Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    মা – মাক্সিম গোর্কি (অনুবাদ : বিমল সেন)

    বিমল সেন এক পাতা গল্প172 Mins Read0
    ⤶

    ২.১৬-১৯ উঠে দাঁড়ালো এণ্ড্রি

    ২.১৬

    এরপরই উঠে দাঁড়ালো এণ্ড্রি। জজের দিকে চেয়ে বললো, আত্মপক্ষ-সমর্থনকারী ভদ্রলোকগণ…

    জনৈক জজ বেগে চেঁচিয়ে বললেন, তোমার সামনে আদালত, আত্মপক্ষ-সমর্থনকারী ভদ্রলোকগণ নয়।

    এণ্ড্রি মাথা দুলিয়ে বললো, তাই নাকি? আমার কিন্তু তা মনে হচ্ছে না। আমি দেখছি, আপনারা বিচারক নন, বিবাদী মাত্র।

    বাজে না ব’কে মামলার কথা বল!

    মামলার কথা? বহুৎ আচ্ছা। আমি জোর ক’রে মনে ক’রে নিলুম যে আপনারা সত্যি-সত্যি জজ, সাধু স্বাধীনচেতা পুরুষ…

    আদালত তোমার এসব সার্টিফিকেট চায় না।

    এসব চায় না? আচ্ছা, আমি বলে যাচ্ছি। আপনারা হচ্ছেন স্বাধীন মানুষ—আত্ম-পর ভেদ নেই। এখন, আপনাদের সামনে দাঁড়িয়েছে দু’পক্ষ : একদল নালিশ জানাচ্ছে, ও আমাব যথাসর্বস্ব লুণ্ঠন কয়ে নিয়েছে, আমার সর্বনাশ করেছে। আর একদল জবাব দিচ্ছে, আমার লুঠন করার এবং সর্বনাশ করার অধিকার আছে; কারণ আমি সশস্ত্র…

    দয়া করে গালগল্প রাখো।

    সে কি! আমি তো শুনেছি বুড়োর গালগল্পের বড্ডো ভক্ত।

    তোমার মুখ বন্ধ করে দেব। মামলার কথা বলো…রসরঙ্গ না করে।

    মামলার কথা! কিন্তু বেশি কি আর বলবো। যা বলবার তা তো আমার কমরেডরাই বলেছে। বাকি যা তা বলবারও দিন আসছে। তা বলা হবে…দিন আসছে যখন…

    আমি তোমাকে কথা বলতে নিষেধ করছি। ভ্যাসিলি শ্যাময়লভ…

    শ্যাময়লভ উঠে তার কোকড়া চুল নেড়ে বললো, সরকারি উকিল আমাদের সঙ্গীদের বলেছেন, অসভ্য, সভ্যতার শত্রু…আমি জিগ্যেস করি, আপনাদের এই সভ্যতা চিজটা কেমন?

    তোমার সঙ্গে তা নিয়ে আলোচনা করতে আসিনি আমরা। কাজের কথা বল।

    শ্যাময়লভ সে কথা কানে না তুলে বলতে লাগলো, আপনারা গোয়েন্দা পোষেন, মা-বোনদের পথভ্রষ্ট করেন। মানুষকে এমন অবস্থায় ফেলেন যে, সে চুরি করতে, খুন করতে বাধ্য হয়। তাকে আপনারা নষ্ট করেন মদ দিয়ে…আন্তর্জাতিক হত্যা-ব্যবসায় দিয়ে, বিশ্বব্যাপী মিথ্যা, হীনতা এবং বর্বরতা দিয়ে এই তো আপনাদের সভ্যতা… হাঁ, আমরা শত্রু…এ-সভ্যতার শত্রু।…

    জজ উচ্চকণ্ঠে তাকে নিষেধ করলো, কিন্তু শ্যাময়লভ যেন আরো জ্বলে উঠলো, কিন্তু আমরা শ্রদ্ধা করি, সম্মান করি আর একটা সভ্যতাকে, যার স্রষ্টাদের আপনারা নির্যাতিত কবেছেন, জেলে পচিয়ে মেরেছেন, পাগল করে দিয়েছেন,…

    জজ তাকে বসিয়ে দিলেন।

    কিছুক্ষণ পরে বিচার সাঙ্গ হলো। দণ্ড হলো—সাইবেরিয়ায় নির্বাসন সকলের। চোখের জলের মধ্য দিয়ে আত্মীয়-বন্ধু-বান্ধবগণের নিকট থেকে বিদায় নিয়ে আসামীরা রক্ষীদের সঙ্গে আদালত হতে বেরিয়ে গেলো।

    .

    মাও ধীরে ধীবে আদালতের বাইরে এলেন। তখন রাত হয়ে গেছে। দলে দলে নরনারী এসে তাকে অভিনন্দিত কবলো। শশেংকা এসে পেভেলের কথা জিগ্যেস করলো। মা সকল প্রশ্নের জবাব দিলেন ধীরে, স্থিরভাবে। তিনি ভাবছিলেন, পেভেল, গেলে এই বার আমার পালা। আমারও এমনি বিচার হবে, নির্বাসন হবে। আমি তখন শুধু একটি আবেদন করবো, সে হচ্ছে পেভেল যেখানে থাকবে, আমায় যেন সেইখানে নির্বাসিত করে।

    .

    ২.১৭

    বাড়িতে এসে মা এবং শশা দু’জনে বসে বুনছে ভবিষ্যতের স্বপ্নজাল। পেভেলের শশার বিয়ে হবে ছেলে হবে…মা নাতিকে আদর করবেন…পেভেল বাঁধা পড়তে চাইবে না…কাজের তাগিদে দূরে চলে যেতে চাইবে শশা বাধা দেবে না…সে হবে যোগ্যা সঙ্গিনী…স্বামীর সহায় … বাধা নয়… এমনি আরো কত কি!

    হঠাৎ আইভানোভিচ এসে ঘরে ঢুকলো। বললো, তোমরা এখান থেকে পালাও…নইলে ধরা পড়বে। গোয়েন্দা যেমন ভাবে আমার পিছু নিয়েছে তাতে খুব সম্ভব আমি শীগগিরই গ্রেপ্তার হবো। এই পেভেলের বক্তৃতা…ছাপানো দরকার…নিয়ে লুকিয়ে রাখো…আইভানকে দিয়ো…বলে একখানা কাগজ মার হাতে দিলো।

    মা বললেন, আমায় ধরবে?

    নিশ্চয় এবং তাতে অনেক কাজের ব্যাঘাত হবে। তুমি বরং লিউদমিলার কাছে যাও।…কাল ভোরে একটা ছেলে পাঠিয়ে খবব নিয়ো, আমি আছি কি নেই।

    মা বিদায় নিয়ে বেরিয়ে পড়লেন পথে। শশা অনেক দূর তার সঙ্গে গেলো, বললো, চমৎকার এই আইভানোভিচ। মরণ যখন ডাক দেবে, তখনো ও চলবে এমনি সহজ শান্তভাবে। চশমাটা ঠিক করতে করতে শুধু বলবে, তোফা, তারপর মরবে।

    মা, বললেন, আমি ওকে বড় ভালোবাসি।

    শশা বললো, আমি অবাক হই। ভালোবাসা? না,–আমি ওকে শ্রদ্ধা করি। কাটখোট্টা সাদা-সিধে বাইরের অভ্যন্তরে একখানি কোমল অন্তঃকরণ…

    তারপর হঠাৎ সে প্রসঙ্গ চাপা দিয়ে বলে উঠলো, মনে হচ্ছে কেউ পিছু নিয়েছে। যাই, মা…গোয়েন্দা পিছু নিয়েছে বুঝলে লিউদমিলার ঘরে ঢুকো না।…

    শশা চলে গেলো!

    মা লিউদমিলার কাছে এসে কাগজটা তার হাতে দিলেন। তারপর আইভানোভিচের কাহিনী বললেন খুলে…কেমন করে সে গ্রেপ্তারের জন্য প্রস্তুত হচ্ছে।

    লিউদমিলার চোখে-মুথে এসে পড়েছে অগ্নির রক্তিমাভা। স্থির কণ্ঠে সে বললো, কিন্তু আমার কাছে যখন তারা আসবে, আমি গুলি করবো। ধরা দোবনা। অত্যাচার হতে আত্মরক্ষা করার অধিকার আমার আছে। অন্যকে যখন যুদ্ধে উত্তেজিত করছি, তখন আমিও যুদ্ধ করবে। শান্তির অর্থ আমি বুঝিনে…শান্তি আমি চাইনে। … মা ধীরে ধীরে বলেন, তোমার কাছে জীবন তাহলে সুখপ্রদ হবেনা, মা।

    লিউদমিলা সে কথার জবাব না দিয়ে পেভেলের বক্ততাটা পড়ে গেলো, বললো, বেশ! আমি এই-ই চাই, কিন্তু এতেও দেখছি শান্তির কথা আছে। এ যেন গোরস্থানে ডঙ্কা-নিনাদ–যদিও ডঙ্কাবাদক শক্তিমান।

    তারপর পেভেলের কথা তুলে বললো, চমৎকার লোক, মহাপ্রাণ কিন্তু এমন ছেলে পাওয়া যেমনই গৌরবের তেমনি ভয়ের।

    মা বলেন, গৌরবেরই, মা। ভয় আর কিছু নেই।

    .

    ২.১৮

    পরদিন জানা গেল, আইভানোভিচ ধরা পড়েছে। ডাক্তার আইভানও এসে পড়লো কিছুকালের মধ্যে। বললো, মা, তুমি এখানে? তোমাকেও খুঁজছিল। আইভানোভিচ আমাকে এখানে পাঠিয়ে দিলো।

    তাতে বিপদ কাটানো যাবেনা, মা। সে যাক। জনকয়েক ছেলে কাল পেভেলের বক্তৃতাটা হেকটোগ্রাফে পাঁচশ কপি ছাপিয়েছে…শহরে ছড়াতে চেয়েছিল। আমি তার বিরুদ্ধে–ছাপানো কপি শহরে ছড়ানো ভালো…এগুলো অন্যত্র পাঠানো যাবে।

    মা সোৎসাহে বললেন, আমায় দাও, আমি ন্যাটাশাকে দিয়ে আসছি।

    ডাক্তার বললেন, এখন তোমার একাজ করতে যাওয়া ভালো হবে কিনা জানিনে। এখন বারোটা, দুটো পাঁচে গাড়ি। পৌঁছাবে পাঁচটা পনেরোয়—সন্ধ্যায় সেখানে পৌঁছুবে, দেরি তেমন হবে না। কিন্তু কথা তা নয়।

    কথাটা কি? কাজটা ভালোভাবে হাঁসিল করা, এই তো! তা আমি পারবো।

    লিউদমিলা বলো, কিন্তু তোমার পক্ষে এ বিপজ্জনক।

    কেন?

    ডাক্তার বললেন, কারণ হচ্ছে এই—আইভানোভিচ ধরা পড়ার এক ঘণ্টা আগে তুমি উধাও হয়েছো; তারপর মিলে তুমিও গেলে আর ইস্তাহারের আবির্ভাব হলে।…

    মা জেদ করে বললেন, না আমি যাবো। ফিরে এলে যখন ধরতে আসবে, তখন একটা-কিছু বলে তাদের ফেরাতে পারব।

    ডাক্তার বলেন, বেশ তাই হক। স্টেশনে বসে ইস্তাহার পাবে। ডাক্তার চলে যেতে লিউদমিলা বললেন, চমৎকার তুমি, মা। আমারও এক ছেলে আছে…তেরো বছর তার বয়স, কিন্তু সে আজ থেকেও নেই। তার বাপ… আমার স্বামী সহকারী সরকারি উকিল। হয়তো এদ্দিনে সবকাবী উকিল হয়ে গেছেন। ছেলে তার সঙ্গে। ছেলে কেমন হবে সময় সময় ভাবি।… যাদের আমি সেরা মানুষ বলে মনে কবি তাদের শত্রু যে, তার হাতে পড়েছে আমার ছেলে। আমার কাছে থাকতে পারছে না। আমি আছি এক ছদ্মনামে। আট বছর তাকে দেখিনা, আট বছর…

    ধীরে ধীবে জানালার কাছে যেয়ে বাইরে ম্লান আকাশের দিকে চেয়ে বলতে লাগলো, সে যদি আমার সঙ্গে থাকতো, কত জোর পেতাম আমি। বুকে সর্বক্ষণ এই ব্যথাটা লেগে থাকতোনা।…এর চেয়ে যদি মরতোও সে, আমার পক্ষে তাও সওয়া ববঞ্চ সহজ হতো। জানতাম সে মৃত, কিন্তু শত্রু নয়। মাতৃস্নেহের চাইতেও যা মহৎ, যা প্রিয়ত, যা বেশি দরকার সেই ব্ৰতের শত্রু নয়।

    আহা মা…বলে মা লিউদমিলার মাথায় হাত বুলিয়ে দিলেন।

    লিউদমিল তেমনি তদগতভাবে বললো, হাঁ, তুমি সুখী, মা তুমি সুখী। কী মহান দৃশ্য–মা আর ছেলে একসাথে, পাশাপাশি এ খুব কম মেলে।

    মা যেন নিজের অজ্ঞাতে বলে ফেললেন, হাঁ, মা, এত সুন্দর…অভিনব…এ যেন এক নবীন জীবন। তোমরা সবাই সত্যপথের যাত্রীদল পাশাপাশি চলেছো…যাদের আগে দেখিনি, তারা হঠাৎ যেন পরম আত্মীয় হয়ে গেছে। সব কথা আমি বুঝি না, কিন্তু এটা বুঝি, মা…বুঝি ছেলেরা দুনিয়ার পথ বেয়ে এগোচ্ছে সকলে একটি লক্ষ্যের দিকে সমস্ত অন্যায়কে পায়ে দলে, সমস্ত অন্ধকারকে দূরীভূত করে, সমস্ত তত্ত্বকে আয়ত্ত করে, সমস্ত মানুষের পক্ষ নিয়ে তারা এগিয়ে চলেছে। তরুণ তারা, শক্তিমান তাব, তাদের অদম্য শক্তি নিয়োজিত হচ্ছে, এক উদ্দেশ্য সাধনে, সে হচ্ছে ন্যায়ের প্রতিষ্ঠা। মানুষের সকল দুঃখকে তারা জয় করতে চলেছে। পৃথিবীর বুক হতে দুঃখকে নিশ্চিহ্ন করে ফেলার জন্য তারা অস্ত্রধারণ করছে, যা-কিছু বীভৎস তা দমন করতে বেরিয়েছে তারা, দমন করবে। একজন বলেছিল আমায়, আমরা এক নতুন সূর্য প্রজালিত কববোহ, তারা তা করবে। সমস্ত জীবনকে এক প্রাণে গাথবে তারা, সমস্ত ছিন্ন হৃদয়কে একত্র সম্মিলিত করবে তারা। জীবনকে শুদ্ধ, পবিত্র, উজ্জ্বল করবে তারা। …

    ভাবে তন্ময় হয়ে মা আকাশের দিয়ে আঙুল তুলে বললেন, ঐ সেই সূর্য-গৌববময় স্বর্ণ-সুষমাদীপ্ত মানুষের সুখ-সূর্য। সমস্ত ভুবনকে চিরকালের জন্য উজ্জ্বল করে রাখবে এ…পৃথিবীর সবাই, সমস্তখানি দীপ্ত হবে মানুষের প্রতি মানুষের প্রেমে, বিশ্বের সমস্ত কিছুর ওপর মানুষের প্রীতিতে।…এই সত্য এবং যুক্তি-পন্থীরা সকলের কাছে ব’য়ে নিয়ে যাবে প্রেমের আলোক। সমগ্র দুনিয়াকে ছেয়ে ফেলবে তারা এক নতুন মাশমানে, সমস্ত কিছুকে ভাস্বর কবে তুলবে তারা অন্তরের অনির্বাণ জ্যোতিতে, নবযাত্রীদের এই বিশ্বপ্রেম হতে, উদ্ভুত হবে এক নবজীবন। কে নির্বাণ করবে এ শক্তিকে? কোন্ শক্তি এর চাইতে মহত্তর? কে দমিত করবে এ শক্তিকে? পৃথিবী এর জন্ম দিয়েছে, সমস্ত মানুষ এর জয়-কামনা করেছে! রক্তের নদীশুধু তা কেন, সমুদ্র বইয়ে দাও, এ নিভবে না।…

    লিউদমিলার হাত ধরে তিনি বললেন, মা, মানুষের কাঙ্ক্ষিত আলোক যে তার নিজের মধ্যেই আছে, একথা জানা যে কতো হিতকর তা তোমায় কি করে বলবো! এমন দিন আসবে যখন মানুষ এটা বুঝবে, মানুষের প্রাণ সে আলোকে মণ্ডিত হবে। এব অনির্বাণ শিখায় সকলের প্রাণ জ্বলে উঠবে। পৃথিবীতে আজ জন্ম নিয়েছে এক নব দেবতা–সে দেবতা মানুষ…সমস্তের জন্য সমস্ত-কিছু, সমস্ত-কিছুর জন্য সমস্ত, প্রত্যেকের জন্য ষোলো-আনা জীবন, ষোলো-আনা জীবনের জন্য প্রত্যেকে… এমনিভাবে আমি তোমাদের সবাইকে বুঝেছি। এই দুনিয়ায় তোমাদের আবির্ভাব এরি জন্য। সত্যি-সত্যিইতোমরা সবাই কমরেড, আত্মীয়, সাথী, কারণ তোমরা সবাই সত্যের সন্তান…সত্য তোমাদের জনম দিয়েছে—সত্যের দৌলতে তোমরা বেঁচে আছছা যখনই নিজের মনে উচ্চারণ করি, কমরেড, তখনই যেন প্রাণ দিয়ে শুনি,তোমর যাত্রা করেছে: সর্বস্থান হতে… দলেদলে …একই কার্যের সঙ্কল্প নিয়ে। কানে যেন ভেসে আসে মত্ত হর্ষধ্বনি। দুনিয়ার সমস্ত মন্দিরের সব কটা ঘন্টা যেন একসঙ্গে বেজে উঠেছে অপূর্ব এক উৎসব-সমাববাহে।

    লিউদমিলা আশ্চর্য হয়ে মার মুখের দিকে চেয়ে বললো, অপূর্ব, এ যেন উচ্চগিরিশিরে সূর্যোদয়।

    .

    ২.১৯

    সময় মত মা স্টেশনে গিয়ে হাজির হলেন। একটি যুবক ইস্তাহার, ভরা একটা হলদে ব্যাগ দিয়ে গেলো তার কাছে। মা একটা বেঞ্চিতে বসে ট্রেনের অপেক্ষা করতে লাগলেন।

    গোয়েন্দারাও নিশ্চিন্ত ছিলোনা। তারা মার চারদিকে এসে জড়ো হ’ল, এক বুড়ো তার দিকে চাইলো ক্রোধ-রক্তিম দৃষ্টিতে। মা তার দিকে চেয়ে সংযতকণ্ঠে বললেন, কি চাও তুমি?

    কিছু না।

    একজন বলে উঠলো…বুড়ি—চোর কোথাকার।

    আমি চোর নই, মা গর্জন কবে উঠলেন।

    দেখতে দেখতে চারপাশে বেশ একটা ভিড় জমে গেলো।

    কি, কি, ব্যাপার কি?

    একটা গোয়েন্দা।

    চোর…

    কে, ঐ বুড়ি?

    চোর হলে কখনো চেঁচায়?

    মা জোর গলায় বলেন, আমি চোর নই। কাল ওরা রাজনৈতিক আসামীদের বিচার করেছে। তাদের মধ্যে একজন…পেভেল একটা বক্তৃতা দিয়েছিলো…এই সেই বক্তৃতা… আমি লোকদের কাছে তা বয়ে নিয়ে যাচ্ছি, যাতে তারা এ পড়ে সত্য চিন্তা করে। এই বলে কাগজ বের করে উঁচুতে দুলিয়ে ভিড়ের মধ্যে ফেলে দিলেন।

    একজন বলে উঠলো, এতে বখশিস যা মিলবে তা বিশেষ লোভনীয় নয়।

    হাঁ।

    মা দেখলেন, সবাই কাগজ হাতাহাতি করে নিয়ে পকেটে, বুকে গুঁজে রাখতে লাগলো। উৎসাহিত হয়ে আরো কাগজ ছড়াতে ছড়াতে বললেন, এর জন্য, মানুষের কাছে এই পবিত্র সত্য প্রচার করার জন্য, আমার ছেলে এবং তার কমরেডরা নির্বাসিত হয়েছে।

    বিস্মিত, মুগ্ধ শ্রোতৃমণ্ডলী আরো চেপে দাঁড়ালে মার দিকে। ভিড় ক্রমশ বাড়তে লাগলো। মা বলতে লাগলেন, দারিদ্র্য, অনশন, ব্যাধি… শ্রম করে গরীবের লাভ হয় এই। সমাজের এই ব্যবস্থা আমাদের ঠেলে দেয় চুরির দিকে, অন্যায়ের দিকে। আর আমাদের মাথার ওপর বসে আছে ধনীরা শান্তিতে এবং তৃপ্তিতে। যাতে আমরা তাদের বাধ্য থাকি তাই তাদেরই হাতে পুলিস, সরকার সৈন্য-সামন্ত সব-কিছু! সবাই আমাদের বিরুদ্ধে, সব-কিছু আমাদের প্রতিকূলে। আমাদের জীবন আমরা নষ্ট করে চলেছি দিনের পর দিন শ্রমে…নোঙরামীতে…প্রবঞ্চনায়। আর ওর মজা লুঠছে, রাজভোগ ওড়াচ্ছে আমাদের শ্রমের সুবিধা নিয়ে। কুকুরের মতো শৃঙ্খলাবদ্ধ করে রেখেছে আমাদের অজ্ঞানের অন্ধকারে। আমরা কিছু জানি না, আতঙ্কে আমরা সবকিছুকেই ভয়ের চোখে দেখি। আমাদের জীবন এক অমাবস্যার অন্ধকার। ঘেরা রাত্রি—এক ভয়ংকর দুঃস্বপ্ন। মনের বিষে আচ্ছন্ন করে রেখে ওরা আমাদেব রক্তপান করছে। ওরা অতিভোজনে ভুড়ি বাগাচ্ছে, বমি করছে,ওরা লোভ-শয়তানের চেলা…তাই নয় কি?

    তাই-ই।

    মা দেখতে পেলেন, ভিড়ের পিছনে দু’জন পুলিস এবং সেই গোয়েন্দা। অমনি তাড়াতাড়ি কাগজগুলো ছড়াতে গেলেন, কিন্তু কার যেন একখানা অপরিচ্ছন্ন হাত এসে ব্যাগটা ছিনিয়ে নিয়ে পলকে অদৃশ্য করে ফেললো—তারপর প্রশ্ন হল, কাকে বলবো? কাকে খবর দেবো?

    মা তাতে কান না দিয়ে বলতে লাগলেন… এই জীবনযাত্রাপ্রণালীকে বদলাতে, সকল মানুষকে মুক্তি দিতে, আমার মত তাদের জীবন্ত কবর হ’তে তুলে নবজীবন, দিতে এগিয়ে এসেছে কতিপয় যুবক…যারা তাদের গোপন প্রাণে পেয়েছে সত্যের দর্শন…গোপনে…কারণ, তোমরা জানো আজ যা সত্য, মানুষ তা খোলাখোলি বলতে পারেনা। ওর। তাহলে গুলি করবে, টুটি টিপে ধরবে, জিভ কেটে ফেলবে। ধন একটা শক্তি কিন্তু তা সত্যের সুহৃদ নয়। সত্য ধনীর চির-শক্ত, মরণ-শত্রু। আমাদের ছেলেরা দুনিয়ায় এই সত্যের বার্তা প্রচারে বেরিয়েছে। তারা পবিত্র, তার জ্যোতির্ময়। সংখ্যা তাদের অল্প, শক্তি তাদের কম, কিন্তু দলে বাড়ছে তারা। তরুণ প্রাণ সমর্পণ করছে তারা স্বাধীন সত্যের ব্রতে, সত্যকে পরিণত করছে তারা সর্বজয়ী শক্তিতে। তাদের প্রাণের পথ দিয়ে সেই সত্য এসে ঢুকবে আমাদের কঠোর জীবনে!—আমাদের উদ্দীপিত করে তুলবে, সঞ্জীবিত করে তুলবে; আত্ম-বিক্রয়ী যারা, ধনী যারা, তাদের অত্যাচার থেকে টেনে তুলে বাঁচাবে। তোমরা বিশ্বাস কর একথা।

    ভাগো এখান থেকে–পুলিসেরা ভিড় ঠেলতে ঠেলতে চেঁচাতে লাগলো।

    বেঞ্চির ওপর উঠে নাও।

    দরকার নেই—এখনই গ্রেপ্তার হবো।

    তাড়াতাড়ি বলে যাও। এসে পড়লো বলে।

    মা বলেন, সেই সত্য-প্রচারকদের, সর্বরিক্ত-দরিদ্রের বান্ধবদের পাশে গিয়ে দাঁড়াও… আপোস করোনা, বন্ধুগণ, আপোস করোনা। শক্তি-গর্বীদের কাছে মাথা নুয়িয়োনা। ওঠো, জাগো মজুর ভাইসব, এ জীবনের নিয়ন্তা তোমরা, তোমাদের শ্রমের দৌলতে সবাই বেঁচে আছে, অথচ তোমরাই বন্দী। হাত তোমাদের খোলা। শুধু কাজ করিয়ে নেওয়ার জন্য। চেয়ে দেখো, তোমাদের চারিদিকে বন্ধন। ওরা তোমাদের খুন করছে, তোমাদের সর্বস্ব লুণ্ঠন করছে।…আজ মন-প্রাণ একীভূত করে একশক্তিতে উঠে দাঁড়াও। সমস্ত বাধা পরাভূত হবে। তোমরা ছাড়া তোমাদের আর বন্ধু কেউ নেই—এই কথাই মজুরদের বন্ধুরা তাদের বলতে চেয়েছে এবং বলতে গিয়ে কারাগারে, নির্বাসনে পলে পলে প্রাণ দিয়েছে। অসৎ লোকেরা কি এমনিভাবে কথা বলে? প্রতারকরা কি এমনিভাবে প্রাণ দেয়?

    পুলিসরা ‘ভাগে ভাগো’ বলে উপর্যুপরি ঠেলতে লাগলো লোকগুলোকে। মার প্রাণ যেন কথার ভারে, আবেগে উচ্ছ্বাসে ঝংকৃত হ’তে লাগলো গানের মতো! কম্পিত ভগ্নকণ্ঠে তিনি বলতে লাগলেন, আমার ছেলের এই বাণী এক ন্যায়নিষ্ঠ শ্রমিকের বাণী…আত্মবিক্রয় যে করেনি তার বাণী। এর সত্যতা তোমরা বুঝতে পারবে এর স্পষ্ট তেজোদৃপ্ত ভাষা হতে, নির্ভীক এ ভাষা। হে আমার মজুর বন্ধুগণ, এই নির্ভীক, নিত্য জ্ঞানদীপ্ত বাণী আজ তোমাদের কাছে উপস্থিত। প্রাণ খুলে একে গ্রহণ কর…এ দিয়ে প্রাণকে পুষ্ট কর। তোমাদের শক্তিলাভ হবে, সব আপদ হ’তে আত্মরক্ষা করার, সত্যের পরিপন্থী যুক্তির প্রতিকূল সবকিছুর বিরুদ্ধে যুদ্ধ করার। এ বাণী গ্রহণ কর, বিশ্বাস কর,একে পাথেয় করে বিশ্বমানবের সুখের পথে যাত্রা কর, পরম আনন্দভরে এক নবজীবনের অভিমুখে অগ্রসর হও!…

    মায়ের বুকে এক প্রচণ্ড ঘুষি এসে পড়লো। মা ট’লে বেঞ্চির ওপর পড়ে গেলেন। জনতার ওপরও অবিশ্রাম প্রহার চলতে লাগলো।

    মা একটু পরেই শেষ শক্তি প্রয়োগ করে চেঁচিয়ে উঠলেন, ভাইসব, তোমাদের বিচ্ছিন্ন শক্তি একত্র করে এক মহাশক্তির সৃষ্টি কর…

    একজন বৃহদাকার পুলিস তার কলার ধরে ধমকে উঠলো, চুপ রও। জনতাকে ভয় দেখিয়ে বলতে লাগলো, ভাগো।

    মা বললেন, কোনো কিছুতেই ভয় পেয়ো না। ওরা কি যন্ত্রণা দেবে? এর চাইতে ঢের-ঢের বেশি যন্ত্রণা জীবন-ভোর সইছো তোমরা।…

    চুপ কর বলছি, ব’লে একজন পুলিস তার একহাত ধরলো, তারপর অন্যদিক থেকে আর একজন অন্য হাতটা ধরে লম্বা পা ফেলে মাকে হিঁচড়ে টেনে নিয়ে চললো। … মা বলতে লাগলেন, এর চেয়ে ঢের ঢের বেশি নির্যাতন অহর্নিশ গোপন-কাটার মতো তোমাদের অন্তর-বিদ্ধ করে তুলছে, তোমাদের শক্তি নষ্ট করে দিচ্ছে।…

    গোয়েন্দা গর্জন করে উঠলো, এই বুড়ি, থাম।

    মা বেপরোয়া হয়ে বলতে লাগলেন,-এই নব-উদ্বুদ্ধ আত্মাকে হত্যা করে কার সাধ্য?

    একটা গাল দিয়ে গোয়েন্দাটা মার মুখের ওপর এক চড় লাগালো। একমূহূর্তের জন্য মা চোখে অন্ধকার দেখলেন। রক্তের নোনা স্বাদে তার মুখ ভরে এলো। কানে এলো ক্ষিপ্ত জনতার চীৎকার, খর্বদার, ওঁকে মেরো না।–শয়তান কোথাকার—দোব এক ঘা বসিয়ে–

    মা উৎসাহিত হয়ে বলতে লাগলেন—রক্তে ওরা যুক্তিকে ডুবিয়ে দিতে পারবে না, সত্যের শিখাকে নিভিয়ে দিতে পারবে না তারা।

    মার মাথায় পিঠে ঘাড়ে ঘা পড়তে লাগলো। চারদিকের সব কিছু যেন ঘুরতে আরম্ভ করলো। চারদিকে চীৎকার, তর্জন-গর্জন, হুমকি-কানে যেন তালা লাগছে, কণ্ঠ রুদ্ধ হয়ে আসছে, পায়ের তলা থেকে মাটি সরে যাচ্ছে। পা নুয়ে পড়ছে, শরীর কাঁপছে, জ্বলছে, টলে পড়ছে কিন্তু চোখ বন্ধ হয়নি। মা দেখলেন, জনতার চোখে এক অপূর্ব উত্তেজনা।

    তাকে ঠেলে এক দোরের ভিতর দিয়ে ঢোকানো হ’ল। পুলিসের কবল থেকে হাত ছিনিয়ে দরজার কাঠ ধরে মা বলে উঠলেন—রক্তের সমুদ্র বহালেও সত্যকে ডুবিয়ে মারতে পারবে না ওরা।

    পুলিসের মার হাতের ওপর ঘা লাগালো।

    –বোকা ওরা, নিজেদের ওপর জমিয়ে তুলছে বিদ্বেষের স্তূপ। এক দিন তারই তলে চাপা পড়বে ওরা…

    কেউ যেন গলা টিপে কণ্ঠরোধ করলো—মার গলা থেকে মোটা সুরে বেরিয়ে এলো : নির্বোধ হতভাগ্য ওরা, ওদের জন্য দুঃখ হয়…

    -সমাপ্ত-

    ⤶
    1 2 3 4 5 6 7 8
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleআত্ম-উন্নয়ন – বিদ্যুৎ মিত্র
    Next Article অবরোধ বাসিনী – বেগম রোকেয়া
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }