Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    মিতিনমাসি সমগ্র ১ – সুচিত্রা ভট্টাচার্য

    সুচিত্রা ভট্টাচার্য এক পাতা গল্প667 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ০২. পার্থ বাজার থেকে ফেরামাত্র

    পার্থ বাজার থেকে ফেরামাত্র টুপুর উগরে দিল ফোনের কথাটা। শুনে পার্থ তো হাঁ, উৎপল ক্রিস্টোফার ফোন করেছিল? উৎপল তোর মাসিকে খুঁজছিল?

    টুপুর উত্তেজিত মুখে বলল, হ্যাঁ গো। তাই তো বললেন।

    মিতিন জানলার পরদা বদলাচ্ছে। পেলমেট-রডে রিং পরাতে পরাতে ঘাড় ঘোরাল, তোমার বন্ধুটি কেমন?

    তুৎ, থোড়াই বন্ধু! জাস্ট ব্যাচমেট ছিল। আমাদের সঙ্গে তেমন মিশত না। ওর সার্কলটা ছিল আলাদা। ব্যাটার ফিজিকটা ছিল দেখার মতো। ইয়া চওড়া কাঁধ, ভি-শেপ কোমর। শুধু হাইটটাই যা একটু শর্ট। মেরেকেটে পাঁচ-ছয়। রেগুলার ওয়েট ট্রেনিং করত, জিমনাস্টিকস কম্পিটিশনে নাম দিয়ে প্রাইজটাইজও পেয়েছিল অনেক। ফাইনাল পরীক্ষাটা দেয়নি, হুট করে একটা সার্কাস কোম্পানিতে কাজ জুটিয়ে পাকাপাকি ওই লাইনেই চলে গেল।

    তা সে তোমার ফোন নম্বর পেল কোত্থেকে?

    মাঝে ওর সঙ্গে একদিন দেখা হয়েছিল। এই মাস পাঁচ-ছয় আগে। মল্লিকবাজারে একটা মোটরপার্টসের দোকানে বিল ভাউচার ছাপানোর পেমেন্ট আনতে গেছি, তখনই হঠাৎ মুখোমুখি। বলল, এখন নাকি সার্কাসটাকাস ছেড়ে দিয়ে কোনও একটা জিমনাসিয়ামে ইনস্ট্রাকটার হয়েছে। বাচ্চাকাচ্চাদের ট্রেনিং দেয়। সেদিনই আমি ওকে আমার কার্ডটা দিয়েছিলাম।

    এবং আমার প্রফেশান নিয়েও গপ্পো করেছিলে?

    এতে অন্যায়টা কী আছে? বরং আমাকে তোমার ক্রেডিট দেওয়া উচিত। আমার পাবলিসিটির গুণে তোমার শুখা মরশুমে কেমন হেঁটে হেঁটে কেস আসছে। বলেই পাৰ্থ চোখ টিপল, আমার বন্ধু বলে ছাড়টাড় দিয়ো না কিন্তু। পুরো পাওনাগণ্ডা বুঝে নেবে। আর, টাকা পেলে আমার কমিশনটা চাই। ফিটি পারসেন্ট। নিদেনপক্ষে ফরটি-সিক্সটি।

    আহা, কী জন্যে আসছে তার ঠিক নেই, আদৌ আমাকে দিয়ে তার কাজ হবে কি না জানি না, এখনই কালনেমির লঙ্কা ভাগ শুরু হয়ে গেল।

    মুফতে কোনও পরামর্শও দেবে না। তার জন্যও ফি চার্জ করবে।

    আচ্ছা আচ্ছা, সে দেখা যাবেখন। তা তোমার এই উৎপল ক্রিস্টোফার বিশ্বাস থাকেন কোথায়?

    কলেজে পড়ার সময়ে তো এক্সট্রিম সাউথ থেকে আসত। কেওড়াপুকুর না ঠাকুরপুকুর, কোথায় যেন থাকত। এখন মল্লিকবাজারের কাছেই বাসা নিয়েছে বলল। জোড়া গির্জার দিকটায়। বলেই পার্থ টুপুরের দিকে ফিরে চোখ নাচাল, অ্যাই, জোড়াগির্জা চিনিস?

    খুব চিনি। আচার্য জগদীশচন্দ্র বোস রোডে।

    আগে যেটা ছিল লোয়ার সার্কুলার রোড। আরও আগে যেখানটায় ছিল মারহাট্টা ডিচ ক্যানাল। বর্গি আক্রমণ রুখতে শহরে ওই খাল কাটা হয়েছিল। বর্গি, মানে মরাঠাদের সেনাপতি ছিল ভাস্কররাম কোলহাতকর। ইতিহাসে যাঁর নাম ভাস্কর পণ্ডিত। লোকটা মহাদুষ্ট ছিল। ভীষণ লুটপাট চালাত। তাকে সামলাতেই একুশ হাত চওড়া, সাত মাইল লম্বা পরিখা খোঁড়ার প্ল্যান করেছিল ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি। এন্টালি অবদি খালটা খোঁড়ার পর ভাস্কর পণ্ডিত খতম হয়ে গেল মুস্তাফা খাঁ নামে এক আফগান সৈনিকের হাতে। পরে মরাঠারা আর-একবার অ্যাটাক করেছিল। তখন খালটাকে এন্টালি থেকে বেকবাগান অবদি বাড়ানো হয়। ওই খাল বুজিয়েই সার্কুলার রোড।

    টুপুর অপ্রসন্ন মুখে বলল, আমাদের কিন্তু জোড়াগির্জা নিয়ে কথা হচ্ছিল মেসো।

    তোকে বলেছি না, যা জানবি, ডিটেলে জানবি?

    আহ্, বলো না জোড়াগির্জার কথা।

    তার আগে তুই বল দেখি নামটা জোড়াগির্জা কেন?

    দুটো চার্চ আছে, তাই।

    তোর মাথা। ওখানে একটাই গির্জা। সেন্ট জেমস চার্চ।

    আর-একটা সেন্ট জেমস চার্চ ছিল বললে না? লেবুতলায়?

    সেটাই তো এটা। ন্যাড়া গির্জার ছাদ ভেঙে পড়ার পাঁচ-ছ বছরের মধ্যেই নতুন করে চাৰ্চটা বানানো হয় এই সার্কুলার রোডে। আগের চার্চে একটাও চুড়ো ছিল না, এখানে বানানো হল দু-দুটো চুড়ো। ওই দেখেই লোকে চাৰ্চটাকে ডাকতে লাগল জোড়াগির্জা বলে। ওই চার্চের পাশের জমিতে ছিল চিৎপুরের নবাব মহম্মদ রেজা খাঁ-র বংশধর নবাব সৌলদ জং-এর বাগানবাড়ি। এখন যেটা হয়েছে নোনাপুকুর ট্রামডিপো। নোনাপুকুর নামটা আবার এসেছে..

    ফের তুমি ইতিহাসের ঝাঁপি খুলে বসলে? মিতিন কাজ থামিয়ে চোখ পাকাল।

    বন্ধ করতে পারি, যদি জমিয়ে এক কাপ কফি খাওয়াও।

    ইতিহাস, উৎপল ক্রিস্টোফার, সবই আপাতত চাপা পড়ে গেল। পার্থমেসোর কল্যাণে টুপুরেরও কফি জুটল এক কাপ। বাজার থেকে আরও তিনখানা খবরের কাগজ কিনে এনেছে পার্থমেসো, কফিতে চুমুক দিতে-দিতে ফের মজেছে শব্দ খোঁজার খেলায়। বুমবুমের জন্য কার্টুন চ্যানেল চলছে, সে এখন শোওয়ার ঘরে টিভিতে মগ্ন। এ-বাড়িতে ড্রইংরুমে টিভি থাকে না, পাছে মিতিনমাসির কাছে লোকজন এলে কথাবার্তায় অসুবিধে হয়।

    টুপুরও কাপ হাতে বুমবুমের পাশে গিয়ে বসল। রোড রানার শো চলছে। দেখতে মজাই লাগে। কিন্তু এখন মন বসছে না, বারবার চোখ চলে যাচ্ছে ঘড়ির দিকে। সময় যেন আর কাটেইনা, এগারোটা আর বাজেই না। এল এগারোটা, পেরিয়েও গেল। শুরু হল সেই চিরপরিচিত টম অ্যান্ড জেরি। এখনও উৎপল ক্রিস্টোফারের দেখা নেই কেন?

    অবশেষে প্রতীক্ষার অবসান। ডোরবেলে ডিং ডং। পাক্কা এগারোটা আঠাশে।

    ভারতী দরজার দিকে যাচ্ছিল, তাকে টপকে আগেই পৌঁছে গেছে টুপুর। এবং ল্যাচ খুলেই চমক। সামনে এক শ্যামলা রং স্বাস্থ্যবান ভদ্রলোক, কিন্তু তিনি একা নন। পাশে এক মহিলা। পরনে দেশীয় পোশাক। সবুজ জংলাছাপ শিফন শাড়ি। তবে চেহারায় খাটি বিদেশিনী। টুকটুকে লাল গায়ের রং, নীল চোখ, মুখের আদলটিও ইউরোপিয়ান ধাঁচের। মাথার চুলটাই যা কুচকুচে কালো। মহিলা বেশ লম্বাও। হাইহিল পরা আছে বলে যেন আরও বেশি ঢ্যাঙা দেখাচ্ছে।

    পার্থও এসেছে টুপুরের পিছন-পিছন। সাদরে অভ্যর্থনা জানাল, আয় আয়। আমরা তোর জন্যই ওয়েট করছি।

    উৎপল অপ্ৰতিভ মুখে বলল, সরি। একটু লেট হয়ে গেল। তোদের এখন বোধহয় লাঞ্চ টাইম…

    ধুৎ, আমাদের এখনও রান্নাই চড়েনি। ছুটির দিনে আমরা দুপুর দুটোর আগে খেতে বসি না।

    উৎপল ভেতরে এল। সঙ্গে-সঙ্গে মহিলাও সোফায় পাশাপাশি বসেছে দুজনে। মিতিন আসামাত্র দুজনেই উঠে দাঁড়াল।

    উৎপল হাতজোড় করে নমস্কার করল মিতিনকে। বিনীতভাবে বলল, আমি কে সে তো বুঝতেই পারছেন। উৎপল ক্রিস্টোফার বিশ্বাস। আর ইনি আমার মিসেস। মির্না বিশ্বাস।…মির্না, ইনিই ফেমাস ডিটেকটিভ প্রজ্ঞাপারমিতা মুখার্জি।

    মিতিন স্মিত মুখে বলল, ফেমাস-টেমাস কিছু নয়। পেটের ধান্দায় লোকে চাকরি বাকরি করে, আমি করি গোয়েন্দাগিরি। বলেই হাত বাড়িয়ে টুপুরকে দেখাল, এ আমার বোনঝি। ঐন্দ্ৰিলা। টুপুর। আমার অ্যাসিস্ট্যান্ট।

    টুপুর প্রায় গলে গেল। মিতিনমাসি তাকে বাইরের লোকের সামনে সহকারীর স্বীকৃতি দিচ্ছে! খুশি-খুশি মুখে বলল, আপনারা দাঁড়িয়ে রইলেন কেন? বসুন।

    মিতিন জিজ্ঞেস করল, আপনারা চা খাবেন তো? না কফি?

    উৎপল ঈষৎ সংকুচিত, থ্যাঙ্কস। কিছু লাগবে না। এত বেলায় আপনাদের জ্বালাতে এসেছি…

    সে কী কথা! পুরনো বন্ধুর বাড়ি প্রথম দিন এলেন…

    তা হলে কফি। শুধু কফি কিন্তু। আমারটা চিনি-দুধ ছাড়া। মির্নার নরমাল।

    মিতিন ভারতীকে নির্দেশ দিয়ে এসে বসার আগেই পাৰ্থ কথা শুরু করে দিয়েছে, হঠাৎ তোর হলটা কী? এমন হাঁকপাক করে ছুটে এলি?

    একটা সিরিয়াস প্রবলেমে পড়ে গেছি ভাই।

    কী প্রবলেম?

    আজকের ইংলিশ ডেলিতে একটা নিউজ দেখেছিস হাউস কোলাপসড অ্যাট লেবুতলা?

    বাংলা কাগজেও আছে। মিতিন বলল, ধ্বংসস্তুপে চাপা পড়ে এক বৃদ্ধ ভদ্রলোক মারা গেছেন।

    ওই নিউজটাই আমাদের বাধ্য করেছে ছুটে আসতে।

    ভদ্রলোক আপনাদের কেউ হন বুঝি?

    না না, আমাদের সঙ্গে কোনও রিলেশন নেই। কিন্তু খবরটা আমার মিসেসকে খুব টেনশনে ফেলে দিয়েছে। স্পেশ্যালি, ডেথ অফ দ্যাট ওল্ড ম্যান।

    পরিষ্কার হল না। একটু খুলে বলুন।

    এক সেকেন্ড। উৎপল সামান্য দম নিল। তারপর সসংকোচে বলল, আমি কি একটা সিগারেট ধরাতে পারি?

    তুই সিগারেট খাস? পার্থ অবাক, কলেজে আমরা সিগারেট খেলে তুই তো নাক টিপে সরে যেতিস!

    এখনও তেমন একটা খাই না। তবে মাঝেমাঝে…ওই মাথাটা যখন খুব জ্যাম হয়ে যায়..

    বুঝলাম। চাপে আছিস। পার্থ নিজের প্যাকেট বাড়িয়ে দিল, আমার থেকে নে। রিলাক্সড মুডে বল কী হয়েছে।

    খানিকটা ধোঁয়া গিলে একটু বুঝি থিতু হল উৎপল। সেই ফাঁকে বুঝি মনে-মনে বক্তব্যটাকেও সাজিয়ে নিল। বলল, আমার স্ত্রীকে দেখে নিশ্চয়ই আন্দাজ করতে পারছিস ও আমার মতো বাঙালি খ্রিস্টান নয়। অ্যাংলো-ইন্ডিয়ান। আমার শ্বশুরবাড়ি ইলিয়ট রোডে। মেন রাস্তা থেকে একটু গলিতে ঢুকতে হয়। ব্লাইন্ড লেন। বাড়িটা। একতলা, তবে মোটামুটি বড়ই। চারপাশে খানিকটা জমি আছে। জমি আর বাড়ি মিলিয়ে কম-বেশি দেড় বিঘা মতন জায়গা। একশো চল্লিশ বছর বয়স হয়েছে বাড়িটার। ওই বাড়ি আর বাড়িকে কেন্দ্র করে আমার ফাদার-ইন-ল আমাদের উদ্বেগের কারণ।

    বুঝলাম। তোদের বাড়িটাও গ্রাস করার জন্যে প্রোমোটাররা ছোঁক-ছোঁক করছে। এবং তোর শ্বশুরমশাই বাড়ি ভাঙার বিপক্ষে।

    ঠিক তাই। অলরেডি দু-তিনজন প্রোমোটার নজর ফেলেছে। তার মধ্যে একজন তো খুবই পাওয়ারফুল। ভেরি ওয়েল কানেকটেড, হাতে মাসলম্যান আছে। অলরেডি একবার হানা দিয়ে লোকটা প্ৰেশারও তৈরি করে গেছে। ফোনও করছে মাঝে-মাঝে। আমরা ভয় পাচ্ছি দুম করে লেবুতলার মতো কোনও অঘটন না ঘটে যায়?

    প্রোমোটার কি গ্রেট করছে?

    তা ঠিক নয়। তবে রিসেন্টলি একটা স্ট্রেঞ্জ ইনসিডেন্ট ঘটতে শুরু করেছে বাড়িতে। সেটা কোনও প্রোমোটারই করাচ্ছে, না অন্য কিছু, আমরা ঠিক বুঝে উঠতে পারছি না।

    কী রকম?

    আমার শ্বশুরবাড়িতে একটা রুমে কিছু অ্যান্টিক ফার্নিচার রাখা আছে। রুমটা এমনিতে আন্ডার লক অ্যান্ড কি থাকে, মাঝেমধ্যে ঝাড়পোঁছ করার জন্য খোলা হয়। রিসেন্টলি আমি কয়েকটা স্পেয়ার ফার্নিচার, মানে কিছু চেয়ার টেবিল, ওই ঘরে ঢুকিয়ে দিয়েছিলাম। তারপর থেকেই কী বিদঘুটে কাণ্ড! মাঝরাতে ওই ঘরে বিশ্রী আওয়াজ হতে শুরু করেছে। মনে হয়, কেউ যেন ঠেলে চেয়ারটাকে ফেলে দিল, টেবিল নড়াচ্ছে….

    বলিস কী? পাৰ্থ সোজা হয়ে বসল, আপনা-আপনি হচ্ছে?

    সেইজন্যই তো অদ্ভূত লাগছে। মাঝে-মাঝে আওয়াজটা কী জোর হয় তুই ভাবতে পারবি না। দুম দাম ধপাস। ও-ঘরে একটা গ্র্যান্ড পিয়ানো আছে, একদিন তো পিয়ানোটাও ঝং করে বেজে উঠল। সেদিন মির্না ও-বাড়িতে ছিল, আওয়াজটা শুনে ও তো প্রায় সেন্সলেস হওয়ার জোগাড়।

    পার্থ বলল, ঘটনাটা ঘটার সময়ে দরজা খুলে দেখা হয় না?

    হয়েছে। কোনও রাত্রে আমি যদি ওবাড়িতে থেকে যাই, আমি খুলেছি। কিছু পাওয়া যায়নি। থরো সার্চ করে দেখেছি, ইঁদুর-টিঁদুরও নেই তেমন।

    এ যে দেখি ভূতুড়ে কাণ্ড!

    অ্যাপারেন্টলি তাই মনে হচ্ছে। কিন্তু আমার বিশ্বাস হয় না। আমার ধারণা এটা প্রোমোটারেরই কারসাজি। ড্যাডিকে ভয় দেখানোর জন্য।

    তোর শ্বশুরমশাই ভয় পাচ্ছেন?

    কিছুটা নার্ভাস তো হয়েছেনই। তবে ড্যাডি মনে করেন প্রোমোটার-টোমোটার নয়, কাণ্ডটা ভূত করছে। ওই ঘরে বহুকাল আগে একটা আনন্যাচারাল ডেথ হয়েছিল, তাঁর আত্মা নাকি রাত্তিরে আসেন ওখানে। এবং তিনিই নাকি কোনও কারণে ক্ষুব্ধ হয়েছেন।

    মির্না এই প্রথম মুখ খুলল। আড়ষ্ট বাংলায় বলল, কাজটা যদি কোনও প্রোমোটারেরই কনসপিরেসি হয়, তা হলে সে সামডে অর আদার আরও মারাত্মক কিছু তো ঘটাতে পারে। লেবুতলার ইনসিডেন্টটার মতো।

    আপনার ড্যাডি এখন কী ভাবছেন? ভূতের ভয়ে বাড়ি বেচে দেবেন?

    প্রশ্নই আসে না। কোনও অবস্থাতেই ড্যাডি বাড়ি বেচবেন না।

    মিতিন চুপচাপ শুনছিল। হঠাৎ প্রশ্ন ছুড়ল, কতদিন ধরে চলছে এই ভূতের ইনসিডেন্ট?

    তা ধরুন, সপ্তাহদুয়েক।

    রোজই হচ্ছে?

    না। ছ-সাত দিন হয়েছে এর মধ্যে।

    সেই প্রোমোটারটি কবে এসেছিল আপনাদের বাড়ি?

    মাস দেড়েক আগে। তবে বললাম না, ফোন করে। মাঝে মাঝেই।

    ঘটনাটা শুরু হওয়ার পরেও ফোন এসেছে?

    না। সুরজমল এখন অদ্ভুত রকম সাইলেন্ট। আর সেইজন্যই তো আমার সন্দেহ হচ্ছে।

    প্রোমোটারের নাম বুঝি সুরজমল?

    সুরজমল অগ্নিদেব। রিগাল প্রপার্টিজের মালিক। ক্যামাক স্ট্রিটে অফিস। কলকাতার অনেক পুরনো বাড়ি ভেঙে অ্যাপার্টমেন্ট বানিয়েছে।

    কফি এসে গেছে। সঙ্গে আলুর চিপস্, বিস্কুট আর সন্দেশ। টুপুর হাতে হাতে কাপ তুলে দিয়ে আবার বসল মিতিনের পাশটিতে। মোড়ায়। উৎপল মির্না কী ধরনের সাহায্য চাইতে এসেছে তার মাথায় ঢুকছে না। প্রোমোটার ভয় দেখাচ্ছে, তো মিতিনমাসি কী করবে? এ-সব কেসে তো পুলিশের কাছে যাওয়া উচিত। আর ভূত তাড়ানোও তো মিতিনমাসির কাজ নয়। তার জন্য বাজারে অজস্র ফেরেব্বাজ ওঝা আছে।

    পার্থ মুঠোয় চিপস তুলে নিয়েছে। চিবোচ্ছে কচরমচর। মিতিন কফির কাপে চুমুক দিল। উৎপলকে জিজ্ঞেস করল, আপনার শ্বশুরমশাই কি একাই থাকেন?

    না। মির্নার ভাই থাকে সঙ্গে। তবে ডিক, আই মিন রিচার্ড, চাকরি করে হোটেলে। টেলিফোন অপারেটার। বেশির ভাগ দিনই তার নাইট শিফট থাকে। রাত্তিরে বাড়িতে ড্যাডি একাই।

    মির্না তাড়াতাড়ি বলে উঠল, অবশ্য আমরাও এখন প্রায়ই কেউ-না-কেউ রাতে ও-বাড়িতে রয়ে যাচ্ছি। হয় আমি, নয় উৎপল।

    আপনাদের বাড়ি কি কাছেই?

    মিনিট দশেকের রাস্তা। মুজফফর আহমেদ স্ট্রিটে। আমরা কলকাতায় ফিরে আসার পর থেকে ড্যাডির কাছাকাছিই আছি।

    পার্থ বলল, আপনারা মানে? আপনি কি উৎপলের সার্কাসের সঙ্গে সঙ্গে ঘুরতেন?

    মির্নার হয়ে উৎপলই উত্তর দিল, মির্নাও সার্কাসেই ছিল। আমার সঙ্গে ট্রাপিজের খেলা দেখাত।

    তাই বল। তোরা দুজনেই সার্কাস প্লেয়ার? জীবনেও জুটি, সার্কাসেও জুটি…! দারুণ।

    মিতিন মৃদু হেসে বলল, তা আপনারা তো আলাদা থাকেন। আপনার কথা শুনে মনে হচ্ছে আপনার শাশুড়িও নেই?

    মাম্মি আট বছর আগে মারা গেছেন। আমাদের বিয়ের পর পরই। ক্যানসার।

    ও। …তার মানে আপনার শ্বশুরমশাইয়ের সংসারে এখন আপনার শ্বশুরমশাই আর আপনার শ্যালক?

    হ্যাঁ ম্যাডাম।

    শ্যালক বিয়ে করেননি?

    এখনও না।

    সংসারের দেখভাল কে করেন? আই মিন রান্নাবান্না?

    আছেন একজন মহিলা। মিসেস জোনস। মির্নার মাম্মির অসুখের সময় থেকেই তিনি কিচেনের চার্জে। রুমগুলোর ডাস্টিং ক্লিনিং-ও তিনিই করেন। তিনিও কাছেই থাকেন। তেত্রিশ নম্বর রিপন লেনে। মর্নিং-এ আসেন, সন্ধেয় চলে যান। হাজব্যান্ড অসুস্থ, রাতে থাকা তাই তাঁর পক্ষে সম্ভব নয়।

    বুঝলাম। মিতিন সন্দেশের প্লেট উৎপল মির্নার দিকে বাড়িয়ে দিল, কিন্তু আমি আপনাদের কীভাবে সাহায্য করতে পারি?

    আপনি কাইন্ডলি মিস্ট্রিটা সলভ করে দিন। মানে ওই ভূতুড়ে আওয়াজের। যদি প্রমাণ করে দিতে পারেন কাজটা প্রোমোটারের, তা হলে ড্যাডিরও ভূতের আতঙ্কটা কেটে যাবে, আমরাও সহজে পুলিশের কাছে প্রসিড করতে পারব, সুরজমলও আর ট্যাঁফোঁ করার সুযোগ পাবে না।

    মনে হচ্ছে আপনারাও বাড়ি ভাঙার বিপক্ষে?

    ড্যাডি যখন চান না, তখন তাঁর জীবৎকালে ও বাড়ি নয় নাই ভাঙা হল। সেন্টিমেন্ট বলেও তো একটা ব্যাপার আছে।

    ডিকও কি বাড়ি ভাঙা চায় না?

    ডিক হ্যাঁ-তেও নেই, না-তেও নেই। তবে এখন তার অভিমত, অযথা প্রবলেমে না গিয়ে বাড়িটার একটা এপার ওপার করে ফেলাই ভাল।

    তার মানে ডিক এখন বাড়ি ভাঙার পক্ষে?

    অন্তত ড্যাডির মতো ডেড এগেন্‌স্টে নয়। তবে সে-ও খুব ভূতে বিশ্বাস করে। তারও ধারণা আত্মাফাত্মাই ফার্নিচার ফেলছে।

    কথার মাঝেই মির্না হঠাৎ বলে উঠল, তুমি কিন্তু আর একটা কথা ওঁদের এখনও বলো নি উৎপল।

    কী বলো তো?

    ওই মিথের ব্যাপারটা।

    ও হ্যাঁ, উৎপল গলা ঝাড়ল, মিথ ঠিক নয়। একটা গুজবের মতো। আমার শ্বশুরমশাই ইলিয়ট রোডের বাড়িটা পেয়েছিলেন তাঁর মায়ের সূত্রে। এই বাড়ির যিনি প্রতিষ্ঠাতা, সিপাই বিদ্রোহের সময়ে তিনি ছিলেন ব্রিটিশ ফৌজে। সিপাই বিদ্রোহের কোনও এক নেতা নাকি যুদ্ধে তাঁর হাতে নিহত হন। প্রবাদটা হল এই, সিপাই বিদ্রোহের সেই নেতার কোনও একটি বহুমূল্য সম্পদ তিনি হস্তগত করেছিলেন। সেটিও নাকি ওই বাড়ির কোথাও একটা লুকোনো আছে। একশো তিরিশ-চল্লিশ বছর ধরে অনেকেই নাকি সেটি খুঁজে বার করার চেষ্টা করেছে। কিন্তু বাড়ির আদি মালিক কোথায় যে সেটি রেখে গেছেন, কেউ তার সন্ধান পায়নি। এখন প্রায় ধরেই নেওয়া হয়েছে ওটা একটা গালগল্প।

    মিতিন একবার আড়চোখে মির্নাকে দেখে নিয়ে বলল, কিন্তু গুজব রটারও তো একটা কোনও কারণ থাকে?

    মির্না বলল, তাঁর উইলে নাকি এ ব্যাপারে কী একটা লেখা ছিল। আমি এই জিনিস রেখে গেলাম, যে এটা পাওয়ার চেষ্টা করবে তাকে মরতে হবে…. এই ধরনের কিছু। ডিটেলটা ড্যাডি ভাল বলতে পারবেন। ইন ফ্যাক্ট, ড্যাডির বিশ্বাস, জিনিসটা এখনও বাড়িতেই আছে। এবং তাঁর আত্মা সেটিকে পাহারা দেয়।

    ইন্টারেস্টিং? আপনাদের বাড়ি তো তাহলে একবার যেতেই হয়।

    প্লিজ আসুন। রহস্য সমাধানের সঙ্গে সঙ্গে যদি জিনিসটাও উদ্ধার করে দিতে পারেন তো নাথিং লাইক ইট, উৎপল সোৎসাহে ঝুঁকল, কবে আসছেন?

    দেখি। ফোন নাম্বার আর অ্যাড্রেস রেখে যান। আমি জানিয়ে দেব।

    উৎপল মির্না চলে যাওয়ার পর পার্থ হাঁ হাঁ করে উঠল, কেটা এমনি এমনি নিয়ে নিলে? একটা অ্যাডভান্স চাইলে না?

    মিতিন মুচকি হেসে বলল, গোড়াতেই টাকার কথা বললে দাম কমে যায় স্যার।

    টুপুর চকচকে চোখে বলল, সেটা বেশ জমবে মনে হয়, তাই না মিতিনমাসি? একদিকে ভূত, একদিকে অগ্নিদেব, সঙ্গে আবার বহুমূল্য সম্পদও রয়েছে?

    মিতিন বলল, এতক্ষণ যা যা শুনলি সব মগজে গেঁথে নিয়েছিস তো?

    অবশ্যই।

    আজই আমায় পয়েন্ট বাই পয়েন্ট নোট করে দেখাবি। আর তোর মেসোকে বল এখন আর কায়দা করে রান্নাঘরে ঢুকতে হবে না। মাংস আর চিংড়িমাছ আমিই রেঁধে ফেলছি।

    টুপুর খুশিতে ডগমগ। একই দিনে কেস, আর মিতিনমাসির রান্না—এ যে মণিকাঞ্চন যোগ।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleমিতিনমাসি সমগ্র ২ – সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    Next Article বিষ – সুচিত্রা ভট্টাচার্য

    Related Articles

    সুচিত্রা ভট্টাচার্য

    গল্প সমগ্র – সুচিত্রা ভট্টাচার্য

    December 5, 2025
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য

    অন্য বসন্ত – সুচিত্রা ভট্টাচার্য

    December 5, 2025
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য

    কাছের মানুষ – সুচিত্রা ভট্টাচার্য

    December 5, 2025
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য

    হেমন্তের পাখি – সুচিত্রা ভট্টাচার্য

    December 5, 2025
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য

    অলীক সুখ – সুচিত্রা ভট্টাচার্য

    December 5, 2025
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য

    আলোছায়া – সুচিত্রা ভট্টাচার্য

    December 5, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }