Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    মিতিনমাসি সমগ্র ১ – সুচিত্রা ভট্টাচার্য

    সুচিত্রা ভট্টাচার্য এক পাতা গল্প667 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ০৬. পরদিন ব্রেকফাস্টের টেবিলে

    পরদিন ব্রেকফাস্টের টেবিলে টোস্টে মাখন মাখাতে মাখাতে মিতিন বলল, এই, চটপট খেয়ে নে। এক্ষুনি বেরোতে হবে।

    টুপুর অবাক, কোথায় যাবে?

    ইলিয়ট রোড।

    জোনাথন মাইকেলের বাড়ি? টুপুর আকাশ থেকে পড়ল, এই সাতসকালে?

    সকালই ভাল। দুপুরে আমার কম্পিউটার ক্লাস আছে।

    পার্থ ওমলেট খুঁটে খুঁটে কাঁচালঙ্কা বার করছিল। মাথা না তুলেই বলল, আমি কিন্তু টিমে আছি আজ।

    তুমি বাজার যাবে না?

    তিন দিনের বাজার করা আছে ম্যাডাম। রুই, চিংড়ি, মুরগি। পালা করে রান্না হবে।

    আর তোমার প্রেস?

    প্রেস ক্যান ওয়েট, বাট মিষ্ট্রি ক্যান নট। মাইকেলের ভূতুড়ে বাড়ি দেখেই নয় প্রেসে যাব। শুধু পাঁচটা মিনিট টাইম দাও, চট করে স্নানটা সেরে নিই।

    সাড়ে আটটার মধ্যে তিনজনই তৈরি। টুপুর পরেছে লংস্কার্ট আর টপ। মিতিন ঘিয়ে রং সালোয়ার কামিজ। পার্থ জিন্স টিশার্ট। চোখে একটা সানগ্লাসও চড়াল পার্থ, কাঁধে ক্যামেরা। ভ্যানিটি ব্যাগে মিনি টেপরেকর্ডারটা ভরে নিতে ভুলল না মিতিন। বুমবুম এখনও পোচ আর টোস্ট নিয়ে নাড়াঘাটা করছে, তাকে ভারতীর জিন্মায় সমর্পণ করে বেরিয়ে পড়ল তিন মূর্তি। ট্যাক্সিতে যেতে যেতে পার্থ বলল, উৎপলকে একটা ফোন করে দিলে হত না?

    কী দরকার! একটু ফাঁকায় ফাঁকায় গিয়ে দেখি না বাড়িটা। উৎপলবাবু তো কাছেই থাকে, প্রয়োজন হলে যোগাযোগ করে নেব।

    উৎপলকে তো লাগবেই। মিসেস জোনস কি পিৎজা আনতে দৌড়বেন?

    তোমার শুধু খাই খাই। মিতিন কড়া চোখে তাকাল, ও বাড়িতে এখন অশান্তি চলছে। গিয়ে একদম হ্যাংলামি করবে না।

    পার্থ হাত ওলটাল, যো হুকুম মহারানি।

    পথেঘাটে অফিসের ভিড় সবে শুরু হয়েছে। তবে এখনও তেমন জ্যাম নেই কোথাও। নটার মধ্যেই ইলিয়ট রোড পৌঁছে গেল টুপুররা। ট্যাক্সি ছেড়ে দিয়ে জোনাথনের বাড়ির সামনে এসে মিতিন দাঁড়িয়ে রইল একটুক্ষণ। বুঝি বা খানিক দূর থেকে বুঝে নিতে চাইল অন্দরের হালচাল। সামনের তিনটে দরজাই বন্ধ, তবে জানলাগুলো সব খোলা। জনমনিষ্যির সাড়া নেই। জোনাথন কি এখনও ঘুম থেকে ওঠেননি?

    বারান্দায় উঠে বারকয়েক ডাকাডাকির পর মাঝের দরজা খুলে গেল। জোনাথন নয়, বেরিয়ে এসেছেন মিসেস জোনস। চুল চুড়ো করে বাঁধা, মুখময় ঘাম, গলা থেকে অ্যাপ্রন ঝুলছে, হাতে সবজি কাটার ছুরি। মিতিনদের আগমনে চমকেছেন জোর। বললেন, তোমরা হঠাৎ?

    মিতিন হেসে বলল, চলে এলাম। শুনলাম এ বাড়িতে নাকি আরও কী সব আজগুবি কাণ্ড ঘটছে?

    আর বোলো না। মিসেস জোনস প্রায় হাইমাউ করে উঠলেন। বুকে ক্রস আঁকছেন ঘন ঘন। ড্রয়িংরুমে মিতিনদের বসাতে বসাতে বললেন, হোলি স্পিরিট ভয়ানক অশান্ত হয়ে গেছেন। এ বাড়ির একটা কাচও তিনি বুঝি আস্ত রাখবেন না। জানো, কাল রাতে কী হয়েছে? ডাইনিং প্লেসের ক্রকারি কেসটাও উনি ভেঙে দিয়েছেন।

    পার্থ সোফার গদিটা পরখ করছিল। গ্ৰাম্ভারি স্বরে বলল, ওই ভূতটির সন্ধানেই তো আমাদের আসা।

    মিসেস জোনসের ভুরু কুঁচকে গেল, এঁকে তো চিনলাম না?

    মিতিন ঝুঁকে ডিসপ্লে ক্যাবিনেটের ভাঙা কাচ দেখছে। ঘুরে বলল, উনি আমার হাজব্যান্ড। পার্থ। উৎপলবাবুর কলেজের বন্ধু।

    ও। মিসেস জোনসের গলায় অসন্তোষ, শোনো বাছা, তোমাদের ভূত আর আমাদের হোলি স্পিরিট এক নয়। বড়সড় কিছু না ঘটলে হোলি স্পিরিট কক্ষনও নিজেকে জানান দেন না।

    মিতিন বলল, বড়সড় ঘটনা তো একটাই। ও ঘরে এক্সট্রা ফার্নিচার ঢোকানো। তাই না মিসেস জোনস?

    আমার তো তাই মনে হয়। তবে আমি মুখ্যুসুখ্যু মানুষ, আমার কথার কী দাম আছে! আমি শুধু ভয় পাচ্ছি এর পর আরও বড় কিছু না ঘটে।

    মিতিনের পাশ থেকে টুপুর বলল, এখনই তো যথেষ্ট তুলকালাম চলছে। এর চেয়ে সাংঘাতিক আর কী হবে?

    আমি মিস্টার মাইকেলের কথা বলছি। ওঁর ওপর দিয়ে যা ঝড় যাচ্ছে। কদ্দিন আর ধাক্কা সামলাতে পারবেন কে জানে!

    মিস্টার মাইকেল এখন কোথায়?

    কালও তাও হেঁটে চলে বেড়াচ্ছিলেন। আজ তো বিছানা ছেড়ে উঠতেই চাইছেন না, এত শকড। মিসেস জোনস আপনমনে গজগজ করছেন, কোন আক্কেলে যে মির্না উৎপল মানুষটাকে একা ফেলে চলে গেল! ডিকেরও বলিহারি যাই। দেখল এসে বাপের এই অবস্থা, কোথায় খানিক সান্ত্বনা দেবে বাপকে, পাশে গিয়ে বসবে, তা নয়, আজেবাজে কথা শুনিয়ে সটান শুতে চলে গেল!

    ডিক ডিউটি থেকে ফিরে এসেছে?

    এই তো, পৌনে নটা নাগাদ। এখন সেই টানা দুটো অবধি ঘুমোবে। তারপর খেয়েদেয়ে বেরোবে চরকি মারতে। মাঝখান থেকে আমারই হয়েছে যত জ্বালা। বারবার বলছি, আমায় রেহাই দাও, ছেড়ে দাও… মির্না, উৎপল কানেই তুলছে না। মিসেস জোনস লম্বা নিশ্বাস ফেললেন, আমার মনের অবস্থাটা কেউ বোঝে না।

    হুম, আপনার ওপরও বড্ড চাপ যাচ্ছে।

    বাদ দাও। তোমরা একটু চা খাবে তো?

    থ্যাংকস মিসেস জোনস। সত্যিই আপনার হাতের চা খেতে খুব ইচ্ছে করছিল।

    আমি এক্ষুনি বানিয়ে আনছি।

    মিস্টার মাইকেলের সঙ্গে একবার দেখা করতে হবে যে।

    খবর দিচ্ছি। উনি আসতে পারেন তো ভাল, নইলে আমি ওঁর কাছে তোমাদের নিয়ে যাব।

    সো কাইন্ড অফ ইউ।

    মিসেস জোনস অন্তৰ্হিত হতেই মিতিন চাপা গলায় বলল, কাচ ভাঙার নেচারটা নোট কর। পাল্লার পুরো কাচ খসেনি, কাঠের সঙ্গে খানিকটা করে লেগে আছে। ভেঙেছেও প্রায় স্ট্রেট লাইনে, এবড়োখেবড়ো ভাবে নয়।

    হোলি স্পিরিট বোধহয় পবিত্ৰ স্কেল নিয়ে এসেছিলেন। মাপ করে কেটেছেন। টিপ্পনী ছুড়েই পার্থ ক্যামেরা বার করে পটাপট ছবি তুলতে শুরু করেছে। দেওয়ালে ঝোলানো ঢাল তলোয়ার ফোকাস করতে করতে বলল, তলোয়ারের কী সাইজ, বাপস। এক ঘায়েই তিনটে মানুষ ঘ্যাচাং। এরকম তলোয়ার আগেও কোথায় যেন দেখেছি।

    মিতিন চোখ ঘোরাল, কোথায় বলো তো?

    কোনও মিউজিয়ামটিউজিয়ামে বোধ হয়। মনে পড়ছে না।

    টুপুর বলল, শিরস্ত্রাণটাও কী জমকালো দেখেছ? ওটা মাথায় চাপিয়ে মানুষ যে কী করে যুদ্ধ করত!

    তখনকার লোকজনের তাকত অনেক বেশি ছিল। খেতও বেশি। জানিস, রাজা রামমোহনের কী আহার ছিল? মাংস খেলে আস্ত পাঁঠা। দিনে বারো সের দুধ। তাও তো উনি সোলজার ছিলেননা।

    মিতিন ফুট কাটল, সৈনিক হলে হয়তো আস্ত হাতিই খেতেন।

    ঠাট্টাটা গায়ে মাখল না পাৰ্থ, ঘরের সমস্ত সুইচ অন করছে। খোলা জানলা দিয়ে আলো আসছিল ভালই, নতুন বা টিউবের দ্যুতিতে ঘর যেন আরও উজ্জ্বল হয়ে উঠল। ঘড়ি দেখছে টুপুর, পাৰ্থর সন্দিগ্ধ চোখ বা টিউবে স্থির। এক মিনিট..দুমিনিট…তিন মিনিট…!

    মিতিন বলে উঠল, মিছিমিছি কেন কারেন্ট পোড়াচ্ছ? দিনের বেলা কিস্যু হবে না।

    সত্যিই কিছু হল না। হতাশ পাৰ্থ সুইচ অফ করে ফের ক্যামেরায় মনোযোগী, ফোকাস করছে হরিণের শিং-এ, জোনাথনের বেডরুমের ভেজানো দরজা খুলে গেল। পরদা সরিয়ে ঈষৎ নড়বড়ে পায়ে ঘরে ঢুকলেন জোনাথন।

    একটু যেন অবসন্ন দেখাচ্ছে জোনাথনকে। মুখে দুতিন দিনের না কামানো খোঁচা খোঁচা সাদা দাড়ি, চুল উসখুসকো, দৃষ্টিতে একটা বিহ্বল ভাব। গলাখাঁকারি দিয়ে জোনাথন বললেন, তোমরা সকালেই এসে গেলে?

    পার্থর সঙ্গে জোনাথনের আলাপ করিয়ে দিয়ে মিতিন নরম করে বলল, আমার আর তর সইছিল না মিস্টার মাইকেল। কাল রাত থেকে আপনার জন্য বড় উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছি।

    লাভ নেই। হোলি স্পিরিট আমায় ডাকছেন। যাওয়ার সময় বুঝি হয়ে এল।

    এত ঘাবড়ে যাচ্ছেন কেন? আমরা তো আছি। সবাই মিলে আপনাকে রক্ষা করব।

    জোনাথন খুব একটা আশ্বস্ত হলেন না। সোফায় হেলান দিয়ে বসলেন, কাল কী হয়েছে শুনেছ তো?

    মিসেস জোনস বললেন। কটা নাগাদ ঘটেছে?

    সময় তো সঠিক বলতে পারব না। ওই ধরো রাত দুটো-তিনটে হবে। মোটামুটি ওই সময়ে আমি একবার বাথরুমে যাই। কাল আমায় দুখানা স্লিপিং পিল দিয়েছিল মির্না, মাথাটা কেমন টলমল করছিল। ঘর থেকে বেরোতেই চক্কর মতো একটা এসে গেল।

    সামলাতে গিয়ে ক্রকারি সেটটা ধরেছিলাম। সঙ্গে সঙ্গে ঝনঝন করে কাচ খুলে পড়ে গেল। কপাল ভাল, পায়ের ওপর পড়েনি।

    কী করলেন তখন? বারান্দার আলো জ্বাললেন?

    বারান্দার আলো তো জ্বলছিলই। রাতে এখন ওটা আর নেবাচ্ছি না। কোনও রকমে কাচের টুকরো বাঁচিয়ে, বাথরুম সেরে ঘরে চলে এলাম। তারপর থেকে আর চোখ বুজতে পারিনি।

    পার্থ বলল, এত দুশ্চিন্তা করছেন কেন? আপনার ধাক্কাতেও তো কাচ ভাঙতে পারে।

    ইম্পসিবল। ওটা অত্যন্ত মজবুত জিনিস। বিখ্যাত ফার্নিচার কাপ ল্যাজারাসের মাল। কতবার টানাহেঁচড়া হয়েছে, এদিক থেকে ওদিক সরেছে, ধাক্কাটাক্কাও কম খায়নি…। তা ছাড়া শুধু ক্রকারি কেসই নয়, মাত্র তিন রাতে কত কী যে গেল!

    এই সেন্টার টেবিলটাও তো গেছে।

    ওটা তো বিচ্ছিরিভাবে ভাঙল। মোটা মোমবাতি জ্বলে মির্না ওটার ওপর বসানোর চেষ্টা করছিল, খস করে ঝরে গেল। চারপাশে কাচ, মধ্যিখানটা ফাঁকা, কী ভয়ংকর বলো!

    কাল বন্ধ ঘর থেকে কোনও আওয়াজ পেয়েছিলেন? না। হোলি স্পিরিট বোধ হয় কাল সারারাত বাইরেই ছিলেন। ও ঘরে তো তিনি ক্ৰোধ দেখিয়েছেন পরশু।

    আপনার ঘরের দেওয়াল-আলমারিও তো পরশু রাতেই ভেঙেছিল। তাই না?

    রাত্তিরে নয়, সন্ধেবেলা। জোনাথনের চোখ বিস্ফারিত হল। যেন কল্পচোখে সন্ধেটাকে দেখতে পাচ্ছেন এমনভাবে বললেন, গরমে গায়ে র‍্যাশ বেরোচ্ছে, তাই মলম বার করতে গেছিলাম। যেই না পাল্লা ধরে টেনেছি, অমনি দুটো ফ্রেমেরই কাচ খসে গেল। একশো চল্লিশ বছরের পুরনো আলমারির কাচ কি করে আপনাআপনি খসতে পারে?

    তখন বাড়িতে আপনারা কে কে ছিলেন?

    সবাই। আমি মির্না ডিক উৎপল।

    মিসেস জোনস?

    উনি তখন চলে গেছেন।

    এ ঘরের বা টিউব ফেটেছিল কখন?

    সে তো সন্ধে হতে না-হতেই। বিকেলে আমার হাঁটতে বেরোনোর অভ্যেস আছে। টুকটুক করে রয়েড স্ট্রিট, রফি আহমেদ কিদোয়াই রোড ধরে, পার্ক স্ট্রিটের মোড় পেরিয়ে, থিয়েটার রোড হয়ে, ম্যাকফারসন স্কোয়ার পর্যন্ত যাই। পাকা এক মাইল! ওখানে একটু জিরিয়ে সন্ধের মুখে মুখে ফিরে আসি। আমি এলে তবে মিসেস জোনস বাড়ি যান। পরশু বেড়িয়ে ফিরেছি, মিসেস জোনস যাব যাব করছেন, তখনই গেল।

    তখন বাড়িতে আর কে ছিলেন? উৎপল ছিল কি?

    জোনাথান একটু চিন্তা করলেন, হ্যাঁ, উৎপল ছিল। ডিকও ছিল। ডিক তো ভ্যাবাচাকা খেয়ে দৌড়ে ইলেকট্রিক মিস্ত্রি ডাকতে ছুটল। কিন্তু রোবরার কি মিস্ত্রি পাওয়া যায়? জোনাথান অনেকক্ষণ পর মৃদু হাসলেন, জীবনে এই প্রথম দেখলাম ডিক বেশ নার্ভাস হয়েছে। এবং বিশ্বাস করছে হোলি স্পিরিটের কী শক্তি। কাল ইলেকট্রিক লাইন চেক করানোর পর ও তো একেবারে নিঃসন্দেহ।

    হোলি স্পিরিটে ফেথ এলেও ডিক কিন্তু বদলায়নি মিস্টার মাইকেল। ঐলি ঠেলতে ঠেলতে মিসেস জোনস ঢুকলেন। গোমড়া মুখে বললেন, হি ইজ স্টিল দাসেম অ্যারোগেন্ট গাই। ড্যাডির জন্য সামান্যতম ফিলিং নেই। নইলে কোনও ছেলে বাবাকে বলতে পারে, এর পর বাড়িতে একা মরে পড়ে থাকবে… সকালবেলা কোনদিন এসে আমি তোমার লাশ আবিষ্কার করব… তোমাকে বাঁচিয়ে রাখা তোমার ছেলেমেয়ের কম্মো নয়!

    পার্থ দাঁত কিড়মড় করল, মহা পাজি ছেলে তো! ওকে একটু ডাকা যায় না? কড়কে দিয়ে যেতাম।

    মিতিন চোখের ইশারায় চুপ করতে বলল পার্থকে। মুখে হাসি হাসি ভাব ফুটিয়ে মিসেস জোনসকে বলল, আপনি তো অনেক দিন আছেন, আপনি একটু বকতে পারেন না?

    ও কারুর কথাই কানে তোলে না। মিসেস জোনস চায়ের কাপ ডিশ তুলে দিলেন পার্থ মিতিনের হাতে। বেশ কিছু মুচমুচে স্যান্ডুইচও বানিয়ে এনেছেন টোস্টারে। ট্রলি সামনে এগিয়ে দিয়ে বললেন, নাও, গরম গরম খেয়ে নাও।

    এত কেন? আমরা ব্রেকফার্স্ট করে বেরিয়েছি।

    খাবে না? তোমাদের জন্য করলাম?

    পার্থ বলল, মন খারাপ করবেন না। আমি একটা খাচ্ছি।

    একটা নয়, পর পর তিনখানা স্যান্ডুইচ নিমেষে সাবাড়। মিতিন চায়েই সন্তুষ্ট। টুপুর শরবত নিল এক গ্লাস।

    কাপ ট্রলিতে নামিয়ে রেখে মিতিন বলল, আচ্ছা, ডিকের সঙ্গে মির্নার রিলেশান কেমন?

    খুব খারাপ। মির্না তো ডিককে সহ্যই করতে পারে না। উৎপলের সঙ্গে তাও গল্পটল্প করে, মির্নার সঙ্গে কথাই হয় না।

    তা উৎপলবাবু তো ডিককে একটু বোঝাতে পারেন।

    জোনাথন বিষণ্ণভাবে ঘাড় নাড়লেন, ডিকের টাইপটাই আলাদা। ছোট থেকেই। মতের অমিল হল, তো অমনি ফাটাফাটি। কালই তো তোমার বাড়ি থেকে ফিরে উৎপল বলছিল, তুমি নাকি সাসপেক্ট করছ সুরজমল কোনও নোংরা খেলা খেললেও খেলতে পারে। আমি অবশ্য তোমার সঙ্গে একমত নই। তাও আমি চুপচাপ শুনলাম, কোনও কমেন্ট করিনি। ভাবলাম ও যদি ইনভেস্টিগেট করাতে চায় তো করাক, ওর মনের অবিশ্বাসটা তো ঘুচবে। ডিক তো শুনেই ফায়ার। কী চোটপাটটাই না করল উৎপলের ওপর। তুমি অত্যন্ত মীন, প্রোমোটার মাত্রই খারাপ হয় না, কোনও লোকের টাকা আছে দেখলেই তোমার চোখ টাটায়, এরকম অজস্র আকথাকুকথা। উৎপলকে গালাগাল করতে করতেই নাইট ডিউটিতে বেরিয়ে গেল।

    মিতিনের দৃষ্টি জোনাথনে স্থির হল, ডিকের কথা থাক মিস্টার মাইকেল। আপনার কি সত্যিই সন্দেহ হয় না, এসব কীর্তিকলাপের পেছনে সুরজমল থাকলেও থাকতে পারে?

    সন্দেহের তো কারণ থাকবে?

    লোকটা সকালে এল, সন্ধে থেকে আপনার কাচ ভাঙতে শুরু করল। আগের বারও লোকটা ফোন করার পরেই আপনার ফার্নিচার রুমে হট্টগোল শুরু হল। যোগাযোগগুলো কি নেহাতই কাকতালীয়?

    আমার তো তাই মনে হয়।

    সুরজমল সম্পর্কে আপনার কী অ্যাসেসমেন্ট?

    মহা ঘুঘু। এই শনিবারই তো এসে আমায় একটা প্যাঁচ দেওয়ার চেষ্টা করেছিল। সক্কালবেলা, আমি তখন গোলাপগাছে জল দিচ্ছি, কোথথেকে এক পাংক চুল সাধু নিয়ে হাজির। দুজনেরই কপালে ঘটা করে রক্তচন্দনের টিকা। এসে কী বিনয়! গদগদ সুরে বলছে, থ্যাংক ইউ, থ্যাংক ইউ মিস্টার মাইকেল। আপনি যে শেষ পর্যন্ত বাড়িটা আমায় সেল করতে রাজি হয়েছেন তার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ। দিনটাও ভাল বেছেছেন, রাতে মায়ের পুজো। চলুন, সইসাবুদ সেরে আজই অ্যাডভান্স দিয়ে দিই। আমি তো তাজ্জব! আমি কবে বললাম বাড়ি বেচব? কথাটা বলতেই সুরজমল অ্যাক্টিং শুরু করে দিল। ইনিয়ে বিনিয়ে বলে, আমিই নাকি ওকে ফোন করে ডেকেছি, এখন পিছিয়ে যাওয়াটা আমার অনৈতিক কাজ হবে…! শুনে তদ্দণ্ডেই আমি বললাম, ঝুট মত কহে। ভাগো হিয়াসে।

    সঙ্গে সঙ্গে চলে গেল?

    বেজার মুখে দাঁড়িয়ে ছিল একটুক্ষণ। তারপর এক গ্লাস জল চাইল। ওইটুকু ভদ্রতা আমি করেছি।

    পার্থ চোখ সরু করে প্রশ্ন করল, জল আনতে আপনিই নিশ্চয়ই ভেতরে গিয়েছিলেন?

    তো? জোনাথন হোঁচট খেলেন, কী হয়েছে তাতে?

    ভাবছি ওই গ্যাপটাতে সুরজমল না কিছু করে দিয়ে থাকে।

    অসম্ভব। আমি মাত্ৰ মিনিট তিনেকের জন্য ভেতরে গিয়েছিলাম।

    তিন মিনিট কম সময় নয়। পার্থ মাথা দোলাল, মাত্র দেড় সেকেন্ডেরও কম সময়ে চাঁদ থেকে পৃথিবীতে আলো আসে। …আচ্ছা, ওই গুরুদেবটির হাবভাব কেমন ছিল? মানে হোয়াট হি ওয়াজ ড়ুয়িং হিয়ার?

    আমার গোলাপ গাছগুলো দেখছিলেন মন দিয়ে।

    কোনও ফুল ছিঁড়েছিলেন কি? কারণ ওঁরা ফুল দিয়েই অনেক সময়ে…।

    তুমি থামবে? পার্থকে হালকা ধমক দিল মিতিন। জোনাথনকে বলল, আপনার হোলি স্পিরিটের সমস্যা তো মিটতে চলেছে। আমি উৎপলবাবুকে বলেছি এক্সট্রা ফার্নিচার বের করে দেওয়ার জন্য। উনি রাজিও হয়েছেন।

    জানি। সম্ভবত আজ দুপুরেই উৎপল সরিয়ে দেবে।

    মিসেস জোনস চলে গিয়েছিলেন, মাঝে ফিরে এসে কথাবার্তা শুনছিলেন। খুশি খুশি মুখে বললেন, থ্যাংক গড। উৎপলের তা হলে সুমতি হল! সুখবরটা এতক্ষণ জানাননি কেন মিস্টার মাইকেল? মিসেস জোনস বুকে ক্রশ আঁকলেন, প্ৰভু যিশুর কৃপায় এবার আশা করি সব মিটে যাবে।

    অবসাদ কাটিয়ে ওঠা জোনাথন আবার যেন একটু ঝিমিয়েছেন। নিচু গলায় বললেন, কিন্তু ডিক তো তা মানতে চাইছে না। এই নিয়েই তো কাল মির্না উৎপলের সঙ্গে ওর বেধে গেল।

    কী বলছিল ডিক?

    মির্নাদের অ্যাকিউজ করছিল। বলছিল তোমরাই ঘরটায় উটকো জিনিস ঢুকিয়ে হোলি স্পিরিটকে ডিসটার্ব করে দিয়েছ। এখন ওই জঞ্জাল বার করলেই বুঝি প্রবলেম মিটবে? উনি আর কখনও শান্ত হবেন না। এ বাড়ি পারমানেন্টলি হন্টেড হাউস হয়ে গেল।

    ডিকের কথা শুনেই বুঝি আপনি বেশি আপসেট হয়ে পড়েছেন?

    বিচলিত হয়েছি তো বটেই। কাল ওই ক্রকারি কেস ভাঙার পর থেকে শুধুই ভাবছি। ভেবেই চলেছি। একবার মনে হচ্ছে, যা হবে হোক, সবই আমি তাঁর হাতে ছেড়ে দিলাম। আবার ভাবছি, এই দুর্যোগ থেকে পরিত্রাণ পাওয়ার কি আর কোনও উপায় নেই? তিনি কি আর কোনও ভাবেই ঠাণ্ডা হবেন না?

    চিন্তা করবেন না। দেখুন না কী হয়। মিতিন উঠে দাঁড়াল, চলুন, ভাঙচুরগুলো একবার প্রত্যক্ষ করে আসি।

    পাঁচ-দশ মিনিটের মধ্যেই দেখা শেষ। ফার্নিচাররুমটা খুলিয়েও মিতিন দেখে নিল এক বার। জোনাথন গেলেনই না, মিসেস জোও দাঁড়িয়ে রইলেন দরজায়। দুটো চেয়ার গড়াগড়ি খাচ্ছিল মেঝেয়, সেগুলোকে তুলে দাঁড় করিয়ে দিল মিতিন। পার্থ পটাপট কয়েকটা ছবি তুলে নিল ঘরের। পেন্টিংটার, ফার্নিচারের কড়িবরগার। মিসেস জোনস হাঁ হাঁ করছিলেন, পার্থ শুনলই না। ঘর থেকে বেরিয়ে মিতিন বলল, আজ তা হলে আসি?

    মিসেস জোনস বললেন, ডিকের ঘরে যাবে? ডিককে ডাকব?

    থাক। ঘুমাচ্ছে ঘুমোক। বরং চলুন, আপনি আমাদের একটু এগিয়ে দেবেন।

    হাঁটতে হাঁটতে মিসেস জোনসকে তাঁর ঘরগেরস্থালির কথা জিজ্ঞেস করছিল মিতিন। বড় দুঃখের জীবন বেচারির। মিস্টার জোনস ছবি বাঁধাইয়ের কাজ করতেন, বাস থেকে পড়ে গিয়ে কোমরে জোর চোট পেয়েছিলেন, প্রায় বছর তিনেক তিনি একেবারেই শয্যাশায়ী। একটিমাত্র ছেলে বিয়ে করে আলাদা হয়ে গেছে, বাবা-মার খবর রাখে না, একা মিসেস জোনসকেই সংসারের ঘানি টানতে হয়। এ বাড়ির লোকজনের ওপর মিসেস জোনসের অসীম মায়া।

    টুপুরের বেশ কষ্ট হচ্ছিল মিসেস জোনসের জন্য। সত্যি, কত মানুষের কত যন্ত্ৰণা।

    গলির মুখ অবধি এসে ফিরে গেলেন মিসেস জোনস। ক্যামেরা টুপুরের হাতে ধরিয়ে দিয়ে তড়িঘড়ি প্রেসে দৌড়ল পার্থ। ভূতের বাড়ি, কাচ ভাঙা, স্যান্ডুইচ, সব মিলিয়ে আজকের অভিযান নিয়ে সে মোটামুটি সন্তুষ্ট। শুধু একটাই আফশোস, উৎপলদের জিমনাসিয়ামটা দেখা হল না। নাদিয়া এখনও ঝাঁপ খোলেনি।

    অলস পায়ে হাঁটছিল মিতিন। অপ্রশস্ত ফুটপাথ ধরে।

    পাশাপাশি তাল মিলিয়ে চলতে চলতে টুপুর জিজ্ঞেস করল, তোমার কী মনে হয় মিতিনমাসি? চেয়ার টেবিল বার করে দিলেই ব্যাপারটা মিটে যাবে?

    মোটেই না। কাচ ভাঙার নেচার বলে দিচ্ছে সমস্যাটা সরল নয়। ভূত বাবাজি ক্রমেই মরিয়া হচ্ছেন।

    মানে?

    জিনিস বেরোনোর পরেও কাচ ভাঙবে। আর আমি সেটাই চাই।

    টুপুরের বুক ধুকধুক করে উঠল। কেস মনে হয় জমছে!

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleমিতিনমাসি সমগ্র ২ – সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    Next Article বিষ – সুচিত্রা ভট্টাচার্য

    Related Articles

    সুচিত্রা ভট্টাচার্য

    গল্প সমগ্র – সুচিত্রা ভট্টাচার্য

    December 5, 2025
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য

    অন্য বসন্ত – সুচিত্রা ভট্টাচার্য

    December 5, 2025
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য

    কাছের মানুষ – সুচিত্রা ভট্টাচার্য

    December 5, 2025
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য

    হেমন্তের পাখি – সুচিত্রা ভট্টাচার্য

    December 5, 2025
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য

    অলীক সুখ – সুচিত্রা ভট্টাচার্য

    December 5, 2025
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য

    আলোছায়া – সুচিত্রা ভট্টাচার্য

    December 5, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }