Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    মিতিনমাসি সমগ্র ১ – সুচিত্রা ভট্টাচার্য

    সুচিত্রা ভট্টাচার্য এক পাতা গল্প667 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ১০. কাকভোরে রেঞ্জ অফিসে

    কাকভোরে রেঞ্জ অফিসে চলে গেছে সারগিয়া। মিতিনের চিঠি নিয়ে। একটু পরে মিতিনও রওনা হল মেঘাতুবুরু। একাই। টুপুরের খুব ইচ্ছে ছিল যাওয়ার, কিন্তু তাকে নিল না মিতিন। পার্থকেও না। জঙ্গলের রাস্তা বিপদসঙ্কুল বটে, তবে নজরুলের ওপর মিতিনের যথেষ্ট ভরসা আছে। বাকিরা বরং সকালে একটু এদিক-ওদিক ঘুরুক। সকালটা বেজায় ফাঁকা ফাঁকা ঠেকছিল টুপুরের। মিতিনমাসির ওপর অভিমান হচ্ছে মনে মনে। রাতেও তো মিতিনমাসির কথা শুনে মনে হয়েছিল টুপুরকে সে সঙ্গে নেবে। শেষ পর্যন্ত কেন যে টুপুরকে কাটিয়ে দিল? এখনও কি টুপুরের ওপর আস্থা জন্মায়নি মিতিনমাসির?

    সারগিয়ার বদলে সুমায়া আজ রান্নাঘরে। উনুন জ্বালিয়ে ময়দাটয়দা মেখে দিল সুমায়া, ঝটপট লুচি ভেজে ফেললেন সহেলি। দুপুরের রান্নার ভারও আজ সহেলির ওপর। রেঞ্জ অফিস মাইলদশেক দূর পোরঙ্গায়। সাইকেলে গেছে সারগিয়া, এই পাহাড় জঙ্গলের রাস্তা ঠেঙিয়ে কখন ফেরে তার ঠিক কী!

    সহেলি কুটনো কুটছেন। সুমায়া সামনের কাঁঠালগাছ থেকে একটা কচি এঁচোড় পেড়েছিল সকালে, সহেলি আজ বড় করে এঁচোড়ের ডালনা রাঁধবেন। সরষে দিয়ে ডিম। সুমায়া হাতে হাতে সাহায্য করছে তাঁকে। এমনিতেই অবশ্য সুমায়ার আজ অনেক কাজ। ঘরদোর পরিষ্কার করবে, জলটল তুলবে, কাচাকুচিও আছে কিছু। হ্যারিকেনের চিমনিগুলোতে কালি পড়েছে, সেগুলোও ভাল করে মোছার জন্য নির্দেশ জারি করেছেন সহেলি।

    পার্থ টুপুরকে বলল, চল, আমরা একটু থলকোবাদটা সার্ভে করে আসি।

    অবনী বারান্দার বেতের চেয়ারে। বই পড়ছেন। আমাজনের পোকামাকড় খতম, এখন তিনি ড়ুবেছেন মহাসমুদ্রের গভীরে। ওশনোগ্রাফির একখানা বই এখন তাঁর সঙ্গী।

    বইতে চোখ রেখেই অবনীর মন্তব্য, কী দেখার আছে আর থলকোবাদে?

    পার্থ বলল, গ্রামটা দেখব।

    সে তো কাল কালিঝরনা যাওয়ার পথেই দেখে নিয়েছ। খানচল্লিশেক কুঁড়েঘর, গোটাপাঁচেক দোকান, একটা টেলারিং শপ, একখানা স্কুল, আর কিছু মুরগি, ভেড়া, ছাগল। পাঁচটা দোকানের তিনটে মুদিখানা, দুটো টি-স্টল। সবথেকে বড় মুদিখানার মালিকটি মোটেই আদিবাসী নয়, এ আমি হলফ করে বলতে পারি।

    আইব্বাস! যাতায়াতের দুই দুই চার মিনিটে আপনি এত কিছু নোট করে নিয়েছেন?

    ডিটেকটিভগিরি করি না ভাই। করলে অনেকের অন্ন মারা যেত।

    কথাটায় যেন সামান্য ঠেস আছে। মিতিনের উদ্দেশে। বোধহয় মনে মনে মেঘতুবুরু যাওয়ার সাধ ছিল অবনীর, মিতিন তাঁকে একবারও ডাকেনি বলে তিনি ঈষৎ ক্ষুব্ধ। তার ওপর উৎসাহ নিয়ে কাল রাতের কাহিনী যখন সবে শোনাতে শুরু করেছিল টুপুর, মিতিন তাকে নিষেধ করল, এটাও বোধহয় ক্ষোভের আর একটা কারণ।

    পার্থ বলল, বুঝেছি। এবার গাত্ৰোত্থান করুন।

    অবনী বললেন, আমি বেরোব না। তোমরা যাও। ঘুরে এসে বোলো আমার ইনফরমেশানে কোনও গলতি আছে কি না।

    অগত্যা বেরিয়ে পড়ল টুপুররা। আগে আগে লাফাতে লাফাতে বুমবুম। বিট অফিসারের কোয়ার্টার পেরিয়ে ডানদিকে মেঠো পথ। রাস্তার দুধারে থলকোবাদ গ্রাম। গভীর জঙ্গলের মধ্যেও থলকোবাদ মোটেই পাণ্ডববর্জিত এলাকা নয়, গ্রামে লোকবসতি আছে ভালই। ছোট্ট একটা বাজার মতোও আছে। সাইকেল চড়ে আদিবাসীরা এসেছে বাজারে, শাকসবজি কেনাকাটা করছে। একটা দোকান উগ্ৰ গন্ধে ম ম। বাইরে বেঞ্চিতে বসে আদিবাসীরা শালপাতার দোনায় পান করছে কী যেন। পার্থই বলে দিল পানীয়টা মহুয়া। অবনীর কথামতো দরজির দোকানও দেখা গেল একটা। বড়। মুদিখানাও। মুদিখানার মালিক সত্যিই এক গৌরবর্ণ মধ্যবয়সি পুরুষ। এবং তিনি যে আদিবাসী নন, এক ঝলকেই চেনা যায়।

    স্কুলটাও রাস্তার ধারে। কাল টুপুর নজর করেনি। বেশ বড়ই বলা যায় স্কুলটাকে। একতলা পাকাবাড়ি, ভেতরে কম করেও খানদশেক ঘর। সামনে বিশাল মাঠ। ফুটবল পেটাচ্ছে কয়েকটি আদিবাসী কিশোর। এই সকালবেলাতেই। কখন এদের স্কুল বসে? না কি থলকোবাদে এখন বসন্তের ছুটি?

    স্কুলটাকে দেখতে দেখতে টুপুর বলল, সুমায়াকে কেন জামদায় পড়তে পাঠিয়েছিল সারগিয়াদাদা? এই স্কুলটাই তো ভাল ছিল।

    পার্থ বলল, বোধহয় আরও ভাল স্কুলে পড়ানোর শখ হয়েছিল।

    তো? এখনও তো সুমায়া এখানে ভর্তি হতে পারে!

    ও একবার না পড়ার স্বাদ পেয়ে গেছে। আর কি ওকে স্কুলে ঢোকানো যাবে?

    পার্থ হাসতে হাসতে বলল, তা ছাড়া ওর ন্যাক জাঙ্গল-লাইফে, ও নিজের মতোই বড় হোক।

    সুমায়ার কিন্তু কাল থেকে খুব মনখারাপ।

    হবেই তো। জঙ্গলের জন্তু-জানোয়ারকে ও ভীষণ ভালবাসে।

    স্কুল পেরিয়ে ছোট ছোট খেত। কচি সবুজ ধানগাছে নরম। গালিচার মতো হয়ে আছে খেতগুলো। এ জায়গাটা মোটামুটি সমতল। কোনও পাহাড়ি ঝোরা থেকে নালা কেটে এনে সেচের। বন্দোবস্ত করা হয়েছে খেতে। নালার জল অতি স্বচ্ছ। কাকচক্ষুর মতো। বুমবুম দৌড়ে গিয়ে জলটা ছুঁয়ে এল। আবার যাচ্ছে ছুঁতে। খেলা।

    গ্রামের শেষে ফের জঙ্গল। প্রথমে হাল্কা, ক্রমশ ঘন। কচি শালপাতায় সবুজ হয়ে আছে গাছগাছালি। পাখি ডাকছে পিক পিক। গ্রামে চড়া রোদ ছিল, এখানে সূর্য অনেক নরম।

    জঙ্গলের মধ্যিখানে এক জায়গায় এসে দাঁড়িয়ে গেল পার্থ। বলল, চোখ বোজ।

    কেন?

    বোজ না। বুমবুম, তুইও চোখ বন্ধ কর।

    চোখের পাতা একটুখানি বন্ধ রাখতেই এক অপার্থিব অনুভূতি। প্রায় নিস্তব্ধ জঙ্গলে টুপ টুপ টুপ টুপ শব্দ হচ্ছে একটানা। যেন ফোঁটা ফোঁটা বৃষ্টি পড়ছে।

    পার্থ বলল, শব্দটা কীসের বল তো?

    কীসের?

    ফুল ঝরছে অবিরাম। পাতা খসছে।

    শব্দটা দারুণ ভাল লেগে গেল টুপুরের। একটু হাঁটছে। দাঁড়িয়ে যাচ্ছে। শুনছে। সাদা সাদা ফুলে ছেয়ে আছে বনতল। বুমবুম আর টুপুর কুড়োচ্ছে ফুল। শুঁকছে ফুলগুলোকে।

    টুপুর বলল, একটা স্ট্রেঞ্জ ব্যাপার লক্ষ করেছ মেসো? শাল সেগুন গাছের নীচে কত ফুল পড়ে থাকে, কিন্তু মহুয়াগাছের নীচটা একেবারে ফাঁকা। মহুয়াগাছের ফুল কি ঝরে না?

    পার্থ মুচকি হাসল, ঝরে, কিন্তু থাকে না। সাফ হয়ে যায়।

    বুঝেছি। টুপুরও মুখ টিপে হাসছে, আদিবাসীরা ওই ফুল দিয়ে নেশা করার মহুয়া বানায়।

    শুধু নেশার কাজে নয়, মহুয়ার ফুল ফল আরও অনেক কাজে লাগে রে! ওই ফুল কিংবা ফল সেদ্ধ করে খাদ্যবস্তু হিসেবে খায় আদিবাসীরা। পেট ভরানোর জন্যে। মহুয়া ফলের বীজ থেকে তেল বার করে ওরা রান্নাবান্না করে। মহুয়ার খোল ব্যবহার হয় সার হিসেবে। গোরু ছাগলেও খায়। ওই খোলের ধোঁয়ায় মশা পালায়।

    পার্থর বক্তৃতার মাঝেই বুমবুম চেঁচিয়ে উঠল, টুপুরদিদি, টুপুরদিদি, ওই দ্যাখো খরগোশ!

    বুমবুমের গলার আওয়াজে খরগোশগুলো থমকে গেছে। পিছন ঘুরে সাঁ দৌড় লাগাল জঙ্গলে।

    পার্থ বুমবুমকে বলল, যাক, তোর তবে আর একটা অ্যানিম্যাল দেখা হয়ে গেল।

    টুপুর বলল, খরগোশগুলো কী লাভলি! ইস, মিতিনমাসি মিস করল!

    কিছু মিস করেনি। তোর মাসি এখন আসল ওয়াইল্ড অ্যানিম্যালের পেছনে ছুটছে।

    টুপুর ভুরু কুঁচকে বলল, মেঘাতুবুরুতে মিতিনমাসি কী করতে গেল বলো তো?

    মনে হল কাউকে ফোনটোন করবে। টেলিফোনের ছোট নোটবইটা তো নিয়ে গেল।

    শুধু ফোন?

    আরও কিছু প্ল্যান আছে হয়তো। আমাদের এখনই জানাতে চায় না।

    সাড়ে দশটা বাজে। জঙ্গলে আর বেশিক্ষণ দাঁড়াল না টুপুররা। ফিরছে।

    রেস্টহাউসের কাছাকাছি এসে টুপুর দেখল কম্পাউণ্ডে একখানা জিপ দাঁড়িয়ে। সঙ্গে সঙ্গে বুকটা ছলাৎ করে উঠেছে। মিতিনমাসি ফিরে এল নাকি?

    আরও কাছে এসে ভুল ভাঙল। অন্য জিপ। জে এইচ কে সাতশো উনত্রিশ। ছোকরা সারথি ড্রাইভিং সিটে বসে কানে পালক ঘোরাচ্ছে।

    চাতালে উঠে টুপুর ভীষণ অবাক! বারান্দায় অবনীর পাশে মুকুল সিংহ! দুজনের হাতেই চায়ের কাপ।

    পার্থ বিস্মিত স্বরে বলল, আপনি কোত্থেকে?

    মুকুল গাল ছড়িয়ে হাসলেন, এসেছি কুমডিতে। আমাদের আই-আই-টির এক প্রোফেসর ফ্যামিলি নিয়ে এসেছেন সারান্ডায়। জোর করে আমায় জামদা থেকে তুলে নিয়ে এলেন। জঙ্গলে ওঁর খুব ভয়, আমাকে না নিয়ে তিনি জঙ্গলে ঢুকবেনই না। আমার মতো প্যাংলা লোক নাকি ওঁদের বাঘ সিংহের হাত থেকে বাঁচাবেন! হা। হা।

    তা ওঁরা কোথায়?

    বললাম যে, কুমডিতে। রেস্টহাউসে বিশ্রাম নিচ্ছেন। সেই খড়্গপুর থেকে টানা এসেছেন, স্বামী-স্ত্রী দুজনেই কাহিল। মুকুল চায়ে শেষ চুমুক দিয়ে কাপ নামিয়ে রাখলেন, এই সুযোগে আমিও ভাবলাম আপনাদের সঙ্গে একটু মোলাকাত করে আসি। আমার বাড়িতে এসেছিলেন, সেদিন দেখা হল না..

    ভালই করেছেন। পার্থ ঘর থেকে চেয়ার টেনে এনে বসল, ফেরার পথে আর দেখা হত কি হত না…

    মুকুল বললেন, আপনাদের সারান্ডা ভ্ৰমণ তো শুনলাম খুব জমে উঠেছে? ম্যাডামও দিব্যি একটা কেস পেয়ে গেছেন?

    আপনি লিগিরদা এপিসোডটা শুনলেন?

    অবনীবাবু বলছিলেন। কী ডেঞ্জারাস কাণ্ড বলুন তো? জঙ্গলে জঙ্গি হানা!

    অবনী বললেন, কাল রাতেও তো কীসব কাণ্ড হয়েছিল। মাঝরাত্তিরে কারা নাকি জিপ নিয়ে ইনস্পেকশন বাংলোয় এসেছিল।

    তাই নাকি! কারা?

    টুপুর বলতে পারবে। এই টুপুর, বল না কী হয়েছিল!

    টুপুর ঢোক গিলল। কাল রাতের ঘটনাটার প্রচার চায় না মিতিনমাসি, মুকুলবাবুকে বলাটা কি উচিত হবে? বিশেষ করে মুকুলবাবুর বাবা আর ভাই যখন মিতিনসির সন্দেহের তালিকায় আছে? তা ছাড়া এই মুকুলবাবুও তো একজন সিংহ, একথা তো ভুললে চলবে না।

    টুপুর সপ্রতিভ স্বরেই বলল, দেখলাম তো রেস্টহাউস থেকে। হুশ করে একটা জিপ ঢুকল, জেনারেটার চলল, আলো জ্বলল… তারপর কিছুক্ষণ থেকে জিপটা চলে গেল, আলোও নিভে গেল।

    কারা ছিল জিপে?

    দেখতে পাইনি। জিপটা তো এদিকে আর আসেইনি। বোধহয় বাংলোর ভেতর দিয়ে জঙ্গলে নেমে গেছিল।

    অবনী বললেন, তাই? লিগিরদা গেল নাকি?

    মুকুল বললেন, ওই গেট দিয়ে তো হাজারো দিকে যাওয়া যায়… আপনাদের চৌকিদার কী বলছে? কজন ছিল?

    টুপুর একটু দ্বিধার সঙ্গে বলল, তিনজন।

    ও চেনে?

    বলল তো, না।

    তার মানে ফরেস্ট ডিপার্টমেন্টের কেউ নয়। মুকুল মাথা নাড়লেন, অনেক সময়ে রাত্তিরে উলটোপালটা পাবলিকও চলে আসে। অনেকেরই তো রাতে জঙ্গল দেখার নেশা। তারা পারমিট টারমিটের পরোয়া করে না, চৌকিদারকে পয়সা খাইয়ে হুটহাট বাংলোয় ঢুকে যায়। অথচ আপনারা, আই মিন জেনুইন টুরিস্টরা, গভর্নমেন্টকে পয়সা দিলেও ওই বাড়ি ভাড়া পাবেন না।

    পার্থ তির্যক স্বরে বলল, জঙ্গলের কানুন বোধহয় এরকমই হয়।

    জঙ্গলের কানুন! ভাল বলেছেন তো! হা হা হা। মুকুল হাসতে হাসতেই বললেন, তবে লোকগুলো যদি কালপ্রিটও হয়, তা হলে তাদের কাল রাতের এক্সপিডিশান মাটি হয়েছে। আপনার মিসেসের নুন ফেলে দেওয়ার আইডিয়াটা ব্রিলিয়ান্ট।

    পার্থ বলল, হ্যাঁ, মিতিনের মাথায় চটপট বুদ্ধি এসে যায়।

    মুকুল বললেন, দেরি না করে আজই রেঞ্জ অফিসে খবর পাঠিয়ে দেওয়াটাও ভাল কাজ হয়েছে। যদিও, ফ্র্যাংকলি স্পিকিং, এখানকার রেঞ্জ অফিসগুলোর ওপর আমার খুব ভরসা নেই।

    কেন?

    ওরা তো সব ঢাল নেই, তলোয়ার নেই, নিধিরাম সর্দার। গোটা সারান্ডায় আপনি সাকুল্যে কুড়িখানা রাইফেল পাবেন কিনা সন্দেহ।

    আমার স্ত্রী বোধহয় চাইবাসাতেও ফোন করবে।

    গুড। ভেরি গুড। যদি কিছু করতে পারে, তো ডিস্ট্রিক্ট অফিসই পারবে। মনে হয় ম্যাডামের দৌলতে হাতিটা বোধহয় এযাত্ৰা রেহাই পেয়ে গেল। ডি-এফ-ও সাহেব হুকুম ছাড়লেই জঙ্গলের সমস্ত গেট সিল হয়ে যাবে। ব্যস, তখন কালপ্রিটদেরও পালানোর রাস্তা বন্ধ।

    অবনী বললেন, ব্যাটাদের ধরে আচ্ছাসে জেলের চাকি পেষানো দরকার। হাতির মতো একটা প্রাণীকে অ্যাটাক করবে…ছি ছি ছি।

    শুরু হয়ে গেল হস্তী প্রসঙ্গ। সারান্ডার জঙ্গলেরই অজস্ৰ হাতির কাহিনী উপকাহিনী শোনাতে লাগলেন মুকুল। কোথায় দুই হাতিতে নাকি টানা ছাব্বিশ দিন লড়াই চলেছিল, কীভাবে একটা বাচ্চা হাতিকে উদ্ধার করেছিল অন্য হাতিরা, পাগল হাতিকে কেন বাকিরা দলে রাখে না, ইত্যাদি ইত্যাদি।

    গল্পের মাঝেই রান্নাঘর থেকে সহেলির আবির্ভাব। সহেলি মুকুলকে বললেন, এবেলা আর ফিরবেন কেন? ড্রাইভারকে ছেড়ে দিয়ে আমাদের এখানেই চাট্টি খেয়ে নিন। তারপর চলুন করমপদা। মধুবাবার দর্শন করে আসি।

    অবনী বললেন, উত্তম প্রস্তাব। ফেরার পথে আমরাই নয় আপনাকে কুমডিতে ছেড়ে দিয়ে আসব। জানেন তো, আমার শ্যালিকার আজ সকালে কুমডি যাওয়ারই প্ল্যান ছিল।

    ওরেব্বাস, অসম্ভব।

    কেন?

    প্রথমত, আমার সঙ্গীরা তিনটের মধ্যে জঙ্গল ছাড়বে, আমাকে ওদের সঙ্গে থাকতেই হবে। দ্বিতীয়ত, আমার ওই মধুবাবাতে কোনও আকর্ষণ নেই। কারণ আমি কোনও বুজরুক সাধুতে বিশ্বাস করি না।

    মধুবাবা বুজরুক? সহেলি হাঁ হাঁ করে উঠলেন।

    ভেলকি দেখানো সাধুমাত্রই বুজরুক। এই নিয়ে বাড়িতে আমার ভাইয়ের সঙ্গে কত তর্ক হয়ে গেল। বিকাশের আবার এসবে খুব বিশ্বাস। ওই মধুবাবার কাছে তো বারতিনেক ঘুরে গেছে। একবার বউমাকে নিয়ে এসেছিল। মুকুল ঘড়ি দেখলেন, বারোটা বাজল, এবার আমি চলি। ম্যাডামের সঙ্গে আজ আর দেখা হল না। বাই দা বাই, আপনারা যেন ফিরছেন কবে?

    শনিবার। রাত্তিরটা চাইবাসায় থেকে রবিবার চক্ৰধরপুর থেকে ট্রেন ধরার ইচ্ছে আছে।

    আমার রিটার্ন নেক্সট রবিবার। মুকুল উঠে গাড়ির দিকে গেলেন, পারলে শনিবার চলে আসুন জামদায়। আমি হোল-ডে বাড়িতেই আছি।

    মুকুল চলে যাওয়ার অনেক পরে মিতিন ফিরল। প্ৰায় দুটোয়। থমথমে মুখে।

    মিতিন ফেরার খানিক আগে সারগিয়া ফিরেছে। সারগিয়া চিঠি পৌঁছে দিয়েছে বটে, তবে রেঞ্জার সাহেব অফিসে ছিলেন না, তিনি নাকি গেছেন সেরাইকেলা।

    খেতে খেতে সারগিয়ার মুখে রেঞ্জ অফিসের বৃত্তান্ত শুনল মিতিন। টুপুর পার্থ শোনাল মুকুল সিংহর কথা।

    মিতিন কথা বলছে অস্বাভাবিক কম। আহারের পর চাতালে হাঁটছে একা একা।

    সহেলি তাকে ভয়ে ভয়ে জিজ্ঞেস করলেন, কী রে, করমপদায় যাবি তো? না কি আজ ক্যানসেল করে দেব? কাল না হয়…।

    মিতিন মাথা নেড়ে বলল, না। আজই চলো।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleমিতিনমাসি সমগ্র ২ – সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    Next Article বিষ – সুচিত্রা ভট্টাচার্য

    Related Articles

    সুচিত্রা ভট্টাচার্য

    গল্প সমগ্র – সুচিত্রা ভট্টাচার্য

    December 5, 2025
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য

    অন্য বসন্ত – সুচিত্রা ভট্টাচার্য

    December 5, 2025
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য

    কাছের মানুষ – সুচিত্রা ভট্টাচার্য

    December 5, 2025
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য

    হেমন্তের পাখি – সুচিত্রা ভট্টাচার্য

    December 5, 2025
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য

    অলীক সুখ – সুচিত্রা ভট্টাচার্য

    December 5, 2025
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য

    আলোছায়া – সুচিত্রা ভট্টাচার্য

    December 5, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }