Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    রুদ্রসমগ্র – রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ

    January 8, 2026

    রান্না খাদ্য পুষ্টি – সিদ্দিকা কবীর

    January 8, 2026

    শহর খুলনার আদি পর্ব – আবুল কালাম সামসুদ্দিন

    January 8, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    মাসুদ রানা ৪৭৪ – ডার্টি গেম

    ডার্টি গেম এক পাতা গল্প344 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ডার্টি গেম – ৪

    চার

    পাপুয়া নিউ গিনি থেকে হাজারো মাইল দূরে পাহাড়ি পথে ওপরদিকে ছুটে চলেছে এক এসইউভি, ছাতে শক্তিশালী স্যাটেলাইট ডিশ। গাড়ি ড্রাইভ করছে বনি মার্সেলের পরিচিত এক লোক। ক্যামেরাম্যান হিসেবে পেছনের সিটে আছে তার সঙ্গী। বনি মার্সেল চাইলেই দুনিয়ার নানান অংশে হাজির হতে পারবে না, তাই এদের দু’জনকে ভাড়া করেছে সে। এখন এসইউভি নিয়ে এল সালভেদরের সোনসোনেট কারাগারের দিকে উঠে চলেছে এরা। জেলারের সঙ্গে এরই ভেতরে আলাপ করেছে স্কাউট। অন্য কারাগারে কয়েকজন কয়েদীকে খুন করেছে বলে এই কারাগারে সরিয়ে আনা হয়েছিল ভয়ঙ্কর খুনি হাতিম আল-রহিমকে। তিন লাখ ডলারের বিনিময়ে তাকে বিক্রি করতে রাজি আছে জেল সুপার।

    পুরনো দুর্গ সোনসোনেট থেকে চোখে পড়ে দিগন্ত বিস্তৃত সুনীল প্রশান্ত মহাসাগর। বেশিরভাগ সময় উঁচু পর্বতের ওপরে ধূসর মেঘের ভেলায় লুকিয়ে থাকে আঠারো শ’ সালে তৈরি এই কারাগার। ওটার চারপাশে স্যাঁতসেঁতে পরিবেশ। কারাগারের দু’মাইল দূর থেকে নাকে আসে শ্যাওলা ও পয়োবর্জ্যের দুর্গন্ধ। প্রায় পচা কাঠের ফটকের সামনে এসইউভি থামতে খুলে গেল ফটক। ড্রাইভার ও ক্যামেরাম্যানের কাগজপত্র মন দিয়ে দেখতে গেল না গার্ডেরা। হাতের ইশারায় জানিয়ে দিল গাড়ি নিয়ে ভেতরে ঢুকতে পারে তারা।

    ড্রাইভার ও ক্যামেরাম্যান দু’জনই এল সালভেদারিয়ান। ভেতরের উঠনে থেমে গাড়ি থেকে নেমে পড়ল তারা। তাদের সামনে এসে থামল একজন গার্ড। হাতের ইশারায় দেখিয়ে দিল কোথায় আছে ওয়ার্ডেনের অফিস।

    পরের দশ মিনিটে জেলারের অফিসে স্থির হলো অপরাধীর জন্যে দরদাম। ঠোঁট থেকে কালো চুরুট নামিয়ে হলদে দাঁত বের করে হাসল জেলার। তার কোঁচকানো ইউনিফর্ম ঢেকে দিয়েছে বিশাল ভুঁড়ি। গা থেকে এল ঘামের বোটকা টকটক গন্ধ। মুখভরা খোঁচা-খোঁচা দাড়ি তার। অতিরিক্ত মদ্যপান করে আপেলের মত লাল করে তুলেছে আলুর মত নাক। মাথার ওপরে চেপে বসা ক্যাপ ঠিক করে নিয়ে ইন্টারকমের রিসিভার তুলে কাকে যেন নির্দেশ দিল সৈ। চেয়ার ছেড়ে উঠে দাঁড়িয়ে বলল, ‘চলুন, দেখা যাক আপনাদের পছন্দ হয় কি না!’

    দুর্গের ভেতরে সারি সারি পাথুরে প্রকোষ্ঠ। বন্দিদের কখনও ব্যায়াম করাতে নেয়া হয় না উঠনে। জায়গাটা যেন পাতালপুরী। দেয়ালের গায়ে সবজেটে শেওলা। নানান দিকে সরু করিডর। কোন কোনটা নেমে গেছে বেসমেন্টে। পাথরের করিডরে খট খট শব্দ তুলছে জেলারের বুটের হিল। বেসমেন্টে নামতেই নাকে এল কাঁচা পায়খানা ও প্রস্রাবের কটু দুর্গন্ধ। খুব নিচু এই তলার ছাত। ওপরতলার পাইপ নেমে এসেছে এখানে। জয়েন্ট বেয়ে চুইয়ে নামছে মলমূত্র ভরা দূষিত পানি।

    অন্ধকারাচ্ছন্ন এক করিডর ধরে এগোল জেলার। তার পিছু নিয়ে হাঁটছে এসইউভির ড্রাইভার ও ক্যামেরাম্যান। বিশ গজ যেতেই সামনে পড়ল পুরু লোহার ছোট এক দরজা। এপাশে দু’জন গার্ড। হাতে এলজি বুলেট ভরা শটগান।। দরজার নিচে ফুড স্লট থেকে আসছে হলদেটে আলো। গার্ডদেরকে গেট খুলতে হাতের ইশারা করল জেলার।

    ক্যাঁচকোঁচ শব্দে খুলল জং-ধরা ছোট গেট। ওদিকে ত্রিশ ফুট বাই ত্রিশ ফুটের বড় সেল। ওপরে একদিকের সরু এক জানালা দিয়ে আসছে রোদ। এককোণে লোহার শিকের তৈরি খাঁচা আপাতত খালি। কামরার একদিকে ছাতের দিকে চেয়ে দাঁড়িয়ে আছে বিশালদেহী এক ইরাকি আরব।

    ‘হাতিম!’ জোর গলায় তাকে ডাকল জেলার।

    ধীরে ধীরে মুখ নিচু করে তাকে দেখল হাতিম আল- রহিম। গলায় লোহার কলারের সঙ্গে পুরু শেকল। ওটার শেষমাথা তালা মেরে আটকে দেয়া হয়েছে দেয়ালের লোহার প্লেটে। সবমিলিয়ে দশ ফুট হাঁটতে পারবে আরব লোকটা।

    ‘সত্যিকারের এক জানোয়ার,’ বলল জেলার।

    হাতিম আল-রহিমের পরনে শার্ট নেই। সারাশরীর বড় বড় কালো রোমে ভরা। মানুষের চেয়ে ভালুকের সঙ্গেই যেন তার বেশি মিল। হাতে-পায়ে থোকা থোকা পেশি। খাঁচায় বন্দি বাঘের চোখে জেলারের দিকে চেয়ে আছে সে।

    ‘ডেসেও প্রোবারলো,’ জানাল ড্রাইভার।

    পরীক্ষা না করে তারা কিনবে না এই বন্দিকে।

    দুর্গন্ধ ভরা চুরুট মুখ থেকে নামাল জেলার। চেহারায় পুরনো গাড়ির সেলসম্যানের মত বিরক্তির ছাপ। ভাবটা এমন যে: কিনলে কেনো, নইলে ভাগো। কয় পয়সাই বা দেবে!

    ‘ভাল দেখে একটা আরব ধরে আন!’ গার্ডদের দিকে চেয়ে খেঁকিয়ে উঠল সে। ‘মুসলিমগুলোর মধ্যে মজিদ আল- কবিরকে আনলে ভাল। এক কাজ কর, দুটো নিয়ে আয়। কবিরের পাশের সেলে আছে মাসুদ রানা। ওটা আরব না হলেও চোখ দেখলে মনে হয় ব্যাটা আসলে ক্ষুধার্ত সিংহ।’

    করিডরে বেরিয়ে সরু প্যাসেজে ঢুকল দুই গার্ড। কিছুক্ষণ পর পৌঁছে গেল ডানজনের মত এক জায়গায়। একের পর এক সেল পার হয়ে থামল একটি কুঠুরির সামনে। হাতিমের ঘরের চারভাগের একভাগ হবে এই কুঠরি। ভেতরে একা আছে মজিদ আল-কবির। ঘোলা চোখে গার্ডদের দিকে তাকাল সে।

    শিকের দরজা খুলল এক গার্ড। তার সঙ্গী দু’হাতে বাগিয়ে ধরেছে গুলি ভরা শটগান।

    ‘অ্যাই, মজিদ! বেরিয়ে আয়!’

    তিক্ত চেহারায় উঠে দাঁড়াল প্রকাণ্ডদেহী মজিদ। জেলারের তলব মানেই খারাপ খবর। আজই হয়তো ফাঁসি হবে তার। তবুও বলা যায় না, সুযোগ হয়তো আসবে ভেগে যাওয়ার।

    অস্ত্রের মুখে সেল থেকে বেরোল মজিদ আল-কবির। যে গার্ড দরজা খুলে দিয়েছে, সে খুলল পাশের কুঠরির দরজা। এবারের কামরা বেশ বড়, ভেতরে অন্তত দশজন কয়েদী।

    ‘বেরিয়ে আয়, মাসুদ রানা,’ হুঙ্কার ছাড়ল গার্ডদের একজন, ‘জেলার তোকেও ডেকেছেন।’

    ছোট্ট জানালার সামনে আছে মাসুদ রানা। ওদিক থেকে আসছে হলদে রোদ। নিজের ভাগের রুটির গুঁড়ো কয়েকটা চড়ই পাখিকে খাওয়াচ্ছে বাঙালি যুবক। মাথার দীর্ঘ চুল এলোমেলো। মুখে খোঁচা-খোঁচা দাড়ি। ভাবলেশহীন চেহারায় দরজার দিকে এল সে। কবিরের মতই বুঝে গেছে, মন্দ কোন সংবাদ দেবে জেলার। করিডরে বেরোতেই ওদের দু’জনকে সামনে রেখে পিছু নিল অস্ত্র হাতে দুই গার্ড।

    ধীরপায়ে হাঁটছে মাসুদ রানা। ওর মনে পড়েছে কয়েক মাস আগের বিপজ্জনক এক মিশনের কথা।

    ওটার নাম ছিল অপারেশন ব্ল্যাক লিস্ট। এ-বিষয়ে ওর কাছ থেকে জেনে ছোট এক বই লিখেছিল বাংলাদেশি এক লেখক। তারপর থেকে নাকি তাকে খুব ত্যক্ত করছে তার পাঠকেরা। তাই শেষমেশ উপায় না দেখে যোগাযোগ করেছিল ওর সঙ্গে। ফোনে অনুনয় করেছে, ‘স্যর, এত প্রশ্নের জবাব দিতে না পেরে আমি তো প্রায় পাগল হয়ে যাচ্ছি! প্লিয, আমাকে কি একটু সময় দেবেন? আমি শুধু জানতে চাই, ব্ল্যাক লিস্ট আপনার হাতে এলে তারপর কী হলো? ড্রাগসের চালান কি বন্ধ হয়েছে দেশে আসা? গ্রেফতার করা গেছে মাফিয়ার সেসব ক্রিমিনালদেরকে?’

    গোপন কথা ফোনে বলতে চায়নি রানা। তাই জানিয়ে দিয়েছে, লেখক যেন ওর বাড়িতে এসে দেখা করেন।

    পরদিন সকাল নয়টায় গুলশান এক-এ রানার বাড়িতে এল লেখক। তাকে ড্রয়িংরুমে বসিয়ে সংক্ষেপে ব্ল্যাক লিস্ট মিশন সম্পর্কে জরুরি আরও কিছু তথ্য দিয়েছে রানা। সোনসোনেট কারাগারের করিডর ধরে হাঁটতে হাঁটতে পরিষ্কার মনে পড়ল ওর নিজের বলা কথা: ‘যেদিন ব্ল্যাক লিস্ট হাতে এল, সেদিনই স্পেন থেকে ফিরে এসেছি বাংলাদেশে। আর এর পরদিন বিসিআই ও বিএসএস-এর দুই চিফ মিলে গড়লেন একটি চৌকশ টিম। আমরা টিমের সবাই ভেবেছিলাম এবার ঝাঁপিয়ে পড়ব ড্রাগ লর্ডদের ওপরে। কিন্তু বাস্তবে কাজে নামতে গিয়ে দেখা গেল, মাত্র দু’দিনে উবে গেছে ড্রাগের চেনা-অচেনা সব রুট। এদিকে অপরাধীদের কারও হদিস নেই।’ কিছুক্ষণ চুপ করে থেকে বলেছে রানা, ‘আমাদের ধারণা, মোরেলিকে যখন খুন করল এলিনা পার্কারসন, এর একটু পর আমার তৈরি তুষার ধস খুঁড়ে উঠে এসেছিল মেয়েটা। মাফিয়া দলে নিজের আসন পোক্ত করতে গিয়ে ফোনে সতর্ক করেছে মাফিয়া কমিশনকে। আর তাই ঝুঁকি না নিয়ে আণ্ডারওঅর্ল্ডে চলে গেছে মাফিয়ার সঙ্গে জড়িত প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ লোক।’

    লেখককে আরও কিছু তথ্য দিয়েছে রানা।

    মাফিয়া ডনদের সবাই ড্রাগ ব্যবসা করে না। সুতরাং যারা নোংরা এ-ব্যবসায় নেই, তাদের কারও কাছ থেকে হয়তো আবারও পাওয়া যাবে ড্রাগ লর্ডদের বিষয়ে দরকারি তথ্য ও প্রমাণ। আপাতত আর কিছুই করার নেই। মেনে নিতে হচ্ছে, মাফিয়ার কবল থেকে আপাতত রেহাই পাবে না কেউ।

    এর পরের পাঁচ দিনে দু’বার ঢাকার মগবাজার ও বনানীতে হামলা হলো রানার ওপরে। বসের নির্দেশে আত্মগোপনে যেতে হলো ওর। পরের দিনগুলো ছিল খুব নিরানন্দ। চিরকাল মুক্ত বিহঙ্গের মত থেকেছে যে মানুষ, তার তো ভাল লাগার কথা নয় বন্দি জীবন। খাঁচার বাঘের মত অস্থির হয়ে গেল ও।

    সপ্তম দিনে মেজর জেনারেল (অব.) রাহাত খানের কাছ থেকে এল ফোন। খিলগাঁর একতলা সেফ হাউস ছেড়ে নানান এলাকার জ্যামে কয়েকটা সিএনজি বদলে মতিঝিলে বিসিআই অফিসে হাজির হলো রানা। সকাল এগারোটায় নিজের রুমে বসে আছে, এমন সময় ইন্টারকমে ডাকলেন বস্।

    সপ্তম তলায় উঠে বসের সুন্দরী নতুন রিসেপশনিস্ট ললিতা সান্যালকে উড়ন্ত চুমু উপহার দিয়ে বিসিআই চিফের ঘরে ঢুকে পড়ল রানা। হাতের ইশারায় সামনের চেয়ারে ওকে বসতে ইশারা করলেন তিনি।

    রানা দেখল টিপটিপ করে লাফ দিচ্ছে বসের কপালের পাশের নীলচে শিরা। ও বসতেই বললেন তিনি, ‘তুমি ব্ল্যাক লিস্ট মিশনে যাওয়ার আগে দুনিয়া থেকে বিদায় করে দিয়েছ সিআইএ এজেন্ট জন মিউলারকে। আর তখনই তোমাকে শেষ করে দেবে বলে সিদ্ধান্ত নিয়েছে সিআইএ চিফ। এত দিন মাফিয়া দলের বিষয়ে তথ্য পাবে ভেবে চুপ করে ছিল সে। তবে মাফিয়ার বড় নেতারা ডুব দিতেই এখন হন্যে হয়ে তোমাকে খুঁজতে শুরু করেছে তার এজেন্টরা। ফলে তুমি এখন দুনিয়ার কোথাও নিরাপদ নও।’

    ‘আমি, স্যর, সতর্ক আছি,’ বলল রানা।

    ‘এই তো ক’দিন আগে মগবাজারে তোমার ওপরে হামলা করল পিসিআই এজেন্টরা। তারা মারা গেলেও আবার কেউ না কেউ তোমাকে খুন করতে চাইবে। ফাণ্ড নেই বলে কিছু দিন পর হাল ছেড়ে দেবে পিসিআই কর্মকর্তারা। কিন্তু সিআইএর হাত তো অনেক লম্বা। তোমার ওপরে বনানীতে দ্বিতীয় যে হামলা, ওটা ছিল তাদেরই। এভাবে কত দিন তুমি নিজেকে বাঁচাতে পারবে?’

    চুপ করে থাকল রানা।

    ‘আজ ভোরে আমাকে একটা প্রস্তাব দিয়েছেন আমেরিকার ডিফেন্স ইন্টেলিজেন্স এজেন্সির চিফ লুকাস ম্যাকগিল।’ বাক্স থেকে নিয়ে ঠোঁটে পুরু এক কালো চুরুট ঝোলালেন রাহাত খান। রানার উপহার দেয়া রনসন লাইটার দিয়ে জ্বেলে নিলেন ওটা। বুক ভরে টেনে ছাতের দিকে পাঠালেন নীলচে ধোঁয়া। ‘তুমি রাজি হলে আমি তাঁর কথায় সম্মতি দেব। তার আগে শুনে নাও তোমাকে কী করতে হবে।

    ‘তুমি রাজি হলে আমেরিকার প্রেসিডেন্টের মাধ্যমে সিআইএ চিফকে নিরস্ত করবেন ডিআইএ চিফ। সেক্ষেত্রে তোমার বিরুদ্ধে হুলিয়া তুলে নেবে সিআইএ। তাতে স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে পারবে তুমি।’ গম্ভীর দৃষ্টিতে রানাকে দেখছেন বিসিআই চিফ। ‘নতুন এই মিশনে তোমার যাওয়ার আরেকটা জরুরি কারণ আছে।’ চুপ হয়ে গেছেন তিনি।

    কথা গুছিয়ে নিচ্ছেন বস্। অপেক্ষা করল রানা।

    কিছুক্ষণ পর বললেন বিসিআই চিফ, ‘ডিআইএ চিফ যা চাইছেন, সেটা আমাদের দেশের জন্যেও মঙ্গলকর।’

    ‘আমাকে আসলে কী করতে হবে, স্যর?’ বলল রানা।

    ‘ডিআইএর মিশন নিয়ে যাবে এল সালভেদরে,’ বললেন (অব.) মেজর জেনারেল, ‘ধ্বংস করবে হেরোইন, পাউডার কোকেন, ক্র্যাক কোকেন, মেথ, এলএসডি আর এমডিএমএ তৈরি করার বড় কিছু কারখানা। সম্ভব হলে ধরে সাগরতীরে পৌঁছে দেবে তিন ড্রাগ লর্ডকে। সেক্ষেত্রে তাদেরকে লঞ্চে তুলে নিজেদের দেশে নেবে ডিআইএর দুই এজেন্ট। এদিকে আমাদের কাছে তথ্য আছে, এল সালভেদরের যে ড্রাগ দক্ষিণ-পুব এশিয়ায় আসে, এর বড় এক অংশ ঢুকছে বাংলাদেশে। এই একই কথা বলেছেন ডিআইএ চিফ। তুমি এল সালভেদরে কারখানাগুলো উড়িয়ে দিলে এবং ড্রাগ লর্ডদেরকে ধরতে পারলে ড্রাগের চালান অর্ধেকের বেশি কমে যাবে বাংলাদেশ ও আমেরিকায়।’

    ‘ডিআইএর এজেন্টরা নিজেরা এই কাজটা করছে না কেন, স্যর?’ জানতে চাইল রানা।

    ‘চেষ্টা তারা করেছে,’ বললেন রাহাত খান। ‘গত ছয় মাসে এল সালভেদরের গভীর জঙ্গলে কারখানা ধ্বংস করতে গিয়ে মারা গেছে তাদের তিনজন এজেন্ট।’

    ‘এখন আশা করছে তাদের কাজ আমি একাই পারব?’

    ‘সেটা তারা ভাবছে না,’ রানাকে দেখলেন চিফ। মুখে বললেন না ডিআইএ এজেন্ট তো আর বিসিআই-এর কিংবদন্তী মাসুদ রানা নয়! ‘তারা তোমাকে সব ধরনের তথ্য ও অস্ত্র দেবে। তাদের হাতে মারা গেছে এল সালভেদরের প্রাইম মিনিস্টারের ভাগ্নের মাফিয়া দলের ক’জন। তার ওপর মিলিটারি থেকে সরাসরি সাহায্য পাচ্ছে ড্রাগ লর্ডেরা। তাই সে-দেশে ঢুকে নতুন কোন আন্তর্জাতিক বদনাম চাইছে না তারা। …এখন তুমি কী বলো, রানা? যাবে এল সালভেদরে? ডিআইএ চিফ কথা দিয়েছেন, তুমি গ্রেফতার হলে তোমাকে ওখান থেকে বের করে আনবেন তিনি। আমাদেরও চোখ থাকবে এল সালভেদারিয়ান সরকারের ওপরে।’

    ‘আমি যেতে রাজি, স্যর,’ দ্বিধা না করেই বলেছে রানা। ‘গুড,’ বললেন বিসিআই চিফ। ‘তা হলে ডিআইএ চিফকে জানিয়ে দেব যে তুমি যাচ্ছ। সেক্ষেত্রে আজ রাতেই বিমানে চেপে কয়েক দেশ ঘুরে পৌঁছুবে মেক্সিকোয়। একবার সেখানে গেলে ওখান থেকে তোমাকে এল সালভেদরে পৌঁছে দেবে ডিআইএর বোট।’

    সরাসরি রানার চোখে তাকালেন রাহাত খান। ‘আরেকটা কথা, রানা। তোমার মিশন শেষ হলে সরাসরি ফিরে আসবে বাংলাদেশে। তখন তোমার নেতৃত্বে গড়া হবে ছোট একটা টিম।’ চুরুটে টান দিয়ে কী যেন ভাবছেন বস্। একটু পর বললেন, ‘তুমি তো জানো, বাংলাদেশের মানুষের ওপর খুব বাজে প্রভাব ফেলেছে লাখ লাখ বাস্তুহারা রোহিঙ্গা। ইয়াবার মত ভয়ঙ্কর সব ড্রাগ এদের মাধ্যমে ছড়িয়ে যাচ্ছে গোটা দেশে। চরমভাবে আসক্ত হচ্ছে বাঙালি ছেলেমেয়েরা। মানসিক ও অর্থনৈতিকভাবে ধসে যাচ্ছে হাজারো পরিবার। অথচ আমাদের সরকারের উচিত ছিল বহু আগে রোহিঙ্গাদের অন্যায়-অনাচারকে রুখে দেয়া।’

    খুক-খুক করে কাশলেন চিফ। রানার চোখে আবারও স্থির হলো তাঁর কঠোর চোখ। ‘গত কয়েক বছরে প্রায় দশ লাখ রোহিঙ্গা ঢুকেছে দক্ষিণ-পুবের জেলাগুলোতে। এরা প্রায় সবাই নাক পর্যন্ত ডুবিয়ে রেখেছে ইয়াবার মত ভয়ঙ্কর সব ড্রাগ চোরাচালানে। বিশেষ করে এখানে বসে মায়ানমারের কাঁচা রসদ পেয়ে ইয়াবার কারখানা করেছে এরা। জোগানদারদের প্রশ্রয় পেয়ে যা খুশি করছে। অথচ আন্তর্জাতিক দু’চোখা নীতির কারণে আমাদের সরকার এদেরকে মায়ানমারে ঘাড় ধরে ফেরত পাঠাতে পারবে না। ফলে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে আমাদের লাখ লাখ মানুষ। সুতরাং রোহিঙ্গাদের মাধ্যমে যারা ক্ষতিকর কিছু এ- দেশে পাচার করছে, এবার মায়ানমারে ঢুকে তাদের শিকড় উপড়ে দেবে তোমরা।’

    ‘তার মানে, স্যর, ড্রাগ তৈরির রসদ যেন রোহিঙ্গাদের কাছে না আসে, সেটা আমরা নিশ্চিত করব,’ বলল রানা।

    মাথা দোলালেন বিসিআই চিফ। ‘তুমি ফিরলে সরকারি কিছু এজেন্সির চিফসহ বিস্তারিত আলাপ করব আমরা।’

    টেবিল থেকে লাল একটা ফাইল নিলেন তিনি। অর্থাৎ, তুমি এবার যেতে পারো।

    সোনসোনেট কারাগারের করিডর ধরে হাঁটতে হাঁটতে বাস্তবে ফিরে এল রানা। মুখে ফুটল তিক্ত একটুকরো হাসি।

    বড় চারটে ড্রাগের কারখানা ধ্বংস করে দিয়েছে ও। তৃতীয় দিনে এক মিটিঙের খবর পেয়ে সেখানে হামলা করে শেষ করেছে প্রাইম মিনিস্টারের ভাগ্নেসহ চার ড্রাগ লর্ডকে। কিন্তু এরপর মাথায় ভেঙে পড়ল আস্ত আকাশ। ওর পেছনে লেলিয়ে দেয়া হলো এল সালভেদারিয়ান মিলিটারিকে। জঙ্গলে রানার হাতে খুন হলো নয়জন সৈনিক ও অফিসার। আগেই ফুরিয়ে গিয়েছিল ওর অস্ত্রের গুলি। শেষ দু’জনকে খতম করেছে বুবি ট্র্যাপ তৈরি করে। এদিকে বুকে ও উরুতে দুটো গুলি। প্রচুর রক্তক্ষরণে একসময় হারিয়ে গেল চেতনা। জ্ঞান ফিরতে নিজেকে দেখল জঘন্য কারাগার সোনসোনেটের হাসপাতালে। সুস্থ হওয়ার আগেই কর্তৃপক্ষ জানাল, প্রাইম মিনিস্টারের নির্দেশে আদালতে উঠবে না ওর কেস। আসামীর আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ না দিয়েই সুপ্রিম কোর্ট থেকে রায় ঘোষিত হলো- দেশের চরম শত্রু বিদেশি লোক মাসুদ রানাকে ফাঁসি দেয়া হবে তিন মাস পর। এরপর থেকে রানা আছে এই কারাগারে। ডিআইএ থেকে কোন সাহায্য আসেনি। এমন কী তাদের তরফ থেকে কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করেনি কেউ। ক’দিন আগে শুনেছিল, এল সালভেদারিয়ান সরকারের কাছে বাংলাদেশ সরকারের উচ্চ পর্যায় থেকে অনুরোধ করা হয়েছিল, যেন তাদের হাতে তুলে দেয়া হয় রানাকে। তবে তাতে কোন সাড়া দেয়নি এল সালভেদরের সরকার।

    পিঠে শটগানের নলের খোঁচা খেয়ে হাঁটার গতি বাড়াল রানা। মিনিটখানেক পর পৌঁছে গেল হাতিম আল-রহিমের সেলের সামনে। পিঠে ধাক্কা দিয়ে কামরার ভেতরে ঠেলে দেয়া হলো ওকে। বিশালদেহী আরবের দিকে চেয়ে ওর মনে হলো, শেকল দিয়ে আটকে রাখা হয়েছে ভীষণ হিংস্র এক জলহস্তি। আগে কখনও তাকে দেখেনি রানা। তার সম্পর্কে কিছু শোনেওনি। অবশ্য কারও কিছু বলতে হবে তা নয়, লোকটার চোখে-মুখে নীচতা দেখেই যা বোঝার বুঝে গেছে ও।

    জেল সুপারের দিকে তাকাল রানা। হলদে দাঁত বের করে ওর দিকে চেয়ে হাসছে লোকটা। এক ক্যামেরাম্যান ব্যস্ত হয়ে ভিডিয়ো তুলছে রহিমের।

    ‘আমাকে এখানে আনা হয়েছে কেন?’ ইংরেজিতে বলল রানা।

    ‘লড়ে জেতার জন্যে,’ বলল ওয়ার্ডেন।

    চুপ করে থাকল রানা।

    ‘লড়াই শুরু করো!’ চেঁচিয়ে উঠে নির্দেশ দিল জেলার।

    মজিদ আল-কবিরকে কিছুই বলতে হলো না, স্বজাতি হাতিম আল-রহিমের ওপরে ক্ষুধার্ত বাঘের মত ঝাঁপিয়ে পড়ল সে। হাত তুলে তার আক্রমণ ঠেকাল পাহাড়ের মত উঁচু আল-রহিম। ডান হাঁটু তুলে প্রচণ্ড এক গুঁতো দিল মজিদের বুকে। তার মারে এত জোর, ভুস্ করে বুক থেকে বাতাস বেরিয়ে গেল মজিদের। সে পিছিয়ে আসার আগেই বামহাতে খপ্ করে তার মুখ চেপে ধরল হাতিম। ডানহাতে শত্রুর নাকের ওপরে বসাল প্রচণ্ড এক ঘুষি। পরের মাত্র দশ সেকেণ্ডে আলুর ভর্তা হয়ে গেল মজিদের মুখ। ভারসাম্য রাখতে না পেরে ধুপ করে মেঝেতে পড়ল সে।

    সিগার মুখে নিয়ে উৎসাহের সঙ্গে মারামারি দেখছে জেল সুপার। কিন্তু চট্ করেই শেষ হয়ে গেছে লড়াই। পরের পাঁচ সেকেণ্ডে মজিদের পাশে বসে তার ঘাড় মটকে দিল হাতিম আল-রহিম। উঠে দাঁড়িয়ে গায়ের জোরে এক লাথি মেরে কয়েক ফুট দূরে ছিটকে ফেলল লাশটা। এবার রানার দিকে ঘুরে তাকাল হাতিম। কয়েক পা এগোল সে, তবে শেকলের কারণে ঝাঁপিয়ে পড়তে পারল না রানার ওপরে।

    হাতিমের দিকে চেয়ে আছে রানা। নিজে থেকে আক্রমণ করার কোন আগ্রহ নেই ওর।

    অধৈর্য হয়ে উঠল কারাগারের সুপার। পকেট থেকে একটা চাবি নিয়ে ছুঁড়ে দিল হাতিমের দিকে। খপ্ করে চাবিটা ধরল আরব খুনি। তার সময় লাগল না গলার কলারের তালা খুলে নিতে। আবার তাকাল সে রানার দিকে। এবার বুকের ভেতর থেকে বেরোল ঘড়ঘড়ে গর্জন। পরক্ষণে বাংলাদেশি কয়েদীর ওপরে ঝাঁপিয়ে পড়ল সে।

    বিদ্যুদ্বেগে বারকয়েক মার্শাল আর্টের কিছু কৌশল কাজে লাগাল রানা। তাতে সময় নিয়েছে বড়জোর সাত সেকেণ্ড। মড়াৎ করে ভেঙে গেছে হাতিমের পাঁজরের তিনটে হাড়। তার একটা গেঁথে গেছে ফুসফুসে। চুরমার হয়েছে হাতিমের বাম চোয়ালের হাড়। নাক এখন নেই। বিশাল রেডউড গাছের মত দড়াম করে মেঝেতে পড়ল হাতিম আল-রহিম। এই পতনে থরথর করে কেঁপে গেল গোটা ঘর।

    নির্বিকার চেহারায় জেল সুপারের দিকে তাকাল রানা। ওর শ্বাস-প্রশ্বাস এখনও একদম স্বাভাবিক। নিচু গলায় বলল রানা, ‘আমি কি এবার যেতে পারি?’

    হতবাক হয়ে ওকে দেখছে স্কাউটের প্রতিনিধি।

    রানার চেহারা যুম করে ডার্টি গেম শো-র প্রযোজকের কাছে ভিডিয়ো পাঠাল ক্যামেরাম্যান।

    .

    এলইডি স্ক্রিনে দেখা যাচ্ছে মাসুদ রানাকে। এইমাত্র যে লড়াই দেখেছে স্টিল, তাতে চমকে না গিয়ে পারেনি সে। স্যাটেলাইট ফোনে জানতে চাইল, ‘এই লোক আসলে কে? কোথা থেকে এসেছে?’

    ‘এই লোক কি আরব?’ জানতে চাইল এমিলি।

    ‘না, সে আরব নয়,’ বলল স্কাউটের প্রতিনিধি, ‘আমাদের আরব এখন মৃত্যুযাত্রী।’ জেলারের দিকে তাকাল সে। ‘এই লোক আসলে কোথাকার?

    নিচু গলায় কী যেন বলল জেলার।

    শুনতে পেল না এমিলি।

    সিওয়ার্সের দিকে তাকাল স্টিল। ‘এর খোঁজ নাও।’

    বস্ নিজে থেকে কিছু বলার আগেই এল সালভেদারিয়ান পুলিশ ডিপার্টমেন্টের কমপিউটার ডেটাবেস-এ ঢুকে পড়েছে হ্যাকার সিওয়ার্স। কয়েক সেকেণ্ড পর বলল, ‘এর নামে যা আছে, ডাউনলোড করেছি। সে একজন বাংলাদেশি খুনি। এল সালভেদরের প্রাইম মিনিস্টারের ভাগ্নে আর কয়েকজন ড্রাগ লর্ডকে খুন করেছে। ধ্বংস করে দিয়েছে ড্রাগের কারখানা। তার হাতে মরেছে সবমিলিয়ে আঠারোজন লোক। তাদের ক’জন আবার মিলিটারি পার্সোনেল। তাকে ধরতে সাহায্য নেয়া হয়েছে এল সালভেদারিয়ান মিলিটারির। সুপ্রিম কোর্টের কয়েক মাস আগের এক রায় অনুযায়ী সাত দিন পর ফাঁসি হবে তার। যদিও যাদেরকে খুন করেছে, তাদের সবাই ছিল ড্রাগ ব্যবসার সঙ্গে জড়িত। ‘

    ‘অর্থাৎ, সে একজন ভাল মানুষ?’ ভুরু কুঁচকে ফেলল স্টিল। ‘তা হলে তো আমাদের চলবে না!’

    ‘তার ওপর এই লোক মুসলিম হলেও আরব নয়,’ বলল এমিলি। ‘বস্, আপনি না একজন আরব ক্রিমিনাল চাইছেন?’

    ‘আরব আর চাই না, মাসুদ রানার মারামারির দক্ষতা দেখে তাকেই আমার ভাল লেগেছে।’

    তর্ক করার সাহস নেই এমিলির। বহু কিছু শিখেছে বসের কাছ থেকে। মনে স্বপ্ন, একদিন নিজে তৈরি করবে রিয়েলিটি শো। ‘তা হলে, বস্, আমরা কি ওকে কিনব?’

    তরুণেরা যেভাবে ঝকঝকে নতুন ফেরারি গাড়ি দেখে মুগ্ধ হয়ে যায়, সে-দৃষ্টিতে রানাকে দেখছে স্টিল। নিচু স্বরে বলল সে, ‘হ্যাঁ, আমার ওকেই চাই!’

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleতিমির প্রেম – রকিব হাসান
    Next Article মৃত জ্যোৎস্নার রাত্রি – অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অসম্পূর্ণ বই
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    রুদ্রসমগ্র – রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ

    January 8, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    রুদ্রসমগ্র – রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ

    January 8, 2026
    Our Picks

    রুদ্রসমগ্র – রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ

    January 8, 2026

    রান্না খাদ্য পুষ্টি – সিদ্দিকা কবীর

    January 8, 2026

    শহর খুলনার আদি পর্ব – আবুল কালাম সামসুদ্দিন

    January 8, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }