে তাদের পদচিহ্ন। শ্যানন বুঝে গেছে, চিহ্ন গোপনকারী লোকটা অবশ্যই বাংলাদেশ আর্মি আর ব্রিটেনের এসএএস ফোর্স থেকে ট্ৰেইণ্ড কমাণ্ডো মাসুদ রানা।

    নিজের কাজ খুব ভালভাবে বোঝে সে। তবে যতই দক্ষ হোক, কোন না কোন সীমাবদ্ধতা থাকে যে-কোন মানুষের। ল্যাংড়া হাঁসের মত বাতিল এক লোককে সঙ্গে রেখে মস্তবড় ভুল করে বসেছে রানা। কেন যে মেক্সিকান ডাকাতকে সাহায্য করছে সে, সেটা মাথায় ঢুকছে না শ্যাননের। তার হাতে আছে তুরুপের টেক্কা, কাজেই বেশি কিছু ভাবতেও চাইছে না সে।

    হেলিকপ্টারের ধুপ-ধুপ আওয়াজ শুনে মুখ তুলে আকাশে তাকাল শ্যানন ও তানাকা। এক কিলোমিটার সামনে আকাশে জ্বলে উঠে নামতে শুরু করেছে লালচে এক আলো।

    ‘আমাদের স্যান্টা ক্ল্য দেখি আবারও ব্যাগ ভরা উপহার দেবে!’ দুই কানে চলে গেল শ্যাননের হাসি।

    দৌড়ে এক কিলোমিটার জঙ্গল পার করে মাঠের মত এক জায়গায় পৌঁছে গেল তারা। ঝিরঝির আওয়াজে পুড়ছে ফ্লেয়ার। আশপাশে কেউ থাকলে আলো দেখতে পাবে, তাতে হতে পারে বড় ধরনের বিপদ। তাড়াহুড়ো করে আগুন নিভিয়ে দিল শ্যানন। ব্যাগ সংগ্রহ করে সরে গেল মাঠের একপাশে। ওদের জন্যে হেলিকপ্টার থেকে ফেলা হয়েছে ভারী এক কালো ডাফেল ব্যাগ। ওটার চেইন খুলে হাতড়াতে লাগল শ্যানন। ভেতরে দেয়া হয়েছে দরকারি অনেক কিছুই।

    ‘শালারা তো দেখি ক্রিসমাসের উপহার পাঠিয়ে দিয়েছে, ‘ খুশিমনে বলল শ্যানন। ‘স্যাণ্ডউইচ, আপেল, পানি, ছোরা… আবার দামি চুরুট!’ তানাকার পিঠে চাপড় দিল সে। ‘দোস্ত, আমরা তো দেখি পেয়ে গেছি জ্যাক পট!’

    শুধু যে তামাক আর খাবার দেয়া হয়েছে, তা নয়, ব্যাগে আছে কমপাস, পেশাদারী ধনুক ও তৃণ ভরা তীর। এ-ছাড়া আছে তিন ফুটি ম্যাচেটি, কয়েক ক্যান ভরা অকটেন, দুটো ম্যাচের বাক্স ও অন্যান্য কিছু জিনিস।

    তারা স্বর্গে পৌঁছে গেছে বলে ভাবছে শ্যানন ও তানাকা ব্যাগ হাতড়ে দ্বীপের ম্যাপ পেয়ে ওটা নিল শ্যানন। ‘আমরা এখানে আছি,’ একটা বৃত্ত দেখাল সে। একটু দূরে জাপানি এক কমাণ্ড পোস্টের ভেতরে আছে দুটো লাল চিহ্ন। নির্বোধ না হলে যে-কেউ বুঝবে, শ্যানন ও তানাকার জন্যে ওখানে অপেক্ষা করছে দুটো অসহায় শিকার।

    টপটপ করে তিনটে পানির ফোঁটা পড়ল ম্যাপের ওপরে। তখনই গুডগুড করে উঠল আকাশ। ম্যাপ গুটিয়ে ব্যাগের ভেতরে রেখে দিল শ্যানন। মুখ তুলে তাকাল ওপরের দিকে। কালো মেঘে ভরে গেছে আকাশ। ব্যাগ থেকে ধনুক ও তীর ভরা তূণ নিল সে। ফাইবারগ্লাস, অ্যালিউমিনিয়াম ও কাঠের তৈরি ধনুক প্রস্তুত করা হয়েছে আমেরিকান আর্মির জন্যে। মাইক্রোপুলি সিস্টেমের কল্যাণে বহু দূরে যাবে গ্রাফাইট তীর। এক কথায় সাধারণ তীরন্দাজের জন্যে নয়, অস্ত্রটা তৈরি করা হয়েছে মানব-হত্যার জন্যে।

    দুটো বোলো নাইফ নিয়ে খেলতে শুরু করেছে তানাকা। ছোরাগুলোর হাতল ক্যারিব্যুর শিং দিয়ে তৈরি। ফলা আঠারো ইঞ্চি দৈর্ঘ্যের। জিনিসদুটো এসেছে সরাসরি ফিলিপিন্স থেকে। এই ধরনের ছোরা ব্যবহার করে খতম করা হয় শুয়োর, মুরগি ও গরু। অবশ্য এবার ওগুলো কাজে লাগবে মানুষ হত্যায়।

    ‘বাছা, তুমি তৈরি হও,’ তানাকাকে চোখ টিপে বলল শ্যানন, ‘আমাদেরকে এবার দারুণ একটা অনুষ্ঠানে যোগ দিতে হবে।’

    জবাবে কুং-ফুর স্টাইলে ঝোড়ো বেগে দু’হাত ঘোরাল তানাকা। বুঝিয়ে দিল, আক্রমণ করার জন্যে সে তৈরি।

    ‘তো রেডি?’ হাসল শ্যানন। হাতে অস্ত্র পেয়ে নিজেও বেশ উত্তেজিত হয়ে গেছে। এবার রানা আর আলকারাযকে একহাত নেবে সে। তাদেরকে বন্দি করে নির্যাতন করার পর জবাই করবে হাসতে হাসতে।

    জাপানি স্থাপনার দিকে রওনা হওয়ার আগেই ঝমঝম করে নামল তুমুল বৃষ্টি। তারই ভেতর দিয়ে হনহন করে এগিয়ে চলল তারা। আশা করছে বিশ মিনিটে পৌঁছে যাবে টার্গেট এরিয়ায়। রানা আর আলকারায জানেও না, কী ধরনের ভয়ঙ্কর বিপদে পড়ে গেছে ওরা।

    .

    হেলিকপ্টারের আওয়াজ শুনতে পেয়েছে রানা। তবে জঙ্গলের গভীরে কমাণ্ড পোস্টে আছে বলে দেখতে পায়নি ফ্লেয়ারের লাল আলো। তা ছাড়া, হেলিকপ্টার থেকে ব্যাগ ফেলা হয়েছে ছোট এক টিলার ওদিকে। রানার কাছে মনে হয়েছে, এবার হয়তো আশপাশে পড়বে খাবারের কোন ব্যাগ। তবে সেটা সংগ্রহ করতে গিয়ে সময় নষ্ট করার কোন উপায় নেই ওর। প্ল্যান অনুযায়ী আগে শেষ করতে হবে হাতের কাজ। একবার জিপিএস অফ করতে পারলে রওনা হবে ওয়েদার টাওয়ার লক্ষ্য করে।

    প্রথমবার বাঙ্কার সার্চ করতে গিয়ে রানা জেনে গেছে, পেছনে পাহাড়ি এলাকা। নিরেট পাথর কেটে একদিকে তৈরি করা হয়েছে একফুটি ভিউয়িং স্লিট। ওটার ভেতর থেকে নাক বের করে সামনের দিকে তাক করা আছে জঙে ভরা টাইপ ৯১ টেন-সেন্টিমিটারের হাওয়াইট্যার। বিশাল অস্ত্রটা অবশ্য ওদের কোন কাজে আসবে না।

    অন্ধকার বাঙ্কারে আবারও ঢুকে ভেতরের দিক হাতের ছোঁয়ায় বুঝতে চাইল রানা। মেঝের একদিকে অব্যবহৃত কিছু আর্টিলারি শেল। এখন না লাগলেও পরে হয়তো কোন কাজে ওগুলো লাগবে।

    বাঙ্কার থেকে বেরিয়ে লোডিং ডকের কাছে ফিরল রানা। আগের জায়গা থেকে সরে গেছে আলকারায।

    ‘ভেতরে খাওয়ার মত কিছু আছে?’ জানতে চাইল সে। আকাশ-পাতাল বৃষ্টি শুরু হতেই হামাগুড়ি দিয়ে ঢুকে পড়েছে কমাণ্ড পোস্টে।

    তার কথার জবাব না দিয়ে অক্ষশক্তি ও মিত্র শক্তির ফেলে যাওয়া নানান জিনিস ঘেঁটে দেখছে রানা। ফুটো হয়ে গেছে টিনের ছাত। বেশ কয়েকটি ধারায় নিচে ঝরছে বৃষ্টির পানি। ঘরের ভেতরে তেমন কিছু নেই যা কাজে আসবে। অস্ত্র নেই, অ্যামিউনিশন নেই, খাবারও নেই। গ্রীষ্মমণ্ডলীয় এলাকায় পচে গেছে সবই।

    আরও কিছুক্ষণ ঘাঁটাঘাঁটি করে কাজে লাগবে এমন মাত্র একটা জিনিসই খুঁজে পেল রানা। ওটা আছে জাপানি পুরনো এক ধুলোভরা রেডিয়োর পাশে। জিনিসটা ১৯৪৩ সালের সার্কা লিড-অ্যাসিড ব্যাটারি।

    রানা আগেই দেখতে পেয়েছে লোডিং ডকের পাশে আধুনিক কিছু লেন্স। কমাণ্ড পোস্টে বোধহয় কোন ক্যামেরা নেই। তবে খুব সতর্কতার সঙ্গে চোখ বোলাবার পর রানা বুঝে গেল, অফিসের কোণে আছে আরেকটা ভিডিয়ো ক্যামেরা। ভুলবশত ধাক্কা দিয়েছে এমন ভঙ্গি করে লেন্সের সামনে ক’টা ক্রেট ঠেলে ফেলল রানা। ব্র্যাড স্টিলের লোকেরা ধরে নেবে ওর বোকামির কারণে ব্লক হয়ে গেছে তাদের লেন্স।

    এখন কেউ দেখবে না ওকে, সেটা বুঝে ঘরের কোনার কংক্রিটের দেয়ালে বাড়ি মেরে ব্যাটারিটা ভাঙল রানা। নিজের গোড়ালির ব্রেসলেট দেখিয়ে আলকারাযকে বলল, ‘ডিভাইসে জিপিএস আছে। ওটা বন্ধ হলে আমাকে আর ট্র্যাক করতে পারবে না।’

    জাপানি ব্যাটারিতে আছে সীসার সরু কিছু নমনীয় পাত। ওখান থেকে দুটো নিয়ে ইলেকট্রনিক জিপিএস ইউনিটের সামনে ও পেছনে আটকে নিল রানা। এবার ভুল না হলে সীসার পাতের জন্যে রিসিভারে তথ্য পাঠাতে পারবে না জিপিএস ডিভাইস। যদিও নিশ্চয়তা নেই যে এতে কাজ হবে, তবুও ঝুঁকি না নিয়ে কোন উপায়ও তো নেই রানার।

    এবার ছাত থেকে ঝরঝর করে নেমে আসা বৃষ্টির পানির ধারার নিচে বড় একটা কাঠের গামলা রাখল রানা। একটু পর পানিতে ভরে যাবে ওটা। ‘তোমার জন্যে পানি,’ আলকারাযকে বলল ও। ‘এটা নাও।’ ধুলোভরা এক তাকে পাওয়া জং-ধরা ছোরা তার হাতে তুলে দিল রানা। অস্ত্র হিসেবে হয়তো ওটা কিছুই নয়, তবে মানসিক স্বস্তি পাবে আলকারায। রানা আশা করছে, এতক্ষণে বৃষ্টির পানিতে মুছে গেছে ওদের পায়ের ছাপ। সেক্ষেত্রে এখানে হয়তো আসবে না শ্যানন আর তানাকা। আর সেক্ষেত্রে ছোরা হাতে লোকগুলোর বিরুদ্ধে লড়তে হবে না আহত যুবকের।

    কমাণ্ড পোস্ট থেকে বেরোবার আগে তার দিকে তাকাল রানা। ভাল থেকো বলতে গিয়েও চুপ রয়ে গেল। আপাতত কপাল ভাল থাকলেও একসময় মরতেই হবে আলকারাযের। গোড়ালির টাইম বোমার জন্যে প্রতি সেকেণ্ডে কমছে ওদের সবার বাঁচার সময়। একবার আলকারাযের দিকে চেয়ে ঘর থেকে বেরোবে রানা, এমন সময় পেছন থেকে বলল মেক্সিকান দস্যু, ‘অনেক ধন্যবাদ, বন্ধু। তুমি ভাল থেকো।’

    অন্য কারও জন্যে যা করত, আলকারাযের জন্যেও তার চেয়ে বেশি কিছু করেনি রানা। মৃদু মাথা দুলিয়ে বাইরে বেরিয়ে এল ও। আগের চেয়ে জোরে পড়ছে বৃষ্টি। কমাণ্ড পোস্ট থেকে সরে সেতুর দিকে চলল রানা। ওর জানা নেই, শ্যানন ও তানাকার কাছে পৌঁছে দেয়া হয়েছে আধুনিক একটি ম্যাপ। ওটাতে চিহ্ন বসিয়ে জানিয়ে দিয়েছে ঠিক কোথায় তারা পাবে অপ্রস্তুত দুই শিকারকে।

    তীব্র ব্যথা সহ্য করে মেঝেতে চুপচাপ পড়ে আছে আলকারায। ওর জানা নেই, মাত্র পঁচিশ মিনিট পর ওকে মুঠোর ভেতরে পাবে ভয়ঙ্কর নিষ্ঠুর দুই খুনি।

    .

    রানা যখন চুরমার করছে জাপানি পুরনো ব্যাটারি, একই সময়ে দর্শক-সংখ্যা ও ব্লগ দেখার কাজে ব্যস্ত ছিল সিওয়ার্স। এদিকে দর্শকেরা যাতে বিরক্ত হয়ে লগ আউট না করে, সেজন্যে নির্ঘুম চোখে সংক্ষিপ্ত এক রিলের হাইলাইট মেইন স্ক্রিনে দিয়েছে এমিলি। বিশাল তাঁবুর ভেতরে স্টিল, সিওয়ার্স আর সে আশা করছে, একটু পর খুনোখুনির উত্তেজনাপূর্ণ আবহ তৈরি করবে শ্যানন ও তানাকা। বিরক্ত হয়ে কপালের দোষ দিচ্ছে সিলভারম্যান।

    ব্লগ চেক করার পর শ্যানন কতটা এগোল সেটা দেখার জন্যে আবারও গ্রিড ম্যাপের দিকে তাকাল সিওয়ার্স। সবুজ দুটো + সাইন ধীরে ধীরে চলেছে আরও দুটো + সাইনের দিকে। কিন্তু জাপানি ধ্বংসস্তূপে হঠাৎ করে অদৃশ্য হয়ে গেল সবুজ একটা + চিহ্ন।

    ‘সর্বনাশ!’ বিড়বিড় করল সিওয়ার্স। ‘মিস্টার স্টিল! কী করে যেন উবে গেছে মাসুদ রানা! ব্যাটা বোমা ফেটে মরল নাকি!’

    মেইন স্ক্রিনে শো-র সেরা অভিনেতা শ্যাননের ক্লোযআপ ছবি দেখছে স্টিল। পিঠে কালো ডাফেল ব্যাগ ঝুলিয়ে নিয়ে জঙ্গলের ভেতর দিয়ে এগিয়ে চলেছে ইংরেজ লোকটা, হাতে ধনুক। বোলো ছোরা হাতে তার পেছনে পেছনে আসছে তানাকা।

    ‘কী বললে, সিওয়ার্স? অদৃশ্য হয়ে গেছে?

    ‘হঠাৎ করেই নেই। আমার গ্রিডে তাকে আর পাচ্ছি না।’ ম্যাপের দিকে স্টিলের মনোযোগ আকর্ষণ করল সিওয়ার্স। ‘আর কোন সিগনাল দেখতে পাচ্ছি না।’

    ‘এটা কীভাবে সম্ভব? এই সময়ে এ-ধরনের টেকনিকাল ম্যালফাংশন হলে তো মহাবিপদ!’

    ‘নিশ্চয়ই তার ব্রেসলেটে বড় কোন সমস্যা হয়েছে,’ বলল সিওয়ার্স, ‘সফটওয়্যার তো ঠিক আছে।’

    জিপিএস ইউনিটের দায়িত্ব সিওয়ার্সের নয়, কাজেই তার সঙ্গে দুর্ব্যবহার করে লাভ হবে না, সেটা জানে স্টিল। তার সব রাগ গিয়ে পড়ল সিলভারম্যানের ওপরে। শ্যাননের কাছে ব্যাগ পৌঁছে দেয়ার পর মাত্র দুটো শব্দ উচ্চারণ করেছে সে।

    ‘সিলভি, লোকটাকে খুঁজে বের করো।’

    মাথা দোলাল সিলভারম্যান। মন দিল অসংখ্য ক্যামেরা অ্যাঙ্গেলের দিকে। ভাবছে, নৃশংস এই শো ফেলে আবার যদি ফিরতে পারত অতীতে ফুটবলের দৃশ্য ধারণে! কিন্তু সেটা তো আর আপাতত সম্ভব নয়।

    জাপানি কমাণ্ড পোস্টের ভেতরে কিছু ক্রেট পড়ে গেছে, ওগুলোর কারণে অবরুদ্ধ হয়ে গেছে ক্যামেরার লেন্স। হয়তো এখনও বাঙ্কারের ভেতরেই আছে মাসুদ রানা। তবে সেটা আপাতত নিশ্চিত হওয়ার কোন উপায় নেই।

    নানান স্ক্রিনের ওপরে চোখ রেখে এক এক করে পেরিয়ে গেল কয়েক মিনিট, তারপর স্বস্তির শ্বাস ফেলল সিলভারম্যান। ‘ওকে পেয়েছি!’ স্টিলের জন্যে বড় স্ক্রিনে দৃশ্যটা দিল সে।

    সেতুর কেব্‌ল্‌ দু’হাত ও দু’পায়ে আঁকড়ে ধরে গিরিখাদের ওপরে ঝুলতে ঝুলতে এগিয়ে চলেছে রানা।

    চোখ কুঁচকে স্টিল বুঝতে চাইল বাঙালি লোকটা আসলে কী করতে চাইছে। ‘করে কী ব্যাটা?’

    ‘জানি না,’ বলল সিলভারম্যান।

    ‘ওর ওপরে চোখ রাখো।’

    সেটা আবার বলতে, মনে মনে বলল সিলভারম্যান। শত শত ক্যামেরার ওপরে চোখ রাখছে সে। এটাই তার কাজ। স্টিল আবারও বেফাঁস কিছু বললে হয়তো তার সঙ্গে দুর্ব্যবহার করে বসবে সে। নাৎসি, রাশান ও মেক্সিকান মেয়েটার প্রতিটি দৃশ্য কে ক্যামেরায় ঠিকভাবে ধরেছে? আর এসব ভিডিয়ো করতে গিয়ে মানসিকভাবে দুর্বল হয়ে গেছে সিলভি। তার ধারণা, আগে কখনও এত ভয়াবহ দৃশ্য দেখেনি বলে ওর মতই অসুস্থ হয়ে গেছে স্টিলের প্রেমিকা রিটা। মেয়েটার শুধু জোগান দেয়ার কথা অপরাধীদের উপযুক্ত পোশাক। রিটা যে স্টিলের মত অশুভ আর নিষ্ঠুর নয়, সেটা বুঝে গেছে সিলভি। গোটা ক্যাম্পে শুধু সে আর রিটা মাত্র দু’জন মানুষ, যারা এই শো-র নৈতিকতা নিয়ে ভাবছে।

    .

    ল্যাপটপে চোখ রেখে গিরিখাদের ওপরে কেবলে ঝুলতে ঝুলতে রানাকে এগোতে দেখছে স্পেশাল এজেন্ট এডওয়ার্ড সিমন্স। এরই ভেতরে বিসিআই থেকে রানার বিষয়ে কিছু ডেটা জোগান দিয়েছে রায়হান রশিদ। এখন বাঙালি এজেন্টের ব্যাপারে আমেরিকান ইন্টেলিজেন্স অফিস থেকে আরও তথ্য পাবে বলে অপেক্ষা করছে সিমন্স।

    একটু পর তার কিউবিকলের দরজায় টোকা দিল কেউ। পরক্ষণে দুশ্চিন্তা নিয়ে ঘরে ঢুকল জুনিয়র এজেন্ট স্টেলা। ‘এক্ষুণি আপনাকে নিজের অফিসে ডেকেছেন রাইডার।’

    ‘কী কারণে ডাকছে, সেটা জানো?’

    ‘বস্‌কে খুব নার্ভাস বলে মনে হলো।’

    চেয়ার ছেড়ে কিউবিকল থেকে বেরিয়ে অ্যাসিস্ট্যান্ট ডিরেক্টরের অফিসে গিয়ে ঢুকল সিমন্স। নিজের ডেস্কে বসে আছে রাইডার। তার পেছনের জানালা দিয়ে দেখা যাচ্ছে নিউ হ্যাভেন আর কানেক্টিকাটের গ্রাম্য দৃশ্য।

    ‘আমাকে ডেকেছেন?’ দরজার কাছে থেমে বলল সিমন্স।

    ‘মাসুদ রানার ব্যাপারে সবধরনের তদন্ত বন্ধ করো।’

    এক পা সামনে বাড়ল সিমন্স। ‘তদন্ত বন্ধ করে দেব?’ এবার ঘরের কোণে এক লোককে বসে থাকতে দেখল সে। তার পরনে দামি কালো সুট, পায়ে মুচির তৈরি চামড়ার জুতো। বয়স হবে কমপক্ষে পঁয়তাল্লিশ। কলপ করেছে মাথার চুল। সিমন্সকে তার সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দিল না রাইডার।

    ‘তোমার আর তদন্ত করতে হবে না,’ আড়ষ্ট কণ্ঠে বলল অ্যাসিস্ট্যান্ট ডিরেক্টর।

    রহস্যময় লোকটার দিকে চেয়ে নিচু গলায় বলল সিমন্স, ‘ওই দ্বীপে আটকা পড়েছে আমেরিকার একজন নাগরিক। আর আমাদের দেশের জন্যে মস্তবড় ঝুঁকি নিয়েছে মাসুদ রানা। আমরা চাইলেই তো তাদেরকে…’

    ‘সিমন্স… তোমার আর নতুন করে কোন তর্কের সুযোগ নেই।’

    রবার্ট রাইডার ঘাবড়ে গেছে, সেটা টের পেল সিমন্স। লোকটা চাইছে অন্য কোন অফিসে যেন তাকে বদলি করে দেয়া না হয়।

    ‘মাত্র কয়েক ঘণ্টা আগে আপনিই আমাকে বলেছেন, আমরা যেন ভালভাবে তদন্ত করি,’ বসের চোখে আপত্তি দেখেও বলল সিমন্স। ‘আমেরিকার নানান উপকার করেছে মাসুদ রানা। আর আপনি এখন আমাকে বলছেন তদন্ত বন্ধ করে দিতে?’

    চেয়ার থেকে না উঠে পা বাড়িয়ে আধখোলা দরজা বন্ধ করল অতিথি। শুকনো গলায় বলল, ‘আপনি যখন তদন্ত শুরু করলেন, তখন থেকেই আমার অফিসের অনেকে বিব্রত বোধ করছে।’ ওয়াশিংটনের প্রভাবশালী আমলাদের সুরে কথা বলেছে লোকটা।

    ‘তো আপনার অফিসটা যেন কোথায়?’ তোয়াক্কা না করে তেড়া সুরে জানতে চাইল সিমন্স।

    খুকখুক করে কেশে নিয়ে লোকটার হয়ে জবাব দিল রাইডার, ‘ইনি কাজ করেন পেন্টাগনের ডিআইএ অফিসে। তাঁর নাম ডোমেনিক উসবার্টি। ডিআইএর অ্যাসিস্ট্যান্ট ডিরেক্টর।’

    কথাগুলো শুনে তিক্ত হয়ে গেল সিমন্সের মন। ডিফেন্স ইন্টেলিজেন্স এজেন্সির কথা কে না জানে! এই অফিসের মোটো: সর্বশক্তি দিয়ে দেশের নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা বজায় রাখতে হবে।

    সারাবছরে সিআইএ ও এফবিআই গোটা দুনিয়ায় গোপন যে অপারেশনগুলো চালায়, তার কয়েক গুণ মিশন পরিচালনা করে ডিআইএ। অত্যন্ত দক্ষ একদল অপারেটরকে দিয়ে টপ কোয়ালিটি টেকনোলজি ব্যবহার করে চালানো হয় সেসব অপারেশন। একদল তুখোড় মগজের ডিফেন্স প্ল্যানার দেশের প্রয়োজনে নিরাপত্তার জন্যে ধার নেয় হাইলি ট্রেইণ্ড মিলিটারি অপারেটিভদেরকে। তাদের কথার ওপর দিয়ে কিছু করতে গেলে চাকরি থাকে না কারও।

    ‘আপনার এই তদন্ত এখানেই শেষ,’ আবেগহীন সুরে বললেন ডোমেনিক উসবার্টি। ‘মাসুদ রানা সম্পর্কে সবই আমরা জানি। এবং জনি এস. ক্লার্কের মত অপরাধীকে নিয়েও আপনার কিছু ভাবার দরকার নেই। ‘

    আমি বসের মত পদোন্নতির জন্যে লালায়িত নই, ভাবল সিমন্স। ডিআইএ অ্যাসিস্ট্যান্ট ডিরেক্টর দাবড়ি দিলেই তদন্ত বন্ধ করে দুই পায়ের ফাঁকে লেজ গুটিয়ে নেব না।

    ‘মাসুদ রানা কি আমাদের দেশের জন্যে এল সালভেদরে গিয়ে ড্রাগসের ফ্যাক্টরি ধ্বংস করে দেয়নি?’ বলল সিমন্স।

    সর্বজ্ঞানী সাধুর মত মুচকি একটা হাসি দিলেন উসবার্টি। ‘হ্যাঁ, সেটা সে করেছে।’

    ‘তা হলে বিপদে আমরা তাকে সাহায্য করব না কেন?’

    ‘যথেষ্ট হয়েছে, সিমন্স!’ রাইডারের কপালে জমে গেছে বিন্দু-বিন্দু ঘাম।

    ‘না, বলুক না,’ দাদাগিরির ভঙ্গিতে বললেন উসবার্টি। ‘অনেক কিছুই জানে না স্পেশাল এজেন্ট সিমন্স। তার জানার অধিকার আছে। নানান ধরনের জ্ঞান পরবর্তী জীবনে কাজে আসবে। আপনি বলুন, সিমন্স।’

    ‘আপনাদের এজেন্সি চিফ নিজে মাসুদ রানাকে বিসিআই থেকে ধার নিয়েছেন,’ বলল সিমন্স। ‘বাংলাদেশ কাউন্টার ইন্টেলিজেন্সকে বলা হয়েছিল, মাসুদ রানা এল সালভেদরে বন্দি হলে আমেরিকান সরকার থেকে যথাসাধ্য সহায়তা করা হবে। তারপর তিন মাস আগে নিজের কাজ শেষ করেছে সে। কিন্তু গ্রেফতার হওয়ার পর ডিআইএ তাকে একদম ভুলে গেছে। বলুন, এটা কেন হবে? আপনারা কি চান অসহায়ভাবে মৃত্যুবরণ করুক লোকটা?’

    ‘সে মারা গেলেই বা আমাদের কী, আর বেঁচে থাকলেই বা কী,’ হালকা সুরে বললেন উসবার্টি। ‘মাসুদ রানা আমাদের হয়ে কাজ করেছে বলে তার বদলে নানান ধরনের সহায়তা পেয়েছে বাংলাদেশ সরকার। বিসিআই চিফ সেটা জানেন বলেই ডিআইএ চিফের সঙ্গে আর যোগাযোগ করেননি।’ নিষ্পলক চোখে সিমন্সকে দেখলেন তিনি। ‘ধরে নিন, যে দরজা বন্ধ করে রাখা খুব জরুরি, জোর করে সেটা খুলতে যাওয়া হবে খুব অনুচিত।’

    ‘এটাই আসলে উচ্চ পর্যায়ের অফিসারদের সিদ্ধান্ত, ‘ বলল অ্যাসিস্ট্যান্ট ডিরেক্টর রাইডার।

    ‘আমি বুঝতে পারছি, সিমন্স, আপনি চান মাসুদ রানার বিষয়ে আমরা যেন হস্তক্ষেপ করি,’ বললেন উসবার্টি। ‘কিন্তু সেটা করতে গেলে আমরা যেমন ফেঁসে যাব, তেমনি জন্ম নেবে নানান ধরনের প্রশ্ন।’ ডিআইএ অ্যাসিস্ট্যান্ট ডিরেক্টর বুঝে গেছেন, নীতিবান মাথাগরম ধরনের লোক সিমন্স।

    চুপ করে থাকল এফবিআই স্পেশাল এজেন্ট।

    রাইডারের চোখে চোখ রেখে শীতল কণ্ঠে বললেন উসবার্টি, ‘কোন ধরনের প্রশ্ন উত্থাপন করা হোক, সেটা আমরা চাইছি না।’

    ঘাড় বেয়ে ঘামের স্রোত নামল সিমন্সের পিঠে। যা বলার বলে দিয়েছেন উসবার্টি। নতুন করে কিছু করতে গেলে টান পড়বে ওর চাকরি নিয়ে। ডিআইএর খাতা থেকে আলগোছে মুছে দেয়া হয়েছে মাসুদ রানার নাম।

    ‘তবুও ডার্টি গেমের ওপরে আমি চোখ রাখব,’ মনে মনে নিজেকে শোনাল সিমন্স। ‘যোগাযোগ থাকবে বিসিআই এজেণ্ট রায়হান রশিদের সঙ্গে। আর সম্ভব হলে দেরি করব না মাসুদ রানাকে সাহায্য করতে।’

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleতিমির প্রেম – রকিব হাসান
    Next Article মৃত জ্যোৎস্নার রাত্রি – অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অসম্পূর্ণ বই
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    রুদ্রসমগ্র – রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ

    January 8, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    রুদ্রসমগ্র – রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ

    January 8, 2026
    Our Picks

    রুদ্রসমগ্র – রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ

    January 8, 2026

    রান্না খাদ্য পুষ্টি – সিদ্দিকা কবীর

    January 8, 2026

    শহর খুলনার আদি পর্ব – আবুল কালাম সামসুদ্দিন

    January 8, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }