Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    মাসুদ রানা ৪৭৪ – ডার্টি গেম

    ডার্টি গেম এক পাতা গল্প344 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ডার্টি গেম – ২২

    বাইশ

    কন্সোলের সামনে বসার মাত্র কয়েক সেকেণ্ড পর কাদের যেন উঠে আসার পদশব্দ শুনতে পেল রানা। ঘাড় কাত করে তাকাল জানালার দিকে। মই বেয়ে ধুপধাপ করে টাওয়ারে উঠে আসছে রিভ সিম্পসন ও তার দলের লোক। এখন আর মই বেয়ে নেমে যেতে পারবে না রানা। কন্সোল থেকে না সরে বলল, ‘ল্যাটিচ্যুড ৭.৫৫৯২৮০, লংগিচ্যুড…’

    রানা কথা শেষ করার আগেই দপ করে চলে গেল বিদ্যুৎ। নিভে গেছে ঘরের বাতি ও কন্সোলের আলো।

    স্যাটেলাইট ফোন এখন ডেড!

    মইয়ের কথা ভুলে অন্য কোন উপায়ে টাওয়ার থেকে নেমে যেতে হবে রানাকে। উঠে দাঁড়িয়ে ঘরের চারপাশে তাকাল ও। নিজেকে ওর মনে হলো খাঁচায় বন্দি সিংহের মত। রিভ সিম্পসন এবং তার দলের লোক উঠে আসছে বলে মৃদু কাঁপছে টাওয়ার।

    একটা জানালা দিয়ে বাইরে উঁকি দিতেই সরাসরি ব্র্যাড স্টিলের সঙ্গে চোখাচোখি হলো রানার।

    বিশাল তাঁবুর বাইরে দাঁড়িয়ে আছে লোকটা, চোখে নির্বিকার দৃষ্টি। কয়েক সেকেণ্ড পরস্পরকে দেখল ওরা, তারপর নিজে থেকেই চোখ সরিয়ে নিল রানা। এখন প্রতিটা সেকেণ্ড ওর জন্যে খুব জরুরি। বেরিয়ে যেতে হবে এই কম্পাউণ্ড থেকে। ছুটে গিয়ে খুলল দরজা। আর তখনই কয়েকটা বুলেটের আঘাতে ঝনঝন করে ভেঙে গেল পাশের কাঁচের জানালা। দশ সেকেণ্ডের মধ্যে প্ল্যাটফর্মে উঠে আসবে সিম্পসন ও তার লোকেরা।

    শরীরে গুলি লাগতে পারে জেনেও দরজা খুলে প্ল্যাটফর্মের কোণে ডাইভ দিয়ে পড়ল রানা। ক্রল করে এগিয়ে চলল বাম দিকে। টাওয়ার কমপক্ষে তিনতলা উঁচু। ওপর থেকে নিচে রেযর ওয়াএয়ারের বেড়া দেখতে পেল রানা। একবার ওটা টপকে ঝোপঝাড়ের ভেতরে পড়লে উঠে দাঁড়িয়ে এক দৌড়ে ঢুকে পড়তে পারবে জঙ্গলের ভেতরে।

    আবারও এল গুলির আওয়াজ।

    ঝনঝন করে ভাঙল রানার পেছনের জানালার কাঁচ।

    এখন মাত্র একটা কাজই করতে পারে রানা। আর সেটাই করল-প্ল্যাটফর্মের রেলিঙে উঠে ঝাঁপিয়ে পড়ল নিচে। তার- কাঁটার বেড়া পার হয়ে হুড়মুড় করে নামল ঘন ঝোপের ভেতরে। এ-ধরনের ঝুঁকি নিলে হাড়গোড় ভাঙবে বেশিরভাগ মানুষের, কিন্তু মাটিতে শরীর গড়িয়ে দিয়েছে রানা। হাত-পা ও পাঁজরের ব্যথায় ওর মনে হলো এইমাত্র খুন হয়ে গেছে। ঝোপে ঢুকল একরাশ গুলি। লাফ দিয়ে উঠে দাঁড়িয়ে জঙ্গলের দিকে ঝেড়ে দৌড় দিল রানা। ওদিকে টাওয়ারের প্ল্যাটফর্মে উঠে এসেছে সিম্পসন ও তার লোকেরা। একের পর এক গুলি করছে রানাকে লক্ষ্য করে।

    লোকগুলো মিলিটারি থেকে ট্রেনিং নিলে দশ ফুট যাওয়ার আগেই লাশ হয়ে যেত রানা। অন্ধকারের সুযোগ নিয়ে ছুটে গিয়ে ঢুকে পড়ল জঙ্গলে। পছন্দ করুক বা না করুক, আবারও ওকে অংশ নিতে হবে ডার্টি গেমের নোংরা খেলায়।

    .

    বিধ্বস্ত বি-২৫ বিমানের ফিউজেলাজের ভেতরে গা ঘেঁষে বসে আছে জনি এস. ক্লার্ক ও রোযি ইয়াসিমান। সামনে জ্বলছে ছোট্ট আগুন। কমলা শিখার ওপরে জনি ঝলসে নিচ্ছে মৃত একটি পাখি। ইয়াসিমান যে চোখা ডাল দিয়ে ওকে খুন করতে চেয়েছিল, ওটা দিয়েই পাখিটাকে পিটিয়ে মেরেছে ক্লার্ক।

    আগুনের ওপর থেকে ঝলসানো পাখি সরিয়ে এক কামড়ে খানিকটা মাংস খেল সে, তারপর বাকি অংশ তুলে দিল সুন্দরী মেয়েটার হাতে। সামান্য মাংস খেয়ে খিদে মেটেনি তার। মন অন্যদিকে সরানোর জন্যে বলল, ‘তোমার মত এত সুন্দরী এক মেয়ে এখানে কেন?’

    ‘তার বহু কারণ আছে।’ পোড়া পাখির মাংসে কামড় দিল রোযি। এ-বিষয়ে আর কিছু বলতে আগ্রহী নয়।

    নিজেও চুপ করে থাকল ক্লার্ক। বলার তো আসলে কিছু নেই। পর পর দু’বার মৃত্যুদণ্ড দেয়া হয়েছে ওকে। আর এবার মৃত্যু থেকে রেহাই পেতে হলে খুন করতে হবে অন্যদেরকে। আর সেটা করা এই দ্বীপে সহজ কাজ নয়। ওদের দু’জনের ব্রেসলেটের ঘড়িতে এখন বাজে রাত ০৮:০৩:০৪।

    অর্থাৎ, আর মাত্র আট ঘণ্টা তিন মিনিট পর বোমার বিস্ফোরণে মরবে ওরা। মনে মনে নিজের ভাগ্যটাকে অকথ্য গালি দিচ্ছে ক্লার্ক। মুখেও সেটা উচ্চারণ করত, কিন্তু করছে না কারণ সেক্ষেত্রে ওকে হয়তো কাপুরুষ বলে ভাববে সুন্দরী মেয়েটা। সেটা তো আর হতে দেয়া যায় না।

    মুখ তুলে রোযিকে দেখল ক্লার্ক। আগুনের আলোয় খুব রূপসী লাগছে মেয়েটাকে। কতই বা হবে ওর বয়স? বড়জোর পঁচিশ? কী অপূর্ব সুন্দরী, অথচ যে-কোন সময় মরবে বেচারি।

    ‘এটা বোধহয় জানো, যে-কোন সময়ে খুন হবে তুমি, ‘ বলল ক্লার্ক।

    ‘হয়তো মরতে হবে না,’ আশা ভরা গলায় বলল রোযি।

    ওর সাহস দেখে বিস্মিত হয়েছে ক্লার্ক। নিজে সে বাঁচার কোন উপায় দেখছে না। সেটাই বলল, ‘বারবার ফিরেছি মৃত্যুর কবল থেকে। সবসময় ওটা ছিল খুব কাছে।’

    নিজের গোড়ালির ব্রেসলেট দেখল ক্লার্ক। ‘কিন্তু এবার হয়তো আর বাঁচব না। এই বোমা শেষ করে দেবে আমাকে।

    ‘আমি মরার আগেও লড়তে চাই,’ বলল ইয়াসিমান।

    তিক্ত হাসল ক্লার্ক। আসলে বাঁচার উপায় নেই মেয়েটার। নিজে খুব সহজে সুন্দরীকে লড়াইয়ে হারিয়ে দিয়েছে ও। দ্বীপে আছে ওর চেয়ে অনেক শক্তিশালী সব প্রতিযোগী। তারা চাইলে মাত্র একমিনিটে খতম করে দিতে পারবে রোষিকে। তার আগে হয়তো চাইবে ওকে ভোগ করতে।

    না, কোনভাবে বাঁচবে না রোযি ইয়াসিমান।

    ‘আমাদের ভাগ্য আসলে খারাপ,’ বলল ক্লার্ক। ‘এমন নয় যে ঘুম ভেঙে দেখব সবই আসলে স্বপ্ন।’ গত চব্বিশ ঘণ্টায় অনেক বেড়ে গেছে ঘাড়ের ব্যথা। ঘাড় টিপতে লাগল সে।

    ‘তুমি ঠিক আছে তো?’ মিষ্টি সুরে জানতে চাইল রোযি।

    ‘হেলিকপ্টার থেকে ফেলে দেয়ার আগে ঘাড়ে ব্যথা পেয়েছি। রোযি, আমাদের বোধহয় উচিত নিজেদের ভেতরে প্রতিযোগিতা না করা। আমরা একসঙ্গে হামলা করতে পারি অন্যদের ওপরে। তাতে সম্ভাবনা বাড়বে আমাদের বাঁচার। শেষমেশ হয়তো খতম করে দিতে পারব ব্র্যাড স্টিলকে। সুযোগ পেলে চলে যাব দ্বীপ ছেড়ে। ….তুমি কী বলো?’

    ক্লার্কের গা ঘেঁষে বসল রোযি। নরম হাতে টিপতে শুরু করেছে সঙ্গীর ঘাড়। ‘টিপে দিলে ব্যথা কি কমছে?’

    চোখ বুজল ক্লার্ক। ব্যথার জায়গা ম্যাসাজ করা হচ্ছে বলে খুব আরাম লাগছে। একটু পর নিচু গলায় বলল, ‘আমার মনে হচ্ছে জীবনে আর কখনও এত ভাল ছিলাম না।’

    সামনে ঝুঁকে নিচু গলায় মধু ঝরাল রোযি, ‘ব্যথা তা হলে কমছে তো?’

    ‘হ্যাঁ, কমছে,’ চোখ বুজে হাসল ক্লার্ক। ‘আমি বোধহয় তোমার প্রেমে পড়ে যাচ্ছি!’

    সঙ্গীর পিঠ বেয়ে কোমরে নেমে এল রোযির নরম হাত। টিপে দিচ্ছে আড়ষ্ট সব পেশি। ক্লার্ক এখন কী ভাবছে, সেটা বুঝে গেছে মেয়েটা। পুরুষগুলো সবসময় একই কথা ভাবে। অবশ্য ক্লার্ক বোধহয় শুধু সেক্স নিয়ে ভাবছে না।

    ‘তুমি তো বলেছিলে শেষ যে মেয়েটাকে বিশ্বাস করেছিলে, তার জন্যে মৃত্যুদণ্ড দেয়া হয়েছিল তোমাকে। আসলে কী ঘটেছিল?’

    চোখের পাতা সামান্য খুলল ক্লার্ক। বোকা নয় সে। নিশ্চিত হয়ে নিল, রোযি ইয়াসিমানের আশপাশে কোন ধরনের অস্ত্র আছে কি না। যদিও ক’বার আক্রমণের সুযোগ পেয়েও হামলা করেনি মেয়েটা। বোধহয় বুঝে গেছে, একই ডুবন্ত নৌকায় বেঁচে থাকার চেষ্টা করছে ওরা দু’জন।

    ‘আমি বাস করতাম লস এঞ্জেলেসে। আগে কখনও জায়গাটার নাম শুনেছ?’

    মাথা দোলাল রোযি। ‘শুনেছি।’ ক্লার্কের শার্টের ভেতরে ঢুকে গেছে ওর হাত। কোমর আর বুকে মালিশ করছে। তাতে খুব আরাম লাগছে ক্লার্কের।

    ‘থাকতাম হলিউডের খুব কাছে,’ ম্যাসাজ করে দেয়ায় শিথিল হচ্ছে ক্লার্কের দেহের পেশি। ‘ওদিকের এলাকায় আমরা ছিলাম মাত্র তিনজন ড্রাগ ডিলার। প্রচুর ব্যবসা ছিল। টাকার কোন অভাব নেই। সেসময়ে পরিচয় হলো এক মেয়ের সঙ্গে। মাত্র কয়েক দিনে প্রেমে পড়ে গেলাম আমরা। পরস্পরকে নিয়ে আমরা ছিলাম খুব সন্তুষ্ট। তারপর এক রাতে হঠাৎ কাঁদতে কাঁদতে এল সে। রক্তে ভেসে যাচ্ছে নাক-মুখ। ফুলে গেছে গাল ও কপাল। আমাকে বলল, আমার প্রতিযোগী ড্রাগ ডিলার বুন্স বায়িন্স ওকে ধরে নিয়ে গিয়ে খুব মেরেছে। তাতে রাগে প্রায় পাগল হয়ে গেলাম। দুটো পিস্তল হাতে নিয়ে চলে গেলাম হারামজাদাকে খুন করব বলে। আর তারপর…’

    রাগে আড়ষ্ট হয়ে গেছে ক্লার্কের ঘাড়। নতুন করে ম্যাসাজ করতে লাগল রোযি ইয়াসিমান।

    ‘কিন্তু আসলে আমাকে ফাঁদে ফেলেছিল ওরা। মেয়েটা ছিল অন্য আরেক ড্রাগ ডিলার ডিন রলিন্সের খাস প্রেমিকা। আমি তো মাথাগরম করে খুন করে ফেললাম বায়িন্সকে। আর তাতে আমাকে গ্রেফতার করে নিয়ে গেল পুলিশের লোক। আর এই সুযোগে বায়িন্স আর আমার এলাকা হাসতে হাসতে দখল করে নিল ডিন রলিন্স। যাই হোক, জেল থেকে পালিয়ে গেলাম মালোয়েশিয়ায়। কিন্তু তারপর ওখানে আবার বেইমানি করল ভয়ঙ্কর শয়তান একটা কুত্তী। আসলে, বুঝলে, আমার জীবনটাই বিশ্বাসঘাতকতার বিশাল এক করুণ কাহিনী।’ চোখ মেলে আগুনের আলোয় ফিউজেলাজে একটা লেন্স দেখতে পেল ক্লার্ক। জং ধরা সার্ডিনের একটা কৌটা তুলে নিয়ে ওটা লক্ষ্য করে ছুঁড়ল সে। ঠনাৎ করে লাগতেই ভেঙে গেল লেন্সের কাঁচ।

    .

    ক্লার্ক আর ইয়াসিমানের অন্তরঙ্গ দৃশ্য একটা স্ক্রিন থেকে মুছে যেতেই ওদিকে তাকাল সিওয়ার্স ও এমিলি। স্ক্রিনে এখন দেখা যাচ্ছে একরাশ সাদা ঝিরঝিরে পোকার মত কিছু। এদিকে মাসুদ রানা গ্রামে ঢুকতেই বিশাল তাঁবু থেকে বেরিয়ে গেছে স্টিল ও সিলভি। তার আগে কন্সোলের দায়িত্ব দিয়েছে মিলার কাছে।

    ‘মিলা, অন্য ক্যামেরা চালু করো,’ তাড়া দিল সিওয়ার্স। ‘তোমার কি কানে কিছু ঢুকছে না?’,

    গরম চোখে সিওয়ার্সকে দেখে নিয়ে ক্যামেরার অ্যাঙ্গেল বদলে নিল মিলা। এবারের লেন্স ক্লার্ক ও ইয়াসিমানের ওপরে চোখ রেখেছে ফিউজেলাজের ছাত থেকে। বসের ধমকের ভয়ে বাধ্য হয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা জেগে মেজাজ খারাপ হয়ে গেছে ওদের। তার ওপরে গ্রামে এসে ঢুকেছে অপরাধীদের একজন। যেটা ওদের মনের ওপরে বিরূপ প্রভাব ফেলেছে। স্ক্রিনে ওরা দেখতে পেল ক্লার্কের পাশে বসে একহাতে তার ঘাড় টিপে দিচ্ছে রোযি।

    ‘মনে তো হয় একটু পর কাপড় খুলে সেক্স করবে ওরা,’ দাঁত বের করে হাসল সিওয়ার্স।

    ‘পাঁচ শ’ ডলার বাজি ধরব, ওটা করবে না এরা,’ বলল এমিলি। ‘লোকটাকে ফাঁদে ফেলেছে মেয়েটা।’

    বাজি ধরে হাত মেলাল সিওয়ার্স ও এমিলি।

    আবার মনোযোগ দিল স্ক্রিনে।

    .

    ‘তুমি বরং শুয়ে একটু বিশ্রাম নাও, আমি ধীরে ধীরে ম্যাসাজ করে দিই,’ মিষ্টি কণ্ঠে বলল ইয়াসিমান। টান দিয়ে ওপরে তুলে দিল ক্লার্কের প্যান্টে গোঁজা শার্ট। ওরা জানে না, ওদের ওপরে চোখ রেখেছে আরেকটা নাইট-ভিশন লেন্স।

    নিজেকে দুনিয়ার রাজা বলে মনে হচ্ছে ক্লার্কের। বুঝে গেছে, মেয়েটা আসলে চাইছে ওকে যেন আদর করে ও। এদিকে জেলের ভেতরে বছরের পর বছর মেয়েদের সঙ্গে যৌন-মিলনের সুযোগ হয়নি। এখন দারুণ হবে দেবীর মত সুন্দরী মেয়েটা ওকে সুযোগ করে দিলে। মৃত্যুর আগে এমন সুযোগ ক’জন কয়েদী তাদের জীবনে পায়!

    দেরি না করে বিমানের মেঝেতে শুয়ে পড়ল ক্লার্ক। পাশে বসে তার বুকের ঘন কালো রোমে হাত বোলাতে লাগল রোযি। হাসিমুখে সহানুভূতির সুরে বলল, ‘তুমি মেয়েদেরকে একদম বিশ্বাস করো না। তবে সেজন্যে তোমাকে কোন দোষ দেব না।’

    সুবোধ বালকের মত নীরবে মাথা দোলাল ক্লার্ক। মনে পড়ে গেছে তিক্ত সব অতীত। অবশ্য একটু পর বোধহয় আসবে দারুণ এক ফূর্তির সময়!

    ‘আমাকে ট্র্যান্সফার করতে চাইল ফোলসম জেলে। কিন্তু পালিয়ে গিয়ে ঢুকলাম মেক্সিকোতে। ওখান থেকে গেলাম মালোয়েশিয়ায়। ওখানে যখন পৌছুলাম, আমার হাতে এক পয়সাও নেই। তবে কিছু দিনের ভেতরে সুযোগ চলে এল গাঁজা বিক্রি করে বড়লোক হওয়ার।’

    ক্লার্ক বলল না, এক মালোয়েশিয়ান ড্রাগ ডিলারকে পথে বসিয়ে দিয়ে নিজেই দখল করে নিয়েছিল তার এলাকা।

    ‘কিছু দিনের ভেতরে যেতে লাগলাম স্থানীয় মেয়েদের সঙ্গে বিছানায়। ওদের ভেতরে একজন ছিল বেশ সুন্দরী। মিষ্টি করে হাসিমুখে কথা বলত। আর জানত কীভাবে করতে হয় দুর্দান্ত সেক্স। বলতে পারো আমি ছিলাম স্বর্গে। টাকার অভাব নেই। কোন বিপদ হচ্ছে না। পছন্দমত মেয়ে পেয়ে গেছি। জীবনে আর কী চাই!’

    অতীত স্মৃতি হাতড়াতে গিয়ে উদাস হয়ে গেছে ক্লার্ক। টের পাচ্ছে ওর উরু মালিশ করে দিচ্ছে রোযি। আহ্, একেই তো বলে জীবনের সত্যিকারের আনন্দ! এই সুন্দরীর উচিত ম্যাসাজ পার্লার খুলে নামকরা হয়ে ওঠা। চোখ বুজে নিজের জীবনের কাহিনী বলতে লাগল ক্লার্ক: ‘কিন্তু মেয়েটা আসলে ছিল মালোয়েশিয়ান পুলিশের চর। একদিন নিজের আস্তানায় আরাম করে শুয়ে আছি ভোরে, এমন সময় এল একদল পুলিশ অফিসার। আমার বিছানার নিচে পেয়ে গেল দশ কেজি গাঁজা। আর এর মানে বুঝতে পারো? মালোয়েশিয়ায় যে-কোন ড্রাগ কারও কাছে পাওয়া গেলে তাকে দেরি না করে দেয়া হয় মৃত্যুদণ্ড! আবারও গেলাম জেলে। আমাকে দেয়া হলো মরণের সাজা। তবে আমিও থাকলাম তক্কে তক্কে। ভাবলাম, জেলের দু’জন পুলিশ অফিসারকে পিটিয়ে অজ্ঞান করে পালিয়ে যাব। তবে এর আগেই আমাকে বিক্রি করে দিল তারা। বুঝতে পারছ কত কষ্ট পেয়েছি আমার নরম এই মনে?’

    চুপ করে থাকল রোযি ইয়াসিমান।

    পরক্ষণে একটু জোরে একটা ‘বিপ’ শব্দ শুনতে পেল ক্লার্ক। চোখ মেলে চট্ করে দেখল, উঠে দাঁড়িয়ে কয়েক লাফে বিমানের দরজার কাছে চলে গেছে রোযি। পরক্ষণে তীর বেগে বেরোল রাতের আঁধারে!

    গোড়ালির ব্রেসলেটের ওপরে চোখ পড়ল ক্লার্কের। ডিভাইসের ভেতরে দপদপ করে জ্বলছে লাল বাতি। খুব দ্রুত কমে যাচ্ছে ওর টাইমারের সংখ্যা!

    এখন আর পাঁচ সেকেণ্ড নেই ওর মরে যাওয়ার!

    ‘তোর মায়েরে দশবার চুদি, হারামজাদী কুত্তী মাগী!’ গলা ফাটিয়ে চিৎকার করে উঠল ক্লার্ক। ‘শালার কপাল, এই খানকি মাগীও আমাকে একেবারে ঠকিয়ে দিয়েছে!’

    ষাঁড়ের মত মোটা গলায় চিৎকার জুড়েছে ক্লার্ক। ওদিকে হরিণীর বেগে বিমান থেকে দূরে সরে যাচ্ছে রোযি।

    ‘আমাকে খুন করে ফেলেছে, শালীর মাগী! হারামজাদী, তোর মায়েরে আমার….’

    বিকট শব্দে বোমা ফাটতেই চারদিকে ছিটকে গেল ভাঙা ফিউজেলাজ। আকাশে উঠেছে আগুনের কমলা শিখা।

    .

    কয়েক মাইল দূর থেকে বিস্ফোরণের আওয়াজ শুনতে পেল সিলভারম্যান। গার্ডেরা তাড়া করে মাসুদ রানাকে গ্রাম থেকে ভাগিয়ে দেয়ার পর পেটে কিছু দিতে খাবারের তাঁবুতে ঢুকেছে সে। প্রথম লোকটা মারা যাওয়ার পর থেকে খাওয়ার রুচি নষ্ট হয়ে গেছে তার। কিন্তু খালি পেটে ওষুধ খেলে স্টমাক ওয়াল পুড়ে যাবে বলে মুখে কিছু দিতে হবে। টেবিলে নানান প্লেটে স্তূপ করে রাখা হয়েছে গলদা চিংড়ির কাটলেট, গরুর মাংসের স্টেক, পাস্তা, নুডল্স, চাইনিয ডিশ, নানা সালাদ ও ডেয়ার্ট। কর্মচারীদেরকে সেরা খাবার দিতে দ্বিধা করে না স্টিল।

    বোমার আওয়াজ শোনার পর কালো হয়ে গেছে সবার মুখ। খাবারে মন নেই কারও। টেবিলে প্লাস্টিকের প্লেট আর চামচ ফেলে রেখে উঠে পড়ল সিলভারম্যান। বুঝে গেছে, অভিশপ্ত এই দ্বীপ থেকে চলে না গেলে পাগল হয়ে যাবে সে। হতক্লান্ত দেহটাকে টেনে নিয়ে আবারও গিয়ে ঢুকল বিশাল তাঁবুর ভেতরে। হৈ-চৈ করছে এমিলি আর সিওয়ার্স।

    ‘বলেছি না মেয়েটা বহুৎ চালু মাল?’ সিওয়ার্সের দিকে হাত বাড়িয়ে দিল এমিলি। ‘আগেও আমাদের বোকা বানিয়ে দিয়েছে। দেখার মত একটা শো!’

    ‘অত খুশির কিছু নেই,’ গোমড়া মুখে মানিব্যাগ থেকে পাঁচটা এক শ’ ডলারের নোট এমিলির হাতে দিল সিওয়ার্স।

    ‘এবার স্কোর বোর্ড দেখি!’ নোটগুলো পকেটে রেখে স্ক্রিনে ক্লার্কের ছবির ওপরে লাল একটা ক্রস চিহ্ন বসাল এমিলি।

    ‘এত হৈ-চৈ কিসের?’ হতাশ সুরে বলল সিলভি। মেইন স্ক্রিনে দেখতে পেল আগুনে পুড়ছে বি-২৫ বিমান। ভকভক করে আকাশে উঠছে প্রচুর কালো ধোঁয়া।

    ‘আরও একটা গেল;’ বিড়বিড় করল সিওয়ার্স। মানুষ মারা গেছে সেটা নিয়ে দুশ্চিন্তা নেই তার। মনে কষ্ট, বাজি ধরে গচ্চা গেছে পুরো পাঁচ শ’ ডলার। ‘বুম!’ করে উড়ে গেছে কালো আমেরিকান।’ হাত তুলে কালো ধোঁয়া দেখাল সে।

    মিলার চেহারায় কোন প্রতিক্রিয়ার ছাপ নেই। এই শো-তে সত্যিকারের মানুষ মারা পড়ছে, বিষয়টা বহু আগেই মন থেকে মুছে গেছে তার। চাইছে নিখুঁত হোক তার কাজ, যাতে ধমক খেতে না হয় স্টিলের কাছ থেকে। সাবধানে আগুন ও ধোঁয়ার দিকে ক্যামেরার লেন্স তাক করল সে।

    পরিবেশটা খুব অসহ্য মনে হলো সিলভারম্যানের। ‘যথেষ্ট হয়েছে, এবার অন্যকিছু দেখাও,’ নির্দেশ দিল সে। তিক্ত চেহারায় দেখল কর্মচারীদের।

    স্ক্রিনে অন্য ফুটেজ আনল মিলা। জায়গাটা জাপানি কমাণ্ড পোস্ট। টেনেহিঁচড়ে মেক্সিকান দস্যুকে লোডিং ডকে তুলে আনছে রুপার্ট শ্যানন আর কাইতো তানাকা।

    অসহায় আহত লোকটাকে লাথি-ঘুষি মারার ফাঁকে চওড়া হেসে লেন্সের দিকে তাকাচ্ছে সাইকোপ্যাথ ইংরেজ।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleতিমির প্রেম – রকিব হাসান
    Next Article মৃত জ্যোৎস্নার রাত্রি – অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }