Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    মিতিনমাসি সমগ্র ১ – সুচিত্রা ভট্টাচার্য

    সুচিত্রা ভট্টাচার্য এক পাতা গল্প667 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ০১. মন দিয়ে খবরের কাগজ পড়ছিল টুপুর

    মন দিয়ে খবরের কাগজ পড়ছিল টুপুর। পড়ছিল না বলে গিলছিল বলাই ভাল। মিতিনমাসির নির্দেশে ইদানীং এই অভ্যেসটা গজিয়েছে টুপুরের, ফাঁক পেলেই খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে গলাধঃকরণ করে আস্ত কাগজখানা। খুদে খুদে বিজ্ঞাপনগুলোকে পর্যন্ত ছাড়ে না। মিতিনমাসি বলেছে খবরের কাগজের ব্যক্তিগত বিজ্ঞাপনে অনেক সময়ে মজার মজার গল্প লুকিয়ে থাকে। চোখ মেলে খুঁজতে জানলে কখনও-সখনও ছোটখাটো রহস্যের সূত্রও নাকি মিলে যায়।

    আজ অবশ্য বিজ্ঞাপন নয়, একটা খবরই চোখ টেনেছে টুপুরের। তৃতীয় পাতায় বেশ বড় করে বেরিয়েছে খবরটা। বার দুয়েক পড়ে টুপুর চোখ তুলল কাগজ থেকে। উত্তেজিত মুখে ডাকল,পার্থমেসো, ও পার্থমেসো।

    পার্থ বাইরের ঘরের বড় সোফায়। কোলে খাবারের প্লেট। লুচির দিস্তে আর পাহাড়ের মতো আলুছেঁচকি নিয়ে বসেছে পার্থ। বাঁ হাতে খবরের কাগজের শব্দজব্দের পাতাখানা, ডান হাতে ডটপেন। মাঝে মাঝে ডটপেন নামিয়ে লুচি, আলুছেঁচকিতে থাবা বসাচ্ছে, পেটে চালান করেই ফের খুচখাচ কলম চালাচ্ছে শব্দের ধাঁধায়। রবিবার সকালে কোলে লুচি না থাকলে শব্দজব্দ মেলাতে পারে না পার্থ।

    কচর কচর লুচি চিবোতে চিবোতে পার্থ ফিরে তাকাল। ভুরু কুঁচকে পালটা প্রশ্ন ছুড়ল, জুতোর একটা প্রতিশব্দ বল তো? তিন অক্ষরের?

    টুপুর চটপট বলল, পাদুকা।

    হল না।

    খড়ম?

    উহুঁ।

    চপ্পল?

    না, না।

    তা হলে কী? কাবলি?

    তুৎ, তুই একটি কেবলি। ব দিয়ে স্টার্টিং। না, না, বি দিয়ে।

    টুপুর মাথা চুলকোতে শুরু করল, বি দিয়ে?

    ইয়েস। ব-এ হ্রস্ব ই বি।

    পার্থ টুপুরের কথার মাঝেই মিতিন কখন ঘরে এসেছে। হাতে নিজের জলখাবারের প্লেট। টুপুরের উলটো দিকের সোফায় বসে বলল, শেষ অক্ষর কী? মা?

    কারেক্ট।

    লেখো, বিনামা। বাংলায় এত কম ফান্ডা নিয়ে শব্দজব্দ করতে বসো কেন?

    পার্থ যেন শেষটুকু শুনতেই পেল না, টুকটুক করে ছক ভরতি করছে। আবার একটা লুচি তুলে টুপুরকে জিজ্ঞেস করল, তখন আমায় ডাকছিলি কেন রে?

    শব্দের ধাঁধায় খেই হারিয়ে গিয়েছিল টুপুরের। এক সেকেন্ড থমকে বলল, আজ একটা নিউজ দেখেছ? কী সাঙ্ঘাতিক কাণ্ড!

    কী হয়েছে?

    লেবুতলায় একটা দেড়শো বছরের পুরনো বাড়ি হঠাৎ ধসে পড়েছে! ভেতরে চাপা পড়ে মারা গেছেন এক বৃদ্ধ!

    মিতিন খেতে-খেতে জিজ্ঞেস করল, এমনি এমনি ভেঙে পড়ল?

    দমকল বলছে বাড়িটার হাল ভাল ছিল না। কিন্তু পুলিশ অন্যরকম সন্দেহ করছে। প্রোমোটাররা নাকি অনেক দিন ধরেই টার্গেট করেছিল বাড়িটাকে। মোটামুটি বড় বাড়ি। জমিও আছে বেশ খানিকটা। সন্তোষ মিত্র স্কোয়ারের প্রায় লাগোয়া। বাড়িটা ভেঙে নাকি মাল্টিস্টোরিড বানানোর ধান্দায় ছিল প্রোমোটার। বৃদ্ধ ভদ্রলোককে মাঝেমাঝেই নাকি চাপ দিচ্ছিল।

    ভদ্রলোক একাই থাকতেন?

    প্রায় একাই। মধ্যবয়সী এক মহিলা ভদ্রলোকের দেখাশুনো করতেন। গত বছর ভদ্রলোকের স্ত্রী মারা গেছেন। দুই বোন, দুজনেই বিদেশে। মহিলা বেঁচে গেছেন। তাঁর মুখ থেকেই প্রোমোটারবৃত্তান্ত জানতে পেরেছে পুলিশ। তা ছাড়া বাড়ি ভাঙার সময়ে একটা জোর বিস্ফোরণের আওয়াজও নাকি শোনা গেছে। মুচিপাড়া থানা তো কাছেই, সেখান থেকেও নাকি শোনা গেছে আওয়াজটা।

    হুম। মিতিন ছোট্ট শ্বাস ফেলল, এই প্রোমোটারদের উৎপাতে কলকাতায় আর কোনও পুরনো বাড়ি বোধহয় থাকবে না। কত সুন্দর সুন্দর স্থাপত্য যে এদের দৌলতে নিশ্চিহ্ন হয়ে গেল।

    অত আফসোস করার কিছু নেই। পুরনো না গেলে নতুন আসবে কী করে? তা ছাড়া কলকাতায় যা বিপুল জনসমস্যা, সেখানে পেল্লাই একটা বাড়িতে মাত্র একজন মানুষ থাকবে, এটাই বা কেমন কথা? পাৰ্থ সোফায় পা তুলে গুছিয়ে বসল। কাঁচালঙ্কায় কুটুস কামড় দিয়ে বলল, ইনফ্যাক্ট, লেবুতলা নামটার মধ্যেই একটা বাড়ি ভাঙার ইতিহাস জড়িয়ে আছে। যেসে বাড়ি নয়, একটা গির্জা।

    টুপুরের চোখ গোল গোল হল, মানে?

    এখন যে জায়গাটাকে আমরা লেবুতলা বলি, আই মিন সন্তোষ মিত্র স্কোয়ার অঞ্চলটা, ওখানে একসময়ে সেন্ট জেমস গির্জা ছিল। রাস্তাটার নাম ছিল সেন্ট জেমস স্ট্রিট। কলকাতার প্রথম বিশপ টমাস ফ্যাশ মিডলটনের উদ্যোগে বানানো হয়েছিল গির্জাটা। তখন ওই জায়গাটাকে বলত কেরানিবাগান। কেন কেরানিবাগান বলত?

    টুপুর থতমত মুখে বলল, কেন?

    কারণ ওখানে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির কেরানিরা বাস করত। তারা ছিল পর্তুগিজ। ওই কেরানিবাগানের আদি মালিক ছিলেন একজন পাঞ্জাবি। শিখ। নাম হুজুরিমল। এই হুজুরিমল ছিলেন সিরাজদ্দৌলার দরবারের আমিরচাঁদের শালা। আমিরাচাঁদ মানে উমিচাঁদ। তা হুজুরিমল বউবাজারের বৈঠকখানায় একটা পঞ্চান্ন বিঘের পুকুর কাটিয়েছিলেন। সেই পুকুর বুজিয়েই কেরানিবাগান। পরে এই কেরানিবাগানের মালিক হন মিস্টার রবার্ট ল্যাজেরাস দ্য অলিভিয়েরা। তিনি বিশপকে গির্জা তৈরি করার জন্য বাগানটা দান করে দেন। আঠারোশো কুড়িতে গির্জা তৈরি শুরু হল, শেষ হল আঠারোশো তেইশে।

    মিতিন অধৈর্যভাবে বলল, পয়েন্টে এসো না। ঘুরপাক খাচ্ছ কেন?

    কোনও কিছু জানতে হলে পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে জানতে হয়। তাও তো আমি হুজুরিমলের পুকুরের নামটা বলিনি।

    কী নাম? হুজুরিপুকুর?

    আজ্ঞে না। পদ্মপুকুর।

    টুপুর প্রতিবাদ করল, যাহ্, পদ্মপুকুর তো ল্যান্সডাউন রোডে।

    কলকাতায় কতগুলো পদ্মপুকুর ছিল জানিস? এন্টালিতে একটা…

    তুমি আবার ট্র্যাক চেঞ্জ করলে? গির্জার কথা বলো।

    হ্যাঁ, গির্জা। চার্চ। শেষ লুচিতে তরকারি পুরে মুখে গুঁজল পার্থ। চিবোতে চিবোতে বলল, গির্জেটা তো তৈরি হল পুকুর ভরাট করা জমিতে। এখনকার প্রোমোটাররা যা আকছার করছে। পরিণতি যা হওয়ার তাই হল। আস্তে আস্তে বসে যেতে লাগল গির্জাটা। ভয় পেয়ে গির্জার কর্তাব্যক্তিরা গির্জার চূড়া বানানো বন্ধ করে দিলেন। লোকজনের কাছে গির্জার নামই হয়ে গেল ন্যাড়া গির্জা। জলা জমি হওয়ার কারণে উইপোকা ধরে গেল কড়িবরগায়। তৈরি হওয়ার মাত্র পঁয়ত্রিশ বছরের মধ্যে আঠেরোশো আটান্নর অগাস্টে বিকট শব্দ করে ভেঙে পড়ল গির্জার ছাদ। ব্যস, গির্জা গন। আরও আছে। তখন ওই গির্জার জন্য দান করা জমির একটা পোরশান গির্জার কাছ থেকে কিনে নিয়েছিলেন রবার্ট ল্যাজেরাসের নাতি মিস্টার এলিয়ট। বাকিটা কিনেছিলেন এক বাঙালি। তখন ওই জায়গাটা মোটেই ঘিঞ্জি ছিল না। বরং বলা যায় একেবারেই বসতিহীন ছিল। ওই বাঙালি ভদ্রলোকই প্লট করে করে জমি বেচে এখানে লোকজন এনে বসান। জায়গাটায় প্রচুর লেবুগাছ ছিল, তাই নাম হয়ে গেল লেবুতলা বা নেবুতলা। কলকাতার লোক তো ল-কে বলত ন। নুচি নেবু নংকা নেবুতলা…

    টুপুর বলল, ন্যাড়া গির্জা শেষে নেবুতলা? এ যে ছিল রুমাল, হয়ে গেল বেড়াল!

    উহুঁ। রুমাল টু বেড়াল, টু চশমা, টু দাঁতের মাজন।

    তা সেই বাঙালি ভদ্রলোকের নাম কী ছিল?

    ইতিহাসের এটাই তো পরিহাস রে। কত ইম্পর্ট্যান্ট লোকের নাম যে ইতিহাস মিস করে যায়। দেখি, কোথাও যদি পাই তো নামটা তোকে বলে দেব। পার্থ আয়েশ করে একটা সিগারেট ধরাল, তা যা বলছিলাম। কলকাতার কত জায়গা যে কত ভাবে বদলেছে।

    যেমন বেরিয়াল গ্রাউন্ড রোড থেকে পার্ক স্ট্রিট।

    বেরিয়াল কিংবা বেরিয়িং। কিন্তু নামটা বদলে পার্ক স্ট্রিটই বা হল কেন, বল তো?

    ওই যে একটা পার্ক আছে ক্যামাক স্ট্রিটের সোড়টায়।

    ঘেঁচু। এখন যাকে বলে মিডলটন রো, সেখানে লোরেটো হাউসটা দেখেছি তো? ওটা ছিল আসলে স্যার ইলাইজা ইম্পের বাড়ি। ইলাইজা ইম্পে কে ছিলেন নিশ্চয়ই বলতে হবে না?

    ওয়ারেন হেস্টিংসের বন্ধু। সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি। ইলাইজা ইম্পের সঙ্গে চক্রান্ত করেই তো ওয়ারেন হেস্টিংস মহারাজা নন্দকুমারের ফাঁসি দিয়েছিলেন। পরে দেশে ফিরে গিয়ে এর জন্য ইলাইজা ইম্পে সাজাও পেয়েছিলেন। শেষ জীবনটা খুব কষ্টে কেটেছিল ইম্পের।

    ব্র্যাভো! ইতিহাসে তো তুই লেটার পাবি রে। পার্থ চমৎকৃত, তা এই ইলাইজা ইম্পের বাড়ির চারদিকে ছিল এক বিশাল পার্ক। সেখানে হরিণটরিনও থাকত। লোকে বলত ডিয়ার পার্ক। উঁচু পাঁচিল ঘেরা ওই পাৰ্কটার জন্য কবরখানার রাস্তার নাম বদলে হয় পার্ক স্ট্রিট। তারপর ধর, এখন বেলেঘাটায় যেখানে কমার্শিয়াল ট্যাক্স অফিস, ঠিক ওইখানটায় ভিজিয়ানা গ্রামের মহারাজার প্রাসাদ ছিল। সেই প্রাসাদটারও ইতিহাস কম ইন্টারেস্টিং নয়। অরিজিনালি ওটা ছিল কালীপ্রসাদ দত্তর বাগানবাড়ি। তিনি বাড়িটি দান করেন এক মহিলাকে। সেই মহিলাকে বিয়ে করেন মুন্সিবাজারের মালিক মুন্সি আমির। তাদের বংশধর বাড়িটাকে বেচে দেয় ভিজিয়ানাগ্রামের রাজাকে। ওই বাড়ির দু-তিনটে বাড়ি পরেই আছে মুন্সি আমিরের বংশধর শেখ নবাব হোসেনের বাগানবাড়ি…

    তুমি থামবে? মিতিন আর চুপ থাকতে পারল না, তুমি যে আজকাল মন দিয়ে কলকাতার ইতিহাস পড়ছ, আমরা বেশ মালুম পাচ্ছি। কিন্তু এবার যে তোমায় একটু গাত্ৰোত্থান করতে হয়।

    কেন?

    বাজার যাবে না? মেয়েটা মাসির বাড়ি বেড়াতে এসে শুধু জ্ঞান খেয়ে পেট ভরাবে?

    পাৰ্থ তড়াক করে লাফিয়ে উঠল, কী রে টুপুর, কী খাবি আজ? চিকেন? মাটন? ইলিশ? চিংড়ি?

    টুপুর লজ্জা-লজ্জা মুখে বলল, আনো না, যা হয় কিছু।

    আজ তবে চিংড়ির মালাইকারি হোক। আর কষা কষা মাটন।

    হোক।

    রাঁধব কিন্তু আমি। একেবারে নিজস্ব কায়দায়। মোগলাই ঘরানায়। তোর মাসিকে বলে দে, সে যেন একদম নাক গলাতে না আসে।

    আমার ভারী বয়ে গেছে। মিতিন একগাল হাসল, ভালই হল। আজ তা হলে ঝাড়া হাত-পা হয়ে ঘরদোরগুলো একটু গুছিয়ে ফেলি। টুপুর তো আছে, আমায় হেল্প করবে।

    মিতিনমাসির কোনও কাজে সহকারী হতে টুপুরের কণামাত্র আপত্তি নেই। সে গোয়েন্দাগিরিই হোক, কি নিছক ঘরোয়া কাজ। সত্যি বলতে কী, এই জন্যই না গরমের ছুটি পড়তে না-পড়তে মিতিনমাসির বাড়ি চলে আসা। সর্বক্ষণ মিতিনমাসির গা-ঘেঁষে থাকবে, প্রতি পদে কিছু না কিছু শিখবে, আর এর মধ্যে যদি জম্পেশ একটা কেস এসে পড়ে তো কথাই নেই, ছুটিটা সার্থক হয় টুপুরের। গত বছর সারান্ডা বেড়াতে গিয়ে দারুণ অভিজ্ঞতা হয়েছিল। সেই চোরা হাতিশিকারিকে ধরার কথা মনে পড়লে এখনও টুপুরের গায়ে কাঁটা দেয়।

    এ-বছর অবশ্য বেরোনোর সম্ভাবনা নেই বললেই চলে। পার্থমেসোর প্রেসে হুট করে অনেক কাজ এসে গেছে, এখন পার্থমেসোর পক্ষে দুতিন দিনের জন্যও কলকাতা ছাড়া অসম্ভব। আর টুপুরের বাবা তো এ বছর বেজায় ব্যস্ত। ইউনিভার্সিটির হেড এগজামির্নার হয়েছেন অবনী, রাশি-রাশি দর্শনের খাতা সামলাচ্ছেন, পরীক্ষকদের বাড়িতে ডেকে ডেকে খাতা বিলি করছেন, এখন তাকে কে নড়াবে! টুপুরের মারও শরীরটা ভাল যাচ্ছে না, হাঁটু কোমরের ব্যথা বেশ বেড়েছে। গরমের ছুটিটা কলকাতায় কাটানো ছাড়া টুপুরের এবার কোনও উপায় নেই।

    পার্থ চা খেয়ে বেরিয়ে গেল বাজারে। মিতিনও কাজে নেমে পড়েছে। টুপুরকে নিয়ে। বসার ঘরের জিনিসপত্র বেশিদিন একভাবে রাখা পছন্দ করে না মিতিন, তাতে নাকি একঘেয়েমি এসে যায়। মাসি-বোনঝি ধরাধরি করে ঘোরাচ্ছে সোফাগুলো। সোফাকভারগুলোও খুলে ফেলল মিতিন। অন্য আর-এক সেট লাগাবে। তিনখানা পাতাবাহারের টব রাখা আছে বাইরের ঘরে, সেগুলোকেও ঠাঁইনাড়া করল। এখানে-সেখানে বসিয়ে দেখছে, মানাচ্ছে কি না।

    কাজের মাঝেই ডোরবেল। দরজা খুলতেই হা-হা রবে ঢুকে পড়ল বুমবুম। সঙ্গে ভারতী। এ বাড়িতে মাস তিনেক হল কাজে ঢুকেছে ভারতী। ক্যানিং লাইনের ঘুটিয়ারি শরিফের মেয়ে। বয়স বছর কুড়ি। তেমন একটা চটপটে নয় বটে, তবে বুদ্ধি আছে। বেশ তাড়াতাড়ি শিখে নিচ্ছে কাজকর্ম। বুমবুমের সঙ্গে তার মোটামুটি পটেও গেছে। বুমবুমের স্কুল, কুংফু-ক্যারাটে ক্লাস, বিকেলের পার্ক, সর্বত্রই সে পাঁচ বছরের বুমবুমের ছায়াসঙ্গী।

    বুমবুম হাহ্ হুহ হাহ্ হুহ করে ক্যারাটে প্র্যাকটিস করে চলেছে। টুপুর জিজ্ঞেস করল, কী রে, তোর না সাড়ে নটা অব্দি ক্লাস? সওয়া নটার মধ্যে চলে এলি যে?

    বুমবুম কিম্ভূত পোজ করে শূন্যে পা ছুড়ল, আজ আমায় তাড়াতাড়ি ছুটি দিয়ে দিল।

    সঙ্গে-সঙ্গে ভারতী হাউমাউ করে উঠেছে, না গো বোন, মিছে কথা। ওকে তো আজ কেলাস থেকে বের করে দিয়েছে।

    সে কী? কেন?

    হাত-পা ছোড়া খেলতে খেলতে একটা ছেলের পেটে ক্যাঁত করে ঘুষি মেরে দিয়েছিল।

    ও মা, তাই? মিতিনের ভুরু জড়ো হল, কেন মেরেছ বুমবুম?

    মারিনি তো। বুমবুমের চটজলদি জবাব, কুংফু-ক্যারাটের সঙ্গে দীপকে একটু বক্সিং শেখাচ্ছিলাম।

    দাড়াও, এবার আমি তোমাকে ওঠ-বোস করা শেখাচ্ছি।

    শুনেই বুমবুম সামনে থেকে ধাঁ। তাকে পাকড়াও করতে পিছনে ধাওয়া করেছে মিতিন। টুপুর আর ভারতী ফিক ফিক হাসছে।

    তখনই ফোনটা বেজে উঠল। টুপুর গিয়ে রিসিভার তুলেছে, হ্যালো?

    ওপারে এক পুরুষকণ্ঠ, এটা কি পার্থপ্রতিম মুখার্জির বাড়ি?

    হ্যাঁ। কিন্তু উনি তো নেই এখন। বেরিয়েছেন।

    কখন ফিরবেন?

    বাজারে গেছেন তো, আধঘণ্টা-চল্লিশ মিনিট দেরি হবে।

    ও।

    ফিরলে কিছু বলতে হবে?

    হ্যাঁ, মানে…না, মানে… আমি একটু পরে আবার ফোন করছি। আপনার নামটা জানতে পারি?

    উৎপল। একটুখানি থেমে রইল গলাটা। তারপর কেটে-কেটে বলল, উৎপল ক্রিস্টোফার বিশ্বাস। আমি আর পার্থ একসঙ্গে কলেজে পড়তাম।

    ও, আচ্ছা। আমি মেসোকে নিশ্চয়ই বলব।

    ফোনটা রেখে দিতে যাচ্ছিল টুপুর, ও প্রান্ত আবার বলে উঠল, আচ্ছা, পাৰ্থর মিসেস কি বাড়ি আছেন? আই মিন, যাঁর ডিটেকটিভ এজেন্সি আছে?

    হ্যাঁ হ্যাঁ, উনি আছেন। টুপুর ঝটপট বলে উঠল, ডেকে দেব?

    প্লিজ। যদি না উনি খুব বিজি থাকেন।

    এক মিনিট ধরুন।

    রিসিভার সন্তৰ্পণে ক্ৰেডলে নামিয়ে রাখল টুপুর। মিতিনমাসি তাকে শিখিয়েছে বাইরে থেকে ফোন এলে এভাবেই নামিয়ে রাখতে হয় রিসিভার। এতে লাইনও কাটে না, এপারের কথাও শোনা যায় না ওপারে।

    ছুটে টুপুর পাশের ঘরে এল। সেখানে চলছে এক আজব দৃশ্য। মিতিনমাসি আর বুমবুম যুগলে ওঠ-বাস করছে। মিতিনমাসির হাত দুটো শক্ত করে ধরে আছে বুমবুমের কান, অপমানে চোখ দিয়ে টপটপ জল পড়ছে বুমবুমের।

    টুপুর হাসতে গিয়েও হাসল না। মিতিনকে তাড়া লাগাল, মিতিনমাসি, তোমার টেলিফোন।

    কে?

    মেসোর কলেজের এক ক্রিস্টান সহপাঠী।

    তো আমি কী করব? বলে দে মেসো বাজারে গেছে।

    বলেছি। মেসো নেই শুনে তোমাকেই ডেকে দিতে বলল, মনে হল দরকারটা তোমারই সঙ্গে।

    কী করে বুঝলি?

    ডিটেকটিভ এজেন্সি সংক্রান্ত উৎপলের প্রশ্নটা চেপে গেল টুপুর। কায়দা করে বলল, ধরে নাও গেস। আমার সিক্সথ সেন্স বলছে।

    বটে?

    বুমবুমকে মুক্তি দিয়ে ঘাম মুছতে মুছতে এসে রিসিভার ওঠাল মিতিন। শান্ত স্বরে বলল, বলুন? আমি পাৰ্থর স্ত্রী বলছি।

    …

    ও আচ্ছা, নমস্কার। কিন্তু পার্থ তো…

    …।

    আমার সঙ্গে দেখা করবেন?

    ..।

    কী হয়েছে? প্রবলেমটা কী?

    …।

    ও। ঠিক আছে, চলে আসুন। আপনি কি বাড়ির ঠিকানাটা জানেন?

    …।

    হ্যাঁ হ্যাঁ, ঢাকুরিয়ায়। সতেরোর তিনের বি, বাবুবাগান লেন। একতলায়।

    …।

    হ্যাঁ, ঢাকুরিয়া বাসস্ট্যান্ডের কাছেই।

    …।

    এগারোটা নাগাদ আসবেন? নো প্রবলেম।

    …।

    নমস্কার।

    ফোন রেখে একটুক্ষণ দাঁড়িয়ে রইল মিতিন। অস্ফুটে বলল, গান বাজছিল। এলটন জন।

    টুপুর সায় দিল, হ্যাঁ হ্যাঁ, একটা ইংলিশ টিউন কানে আসছিল বটে।

    যে-সে গান নয়। সেই বিখ্যাত গানটা। প্রিন্সেস ডায়ানা মারা যাওয়ার পর এলটন জন যেটা কম্পাজ করেছিলেন। বলেই টুপুরকে প্রশ্ন, আর কিছু টের পেয়েছিস?

    কী বলো তো?

    কুকুর আছে বাড়িতে। সম্ভবত ল্যাপ ডগ। ডাক শোনা যাচ্ছিল।

    তাই?

    হুঁ।

    কিন্তু ভদ্রলোক হঠাৎ তোমার কাছে আসছেন কেন?

    নিশ্চয়ই কোনও কারণ ঘটেছে।

    তুমি কি কোনও রহস্যের গন্ধ পাচ্ছ?

    মিতিন হেসে ফেলল, ওরে, ডিটেকটিভগিরি করি বলে কি সবই আন্দাজ করা যায়? তবে ভদ্রলোকের গলাটা একটু উদ্বিগ্ন লাগছিল। প্লাস, ওই উৎপল নিশ্চয়ই তোর মেসোর প্রাণের বন্ধু নয়, সম্ভবত নিয়মিত যোগাযোগও নেই। তেমন হলে তো আমি চিনতামই। এমন একজন খামোখা আমার সঙ্গে দেখা করতে চাইবেই বা কেন? সমস্যা একটা হয়েছে তো বটেই।

    তার মানেই ডালমে কুছ কালা হ্যায়!

    দাঁড়া, আগে ডালটাকে দেখি। তবে না বুঝব।

    টুপুরের মনটা নেচে উঠল। গরমের ছুটিটা এবার তা হলে পুরোপুরি বিফলে না-ও যেতে পারে। বেড়ালের ভাগ্যে শিকে ছিঁড়তেও পারে।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleমিতিনমাসি সমগ্র ২ – সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    Next Article বিষ – সুচিত্রা ভট্টাচার্য

    Related Articles

    সুচিত্রা ভট্টাচার্য

    গল্প সমগ্র – সুচিত্রা ভট্টাচার্য

    December 5, 2025
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য

    অন্য বসন্ত – সুচিত্রা ভট্টাচার্য

    December 5, 2025
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য

    কাছের মানুষ – সুচিত্রা ভট্টাচার্য

    December 5, 2025
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য

    হেমন্তের পাখি – সুচিত্রা ভট্টাচার্য

    December 5, 2025
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য

    অলীক সুখ – সুচিত্রা ভট্টাচার্য

    December 5, 2025
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য

    আলোছায়া – সুচিত্রা ভট্টাচার্য

    December 5, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }