Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    রুদ্রসমগ্র – রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ

    January 8, 2026

    রান্না খাদ্য পুষ্টি – সিদ্দিকা কবীর

    January 8, 2026

    শহর খুলনার আদি পর্ব – আবুল কালাম সামসুদ্দিন

    January 8, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    মাসুদ রানা ৪৭৪ – ডার্টি গেম

    ডার্টি গেম এক পাতা গল্প344 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ডার্টি গেম – ৩১

    একত্রিশ

    ডার্টি গেম শো-র শেষ দুই প্রতিযোগীর ভেতরে মরণপণ যুদ্ধ শুরু হলে সেটা ইন্টারনেটে দেখবে চার কোটির বেশি মানুষ।

    প্রথমেই ঘুষি ও লাথির কম্বো অ্যাটাকের মাধ্যমে রানাকে কুপোকাৎ করতে চাইল প্রাক্তন ইংরেজ মেজর। সেটার ভেতরে আছে মিলিটারিতে শেখা মার্শাল আর্টের ছোঁয়া। তবে ব্লক করে ঝড়ের বেগে শ্যাননের মুখে, কিডনিতে ও পেটে তিনটে ঘুষি গেঁথে দিল রানা। পিছিয়ে গিয়ে আবারও আক্রমণে এল শ্যানন। রানার চোয়ালে ঘুষি মারল সে। কিন্তু কবজিটা সরিয়ে দিয়ে তার মুখে শক্তিশালী একটা জ্যাব করল রানা। হুড়মুড় করে পিছিয়ে গেল লোকটা

    রানার জানা নেই, একই সময়ে বিসিআই হেডকোয়ার্টারে ওদের দু’জনের লড়াই দেখছে অনেকে। প্রত্যেকে উত্তেজিত রানার প্রতিটা ঘুষি ও লাথি মনোযোগ দিয়ে দেখছে সবাই।

    ওদিকে নিজেদের অফিসে বসে লড়াই দেখছে স্পেশাল এজেন্ট এডওয়ার্ড সিমন্স ও তার টিমের সদস্যরা। এমন কী নিজের অফিসে ডার্টি গেম শো গিলছে তাদের বস্ রাইডার। ভুরু কুঁচকে ভাবছে, ইংরেজ মেজরকে লাথিয়ে ও ঘুষিয়ে যেভাবে নাজেহাল করছে মাসুদ রানা, সেটা সত্যিই দেখার মত। এদিকে দ্বীপ লক্ষ্য করে রওনা হয়ে গেছে নেভির বিমান, সুতরাং এখন আর ডিআইএ অ্যাসিস্ট্যান্ট ডিরেক্টর খেয়ে নেবে না তার চাকরি। তথ্য দিয়েছে বলে পদোন্নতিও হতে পারে রাইডারের।

    হাতাহাতি লড়াইয়ে কে জিতবে সেটা অনিশ্চিত।

    হেলিকপ্টার থেকে ব্যাগ ফেলা হলে ওটার ভেতরে ছিল শটগান ও খাপে ভরা কমব্যাট নাইফ। এখন ইংরেজ মেজরের গোড়ালিতে আছে ছোরাটা। ওটা হয়তো এনে দেবে আকাশ-পাতাল পার্থক্য।

    রানার ঘুষি খেয়ে ফুলে গেছে শ্যাননের মুখ। মার খেয়ে পিছিয়ে যাচ্ছে সে। যে-কেউ ভাববে কাহিল হয়ে গেছে।

    রানার আরেক ঘুষি মাথার পাশে নিয়ে কার্নিশের মত এক জায়গায় হুমড়ি খেয়ে পড়ল শ্যানন। ভঙ্গি করছে যে লড়াই করার আর কোন শক্তি নেই। ওদিকে গোড়ালির কাছে হাত নিয়ে খাপ থেকে বের করেছে ছোরা। সামনে বেড়ে ঝুঁকে তার মুখে ঘুষি দিতে চাইল রানা। কিন্তু সঙ্গে সঙ্গে উঠে বসে একপাশ থেকে ওর বুক লক্ষ্য করে ছোরা চালাল শ্যানন।

    বুকের পেশি চিরে যাওয়ায় হোঁচট খেয়ে পিছিয়ে মাটিতে পড়ল রানা। ব্যথা এতই বেশি, ওর মনে হলো যেন দাউ-দাউ করে মগজে জ্বলে উঠেছে আগুন। মাত্র কয়েক সেকেণ্ডে টকটকে লাল রক্তে ভরে গেল ওর শার্ট।

    খাপে ছোরা রেখে উঠে দাঁড়াল শ্যানন। এবার হাসতে হাসতে খুন করতে পারবে রানাকে। একটু দূরেই কোথাও আছে গুলি ভরা বন্দুক।

    ক্লান্ত রানা কোথাও সরে যাবে, সেটা আর হওয়ার নয়। লড়াই এবার সত্যিই শেষ। আর সেটা ভাল করে জানে শ্যানন। পাথুরে এলাকায় বন্দুকটা খুঁজছে সে।

    নিচের দিকে জলে ভরা সব ডোবা দেখতে পাচ্ছে রানা। কার্নিশ থেকে ওদিকে গড়ান দিয়ে নেমে গেলে আহত হবে। তবে এখানে রয়ে গেলেও মরতেই হবে ওকে।

    এদিকে বন্দুক হাতে তুলে নিয়েছে শ্যানন।

    কার্নিশে শরীরটা গড়িয়ে দিয়ে ঢালু জমি বেয়ে নেমে চলল রানা। তীক্ষ্ণ পাথরে লেগে কেটে যাচ্ছে ওর হাত-পা ও শরীর। শ্যাননের হাতে বিকট শব্দে গর্জে উঠল বন্দুক। একরাশ ছররা লাগতেই রানার মনে হলো নরকের আগুন জ্বলে উঠেছে ওর পিঠে। তীব্র ব্যথা সহ্য করে গড়িয়ে নেমে গেল ও। এবার গুলি লাগল ওর ডান বাহুতে। ঠনাৎ শব্দে ভেঙে গেল কয়েকটা রড। ছররা গুলি ফুটো করে দিয়েছে ওর বাহু। গুলির চেয়ে কম ব্যথা দিচ্ছে না পাথরের খোঁচা। কার্নিশে দাঁড়িয়ে আবারও ওকে লক্ষ্য করে গুলি ছুঁড়ল শ্যানন। আর তখনই ছোট এক জলপ্রপাত পেরিয়ে গেল রানা। কিছুই ভাবতে পারছে না তীব্র যন্ত্রণায়। শরীরে বইছে ব্যথার একের পর এক ঢেউ। বরাবরের মত হাল ছাড়ল না ওর নার্ভাস সিস্টেম। ফলে জ্ঞান হারাল না ও। গুলি এসে লাগল ওর শরীরে। পরের গড়ান দিয়ে ঝপাস্ করে নেমে গেল রানা নিচের ডোবায়। ঘোলা চোখে দেখতে পেল ধূসর পানি। কানের ভেতরে এখন আছে অদ্ভুত এক নীরবতা।

    কার্নিশে ঝুঁকে ওকে দেখছে ইংরেজ সাইকো। আবার পাম্প করে গুলি ছুঁড়ল। রানার চারপাশের পানিতে লাগল অসংখ্য পেলেট। পানিতে ডোবা পুরুষ লাশের মত উপুড় হয়ে ভেসে থাকল রানার দেহ। ওর মাথা ও অণ্ডকোষে গুলি করবে বলে ভেবেছে শ্যানন। কিন্তু সেটা করতে হলে নেমে যেতে হবে বহু নিচে। হাত ভরে দেখল পকেটে আর কোন গুলি নেই। চারপাশে তাকাল লেন্স দেখার জন্যে। ভাবছে, কোন না কোন ক্যামেরায় দেখানো হচ্ছে ডার্টি গেমের প্রতিযোগিতায় বিজয়ী হয়ে গেছে সে।

    .

    ফ্যাকাসে মুখে মস্ত স্ক্রিনের দিকে চেয়ে আছে সোহানা। অনেক কষ্টে সামলে রেখেছে অদম্য কান্না। রানার চারপাশের পানিতে ধীরে ধীরে মিশে যাচ্ছে লাল রক্ত। কিছুক্ষণের জন্যে ওর দেহের ওপরে স্থির হলো ক্যামেরা। তারপর দেখানো হলো হাসিমুখে রুপার্ট শ্যাননকে।

    থমথমে নীরবতা নেমেছে বিসিআই-এর কমপিউটার ডিপার্টমেন্টে। অবিশ্বাস নিয়ে দৃশ্যটা দেখছে সবাই। কেউ মেনে নিতে পারছে না যে ওদের প্রিয় রানা আর বেঁচে নেই।

    ‘এই দুনিয়াটা সত্যিই খুব নিষ্ঠুর, আর স্রষ্টা আসলে চরম অবিবেচক,’ বিড়বিড় করল সলীল।

    ঘরের কারও সাহস নেই যে তাকাবে সোহানার দিকে।

    .

    মস্ত তাঁবুতে বসে আত্মতৃপ্তি নিয়ে স্ক্রিনের দিকে চেয়ে আছে ব্র্যাড স্টিল, খুশিতে ফুরফুর করছে তার মন। এটা ঠিক, অন্য অপরাধীদের মত রানাকে নির্যাতন করতে পারেনি শ্যানন, আর সেটা বোধহয় ভালই হয়েছে। দারুণভাবে শেষ হয়ে গেছে ডার্টি গেম শো। এভাবে অনুষ্ঠানটা শেষ হবে সেটা নিজেও কখনও ভাবেনি ব্র্যাড। যেমন ধরনের মানুষই হোক শ্যানন, সে একজন শ্বেতাঙ্গ, তাই পশ্চিমা দুনিয়া খুশি হবে প্রতিযোগিতায় বিজয়ী হয়নি বাদামি চামড়ার এক লোক।

    তারকা হিসেবে শ্যাননের ক্লোয-আপ ছবি স্ক্রিনে দিল এমিলি। ইংরেজ প্রতিযোগী ভাল করে জানে কোথায় আছে ক্যামেরা, তাই লেন্সের দিকে চেয়ে চোখ টিপে হাসল সে। শেষ দৃশ্যের জন্যে আগেই বিজয়ের একটা সুর বেছে দিয়েছে স্টিল। এবার বেজে উঠল সেই মিউযিক।

    নিজেকে নিয়ে গর্ব বোধ করছে স্টিল। সিওয়ার্সের কাঁধের ওপর দিয়ে তাকাল সাবস্ক্রিপশন নাম্বারের ওপরে। যা চেয়েছিল সেটাই পেয়ে গেছে সে। বুক ফুলিয়ে বলল স্টিল, ‘পুরো চার কোটি পাঁচ লাখ চার হাজার বায়ান্ন জন দর্শক।’

    .

    এখন তিনটে লেন্স সরাসরি তাক করা আছে শ্যাননের ওপরে।

    পেখম মেলা ময়ূরের মত যেন নেচে চলেছে ইংরেজ সাইকো। বারবার তার মনে হচ্ছে, সে যেন হয়ে গেছে দুনিয়ার রাজা। আরও বড় একটা কারণে ভাল লাগছে তার, চিরকালের জন্যে মুক্ত হয়ে গেছে প্রযোজক স্টিলের কল্যাণে। বাকি জীবন আর অভাব হবে না টাকার।

    চাপা গর্জন শুনে আকাশে চোখ তুলল শ্যানন।

    তার মাথার ওপর দিয়ে গেল নেভির জেট বিমান।

    দ্বীপ পেরিয়ে কোথায় যেন চলেছে ওটা।

    .

    শ্যানন যখন বিমান উড়ে যেতে দেখল, তার মাত্র দুই সেকেণ্ড পর জেট ইঞ্জিনের গর্জন শুনতে পেল সিম্পসন। চমকে গেছে সে। দ্রুত বিশাল তাঁবু থেকে বেরিয়ে চোখ রাখল নীল আকাশে। শুকিয়ে গেছে তার মুখ।

    .

    হাজার হাজার মাইল দূরে তীব্র হতাশা নিয়ে স্ক্রিনে চেয়ে আছে বিসিআই-এর এজেন্টরা। কারও বুঝতে দেরি হয়নি, প্রথম থেকেই চরম প্রহসন করে গেছে ব্র্যাড স্টিল। আগেই স্থির ছিল আসলে কে জিতবে।

    নতুন দৃশ্যে দেখা গেল ডোবার ভেতরে উপুড় হয়ে ভাসছে রানার লাশ। পানিতে ধীরে ধীরে ছড়িয়ে যাচ্ছে লাল রক্ত।

    হঠাৎ ফোন বেজে উঠতেই পকেট থেকে মোবাইল ফোন নিয়ে স্ক্রিন দেখল রায়হান রশিদ। বাটন টিপে কানে ঠেকাল যন্ত্রটা। ‘হ্যাঁ, বলুন, এডওয়ার্ড।’

    ‘দ্বীপটা পাওয়া গেছে,’ জানাল স্পেশাল এজেন্ট সিমন্স। .’আগামী কয়েক ঘণ্টার ভেতরে ওখানে পৌঁছে যাবে নেভি সিল।’

    স্ক্রিনে রানার ভাসমান লাশ দেখে চাপা দীর্ঘশ্বাস ফেলল রায়হান। ক্লো-আপ করা দৃশ্যে দেখা যাচ্ছে হাস্যরত শ্যাননের মুখ। হঠাৎ রানার ছবির ওপরে এল লাল এক বড় ক্রস-চিহ্ন। দপদপ করে উজ্জ্বল আলো ছড়াল শ্যাননের ছবি।

    ‘আমাদের আর কিছু করার ছিল না,’ বলল সিমন্স। ‘বিসিআই এজেণ্ট মাসুদ রানাকে সাহায্য করতে গিয়ে অনেক দেরি করে ফেলেছে ডিআইএ।’

    ‘আপনি আমাদের জানিয়ে দিয়েছেন, সেজন্যে আপনাকে অনেক ধন্যবাদ,’ শুকনো গলায় বলল রায়হান। ‘ভাল থাকুন!

    স্পেশাল এজেন্ট এডওয়ার্ড সিমন্সের কল কেটে দিল ও।

    ইন্টারনাল স্পিকারে ওরা শুনল বিসিআই চিফের গুরুগম্ভীর কণ্ঠ: ‘কোঅর্ডিনেট্স্ অনুযায়ী সেই দ্বীপের খুব কাছে আছে বাংলাদেশ নেভির ব্যাটল শিপ। আগামী আধঘণ্টার ভেতরে ওখানে পৌঁছে যাবে আমাদের অফিসার ও জোয়ানেরা। ওরা ধরে আনবে ব্র্যাড স্টিল এবং তার দলের লোকগুলোকে। রানার প্রতি যে অন্যায় করা হয়েছে, সেজন্যে আমাদের তরফ থেকে চরম শাস্তি দেয়া হবে তাদেরকে।’ আরামদায়ক চেয়ারে বসে বিশাল স্ক্রিন দেখছে ব্র্যাড স্টিল। গর্বে আরও দশ ইঞ্চি ফুলে গেছে তার বুক। এ-ধরনের কোন অনুষ্ঠান আগে কখনও দেখেনি কেউ। চিরকালের জন্যে ইতিহাসে লেখা থাকবে তার নাম।

    ‘এমিলি, হাইলাইট করা রিল কাট করে নিয়েছ?’ স্ক্রিন থেকে চোখ না সরিয়ে বলল সে।

    ‘আমার কাজ শেষ,’ জবাবে জানাল মেয়েটা। তর্কে যেতে রাজি নয়, তবে তারও মনে হচ্ছে প্রতিযোগিতায় কোন ন্যায্যতা ছিল না। চরম অন্যায় করেছে ওদের বস্।

    ‘আমাদের বিজয়ীকে এনে অনুষ্ঠান শেষ করার আগে রিল দেখাও,’ ক্লান্ত স্বরে বলল স্টিল। তার চেহারা দেখলে যে- কেউ এখন ভাববে, এইমাত্র যৌন-মিলন শেষে বিশ্রাম করছে লোকটা।

    মাথা দোলাল এমিলি। ‘তো শেষ হয়ে গেল এই শো।’

    তার দিকে চেয়ে খুশির হাসি হাসল স্টিল। এমিলি যেহেতু বেইমানি করেনি, তাই অন্য কোন শো-তে ওকে নেবে সে। রিটার কথা ভেবে মনে মনে বলল স্টিল, ‘তোমার এতক্ষণে বোঝার কথা, আমি সত্যিই একজন জিনিয়াস।’ ঘুরে তাকাল যেখানে দাঁড়িয়ে ছিল মেয়েটা।

    কিন্তু কখন যেন বিশাল তাঁবু ছেড়ে চলে গেছে রিটা।

    মেয়েটা নেই বলে খুব বিরক্তি বোধ করল স্টিল। রিটাকে খুঁজে নেবে বলে চেয়ার ছেড়ে রওনা হবে, এমন সময় তাঁবুর ভেতরে এসে ঢুকল রিভ সিম্পসন। শুকিয়ে গেছে তার মুখ। ‘আবার কী হয়েছে?’ বিরক্তি আরও বাড়ল স্টিলের।

    অন্যরা যেন শুনতে না পায়, তাই তার কানের কাছে মুখ নিয়ে সিম্পসন বলল, ‘এইমাত্র ইউএস নেভির একটা এফ/এ-১৮ বিমান দ্বীপের ওপর দিয়ে গেছে। ওরা এখন জানে আমরা কোথায় আছি।’

    কথাটা অ্যাটম বোমার মত আঘাত করল স্টিলের মগজে। এতদিন এই দ্বীপের অবস্থান গোপন করে রেখেছিল সে। দ্বিগুণ বেতন দিয়েছে পাইলটদেরকে, যাতে মুখ বন্ধ রাখে তারা। সবাই মুখ বুজে থাকলেও আজ ভোরে কম্পাউণ্ডে ঢুকে ওয়েদার টাওয়ার থেকে কোঅর্ডিনেট্স্ ফাঁস করে দিয়েছে মাসুদ রানা। এরই ভেতরে মারা গেছে লোকটা, নইলে নিজের হাতে তাকে গুলি করে মারত স্টিল।

    ‘এবার?’ নিচু গলায় বলল সিম্পসন। চট্ করে তাকাল এমিলি, সিওয়ার্স ও অন্যদের দিকে।

    তার দৃষ্টি অনুসরণ করল ব্র্যাড। আগে কখনও ভাবেনি দলের সবাইকে হঠাৎ করে অন্য কোথাও সরাতে হলে কী করতে হবে। কয়েক সেকেণ্ড ভেবে বুঝে গেল সে, আইনী ঝামেলা থেকে বাঁচতে চাইলে অন্যদেরকে ফেলে পালিয়ে চলে যেতে হবে দ্বীপ ছেড়ে।

    ‘বড় হেলিকপ্টারটা কি ফিরেছে?’

    ‘না,’ মাথা নাড়ল সিম্পসন। ‘সেট-আপ ক্রুদের পৌঁছে দিতে মেইন ল্যাণ্ডে গেছে।’

    পাইলটকে বাদ দিলে মাত্র কয়েকজন উঠতে পারবে বেল জেটরেঞ্জার হেলিকপ্টারে। আর সেক্ষেত্রে দ্বীপ ত্যাগ করতে পারবে শুধুমাত্র ব্র্যাড, সিম্পসন, রিটা আর অন্য একজন। বিশাল তাঁবুর ভেতরে চোখ বোলাল স্টিল। সন্দেহ নিয়ে ওকে দেখছে সিলভি। গত কয়েক ঘণ্টা ধরে বেয়াড়াপনা করলেও এতকাল ভাল বন্ধুর মত নিজের দায়িত্ব পালন করেছে সে। একবার বিশ্বাসী কর্মী সিওয়ার্স ও এমিলিকে দেখল স্টিল। কাজে দক্ষ না হলেও এই শো-র জন্যে প্রচণ্ড পরিশ্রম করেছে তারা।

    এমিলি ও সিওয়ার্সের মধ্যে কাকে সঙ্গে নেবে ভেবে পেল না স্টিল। ফিসফিস করে বলল সিম্পসনের কানে, ‘সব গুছিয়ে নেব। দশ মিনিটের ভেতরে চলে এসো জিপের কাছে।’

    স্টিলের দিকে এল সিলভি, চোখে অভিযোগের দৃষ্টি।

    ‘অন্যদের কী হবে?’ নিচু গলায় বলল সিম্পসন।

    ‘মিলিটারি হানা দিলে আগে ধরতে চাইবে আমাদের ক’জনকে, ওদেরকে নয়।’

    কথাটা যে আসলে মিথ্যা, সেটা ভাল করে জানে সিম্পসন ও স্টিল। ডার্টি গেমের মত চরম অন্যায় শো-তে যারা জড়িত, তাদের কাউকে ছাড় দেবে না দুনিয়ার কোন আদালত।

    ‘হঠাৎ তোমার এত তাড়া কিসের?’ বলল সিলভারম্যান।

    জবাব না দিয়ে তাঁবু ছেড়ে বেরিয়ে গেল সিম্পসন। পেছন থেকে তাকে দেখছে সিলভি। প্রথম থেকে সিকিউরিটি চিফকে বিপজ্জনক, অসৎ লোক বলে মনে হয়েছে ওর। সিম্পসন যখন পুলিশের চাকরি করত, তখনও নানা অপরাধে জড়িত ছিল। তার ভেতরে ছিল ডাকাতি ও খুনের অভিযোগ। ডার্টি গেমের · শো-র জন্যে ভাল লোক চেয়েছিল সিলভারম্যান, কিন্তু তার কথা কানেই তোলেনি স্টিল। উল্টে বলেছে, ‘সিম্পসন ভাল একজন মানুষ। নিজের কাজও খুব ভাল করে বোঝে।’

    দ্বীপের ওপর দিয়ে বিমান যেতেই সেই আওয়াজ শুনেছে সিলভি। এ-ও বুঝে গেছে, গোপনে কী যেন করছে স্টিল ও সিম্পসন।

    ‘আমি এখন ব্যস্ত, সিলভি,’ নিজের তাঁবুতে যাওয়ার জন্যে রওনা হলো ব্র্যাড।

    ‘দূরে কোথাও যাচ্ছ, স্টিল?’ তার পিছু নিল সিলভারম্যান।

    জবাব না দিয়ে হনহন করে হাঁটছে স্টিল।

    ‘আসলে যাচ্ছ কোথায়? ভেবেছ আমি কিছুই বুঝিনি? এইমাত্র দ্বীপের ওপর দিয়ে গেছে বিমান। আমার তো মনে হচ্ছে আমাদেরকে ফেলে পালিয়ে যাচ্ছ তোমরা!’

    একটু দূরে আছে সিম্পসন। সিলভির কথা শুনতে পেয়েছে সে। এটা বুঝে গেছে, ঝামেলা করবে টেকনিকাল ডিরেক্টর।

    বহুকালের বন্ধু হলেও সিলভি যে ঝগড়া করেছে, সেটা মনে পড়তেই তিক্ত হলো স্টিলের মন। ব্যক্তিগত তাঁবুতে ঢুকে ভাবল সে, সিলভির অন্তত সত্যি কথাটা জানার অধিকার আছে।

    ‘একটু আগে নেভির বিমান আমাদের ক্যাম্প দেখে গেছে। নেভি যে-কোন সময়ে এই দ্বীপে রেইড দেবে।’

    ‘নেভি?’ চমকে গেল সিলভি। ‘আর তুমি ভাবছ সবাইকে ফেলে পালিয়ে যাবে?’

    ‘গলা নিচু করে কথা বলো, সিলভি।’

    ‘তুমি তো সবাইকে আশ্বস্ত করেছিলে, আইনী কোন বিপদ হলে সেটা সামলে নেবে তুমি,’ গলা আরও চড়ল সিলভির। ‘এখন চোখ উল্টে নিচ্ছ কেন! অন্যরা বিপদে থাকবে আর তুমি কাপুরুষের মত সটকে পড়বে?’

    ‘পরিস্থিতি এখন একদম বদলে গেছে,’ দ্রুত হাতে ব্যক্তিগত কিছু জিনিস গুছিয়ে নিচ্ছে স্টিল।

    ‘তুমি যা খুশি করতে চাইলেই হবে? অন্যদের কোন অধিকার নেই নিরাপদে চলে যাওয়ার? আমি সবাইকে বলে দেব! এমিলি, সিওয়ার্স, রিটা… সবাইকে!’

    চট্ করে প্রেমিকার কথা মনে পড়ল স্টিলের। মেয়েটা কোথায় গেল? সে ভেবেছিল তাঁবুতে থাকবে রিটা।

    ‘আমরা গেলে একসঙ্গে যাব, নইলে কেউ নয়!’ চেঁচিয়ে উঠল সিলভারম্যান।

    তাঁবুর দরজার কাছে সিম্পসনকে দেখতে পেল স্টিল। লোকটার চোখে সিলভির প্রতি চরম বিদ্বেষ। যে-কোন সময়ে টেকনিকাল ডিরেক্টরের ওপরে ঝাঁপিয়ে পড়বে সে।

    সিলভিকে শেষবার সুযোগ দিল স্টিল। ‘হেলিকপ্টারে আর মাত্র একজন উঠতে পারবে। তুমি আমার সঙ্গে যেতে পারো। শো-তে কাজ করেছ বলে তোমাকে দেব পুরো এক মিলিয়ন ডলার।’

    স্টিলের কথায় আরও রেগে গেল সিলভি। অন্যদের কী হবে সেটা ভাবতে গিয়ে ভয়ে শুকিয়ে গেছে তার গলা। বুঝে গেল, ডার্টি গেম শো-তে কাজ করে নিজের আত্মা শয়তানের কাছে বিক্রি করে দিয়েছে সে। ‘তুমি এক মিলিয়ন ডলার দিতে চাইছ? অন্যদের কী হবে? তোমার সঙ্গে যে মৌখিক চুক্তি আমার হয়েছে, তাতে আমাকে দেয়ার কথা অন্তত পাঁচ মিলিয়ন ডলার!’

    টাকার অঙ্ক শুনে সিলভির প্রতি শেষ ফোঁটা বন্ধুত্বও উবে গেল স্টিলের মন থেকে। শীতল কণ্ঠে বলল সে, ‘তুমি কিন্তু একজন টেকনিশিয়ান, এর বেশি কিছু নও। চাকরি করেছ, তাই বেতন পাবে। শো থেকে যে টাকা এসেছে, সেসবে কিন্তু তোমার কোন অধিকার নেই।’

    ‘শালা, কুত্তার বাচ্চা কোথাকার…’ মারমুখী হয়ে স্টিলের দিকে এগোল সিলভি। কিন্তু পরক্ষণে তার সামনে পৌঁছে গেল সিম্পসন। হ্যাঁচকা টানে স্টিলের কাছ থেকে সিলভিকে সরিয়ে নিল সে। প্রচণ্ড ঘুষি বসাল টেকনিশিয়ানের পেটে। বুক থেকে বাতাস বেরোতেই প্রায় দুই ভাঁজ হয়ে গেছে সিলভি।

    পরস্পরের চোখে তাকাল স্টিল আর সিম্পসন। তাদের ভেতরে কোন কথা হলো না। দু’জনই জানে এবার কী করতে হবে। প্রাক্তন বন্ধুকে দেখল ব্র্যাড। একসময় অনেক কাজে এসেছে সিলভি, আর সেজন্যে পেয়েছে মেলা টাকা বেইমানি না করলে হয়তো আরও বহু কিছু পেত। মনিবের ওপরে চড়াও হতে গিয়েছিল বলে এখন চরম শাস্তি পাবে সে।

    সিম্পসনের দিকে চেয়ে মৃদু মাথা দোলাল স্টিল। গোছাতে লাগল নিজের মালপত্র। সিলভারম্যানকে হিড়হিড় করে টেনে নিয়ে তাঁবুর পেছনে ফাঁকা জায়গায় গেল সিম্পসন। এদিকে আসে না কেউ। মাত্র দম ফিরে পেয়েছে সিলভি, এমন সময় দেখতে পেল সিম্পসনের হাতে আর্মির ছোরা।

    ‘আমাকে মেরো না,’ করুণ সুরে বলল সিলভি।

    অসহায় যুবকের গলায় ছোরার ফলা ঠেকাল সিম্পসন। গত ত্রিশ ঘণ্টায় বারবার করে দেখেছে মানুষ খুন হতে। ভেবেছে, সে-ও যদি পেত এই সুযোগ! হেলিকপ্টারের ভেতরে রানা কনুইয়ের গুঁতো মারার পর বহুবার মনে হয়েছে, নিজের হাতে ব্যাটাকে খুন করতে পারলে খুব ভাল লাগত তার। তবে সেটা যখন হলো না, বেইমান সিলভিকে খতম করে দুধের স্বাদ ঘোলে মিটিয়ে নিতে দোষ কোথায়!

    সিলভির পেটে ডান হাঁটু গেঁথে দিল সিম্পসন। ভুস্ করে ফুসফুস থেকে বাতাস বেরিয়ে যেতেই কুঁজো হয়ে গেল যুবক। আর এই সুযোগে গরু জবাইয়ের মত করে তার গলায় ছোরা চালাল সিকিউরিটি চিফ। ক্ষত থেকে ফিনকি দিয়ে বেরোল টকটকে রক্ত। মাটিতে ধুপ করে পড়ে দু’পা ছুঁড়ছে সিলভি। একটু সরে তার ওপরে চোখ রাখল সিম্পসন।

    একমিনিটের ভেতরে থেমে গেল সিলভির দেহের সব নড়াচড়া আর গলার ভেতরে ঘড়ঘড় আওয়াজ। আকাশে অস্বচ্ছ চোখে চেয়ে রইল টেকনিকাল ডিরেক্টর।

    মনে অদ্ভুত এক তৃপ্তি নিয়ে জিপের দিকে চলল সিম্পসন। নিজেকে বলল, এভাবে খুন করতে যে এত মজা, আগে তো বুঝিনি! আমি চাই এমন করে আরও অনেকের জান নিতে!

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleতিমির প্রেম – রকিব হাসান
    Next Article মৃত জ্যোৎস্নার রাত্রি – অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অসম্পূর্ণ বই
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    রুদ্রসমগ্র – রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ

    January 8, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    রুদ্রসমগ্র – রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ

    January 8, 2026
    Our Picks

    রুদ্রসমগ্র – রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ

    January 8, 2026

    রান্না খাদ্য পুষ্টি – সিদ্দিকা কবীর

    January 8, 2026

    শহর খুলনার আদি পর্ব – আবুল কালাম সামসুদ্দিন

    January 8, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }