Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    মিতিনমাসি সমগ্র ১ – সুচিত্রা ভট্টাচার্য

    সুচিত্রা ভট্টাচার্য এক পাতা গল্প667 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ০২. কালই ভোরে রওনা

    আপনারা কি কালই ভোরে রওনা দিচ্ছেন?

    ইচ্ছে তো সেরকমই ছিল। কিন্তু বুকিং পেলাম না যে। কাল পরশু দুদিনই থলকোবাদ ফুল। এটাও রুম খালি নেই।

    হুম। এই সময়টায় জঙ্গলে একটু ভিড় থাকে বটে। শীতকালেও লোকজন হয়, তবে এতটা নয়। এখন তো ছেলেমেয়েদের সব পরীক্ষা শেষ, তাই খুব টুরিস্ট আসছে।

    আপনার হোটেলও তো ভর্তি?

    পুরা ভর্তি। আপনারা আর একটু লেট করে এলে জায়গা দিতে পারতাম না।

    শ্ৰীকৃষ্ণ হোটেলের দোতলার বারান্দায় বসে হোটেল-মালিকের সঙ্গে কথা বলছিল পার্থ। এখন বসে বসে গল্প করা ছাড়া উপায়ও নেই। ঝমঝম বৃষ্টি হচ্ছে বাইরে। বাজ পড়ছে কড়াত কড়াত, বিদ্যুতের চমকে ফালা ফালা হয়ে যাচ্ছে আকাশ। হাওয়াও বইছে জোর, অনেকটা ঝড়ের মতো। ভাগ্যিস বারান্দাটা ঢাকা, নইলে এখানে বসা যেত না।

    টুপুরেরও ঘরে মন টিকছিল না। সেও এসে বসেছে বারান্দায়। মেজাজটা তার টকে গেছে। ভেবেছিল আজ বিকেল সন্ধেটা চাইবাসার রাস্তায় ঘুরে বেড়াবে মিতিনমাসির সঙ্গে। বৃষ্টি সব মাটি করে দিল!

    হোটেল-মালিকটা বাঙালি। নাম অনন্ত চ্যাটার্জি। বাঙালি বোর্ডার দেখে নিজে থেকেই আলাপ জমাতে এসেছেন, খোঁজখবর নিচ্ছেন পার্থদের। অনন্তর কথায় সামান্য পশ্চিমি টান আছে। সম্ভবত দীর্ঘকাল চাইবাসায় থাকার কারণেই।

    টুপুররা চাইবাসা পৌঁছেছে বিকেলবেলায়। জামশেদপুর থেকে সাড়ে বারোটা নাগাদ খেয়েদেয়ে রওনা দিয়েছিল। মাত্ৰ পয়ষট্টি কিলোমিটার রাস্তা, ভেবেছিল গাড়িতে ঘন্টা দেড়-দুই লাগবে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত পড়ল প্রায় তিন ঘণ্টারও বেশি। গোটা পথটাই বেজায় খারাপ, খানাখন্দে ভরা। সামলেসুমলে চলেও একবার টায়ার পাংচার হল। গোদের ওপর বিষফোড়া, বুমবুম বারতিনেক বমি করল গাড়িতে। সকাল থেকে চিপস চিবিয়েছে, জামশেদপুরে নেমে একটা কোল্ডড্রিংকসও খেয়েছিল, জোর করে তাকে খানিকটা ভাতও গেলানো হয়েছিল হোটেলে। দফায় দফায় সব উগরে দিল বুমবুম। গোটা পথ নেতিয়ে পড়ে রইল মা মাসির কোলে। একে গাড়ির ঝাঁকুনি তে সকলেরই কোমরের বল-বেয়ারিং খুলে যাওয়ার দশা, তার সঙ্গে অসুস্থ বাচ্চা, চাইবাসায় এসে হোটেল খোঁজাখুঁজির ঝকমারিতে আর যায়নি কেউ। বড় রাস্তার ওপর শ্ৰীকৃষ্ণ হোটেলের হোর্ডিং দেখেই ঢুকে পড়েছে তৎক্ষণাৎ।

    এখন অবশ্য দেখছে হোটেলটা মন্দ নয়। অনন্তবাবুর হোটেলে দিব্যি একটা ঘরোয়া পরিবেশ আছে। রুমগুলোও বেশ পরিচ্ছন্ন। জনা তিন-চার কর্মচারী সর্বক্ষণ ছোটাছুটি করছে ঘরে ঘরে। শুধু এই বৃষ্টিটুকু না এলে টুপুরের আর কোনও আফসোস ছিল না। সারাটা পথ ঝকঝক করছিল রোদ্দুর, রাস্তায় চাকা বদলানোর সময়ে গা হাত পা তো ঝলসে যাচ্ছিল, হঠাৎ চাইবাসাতেই যে কোত্থেকে অনাসৃষ্টি মেঘটা এল?

    পাহাড়ি জায়গায় অবশ্য এরকম হয়, টুপুর জানে। গত বছর ক্লাস সেভেনের অ্যানুয়াল পরীক্ষার পর এই সময়টাতেই গ্যাংটক বেড়াতে গিয়েছিল তারা। সেখানেও এরকম হঠাৎ বৃষ্টি, হঠাৎ রোদ্দুর। তবে চাইবাসার পাহাড় আর হিমালয় কি এক? না কি সব পাহাড়েরই এক নিয়ম? সে কী বা ছোট, কী বা বড়!

    পাৰ্থ সিগারেট আনতে ঘরে উঠে গিয়েছিল। ফিরে এসে প্যাকেটটা বাড়িয়ে দিল অনন্তবাবুকে। অনন্ত হাতজোড় করে বললেন, ধন্যবাদ। আমার চলে না।

    খুব ভাল করেছেন, বাজে নেশাটা করেননি। বলতে বলতে পার্থ ধরিয়েছে সিগারেট। বারান্দায় খানচারেক বেতের সোফা, মধ্যিখানে কাচের টেবিল। টিউবের আলোয় ঝলমল করছে জায়গাটা। যেন মিনি লাউঞ্জ। কয়েকটা বাঁধানো ছবিও ঝুলছে দেওয়ালে। পাহাড় জঙ্গল জলপ্রপাত…

    একটা ছবির দিকে আঙুল দেখিয়ে পার্থ বলল, ওটা কোন ফলস?

    হুড্রু।

    রাঁচির?

    হ্যাঁ। বর্ষাকালে তোলা তো, জল উপচে পড়ছে।

    এদিকে কাছেপিঠে কোনও ফল্‌স নেই?

    হুড্রুর মতো নেই। তবে আছে। হিরনি ফল্‌স। কাল পরশু তো ফ্রি আছেন আপনারা, ওখান থেকে ঘুরে আসুন না।

    টুপুরের মনটা নেচে উঠল। জিজ্ঞেস করল, হিরনি ফলস এখান থেকে কদ্দুর।

    কত আর, চল্লিশ-পঞ্চাশ কিলোমিটার হবে। বাস যায়, গাড়ি ভি যায়।

    মিতিন বেরিয়ে এসেছে ঘর থেকে। দরজায় দাঁড়িয়ে বলল, রুটটা আমি জানি। হেসাডি বলে একটা আদিবাসীদের গ্রাম আছে, সেখানে নেমে দুতিন কিলোমিটার হাঁটতে হয়।

    বিলকুল ঠিক। কাল সারাদিন ওখানেই তবে আউটিং করে আসুন। যদি বলেন তো লাঞ্চও প্যাক করে দিতে পারি।

    এখানে কী কী দেখার আছে?

    চাইবাসা ছোট টাউন, এখানে আর কী দেখবেন। অনন্ত মৃদু হাসলেন, কয়েকটা বড় বড় তালাও আছে…এখানে তালাওকে বলে বাঁধ। রানিবাঁধ, শিববাঁধ, মধুবাঁধ…। আপার চাইবাসাও সুন্দর। মাঠ বাগান গভর্নমেন্ট বাংলো… হ্যাঁ, মুংগালাল রুংটা গার্ডেন কিন্তু জরুর দেখবেন।

    কাল হিরনি ফলস ঘুরে এসে এত সব দেখা যাবে?

    জলদি জলদি ফিরলে দেখতে পাবেন। অনন্ত ফের হাসলেন, তাড়াহুড়োর কী দরকার, আপনারা তো পরশু দিনটাও আছেন।

    মিতিন ঠোঁট টিপে বলল, আমার একটু অন্যরকম প্ল্যান ছিল। চাইবাসা থেকে সারান্ডা তো প্রায় সওয়াশো কিলোমিটার পথ, আপনাদের এখানে রাস্তার হালও তো খুব সুবিধের নয়, তাই ভাবছিলাম জার্নির গোটা ধকলটা এক দিনে না নিয়ে যদি পরশু সকালে বেরিয়ে পড়ি, এবং রাতে মেঘাতুবুরুতে থেকে যাই..

    পার্থ ভুরু কুঁচকোল, হঠাৎ মেঘাতুবুরুতে হল্ট করার শখ জাগল যে? মুকুলবাবুর ভূত ঘাড়ে চাপল নাকি?

    মোটেই না। আমি কলকাতা থেকেই ভেবে রেখেছিলাম চান্স পেলে একটা রাত অন্তত মেঘাতুবুরুতে থাকব। ওখানে চমৎকার একটা সানসেট পয়েন্ট আছে। তা ছাড়া মেঘাতুবুরু থেকে গোটা সারান্ডা রেঞ্জটাকেই নাকি ছবির মতো দেখা যায়।

    আপনার আইডিয়াটা খারাপ নয় ম্যাডাম। অনন্ত সমর্থন জানালেন মিতিনকে, মেঘাতুবুরু থেকে বরং পরদিন সকালে টুক করে জঙ্গলে ঢুকে পড়বেন।

    পার্থ আর গাঁইগুই করল না। উঠে পড়েছে কাঁধ ঝাঁকিয়ে। অলস পায়ে চলে গেল সহেলিদের ঘরে। অ্যাম্বাসাডরের ঝাঁকুনিতে সহেলির কোমরে একটা খটকা লেগেছে, তিনি এখন পেনকিলার খেয়ে শায়িত। অবনী ঘোরাঘুরি করছেন আমাজনের পাড়ে।

    বৃষ্টি এখনও থামেনি। বজ্রবিদ্যুতের প্রকোপ কমেছে, তবে ধারাবৰ্ষণ চলছে একই দাপটে। টুপুর ছোট্ট একটা হাই তুলে বলল, তুৎ, কিছু করার নেই এখন। যাই, আমিও শুয়ে পড়ি গিয়ে।

    অনন্ত হা হা হেসে উঠলেন, মনখারাপ করছ কেন? দ্যাখো না, বৃষ্টি ধরল বলে। তারপরই আকাশ একদম ঝকঝক করবে।

    অসম্ভব। এই বৃষ্টি সারারাতেও থামার নয়।

    আর আধা ঘণ্টা দ্যাখো। এখানকার বৃষ্টির নেচারটাই আলাদা। চৈত্র মাসটায় প্রায়ই এরকম হয়। বিশেষ করে দিনের বেলা যদি বেশি গরম থাকে।

    মিতিন টেবিল থেকে একটা ম্যাগাজিন তুলে ওলটাচ্ছিল। রেখে দিয়ে বলল, আপনি এখানে কতদিন আছেন অনন্তবাবু?

    জন্ম থেকে।

    আপনাদের বরাবরই হোটেলের ব্যবসা?

    না। আমাদের ফ্যামিলি বিজনেস আলাদা। বাপ-ঠাকুরদাদার ফার্নিচারের বিজনেস ছিল, আমিই বিপথে এসেছি।

    কেন?

    রাঁচি থেকে হোটেল ম্যানেজমেন্ট পাশ করেছিলাম। বিদ্যেটা কাজে লাগানোর সাধ হল, বাবাও কিছু টাকা দিলেন, আমিও নেমে গেলাম নতুন ধান্দায়। ফার্নিচারের দোকান অবশ্য আছে এখনও। ফরেস্ট অফিস থেকে বেরিয়ে যেখানে বড় রাস্তায় পড়লেন, ওই চকটায়।

    তার মানে আপনারা এখানে কয়েক পুরুষের বাসিন্দা?

    তিন পুরুষের। আমার ঠাকুরদাদা চলে এসেছিলেন কলকাতা থেকে। নোকরি করতেন গুয়ায়। আয়রন মাইনে। একবার এক লালমুখো সাহেবের সঙ্গে কী ঝগড়া হয়েছিল, নোকরি ছেড়ে দিয়ে সোজা এসে উঠলেন চাইবাসায়। লেখাপড়ায় খুব ইন্টারেস্ট ছিল ঠাকুরদাদার, এখানে একটা স্কুল বানিয়েছিলেন। চাইবাসায় তো বহু বাঙালি আছে, তাদের জন্য বাংলা মিডিয়াম স্কুল। এখন অবশ্য স্কুলটা গভর্নমেন্ট নিয়ে নিয়েছে।

    মিতিন শেষ কথাগুলো যেন শুনল না। বলল, আপনি যখন জন্ম থেকেই এখানে, তখন নিশ্চয়ই এদিককার পুরনো লোকজনদের সব চেনেন?

    জরুর।

    পুরুষোত্তম সিংহকে চেনেন?

    জামদার সিংহ? ভালই চিনি। বছর চল্লিশের গাঁট্টাগোট্টা চেহারার অনন্তর চোখে কৌতূহল, আপনি পুরুষোত্তম সিংহকে চিনলেন কী করে?

    ট্রেনে আসতে আসতে ওঁর এক ছেলের সঙ্গে পরিচয় হল। মুকুল সিংহ।

    ও। এই মুকুলের কথাই বলছিলেন আপনার হাজব্যান্ড?

    হ্যাঁ। মুকুলবাবুর মুখে শুনছিলাম ওঁর বাবা নাকি এখানকার খুব নামী ব্যবসায়ী।

    শুধু ব্যবসায়ী? পুরুষোত্তম সিংহ একটি ক্যারেক্টার ম্যাডাম। নামেও সিংহ, কাজেও সিংহ। এখন বয়স হয়ে জোশ কমেছে, কিন্তু এককালে কত যে খুন-জখম করেছেন তার ইয়ত্তা নেই। যার সঙ্গে বনল না তাকেই ফটাস। লাশ ভি হাপিস। আস্ত মানুষটাই নাকি বেমালুম ভ্যানিশ করে যেত, বাবা ঠাকুরদাদার মুখে শুনেছি।

    তাই বুঝি? তা মুকুলবাবুকে তো মোটামুটি নিরীহই মনে হল।

    মুকুল সিংহ তো রাবণের বেটা রামচরণ।

    মানে?

    বাপের একেবারে উলটো। অযোগ্য। অপদার্থ। না-লায়েক। ছোটবেলায় একবার বাড়ি থেকে পালিয়ে গেছিলেন মুকুলবাবু, পুরুষোত্তম সিংহ তাঁকে পাটনা থেকে ধরে আনেন। লেখাপড়াতেও তেমন মাথা ছিল না। বাপ হয়রান হয়ে ছেলেকে পাঠিয়ে দেন খড়্গপুরে, এক বোনের বাড়িতে। সেখানেই মানুষ হয়েছেন মুকুলবাবু। তবে ওঁর ছোট ভাইটা বহুত সেয়ানা। বিলকুল বাপ কা বেটা। চাইবাসাতেই হস্টেলে থেকে পড়ত বিকাশ, আমার থেকে এক ক্লাস জুনিয়ার ছিল। তখন থেকেই তো দেখেছি, মাথা খুব সাফ। বহুত সাহস ভি আছে বিকাশের। এখন দশ হাতে বাপের বিজনেস বাড়াচ্ছে।

    তা দাদা বিজনেসে নেই কেন? ছোট ভাই কি দাদাকে আউট করেছে?

    না ম্যাডাম। মুকুলবাবুর বিজনেস করার ক্ষমতাই নেই। খুন এক হলেও সব ভাই কি এক টাইপের হয়? যে বেশি কাবিল, সেই ব্যবসা সামলাবে, এটাই তো দুনিয়ার নিয়ম। তা ছাড়া মুকুলবাবুর আরও কিছু প্রবলেম আছে।

    কী প্রবলেম?

    অনন্ত কী একটা বলতে গিয়েও থেমে গেলেন, আরে ছাড়ুন ম্যাডাম। সবাই আমরা এক মুলুকের লোক, কী হবে মিছিমিছি নিন্দে করে। কোথায় কী উড়ো কথা শুনলাম তাই দিয়ে একজনের বদনাম করা ঠিক হবে না।

    কেন, কী শুনেছেন?

    বললাম তো, ছাড়ুন। অনন্ত উঠতে উঠতে টুপুরকে বললেন, এই যে মেয়ে, দ্যাখো বাইরে বৃষ্টি থেমে গেছে কি না।

    বারান্দার ঘেরাটোপ তুলে দিয়ে টুপুর হাঁ। কোথায় বৃষ্টি, আকাশে দিব্যি তারা ফুটে গেছে। উত্তরে একটু একটু বিদ্যুৎ চমকাচ্ছে বটে, তবে তা অনেক দূরে, আকাশের একেবারে শেষ প্রান্তে।

    টুপুর প্রায় নেচে উঠল, মিতিনমাসি, এখন বেরোবে?

    অনন্ত বললেন, যান না, ঘুরে আসুন। চাইবাসা বহুৎ পিসফুল জায়গা। সবে সাড়ে সাতটা বাজে, আরামসে নটা-দশটা অবধি বেড়াতে পারবেন।

    অনন্ত চলে যাওয়ার পরও মিতিন বসে আছে চুপটি করে। টুপুর ঠেলল তাকে, কী গো, চলো।

    মিতিন অন্যমনস্কভাবে বলল, হুঁ, যাই। ঘরে গিয়ে দ্যাখ তোর বাবা-মা বেরোবে কি না।

    নগর পরিক্রমার নাম শুনেই সহেলির কোমরের ব্যথা উধাও। অবনী বেরোলেন না, বুমবুম ঘুমাচ্ছে অকাতরে, পার্থ তার কাছে একা থাকে কেন! বরং টুপুররা ঘুরতে গেলে দুই ভায়রাভাই মনের সুখে দাবা খেলতে পারবে।

    বাইরেটা এখন ভারী মনোরম। ঝড়বৃষ্টি এসে দিনের উত্তাপটাকে যেন শুষে নিয়ে গেছে। স্নিগ্ধ বাতাস বইছে। বসন্তের হাওয়া, কিন্তু ভেজা ভেজা, ঠাণ্ডা ঠাণ্ডা। শরীর জুড়িয়ে যায়। আকাশে চাঁদও উঠেছে। আধখানা চাঁদ। আর দিনসাতেক পরেই পূর্ণিমা।

    বড় রাস্তা ধরে হাঁটছিল টুপুররা। খানিক উত্তরে যেতেই এক জমজমাট জায়গা। সার সার অ্যাম্বাসাডর আর জিপ দাঁড়িয়ে আছে। ভাড়ার গাড়ি। কালকের হিরনি যাওয়া নিয়ে বেশ কয়েকজন জিপের ড্রাইভারের সঙ্গে দরকষাকষি করল মিতিন। শেষমেশ বয়স্ক একজনকে পছন্দ হল, তাকেই গাড়ি নিয়ে সকাল নটা নাগাদ চলে আসতে বলল শ্ৰীকৃষ্ণ হোটেলে। তারপর সোজা বাজার। কলকাতা থেকে রওনা হওয়ার সময় তাড়াহুড়োতে অনেক কিছু নেওয়া হয়নি, মনে করে করে জিনিসগুলো কিনল মিতিন। মোমবাতি, দেশলাই, দড়ি, ব্লেড, ব্যাটারি, মশা তাড়ানোর ধূপ, ডেটল, ব্যান্ড-এড আর কয়েকটা ওষুধ। বুমবুমের জন্য কালার বুকও নিল একটা, সঙ্গে এক বাক্স রংপেনসিল। পাহাড় জঙ্গল দেখে যদি বুমবুমের ছবি আঁকার সাধ জাগে। ক্যামেরার ফিল্ম কিনল তিন রোল। পার্থ ভরবে ক্যামেরায়।

    সহেলি বললেন, চল, এবার একটু শাড়ি-জামার দোকানে যাই।

    মিতিন আকাশ থেকে পড়ল, কেন? শাড়ি জামা শর্ট আছে?

    আহা, চাইবাসার কিছু স্মৃতি নিয়ে যেতে হবে না?

    টুপুর হাসতে হাসতে বলল, মা যেখানেই বেড়াতে যায়, সেখানকার শাড়ি কেনে। কটকে গেলে কট্‌কি, বাঙ্গালোর গেলে বাঙ্গালোর সিল্ক, তামিলনাড়ুতে কাঞ্জিভরম…

    মিতিন হেসে কুটিপাটি, এখানে তুই চাইবাসার সিল্ক খুঁজবি নাকি বড়দি? ওরকম কিছু কিন্তু পাওয়া যায় না।

    বোন আর মেয়ের হাসিও পুরোপুরি নিরস্ত করতে পারল না সহেলিকে। তিনি ঘুরে ঘুরে স্থানীয় হাতের কাজ কিনলেন কিছু। আদিবাসীদের হাতে তৈরি কাঠের পুতুল, ছোট ছোট মুখোশ…। কলকাতা গিয়ে একে-তাকে উপহার দিতে হবে তো! প্রায় প্রতিটি বস্তুই কলকাতায় পাওয়া যায়, চাইবাসার থেকে শস্তাও, তবুও।

    ফেরার পথে একটা সিনেমা হলের সামনে দাঁড়িয়ে ফুচকা খেল টুপুররা। কলকাতার মতো স্বাদ নয়, তবু মন্দ কী।

    হোটেলে এসে টুপুররা দেখল পার্থ আর অবনী তখনও দাবাযুদ্ধে মত্ত। বুমবুম উঠে পড়েছে, সে এখন লাউঞ্জের মতো জায়গাটায় বসে গল্প করছে হোটেলের এক কর্মচারীর সঙ্গে। লোকটা আদিবাসী, বছর আটাশ-তিরিশ বয়স। গোল মুখ, গায়ের রং চকচকে কালো, চোখের মণি দুটো অসম্ভব উজ্জ্বল। টুপুররা হোটেলে পা রাখার পর থেকেই লোকটা সর্বক্ষণ হাসিমুখে ফাইফরমাশ খাটছিল টুপুরদের। নামটাও বেশ মিষ্টি। ধানুয়া। সে কথা বলে ভাঙা ভাঙা বাংলায়। তবে বুমবুমের সঙ্গে গল্প করতে তার খুব একটা অসুবিধে হচ্ছে না। কারণ সে শুধু শুনে যাচ্ছে, বুমবুমই বকছে একতরফা।

    টুপুরদের দেখেই বুমবুম বলে উঠল, জানো, ধানুয়াটা কী বোকা! কীসব বলছিল!

    মিতিন কড়া গলায় ধমক দিল, ও কী ভাষা বুমবুম? ধানুয়া তোমার থেকে বড় না? ধানুয়াদাদা বলো। আর বোকা বলছ কেন? কত করে না শিখিয়েছি, বড়দের বোকা বলতে নেই!

    বুমবুম কাঁচুমাচু মুখে বলল, সরি মা। আর বলব না।

    মিতিন সামান্য প্রীত হল। জিজ্ঞেস করল, কী বলছিল ধানুয়াদাদা?

    ওদের গ্রামে নাকি একটা সাধু এসেছে। সাধুবাবা নাকি যাতেই হাত দেয় সেটাই মিষ্টি হয়ে যায়।

    টুপুর বলল, ওমা, সে আবার কী?

    রুপোর মতো সাদা দাঁত বার করে হাসল ধানুয়া, হাঁ দিদি। মধুবাবা যাতে হাত দিবেন, সেইটাই মিঠা বনে যাবেন।

    মানে?

    ধরো পানিতে হাত দিল, পানি মিঠা। তিতা ধরল, তো তিতা মিঠা বনে গেল।

    বুঝলাম না।

    আমি বুঝেছি। মিতিন বলল, ওদের গ্রামে একজন সাধুবাবা এসেছেন, তিনি যাতেই হাত ছোঁয়াচ্ছেন সেটাই মিষ্টি হয়ে যাচ্ছে। কী ধানুয়া, ঠিক বলেছি?

    ধানুয়া মাথা দুলিয়ে বলল, সাধুবাবা না দিদি, মধুবাবা।

    বেশ। নয় মধুবাবাই হল। তা এই মধুবাবা এসেছেন কোত্থেকে?

    জানি না দিদি। কেউ বলে হিমালয় থেকে, কেউ বলে সাগর থেকে। মধুবাবার ছুঁয়ে দেওয়া মিঠা পানিতে সবার সব বিমারি সেরে যাচ্ছে।

    টুপুর অবিশ্বাসের সুরে বলল, তুৎ, যতসব গাঁজাখুরি গল্প।

    ওভাবে বলতে নেই টুপুর। সহেলি চোখ পাকালেন, সাধু-সন্ন্যাসীদের কতরকম অলৌকিক শক্তি থাকে তুমি জানো? ওই শক্তি তাঁরা পান যোগবলে। কঠোর তপস্যা করে।

    যোগবলটা কী মা? টুপুর ফিক করে হাসল, ফুটবলের মতো কিছু?

    ফাজলামি কোরো না। সাধুসন্ন্যাসীদের নিয়ে ঠাট্টা করলে পাপ হয়।

    টুপুর ফের কিছু বলতে যাচ্ছিল, মিতিন হাত তুলে থামাল তাকে। ধানুয়াকে প্রশ্ন করল, তোমার গ্রামটা কোথায়?

    করমপদা।

    সেটা কোথায়?

    মেঘাতুবুরুর পরে। জঙ্গলে। আপনারা তো থলকোবাদ যাচ্ছেন, ওই পথেই পড়বে।

    তাই নাকি? থলকোবাদ থেকে করমপদা কত দূর?

    বেশি নয় দিদি, মাত্র আট মাইল। রোজ কত দূর দূর থেকে লোক আসছে সেখানে। মধুবাবাকে দেখতে।

    সহেলি বললেন, আমরাও তো তা হলে একবার করমপদা ঘুরে যেতে পারি। কত অ্যালোপ্যাথি হোমিওপ্যাথি করলাম, হাঁটুর ব্যথা তো পুরোপুরি সারছে না। যদি মধুবাবার কৃপায়…

    মিতিন বলল, যাওয়াই যায়।

    টুপুর অবাক চোখে তাকাল, মিতিনমাসি, তুমিও এসব বিশ্বাস করো?

    হালকা হাসল মিতিন, আহা, একটা নতুন অভিজ্ঞতা তো হবে।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleমিতিনমাসি সমগ্র ২ – সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    Next Article বিষ – সুচিত্রা ভট্টাচার্য

    Related Articles

    সুচিত্রা ভট্টাচার্য

    গল্প সমগ্র – সুচিত্রা ভট্টাচার্য

    December 5, 2025
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য

    অন্য বসন্ত – সুচিত্রা ভট্টাচার্য

    December 5, 2025
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য

    কাছের মানুষ – সুচিত্রা ভট্টাচার্য

    December 5, 2025
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য

    হেমন্তের পাখি – সুচিত্রা ভট্টাচার্য

    December 5, 2025
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য

    অলীক সুখ – সুচিত্রা ভট্টাচার্য

    December 5, 2025
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য

    আলোছায়া – সুচিত্রা ভট্টাচার্য

    December 5, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }